আজকে এই ভিডিওর মধ্যে আপনাদের তিনটি ফল ও তিনটি বীজের ব্যাপারে বলব। যেগুলোকে এককথায় সুপার ফুড বলা হয়, প্রাকৃতিক বর্দান বলা চলে। আবার জীবনদায়ী ঔষধও বলা চলে। এই ফল এবং বীজগুলোকে আপনি যদি সঠিক নিয়মে খেতে পারেন সেক্ষেত্রে আপনার দুর্বল শরীরে প্রাণশক্তি ফিরে পাবেন। শরীরে ক্লান্তি দুর্বলতা, অলসতা কিছুই থাকবে না। সঙ্গে সঙ্গে কিছু জীবনমুখী রোগ আছে যেগুলো থেকেও আপনি খুব সহজে মুক্তি পাবেন। দেখুন একটা সময়ের পর আমাদের শরীরে নানা রকম ছোট্ট ছোট্ট ইস্যু এসে যায়। আর সেই ছোট ছোট ইস্যুগুলোকে যখন আমরা ইগনোর করি পাত্তা দেই না। একটা সময়ের পর সেগুলো রোগব্যাধির আকারে আমাদের শরীরে দেখা দেয়। যেমন
গ্যাস এসিডিটির সমস্যা, ইনডাইজেশন অর্থাৎ বদ হজমের সমস্যা, হাই ব্লাড প্রেসার, হাই ব্লাড সুগার, ক্যালসিয়ামের অভাব। যে কারণে আমাদের হাড়ের নানা রকম সমস্যা এসে যায়। শরীরের রক্তাল্পতা বা হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার সমস্যা, দৃষ্টি শক্তির সমস্যা, মেমোরি লস হয়ে যাওয়া, শরীরে ব্যথা বেদনার সমস্যা, এমনকি আর্থরাইটিস পর্যন্ত বা থাইরয়েডের সমস্যা। এই সমস্যাগুলোকে জীবনমুখী সমস্যা বলা হয়ে থাকে। আজকে এই ভিডিওর মধ্যে যে তিনটি ফল এবং বীজের ব্যাপারে বলব এইগুলোকে আপনি যে নিয়মে বলব সেইভাবে যদি খেতে পারেন এই এতগুলো জীবনমুখী রোগব্যাধি থেকে আপনি খুব সহজেই মুক্তি পাবেন। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনার শরীরে এনার্জি এবং শক্তি দ্রুত গতিতে বাড়বে। আপনার দুর্বল
শরীরকে দ্রুত প্রাণগ্রন্ত করে দেবে। আপনার শরীরে ভাইটালিটি বা জীবনী শক্তিকে 10 গুণ পরিমাণে বাড়িয়ে দেবে। এক নম্বর যে ফলটি আছে সেটি হলো পেপাইয়া অর্থাৎ পেপে। পেপে অনেকেই খেতে চান না কিন্তু পেপের মধ্যে নানা রকম ভিটামিন মিনারেলে ভরপুর থাকে। যেমন পেপের মধ্যে পেপাইন থাকে। যেটি এক প্রকার এনজাইম বা হজমকারক রস বলা চলে। এটা আমাদের শরীরের প্রোটিনকে ব্রেকডাউন করে থাকে। আমরা যেসব প্রোটিন জাতীয় খাবার দাবার খাই সেগুলোকে খুব সুন্দরভাবে ডাইজেস্ট বা হজম করাতে সাহায্য করে। তাই আপনি যদি পেপে খান সেক্ষেত্রে আপনার হজমের সমস্যা দূর হবে। সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস এসিডিটিও দূর হবে। পেপের মধ্যে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের
পদার্থ থাকে। যেটা আমাদের শরীরে যাওয়ার পর ভিটামিন এর রূপ নেয় বা আমরা ভিটামিন এ সমৃদ্ধ যেসব খাবার দাবার খাই ভিটামিন এ কে আমাদের চোখের রেটিনা পর্যন্ত নিয়ে যায় যাতে আমাদের আইসাইড ক্লিয়ার হয়। দৃষ্টি শক্তি স্বচ্ছ বা সারফ হয়। তাই পেপে আমাদের নিয়মিত কিন্তু খেতেই হবে। এছাড়া পেপের মধ্যে ভরপুর মাত্রায় ভিটামিন সি থাকে। যেটা আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে বা ইমিউনিটি পাওয়ারকে বাড়িয়ে দেয়। এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকার জন্য অক্সিডেটিভ ড্যামেজগুলো থেকে রক্ষা করে আমাদের বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়ার সমস্যাকে দ্রুত কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি স্লাইস মেপে খেলেই যথেষ্ট। বেশি খাওয়ার প্রয়োজন নেই। এইভাবে আপনি নিয়মিত খেতে থাকুন। এই
