বন্ধুরা আজকে এই ভিডিওর মধ্যে আপনাদের এমন একটি আয়ুর্বেদিক উপায়ের কথা বলব যেটির সাহায্যে আপনি পেটের গ্যাস থেকে সম্পূর্ণভাবে মুক্তি পাবেন এমনকি আপনার শিরায় শিরায় যে গ্যাস জমে থাকে যেটার কারণে আপনার কখনো বুকে ব্যথা হয় কখনো ঘাড়ে ব্যথা হয় কখনো মাথার যন্ত্রণা হয় মাথা ঝিমঝিম করে মাথা ঘুরে যায় এই ধরনের সকল সমস্যা থেকে আপনি কিন্তু সম্পূর্ণভাবে মুক্তি পাবেন দেখুন গ্যাস কোন মারাত্মক সমস্যা না এসিডিটি এবং গ্যাস এটা কমন সমস্যা কিন্তু এই গ্যাস এসিডিটি সমস্যা যদি দীর্ঘমেয়াদী চলতে থাকে তখন কিন্তু এটা মারাত্মক হয়ে যায় আমাদের শরীরে নানা রকম রোগ ভোগের উৎপত্তি হয় এই গ্যাস অ্যাসিডিটি থেকে কারণ
আপনি যখন দীর্ঘমেয়াদী গ্যাস এসিডিটির সমস্যাতে ভুগছেন তখন কিন্তু আপনার ডাইজেস্টিভ সিস্টেম উইক হয়ে যাবে দুর্বল হয়ে যাবে বিভিন্ন রকম আন্তরিক রোগ হতে দেখা যায় অর্থাৎ আমাদের অন্ত্রের নানা রকম রোগ হয় অন্ত্রের মধ্যে ঘা হয় অর্থাৎ আলসার হতে দেখা যায় এই আলসার যদি দীর্ঘমেয়াদী চলে অনেক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে যাদের আন্তরিক ক্যান্সার হয়েছে বা অন্ত্রের ক্যান্সার হয়েছে এটা কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী আলসারের হিস্ট্রি থেকেই পাওয়া গেছে আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে কোলাইটিস হয় বা কোলোনের ক্যান্সার হয় তবে কমন যে সমস্যাগুলো আছে যে দীর্ঘমেয়াদী গ্যাসের সমস্যায় ভুগলে অনেকেই কিন্তু কনস্টিপেশনের সমস্যায় চলে যান আবার এই কনস্টিপেশন বা কোষ্ঠকাঠিণ্য
থেকে মলদারের বিভিন্ন রকম রোগ হয় অরসোফাইলস অনালফিসার এই ধরনের রোগ হতে দেখা যায় যাতে মলদারের মধ্যে ব্যথা হয় সেই জায়গায় ভেন্স গুলো ফুড়ে যায় রক্তপাত হতে দেখা যায় এই সমস্যা তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যেও সারতে চায় না তো মধ্যা কথা হলো যে গ্যাস এসিডিটির সমস্যা অল্প সময়ের মধ্যে হলে সেটা সাধারণ ব্যাপার কিন্তু যারা দীর্ঘমেয়াদী এই গ্যাসের সমস্যায় ভুগছেন শরীর তাদের কোনরকমভাবেই লাগছে না কারণটা হলো যদি আপনি গ্যাসের সমস্যায় দীর্ঘমেয়াদী ভুগে থাকেন যে খাবার-দাবার খাবেন যতই পুষ্টিকর খাবার-দাবার খান না কেন সেই খাবার কিন্তু সঠিকভাবে ডাইজেস্ট হবে না গ্যাস এসিডিটির কারণে আর ডাইজেস্ট না হলে খাবারের মূল
যে তথ্য বা ভিটামিন মিনারেল গুলো আছে সেগুলো আপনার শরীর নিতে পারবে না আপনার শরীর কিন্তু তৈরি হবে না এতে শরীরের মধ্যে উইকনেস লেগে থাকবে ক্রনিকভাবে ফ্যাটিক থাকবে অর্থাৎ ক্লান্তি দুর্বলতাও লেগে থাকবে এছাড়া সমীক্ষায় দেখা গেছে যারা গ্যাস অ্যাসিডিটি সমস্যায় ভোগেন তাদের অধিকাংশ মানুষের মধ্যেই কিন্তু এংজাইটি ডিপ্রেশন জড়িত থাকে এবং এই এংজাইটি ডিপ্রেশনের কারণেও আবার লম্বা সময় ধরে গ্যাস শরীরে তৈরি হতে দেখা যায় এই গ্যাস কিন্তু একদমই পিছু ছাড়ে না আজকে এই ভিডিওর মধ্যে আপনাদের যে আয়ুর্বেদিক উপায়টির কথা বলব সেটিকে যদি আপনি মাত্র সাত দিন প্রয়োগ করেন সঠিকভাবে সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনার শরীরে শিরায় সিরায় এমনকি পেটের
