বন্ধুরা বর্তমান সময়ে অকাল মৃত্যুর দুটি মেজর কারণ হলো এক নম্বর স্ট্রোক দুই নম্বর হচ্ছে হার্ট অ্যাটাক 2021 সালে এনআইএইচ এর একটি সমীক্ষা থেকে জানা যায় তারা একটি সমীক্ষা করেন 100 জন মানুষের উপর যাদের বয়স 50 এর উপরে 50 জনকে নিয়মিত দুটি করে রসুনের কুয়া খেতে দেয়া হয় সঠিক নিয়মে এবং 50 জনকে দেওয়া হয়নি সমীক্ষা শেষে এটা জানা যায় যাদের নিয়মিত রসুনের কুয়া দুটি করে খেতে দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে 60 থেকে 70 শতাংশ পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যেতে দেখা গেছে সুতরাং এই যে রসুন বা গার্লিক আছে এর মধ্যে মেডিসিনাল প্রপার্টি আছে বা মেডিসিনাল
এফেক্ট আছে এবং এটা আমরা সকলেই জানি এবং প্রাচীনকাল থেকে অর্থাৎ যবে থেকে মানব জীবনে এসছে তবে থেকে কিন্তু এই রসুনটাকে মেডিসিন হিসেবে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ব্যবহার করে আসা হচ্ছে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে এই যে রসুনের মেডিসিনাল এফেক্ট এর মূল কারিগর কিন্তু এর মধ্যে একটি বায়োক্টিভ কম্পাউন্ড আছে যেটার নাম হলো অ্যালিসিন যখন রসুনকে চেবানো হয় বা ক্রাশ করা হয় বা থেত করা হয় বা বাটা হয় বা ছোট্ট ছোট্ট টুকরো করে কাটা হয় দেখবেন এ থেকে রস জাতীয় এক ধরনের পদার্থ তৈরি হয় বা বের হয় যেটা থেকে এক ধরনের ঝাঁজালো স্মেল বের হয় বা গন্ধ বের হয় এটা কিন্তু
অ্যালিসিনের কারণে হয় যখন রসুনটাকে আপনি কাটবেন বা বাটবেন তখন কিন্তু বাতাসের সংস্পর্শে যখন বের হয় এই রসটায় তখন সেটা অ্যাক্টিভেট হয়ে যায় অর্থাৎ অর্থাৎ অ্যালিসিনটা অ্যাক্টিভেট হয়ে যায় আর এই অ্যালিসিন এবং সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সালফার কম্পাউন্ড থাকে যেগুলো আমাদের শরীরের রোগভোগের ক্ষেত্রে দুর্দান্ত কাজ করে এমনি সমীক্ষা বা গবেষণা বলছে তবে বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষই রসুনকে কিন্তু ভুল নিয়মে খেয়ে থাকেন প্রায় 90 শতাংশ মানুষই সঠিক পদ্ধতিতে রসুনকে সেবন করেন না আর এইজন্য তাদের শরীরে রোগভোগের ক্ষেত্রে রসুনের যে মেডিসিনাল এফেক্ট আছে বা অ্যালিসিনের যে কার্যকারিতা আছে সেটা থেকে তারা থাকেন আজকে এই ভিডিওর মধ্যে আপনাদের রসুন খাওয়ার
সঠিক নিয়মের কথা বলব বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়ম কি কাঁচা খেতে হবে না রান্না করে খাওয়ার ফলে যে আমাদের শরীরে উপকার হতে পারে কিছু খালি পেটে না ভরা পেটে সমস্ত কিছু ডিটেইলসে এই ভিডিওর মধ্যে আপনাদের বলবো এবং স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক ছাড়া আমাদের শরীরে আর কি কি উপকার করে থাকে এই রসুন সমস্ত কিছু বিস্তারিতভাবে বলবো দেখুন রসুনের সবথেকে বড় কার্যকারিতা যেটা সেটা হচ্ছে আমাদের কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম অর্থাৎ হার্ট সম্বন্ধীয় যে সমস্যাগুলো হয়ে থাকে যাদের ক্ষেত্রে হাই ব্লাড প্রেসারের সমস্যা আছে এই হাই ব্লাড প্রেসার দীর্ঘদিন থাকতে থাকতে একটা সময় কিন্তু আমাদের হার্টের দুর্বলতা এসে যায় আমাদের