এতগুলো উপকারিতা পাবেন। বন্ধুরা আরো দুটি ফল এবং তিনটি বীজ সম্পর্কে বলার আগে আপনাদের বলতে চাই ক্লান্তি দুর্বলতা, অলসতা বর্তমান সময়ে রোজগার একটি সমস্যা। এক একটা সময় এমন মনে হয় যেন জীবনী শক্তি ফুরিয়ে যাচ্ছে বা ভাইটালিটি কমে যাচ্ছে। এই অবস্থায় আপনাদের এমন একটি প্রাকৃতিক ভেসজ শক্তির কথা বলব যেটি আপনার দুর্বল শরীরে আবার প্রাণশক্তি ফিরিয়ে দিতে পারে। আপনাকে আবারো নতুন করে প্রাণবন্ত করে দিতে পারে। সেই প্রাকৃতিক ভেসজ শক্তিটির নাম হলো শিলাজিত। আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্য শিলাজিত শুধু এক প্রকার প্রাকৃতিক হারব নয়। এটাকে জীবনদায়ী ঔষধও বলা চলে। আজকে এই ভিডিওর মধ্যে আপনাদের এমন এক প্রকার শুদ্ধ ও শক্তিশালী শিলাজিতের
ব্যাপারে বলব যেটির ব্যবহারবিধি খুবই সহজ। স্বাদ ও গন্ধে অনন্য এবং সমস্ত প্রকার স্বাস্থ্য উপকারিতাও আপনারা পাবেন। আর সেটি হলো ম্যান ম্যাটারসের শিলাজিত গামিস। এটিকে খুব সুন্দরভাবে ট্রফির আকারে তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে সমস্ত প্রকার প্রাকৃতিক বা ন্যাচারাল হার ইউজ করা হয়েছে। যেমন শিলাজিত যেটা রেজিন ফর্মে আছে। এছাড়া অশ্বগন্ধা, গোপসুরা, কঞ্জ, ব্ল্যাক মুসলি, আদা এই ধরনের নানা রকম প্রাকৃতিক ভেসজ উপাদানের নির্যাস বা রস দিয়ে কিন্তু এই ম্যান ম্যাটারসেসের শিলাজিত গামিষটিকে তৈরি করা হয়েছে। এটি 100% ন্যাচারাল। তাই এর কোনরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা হাইড এফেক্টও পরিলক্ষিত করা যায় না। এছাড়া এই ম্যান ম্যাটার্সে শিলাজিত গামেশের মধ্যে 70%রও বেশি ফুলভিক
এসিড থাকে। এই কি আপনার শরীরে এনার্জি তৈরিতে সাহায্য করবে? সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যারা জিমে যান, যারা শরীর বিল্ড আপ করতে চান, মাসেল বিল্ড আপ করতে চান সেই সমস্ত ক্ষেত্রে কিন্তু এই গামিস এক নম্বর চয়েস হবে। এই ম্যান ম্যাটারসেসের শিলাজিত গামিস একদিকে যেমন আপনার শরীরে করমোনাল ইমব্যালেন্স এই যে সমস্যাগুলো আছে সব সমস্যাকে কিন্তু দূর করতে সাহায্য করে এবং এনার্জিকে দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে আপনার পেশিকে শক্তিশালী করে বোন ডেন্সিটি বাড়ায় এমনকি আপনার ইমিউন সিস্টেমকে স্ট্রং করে মেটাবলিজম কেও শক্তিশালী করে দেয় সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই ম্যান ম্যাটারসে শিলাজিত দামিস কিন্তু বাজারজাত অন্যান্য শিলাজিতের মতো নয় অন্যান্য
শিলাজিত এর মধ্যে বিভিন্ন প্রকার ভেজাল এবং মেটালে পরিপূর্ণ থাকে। এটা কিন্তু থার্ড পার্টির ল্যাব টেস্টেড। এর মধ্যে কিন্তু ইমপিউরিটিস বলে কিছুই থাকতে না। আরেকটি বিষয় হলো এটি 100% আয়ুর্বেদিক গ্লুটেন ট্রি, জিলেটিন ট্রি। এর মধ্যে কোনরকম আর্টিফিশিয়াল কালার, ফ্লেভার এমনকি আলাদা করে সুগারও অড করা হয়নি। তাই এটি 100% সেফ। আপনি যদি আপনার শরীরে এনার্জি এবং শক্তিকে দ্রুত বাড়াতে চান বা ধরে রাখতে চান সেক্ষেত্রে এই ম্যান ম্যাটারসের শিলাজিত গামিস কিন্তু আপনার জন্য ওয়ান অফ দা বেস্ট চয়েস হবে। এই ম্যান ম্যাটারসের শিলাজিত গামিজ খাওয়ার সঠিক নিয়ম হলো প্রতিদিন একবার করে ভরা পেটে দুটি করে গামিস খাওয়াই যথেষ্ট এবং
