আসসালামু আলাইকুম। ওয়ালাইকুম আসসালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। সবাই কেমন আছেন? [মিউজিক] আল্লাহর রহমতে আল্লাহ ভালো রাখছে। আপনার কি অবস্থা? আলহামদুলিল্লাহ। জাযাকাল্লাহ খায়রান অন টাইম জয়েন করার জন্য। ইনফ্যাক্ট এডভান্স জয়েন করে ফেলেছেন। জি জি। আমি ওয়েট করতেছিলাম কখন 9য়টা বাজবে। আচ্ছা। দেখলাম যে আপনারা ঢুকছেন আমি আসলে তো আমরা অপেক্ষা করি বাকিদের জন্য ইনশাআল্লাহ। জি জ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমার কথা কি ক্লিয়ারলি শোনা যাচ্ছে? এটা একটু এনসিওর করবেন আমার কথা সবাই ক্লিয়ারলি শুনতে পাচ্ছেন কিনা। দ্রুত একটু জানালে ভালো হয় এবং ওকে সবাই সবার কাছে এটা আমি অডিবল না ইনশাআল্লাহ ফজলে ভাই ভাই আবু মুসা ভাই ওকে ফাইন আলহামদুলিল্লাহি
রাব্বিল আলামিন ওয়াসসালাতু ওয়াসসালামু আলা রাসুলিহিল কারীম ওয়ালা আলিহ স আলহামদুলিল্লাহ। আমরা আমাদের ওয়ার্কশপটা শুরু করতে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ। তো আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনারা টাইমলি জয়েন করেছেন। আরো কয়েকজন জয়েন করবেন। ইনফ্যাক্ট আরো প্রায় পাঁচজনের মত পাঁচজনের মতো না। আরো পাঁচজন জয়েন করবেন। ইনশাআল্লাহ বা এটলিস্ট জয়েন করার কথা। যদি না কোন ব্যস্ততা বা কোন সমস্যা পড়ে যায়। যাই হোক ইনশাআল্লাহ। তো সবাই কেমন আছেন বলেন। সবাই কেমন আছেন? আলহামদুলিল্লাহ। ওকে। আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ। আচ্ছা তো আমাদের আজকের ওয়ার্কশপটা বেসিক্যালি আমরা দুইজন এটা ফ্যাসিলিটেট করব। মোস্টলি মেজরিটি সেশনগুলো যদিও আমি নেব। আর আমার পার্টনার মুজাহিদ রাসেল তিনি আপনাদের সেশন একটা সেশন
নেবেন। তো প্রথমেই আমি একটু ইয়া করে দেই। বেসিক্যালি আমাদের যে এই যে সারাদিন আমরা থাকবো আমাদের অনলাইনে থাকা এটা একটু অনেকের কাছে একটু ডিফিকাল্ট মনে হতে পারে যে কিভাবে সারাদিন কনসেন্ট্রেট করব হ্যাঁ এটা তো আসলে ডিফিকাল্ট এজন্য আমাদের কিছু গ্রাউন্ড রুল ফিক্স করা দরকারযে রুলসগুলো যদি আমরা ফলো করি হোপফুলি আমরা খুব ইফেক্টিভলি ওয়ার্কশপটা শেষ করতে পারব এবং আমাদের লার্নিং এক্সপেরিয়েন্সটা অনেক ভালো হবে এটা স্বাভাবিক অস্বীকার করার কোন উপায় যে আসলে অফলাইনে যে লার্নিং এক্সপেরিয়েন্স হয় অনলাইনে তো 100% পসিবল না বাট তারপর আমরা যতটা সম্ভব মেকাপ করতে পারি হ্যা আর এই ওয়ার্কশপটা এর আগে আমরা দুইবার
অফলাইনে করেছিলাম ফারস্ট টাইম আমরা এটা অনলাইনে করছি তো স্বাভাবিকভাবে এখানে আমাদের জন্য হয়তো কিছু লার্নিং থাকবে এখানে যেটা নেক্সট টাইম থেকে আমরা আবার রেকটিফাই করতে পারব ইনশআল্লাহ ওকে আমাদের আজকের ওয়ার্কশপে কিছু গ্রাউন্ড রুল আমি একটু মেনশন করতে চাই দেন হচ্ছে আমি আমাদের সেশন ডিস্ট্রিবিউশন গুলো একটু বলব। এরপর আমরা আমাদের মূল আলোচনায় যাব। ইনফ্যাক্ট আগে রুলসগুলো ক্লিয়ার করে ফেলি। ফস্ট রুল হচ্ছে ডোন্ট আসক ফর পারমিশন ইন কেস অফ ওয়াশরুম ব্রেক। যদি আপনার যেকোন ধরনের ইমারজেন্সি ব্রেক লাগে তাহলে এটা মাইক্রোফোন অন করে অথবা চ্যাট বক্সে আপনার কোন পারমিশনের প্রয়োজন নেই। আপনি সাইলেন্টলি আপনার প্রয়োজনে যেতে পারেন। তবে
জরুরি প্রয়োজন ছাড়া খুব ইমারজেন্সি ছাড়া আমি রিকোয়েস্ট করব ব্রেক না নেওয়ার জন্য বা স্প্রিং থেকে না যাওয়ার জন্য। এজন্য আমি মাঝেমধ্যে ভাইদেরকে রেন্ডমলি ক্যামেরা অন করতে বলব। যেমন ভাই ক্যামেরাটা অন করেন বা মুসা ভাই আপনি ক্যামেরা অন করেন। চেক যে আমরা সবাই প্রেজেন্ট আছি কিনা। বিকজ অনলাইনে মাঝেমধ্যে এটা হয় যেটা সবার ক্ষেত্রেই হয়। এজন্য আমি কিন্তু ইন জেনারেল ভাইদেরকে বা ইভেন ভাইদেরকেই আমি ক্যামেরা অন রাখতে বলছি না কারণ আমরা অনেক সময় বাসায় থাকি সো বিভিন্ন রকম সিচুয়েশনে থাকি তো এটা ডিফিকাল্ট হয় অনেক সময় বাট স্টিল মাঝে মধ্যে আমি একটু এটেন্ডেন্স চেক করব আর কি হ্যা
রেন্ডমলি ক্যামেরা অন করতে বলব ভাইদের জন্য ওকে আপনারা চেষ্টা করেন পুরোটা সময় প্রেজেন্ট থাকার জন্য এবং অবশ্যই আপনার মাইক্রোফোনটা মিউট রাখতে হবে যাতে ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ না আসে এবং যখন আমি কোন কোশ্চেন করব তখন আপনারা মাইক্রোফোন অন করে আনসার দিতে পারবেন আর যে বোনেরা আছেন আপনারা চাইলে চ্যাট বক্সে লিখেও দিতে পারেন বাট ভাইদেরকে বলছি আপনারা সাইলেন্ট থেকে চ্যাট বক্সে লিখে আসার করবেন না এটা নট এক্সেপ্টেবল আপনাদেরকে অবশ্যই মাইক্রোফোন অন করে আনসার করতে হবে বাই ভয়েস এবং আমরা অনলাইনে অনেক সময় কি করি যে জানি একটা জিনিস তারপরও চুপ করে রয়ে যায় কারণ মনে হয় যে ফাইন ঠিক
আছে অন্য কেউ বলবে বা দরকার কি হ্যাঁ প্লিজ এটা আমরা আমরা এখানে এটা কিন্তু ওয়ার্কশপ আমরা শুরু করলেই বুঝতে পারবেন যে এখানে আমি বেশি কথা বলবো না বা আমরা বেশি কথা বলবো না এখানে 80% কথা আপনাদেরকে বলতে হবে সো এটা কোন অনলাইন ক্লাস না এখানে প্রচুর ওয়ার্ক থাকবে কোশ্চেন থাকবেঅক্টিভিটিস থাকবে এখানে যদি চুপ করে বসে থাকেন তাহলে আসলে এ ওয়ার্কশপ থেকে বেশি ইনপুট নেওয়া সম্ভব হবে না এজন্য রেসপন্ড এজমা ইউ ক্যান দেন হচ্ছে যদি কোন খাওয়া-দাওয়ার প্রয়োজন হয় বা আপনার বিশ্রামের প্রয়োজন হয় আমাদের ব্রেক থাকবে আপনার প্রতিটা সেশন পরেই আমরা ব্রেক রাখবো সেই ব্রেকের মধ্যে
আপনি খাওয়া-দাওয়া বা বিশ্রামের বিষয়গুলো সেরে নিবেন সেশন চলাকালীন রিকোয়েস্ট করব খাওয়া-দাওয়া না করার জন্য এক্সেপ্ট টি অথবা কফি আপনি চা বা কফি চাইলে নিয়ে বসতে পারেন বাকি খাওয়া-দাওয়া সেশনের মাঝখানে না করার জন্য রিকোয়েস্ট করব ওকে এবং আপনাদের খুব লাইন বাই লাইন নোট নেয়ার প্রয়োজন নাই। কারণ আমরা ফুল স্লাইডটা আপনাদের সাথে শেয়ার করব। কিন্তু একটা পেন এবং নোটবুক আপনাদেরকে সবার কাছে রাখতে হবে। ঠিক আছে? কারণঅক্টিভিটি সময় আপনাদেরকে নোট নিতে হবে এবং আপনাদের লার্নিংটা আমাদের সাথে শেয়ার করতে হবে। ঠিক আছে? সো এই রুলসগুলো যদি আমরা মেইনটেইন করি আশা করা যায় আমরা আমাদের আজকের ওয়ার্কশপ থেকে ম্যাক্সিমাম ইনপুটটা
নিতে পারব। স আপনারা এগ্রি করেন কিনা আমাদের গ্রাউন্ড রুলসের সাথে এগ্রি আপনাদের যদি কোন বিষয় মনে হয় যে না এটা এটাতে সম্ভব না স এখানে আমার দ্বিমত আছে দেন ওকে আলহামদুলিল্লাহ এবং আমাদের সেশন ডিস্ট্রিবিউশনটা একটু বলে দেই আমাদের বেসিক্যালি যে ইন্ট্রো সেশন আমাদের এই সেশনটা হবে হচ্ছে 10ড়টা পর্যন্ত হ্যা 10ড়টা থেকে আমাদের একটা 15 মিনিটের ব্রেক থাকবে দেন 10:45 থেকে নিয়ে আমাদের আবার সয়া টা পর্যন্ত একটা সেশন হবে দেড় ঘন্টার ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স এর উপরে এরপর আমরা সালাতের এবং লাঞ্চের ব্রেকে চলে যাব দুই ঘন্টার ঠিক আছে দেন স:15টায় আবার আমরা ফিরে আসবো এবং সয়াদটা থেকে 3ড়েটা