রক্তের মধ্যে বিভিন্ন রকম লিপিডস আছে যেমন কোলেস্টেরল ট্রাইগ্লিসারাইড এদের আবার বিভিন্ন রকম ভাগ আছে যেমন এলডিএল কোলেস্টেরল যেটাকে খারাপ কোলেস্টেরল বলা হয় এই খারাপ কোলেস্টেরল আমাদের ধমনীর মধ্যে প্লাক তৈরি করে যেটা আমাদের হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে দাঁড়ায় গবেষণা বলছে যে প্রতিদিন যদি দুটি করে কুয়া রসুন সেবন করা যায় সঠিক নিয়মে সেক্ষেত্রে আমাদের ব্লাড প্রেসার রেগুলেট হতে দেখা যায় বা ব্যালেন্স হতে দেখা যায় এমনকি আমাদের রক্তের মধ্যে কোলেস্টেরলের মাত্রা খুব সুন্দরভাবে নিয়ন্ত্রণ হয় বিশেষ করে এই এলডিএল কোলেস্টেরল যেটা আমাদের ধমনীর মধ্যে প্লাগ তৈরি করে এই কোলেস্টেরলটাকে খুব সুন্দরভাবে কমায় কিন্তু রসুনের মধ্যে থাকা বায়োক্টিভ কম্পাউন্ড গুলো
এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ পলিফেনলস আছে এই কম্পাউন্ড গুলো এই এলডিএল কোলেস্ট্রলকে খুব সুন্দরভাবে কমাতে সাহায্য করে যাতে আমাদের হার্টের হেলথ ভালো থাকে বা ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি না হয় অনেকেই দেখবেন বর্তমান সময়ে স্ট্রোকের কারণে অকাল মৃত্যুতে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাচ্ছেন স্ট্রোকের ক্ষেত্রে হয় কি আমাদের ব্রেনের মধ্যে যে ব্লাড ভেসেলস গুলো থাকে সেগুলো ফেটে যায় সেই জায়গায় হেমারেজ হয়ে যায় আর এই কারণে সমস্যা তৈরি হয় বা তার অকাল মৃত্যু হয় এক্ষেত্রে মেজর যে কারণটা দায়ী থাকে সেটা হাই ব্লাড প্রেসার যেটা হঠাৎ করে আমাদের শরীরে বেড়ে যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে আমাদের কোলেস্টেরল বা ট্রাইগ্লিসরাইড বেড়ে যাওয়ার কারণে
আমাদের ধমনী গুলোর উপর প্রেসার ক্রিয়েট হয় এই সমস্যা থেকে আমাদের মুক্তি দেয় বিভিন্ন রকম মেডিসিন আছে যেমন অ্যাসপিরিন গ্রুপের এগুলো রক্ত পাতলা করার মেডিসিন এগুলোকে বলা হয়ে থাকে যারা নিয়মিত রক্ত পাতলা করার মেডিসিন খেয়ে থাকেন তারা যদি নিয়মিত দুটি করে রসুনের কোয়া সেবন করতে পারেন সেক্ষেত্রে কিন্তু এই রসুন ন্যাচারাল ব্লাড থিনারের কাজ করে এতটাই গুরুত্ব গুরুত্বপূর্ণ রসুনের কার্যকারিতা তাই কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমের উপর এর ভালো রকম প্রভাব আছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় রক্তচাপকে কমায় এমনকি স্ট্রোকের সম্ভাবনাকেও কমিয়ে দেয় দুই নম্বর হচ্ছে ইমিউন সিস্টেমের উপর গার্লিক বা রসুনের খুব ভালো রকম প্রভাব আছে দেখবেন যারা অল্পে সর্দিকাশির সমস্যাতে