মধ্যে যে গ্যাস জমে আছে সেই গ্যাস কিন্তু সম্পূর্ণভাবে ক্লিয়ার হয়ে যাবে আপনি রোজ যেসব গ্যাসের জন্য ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল খাচ্ছেন বা এন্টাসিড খাচ্ছেন সেগুলো আপনাকে আর কখনোই খেতে হবে না তো সময় নষ্ট না করে আপনাদের সেই চমৎকার আয়ুর্বেদিক উপায়টির কথা বলি যেটির সাহায্যে আপনি আপনার পেটের সব সমস্যা গ্যাস এসিডিটি এমনকি আপনার হজমের সমস্যা থাকলে শিরায় সিরায় গ্যাস জমে থাকলে সবকিছু থেকে পারমানেন্টলি মুক্তি পাবেন এই উপায়টিকে অবলম্বন করার জন্য আমাদের কিছু ঘরোয়া জিনিসের প্রয়োজন হবে প্রাকৃতিক উপাদানের প্রয়োজন হবে তার মধ্যে এক নম্বর হচ্ছে মেথিদানা আমাদের এক চামচ মেথিদানা লাগবে এই মেথিদানার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে
যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের আন্তরিক স্বাস্থ্যের জন্য এক চামচ মেথিদানা নিন তার সঙ্গে আমাদের লাগবে এক চামচ মত ধনিয়া গোটা ধনিয়া লাগবে কিন্তু গুড়া বা পাউডার না তার সঙ্গে আমাদের লাগবে এক চামচ গোটা জিরা এক চামচ গোটা জোয়ান এবং দু চামচ মত মৌড়ি এই যে চার থেকে পাঁচটি ইনগ্রিডিয়েন্টেরর কথা বললাম সবগুলোকে এক গ্লাস নরমাল ঠান্ডা জলের মধ্যে রাত্রে ভিজিয়ে রাখুন আরেকবার আপনাদের বলে দিই এক চামচ মেথিদানা এক চামচ গোটা ধনিয়া এক চামচ জিরা এক চামচ জোয়ান দুই চামচ মত মৌড়ি একসঙ্গে এক গ্লাস জলে রাত্রে ভিজিয়ে দিন এবং সারারাত সেটাকে ভিজতে দিন সকালে দেখবেন যে এই যে
সব ইনগ্রিডিয়েন্ট গুলো নিয়েছেন প্রাকৃতিক উপাদানগুলো নিয়েছেন সবের র মলিকিউল বা এক্সট্র্যাক্ট গুলো জলের মধ্যে মিশে যাবে বা সুসে নেবে জলটার কালার খানিকটা কালোচা বা লিকার চায়ের মত হয়ে যাবে সকালবেলায় একটি ছাকনির সাহায্যে সুন্দর করে ছেকে নিন ছেকে নিয়ে ওই জলটাকে আপনি ব্রেকফাস্টের কিছুক্ষণ পর আস্তে আস্তে করে পান করে নিন এবং ছাকনির মধ্যে যেসব উপাদানগুলো থাকবে অর্থাৎ এই যে মেথিদানা ধনিয়া জিরা জোয়ান মৌড়ি সেইগুলোকে আবার এক গ্লাস জলের মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন এবং সারাদিন ভিজতে দিন আবার সন্ধ্যাবেলায় কিছু খাওয়া-দাওয়ার 15 থেকে 20 মিনিট পর ওই জলটাকে ছেকে নিয়ে পান করুন একবার এই যে ইনগ্রেডিয়েন্টগুলো আপনি ব্যবহার করছেন