এটাকে অন্ততপক্ষে আপনাকে তিন মাস বা 90 দিন পর্যন্ত খেতে হবে। তবে আপনি আপনার সকল উপকারিতাগুলো পাবেন। এই ম্যান ম্যাটার্সের সিলাজিদ গামিস সম্পর্কে আরো বিস্তারিতভাবে জানতে ডেসক্রিপশন বক্সে লিংক দেয়া আছে। ওই লিংকে ক্লিক করে আপনারা বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন। আর যদি পারচেস করার ইচ্ছা থাকে সেটাও করতে পারবেন। এইবার আপনাদের বলব দুই নম্বর ফুডস বা ফলের ব্যাপারে। সেটি হলো লেমন অর্থাৎ লেমন জুস। লেমন জুস বা লেবুর রস আমাদের শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা আমাদের যেমন গ্যাস এসিডিটিকে দূর করে, ইনডাইজেশনকে দূর করে এবং আন্তরিক যে রোগ ভোগ আছে সেগুলো থেকে আমাদের মুক্তি দেয়। তাই লেবুর রস কিন্তু নিয়মিত খেতে
হবে। আপনি স্যালাডের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। ডালের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন বা খাবার পর যে জল খান সেই জলের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন। এতে করে হয় কি? লেবুর রস বা লেমন জুসের মধ্যে কিন্তু ভিটামিন সি অন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যেটা আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে খুব দ্রুত স্ট্রং করে দেয়। রোগ ভোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকার জন্য এটা আমাদের শরীরে অক্সিডেটিভ ড্যামেজকে ধীরে ধীরে কমে দেয়। যেতে করে আমাদের স্কিনের নানা রকম সমস্যা, চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা এগুলো থেকে আমরা খুব সহজেই মুক্তি পাই। এমনকি আমাদের শরীরে মেটাবলিজমকে দ্রুত স্ট্রং ও মজবুত করার জন্য লেবুর রস বা
লেমন জুসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। তাই লেবুর রস কিন্তু নিয়মিত আপনাকে খেতে হবে স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়ার জন্য। তিন নম্বরে আপনাদের বলব রেজিনস অর্থাৎ কিসমিসের কথা। কিসমিস আপনি খালি পেটে খেতে পারেন। জোয়ালে ভিজিয়ে দুধের সঙ্গে রাত্রের দিকে মিশিয়ে খেতে পারেন বা চাটনি তৈরি করে খেতে পারেন। কিসমিসের মধ্যে নানা রকম ভিটামিন, মিনারেল এবং অন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যেটা আপনার শরীরের জন্য খুবই এসেনশিয়াল। আপনার যদি রক্তাল্পতার সমস্যা থাকে সেটা দূর হবে। শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব থাকলে সেই অভাব চলে যাবে। আপনার নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার বা নার্ভের সমস্যা থাকলে সেই সমস্যাকেও কিন্তু রেজিন্স অর্থাৎ কিসমিস খুব সুন্দরভাবে দূর করাতে সাহায্য করবে। এমনকি আপনার দৃষ্টি শক্তির
সমস্যা বা মেমোরি লসের সমস্যা থেকেও আপনাকে মুক্তি দেবে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যখন আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কমে যাচ্ছে, হাড় দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, ভঙ্গুর হয়ে যাচ্ছে, ব্যথা বেদনার সমস্যা হচ্ছে তখন বিভিন্ন জনে আপনাকে পরামর্শ দেয় ভিটামিন ডি খাওয়ার এবং ক্যালসিয়াম খাওয়ার। কিন্তু একটি বিষয় আপনারা জেনে নিন রেজিনের মধ্যে বোরন নামে একটি জিনিস থাকে। যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার শরীরে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এগুলোর এবসর্পশন বা শোষণের জন্য ধরুন একটি বাড়ি তৈরি হচ্ছে। সেই জায়গায় ইট আছে, পাথর আছে, বালি আছে কিন্তু সিমেন্ট নাই। সেক্ষেত্রে কিন্তু ইমারত বা বাড়ি তৈরি হবে না। তেমনি বোরণের গুরুত্বও ঠিক ততটা। শরীরে বোরণের
