আমন্ত্রণ সবাইকে আওয়ার্ড ডেমোক্রেসি অনুষ্ঠানে সঙ্গে আছি আমি ডক্টর তৌহিদুল হক অনুষ্ঠানটি শুক্র থেকে রবি এই তিন দিন এই সময়ে আরটিভিতে নিয়মিত সম্প্রচার হয় দর্শক সর্বগ্রাসী দুর্নীতি রাষ্ট্রের মূল প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্মম দলীয়করণ জনগণ ও জাতীয় অর্থসম্পদের নিদারুণভাবে লুটপাট স্বার্থ গোষ্ঠীর কাছে কুক্ষিগত হয়ে পড়া ব্যবসা-বাণিজ্য অবাধ অর্থপাচার সীমাহীন দুর্নীতি ও নৈতিকতার অবক্ষয়ের বিপরীতে বাংলাদেশে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও শক্তিশালী অর্থনীতি ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা এবং জনগণের কাঙ্খিত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চেয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেয়া ভাষণে তিনি বাংলাদেশের সংস্কার পরিকল্পনা তুলে ধরে বিশ্ব সম্প্রদায়কে কে বাংলাদেশের সঙ্গে নতুনভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন একটি অবাধ
নিরপেক্ষ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরির প্রতিশ্রুতিও তিনি ব্যক্ত করেন জাতিসংঘে ডক্টর ইউনুসের এসব সংস্কার পরিকল্পনায় ইতিমধ্যে জাতিসংঘ যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ ও বিশ্বসংস্থা পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন এমন একটি প্রেক্ষাপটে দর্শক আজ আমাদের আলোচনার বিষয় জাতিসংঘের ডক্টর ইউনুস আর এ বিষয়ে আলোচনা করার জন্য আরটিভির স্টুডিওতে সম্মানিত আলোচক হিসেবে আছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোঃ মাহফুজুর রহমান মিলন টিভিএন 24 এর প্রধান সম্পাদক নাজমুল আশরাফ এবং ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি শরিফুজ্জামান শরীফ আপনাদের তিনজনকে অনুষ্ঠানে স্বাগত জানাচ্ছি দর্শক আপনিও চাইলে আলোচনায় অংশ নিতে পারেন স্ক্রিনে দেখানো নাম্বারে ফোন করে সম্মানিত আলোচকদের কাছে আজকের যে আলোচ্য বিষয় সেটি নিয়ে প্রশ্ন রাখতে
পারেন আপনার ভাবনা মতামত সেটি নিশ্চয়ই আছে একজন নাগরিক হিসেবে সেটি খুব ছোট্ট করে আমাদেরকে জানাতে পারেন আপনাদের ফোনের অপেক্ষায় থেকে আলোচনায় যাচ্ছি জাতিসংঘী ডক্টর মোহাম্মদ এই শিরোনামে আলোচনা আমরা নাজমুল আশরাফ ভাই আপনার কাছে আসতে চাই মোটা দাগে ডক্টর মোহাম্মদ ইউসের যে বক্তব্য সেটাকে যদি আমরা মোটা দাগে শিরোনাম আকারে উপস্থাপন করি তাহলে আসলে তিনি সংস্কার এবং নির্বাচনের পরিবেশ সংস্কার করা নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা এই লক্ষ্যেই তিনি কাজ করছেন আপনি কিভাবে দেখছেন এই ভাষণকে ধন্যবাদ ডক্টর তৌহিদ ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের এই জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়া উপলক্ষে আমরা যা কিছু দেখছি এগুলো সবই বিরল ঘটনা আমরা আমরা
অতীতে অনেক সরকার প্রধানকে জাতিসংঘে সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়া এবং সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়া এবং তার সাইডলাইনে নানান দেশের সাথে বৈঠক নানান দেশের রাষ্ট্রপ্রধান সরকার প্রধানদের সাথে এবং হোস্ট কান্ট্রি আমেরিকার রাষ্ট্রপ্রধান এর সাথে বৈঠক করার চেষ্টা বিভিন্ন সময় আমরা দেখেছি কিন্তু ওয়ান টু ওয়ান বৈঠক যেটাকে বলা হয় আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সাথে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীরা সেভাবে পান নাই সুযোগ ডিনারে হয়তো অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তা হয়েছে ছবি টবি তোলা হয়েছে কিন্তু এবার ডক্টর ইউনুস যিনি আমেরিকাসহ পশ্চিমা বিশ্বের অনেক পুরনো অকৃত্রিম বন্ধু এবং উনার যে আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উনার যে অবস্থান উনার যে গ্রহণযোগ্যতা জনপ্রিয়তা সেটি অনেক বছর ধরে সেটিরই একটা প্রতিফলন আমরা
এবার দেখছি তাকে কেন্দ্র করে আমেরিকা থেকে শুরু করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ তাদের নেতৃবৃন্দ যেভাবে ডক্টর ইউনুসকে গুরুত্ব দিচ্ছেন সম্মান দিচ্ছেন তার সাথে দেখা করার জন্য ছবি তোলার জন্য লাইন ধরছেন বাংলাদেশের জন্য এর চেয়ে বড় গর্ব সম্মানের আর কি হতে পারে এবং যেই বাস্তবতায় ডক্টর ইউনুস রাষ্ট্র ক্ষমতা নিয়েছেন গ্রহণ করলেন গ্রহণ করলেন করতে হয়েছে দায়িত্ব নিয়েছেন যদি বলি ক্ষমতা বললে না আসলে ক্ষমতা বললেই তখন আবার ক্ষমতার যে খারাপ দিকগুলো দায়িত্ব নিয়েছেন এটা সবচেয়ে যথেষ্ট যথার্থ শব্দ মানে একটা 16 বছরের স্বৈরাচারী সরকার ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটলো গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এরপর রাষ্ট্র ক্ষমতায় তাকে জনগণ সমর্থন দিয়েছে তিনি
এবং তার উপদেষ্টা পরিষদ মিলে এখন দেশ পরিচালনা করছেন এই সরকারের মূল কাজ যেই কারণে এই পরিবর্তন ওরকম অবস্থায় যাতে বাংলাদেশ আর কখনো ফিরে না যায় তার জন্য রাষ্ট্রের কাঠামোর আইন-কানুন সংবিধান নিয়ম যা কিছু বলি প্রশাসন বিচার আইন সব ক্ষেত্রে এক ধরনের পরিবর্তনের প্রত্যাশা মানুষের মধ্যে জেগেছে যে এমন ব্যবস্থা গঠন করেছে এমন ব্যবস্থা এই সরকার করে দিয়ে যাবে যাতে অতীতের মতো এরকম শাসন জনগণের উপর কখনো চেপে না বসে জনগণের মৌলিক অধিকার নাগরিক অধিকার সাংবিধানিক অধিকার তার রাজনৈতিক অধিকার গণতান্ত্রিক অধিকার সবকিছু যাতে আমরা অনেক ভালোভাবে উপভোগ করতে পারি জনগণ হিসেবে সেই দায়িত্ব নিয়ে তিনি কাজ করছেন সেই
কথাগুলি তিনি সেখানে তুলে ধরেছেন এবং নতুন বাংলাদেশ ভবিষ্যতের বাংলাদেশ জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ সেটি গড়ার জন্য তিনি এবং তার প্রশাসন যেভাবে কাজ করছেন সেই ব্যাপারে আমেরিকাসহ গোটা বিশ্বের সমর্থন তিনি চেয়েছেন চমৎকার কথা কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা খুব বেশি সময় হয় নাই মাস দেড়েক হয়েছে এই দেড় মাসে ডক্টর ইউনুসের সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছেন যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন সংস্কারের জন্য বিভিন্ন কমিশন গঠন করেছেন তাদের কাজকর্ম আমরা দেখার অপেক্ষায় আছি যারা দায়িত্ব নিয়েছেন তারা কতটা কি করবেন কোন সময়ের মধ্যে করবেন তিন মাসের একটা সময় দেয়া হয়েছে এরপরে এই প্রক্রিয়াটা শেষ হতে আরো সময় লাগবে কারণ তিন মাস
পরে তারা যে রিপোর্ট দেবে পরামর্শ হবে জনগণের অনেক কিছু শেষ করি আপাতত এই সবকিছুর লক্ষ্য কি আমেরিকার সবচেয়ে বড় গুরুত্বের জায়গা হচ্ছে গণতন্ত্র এই গণতন্ত্রের জন্য আমেরিকা বিভিন্ন দেশ দেশে সহায়তা করে সহযোগিতা করে অনেক ক্ষেত্রে ইন্টারভিনও করে অনেক ক্ষেত্রে হয়তো বাড়াবাড়িও করে কিন্তু গণতন্ত্র আমেরিকা চর্চা করে এবং পশ্চিমা বিশ্বের বহু দেশের যে গণতন্ত্র চর্চা আছে তারাও চায় বাংলাদেশে সেরকম গণতন্ত্রের চর্চা হোক সেটি ছিল না বলেই তো আমাদের এই পরিবর্তন হয়েছে সেই গণতন্ত্রের জন্য আমাদের কি দরকার আমাদের দরকার একটা সুষ্ঠ নির্বাচন সেই নির্বাচনের পথে আমরা কবে কিভাবে যাব এরই মধ্যে সেনাপ্রধান একটা আপনার আউটলাইন দিয়েছেন যে