ভোগবেন বারবার ইনফেকশন হয় জ্বর হয় সিজন বা ওয়েদার চেঞ্জ হলেই যখন ওয়েদার চেঞ্জ হয় তখন বাতাসে ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া ফাঙ্গাস এগুলো খুব বেশি পরিমাণে ঘোরাফেরা করে যেগুলো ইমিউন সিস্টেম বা ইমিউনিটি পাওয়ার কম থাকলে খুব সহজেই ধরে নেয় এবং তারা রোগাক্রান্ত হন যদি আপনি নিয়মিত সঠিক নিয়মে দুটি করে রসুনের কোয়াকে সেবন করতে পারেন নিয়মিত লাগাতার সেক্ষেত্রে এই ধরনের সমস্যা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাবেন কারণ রসুনের মধ্যে যে সালফার কম্পাউন্ড থাকে এটা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হয়ে থাকে এন্টিমাইক্রোবিয়াল হয়ে থাকে এছাড়া গবেষণা বলছে রসুনের মধ্যে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিভাইরাল গুনাগুণ আছে অর্থাৎ অর্থাৎ রসুন বা গার্লিক এক কথায় ন্যাচারাল অ্যান্টিবায়োটিক এর
কাজ করে যেটা আপনাকে সবদিক থেকে রক্ষা করবে এছাড়া যাদের অ্যাজমার সমস্যা আছে দীর্ঘকালীন তাদের চেস্টের মধ্যে কফ জমে থাকে সর্দিকাশির সমস্যা পিছু ছাড়ে না এইসব সমস্যার ক্ষেত্রে গার্লিক বা রসুন কিন্তু খুবই কার্যকরী এমনি বর্তমান বিজ্ঞান বা গবেষণা বলছে নাম্বার থ্রি ব্রেইন হেলথের ক্ষেত্রে 50 বছরের উপরে যাদের বয়স হয়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে অ্যালজাইমারস ডিজিজ এবং ডিমেনসিয়া এগুলো কমন প্রবলেম অর্থাৎ এই বয়স থেকে তারা সমস্ত কিছু ভুলতে আরম্ভ করেন অল্পেই ভুলে যাওয়ার সমস্যা থাকে এছাড়া তাদের নিউরোলজিক্যাল সিস্টেমের মধ্যে প্রবলেম হয় বিভিন্ন রকম নার্ভের সমস্যা হয় অনিদ্রার সমস্যা থাকে এইসব সমস্যা থেকে খুব সুন্দরভাবে কিন্তু গার্লিক বা রসুন
তাদের মুক্তি দিতে পারে যদি নিয়মিত সঠিক নিয়মে সেবন করা যায় ওভারঅল আমাদের ব্রেনের মেমোরিকে বুস্ট করার জন্য আমাদের ব্রেনের মধ্যে যদি সেল ড্যামেজ হয় দেখা যায় যে গার্লিক বা রসুনের মধ্যে এমন কিছু পাওয়ারফুল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যেটা আমাদের ব্রেনের ফ্রি রেডিকেলস গুলোকে মেরে দিতে সক্ষম হয় ফ্রি রেডিকেলস কি ফ্রি রেডিকেলস আমাদের কিন্তু শরীরের মধ্যে সেলগুলোকে আস্তে আস্তে নষ্ট করে দেয় বা ড্যামেজ করে দিতে আরম্ভ করে তেমনি আমাদের ব্রেনের মধ্যে যে সফট সেল বা টিস্যুগুলো আছে সেগুলো ফ্রি রেডিকেলস নষ্ট করে দিতে বা ধ্বংস করে দিতে আরম্ভ করে আর রসুনের মধ্যে থাকা এই বায়োক্টিভ কম্পাউন্ডগুলো এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুলো
কিন্তু এই ফ্রি রেডিকেলস গুলোকে ক্রমশ দমন করতে বা মারতে সক্ষম হয় তাই আমাদের ব্রেনের হেলথকে সুন্দর এবং মজবুত রাখার জন্য রসুন বা গার্লিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে নাম্বার থ্রি লংজিভিটি লাইফ এক্সটেনশন কে না চায় যে আমি দীর্ঘ জীবন লাভ করি এবং সুস্থভাবে বেঁচে থাকি দীর্ঘ জীবন লাভ করার জন্য অবশ্যই কিন্তু আপনাকে ন্যাচারাল যে উপায়গুলো আছে সেগুলো অবশ্যই অবলম্বন করতে হবে মেডিসিন যত খাবেন নিয়মিত মেডিসিন খাওয়ার ফলে একটা রোগকে আপনি ঢাকা দিতে চাইবেন আরো দশটা রোগ উড়ে এসে জুড়ে বসবে দীর্ঘজীবন লাভ করার ক্ষেত্রে আমাদের ওভারঅল বডির যে মেইনটেনেন্স আছে সেটাকে বজায় রাখা খুবই জরুরি বর্তমানে যে লাইফস্টাইল
ডিজিজগুলো আছে যেমন উচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিস থাইরয়েড এই যে সমস্যাগুলো আছে এইগুলো কিন্তু 40 থেকে 45 এর উপরেই আমাদের শরীরে এসে যাচ্ছে এবং এইসব ডিজিজ থেকে আরো নানা রকম রোগভোগ আসছে যেগুলো বর্তমানে আমাদের আয়ুকে কমিয়ে দিচ্ছে বা আমাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ছে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ছে এমনকি কিডনি লিভারকেও আস্তে আস্তে ড্যামেজ করছে ওভারঅল সমস্ত রোগের ক্ষেত্রেই কিন্তু একটা মূল্যবান ঔষধের কাজ করে এই গার্লিক বা রসুন যদি আপনি নিয়মিত সেবন করতে পারেন সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনার আয়ু বাড়তে পারে বা আপনার লাইফ এক্সটেনশন হতে পারে আপনি দীর্ঘ জীবন লাভ করতে পারেন পাঁচ নম্বর হচ্ছে আমাদের লিভারের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অর্থাৎ লিভার
হেলথের ক্ষেত্রে বর্তমান সময়ে 14 15 বছর বয়স থেকেই সকলের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ধরা পড়ছে যেটা নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার আর এই ফ্যাটি লিভারের সমস্যা কোন কারণেই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আসছে না যে কারণে আমাদের ডাইজেস্টিভ সিস্টেমের উপর একটা বড় প্রভাব পড়ছে গ্যাস অ্যাসিডিটি ইনডাইজেশন ব্লোটিং কনস্টিপেশন এই সমস্যাগুলো এসে যাচ্ছে এবং এ থেকে আমাদের শরীরে নানা রকম সমস্যা তৈরি হচ্ছে যেমন উইকনেস অর্থাৎ ক্লান্তি দুর্বলতা অলসতা এবং শরীরে পুষ্টির অভাব কারণ আমাদের ডাইজেস্টিভ সিস্টেমটাকে সম্পূর্ণভাবে পরিচালনা করে আমাদের লিভার যখন লিভারের মধ্যে এক্সট্রা ফ্যাট জমে যাবে লিভার তার স্বাভাবিক কার্যপ্রবৃত্তিগুলো করতে পারবে না তাই লিভারের মধ্যে যে অতিরিক্ত ফ্যাটটা
আছে সেটাকে কমানোর জন্য এমনকি লিভারের ফাংশনকে আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য গার্লিকের মধ্যে থাকা এই অ্যাক্টিভ কম্পাউন্ড যেটি আছে যেটার নাম অ্যালিসিন এর খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে এটা লিভারের মধ্যে জমে থাকা ফ্যাটগুলোকে খুব সুন্দরভাবে রিডিউস করতে সাহায্য করে পিত্তরসের ক্ষরণকে বাড়ায় এমনকি লিভারের যে এনজাইমস ভ্যালুগুলো আছে বা ফাংশন গুলো ইমব্যালেন্স হয়ে গেলে সেগুলোকেও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে সঙ্গে সঙ্গে যাদের ওয়েট খুব বেশি বা শরীরের মধ্যে ওবেসিটি আছে পেটের মধ্যে চর্বি জমে আছে গোটা শরীরে এক্সট্রা ফ্যাট জমে আছে সেই সমস্ত ক্ষেত্রে অর্থাৎ ফ্যাট লুস করার ক্ষেত্রে কিন্তু গার্লিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে প্রতিদিন সকালে যদি সঠিক