একটা সেশন হবে দেন আপনার একটা ব্রেক পাবেন দেন 3:45 থেকে নিয়ে আবার 4টা 55 পর্যন্ত একটা সেশন হবে দেন আসরের সালাতের জন্য আধা ঘন্টা ব্রেক পাবেন দেন আবার হচ্ছে আপনার পাটা 20 বা 25 থেকে নিয়ে একেবারে 6টা 20 বা 25 পর্যন্ত একটা সেশন হবে ঠিক আছে দেন আমাদের আজকের মেইন আলোচনা শেষ মাগরিবের পরে ইনশআল্লাহ আমরা কোশ্চেন অন্সার অথবা ফিডব্যাক সেশনে আমরা চলে যাব ইনশআল্লাহ ঠিক আছে স আমরা রেডি শুরু করার জন্য ইনশল্লাহ আপনাদেরকে কাইন্ডলি আমি বলব মাইক্রোফোন অন করে কিন্তু আনসার করতে হবে। হ্যাঁ। না হলে এটা সারাদিন কন্টিনিউ করা ভেরি ডিফিকাল্ট আমাদের সবার জন্য। স্পেশালি
আমাদের দুজন ফ্যাসিলিটেটরের জন্য এটা কন্টিনিউ করা খুব ডিফিকাল্ট। কারণ চ্যাট বক্সে লিখা অনেক সময় সাপেক্ষ বিষয় এবং আমরা সেশন শেষও করতে পারবো না। ঠিক আছে? অনলাইনে এমনিতেই অনেক সময় নষ্ট হয়। তো ধরেন যেই এক ঘন্টা সেশন যেটা আমার অফলাইনে এক ঘন্টা লাগে। অনলাইনে স্বাভাবিকভাবে ওটা করতে আমার দেড় ঘন্টা বা স এক ঘন্টা লাগবে। সো আপনারা কাইন্ডলি মাইক্রোফোনটা অন করে আনসার করবেন। ঠিক আছে? তাহলে আমাদের ফারস্ট সেশনটা শুরু করে দেই। সেটা হচ্ছে ইসলামিক ভিউ অন অর্গানাইজেশন। ঠিক আছে? যে আমরা যেহেতু আজকে সারাটা দিন ম্যানেজমেন্ট নিয়ে দেখবো বা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের জীবনীর আলোকে তার শিক্ষার আলোকে
তিনি কোন লিডারশিপ এবং ম্যানেজমেন্ট লেসনগুলো বিশেষভাবে আমাদেরকে দিয়ে গিয়েছেন এবং সেগুলো কিভাবে আমরা প্রফেশনাল লাইফে এপ্লাই করতে পারি এটা নিয়ে আজকে আমাদের সারাদিন যাবে বিগিনিং অফ ওয়ার্কশপ আমরা যে জিনিসটা নিয়ে ফোকাস করতে চাই সেটা হচ্ছে ইসলাম আসলে অর্গানাইজেশনকে বা ম্যানেজমেন্টকে কিভাবে দেখে এই নিয়ে আসলে ইসলামের গাইডলাইনটা কি? ঠিক আছে? তো এখন আপনাদের প্রশ্ন হতে পারে যে কেন ইসলাম অর্গানাইজেশন কি বলছে? এইটা জেনে আমার লাভটা কি? অর্গানাইজেশনে এখানে কি আদৌ ইসলামের কিছু বলার আছে? কারণ ইসলাম আমরা জানি যে নামাজ রোজা নিয়ে কথা বলেছে। সালাত, সিয়াম, হজ, যাকাত নিয়ে কথা বলেছে। বাট অর্গানাইজেশন নিয়ে কি আদৌ ইসলাম
কিছু বলেছে? দেখেন আমরা তো বলি না যে ইসলাম হচ্ছে কমপ্লিট কোড অফ লাইফ। সব আমাদের লাইফের ওভারল গাইডলাইন ইসলামের মধ্যে আছে। ডেফিনেটলি আমাদের প্রফেশনাল লাইফ। এই লাইফটা সম্পর্কে অবশ্যই অবশ্যই ইসলামের কি আছে? কিছু কোন না কোন গাইডলাইন অবশ্যই আছে। আমরা ইন জেনারেল কি করি? 24 ঘন্টার মধ্যে আমরা অফিসে কতক্ষণ থাকি? ইন জেনারেল অফিসে আমরা কতক্ষণ থাকি বা বিজনেসে আমরা যেটাই বলি না কেন কতক্ষণ থাকি আমরা নরমালি? আট ঘন্টার মত। আট ঘন্টার মত। তার মানে অলমোস্ট আমাদের বলতে পারেন যে আমরা প্রফেশনাল লাইফে ঢুকে যাওয়ার পর আমাদের বাকি লাইফে বা যতদিন আমরা প্রফেশনাল লাইফে থাকি তার ওয়ান
থার্ড সময়টা আমরা কিন্তু এই অফিস আদালত চাকরি বা প্রিপারেশনে খরচ করি এই যে আমাদের লাইফের এত বড় পরিমাণ একটা সময় আমরা ইনভেস্ট করছি এই জায়গাটাতে কি ইসলামের কিছু বলার নেই বা এই জায়গাটাতে আমাদেরকে স্পিরিচুয়ালি আপেড রাখার জন্য স্পিরিচুয়ালি আমাদেরকে কি বলব এটাকে মানে বুস্টেড রাখার জন্য এখানে ইসলামের অবশ্যই কিছু গাইডলাইন আছে। ঠিক আছে? আমরা এবং কনটেম্পোরারি ওয়ার্ল্ডে তো আপনারা দেখছেন না যেযে ভোগবাদিতা বলেন কিংবা এই যে যেকোন মূল্যে প্রফিট ম্যাক্সিমাইজ করার জন্য মানুষকে ঠগানো এবং মানে এইযে এখন বিজনেস এথিক্যাল বিজনেস নিয়ে এত কথা কেন হচ্ছে বা বিজনেস এথিক্স নিয়ে কেন ইউনিভার্সিটিগুলোতে এত কোর্স আসছে প্রফেশনাল
এথিক্স নিয়ে কেন কথা হচ্ছে কারণ এখন এত বেশি মানুষ প্রফিট সেন্ট্রিক হয়ে যাচ্ছে যেই এথিক্যাল জিনিসগুলো আস্তে আস্তে আমাদের মধ্য থেকে সরে যাচ্ছে ঠিক আছে ওয়েস্টারন সোসাইটি যেটা করছে তারা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যেটাকে পজিটিভ এথিক্স মনে করছে সেটাকে তারা কারিকুলামের মধ্যে নিয়ে আসছে। বাট এজ মুসলিম আমাদেরকে দেখতে হবে ইসলাম আমাদেরকে প্রফেশনালি এবং বিজনেসের মধ্যে কোন কোন এথিক্সের কথা বলছে। আমাদেরকে এই বিজি লাইফের মধ্যে এই কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডের মধ্যে যদি আমরা স্পিরিচুয়ালি আপটেড থাকতে চাই তাহলে আমাদেরকে ইসলামিক পারসপেক্টিভ গুলো মাথায় রেখে চলতে হবে এবং আমাদের অর্গানাইজেশন গুলোকে চালাতে হবে ঠিক আছে এবং আমাদের একটা জিনিস দেখবেন আমি
আপনাদের একটা কোশ্চেন করতে চাই যে আবু মুসা ভাই আলহামদুলিল্লাহ ম্যানেজিং ডাইরেক্টর কোম্পানিবা আমরা যারা ধরেন এমপ্লয় আছি জব করছি। কখনো কি এরকম মনে হয়েছে যে ঘুম থেকে ওঠার কথা? যদি এরকম কোনদিন আসতো যে ঘুম থেকে উঠে অফিসে দৌড়ানোর রাশ না থাকতো কতই না ভালো হতো। এরকম কি কখনো আমাদের মনে হইছে? যদি আমি কোম্পানির মালিক হইতাম। আমি 11 টার সময় আরামস অফিস যাইতাম। অফিস যে তদারকি করতাম। সবাই ঠিকমত আসছে কিনা? আমার একটা নিজের ট্রান্সপারেন্ট একটা রুম থাকতো। এরকম কি কখনো আমরা কেউ ফিল করছি যে এই সেইম লাইফ সেইম রুটিন আরো ভালো লাগতেছে না সাম ভাই জ
এরকম ফিল হয়েছে এবং আমার মনে হয় যে শুধু একবার দুইবার না মাঝে মধ্যে এরকম আমাদের মনে হয় যে যদি এই ধরা বাধা রুটিন থেকে বের হয়ে এসে নিজের মত একটা লাইফ লিড করতে পারতাম ঠিক আছে তার মানেটা কি দেখেন তার মানে হচ্ছে আমাদের লাইফের যে ওয়ান থার্ড সময় আমরা যেখানে দিচ্ছি মানে আমাদের পুরো লাইফের না প্রফেশনাল স্প্যানের আমরা ওয়ান থার্ড সময় যেখানে দিচ্ছি এইটা টু সাম এক্সটেন্ট আমাদের কাছে মিনিংফুল মনে হচ্ছে না। আমি যেটা করতে ভালো লাগে সেটা আমি করতে পারছি না। অথবা যেটা আমি করছি সেটা আমি করে আনন্দ পাচ্ছি না। মনে হচ্ছে যে আমার
হয়তো ভিন্ন কিছুই করা উচিত ছিল। কিন্তু এখন ক্যারিয়ারে জীবনে এমন একটা পর্যায়ে চলে এসেছি যে হয়তো এখন আর শিফটও করতে পারছি না। আবার মানে একটা গলার কাটার মত হয়ে গিয়েছে। আমার চাকরিটা আমার ব্যবসাটা এরকম। অর্থাৎ আমরা মিনিংফুল কাজ করতে পারছি না। অর্থাৎ যেটা করছি তার কোন মিনিং আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। কেবলমাত্র ফিনান্সিয়াল পারপাসেই করে যাচ্ছি। তো যদি আমরা আমাদের কাজগুলোকে মিনিংফুল করতে চাই এটার একটা গ্রেটার বেনিফিট আমরা বুঝতে চাই অবশ্যই আমাদেরকে ইসলামিক্যালি এটার সলিুশন খুজতে হবে। ঠিক আছে? কারণ যতই আপনাকে ইউনিভার্সিটিতে বিজনেস এথিক্স পড়ানো হোক না কেন, ওয়ার্ক এথিক্স পড়ানো হোক না কেন, একটা কথা
কেউ বলবে না। বলেন তো সেটা কি? অবশ্যই আপনি এটা মিসিং পাবেন। খুব ভাইটাল একটা পয়েন্ট। মোরালিটিও আপনাকে বলবে ওরা ওরা ওদের কোড অফ এথিক্স থেকে মোরালিটি বলবে ওরা হিউম্যান রাইটস বলছে না ইভেন ওরা কি বলছে এলজিবিটি কিউ তাদের কাছে এটা হিউম্যান রাইটস হিউম্যান রাইটস বলেন মোরালিটি বলেন এগুলা ওরাও বলবে বাট ওদের পারসপেক্টিভ থেকে বলবে কিন্তু একটা জিনিস বলবে না সেটা কেউ গেস করতে পারেন এখানে কোন রাইট রং নাই সো জাস্ট গেস শুধুমাত্র এই লাইফের আবু ভাই জাকাল্লাহ ওরা কেবলমাত্র আপনাকে আপনার সফলতা বলতে এই লাইফের সফলতাটাই বোঝাবে যে তুমি কতটুকু প্রফিট করছো, কতটা ইনক্রিমেন্ট হইছে বা