সংস্কার শেষে দেড় বছরের মধ্যে আবার প্রধান উপদেষ্টা প্রেস সেক্রেটারি দেখলাম এর একটা অন্যরকমের ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেটা কিন্তু মানুষের মনে এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আরো আলোচনা করব তার আগে শরিফুজ্জামান শরীফ ভাই আসতে চাই যে বিশ্ব সম্প্রদায়ের যে সমর্থন বাংলাদেশের সংস্কারের প্রশ্নে এবং সেই সমর্থনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এক্ষেত্রে কতটুকু প্রাপ্তি বা অর্জন ঘরে তুলতে পারবে সেই আলোচনাটা একটু শুনতে চাই আপনার কাছ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ দর্শক শ্রোতাদেরকেও ধন্যবাদ আমার সাথে দুই আলোচকের শুভেচ্ছা আন্তর্জাতিক পরিসরে কতগুলো ইভেন্ট আছে যে ইভেন্ট গুলো অনেকটা বলা যায় যে গেট টুগেদার টাইপের হুম সারা পৃথিবীতে আপনি দেখবেন যে ক্লাইমেট চেঞ্জ ইস্যুতে প্রতিবছর একটা করে
ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স হয় এবং সেখানে যারা আসা উদ্দীপনা নিয়ে যান এবং ফিরে আসার সময় বলেন যে আমরা আসলে কিছুই পাইনি জাতিসংঘের অনেক রকমের ফাংশন আছে তার মধ্যে বিশ্বনেতাদের একটা বড় গেট টুগেদারের ফোরাম হচ্ছে যেটা অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেখানে আমাদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান তাতে অংশগ্রহণ করার জন্য গিয়েছেন এবং তাকে ঘিরে যে উচ্ছ্বাসটা এটি আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে বৈঠকটা এটি একটা প্রতিবছর হয় একটা রুটিন ওয়ার্ক এবং এর আউটপুটটা খুব বেশি সারা পৃথিবীর রাজনীতি অর্থনীতিতে খুব বেশি প্রভাবিত করে না খুব বেশি পরিবর্তন হয় কিন্তু এবারের বাস্তবতা কি বলে এবারের বাস্তবতা অংশগ্রহণ করেছে অনেকেই যে অঙ্গীকার গুলো আছে অঙ্গীকার
গুলো বোঝা যাবে যখন বিশ্ব ফোরামের এত বড় একটা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঠিক সেই সময়ে ফিলিস্তিন তার দানবীয় শক্তি নিয়ে পাশের আরেকটা দেশের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়েছে ইসরাইল এবং ইসরাইল পাশের একটা দানবীয় শাসকের ভূমিকা নিয়েছে এবং এ পর্যন্ত প্রায় 700 মানুষ যাদের সাথে হিজবুল্লাহর সম্পর্ক খুব বেশি নেই জি 700 মানুষ ইতি পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছে এবং তাদেরকে নিয়ে এই ফোরামটিতে এখন পর্যন্ত আমি দেখলাম কোন আলোচনা হয়নি অর্থাৎ এর ভেতর থেকে এই ধরনের যে গেট টুগেদার তার ইম্প্যাক্টটা কি এটা আমরা বুঝতে পারছি না শরিফুজ্জামান শরীফ জায়গাটা আপনি যেখানে জানতে চেয়েছেন আমি সেখানে আসছি মানে এই জায়গাটা সেখানে বাংলাদেশের উপস্থিতি
তাকে ঘিরে যে ধরনের বিশ্ব নেতৃত্বের যে উচ্ছ্বাস এটি আমার কাছে মনে হয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে বিশেষ করে পৃথিবীর উন্নত দেশের জায়গাটা কোন পটভূমি থেকে বা কোন প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ দেখতে প্রথম জায়গাটা হচ্ছে যে তাকে অনেক সময় আপনার পরিবর্তনের জন্য ব্যক্তিগত সম্পর্ক একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটা ট্রেন যখন যাত্রা শুরু করে ওই ট্রেনের যিনি চালক তার দক্ষতার উপরে নির্ভর করবে যে ট্রেনটা ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে নিরাপদে সঠিক সময় পৌঁছান কিনা আমরা দেখছি যে আমাদের ট্রেনটিতে যিনি বসেছেন তার সাথে সারা পৃথিবীর একটা যারা নিয়ন্ত্রণ করে তাদের একটা চমৎকার একটা সম্পর্ক আছে এবং
এই সম্পর্কটা সেই ট্রেনের যাত্রী হতে চান আমি এই জায়গাটায় দেখছি যে সেই সম্মানটা দয়ার না আপনাকে দেখলাম আপনার পাশে দাঁড়িয়ে একটু সেলফি তুললাম একটু কষ্ট একটা হাসি দিলাম আপনি সেটিকে এনে তার আপনার পলিটিক্যাল কাজে ব্যবহার করলেন ডক্টর ইউনুসের কাছে যারা গেছেন যারা তার সাথে ছবি তুলছেন কথা বলছেন করমর্দন করছেন আমি কারো মধ্যে এই ধরনের কৃতিমতা দেখিনি আমরা তো বিগত সময় সেলফি রাজনীতিও দেখেছি সেরকম কোন কিছু যে কথাগুলো বললাম নিশ্চয়ই সেটি বলেছি তো ডক্টর ইউনুসের এই যে গ্রহণযোগ্যতা বিশ্বব্যাপী একই সাথে এর সাথে আমি যুক্ত করতে চাই যে লন্ডনে যিনি মিস্টার হ্যারিস আর আমাদের রাজবাড়ীর হারিস উদ্দিন
দুইজনের প্রত্যাশার একটা পার্থক্য আছে লন্ডনে যিনি বসবাস করেন অথবা কানাডায় যিনি বসবাস করেন আপনার দেশের মিস্টার হ্যারিস তিনি তার সোসাইটির কাছে এই বিষয়টা উত্থাপন করবেন দেখেছেন আমার দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আপনার দেশের প্রধানমন্ত্রী আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং কতটা আন্তরিকভাবে এর ভেতর থেকে তার তার সোসাইটিতে তিনি যেখানে বসবাস করছেন সেখানে তার ইমেজটা তার মর্যাদাটা বেড়ে গেল কিন্তু এটিকে ওই যে রাজবাড়ীর হারিস উদ্দিনের জীবনে এই যে সম্পর্কের প্রভাবটা ফেলার জন্য আপনার অনেকগুলো কাজ করতে হবে সেই কাজগুলো আপনি করতে পারবেন কিনা আমাদের সাথে এই যে পৃথিবীর বড় বড় দেশগুলোর নানা রকমের সম্পর্ক যেমন আছে সংযোগ যেমন আছে আবার তাদের
কাছ থেকে অনেক কিছু পাওয়ারও আছে আমাদের এর আগের যে 15 বছরে যারা শাসন করেছেন তাদের সময় আমরা যেটা দেখেছি শরিফুল জম শরীফে এই পর্যায়ে একটু এই দুই একটা লাইনটি শুনতে চাই সেই প্রাপ্তি বা পাওয়ার প্রসঙ্গে একটি সংযোগটা খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং কার সাথে কার সংযোগ সেটিও আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবার ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধান ইউরোপীয় দেশগুলোর যে সংযোগ এবং যে একটা ভালো সম্পর্ক প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সেই জায়গাতে আমরা তো আশা বাঁধতে পারি আমি পুরোপুরি একমত আমি পুরোপুরি একমত না এই কারণে এটি বৃক্ষ তোমার নাম কি ফলে পরিচয় আপনার সামনে পরীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন হবে
কেন আপনি এই যে যেটা বললাম যে কানাডায় যিনি বসবাস করছেন যে বাঙালি মিস্টার হ্যারিস তিনি তার সোসাইটিকে দেখাবেন যে আমার দেশের প্রধানমন্ত্রীকে তোমার দেশের প্রধানমন্ত্রী কতটা সম্মান করে দেখেছেন কিন্তু রাজবাড়ীর হারিস আলী তার মেয়েটা গার্মেন্টসে চাকরি করে যে গার্মেন্টস পণ্যকে আমেরিকা এখন পর্যন্ত পৃথিবীর অনেক দেশের গার্মেন্টস পণ্যকে অনেক বাজারের সুবিধা দিলেও আমার গার্মেন্টসের পণ্যকে সেখানে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে নানা রকমের যে এমবার্গ গুলো আছে সেই জায়গাটা যদি আমরা আমাদের এই ইমেজটাকে ব্যবহার করি আপনি বলতে চাচ্ছেন যে আরো কিছু দেখার বাকি আছে অবশ্যই আরো কিছু দেখার বাকি আছে আপনার বাড়িতে গেলাম আপনি অনেক ভাবে আমাকে শরবত খাওয়ালেন