পরিমাণ না বাড়লে বা যথার্থ না থাকলে কিন্তু ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি বা বিভিন্ন রকম বি ভিটামিন আছে যেগুলোর শোষণ হবে না। তাই বোরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এটা কিসমিসের মধ্যে ভরপুর মাত্রায় থাকে। তাই নিয়মিত দুই থেকে তিন চামচ করে কিসমিস আপনাকে অবশ্যই খেতে হবে এবং এটা রেগুলার অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। তবে গিয়ে আপনি আপনার জীবনমুখী যে রোগভোগগুলো আছে সেগুলো থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাবেন। তিনটে জিনিসের কথা বললাম। পেপে, লেবুর রস এবং রেজিনস অর্থাৎ কিসমিস এই তিনটে জিনিসকে বা তিনটে ফলকে আপনার বন্ধু করে নিন। নিয়মিত খেতে থাকুন। দেখবেন আপনার শরীরের রোগভোগ কিন্তু আসবে না। রোগভোগ আপনাকে ছুতেই
পারবে না। এরপরে আপনাদের তিনটে সিডস বা বীজের ব্যাপারে বলব। এক নম্বর হচ্ছে সিসম সিডস অর্থাৎ তিলের বীজ। এই তিলের বীজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের শরীরের জন্য। এর মধ্যে এত বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে যে আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। এছাড়া জিংক থাকে, ম্যাগনেশিয়াম থাকে, পটাশিয়াম থাকে, ফসফরাস থাকে। সব মিনারেল গুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুই নম্বর হচ্ছে ফ্ল্যাক্সিডস অর্থাৎ তিসির বীজ। এই তিসির বীজ নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নার্ভের যে কোোন সমস্যাকে দূর করতে সাহায্য করে। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড থাকে। যেটা আমাদের নার্ভকে রিপেয়ার করতে বা রিভার্স করতে সাহায্য করে। তিন নম্বরে আপনাদের বলবো পাম্পকিন
সিডস অর্থাৎ কুমড়র বীজের কথা। যেটা ভিটামিনের ভান্ডার বলা হয়। এছাড়া এর মধ্যে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, জিংক, বোরন নানা রকম এসেনশিয়াল কম্পাউন্ড থাকে। এই তিনটে বীজকে আপনি সংগ্রহ করুন বা যেকোন প্রকার শপিং মল বা অনলাইনে আপনারা কিনে নিতে পারেন। নিয়ে শুদ্ধভাবে তিনটে বীজকে সমপরিমাণ নিয়ে একসঙ্গে ড্রাই রোস্ট করুন এবং ব্লেন্ডারে বা গ্রাইন্ডারে পাউডার বা চূর্ণ ফর্ম তৈরি করে নিয়ে এটি কাঁচের এয়ার টাইট পাত্রের মধ্যে রেখে দিন এবং প্রতিদিন রাতে বা সন্ধ্যার দিকে এক গ্লাস মৃদু উষ্ণ দুধের মধ্যে এক থেকে দেড় চামচ করে মিশিয়ে নিয়মিত খেতে থাকুন। দেখবেন আপনার শরীরে যেসব ছোট ছোট ইস্যুগুলো আসছিল সেইসব ছোট
ছোট ইস্যুগুলো আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে যাবে বা গায়েব হয়ে যাবে। আপনার শরীরে ব্যথা বেদনার সমস্যা জয়েন্টের মধ্যে ব্যথা কটকট আওয়াজ ঘাড়ে ব্যথা কোমরে ব্যথা পিঠে ব্যথা শরীরের যেকোন অংশের ব্যথা থেকে আপনি খুব সহজে মুক্তি পাবেন আগত আর্থরাইটিস আপনাকে ছুতেই পারবে না শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হিমোগ্লোবিনের অভাব এগুলো খুব দ্রুত পূর্ণ হয়ে যাবে এবং আপনি জীবনমুখী রোগব্যাধি থেকে সহজেই মুক্তি পাবেন তো বন্ধুরা আজকে এই ভিডিওর মধ্যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ফল ও বীজের ব্যাপারে বললাম যেগুলো আপনার সুস্বাস্থ্যের চাবিকাটি হতে পারি। আশা করছি আজকের ভিডিওটি আপনাদের ভালো লেগেছে। যদি ভালো লাগে অবশ্যই একটি লাইক করবেন। আর এই ধরনের বিষয়ভিত্তিক তথ্যপূর্ণ
ভিডিওর জন্য আমার চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে পাশের বেল বাটনটি টিপে অল অপশনটি ক্লিক করে দেবেন। দেখা হচ্ছে পরের ভিডিওতে। ভালো থাকবেন ধন্যবাদ