কতটা তুমি যত বেশি যত দ্রুত প্রমোটেড হবা তুমি ক্যারিয়ারের সিরিবে যত উপরে উঠতে পারবা তত তুমি সফল তত তুমি মিনিংফুল বাট একচুয়ি আমাদের এই আমাদের মুসলিম এমপ্লয়দের কাছে আমাদের সফলতা তো প্রকৃত সফলতা তো আসলে এই দুনিয়ায় না ওই পারসপেক্টিভ থেকে যদি আমি চিন্তা করি তাহলে আমার জন্য হতে পারে দেখেন দুনিয়ায় সবাই যতই মোটিভেশনাল স্পিকাররা সারা দুনিয়া কাঁপায়ে দেখ দুনিয়ায় প্রতিটা মানুষ কখনোই 100% মানুষ নিজের মন মত কাজ করবে না করতে পারবেও না এটা বাস্তব সম্মত না কোটি কোটি বিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ থাকবে যারা এমন একটা কাজ করেই তাদেরকে জীবন শেষ করতে হবে অতিবাহিত করতে হবে যাতে
সে সংসার চালিয়ে নিতে পারে কিন্তু কাজটা তার পছন্দ না এটা বাস্তবতা ভাই দুনিয়ার মানে 800 কোটি মানুষ কখনোই নিজের 100% মন মত কাজ করতে পারবে না। কিন্তু এই যে আমি যে মন মত কাজ না করেও আমি একটা পারপাস খুঁজে পাচ্ছি কিনা এটা খুব ইম্পর্টেন্ট। ঠিক আছে আমি একটা হালাল জব করছি। হতে পারে কাজটা আমার পুরোপুরি পছন্দ না। বাট স্টিল হালাল কাজ এবং এটা আমি করছি আমার ফ্যামিলির রিজিকের জন্য এবং আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ সুবহানাতালা আমাকে হালাল রিজিক দিয়েছেন এই সেন্সে আমার কাজটা অবশ্যই মিনিংফুল যে আমি এটা হালাল রিজিক পাচ্ছি এখান থেকে এবং এটা এটা শুধু দুনিয়াতে না
বরং আখিরাতে আমাকে বেনিফিটেড করবে। এই যে চিন্তাটা এইযে ফিলোসফিটা এই ফিলোসফিটাই কিন্তু কর্পোরেট ওয়ার্ল্ড বা কনটেম্পোরারি ম্যানেজমেন্ট আমাদেরকে বলবে না কাজ নিয়ে। ঠিক আছে? সো যখন আমরা অর্গানাইজেশন ম্যানেজমেন্ট এগুলোর ইসলামিক পারসপেক্টিভটা জানবো, কোরআনিক পারসপেক্টিভটা জানবো তখন আমরা কেন দুনিয়ায় আমরা কাজ করছি এর প্রকৃত মিনিংটা আমরা আমাদের কাছে ক্লিয়ার হবে এবং এটা কেবলমাত্র মানে ক্লিয়ার তো এখনো থিওরিটিক্যালি ক্লিয়ার। কিন্তু ডিপ ইনসাইড অর হার্ট আমরা এটা ফিল করতে পারব। ঠিক আছে? এবং আমাদের একটা খুব কমন বদনাম আছে বলতে পারেন আমি এর একটা বদনাম বলব বিশেষ করে আমাদের বাঙালিদের সেটা হচ্ছে আমরা নাক কোলাবোরেশনে কাজ করতে পারি না
একটা জিনিস দেখবেন যে বা কনসাল্টেশন করি না আমরা যে মানে থাকে অনেক গ্লোবাল অর্গানাইজেশন গুলো দেখবেন যে দুই তিনটা অর্গানাইজেশন একসাথে কলাবোরেটলি কাজ করে কি করে অনেক বড় একটা ইমপ্যাক্ট ফেলে কিন্তু আমরা নরমালি এটা করতে পারি না বিশেষ আমাদের বর্তমান সময়ের মুসলিমদের মধ্যে এই কোলাবোরেশনের ব্যাপারে আমাদের দারুণ স্কিলের অভাব রয়েছে। হ্যাঁ। এটা বিভিন্ন কারণে হয়। সেটা এখন ডিসকাস করার স্কোপ না এবং আমরা কি করি না কনসাল্টেশন করতে যাই না। আমরা অনেক সময় এক নায়ক তান্ত্রিকভাবে আমাদের অর্গানাইজেশন গুলোকে পরিচালনা করার চেষ্টা করি। দেখবেন যে আমি এরকমও দেখেছি অনেক বড় অর্গানাইজেশন হ্যা কিন্তু গেস্ট রুমের সোফার কালার
কি হবে এটা ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ঠিক করছে অথচ ধরেন কয়েকশ কোটি টাকার কোম্পানি এই কয়েকশ কোটি টাকার কোম্পানির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর যদি একটা সোফার কাপড় ঠিক করে তাহলে আসলে উনি উনার কাজটাই বোঝেন নাই যে ম্যানেজিং ডাইরেক্টর কাজটা কি একটা কয়েকশ কোটি টাকার কোম্পানিতে হ্যা তিনি তো ব্যস্ত থাকবেন তার বিজনেস ভিশন নিয়ে তার গোল নিয়ে তার স্ট্র্যাটেজিক ডিসিশন নিয়ে ঠিক আছে এগুলো তো একটা নরমাল জুনিয়র এইচআর অফিসার স্যারের কাজ। ঠিক আছে? সো এই যে আমরা এর কারণটা কি? কারণটা হচ্ছে যে আমরা আমাদের কলাবোরেশন হয় না টিমের মধ্যে। কার কোন কাজ বা কার কোন জায়গায় কন্ট্রিবিউশন করার কথা এটা
আমরা বুঝি না। এবং আমরা যারা টপ পজিশন গুলোতে থাকি আমরা মনে করি যে সবকিছু আমার ড্র্যাবের মধ্যে থাকতে হবে। হ্যা। মানে আমার হাতের মুঠোই সবাইকে চলতে হবে। এবং এ কারণেই কিন্তু কি হয় যে আমরা কনসাল্টেশনে যায় না। হ্যাঁ। কোন বিষয়গুলোতে পরামর্শ করা বা কনসাল্টেশন করলে এটা ইফেক্টিভ হয় না। ঠিক আছে? এটা ইফেক্টিভ কনসাল্টেশন হয় না। যাই হোক আমাদের টিম বিল্ডিং সেশনেরর মধ্যে বিষয়গুলো নিয়ে আসবে যে কিভাবে কোলাবরেটিভ টিম বিল্ড করা যায় এবং টিমের ডিসফাংশন গুলো কিভাবে বন্ধ করা যায়। ওকে? এবং লিড উইথ ভ্যালু এন্ড ফেয়ারনেস নট জাস্ট টার্গেটস। ঠিক আছে? যেটা অনেকটা আমাদের মেনিংফুল ওয়ার্কের
মধ্যে চলে এসেছে। সেটা হচ্ছে যে আমরা কেবলমাত্র আমাদের ডে টু ডে লাইফে টার্গেট ফুলফিল করার জন্যই যে কাজ করা তার আমরা যে কাজগুলো করব সেই কাজগুলো যেন প্রপার ভ্যালু এবং এটার একটা মানে যথাযথ কি বলব এটাকে জাস্টিস এবং ফেয়ারনেস এটার একটা মূল্যবোধ থাকে এটার একটা জাস্টিস থাকে আমাদের কাজের মধ্যে একটা কাজের মধ্যে যেন ইনসাফ থাকে ঠিক আছে এবং খালি করার জন্যই করা না বরং কাজটা যাতে আমি সত্যিকার অর্থে একটা ভ্যালু এড করতে পারি যেমন একটা হাদিসের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম বলছেন যে আমরা দেখব হাদিসটা একটু পরে যে যখন তোমাদের মধ্যে কেউ কোন কাজ করে
তখন আল্লাহ সুবহানাতালা পছন্দ করেন যে এই কাজটা সে যেন পারফেকশনের সাথে করে এই কাজটা যেন সে পারফেকশনের সাথে করে ঠিক আছে সুতরাং একজন দৌরজি যখন সে কাপড় সেলাই করবে সে খুব পারফেকশনের সাথে সেলাই করবে যেন তেনভাবে একটা সেলাই করে রেখে দিল এটা তার টার্গেট হবে না ঠিক আছে আবার ধরেন যখন একটা মুচি জুতা সেলাই করবে সেও যেনভাবে রেখে দিবে এরকম না্যা এইটা হচ্ছে আমাদের টার্গেট আমরা যেটাই করব না কেন সেটা আমাদের খুব পারফেক্টলি হতে হবে তো মোটা আগে আমরা এই যে ইন্ট্রোডাক্টরি যে সেশনটা আমরা এখন করতে যাচ্ছি আগামী একটা ঘন্টা নিয়ে আমরা কথা বলব বেসিক্যালি
এই আউটকামগুলো আমরা এক্সপেক্ট করছি এখান থেকে এবং যদি আমরা এগুলো সত্যিকার অর্থেই ফিল করতে পারি এবং মনে করতে পারি যে না আমরা এটা সম্ভব আমাদেরকে দিয়ে এবং এটা আমরা অবশ্যই এচিভেবল এটা ডুয়েবল এবং এটা আমরা আমাদের অর্গানাইজেশন ইমপ্লিমেন্ট করতে পারি বা চেষ্টা করতে পারি তাহলে কিন্তু ইনশআল্লাহ আমরা এই যে বাকি দিনটা যে আমরা একসাথে থাকবো সেটা আমাদেরকে হেল্প করবে ওকে ক্লিয়ার এভিওয়ান অনেকগুলো কথা একসাথে বলে ফেললাম বাট আপনাদের মূল পার্টিসিপেশন এখনো আসলে শুরু হয়নি যেটা এখন থেকে শুরু হবে মেনলি এর মধ্যে আমাদের সাথে আবুল হাজ্জাজ ভাই এবং আশিকুল হক ভাই জয়েন করেছেন আহলান সাহলান সো
ফার কোন কোশ্চেন আশিকুল হক ভাই আপনি শুনতে পাচ্ছেন ক্লিয়ারলি স্ক্রিনে আছেন ওকে আপনি থামস আপ দিয়েছেন। যাক আমাদের গ্রাউন্ড রুলের মধ্যে একটা রুলস আমরা শুরুতেই বলে দিয়েছিলাম সেটা হচ্ছে যে আনলেস খুব বড় প্রবলেম থাকে ব্রাদাররা যারা আছেন আপনাদেরকে মাইক্রোফোন মিউট করে আনসার করার জন্য বিকজ ইটস নট এনি অনলাইন আনমিউট করে আনসার করার জন্য। কারণ এটা আসলে অনলাইন ক্লাস না। বেসিক্যালি ওয়ার্কশপ। তো আপনাদের খুব একটিভ পার্টিসিপেশন এখানে প্রয়োজন। ঠিক আছে? এবং টাইম টু টাইম আমি আপনাদের ক্যামেরা অন করে ভাইদের আপনাদের আমি এটেন্ডেন্স চেক করব। তো যদি এরকম হয় আপনি রাস্তায় আছেন, খুব বাইরে নয়েজের মধ্যে আছেন