সেমাই খাওয়ালেন কিন্তু আমার অ্যাক্টিভিটিটা এর পাশাপাশি এটি একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক যে আপনি আমাকে খুবই সম্মান করেছেন কিন্তু আমার যে ন্যাজ্যতা আমার যে পাওনা সেটি আমি কতটুকু পাই কতটুকু আদায় করে নিতে পারি এটিও কিন্তু এটিও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ শরীফ অসংখ্য ধন্যবাদ মাহফুজুর রহমান মিলন ভাই আসতে চাই যে ডক্টর মোহাম্মদ ইউসকে পেয়ে জাতিসংঘের প্রধানসহ বিশ্ব যে অর্থনৈতিক সমস্যা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের যে উচ্ছ্বাস এবং আনন্দ এবং আমাদের দেশের সংস্কারের প্রশ্নে তাদের যে সমর্থন এই ইমেজ অথবা এই পরিস্থিতি বা সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আমরা আমাদের সংস্কার এবং একটি ভালো নির্বাচনের লক্ষ্যে আমাদের যে যাত্রা সেই যাত্রায় জনগণের মধ্যে বিশেষ
করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য থাকা প্রয়োজন সেই ঐক্য আমরা কতদিন ধরে রাখতে পারবো আপনাকে ধন্যবাদ সেই সাথে যারা আজকে দর্শকবৃন্দ দেখছেন সবাইকে ধন্যবাদ আসলে দেখেন আমাদের ডক্টর ইউনুস সাহেব খুব বেশিদিন হলো যে উনি এখানে এসেছেন বা টেক ওভার করেছেন তা কিন্তু না এটা এক মাস 15 দিনের মতো আর কি দেড় মাসের মতো এখানে অনেক পথ চলার আছে অনেক কিছু বাকি আছে আমাদের দেশটা তো বিগত 16 সালে আপনি দেখেছেন আর কি যে দেশের প্রতিটা অংশই আপনার আমরা যেটা বলি রাষ্ট্রের তিনটা অংশ এক্সিকিউটিভ লেজিসলেচার জুডিশিয়ারি প্রতিটা অংশে দেখেন আপনার এমন একটা অবস্থা যে প্রতিটা অংশে কিন্তু
আপনার সংস্কার প্রয়োজন প্রতিটা জায়গা প্রতিটা অংশে প্রতিটা ব্যবস্থাপনা যা কিছু আছে সবকিছুতে কিন্তু কুড়ে কুড়ে খেয়েছে 16 বছরের যে সিস্টেমটা ছিল আমি কোন পলিটিক্যাল পার্টির নাম বলছি না কিন্তু এই 16 বছরের যে সিস্টেম ব্যাড সিস্টেমগুলা ছিল এগুলা প্রতিটা সেক্টরকে কুড়ে করে খেয়েছে তাহলে এইখান থেকে মুক্তি পাওয়ার যে উপায় এটা ইট ইজ নট লাইক দ্যাট আমি আজকে আসলাম সবকিছু ঠিক হয়ে গেল তা কিন্তু না সময় দিতে হবে সময়টা রিজনেবল একটা সময় দিতে হবে এই সময়টাতে অবশ্যই মানে এই জায়গায় আমি একটু ছোট্ট প্রশ্ন করছি রিজনেবল সময় দিতে গিয়ে আমরা রিজনেবল থাকতে পারবো কিনা এটা একটা প্রশ্ন যে
আমরা রিজনেবল থাকতে পারবো কিনা কিন্তু দেখেন এই কতদিনে এই বিগত দেড় মাসে আমরা যা কিছু দেখেছি বা দেখছি বা অনগোইং যা কিছু হচ্ছে তাতে দেখছি যে এই গভমেন্টের কিন্তু এখন অনেস্ট ইন্টেনশন আছে দে হ্যাভ অনেস্ট ইন্টেনশন তারা ইমপ্লিমেন্ট করার চেষ্টা করছে দেখেন তারা কিন্তু ছয়টা সেক্টর আলাদা আলাদা করেছে নির্বাচন ব্যবস্থা পুলিশ প্রশাসন জনপ্রশাসন বিচার বিভাগ দুর্নীতি সংবিধান এগুলো কিন্তু আলাদা করে সংস্কারের জন্য আলাদা আলাদা গণ্যমান্য এবং মোটামুটি সকলের কাছে এক্সেপ্টেড মানুষদেরকে কিন্তু এগুলার প্রধান করে করা হয়েছে যারা এক তারিখ থেকে কাজ করবে এবং এই সেক্টর গুলাকে তারা সংস্কার করার চেষ্টা করবে যেটা অবশ্যই দরকার তো
আমাদেরকে সময় দিতে হবে এবং অবশ্যই উনি যেহেতু এসেছেন এবং এবং এটা উনি পুরা ওয়ার্ল্ডে একটা গ্রহণযোগ্য মানুষ হিসেবে আমরা সবাই জানি মোটামুটি সময়ের প্রশ্নটা আপনি কিভাবে দেখেন সময়ের প্রশ্ন দেখেন আমরা বিগত কিছুদিন আগে সেনাপ্রধানের একটা বক্তব্য দেখলাম উনি বলেছে যে 18 মাসের একটা কথা বলেছে আবার কিছুক্ষণ আগে বা কিছুদিন কয়েক ঘন্টা আগে আমি একটা বক্তব্য দেখলাম যে ওটা বলছে যে সংস্কারের পরে 18 মাস প্রধান উপদেষ্টা সচিবের বক্তব্য সংস্কারের পরে 18 মাস তাহলে এই সংস্কারের পিরিয়ডটা কতটুকু এটা আসলে রিজনেবল কতটুকু এটা একটা প্রশ্ন থেকেই যায় কিন্তু এটা আমাদেরকে বুঝতে হবে যে এটার একটা রিজনেবল টাইম দিতে
হবে এখন রিজনেবল টাইমটা কি এটা কিন্তু আসলে ডকট্রিন অফ নেসেসিটি বা প্রয়োজন অনুসারে কিন্তু এটা নির্ণয় করা হবে যে আসলে এখন সংস্কারটা কি কমপ্লিট হয়েছে নাকি মিলন ভাই এই জায়গাতে আমি আরেকটু আপনার সাথে একটু আলোচনার সাথে যোগ করে প্রশ্নটি করছি যে সেটা হলো রাজনৈতিক দলগুলো বলছে যে সংস্কার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া সেটা কিন্তু তারা ঠিক বলছে এবং সেই জায়গাতে আরো কয়েকটা লাইন তারা যোগ করে মানে এই সরকারের সহযোগিতাকে কতটা প্রশস্ত করবে নাকি সরকারের প্রসঙ্গ ধরে নির্বাচিত জনগণের ভোটে যে নির্বাচিত সরকার সেদিকেই তারা যাত্রা শুরু করতে চায় কিনা সেক্ষেত্রে তাদের যে বক্তব্য যে সংস্কারের যে মৌলিক যে
ব্যাপারগুলো সেগুলোর কিছু কিছু এই সরকারের কাছ থেকে তারা চায় আর ব্যাপক সংস্কারের প্রশ্ন জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই করবে এই রাজনৈতিক দলের এই বক্তব্য থেকে কিছু বোঝা যায় কিনা না অবশ্যই দেখেন এখানে তো সংস্কার মানে এটা না যে উনারা পুরা বাংলাদেশটা সংস্কার করে ফেলতে পারবে এখানে সংস্কারটা হয় প্রপারলি সংস্কার কখন হবে যখন আমার দেশে তিন 300 টা কনস্টিটিউন্সি আছে এই 300 কনস্টিটিউন্সির রিপ্রেজেন্টেটিভ আছে তারা তাদের এরিয়ার যে প্রবলেমগুলো সেগুলো বলছে ওকে এবং ওগুলা সলভ করা হচ্ছে তাহলে কিন্তু আপনার টোটাল সংস্কারটা সম্ভব হবে এখন আমি যেটা বলতে চাচ্ছি অবশ্যই মানে সংস্কার প্রপার সংস্কার অবশ্যই একটা নির্বাচিত নির্বাচিত
সরকার দ্বারা হবে সেটা ঠিক কিন্তু এখন বর্তমান যে সংস্কারটা চলছে এটা তো আমরা সবাই জানি যে এই গভমেন্ট কিভাবে আসলো কেন আসলো ছাত্র জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে কিসের জন্য আসলো কেন কোন পরিপ্রেক্ষিতে আসলো সো তাদেরকে একটু সময় দিতে হবে বাট আপনি যে অংশটা বলেছেন অবশ্যই রাজনৈতিক দলের বক্তব্য আপনার কাছে তুলে ধরলাম যে অবশ্যই এটা হচ্ছে একটা নির্বাচিত সরকার যখন আসবে এই সংস্কারের পরবর্তীতে যে সংস্কারের ধাপগুলো আছে আছে সেগুলো অনগোইং এবং কন্টিনিউ করতে হবে কন্টিনিউ করবো অসংখ্য ধন্যবাদ মিলন ভাই নাজমুল আশরাফ ভাই যেটি শরীফ ভাই যেখানে শেষ করলেন যে এখনো অনেক কিছু দেখার আছে নিশ্চয়ই দেখার তো
অবশ্যই আছে এখন ধরেন ডক্টর ইউনুসের গুরুত্ব তাৎপর্য এবং তিনি কিভাবে বাংলাদেশের সম্মান বাড়িয়েছেন বাড়াচ্ছেন সেটা নিয়ে আমরা কথা বললাম সারা বিশ্বের সমর্থন এখন ধরেন সংস্কারের জন্য এরই মধ্যে আমেরিকাসহ তার মিত্ররা ডক্টর ইউনুসকে আশ্বস্ত সমর্থন সমর্থন সহযোগিতা দুটোই আইএমএফ ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের মত প্রতিষ্ঠানগুলো তারা এগিয়ে আসছে তার মানে হচ্ছে আমি যদি বলি গোটা পশ্চিমা শক্তি ডক্টর ইউনুসের সাথে আছেন এবং ডক্টর ইউনুসের সরকার সংস্কারের মাধ্যমে গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়া সুশাসন ন্যায়বিচার আইনের শাসন এগুলো নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি কাজ করছেন সে ব্যাপারে আমেরিকা সহযোগিতা করবে নিশ্চয়ই তারা বলছে এবং সেটা করবে আশা করছি এখন ধরেন আমেরিকাসহ পশ্চিমা শক্তি যখন আমাদেরকে