এটা কিন্তু দুবারই পান করা যাবে এর থেকে বেশিবার করা যাবে না এইভাবে যদি আপনি মাত্র সাত দিন করতে পারেন দেখবেন যে আপনার পেটের যাবতীয় সমস্যা পেটের মধ্যে গ্যাস জমে থাকার সমস্যা পেট ফুলে যাওয়া বুকের মধ্যে জ্বালাপোড়া করা বুকের মধ্যে ব্যথা হওয়া ঘাড়ে ব্যথা হওয়া বা বদজমের সমস্যা এইসব সমস্যা থেকে আপনি সম্পূর্ণভাবে মুক্তি পাবেন আপনি কমেন্ট বক্সে এসে পরে জানাবেন যে আপনি ঠিক কতটা উপকার পেলেন কারণ এটা বহু মানুষ প্রয়োগ করে দেখেছেন এর উপকারিতা কিন্তু অ্যালোপাথিক মেডিসিনের থেকেও কয়েক গুণ বেশি এই উপায়টিকে অবলম্বন করে আপনি আরো যেসব উপকারিতা গুলো পাবেন সেটা হচ্ছে আপনার ফ্যাটি লিভারের সমস্যা
থাকলে সেই সমস্যা থেকে আপনি ধীরে ধীরে মুক্তি পাবেন আপনার বদ হজম বা এসিডিটির সমস্যা চলে যাবে যারা ডায়াবেটিস আছে তাদের সুগার লেভেল ধীরে ধীরে কমে যাবে এমনকি আপনার যদি শরীরে অতিরিক্ত চর্বি বা ফ্যাট জমে থাকে সেই চর্বি ধীরে ধীরে গলতে বা ঝরতে আরম্ভ করবে এমনকি আপনি যদি স্কিন ডিজিজে ভোগেন আপনার যদি চুল পড়ে যায় স্কিনের মধ্যে নানা রকম দাগছোপ পড়ে যায় সেইসব সমস্যা থেকেও আপনি খুব সহজেই মুক্তি পাবেন তবে আপনাদের বলে রাখি এই গ্যাস এসিডিটি সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস করে কুসুম গরম জল বা ঈষদ উষ্ণ গরম জল পান করার অভ্যাস
রাখবেন এতে আমাদের পেটের নানা রকম উপকারিতা হয় কোষ্ঠকাঠিণ্যের সমস্যা দূর হয় সকালে যদি এই মৃদু উষ্ণ বা ঈশদ উষ্ণ জলের সঙ্গে আধখানা মত পাতিলেবুর রস নিচে দিয়ে সেটা পান করেন সেক্ষেত্রেও আপনার ডাইজেস্টিভ সিস্টেম খুব স্ট্রং হয়ে যায় এসিডিটি সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় দুপুরে খাবার দাবারের সঙ্গে যদি একোটার মত টক দই নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করেন সেক্ষেত্রেও কিন্তু আপনার পেট স্ট্রং এবং মজবুত হবে কারণ দইয়ের মধ্যে গুড ব্যাকটেরিয়া থাকে যেটা প্রিবায়োটিক্সের কাজ করে আমাদের অন্ত্রের মধ্যে যে ভালো ব্যাকটেরিয়া আছে তাদের মাত্রাকে বাড়ায় খারাপ ব্যাকটেরিয়াদের মাত্রাকে কমিয়ে দিয়ে অন্তরের স্বাস্থ্যকে স্ট্রং বা মজবুত করে দেয় আরেকটি
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যারা দীর্ঘমেয়াদী গ্যাস এসিডিটির সমস্যায় ভোগেন তারা অবশ্যই রাত্রে শুতে যাওয়ার দুই ঘন্টা আগে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন খেয়েই শুতে গেলে হবে না আর যখনই আপনি খাবার দাবার খাবেন সেই খাবার দাবারকে ধীরে সুস্তে নিশ্চিন্তে আস্তে আস্তে খুব সুন্দর করে চিবিয়ে চিবিয়ে খাবেন দ্রুত খাওয়ার ফলে আমাদের খাবার ঠিকভাবে চূর্ণ হয় না বা এর পার্টিকেলগুলো ছোট হয় না যে কারণে ডাইজেশনের সমস্যা হয়ে যায় আস্তে আস্তে খেলে সেই খাবার সুন্দর করে চিবিয়ে খেলে লিকুইড হয়ে যায় আমাদের স্টমাকে গিয়ে সেটা পাচনের উপযোগী হয়ে যায় খুব সহজেই হজম হয়ে যায় গ্যাস এসিডিটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না আরেকটি বিশেষ