সেটা আপনি চ্যাট বক্সে লিখে দিবেন। আদারওয়াইজ এটা আপনার আমি আপনাদের কাছ থেকে শুনতে চাই। না হলে এটা সারাদিন কন্টিনিউ করা এটা খুবই খুবই ডিফিকাল্ট। ওকে। আবুল হাজাস ভাই আপনাদের আরেকজন কলিং ছিলেন না রায়হান ভাই সম্ভবত নাকি উনি কোথায় যাই হোক ওনাকে আপনি একটা রিমাইন্ডার দিতে পারেন যে আমাদের সেশন শুরু জয়েন করার জন্য আর আমি আরেকটা নাম দেখতে পাচ্ছি Lenovভো হ্যা হয়তো ওনার ডিভাইসের নামটা চলে আসছে আপনি কাইন্ডলি আপনি আপনার একচুয়াল নেমটা দিয়ে দেন রিনেম করেন ওকে সো এখন আমি যদি আপনাদেরকে কোশ্চেন করি সেটা হচ্ছে যে অর্গানাইজেশন বলতে আমরা কি বুঝি ও আপনি এচ কিউ সেটা
হচ্ছেন আপনি ওকে ফাইন আসলে ফুল নেম না লিখলে তো হে বুঝবো না যে ওকে আপনার হে নাম লিখা আছে এড এইচ কিউ আপনি হচ্ছেন আশিকুল হক এ কারণে আসলে আমি বুঝতে পারি নাই ওকে ফাইন ঠিক আছে সো আমি যদি আপনাদেরকে এখন কোশ্চেন করি যে হোয়াট ইজ অর্গানাইজেশন এর আনসার কি হবে আপনি কি জাস্ট ফ্র্যাঙ্কলি শেয়ার করেন আমরা সবাই তো কমবেশি আইদার অর্গানাইজেশন চালাচ্ছি অথবা নিজের জব করছি হোয়াট ইজ অর্গানাইজেশন আপনারা টাইমলি আনসার না করলে কিন্তু আমাদের ডিলে হয়ে যাবে। হ্যাঁ। হোয়াট ইজ অর্গানাইজেশন? অর্গানাইজেশন হল এমন একটা কাঠামো যেখানে কয়েকজন মানে মানুষ একসাথে হয়ে কোন একটা
পারপাস করার চেষ্টা করে এরকম রাইট কয়েকজন মানুষ একসাথে হবে তার মানে একটা গ্রুপ অফ পিপল থাকবে এবং একটা পারপাস সার্ভ করবে রাইট আর কিছু আর কোন এলিমেন্টস আছে এখানে সায়েম ভাই আপনি এখানে দেখা অর্গানাইজেশনের যে পারপাস সাপোর্টার পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে এখানে কিছু লেয়ার থাকবে যেটার মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে যে কাজগুলোকে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট থাকবে বিভিন্ন শাখা থাকবে যার মাধ্যমে যে এই পারপাস সার্ভ করার জন্য যে যে প্রয়োজনীয় পদক্ষগুলো আছে সেই পদক্ষগুলো গ্রহণ করা যাবে গ্রহণ করা হয় এবং পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে যে এই অর্গানাইজেশনের দ্বারা যেমন আপনার একটা কান্ট্রি উপকৃত হচ্ছে ওই অর্গানাইজেশনের যারা হল এমপ্লয় থাকছে তারা
উপকৃত হচ্ছে এবং যে ওনার আছে ওনারও একটা পারপাস সারভ হচ্ছে [মিউজিক] ওকে আবুল আজ্জাজ ভাই মনে হয় কিছু বলবেন আমি শুনতে পাচ্ছি না ভাই আপনি কি বলছেন বলছিলাম যে একটা অর্গানাইজেশন এখন একটা স্ট্রাকচার থাকবে প্রথমে এরপরে কিছু রুলস রেগুলেশনস থাকবে রেসপন্সিবিলিটিস থাকবে এবং এর মাধ্যমে মানে একটা পারপাসকে সারভ করব। স্ট্রাকচার থাকবে, কিছু রুলস রেগুলেশনস থাকবে, কিছু রেসপন্সিবিলিটি থাকবে এবং এগুলোর মাধ্যমে একটা পারপাসকে সারভ করবে। রাইট? তার মানে স্ট্রাকচার, রুলস, রেগুলেশন, রেসপন্সিবিলিটি এগুলোকে আমরা এক বাক্যে বলতে পারি এটা একটা ওয়েল ডিসিপ্লিন হবে। রাইট? একটা শৃঙ্খলার মধ্যে থাকবে পুরো বিষয়টা। তার মানে ফজলে এলাই ভাই আপনি কিছু
এড করতে চান কিনা এখানে? ওকে আর আমাদের আয়েশা আপা এবং পারমিন আপা আপনারা চাইলে লিখেও দিতে পারেন কোন প্রবলেম নেই স বাট ট্রাই টু পার্টিসিপেট হ্যা ইনশাল্লাহ এখানে আমরা যেটা দেখলাম দেখেন যে আলহামদুলিল্লাহ আপনারা কমবেশি সবাই যেটা বলেছেন সেটা হচ্ছে যে একটা গ্রুপ অফ পিপল থাকবে একটা কমন গোল এচিভ করার জন্য বা কমন একটা লক্ষ্য উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য তারা কাজ করবে এবং তারা ওয়ার্কিং টুগেদার ইন হারমনি বা যেটাকে আবুল আজ্জাজ ভাই বলেছেন ডিসিপ্লিন একবাক্য অর্থাৎ স্ট্রাকচার থাকবে রুলস রেসপন্সিবিলিটি থাকবে রেগুলেশন থাকবে নির্দিষ্ট সংবিধান থাকবে কারণ এগুলো না ছাড়া তো হারমনি হবে না একই কথা ভাই
যেটা একটু ব্রেকডাউন করেছেন আমি যদি এক বাক্যের মধ্যে নিয়ে আসি তাহলে বলব ওয়ার্কিং টুগেদার ইন হারমনি অথবা ওয়ার্কিং টুগেদার ইন ডিসিপ্লিন। ওকে। তাহলে ধরেন এখন আমার কোশ্চেন হলো যে একটা গ্রুপ অফ কিশোর গ্যাং যারা একসাথে এলাকায় ছিন্তাই করে। ওখানে তো একটা গ্রুপ অফ পিপল আছে। ওরা একটা কমন গোলসের জন্য কাজ করছে না। ফর ফিনান্সিয়াল পারপাসে ওরা তো চিন্তাই করছে। এবং ওদের মধ্যে খুব ওয়েল ডিসিপ্লিন ওয়েতে তারা এটা করছে। সো ডাজ ইট অর্গানাইজেশন এটা কি কোন অর্গানাইজেশন বলা যায়? কি মনে? নো ওয়াই এখানে তো তারা হল যে মানে এখানে পারপাস আমাদের কমন গোল ঠিক আছে বাট
পারপাসটা অর্গজেশনের পারপাসটা যদি আপনার মানে ইথিক্যালি না হয় সেটাকে তো অর্গানাইজেশন বলা যাবে না সেটা তো দেখা যা তার অর্গানাইজেশনের বাহির অন্য কোন পজিশন হিসেবে তখন এটা কাউন্ট হবে তার মানে এখানে একটা এথিক্যাল ইস্যুজ আছে রাইট যেটা কিন্তু আমাদের উপরের আলোচনা বা এতক্ষণ ভিউ শেয়ার করলাম ওখানে এটা একটা মিসিং ছিল আবুল হাজ্জা ভাই লিখেছেন যে নট ইসলামিক ভিউ ইসলামিক ভিউ থেকে অর্গানাইজেশন না বাট সেকুলার ভিউ থেকেও কিশোর জ্ঞান একটা অর্গানাইজেশন এখানে অবশ্যই এটাকে কিছু কোড অফ এথিক্স মেনে চলতে হবে। অর্গানাইজেশনের মধ্যে অবশ্যই কিছু কোড অফ এথিক্স থাকতে হবে। কিছু কমন এথিক্যাল বা নৈতিক কিছু গাইডলাইন
এখানে থাকতে হবে। আদারওয়াইজ আমাদের অর্গানাইজেশনটা যেকোনো সময় ফেইল করতে পারে। তো এখন এজ মুসলিম আমাদেরকে দেখতে হবে যে এই অর্গানাইজেশন চালানোর জন্য যখন কিছু গ্রুপ অফ পিপল একসাথে হবে। তারা একসাথে একটা হারমনি সাথে কাজ করবে এবং এটা কমন গোলস এচিভ করার জন্য একটা কিছু এথিক্যাল কোড অফ এথিক্স তারা মেনে চলবে। তখন যে অর্গানাইজেশন ফর্ম হবে এই অর্গানাইজেশন আসলে মানে কোন কোন কোড অফ এথিক্স তারা মেনে চলবে। ঠিক আছে? দেখেন কত সুন্দরভাবে আল্লাহ সুবহানাু তায়ালা সূরা আলে ইমরানের মধ্যে আমাদেরকে বলছেন যে এটা ভালো কথা। আমাদের এই ডেফিনেশন অনুযায়ী কিন্তু কেবলমাত্র কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা চাকরির প্রতিষ্ঠানই
অর্গানাইজেশন নয়। এই ডেফিনেশন অনুযায়ী রাষ্ট্র কি একটা অর্গানাইজেশন? কি মনে হয়? স্টেট, কান্ট্রি রাষ্ট্রকে কি আমরা একটা অর্গানাইজেশন বলতে পারি ভাইয়া কারণ রাষ্ট্র একই গ্রুপ অফ পিপে সারভে পারপাস ওটাও আছে এবং হচ্ছে লন্ড অর্ডার আছে স্ট্রাকচার ওয়েতে আগাইতে চায় রাষ্ট্র ওদিক থেকে চিন্তা করলে ডেফিনেটলি রাষ্ট্র অরগাজেশন একটা অরগানাইজেশন হ্যা ফ্যামিলি তো আমরা হয়তো ফ্যামিলিও ডেফিনেটলি অর্গজেশন ভেরি গুড তার মানে আমি যে জিনিসটা বোঝাতে চাচ্ছি সেটা হচ্ছে যে এখন থেকেই আমাদের অর্গানাইজেশন বলতে আমরা যে কেবল চাকরি বাকরির জায়গা বা ব্যবসা-বাণিজ্যের জায়গা এই জিনিসটা থেকে আমরা ভুলে যাব। অর্গানাইজেশন হচ্ছে যেকোন গ্রুপ অফ পিপল যদি তার একটা