এত গুরুত্ব দেয় আমাদের সাহায্য সহযোগিতা এত বেশি এগিয়ে আসে অনেক ক্ষেত্রে চাওয়ার চেয়েও বেশি করে দিচ্ছে মনে হচ্ছে সেখানে কি তাদের স্বার্থ নাই নিশ্চয়ই আছে আমরা জানি এই অঞ্চলে ভূরাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশের অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশের যে গুরুত্ব সেই গুরুত্বের কারণে আমেরিকা ইউরোপের যে স্বার্থ এই অঞ্চলের যে রাজনীতি আপনার এই চায়নাকে মোকাবেলা করা থেকে শুরু করে আমেরিকার যে ইন্দোপ্যাসিফিক স্ট্রাটেজি সেই বিষয়গুলো আমাদের সবার জানা ফলে বাংলাদেশকে গুরুত্ব দেওয়ার পেছনে কিন্তু আমেরিকা বা পশ্চিমাদের একটা আরো অনেক গুরুত্ব আছে আরো অনেক কারণ আছে সেগুলো নিশ্চয়ই পারস্পরিক হতে হবে শুধু তাদের স্বার্থ এখন আমাকে আপনি আমি বিপদে পড়েছি আপনি দু
হাত ভরে আমাকে দিচ্ছেন সবাই দেখছে যে আপনি খুব দয়ালু মানবতাবাদী কিন্তু দুদিন পরে আপনি আমার কাছে এমন কিছু চেয়ে বসলেন তখন মনে হবে যে আপনার সাহায্যের উদ্দেশ্যটা কি সেটাও আমাদের মাথায় রাখতে হবে এখন এইসব সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ প্রয়োজন সেটা তারা চাইবে বেপায় পাবে সব ঠিক আছে কিন্তু এই যে সংস্কারের কথা বা নির্বাচনের কথা সেনাপ্রধান স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে দেড় বছরের মধ্যে সংস্কার শেষে নির্বাচন এক থেকে দেড় বছর তিনি বলেছেন দেড়টা বলা হচ্ছে কেন সর্বোচ্চটা কিন্তু আমরা প্রেস সেক্রেটারির কাছে যে বক্তব্য শুনলাম সেটার সাথে কিন্তু এটা মেলে না এখন সংস্কারের ক্ষেত্রে যে ছটা কমিশন করা হয়েছে
বিভিন্ন খাতে সংস্কার করা হবে এর সুফল নিশ্চয়ই আমরা পাবো কিন্তু তাৎক্ষণিক কিছু ব্যাপার আছে না আমার দৈনন্দিন জীবনের সরকার পরিবর্তনের পরে যে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সেটা থেকে উত্তরণ ঘটিয়েছে এই সরকার পুলিশ ছিল না পুলিশ আবার কাজে ফিরেছে এখনো কি সবকিছু ঠিক আছে না পরিস্থিতি তো ক্রমান্বয় স্বাভাবিক হচ্ছে ক্রমান্বয় স্বাভাবিক হচ্ছে কিন্তু কিছু কিছু জিনিস আরো দ্রুত হওয়া উচিত ছিল সেটি সেই যে ধরেন আমরা একটু জি শেষ করি না শেষ করি সেটি হচ্ছে যে ধরেন এই যে পাইকারি হারে মামলা দেওয়া যেটি বিগত সরকারের একটা বড় অপকর্ম ছিল যাচ্ছে ততাই ভাবে যাত্রার বিরুদ্ধে পাইকার হারে মামলা
দেওয়া গায়েবি মামলা ভুয়া মামলা এবং যেকোনো মামলা যে কাউকে অভিযুক্ত করা যাকে পছন্দ হয় না তাকেই আপনি মামলা আসামি করে ফেলছেন এই চর্চাটা কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না এক আর দুই হচ্ছে আমরা গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে যেটা সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হয়েছি সেটা হচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট সেটি এখনো বহাল আছে এবং কার্যকর হচ্ছে এরই মধ্যে এই আইনে মামলাও করা হচ্ছে তার মানে যেগুলো আমার দৈনন্দিন জীবনে সরকার থেকে তো বলা হচ্ছে কিন্তু বলা হয়েছে নাজমুল আশরাফ ভাই যে এই আইনে মামলা হয়ে কাউকে কোনভাবে হেনস্থা করা হবে না কিন্তু আইনটা এবং মামলাও যাতে না হয় সেই ব্যাপারটা তারা সতর্ক
থাকার কথা বলছে সরকার তো ধরেন সাংবিধানিক কাঠামো আইনি কাঠামোর মধ্যে পড়ে না কিন্তু জনসমর্থন প্রয়োজনীয়তা ডক্টর ডক্টরি অফ নেসেসিটি যেটা উনি বললেন সেই কারণে এসছে জনসমর্থন আছে তাই তারা সবকিছু করছে এগুলোর পরে বৈধতা দেওয়া হবে কিন্তু এই কাজটা তো করতে পারে যে এই আইনটাই এখন থাকবে না রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে আর দ্রব্যমূল্য অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর ছিল গত 16 বছরে মানুষের দুর্ভোগের তার তো কোন পরিবর্তন দেখছি না চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট সেগুলো তো সবই বহাল আছে এই জায়গাগুলোতে যদি তাৎক্ষণিক পরিবর্তন না আসে তাহলে এই গণঅভ্যুত্থান এই পরিবর্তন এই সংস্কার এই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের কাছে অর্থহীন হয়ে যাবে অসংখ্য
ধন্যবাদ আমি শরিফুজ্জামান শরীফ ভাই একই সাথে শুনতে পেরলে পারলে খুব ভালো হতো প্রশ্নটি রেখে যায় বিরোতি থেকে ফিরে এসে দুটি প্রশ্ন রেখে যাচ্ছি সেটি হচ্ছে নাজমুল ভাই যেখানে শেষ করলেন তার সূত্র ধরে বলি যে আমাদের সংস্কারের প্রশ্নে আমাদের যা কিছু ভালো সেই প্রশ্নে বহির্বিশ্বের যে সমর্থন এবং তাদের যে সহযোগিতার যে প্রেক্ষাপট এখন সেই সহযোগিতাটা আমরা কতটা চাই নাকি নিজেরা নিজেরা আমরা অতীতের যে সংস্কার এর যে উদাহরণগুলো আছে সময়কালগুলো আছে সেখানে একটা অভ্যন্তরীণ এক ধরনের বিপরীত চিত্র কিন্তু আমরা লক্ষ্য করেছি এটি একটি প্রশ্ন আর সংস্কার কোনটা আগে চাই নির্বাচন আগে চাই না সংস্কারের আগে চাই এরকম
একটা আলাপ আলোচনা আমরা কিন্তু সামাজিক যে যোগাযোগ মাধ্যম সেখানেও দেখছি নাগরিকদের যে একান্ত আলোচনায় সেই পরিস্থিতিগুলো কিন্তু আমাদেরকে শুনতে হয় নিশ্চয়ই আপনি এই ধরনের আলাপ আলোচনার মুখোমুখি কয়েকবার নিশ্চয়ই হওয়ারই কথা তো সেই এই দুইটি প্রশ্ন আপনার কাছে রেখে গেলাম বিরোতি থেকে ফিরে এসে শুনবো প্রিয় দর্শক আপনারা দেখছেন আমাদের নিয়মিত আয়োজন এবং কৃষি অনুষ্ঠান ছোট্ট বিরতি শেষে আবারো ফিরছি সঙ্গেই থাকুন দর্শক বিরোতির পর আবারো স্বাগত জানাচ্ছি আওয়ার ডেমোক্রেসি অনুষ্ঠানে সঙ্গে আছি ডক্টর তৌহিদুল হক যে বিষয়টি নিয়ে আজকে আলোচনা করছি জাতিসংঘী ডক্টর ইউনুস শরিফুজ্জামান শরীফ ভাই প্রশ্নটি দুটি প্রশ্ন রেখে যাও একটা হচ্ছে যে বহির্বিশ্ব চায় তাদের
সমর্থন আছে আমরা কতটা এক থাকতে পারবো যেটি নাজমুল আশরাফ ভাই আলোচনা করলেন পাশাপাশি আমাদের এখানে যে আলোচনা এখন বেশি হচ্ছে যে আসলে নির্বাচন আগে না সংস্কার আগে ধন্যবাদ আমি প্রথম অংশের উত্তরটা আগে দেই আমরা সম্পর্কের জায়গাটা দেখেছি আমাদের প্রধান উপদেষ্টাকে সারা পৃথিবী সম্মান করে কিন্তু এই সম্মান দিয়ে তো আসলে পেট ভরবে না এটি সমাজের এক এক সেকশনের মানুষের কাছে এই সম্মানটার ইম্প্যাক্ট একরকম প্রত্যাশা একরকম ওই আমি যেটা বললাম যে একজন গার্মেন্টস শ্রমিক চায় তার যে উৎপাদিত পণ্য সে যেন আরো একটু বেশি দামে তার মালিক বিক্রি করতে পারে এবং তার ভেতর থেকে তার জন্য টাকা বেতনটা
বাড়ে এবং তার জীবনমানের উন্নয়ন হয় সুতরাং আপনি শুধু সম্মানটা করবেন আর আমার ওই যে এম্বার্গো দিয়ে রেখে দিবেন এর ভেতর থেকে সম্মানটা যথার্থ হয় না এক দ্বিতীয়ত হচ্ছে আমাদের সিকিউরিটি আমাদের রাষ্ট্রের অখন্ডতার সাথে একটা বিষয় খুব অতপ্রতভাবে জড়িত সেটি হচ্ছে রোহিঙ্গাদেরকে ফেরত পাঠানো আমরা দেখছি রোহিঙ্গাদের ভরণ-পোষণের জন্য অনেক টাকা-পয়সা আসছে কিন্তু আমরা তো শুধু এখানে রেখে ভরণ-পোষণটা করতে চাই আমরা তাদেরকে ফেরত পাঠাতে চাইতে চাই আমি দেখতে চাই যে এই জায়গায় আমাদের যে ইমেজ আমাদের সাথে যে ভালোবাসার যে সম্পর্কটা তাদের যে সম্মানটা সেটিকে রোহিঙ্গাদেরকে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে কতটুকু আমরা কাজে লাগাতে পারি যদি কাজে লাগাতে না