নিয়মে গার্লিক বা রসুনকে খেতে পারেন সেক্ষেত্রে শরীরের ওজন ধীরে ধীরে কমতে দেখা যায় অর্থাৎ ফ্যাট লস হতে দেখা যায় এরপরে যে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টটি আছে সেটি হলো আমাদের শরীরে বোন এবং মাসেল অর্থাৎ হাড় এবং পেশিকে শক্তভুক্ত করতে গার্লিকের খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে এর মধ্যে এমন কিছু মিনারেল থাকে সোডিয়াম পটাশিয়াম ক্যালসিয়াম জিংক আয়রন এই যে পদার্থগুলো আছে বা এই মিনারেল গুলো আছে এগুলো কিন্তু আমাদের হাড়কে স্ট্রেন্থেন করতে এবং মাসেলকে মজবুত ও শক্তিশালী করতে সাহায্য করে এরপরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টটি হলো যারা নপুংকতার সমস্যা ভোগেন পুরুষদের মধ্যে সমস্যা দেখা যায় বৈবাহিক জীবনে তাদের নপুংশকতার সমস্যার ক্ষেত্রে কিন্তু গার্লিকের গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা আছে গার্লিক তাদের স্পেশাল অর্গানের উপর ব্লাড ফ্লো বাড়ায় এবং সেই জায়গার স্ট্রেন্থ বা দৃঢ়তাকে খুব সুন্দরভাবে ধরে রাখতে সাহায্য করে এমনি রিসার্চ বা গবেষণা বলছে যদি প্রতিদিন গার্লিক সেবন করা যায় নপুংসকতার সমস্যা দূর হতে দেখা যায় শেষে যে পয়েন্টটির কথা বলব সেটি হলো ডায়াবেটিস অর্থাৎ সুগার যাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা আছে টাইপ টু তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ইনসুলিনের সমস্যা হয়ে থাকে ইনসুলিন সেনসিটিভ হয়ে যায় ইনসুলিন কাজ করে না সেই সমস্ত সমস্যার ক্ষেত্রে নিয়মিত রসুন সেবন করলে কিন্তু আমাদের প্যানক্রিয়াসের বেটা সেল থেকে যে ইনসুলিনের ক্ষরণটা কমে যায় সেটা আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসতে দেখা যায় এমনকি
আমাদের কোষ বা সেলের মধ্যে ইনসুলিনের সেনসিটিভিটি বাড়তে দেখা যায় তাই টাইপ টু ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রেও কিন্তু গার্লিক বা রসুন খুবই উপকারী বা কাজের এইবার আপনাদের বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে অর্থাৎ সাইন্টিফিক ওয়েতে আমরা গার্লিক বা রসুনকে কিভাবে সেবন করব সেই নিয়মটার কথা আপনাদের বলবো বিভিন্ন জন্য বিভিন্ন রকম মতবাদ দেন বিভিন্ন রকম নিয়মের কথা বলেন তবে আপনাদের প্রথমেই যেটা বলেছি যে গার্লিক বা রসুনের মধ্যে একটি অ্যাক্টিভ কম্পাউন্ড থাকে যেটি মূল কাজের সেটি হলো অ্যালিসিন এবং কিছু সালফার কম্পাউন্ড থাকে যখন আপনি গার্লিককে গরম করবেন বা রান্না করে খাবেন তখন কিন্তু এর এই যে অ্যাক্টিভ কম্পাউন্ডটি আছে অ্যালিসিন এর কার্যকারিতা প্রায় 50