কমন গোলস এচিভ করার জন্য একটা ডিসিপ্লিনের মধ্যে থেকে কোড অফ এথিক্স মেনে তারা কাজ করে যায় এটাই হচ্ছে একটা অর্গানাইজেশন ফ্যামিলি হতে পারে এটা একটা সমাজ হতে পারে এটা একটা গোত্র হতে পারে ইভেন এটা একটা রাষ্ট্র হতে পারে তো যখন কিছু মানুষ একসাথে হবে তখন কিছু বিষয় তাদেরকে মাথায় রেখে এগতে হবে এবং আল্লাহ সুবহানাতালা এই বিষয়গুলোর দিকে আমাদেরকে কোরআনে ইন্ডিকেট করেছেন। দেখেন আল্লাহ সুবহানাতালা বলছেন ঠিক আছে আল্লাহ তালা বলছেন তোমাদের মধ্যে কি হবে একটা উম্মাহ হবে একটা দল হবে একটা গ্রুপ অফ পিপল থাকবে অর্থাৎ একটা গ্রুপ অফ পিপল যখন একসাথে হবে তাদের কিছু কাজ আল্লাহ
সুবহানাতালা মেনশন করে দিচ্ছেন তারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে মানুষকে ইরুনাবিলমারুফ তারা মানুষকে সৎ কাজের আদেশ করবে মুনকার এবং তারা অসৎ কাজে খারাপ কাজে পরস্পরকে নিষেধ করবে এবং এই মানুষগুলোই হবে সফলকাম। অর্থাৎ একটা গ্রুপ অফ পিপল যখন তার একটা কমন গোল এচিভ করার জন্য ডিসিপ্লিনের মধ্যে থেকে কাজ করবে তাদের ফারস্ট মূল নীতিটা হবে ফারস্ট কোড অফ এথিক্সটা হচ্ছে তারা কল্যাণের জন্য কাজ করবে এবং নিজেদেরকে এবং অন্যদেরকে তারা কল্যাণের দিকে ডাকবে। এজন্যই কিশোর গ্যাং কোন অর্গানাইজেশন না। সেকুলার পারসপেক্টিভ থেকে না। কারণ ওরা বলবে রবারি হ্যাঁ ছিন্তাই ডাকাতি এগুলা তো ভাই মোরালি খারাপ কাজ। এগুলা যেকোন মানুষের বিবেক
বলবে খারাপ কাজ। বাট ইসলামিক্যালি ওদের বিবেকে তো আবার অনেক কিছুই একসেপ্টেড। যেটা আমাদের বিবেকে না। ওদের বিবেকে তো ধরেন এলজিবিটিকে ওরা বলে এক্সেপ্টেড। এক মিনিট। তো ওদের বিবেকেতো এলজিবিটিকেও এক্সেপ্টেড এথিক্যাল মোরাল আমাদের বিবেকেতো না। ঠিক আছে? আমি এক্সাম্পল হিসেবে বললাম। তার মানে একটা অর্গানাইজেশনে যখন কিছু মানুষ একত্রিত হবে অবশ্যই তারা কল্যাণের জন্য কাজ করবে এবং অকল্যাণ থেকে মানুষকে বাধা দিবে এবং নিষেধ করবে। এজন্যইযে মুসলিম ধরেন একটা মুসলিমদের একটা অর্গানাইজেশন। এক্সাম্পল আমি রিয়েল মানে চাকরিবা ব্যবসা অর্গানাইজেশনই ধরতেছি ধরেন তারা এনভরনমেন্ট নিয়ে কাজ করে ঠিক আছে বা ধরেন এডুকেশন নিয়ে কাজ করে কিন্তু কোন একটা জায়গায় ধরেন
আমাদের পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে তারা কেবলমাত্র এডুকেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না তারা তাদের ওই সেক্টর থেকে বের হয়ে এসে তারা ওই যে পরিবেশ বিপর্যয়ের যে মুখে পড়েছে ওইটার এগেন্সে তারা কথা বলবে এইটা নিয়ে তারা মানুষকে সচেতন করবে কিংবা ধরেন তারা কেবলমাত্র তাদের এডুকেশনের মধ্যেই থাকবে না তারা আমাদের সমাজের যে মাদকাসক্ত বলেন বা আমাদের সমাজের যে চাইল্ড এক্সপ্লয়েটেশন বলেন এই যে প্রবলেমগুলো সমাজের প্রবলেমগুলো নিয়ে তারা কথা বলবে সুতরাং এযে মুসলিম একটা মুসলিম অর্গানাইজেশন কেবলমাত্র তাদের নিজেদের কাজের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং সমাজে যেখানেই তারা খারাপ কাজ দেখবে অন্যায় কাজ দেখবে তারা ওই জায়গাতে গিয়ে দিয়ে তারা
এটাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবে। মানুষকে এখানে তারা এটার বিরুদ্ধে তারা ভয়েস রেজ করবে। ঠিক আছে? এটা হচ্ছে একটা অর্গানাইজেশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা মূলনীতি এবং এটা একটা বিধেহ। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কোরআনের মধ্যে বলে দিচ্ছেন মানুষ যখন একত্রিত হবে তখন অবশ্যই তারা কল্যাণের দিকে ডাকবে এবং অকল্যাণ থেকে মানুষকে বাধা দিবে। এবং এটা হচ্ছে এই মানুষগুলো সকল কাম। আর এই মানুষগুলো যদি সকল কাম হয় তাহলে এই মানুষ দিয়েদার গঠিত যে অর্গানাইজেশন যে প্রতিষ্ঠান সেগুলো এরকম কিছু মানুষ যদি একটা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে সেই প্রতিষ্ঠান সকল কামনা হয়ে যাবে কোথায় ঠিক আছে আল্লাহ সুবহাতালা বলছেনল্লাহ আল্লাহ সুবহাতালা তোমাদেরকে আদেশ দিচ্ছে কিসের
জাস্টিস আপনারা বুঝতেই পারছেন ঠিক আছে এবং নিকট আত্মীয়দেরকে দান সাদাকা করা এবং এইযে ফাসাল মুনকার যে সমস্ত অশ্লীলতা থেকে এবং খারাপ কাজ থেকে এবং আল্লাহ দ্রহিতা থেকে নিষেধ করে নিষেধ করতে আল্লাহ সুবহানাতালা আদেশ দিচ্ছেন অর্থাৎ একই কথা অর্থাৎ ভালো কাজ সোজা কথা এবং সমাজের অশ্লীলতা সমাজের ফাহেশা সমাজের মন্দ এবং যা কিছুই আল্লাহ দ্রহীতার শামিল হ্যাঁ যা কিছুই আমাদের শরীয়ার সাথে বিদ্রোহের শামিল ঠিক আছে এমন সমস্ত কিছুকে বাধা দেওয়া বা এগুলোকে ঠেকানোর চেষ্টা করা এগুলোই হচ্ছে একটা অর্গানাইজেশনের বা একটা গ্রুপ অফ পিপল যখন একসাথে থাকবে তখন এই এটা শুধু গ্রুপ অফ পিপলের জন্য ব্যক্তিগতভাবেও যেমন অর্গানাইজেশন
গতভাবে এই নির্দেশনাগুলো সত্য এবং দেখেন আরেকটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আল্লাহতালা বলছেন মানে হচ্ছে পরস্পরের এখানে আল্লাহ সুবহাটা ইউজ করছেন এটার অর্থটা বঝ পরস্পর করা তাবিতা তোমরা পরস্পরে প্রতিযোগিতা করো একে অপরের মধ্যে প্রতিযোগিতা করো কিসের বিরতাকওয়াযে ভালো কাজে এবং আল্লাহরতায় তাকওয়ার কাজে পরস্পর প্রতিযোগিতা কর শুধুমাত্র করতে বলছেন আল্লাহ প্রতিযোগিতা মানে কি কে কত ভালো করতে পারে কে কত আগিয়ে যেতে পারে এই যে ভালো কাজের একটা কনসিস্টেন্ট প্রতিযোগিতা থাকতে হবে এই গ্রুপ অফ পিপ এবং পাপের কাজে এবং আল্লাহদ্রোহীতার কাজে বা এই সীমালঙ্ঘনের কাজে পরস্পর তোমরা কি করো না একে অপরকে সাহায্য করিও না বা মানে পরস্পর তোমরা
প্রতিযোগিতা করিও না অথচ আমরা আমাদের সোসাইটিতে যদি দেখি আমরা কে কত বেশি প্রফিট করবে কে কত বেশি কাস্টমারের গলা কেটে কি করবে নিজেদের পকেট ভারি করবে হ্যা মানে ইসমি এবং উদয়ানের প্রতিযোগিতা এখন আমাদের মধ্যে অথচ আল্লাহ সুবহানাতালা বলছেন না তোমাদের প্রতিযোগিতা হবে বির এবং তাকওয়ার জন্য এবং ওত্তাকুল্লাহ এবং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। অর্থাৎ একটা অর্গানাইজেশনের যখন মানুষগুলো পরস্পরের মধ্যে কি করবে অথবা সমস্ত অর্গানাইজেশনগুলো যদি পরস্পরের মধ্যে ভালো কাজে প্রতিযোগিতা শুরু করে দেয় এবং পরস্পরের মধ্যে যদি এই মুনাফা অতিরিক্ত মুনাফা লোভিতা কিংবা মজুদ্দারিতা বা যেভাবেই তারা মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না কেন ক্লায়েন্টকে বা মানুষকে এগুলো যদি
তারা বন্ধ করে দেয় তাহলে দেখেন এটার ইমপ্যাক্টটা বিগ স্কেলে তত বেশি হবে ঠিক আছে এবং কেউ যদি এগুলো এগুলো না মেনে কেউ যদি অর্গানাইজেশন চালায় বা ব্যক্তি জীবনেও চলে আল্লাহ তালা বলছে ইন্নাল্লাহাশাদিদুক যে আল্লাহ সুবহানাতালা শক্ত পাকড়াওকারী ঠিক আছে আরেকটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আল্লাহ তালা বলছেন ইন্নাল্লাহ আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ দিচ্ছেন যে তোমরা কি করবা আমানতকে তার হকদারের কাছে পৌছে হাকমবা এবং যখন তোমরা জাজমেন্ট দিবা মানুষের মধ্যে তখন তোমরা ন্যায় পরায়ণতার সাথে জাজমেন্ট দিবা। অর্গানাইজেশন গুলোতে দেখেন বেশিরভাগ অর্গানাইজেশন গুলোতে তেলবাজরা উপরে উঠে যায়। আর যারা দেখবেন একটি স্ট্রেট ফরওয়ার্ড প্রচুর কাজ করে কিন্তু তেল দিতে পারে