পারি তাহলে এই যে সম্মানের জায়গাটা এই যে রিসিপশনটা এটি আসলে অনেকগুলো জায়গায় হয়তো প্রশ্ন কি মনে করেন কতটুকু কাজে লাগতে পারে রোহিঙ্গাদের তার নিজ দেশে আমি সেটাই আরো পরে আসছি তৃতীয়ত হচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র দেশ বাংলাদেশ আমি দেখতে পাচ্ছি পাচ্ছি যে দেশ ঋণ প্রাপ্তিকে তার একটা বিরাট সফলতা মনে করে ঋণ প্রাপ্তিকে এটি তার একটা মানে মর্যাদা তার গ্রহণযোগ্যতা মনে করে আমি বাম রাজনীতি করি আমি একেবারে দীর্ঘ তথ্য দিয়ে আপনাকে দেখাতে পারবো পৃথিবীর কোন জায়গায় ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এডিমি বা আইএমএফ তারা ঋণ নিয়ে আসে জনকল্যাণের জন্য না এটি হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর এক ধরনের ব্যবসা সেই ব্যবসাকে সে নানা
কাজে ব্যবহার করে এবং একটা মোড়ক দেয় মোরগ দিয়ে আমাদের দেশের 80 এর দশকে যে তথাকথিত কাঠামোগত সংস্কার কর্মসূচি এসেছিল স্ট্রাকচারাল এডজাস্টমেন্ট পলিসি এরশাদের হাত ধরে এবং সেই কাঠামোগত কর্মসূচির নামে আমাদের এখানে রেল আমাদের এখানে পাটশিল্প আমাদের এখানে চিনি শিল্প সমস্ত ভারী শিল্পকে আমাদের ইন্টার্নাল কতগুলো প্রবলেমকে ইস্যু করে শেষ করে ফেলা হয়েছে এই চক্রটি করেছে আজকে সারা পৃথিবীতে পাটের যে বিস্তৃতি হচ্ছে আমরা সেই জায়গায় কম্পিট করতে পারছি না অংশগ্রহণ করতে পারছি না কেন এই চক্রটি ঋণের লোভ দেখিয়ে আমাদের পাঠশিল্পকে ধ্বংস করেছি অথচ আমাদের চিনির জন্য আমরা বিদেশের উপরে নির্ভরশীল আমাদের চিনি শিল্পগুলো বন্ধ করে ফেলেছি সুতরাং
এই যে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক আইএমএফ যতই ঋণ নিয়ে আসুক না কেন গত তিনদিন আগে শ্রীলঙ্কায় নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়েছে সেখানে একজন বামপন্থী তিনি নির্বাচনে অপ্রত্যাশিতভাবে বিজয়ী হয়েছেন এবং বিজয়ী হওয়ার পরে তিনি প্রথম যে কথাটি বলেছেন যে আমার এখানে ঋণের দরকার আছে আইএমএফ এর কাছ থেকে আমি সেই ঋণটি নিব যে ঋণটি আমার দেশের গরীব মানুষের উপরে কোন বোঝা তৈরি না বোঝা তৈরি হবে আমাদের এখানে যে ঋণ গুলো গ্রহণ করা হচ্ছে আমরা তার ভলিউমগুলো দেখছি বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে আসছে কিন্তু এর সাথে এর পেছনে যে শর্ত নাজমুল ভাই যেটি বললেন আমি এটাকে আরো স্পষ্ট করে বলি এর পেছনে
কি কি শর্ত আছে সেটিকে পাবলিকরে জানতে দিতে হবে তৃতীয় জায়গাটি হচ্ছে যে সংস্কার আগে নাকি নির্বাচন আগে এই সরকার যেদিন শপথ গ্রহণ করে আমার পরিষ্কার মনে আছে আমাদের বন পরিবেশমন্ত্রী রেজোয়ান আপাকে এক সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেছিলেন উপদেষ্টা জিজ্ঞেস করেছিলেন যে নির্বাচন কবে হবে তিনি হাসি দিয়ে বলেছিলেন স্বাভাবিকভাবে আপা খুব চমৎকারভাবে কথা বলে যে বিব্রতকর প্রশ্ন কেন করেন ইত্তেফাকে নিউজটি এসেছিল তো আমি এই জায়গাটায় বলতে চাই যে নির্বাচন এবং সংস্কার আমি মনে করি দুটো একটার সাথে আরেকটা আলাদা না আপনি একটা দেশ পরিচালিত হবে নির্বাচনের ভেতর থেকে যে সরকার গঠিত হবে তার মাধ্যমে যারা ডেমোক্রেসিকে রেস্পেক্ট করেন ডেমোক্রেসিকে
ওন করেন তারা এই কথাটি বলবে হয়তো এর পেছনে নানা রকমের শক্তি নানা রকমের এনালাইসিস করে কিন্তু আমি যদি গণতন্ত্রকে রেস্পেক্ট করি আমি যদি মানুষের কথা বলার অধিকারকে রেস্পেক্ট করি তাহলে আমাকে এই জিনিসটি বলতে হবে এই জায়গাতে শরীফ এই পর্যায়েটি একটু শুনি যে ধরুন অল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচন হলে কোন যে আলোচনাটি হচ্ছে আমি আলোচনাটির সারাংশ আপনার কাছে তুলে ধরছি যে অল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচন হলে কোন একটি রাজনৈতিক দলের জন্য সেটি ভালো আবার যদি একটু দেরিতে রাজনীতি হয় অন্য রাজনৈতিক দলের জন্য ভালো এরকম কি কোন আলোচনা কি মাঠে আছে প্রথমত এর ভেতর থেকে সময়ের যে ব্যবধানে এ
একজনের জন্য এ এক ধরনের সুবিধা হবে নির্বাচন যদি দেরিতে হয় আমার অবজারভেশন আমি বলি সেটি আওয়ামী লীগের জন্য সুবিধা হবে সেটি জামাত ইসলামের জন্য সুবিধা হচ্ছে কিন্তু বিএনপির এই সময়কালে নানা রকমের চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়া পড়েছে বিএনপির নেতৃত্ব অনেক কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তার সমস্ত কর্মীদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না এবং এটি নিয়ে ঢাকঢাক গুড়গুড়ের বিষয়টাও আসছে আমাদের তাদের একাধিক উপদেষ্টা তারা বলছেন চাঁদাবাজরা ফিরে এসেছে কিন্তু কোন চাঁদাবাজ তাদের গায়ের রং কি তাদের পরিচয় কি এটি বলছে না দ্বিতীয়ত চাঁদাবাজরা যদি ফিরেই এসে থাকে তাহলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকার কি দায়িত্ব পালন করছে সেটিও তারা বলছে না আবার
সেই এটিও আছে অতীত যেটি বলে ইতিহাস যা বলে যে প্রতিবার গণঅভ্যথনের পরে যে রাজনৈতিক সুবিধা সেটি বিএনপির ঘরেই গিয়েছে এখন আপনি সময় যতটুকু যাবে বিএনপি একটা বড় রাজনৈতিক দল দীর্ঘ 15 বছর একটা লড়াই করেছে তার একটা জনপ্রিয়তার একটা ভিত্তি সে তৈরি করেছে আওয়ামী লীগের 15 16 বছরের শাসনের কারণে তার প্রতি মানুষের একটা ভিত্তৃষ্ণা ইত্যাদি ইত্যাদি আছে আমি এই জায়গাটায় বলব যে আপনি সমস্ত সংস্কার তার লক্ষ্য থাকবে একদিকে দেশকে একটা বাসযোগ্য করা নিরাপদ করা একই সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্বের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর তার জন্য নির্বাচন আপনি আমাকে কিন্তু তাল খাওয়াতে আসেননি একটা তালগাছ লাগালে সেটি তাল হওয়া পর্যন্ত
15 বছর অপেক্ষা করতে হয় আমরা কিন্তু ডক্টর ইউনুস এই সরকারের কাছে তালে যেতে চাইনি 15 বছর পরে আপনি নির্বাচন দেবেন নো এটি মানুষ গ্রহণ করবে না শরীফ শরীফ অসংখ্য ধন্যবাদ ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন ভাই আপনার কাছে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন একটি দিয়ে শুরু করি সেটি হচ্ছে মামলা হামলার যে প্রসঙ্গ বিগত 15 বছরে আমরা যেটি দেখেছি যে বিপরীত মত বা রাজনৈতিক দল যারা আছেন তাদেরকে দমন বা পীরণ করার জন্য মামলা একটা অস্ত্র হিসেবে বিগত সরকার ব্যবহার করেছে কিন্তু এই ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে বর্তমান যে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরেও এমন মামলা হয়েছে যেটা আইন অঙ্গনের আপনারাই বলেছেন যে
এই মামলাগুলো আসলে লিগাল মেরিট নাই এটা দিনশেষ এটি টিকবে কিনা সেই জায়গাতে আমরা কিছু পরিবর্তনও দেখছি সেটা আসলে সেই পরিবর্তনগুলোর যারা বিনা দোষে অভিযুক্ত অথবা নানাভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বা প্রতিহিংসা হিসেবে অভিযুক্ত হয়েছেন মামলার আসামি হয়েছেন সেক্ষেত্রে কি ধরনের পরিবর্তন বা ব্যবস্থা আপনারা নিতে পারেন সেটি একটি প্রশ্ন এটিতে শুরু করি আর পরবর্তী পরের গুলো পরে বলছি দেখুন আমি এই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে একটু একটা স্ট্যাটিস্টিক দিতে চাচ্ছি আপনাকে বিগত 15 বছরে 2009 এ সাল থেকে শুরু করে 25শে জুলাই পর্যন্ত একটা আপনার হিসাব করে একটা সংখ্যা পাওয়া গেছে যে বিগত এই 15 বছরে কতগুলা মামলা হয়েছে সেখানে