বিষয় আপনাদের জানিয়ে রাখি যে জল যখন পান করবেন সেটা অবশ্যই বসে পান করবেন খাবার আধা ঘন্টা আগে জল পান করে নিন খেয়ে উঠে কখনোই কিন্তু জল পান করবেন না খাবার কম সে কম এক থেকে দেড় ঘন্টা পরে জল পান করার অভ্যাস তৈরি করুন এইভাবে আপনি যদি চলতে থাকেন আপনার গ্যাস এসিডিটির সমস্যা কখনোই শরীরে থাকবে না তবে তার সঙ্গে সঙ্গে সকালে নিয়মিত কিছু সময় ধরে এক্সারসাইজ বা ব্যায়াম যেমন যোগা মেডিটেশন এগুলো আপনারা করতে পারেন নিজের জানা মত যেসব এক্সারসাইজ জানা আছে সেগুলো আপনারা করতে পারেন সাতার কাটতে পারেন লাভদড়ি খেলতে পারেন সাইক্লিং করতে পারেন যেগুলো বর্তমান সময়ে
আমরা ভুলে গেছি এই জিনিসগুলোকে আবার শুরু করুন দেখবেন আপনি গ্যাস এসিডিটির সমস্যা থেকে অনেকাংশে মুক্তি পেয়ে যাবেন শেষে আপনাদের একটি বোনাস টিপস আমি দিয়ে রাখি এই যে আপনাদের প্রিপারেশন গুলোর কথা বললাম এটাকে ঠিক আলাদাভাবে একটি পাত্রের মধ্যে পাঁচটা বাতাসা নিন এক চামচ মত ধনিয়া নিন এক চামচ মত জিরা এক চামচ মত জোয়ান দুই চামচ মত মৌড়ি নিন একসঙ্গে নিয়ে একটি মিক্সার গ্রাইন্ডারে নিয়ে পাউডার বা চূর্ণ তৈরি করে একটি কাঁচের এয়ার টাইট পাত্রের মধ্যে রেখে দিন সকাল দুপুর রাত্রি খাবার আধা ঘন্টা পরে পরে স্টিলের ছোট্ট চামচের দুই চামচ করে নিয়ে এক গ্লাস কুসুম গরম জল পান
করুন এইভাবেও আপনারা করতে পারেন এতেও কিন্তু গ্যাস এসিডিটির সমস্যা থেকে আপনি খুব সহজেই মুক্তি পাবেন অ্যালোপ্যাথিক যেসব মেডিসিন গুলো আছে সেগুলো আপনাকে কখনোই খেতে হবে না কারণ অ্যালোপাথিক মেডিসিনর উপর নানা রকম সাইড ইফেক্ট আছে দীর্ঘমেয়াদী খেতে থাকলে কিডনির উপর একটা মারাত্মক প্রভাব পড়বে তো বন্ধুরা আজকে এই ভিডিওর মধ্যে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপায়ের কথা বললাম আয়ুর্বেদিক উপায়ের কথা বললাম যেগুলোর সাহায্যে আপনি গ্যাস এসিডিটির সমস্যা থেকে কোন মেডিসিন ছাড়াই সম্পূর্ণভাবে মুক্তি পেতে পারেন আপনার লাইফস্টাইলকে ঠিক এইভাবে তৈরি করুন প্রাকৃতিক উপাদান বা আয়ুর্বেদিক উপাদানকে আপনার পথ হিসেবে মেনে নিন এবং এইগুলোকে আপনি নিয়মিত খেতে থাকুন এতে কিন্তু আপনার
শরীরে কোন ক্ষতি হবে না বা কোন সাইড ইফেক্ট হবে না আশা করছি আজকের ভিডিওটি আপনাদের ভালো লেগেছে যদি ভালো লাগে অবশ্যই একটি লাইক করে আমাকে অনুপ্রাণিত করবেন আর এই ধরনের বিষয়ভিত্তিক তথ্যপূর্ণ ভিডিওর জন্য আমার চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে পাশের বেল বাটনটি টিপে অল অপশনটি ক্লিক করে দেবেন দেখা হচ্ছে পরের ভিডিওতে ভালো থাকবেন ধন্যবাদ