না। বসের ভুল হলে বুকের উপর বলে দেয় এরা কিন্তু এরা বেশিরভাগ সময় নিচেই থেকে যায়। এর উপরে উঠতে পারে না। বসের চোখের ভালো হইতে পারে না। কাজ ঠিকই করিয়ে নেয়। কিন্তু বসের চোখে ভালো হতে পারে না। কেন? কারণ তেল দিতে পারে না। এটা কিন্তু ওই যে আপনার হাকমবাদ হচ্ছে না। যে আমি তো সঠিক জাজমেন্ট দিলাম না। তেলবাজকে আমি প্রমোশন দিয়ে সবসময় আমার সাথে সাথে রাখলাম। আরেকজন আমার সাথে তেলবাজি করতে পারে না দেখে তাকে আমি পিছিয়ে রাখছি বা আমার মুখের উপর আমার ভুলগুলোকে চ্যালেঞ্জ করে দেখে পিছিয়ে রাখছি। সেটা হলো না। বরং তাকেই আমার কাছে রাখতে হতো।
তাকেই আমার প্রমোশন দিতে হতো। বিকজ সে কাজ করার অধিকঅক্টিভ। আর যে তেলবাস কিন্তু কাজ পারে না। তার জন্য আমার ডিফারেন্ট ব্যবস্থা নিতে হইতো। আইদার তাকে ট্রেনিং দিতে হবে। কোচিং করতে হবে। আর না হলে তাকে অন্তত দরকার বাদ দিয়ে দেওয়া অর্গানাইজেশন। কিন্তু আমি কি করলাম? তেলবাসগুলোকে আমরা চারপাশে রাখার ট্রাই করি এবং কাজের মানুষগুলোকে দূরে সরিয়ে দেই। তো এই যে মানুষের মধ্যে আদলের সাথে আমরা এই অর্গানাইজেশন গুলোতে কাজ করি না এটা একটা বড় সমস্যা এবং আল্লাহ সুবহানাতালা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রিন্সিপাল এটা ইসলামিক লিডারশিপ বলে ইসলামিক ম্যানেজমেন্ট বলে সব জায়গায় এই আয়াতটা আপনারা খুঁজে পাবেন সেখানে আল্লাহ সুবহানাতালা
বলছেন যে খুবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ মূল ব্যক্তিজীবনের জন্য এবং আপনাদের অর্গানাইজেশনের জন্য রহমাতলাহ আল্লাহ সুবহাতাার রহমতে আপনি তাদের প্রতি দয়াশীল বলেন তো আল্লাহ তালা এ কথাটা কাকে বলছেন আল্লাহর রহমতে আপনি তাদের প্রতি দয়া পরব কে আপনি বলতে কাকে কাকে উদ্দেশ্য করে বলছেন এটা আল্লাহ তালা ভাই আল্লাহ তালা কাকে বলছেন এটা? আমার একটু ইন্টারপ হয়ে গিয়েছিল। এইযে আল্লাহ তালা কোরআনের যে আয়াতটা সূরা আলে ইমরানের মধ্যেযে আল্লাহর রহমতে আপনি তাদের প্রতি দয়া পরবশ। এই কথাটা আল্লাহ তালা কাকে উদ্দেশ্য করে বলছেন? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লামকে উদ্দেশ্য করে বলছেন। লিনতালাহুম তাদের প্রতি মানে কাদের প্রতি? লাহুম বলতে কি বোঝাচ্ছেন? কাদের
ব্যাপারে? আল্লাহ রাসূল কাদের প্রতি দয়া পরামশ সাহাবাদের প্রতি। জাযাকাল্লাহ। ভাই জাকাল্লাহ। তার মানে দেখেন এই আয়াতটা কিন্তু গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে এবং আপনি আগের কোন আয়াত মনে না রাখেন এই একটা আয়াত জাস্ট মনে রাখেন আল্লাহ তালা বলছেন আল্লাহ রাসূলকে আপনি আল্লাহর রহমতে তাদের প্রতি দয়া বড়বসতা যদি আপনি হতেন আল্লাহ রাসূলকে আল্লাহ তালা বলছে যদি আপনি হতেন কঠোর হৃদয় সম্পন্ন তারা আপনার চারপাশ থেকে সরে যেত কারা সরে যেত আল্লাহ রাসূলের চারপাশ থেকে কারা সরে যেত? সাহাবা কেরাম যেই সাহাবায়ে কেরাম আল্লাহ রাসূলের জন্য জীবন দিতেও কুন্ঠাবোধ করেননি। সেই সাহাবায়ে কেরামও আল্লাহ রাসূলের চারপাশ থেকে দূরে সরে যেতেন।
যদি আল্লাহর রাসূল কঠোর হৃদয়ের মানুষ হতেন। সুতরাং আমরা কিভাবে মনে করি যে আমরা আইরন ম্যান হয়ে অর্গানাইজেশন চালাবো? আমরা মনে করি এটা আমাদের মধ্যে একটা কমন মিস্টেক আছে যে ওযে বলে না মাইরের উপরে ওষুধ নাই। এটা আসলে আমাদের একটা মানে কি বলব আমরা আসলে কথাটা বুঝতে ভুল করি। এ কারণে সত্য মনে করি। মাইরের উপরে ওষুধ নাই। এটা সুন্নাহ মেথড না। অর্গানাইজেশন চালানো। ঠিক আছে? এটা আমাদের দেশী মেথড হতে পারে। বাট এটা সুন্না মেথড না। হ্যাঁ আমরা মনে করি আমরা কঠোর হৃদয় হব। মানুষকে ধমক দিয়ে মানুষকে প্রেশারাইজ করে কাজ আদায় করবো। আর মানুষ খুব হাসি মুখে
আমাদের কাজ করবে। কিভাবে সম্ভব? যেখানে আল্লাহর সাহাবায়ে কেরাম আল্লাহ রাসূলের কাছে থাকতেন না। সেখানে আমাদের চারপাশে মানুষজন কিভাবে থাকবে? হ্যাঁ থাকতে পারে। হয়তো চাকরি বাকরি হচ্ছে না। একটা ফিনান্সিয়াল হেল্প দরকার। এজন্য থাকবে। কিন্তু সে কি সত্যিকার অর্থে ভ্যালু এড করে থাকবে? কোশ্চিনকালেও থাকবে না। এরপর আল্লাহ তালা বলছেন প্রথম কাজটা হলো তাহলে কি আমাদের অর্গানাইজেশন হেডে অথবা যারা আমরা কিছু মানুষকে আমরা কাজ করাই আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে এই অন্তরকে নরম করা অর্গানাইজেশন চালাতে গেলে কি করা আমাদের অন্তরকে নরম করা সেকেন্ড কাজ হচ্ছে আল্লাহ তালা বলছেন মানে কি তাদেরকে ক্ষমা করো অর্থাৎ আমি যাদের সাথে কাজ করব
যারা আমার সাথে কাজ করবে তাদের অসংখ্য ভুল হবে এবং এটা জেনে আমাকে ক্ষমা করতে হবে তাদেরকে প্রত্যেকটা ভুল আপনি খুটিয়ে খুটিয়ে মাইক্রো ম্যানেজমেন্ট করলে আপনি কখনো ভালো ম্যানেজার হতে পারবেন না ভালো লিডার হতে পারবেন না এজন্য এখনকার সময় মাইক্রো ম্যানেজমেন্ট কনসেপ্টটা এখন দুনিয়াতে অবসট হয়ে যাচ্ছে যে আপনি প্রত্যেকটা বিষয় খুটা খুবেন এটা আসলে হবে না এরপর তার ক্ষমা করে দেয়ার পর আল্লাহতালা একটা আপনি ক্ষমা করলেন এরপরে আপনি তাদের ক্ষমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। আপনি একা ক্ষমা করে থেমে থাকবেন না। আপনার টিম মেম্বারদের, আপনার অর্গানাইজেশন মেয়েদের আপনি একা ক্ষমা করে থেমে থাকবেন না। আল্লাহ তাআলা
যেন তাদেরকে ক্ষমা করে এজন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করে। তো এখন আমরা একটু চিন্তা করি আমরা কখনো কি আমাদের যারা সাবঅর্ডিনেট আছে বা আমাদের কলিগ আছে তাদের জন্য কি কখনো আল্লাহর কাছে দোয়া করে যে আল্লাহ আমার অমুক কলিগরা খুব স্ট্রাগল করছে এই প্রবলেমটার জন্য। আপনি এটা তার জন্য সহজ করে দেন। আল্লাহ সে এটা ভুল করছে তার তো আসলে আপনি তাকে ক্ষমা করে দেন। আমরা কি আমাদের কলিগদের জন্য দোয়া করি কিনা? আমরা নিজেরা ক্ষমা করলে অনেক সময় কি করি? ঠিক আছে যাও নেক্সট টাইম যেন না হয়। মানে একটা আমাদের মধ্যে একটা কি থাকে? ধমকের একটা সুর থাকে
বা একটা করুণার সুদ থাকে। এরপর কিন্তু আর মাফ করবো না। কিন্তু সেটা না। আপনি মাফ করবেন এবং আল্লাহ যেন মাফ করে এজন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন। তাদের জন্য আল্লাহর কাছে স্তেগফার করতে হবে। এবং শুধু তাই না ওশাহুমফ এবং তাদেরকে আপনি তাড়িয়ে দিবেন না। আপনার সমস্ত পরামর্শে সমস্ত কনসাল্টেশনে তাদেরকে আপনি সাথে রাখবেন। আপনার সমস্ত পরামর্শে আপনি কি করবেন? তাদেরকে সাথে রাখবেন। ওই যে বললাম একটু আগে যে আমার মুখের উপরে কথা বলে যে আমার ভুল ধরিয়ে দেয় তাকে আসলে খুব তিতা লাগে। তো আমরা কি করি? তার কোন পরামর্শ বা তার কোন আমাদের কনসাল্টেশন আমরা তাকে রাখতে চাই