দেখা গেছে বিগত 15 বছরে 1 লাখ 38071 টি মামলা হয়েছে রাজনৈতিক মামলা আমি কিন্তু রাজনৈতিক মামলার কথা বলছি যেখানে 1 লাখ 1 লাখ 38071 টি আচ্ছা ঠিক আছে এবং এখানে আসামি হয়েছিল কিন্তু 40 লাখের উপরে এই টোটাল মামলাতে জি আমি আরেকটা পরিসংখ্যান দেই এই যখন ছাত্র জনতার আন্দোলন শুরু হলো আগস্ট মাসে এই আগস্ট মাসেই আপনার 27 টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে এই 27 টি রাজনৈতিক মামলায় আসামির সংখ্যা হচ্ছে 12128 জন তাহলে দেখেন এই যে মামলা হামলার যে সংস্কৃতি এই মামলার সংস্কৃতি কিন্তু লাস্ট 15 ইয়ার্স ধরে চলে আসছে ঠিক আছে বাট লাস্ট 15 ইয়ার্স বা 16 ইয়ার্স
ধরে চলে আসছে তাই বলে যে আমরা এটাকে এখনো সাপোর্ট দিতে হবে তা কিন্তু এটা অবশ্যই এটা বন্ধ করা উচিত যেটা অরজিনাল মামলা যেটা হওয়া উচিত মামলা যে মামলাটা আমি আগে ফাইল করতে গিয়েছি কিন্তু আমাকে পুলিশ প্রশাসন আমাকে মামলাটা করতে দেয়নি রাজনৈতিক কারণে আমি মামলাটা করতে পারিনি এক রাজনৈতিক লোক আমার বাড়ি থেকে আমাকে উচ্ছেদ করে দিয়েছে অবৈধভাবে আমি থানাতে যেয়ে কোন প্রতিকার পাইনি আমি আদালতে যেয়ে কোন প্রতিকার পাইনি সে কেন এখন সুযোগ পেলে মামলা করবে না অবশ্যই করবে তার মানে কি এখানে মামলার প্রশ্ন সেটি হচ্ছে যে মামলার একটা রাজনৈতিক একটা ব্যাখ্যায়ন আছে পলিটিক্যাল পয়েন্ট অফ ভিউ
আছে আবার আইন অঙ্গন থেকে তো পয়েন্ট অফ ভিউ আছে আপনাদের কাছে কি এরকম আইন অঙ্গন থেকে মনে হয় যে একটা মামলা দিয়ে কাউকে আসলে কাবু করা যায় না অনেকগুলো মামলা লাগে অনেকগুলো মামলা লাগে আমি বলবো না আমি আমি শুধু একজন আইনজীবী হিসেবে এটা বলব যে একটা মানুষকে শুধুমাত্র হ্যারেসমেন্ট করার জন্য কোন মামলা করা এটা কখনোই উচিত না এটা কখনোই গ্রহণযোগ্য না এখানে যদি কেউ অতি উৎসাহী করে হয়ে মামলা করতে থাকে সেটার জন্য একটা পলিটিক্যাল পার্টি বলেন বা সরকার বলেন তার দায়িত্ব কিন্তু আসে না কেউ যদি অতি উৎসাহী হয়ে কারো নামে মামলা দেয় হ্যাঁ এখান থেকে
যদি একটা আমরা দেখতে পাই যে হ্যাঁ একটা পলিটিক্যাল পার্টির একটা লোক উনি মামলা করছে ঘন ঘন মামলা করছে তাহলে দেখতে হবে ওই পলিটিক্যাল পার্টির প্রধান কি স্ট্যান্ড নিয়েছে তাদের তারা তাদের এই পলিটিক্যাল পার্টিতে কি স্ট্যান্ড নিয়েছে তারা কি বলছে যে মামলা করতে থাকো নাকি তোমরা এভাবে মামলা করো না তোমরা সংযত থাকো এগুলো দেখতে হবে সবকিছু বিবেচনা করতে হবে একটা গোপালগঞ্জে একটা মামলা হচ্ছে বা চিটাগাং এ মামলা হচ্ছে বা রাজশাহীতে মামলা হচ্ছে অতি উৎসাহী নেতারা মামলা করছে সেটাতে কি পলিটিক্যাল পার্টির প্রধানরা সাপোর্ট দিচ্ছে কিনা সেটা কিন্তু হচ্ছে ব্যাপার কারণ পার্সোনাল ভাবে বা ইন্ডিভিজুয়াল ভাবে যদি কেউ
নিজে মামলা করে কাউকে হয়রানি করার জন্য মামলা করে সেটা আমার মনে হয় কোন দল প্রধানও নিবে না আমার মনে হয় ক্ষতির প্রশ্ন থাকতে পারে একজন ব্যক্তি বা একজন নেতাদের আরেকজন নেতা ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতির মুখোমুখি হতে পারে সেক্ষেত্রে মামলা তো হতেই পারে কিন্তু রাজনৈতিকদের প্রতিহিংসার যে মামলা সেটি তো একটা আপনি যেটি বললেন যে একটা নিয়ন্ত্রণে একটা কাঠামোর মধ্যে থাকা দরকার এবং সেই কাঠামো নিশ্চিত করতে গিয়ে যে মানুষের যে অধিকার মানবাধিকারের যে প্রশ্ন এবং সেই প্রশ্নের সংস্কারের যে রূপরেখা সেটা কতটা আমাদের দেশের বাস্তবতায় আমরা সেটি বাস্তবায়ন করতে পারব না এখন এই সংস্কৃতি থেকে সরে আসতে হবে এই সংস্কৃতিটা
থেকে এই যে মামলা হামলা মামলার যে সংস্কৃতি এটা থেকে সরে আসতে হবে আমার মনে হয় আস্তে আস্তে দেখেন আমরা দেখেছি যদি স্ট্যাটিস্টিকটা দেখেন প্রথম দিকে অনেক মামলা হচ্ছিল আস্তে আস্তে কিন্তু মামলা একটু কমে যাচ্ছে আবার আমরা এটা কিন্তু বিবেচনা করতে হবে যে অনেক মামলা হচ্ছে কেন হচ্ছে হয়তো আগের সরকার আমলে করতে পারেনি তাই না আমি একটা উদাহরণ দেই আমাদের বিগত দুই বছর আগে ইলেকশন হয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে ওই ইলেকশনে অনেক কিছু হয়েছিল ঠিক আছে আপনারা সবাই জানেন উনারাও জানেন আর কি তো ওই সময় কিন্তু ওই সময় যারা ইলেকশনে দাঁড়ালো তারা কিন্তু কোন প্রতিকার পায়নি
ঠিক আছে কিন্তু এখন যখন আসলো তখন যদি মনে মনে করে যে না আমার বিরুদ্ধে যা কিছু হয়েছে আমার বিরুদ্ধে যা অন্যায় হয়েছে সেটা এখন আমি আমার অন্যায় যে হয়েছে এটা আমি কেন আমি প্রতিকার চাবো না সে যদি এখন প্রতিকার চায় এটাতে আসলে বাধা দেয়ার কিছু নাই কারণ কি কারণ হচ্ছে যে আমি আমার অন্যায় আমার উপর হয়েছে সেটা আমি জাস্টিফাই করার জন্য আমি থানায় গেছি থানা আমার মামলা নেয়নি আমি আদালতে গেছি আদালত আমার ফেয়ারে ছিল না আমার পক্ষে ছিল না এরকম যদি হয়ে থাকে তাহলে মামলা কেন করবেন অবশ্যই করবে কিন্তু যদি কাউকে হয়রানি করার জন্য করা
হয় আমার বাসার পাশের বাসার সাথে একটা প্রবলেম আমি কিছু মামলা দিলাম পাশের বাসার লোককে ওই মামলার ভিতর ঢুকায় ফেললাম এটা কখনো গ্রহণযোগ্য হবে না বা এটা উচিত না এরকম মামলা কয়েকটি হয়েছে সেটি গণমাধ্যমে এসেছে সেক্ষেত্রে আপনাদের ব্যবস্থা কি থাকবে আপনাদের পক্ষ থেকে কি উদ্যোগ থাকবে দেখেন এখন তো এই যে উদ্যোগই বলেন না কেন আর কি আমাদেরকে সময় দিতে হবে কিন্তু বাদী আসামিকে চিনে না সময় দিতে হবে বাদী আসামিকে চিনে না আসামিবাদীকে চিনে না এরকম হচ্ছে হচ্ছে না তা না কিন্তু এটা যখনই উনি যখন আদালতে যাবে অবশ্যই এটা প্রতিকার পাবে অবশ্যই ন্যায় পাবে অবশ্যই সেটি প্রতিকার
পাবে আরেকটি প্রশ্ন সেটি হচ্ছে যে আমাদের এই পরস্পর সম্প্রীতির যে জায়গাটি মানে সম্প্রীতির জায়গাতে এভাবে আপনার কাছে প্রশ্নটি রাখছে যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নাগরিকদের মধ্যে যেটি ডক্টর মোহাম্মদ তিনি সকলের কাছে বলছেন যে রাষ্ট্র সংস্কারের তিনি উদ্যোগ নেবেন তার সরকার উদ্যোগ নেবেন কিন্তু সকলের সেখানে সহযোগিতার প্রয়োজন সে আহ্বানটি তিনি রাখছেন সকলের কাছে কিন্তু সেই সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে গিয়ে রাজনৈতিক দলসহ জনগণের মধ্যে যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা এবং তার বহিঃপ্রকাশ কিছুটা হলেও কি লক্ষ্য করছেন না আমি কিন্তু এখন পর্যন্ত লক্ষ্য করছি আমি যেটা দেখছি যে পলিটিক্যাল পার্টিগুলো যেগুলো বলেন আপনার বিএনপি বলেন জামাত বলেন বা অন্য আরো