শতাংশ মতো কমে যেতে দেখা যায় সঠিক ঔষধীয় গুনাগুনের জন্য বা মেডিসিনাল এফেক্টের জন্য বা আজকে এই ভিডিওর মধ্যে যতগুলো কাজের কথা বললাম সবগুলো সঠিকভাবে পাওয়ার জন্য অবশ্যই কিন্তু রসুনকে আপনাকে কাঁচা অবস্থায় খেতেই হবে কোন কারণেই এটাকে তেলের সঙ্গে গরম করে বা রান্না করে খাওয়া যাবে না প্রতিদিন সকালে হালকা ব্রেকফাস্ট করার পর আপনি খাবেন একদম এমটি স্টমাক বা খালি পেটে খেতে যাবেন না এতে অনেকের কিন্তু পেটের মধ্যে জ্বালাপোড়া সমস্যা বা হাইপার অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে দেখা গেছে এমনি রিসার্চ বা গবেষণা বলছে একদম খালি পেটে খাওয়া যাবে না ব্রেকফাস্টের পর দুটি মাত্র রসুনের কোয়াকে সুন্দর করে ছাড়িয়ে ছোট্ট
ছোট্ট টুকরো করে কাটুন এবং কিছুক্ষণ রেখে দিন কারণ এর মধ্যে থেকে বাতাসের সংস্পর্শে এই যে রসটা বেরোবে এটা অ্যালিসিন এটাকে অ্যাক্টিভেট হতে পাঁচ মিনিট মতো সময় দিন তারপর আপনি সেই ছোট্ট ছোট্ট টুকরো গুলো মুখে দিয়ে এক গ্লাস মতো নরমাল ঠান্ডা জল খেয়ে নিন নরমাল রুম টেম্পারেচারের যে জল আপনি খান সেই খেয়ে নিন গরম জল কিন্তু কোন রকম ভাবেই খাবেন না বা এটাকে আপনি থেত করে বা বেটে কিছুক্ষণ রেখে দিতে পারেন তারপর সেটা মুখে দিয়ে নরমাল ঠান্ডা জল খেতে পারেন এইভাবে রসুনটাকে আপনি নিয়মিত সেবন করবেন এছাড়া দিনের যেকোনো সময় খাবার দাবারের সঙ্গে বা স্যালাড হিসেবেও আপনি
রসুনকে খেতে পারেন তবে অবশ্যই কিন্তু কেটে পাঁচ মিনিট মতো রেখে দিতে হবে সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া যাবে না তাহলে কিন্তু এর কার্যকারিতা আপনি সঠিকভাবে পাবেন না সুতরাং আপনারা বুঝলেন যে রসুনকে কোন রকম ভাবেই কিন্তু টেম্পারেচার বা তাপমাত্রার সংস্পর্শে আনা যাবে না কাঁচা অবস্থায় খেতে হবে এবং কেটে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে বা থেত করে বা বেটে যে অবস্থাতেই খান না কেন সেটাকে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে অ্যালিসিনটাকে অ্যাক্টিভেট হতে দিতে হবে তো বন্ধুরা আজকে এই ভিডিওর মধ্যে রসুনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যকারিতা হেলথ বেনিফিট সম্পর্কে আপনাদের বলার চেষ্টা করলাম এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে খাওয়ার যে সঠিক নিয়ম আছে সেটা সম্পর্কেও বলার
চেষ্টা করলাম আশা করছি আজকের ভিডিওটি আপনাদের ভালো লেগেছে যদি ভালো লাগে অবশ্যই একটি লাইক করবেন আর এই ধরনের বিষয়ভিত্তিক ভিডিওর জন্য আমার চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে পাশে বেল বাটনটি টিপে অল অপশনটি ক্লিক করে দেবেন দেখা হচ্ছে পরের ভিডিওতে ভালো থাকবেন ধন্যবাদ