না। মনে করি যে আমাদের সাথে সবসময় ইয়েস স্যার ইয়েস স্যার করবে। আমাদের সবকিছুতে এগ্রি করবে। নরমালি তারাই দেখা যাচ্ছে অর্গানাইজেশন গুলোতে টপ পজিশনে থাকে বা টপ ম্যানেজমেন্টের আশেপাশে থাকে। ঠিক আছে? বাট আল্লাহ সুবহাতালা বলছে তুমি তাদের সাথে পরামর্শ করো। এবং যখনই চারটা কাজ করে ফেললেন আপনি আপনার অন্তর নরম করলেন, আপনি তাদেরকে ক্ষমা করলেন, আপনি তাদের জন্য আল্লাহ তাালার কাছে দোয়া করলেন তাদেরকে আপনি আপনার দলে টেনে নিলেন পরামর্শের জন্য। এই সবকিছু করার পর আপনার কাজ হচ্ছে ফাতাও আল্লাহ। আপনি আল্লাহ সুবহানাু তাআালার উপরে তাওয়াক্কুল করবেন। আপনার সফলতার জন্য, আপনার অর্গানাইজেশনের সফলতার জন্য, আপনার ব্যবসার সফলতার জন্য, আপনার
কাজের সফলতার জন্য আল্লাহ সুবহানাতাালার উপরে তাওকুল করবেন। কারণ আল্টিমেট সাহায্যটা সেখান থেকে আসবে। কনটেম্পোরারি ম্যানেজমেন্ট আপনাকে বড়জোর এতটুকু বলবে যে হ্যাঁ তাদেরকে মিটিং করো। এইযে মিটিং নিয়ে যে কত রিসার্চ করছে না কিভাবে মিটিং মিনিটস লিখতে হবে। কিভাবে ইফেক্টিভ মিটিং আপনিইউ যান হা চেয়ার এন্ড ইফেক্টিভ মিটিং শত শত ভিডিও আসবে কিভাবে মিটিং ইফেক্টিভ করতে হয় এগুলো নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ অনেক কিছু পজিটিভ অনেক কিছু আমাদের নেয়ার মত তারা অনেক এক্সটেন্সিভ কাজ করেছে নন মুসলিমরা বা সেকুলাররা কিন্তু ওই জায়গাটাই তারা আপনাকে বলবে না ফাতাওলা এই যে মিসিং লিংকটা এটা মুসলিম আমাদের অর্গানাইজেশন গুলোতে থাকতে হবে আমাদের অর্গানাইজেশন গুলোতে থাকতে
হবে সবকিছু আমি করলাম বাট আল্লাহ সুবহানাতাালার উপরে তাওকুল না থাকলে আমার এই প্লান ফেল হতে বাধ্য ওকে এটা একই কথা সূরার কথায় আসছে এবং যে এই হাদিসটা বলেছি আল্লাহতালা আল্লাহ রাসূ সাল্লাল্লাহু সলাম বলছেন ইন্নাল্লাহা আল্লাহ সুবহানাতালা পছন্দ করে তোমাদের মধ্যে কেউ যখন কোন কাজ করবে সে যেন সেটা কি করে পারফেকশনের সাথে করে যেন তেন ভাবে করে ফেলে দিলাম না পারফেকশনের সাথে করতে হবে ঠিক আছে তাহলে আল্লাহ সুবহাতালা এই অর্গানাইজেশনের মধ্যে বরকত দিবেন এবং লাস্ট যে পয়েন্টটা সেটা হচ্ছে একটা লম্বা হাদিসের অংশ ইন্না আল্লাহ রাসূ বলছেন প্রত্যেকটা কাজ এর সফলতা এর পুরস্কারের আউটকাম নির্ভর করবে নিয়তের
উপরে এরপর বিশাল লম্বা একটা হাদিস আর যাচ্ছি না অর্থাৎ আমাদের ইনটেনশন যখন আমরা অর্গানাইজেশনে কাজ করব আমাদের ইনটেনশনটা ক্লিয়ার থাকতে ওই যে মিনিংফুল ওয়ার্ক দুই দুনিয়ার ফায়দা শুধু এই দুনিয়ার জন্য আমি কাজ করছি না এই হালাল কাজের মাধ্যমে আমি আমার পরিবারের রিজিকের ব্যবস্থা করছি এটা ইটসেলফ একটা ইবাদত যা কিনা আমার আখেরাতেও আমার জন্য কি করবে উপকার করবে আপনাকে আখেরাতের সাথে লিংক আপ করে দিতে হবে কাজ তো আমার করাই লাগবে ভাই আমি যদি আমার ভালো লাগুক আর না লাগুক আমি তো চাকরি চেঞ্জ করতে পারতেছি না আমার তো কাজ করেই খেতে হবে তাহলে কেন আমি রিওয়ার্ডটাকে আমি
ডাবল করে নিব না আমি যদি মনের ভেতর থেকে একটু নিয়ারটা চেঞ্জ করে নিই। এই কাজ আমি আল্লাহ তাালার জন্য করছি। তাহলে কি হবে? আমার এটার একটা মিনিংফুল পারপাস আমি কাজের মধ্যে খুঁজে পাব। এতক্ষণ ধরে যে যে কথাগুলো বলেছি সেগুলো বেসিক্যালি এখানে সামারি করেছি। ঠিক আছে? ওকে। এবং এইযে লিমিটেশন অফ সেকুলার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। সেকুলার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আপনাকে কোন কোন জায়গা থেকে সীমাবদ্ধতা রয়েছে এ বিষয়গুলো নিয়ে বেসিক্যালি কিন্তু এতক্ষণ যে আলোচনাটা গিয়েছে তার মধ্যে আমাদের চলে এসেছে বাট আমি এখানে সামারি করে দিয়েছি যাতে পরবর্তীতে যখন আমি স্লাইডটা আপনাদেরকে দিয়ে দেব তখন আপনারা পড়তে পারেন ওকে এবার আমি
একটু আপনাদের কাছে চলে আসবো আমি এটার আসারটা সবার কাছ থেকে শুনতে চাইব বিকজ আমি সমস্ত ওয়ার্কশপে এটা সবার কাছ থেকে শুনতে চাই তার আগে একটু করি আপনারা কি বোর্ড ফিল করছেন বা মনে হচ্ছে যে নিড ব্রেক অর সামথিং লাইক আমাদের ব্রেকের টাইম আসলে খুব কাছে আসছে অলরেডি আপনারা বললে স্টিল আমরা ফাইভ মিনিট একটা শর্ট ব্রেক করতে পারি বা টু মিনিটস একচুয়ালি নট ফাইভ মিনিট নাকি আমরা আরেকটু কন্টিনিউ করব এবং খুব কুইক রেসপন্স করবেন আপনারা হ্যাঁ না হলে আমাদের খেতে সময় চলে যাবে আবু মুসা ভাই আমরা কন্টিনিউ করব ইনশাল্লাহ ঠিক আছে কন্টিনিউ করাই ভালো হবে মনে
হচ্ছে ওকে আমরা 10ড়টায় ব্রেকে চলে যাব হ্যা ইনশাল্লাহ 15 মিনিটের ব্রেকে চলে যাব ওকে আর কিছু কিছু জায়গায় আমাকে একটু ফাস্ট যাইতে হবে সো আপনারা যদি মনে হয় যে না একটু সমস্যা হয়ে যাচ্ছে প্লিজ এবং আপনাদেরকেও বলছি আপনারা যেহেতু লিখে রেসপন্স করছে আপনারা কাইন্ডলি বলবেন হ্যা যে এই জায়গাটা একটু স্লো বা রিপিট করতে হবে। হ্যাঁ। সো এখন আমি যে কোশ্চেনটা আপনাদের সবার কাছ থেকে আনসার চাই এটা সেটা হচ্ছে ওয়াজ দা প্রফেট ম্যানেজার? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি ম্যানেজার ছিলেন কিনা? এটার আনসার কি হবে? নট নেসেসারি। ইয়েস নো ইয়েস নো। আপনি একটু এক্সপ্লেন করতে পারেন
এক বাক্যে। প্রফেট মহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ম্যানেজার ছিলেন আমরা যদি মানে উনার জীবনীটা দেখি। একই সাথে যদি আমি মদিনার লাইফটা যদি কনসিডার করি যে উনি যুদ্ধের জন্য স্ট্রাটেজি দিতেন। এট দা সেইম টাইম উনার যে সাহাবা যারা ছিলেন তাদেরকে ম্যানেজ করতে হইতো। হ্যাঁ যে কে আসলে কোন পার্টটা নেবে। আবার যদি আমি পরিবারের ক্ষেত্রেও চিন্তা করি যে আল্লাহর রাসূল এট দা সেইম টাইম উনার ফ্যামিলি মেম্বারদের সাথেও সেইম একটা হারমনিটা বজায় রাখতেন। ইভেন উনি যুদ্ধের ময়দানে গিয়ে হয়তো সৈনিক না। উনি লিডার হচ্ছেন। বাট ফ্যামিলি মেম্বারদের কাছে উনি খুবই প্রিয় একজন মানুষ হয়ে যাচ্ছেন। সো উনার পুরো লাইফে ইট ওয়াজ ব্যালেন্স
অফ অ্যাকশন। হ্যা। তো ডেফিনেটলি ইট ওয়াজ গ্রেট ম্যানেজেরিয়াল স্কিল। আমি যদি এটাকে শুধুমাত্র ম্যানেজার বলি ইট ইজ মোর ফর দেন মোর দান দ্যাট আমার কাছে যেটা মনে হয় আর কি ওকে অর্থাৎ তিনি ম্যানেজার ছিলেন বাট রোল মোর ম্যানেজার ম্যানেজার পার্ট অফ রোল খুবই সুন্দর আসার ভাই আবু মুসা ভাই নাম কল কর আসলে ম্যানেজারের চাইতে উনি লিডার হিসেবেই বেশি ইয়ে ছিলেন আর কি এখন আমার নেক্সট কোশ্চেন আবু মুসা ভাই হোয়াট ইজ দা ডিফারেন্স বিটুইন এ ম্যানেজার এন্ড লিডার এটা অনেকটা ডিম আগে না মুরগি আগের মত নেভার এন্ডিং বিতর্ক এখন পর্যন্ত এটা নিয়ে কেউ দুনিয়ায় একমত হইতে
পারে নাই যে ম্যানেজার এবং লিডারের স্পেসিফিক ডিফারেন্সটা কি আমি আপনার কাছে জিজ্ঞেস করতেছি যে আপনার জানামতে ম্যানেজার এন্ড লিডার ধরেন প্রবলেমের যেকোন প্রবলেম সলভিং এর ক্ষেত্রে যদি ধরেন প্রবলেম সলভিং এর যে টিমের সাথে থেকে টিমের আগে থেকে যেটা লিড দেয় সে হচ্ছেল লিডার। আর প্রবলেম সলভিং এর ক্ষেত্রে পিছন থেকে যে লিড দেয় সে হল ম্যানেজার। তো জিনিসটা এরকম যে ধরেন খন্দকার যুদ্ধে সেই করছে মানে যেরকম মানে প্রবলেম সলুশন করছে নিজে গিয়ে গায়ে খাসছে এইটাতে হল মানে লিডিং এর কাজ হইছে বলে আমার মনে হইছে আর যদি মানে এমনিতে আমরা যেটা করি যে এই কাজ কেন হয়