যারা পার্টিরা আছে আর কি ঠিক আছে তারা কিন্তু এই গভমেন্টকে সময় দিচ্ছে এই গভমেন্টের সাথে কোঅপারেশন করছে গভমেন্ট যেভাবে চাচ্ছে সংস্কার করছে এগুলা কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা কোন এরকম স্টেটমেন্ট পাইনি অন্য কোন পলিটিক্যাল পার্টি থেকে যে এটা যা করা হয়েছে এটা করা হয়েছে বা এটা ঠিক হচ্ছে না বা আমরা এটা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি বা আমরা আন্দোলনে নামবো এখন পর্যন্ত কিন্তু হয়নি তার মানে কি তাহলে দেখা যাচ্ছে এখন পর্যন্ত যে বর্তমান সরকার এবং আদার যারা পলিটিক্যাল পার্টি আছে পার্টিজ আছে তাদের সাথে কিন্তু এখন পর্যন্ত একটা ভ্রাতৃত্ব আছে সো এটা কন্টিনিউ করতে হবে মিলন ভাই অসংখ্য ধন্যবাদ
ভাই যেটি আসতে চাই যেটি মিলন ভাই বললেন যে একটা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটা ভ্রাতৃত্ববোধের সেটি আছে তিনি দেখছেন কিন্তু গণমাধ্যমে আমরা একটা বিপরীত ন্যারেটিভ বা সত্য কিন্তু দেখছি সেটা হচ্ছে আন্দোলনের সময় যে ঐক্য ছিল সেই ঐক্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ করে নির্বাচনের প্রশ্নে মনে হচ্ছে যে যে যার সাথীকে খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা চলছে আপনার প্রশ্নের উত্তর আগে আমি ছোট করে একটু বলতে চাই যে হয়রানিমূলক মামলা উনি যেটা বললেন যে আদালতের প্রতিকার হবে আজকে আপনি আমাকে হয়রানী করার জন্য মামলা দিলেন সেটা আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হতে হতে আমার যে দুর্ভোগ হবে তার দায় কে নেবে আমরা কিন্তু এরই
মধ্যে এই নতুন সরকার আসার পরে অন্তর্বতী সরকার আসার পরে বহু মামলা দেখেছি হাস্যকর এমন সব অভিযোগ এমন সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে হয়তো তার বিরুদ্ধে অন্য অভিযোগ সত্য এবং সেটা হয়তো প্রমাণিত হবে তদন্তের মাধ্যমে বিচারের মাধ্যমে কিন্তু দেখা দেয়া হয়েছে এমন অভিযোগ আপনি হয়তো দুর্নীতি করেছেন আপনি হয়তো ক্ষমতার ব্যবহার করেছেন আপনি হয়তো ফ্যাসিবাদের সাথে ছিলেন সেই অভিযোগ না দিয়ে দেয়া হচ্ছে খুনের মামলা এবং এমন খুনের ঘটনা ওই ঘটনার সাথে তাকে মেলানোর কোন সুযোগ নাই এবং যেটি আপনি বললেন অনেক মামলার খবর আমরা গণমাধ্যমে দেখছি যে বাদী নিজেই জানে না তার মামলায় কে কে আসামি তাকে চেনেই না তার
মানে এই যে যে যাচ্ছে তাই ভাবে যেমন খুশি ইচ্ছা আপনার পছন্দ হয় নাই 10 বছর আগে কার সাথে শত্রুতা ছিল তাকে আপনি আসামি করে মামলা দিয়ে দিচ্ছেন এবং এমন সব অভিযোগ আনছেন যেটি তদন্তেও প্রমাণিত হবে না বিচারেও প্রমাণিত হবে না এটা সবাই জানে বোঝে যে মামলা করেছে এবং যারা মামলা সংশ্লিষ্ট সবাই তারপরও কিন্তু এটা চলমান থাকবে একটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে তার মানে কি দিয়ে দিল একটু চাপে রাখলো তার মানে মামলা দিল কি একটু চাপে রাখলো পাঁচ 10 বছর কতদিন চলবে আপনি জানেন না ততদিন আপনি একজন মানুষকে হয়রানি করবেন তার কি কোন আইনি প্রতিকার নাই তার
মানে হচ্ছে মামলা নেয়ার ক্ষেত্রে উনি আইনজীবী ভালো বলতে পারবেন মামলা নেয়ার ক্ষেত্রে আমি গিয়ে আজকবি অভিযোগে যাচ্ছে তাই মামলা যার বিরুদ্ধে খুশি করতে থাকলাম সেই মামলাটা আদালত বা না বিগত সময় আমরা যেটি দেখেছি আমি বলছি মৃত ব্যক্তির নামে মামলা হয়েছে আমি বলছি যে বিগত সরকারের আমলে মামলার নামে যা কিছু হয়েছে এত নিকৃষ্ট কাজ অনেকগুলো কাজের একটি সে কারণে তো তাদের পতন হয়েছে সে কারণে তারা আছে দেশ ছেড়ে চলে গেছে পালিয়ে আছে তাদেরকে লোকজন ঘৃণা করছে আগামী 20 30 40 50 বছর পরও তারা আবার স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরতে পারবে কিনা সেই প্রশ্ন উঠছে সেই উদাহরণ দিলে তো
হবে না পরিবর্তন কেন যাতে এরকমটা না হয় তা আমার মৌলিক প্রশ্ন হচ্ছে যে এরকম হয়রানিমূলক যাচ্ছে তাই অদ্ভুত যাতে মামলা যাতে না প্রত্যাশাটা আমরা অনেক মানুষ খারাপ আছে আমি আপনাকে কষ্ট দিতে চাই কিন্তু সেই মামলা আমি নেব কেন আইন কি এখানে বাধ্য করে আদালতকে বা থানাকে এই দুই জায়গায় তো মামলা হয় যেকোনো মামলা তারা নিয়ে নিচ্ছে নিশ্চয়ই সেটি হবে না রাজনৈতিক প্রশ্ন নিশ্চয়ই দেখেন আমাদের তো আল্টিমেট গোল কি আমরা সঠিক গণতন্ত্রের চর্চায় ফেরত যাব যদি গণতন্ত্রের চর্চা সঠিক হয় তাহলে আপনার সুশাসন থাকবে জবাবদিহিতা থাকবে দুর্নীতি কমবে স্বচ্ছতা বাড়বে আইনে শাসন তৈরি হবে ন্যায়বিচার হবে এসব
কিছু কিন্তু গণতন্ত্রের ফলে আমরা পাবো যদি সঠিক গণতন্ত্র হয় আমরা গণতন্ত্রের নামে স্বৈরাচারী ব্যবস্থা কাম করেছিলাম সেই গণতন্ত্রের এর লক্ষ্য যদি পূরণ করতে হয় এবং সেই লক্ষ্য পূরণের প্রথম ধাপ তো হচ্ছে নির্বাচন সেই নির্বাচন যদি আপনি অনিশ্চিত রাখেন একেকজন একেক রকমের কথা বলে সংস্কারের নামে যদি আপনি মানে এন্ডলেস টাইম আপনি কাটাতে থাকেন এবং একেকজন একেক রকমের ভাবনা ভাবে তাহলে মানুষ তো এটাও ভাবতে পারে যে গণঅভ্যুত্থানে আপনারা জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন আপনাদের কোন জবাবদিহিতা নাই আপনাদের কোন লেজিটিমেসি নাই আপনাদের কোন সাংবিধানিক ভিত্তি নাই কিন্তু আপনি ক্ষমতায় আছেন সেই ক্ষমতাটা আপনি ভোগ করতেছেন ভাই এখানে এখানে আমি
একটু একটু সুযোগ চাই আপনার কাছ থেকে এই প্রশ্নটি করার জন্য যে ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে তার সরকার একটি সর্বোচ্চ সংস্কারের মধ্যে দিয়ে একটি ভালো একটি রূপরেখা বললুন একটা বাস্তবতা তৈরি করে দেওয়ার তারা চেষ্টা করবে সেটি সময় নিয়ে আলাপ আলোচনা সেটি হতেই পারে কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো যে নির্বাচনের প্রশ্নে দেশের প্রশ্নে সংস্কারের প্রশ্নে ভালোর প্রশ্নে তাদের কাছ থেকে ঐ ঐক্যবদ্ধ একটা রূপ আমরা সবসময় প্রত্যাশা করি কিন্তু তারা আন্দোলনের সময় একচুয়ালি এখন এসে যে যার মত করে হাঁটছে অথবা অনেকটা আলাদা হয়ে যাচ্ছে বা তাদের বন্ধনটা ঢিলে ঢালা হয়ে যাচ্ছে কারণ প্রত্যেকে যার যার রাজনৈতিক স্বার্থ দলীয় স্বার্থটাকে দেখবে
আমরা মোটা দাগে যদি দেখি যে বিএনপি সবচেয়ে বড় দল এই মুহূর্তে যেহেতু আওয়ামী লীগ নাই বলতেছি যে আওয়ামী লীগের যে এই পতন হয়েছে ফলে তাদের স্বাভাবিক রাজনীতিতে কবে ফিরে আসতে পারবে আমরা জানিনা কিন্তু এই মুহূর্তে যদি আপনি নির্বাচন দেন বিএনপির প্রতিদ্বন্দী কেউ নাই তাহলে বিএনপির কাছাকাছি দল হিসেবে আমরা দেখছি জামাতে ইসলামীকে জামাতে ইসলামী দেরি কেন করতে চায় শরিফ ভাই ব্যাখ্যা করেছেন যত দেরি করবে ততই তাদের জন্য ভালো আরো গুছাতে পারবে আরো শক্তি সঞ্চয় করতে পারবে ফলে এই তাড়াতাড়ি দেওয়া আর দেরিতে দেওয়ার মধ্যে রাজনৈতিক অবস্থান আছে আবার জামাতসহ অনেকগুলো ইসলামী দল ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে সেখানে
তারা একটা শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করছে তাদের কাজ অনেক বেশি বিএনপির এত সব কাজ নাই বিএনপি যত দ্রুত দেবে বরং বিএনপির নামে যে বিএনপির সবকিছু গোছানোই এটাই বলতে চাচ্ছেন গোছানো এই অর্থে বিএনপি কিন্তু তার সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করেছে এক লাইনে শেষ করি যে বিএনপির নামে বা বিএনপির লোকজন বা বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় যে অপকর্ম করছে এটা যত বাড়বে ততই তাদের জনসমর্থন এবং গত 16 বছর যে তারা নির্যাতিত হয়ে জনগণের সমর্থন পেয়েছে এত বছর ক্ষমতার বাইরে থেকে তাদের যে সুবিধাটা হয়েছে এই সুবিধাটা নির্বাচনের কাজে লাগাতে পারবে ভাই আপনারা মামলা নিয়ে কথা বললেন তো আমি একটা তথ্য দেই
গত তিনদিন আগে যাত্রাবাড়িতে একটা মামলা হয়েছে যাত্রাবাড়ির বিএনপির নেতা নবীউল্লাহ নবী দুটো মামলা করিয়েছেন 850 মানুষের বিরুদ্ধে তার মধ্যে একটা মামলার আসামি হচ্ছে তার মেয়ের সাবেক জামাই বেশ কয়েক মাস বছর আগে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে সুযোগে তিনি ওই জামাই এবং তার আত্মীয়-স্বজনকে মামলায় যুক্ত করে দিয়েছেন এটি নিয়ে বিবিসি সহ অনেকগুলো জায়গায় প্রতিবেদন হয়েছে আমরা এই সুযোগগুলোকে কাজে লাগাচ্ছি আপনি যেটি বলেছেন আমি লক্ষ্য করছি আমাদের গণঅভ্যুত্থানের যে মূল আকাঙ্ক্ষা সেখান থেকে কোন কোন জায়গায় এটিকে একটা স্বার্থসী মহল এটিকে ডাইভার্ট করার চেষ্টা করছে এটিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে যে এজেন্ডাগুলো গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে ছিল না এরকমের কতগুলো এজেন্ডা এনে
সরকারের কাঁধের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং সরকারের ওজনটা বাড়ানোর চেষ্টা করছে আমি এই সময়কালে সরকারের সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জের যে জায়গাটি মনে করি সেটি হচ্ছে যে এই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় দেড় হাজার শহীদের যে হত্যাকাণ্ডের যে বিচার এই পরিবারের কাছে তার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা একই সাথে আমি এটাও মনে করিয়ে দিতে চাই যে পাঁচ তারিখের পরে যে হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটেছে সেটাও নিরপেক্ষ বিচার করা এই সরকারের দায়িত্ব আমার সময়ে এই আন্দোলনে ফ্যাসিস্টকে পরাজিত করার জন্য ঘটেছে বলেই আমি শুধু সেই হত্যাকাণ্ডের বিচার করব পরের গুলো আমি দেখব না এটি হতে পারে না দ্বিতীয় জায়গাটা সরকারের এজেন্ডার মধ্যে আমি দেখতে পাচ্ছি শহরের
মানুষের এজেন্ডা গুলোকে প্রায়োরিটি পাচ্ছে এবং এই আন্দোলনের সঙ্গে সংস্কারের সংস্কারের জায়গায় প্রত্যেকটি জায়গায় আপনাকে ফেলতে হবে আপনার অর্থনৈতিক খাতের যে সংস্কার কেবলমাত্র আইএমএফ এর কাছ থেকে ঋণ নেওয়া না বাজারের ব্যবস্থাপনা গত এক সপ্তাহে প্রতিদিন দ্রব্যমূল্য বাড়ছে এই বিষয়টি আপনি যদি খেয়াল না করেন আপনি শুধু যদি আমেরিকার রিসিপশন আর এই যে আইএমএফ এর ঋণ পাওয়া এটিকে প্রায়োরিটি মনে করেন তাহলে এই গণঅভ্যুত্থানের সাথে তার যে চেতনার সাথে তার যে অর্জনের সাথে এবং এর ভেতর থেকে মানুষের বিপুল আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যে সরকারটি আছে তার সাথে মানুষের একটা সংযোগ শরীফ ভাই শেষ লাইনটি শুনবো শেষ শেষ লাইনটা হচ্ছে যে আমরা
যেহেতু একটা দেশ রাজনীতি দিয়ে চলা উচিত নির্বাচন নিয়ে আপনি সংস্কারটা কি করতে চান পরিষ্কার করা দরকার নির্বাচন বিষয়ে সকালে এক ধরনের বিকালে এক ধরনের যে বক্তব্যগুলো আসছে এটি রাজনীতিতে আরো নতুন বক্তব্যের মধ্যে সেটা মিল থাকা দরকার অসংখ্য ধন্যবাদ মিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন ভাই শেষ মন্তব্যে কি বলবেন না আমি আমি কিছু কিছু ক্ষেত্রে অবশ্যই একমত একটু পয়েন্ট আকারে বলার বললে ভালো হয় যেটা বলবো সেটা হচ্ছে যে কেউ অতি উৎসাহী হয়ে যদি মামলা করে সেটা দায়-দায়িত্ব আসলে কোন পলিটিক্যাল পার্টি অথবা গভমেন্টের উপর বর্তাবে না যে করবে তার দায় যে করবে তার দায় নিশ্চয়ই যে মামলা নেয় তার
দায়িত্ব এবং যে মামলা নেয় অবশ্যই যে এখানে থানাতে গেলেই এখানে তো থানা কর্তৃপক্ষকেও দেখতে হবে যে আসলো সে মামলা করছে যেমন ধরেন নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা করতে গেলে কিন্তু আগে দেখতে হয় যে কোন মহিলা যদি অভিযোগ দেয় তাহলে আগে তার মেডিকেল কি কি এভিডেন্স আছে সেগুলো করতে হবে এটা কিন্তু উচিত ঠিক আছে আমরা আমি কিন্তু বারবার বলছি এবং আমরা সবাই কিন্তু এটার বিষয়ে একমত যে অতি উৎসে মামলা দেয়া কাউকে হয়রানি করে হয়রানির জন্য মামলা দেয়া মিথ্যা মামলা দেয়া এটা আমরা কখনোই সাপোর্ট করি না এবং কেউ সাপোর্ট করবে না তাহলে তো সেই যে লাউ সেই
কদু একই জিনিস তো থেকে যাবে তাই না সো এটা আসলে বন্ধ হওয়া উচিত এবং এবং আশা করি যে এটা অবশ্যই বন্ধ হবে এবং দলীয় প্রধানরাও এটার ব্যাপারে খেয়াল হয়তোবা রাখছে এবং সামনে আরো খেয়াল রাখবে এবং গভমেন্টকেও খেয়াল রাখতে হবে আর লাস্টে ভাইয়ের সাথে একটা জিনিস বলি যে অর্থনৈতিক সংস্কারের কথা যেটা আসলো আর কি যে আইএমএফ এর সাথে কি সম্পর্ক ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সাথে কি সম্পর্ক আসলে এটার থেকে বেশি ইম্পর্টেন্ট আমি বাজারে যেয়ে যখন দেখব যে লাউয়ের দাম বেশি পটলের দাম বেশি এগুলাই কিন্তু আসলে আমার কাছে ইফেক্ট করবে সো আসলে এই বাজার বলেন বা আমাদের আমাদের জীবনযাত্রা
এর সাথে যা কিছু জড়িত আছে সেগুলো সংস্কার করতে হবে এবং সেগুলো থেকে আমাদের মুক্তি দিতে হবে নিত্য দিনের বিষয়ে পরিবর্তন না আসলে মানুষ হতাশ হবে গণঅভ্যুত্থানের চেতনা লক্ষ্য উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে এবং দুদিন পরে কিন্তু এই সংস্কার গণতন্ত্র সুশাসন এগুলো দিয়ে মানুষের পেট ভরবে না তখন মানুষ কিন্তু সরকারের বিরুদ্ধে চলে যাবে মানুষ দৈনন্দিন জীবনে কথা তো বলছে এখন আরো এত বেশি করে বলবে দৈনন্দিন জীবনের বিষয়গুলোকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া তারপরে আপনি মধ্যমেয়াদী দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা অসংখ্য ধন্যবাদ সময় দিতে হবে আরকি মানে আমি যেটা বলছি জাস্ট আমি যোগ করতে চাচ্ছি যে মাত্র আসলো দেড় মাস হলো সময় দিতে হবে
মানে কিছু কিছু কাজ আছে একদিনই করা যায় আমি বলছি যে ওইভাবে জিনিসটাকে ভাই হ্যাঁ আমি যুক্ত করার মধ্যে না তেমন কিছু নেই জাস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে তোফাজ্জল হত্যাকাণ্ড আমি মনে করিয়ে দেই পাঁচজন না ছয় জনকে গ্রেপতার করার পরে পুরো প্রক্রিয়াটা থেমে গেছে 16 জনের নামে মামলা হয়েছে 16 জনের আমরা দেখতে পাচ্ছি যে তাদেরকে বাকিদেরকে গ্রেপতার করার ক্ষেত্রে এক ধরনের অনীহা কাজ করছে জি অসংখ্য ধন্যবাদ শরিফুজ্জামান শরীফ নাজমুল আশরাফ এবং ব্যারিস্টার মাফ রহমান মিলন আপনাদের তিনজনকে অসংখ্য ধন্যবাদ আজকের আলোচনায় আমাদের সময় দেওয়ার জন্য প্রিয় দর্শক আজকের মত আবারও ডেমোক্রেসি অনুষ্ঠানটি এখানেই শেষ করছি একই সাথে জানিয়ে
রাখি অনুষ্ঠানটি পূর্ণ বছর হবে সকাল 7:30 মিনিটে দেখার আমন্ত্রণ রইল সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন নিরাপদে থাকুন সঙ্গে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ এবং সবাইকে শুভ রাত্রি اللہ