নাই সো এই কাজ করো করে ছেড়ে দিলাম মানে এইটা লাইক এটিউড হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ এটা হচ্ছে হচ্ছে ম্যানেজার। জি। আচ্ছা। ওকে। সো রাসূল আপনি বলছেন যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ম্যানেজার ছিলেন না। তিনি বেসিক্যালি লিডার ছিলেন। ওকে। ওকে। হ্যা এটা ওয়ান অফ দা মানে এক্সপ্লেনেশন যে ডিফারেন্স বিটুইন ম্যানেজার এন্ড লিডার। বাট এটা নিয়েও আবার কিছু বিতর্কের অবকাশ আছে। বাট ইয়েস আলহামদুলিল্লাহ। ওয়ান অফ দা আনসারস। ওকে। আবুল হাঞানজাজ ভাই আপনার কি মনে হয়? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম কি ম্যানেজার ছিলেন? ম্যানেজার ছিলেন বলতে আমি কিন্তু এটা বুঝাচ্ছি না যে সোলি তিনি ম্যানেজারই ছিলেন। মানে তাকে কি
তার অনেক রোলের মধ্যে কি তাকে ম্যানেজার বলা যায় কিনা যে তার একটা রোলসের ম্যানেজার? আপনার কি মনে হয়? আসসালামু আলাইকুম ওহমাতুল্লাহ। ম্যানেজার যদি আমরা এই অর্থে নেই যে ম্যানেজমেন্ট করতে পারে যা ম্যানেজমেন্ট করতেন তো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সালাতু সালাম ম্যানেজার ছিলেন তো মদিনাতে গিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাললাম মুনাফেকদের টিমকে কিভাবে ম্যানেজ করবেন সাহাবাদেরকে কিভাবে ম্যানেজ করেছেন তারপর ফ্যামিলিকে ম্যানেজ করেছেন এরপরে ইহুদিরা ছিল ইহুদিদের তিনটি গোত্র ছিল তাদেরকে ম্যানেজ করেছেন যুদ্ধের মধ্যে যে কেউ আসতো তাদেরকে মানে প্রবলেম নিয়ে আসছে রাসূলাম সেগুলোকে কে ম্যানেজ করেন। তো ওই দৃষ্টিকোণ থেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবশ্যই ম্যানেজারও ছিলেন
এবং গ্রেট লিডারও ছিলেন। ওকে জাযাকাল্লাহ। সায়েম ভাই আপনার কেমন হয়? জি। অবশ্যই মহান সাল্লাম ম্যানেজার হিসেবে তার যে জীবন পরিচালনা করেছেন তার ওই রোলটা ছিল। এবং পাশাপাশি যেখানে লিডার মানে একচুয়ালি ম্যানেজার তো হলো মানে যে আমার অপারেশনাল যে ক্টিভিটিগুলো সেগুলো পরিচালনার মাধ্যমে লিডারশিপ রোলটা প্লে করা। মানে এখানে ডুয়েল ইয়ার থাকছে ম্যানেজার পরের ধাপটাই কিন্তু লিডারশিপ হিসেবেই রোল প্লে করা। সো এই জিনিসটা মনে দুই জিনিস দুইটাই ছিল। ম্যানেজার হিসেবে রোল প্লে করেছে। এজ ইট ইজ এর পরবর্তী ধাপে উনি লিডারশিপ হিসেবে উনার রোলটা প্লে করেছে। আবু মুসা ভাইয়ের সাথে একমত যে লিডারশিপ ইজ ওয়ান স্টেপে দেন ম্যানেজার
রাইট ওকে তো দেখেন আমরা যদি একটু দেখি যে আল্লাহ সুবহানাতালা কি বলছেন ম্যানেজার মানে কি যে কি করে গ্রুপ অফ পিপলকে ম্যানেজ করে মানুষকে মেনটেন করেতো আল্লাহতালা বলছেন যেহ আমি আপনাকে তাদের সংরক্ষক বানাইনি আর আপনি তাদের ওয়াকিল তাদের কার্যনির্বাহী নন। ঠিক আছে? আপনি তাদের কার্যনির্বাহী নন। কিন্তু তার মানে আপনার এতটুকু শুনে মনে হতে পারে যে আল্লাহ তালা তো বলেই দিচ্ছেন যে আমি আপনাকে তাদের ম্যানেজার বানাইনি। তার মানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম ম্যানেজার। কিন্তু এই শুরুতে আল্লাহ তালা কি বলছে দেখেন যদি আল্লাহ চাইতেন তবেই তারা শিরক করতো না। অর্থাৎ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম চেষ্টা করার পরেও
যে তারা আল্লাহর রাসূলকে মেনে নেয়নি এটার কারণে আল্লাহর রাসূল মানে প্রশ্নবিদ্ধ হবেন না বা তাকে জিজ্ঞাস তিনি জিজ্ঞাসিত হবে না। কারণ তিনি তার দায়িত্ব পালন করে গিয়েছেন। এটাই আল্লাহ তালা এখানে বলছেন। এবং আরেকটা জায়গায় আল্লাহ তালা বলছেন ওয়াসালক ইল্লাল্লা তোমাকে আমি কেবলমাত্র পাঠিয়েছি কি হিসেবে? রহমাতাল্লিল আলামিন পুরো বিশ্বজগতের জন্য রহমত হিসেবে পাঠিয়েছি। তোমাকে আমি কেবলমাত্র পাঠিয়েছি পুরো বিশ্বজগতের জন্য রহমত হিসেবে। ঠিক আছে? তাহলে এই দুইটা জায়গা থেকে আমরা বুঝতে পারছি যে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহিও সাল্লামকে তার সো পারপাস তার কোর পারপাস পাঠানোর এটা ম্যানেজার ছিল না। বরং আল্লাহ সুবহানাু তালা আলা রাসূলকে মেসেঞ্জার
হিসেবে পাঠিয়েছিলেন এই দুনিয়ার মানুষের কাছে তার নবুয়াত এবং রিসালাতকে পৌঁছে দেয়ার জন্য। কিন্তু এই নবুয়াত এবং রিসালাতের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কখনো তাকে পারিবারিক পরিবার ম্যানেজ করতে হয়েছে। কখনো তার সমাজকে ম্যানেজ করতে হয়েছে। কখনো তার রাষ্ট্রকে ম্যানেজ করতে হয়েছে। কখনো তার সামরিক খাতকে ম্যানেজ করতে হয়েছে না। কখনো রাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন দায়িত্ব তাকে পালন করতে হয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় তিনি তাকে ম্যানেজার হিসেবে রোল প্লে করতে হয়েছে। সুতরাং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দুনিয়ায় পাঠানো হয়েছে মেসেঞ্জার হিসেবে। কিন্তু তার এই মেসেঞ্জার হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে তাকে ম্যানেজার হিসেবে রোল প্লে করতে হয়েছে। ঠিক আছে?
ওকে? সো এখন আমরা একটা ছোট্ট ক্টিভিটিজে যাব। তার আগে আমি একটু আপনাদের কাছ থেকে কোশ্চেন জেনে নিতে চাই যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম এযে আমরা বললাম তিনি ম্যানেজার হিসেবে রোল প্লে করেছেন। কিন্তু আমরা তো জানি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম মানে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া বলতে যেটা বোঝায় সেই লেখাপড়া রাসূল সাল্লাল্লাহু সাললাম জানতেন না। যেটা আমরা দরুদের মধ্যে পড়ি যে আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনি উম্মি যে উম্মি নবীর উপরে বা নিরক্ষর নবীর উপরে আল্লাহ আপনি সালাত এবং সালাম প্রেরণ করুন। তাহলে এই যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম একাডেমিক লেখাপড়ার মধ্যে দিয়ে যাননি। বাট তিনি এই যে দারুণভাবে ব্যক্তি থেকে
নিয়ে রাষ্ট্র ম্যানেজ করলেন এই ম্যানেজমেন্ট স্কিলগুলো তিনি কোত থেকে শিখেছিলেন এর আনসার কি হবে কোশ্চেনটা আরেক আমরা বললাম না যে রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তো ম্যানেজার হিসেবে রোল প্লে করেছেন। এটা তো একমত হলেন সবাই আপনারা। জি জি জি মৌলিকভাবে তিনি রাসূল হলেও ম্যানেজার হিসেবে রোল প্লে করেছেন। কিন্তু তিনি তো এটাও একমত যে তিনি তো একাডেমিক পড়াশোনার মধ্যে দিয়ে যাননি। রাইট? জি। তাহলে এই ম্যানেজমেন্ট লিডারশিপ স্কিলগুলো তিনি কোত থেকে শিখলেন? কিভাবে আত্মস্থ করলেন এগুলো? এটা কিছুটা আছে মানে পারিপাষিক পারিপাষিক বলতে তার যে বেড়ে ওঠা বেড়ে ওঠা এইটার উপরে মেনলি ব্যবস্থা আর কি যেটা বলতে চাচ্ছেন ভাই মনে
হয় কিছু বলবেন সরি মানে আনমিট হয়ে গিয়েছিল আপনি বলেন সাইম ভাই যে যদি কোন আইডিয়া থাকে যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাললাম কো থেকে শিখলেন তার এই ম্যারেজ আমি বলব হ্যাঁশিওরশিওর প্রথমত আল্লাহ তাআলা ম্যানেজিং স্কিলটা আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু সাললামকে শিখিয়েছেন। যেভাবে কোরআনে বলেন যেলামা আপনি যা জানতেন না আমি তা আপনাকে শিখিয়েছি। দ্বিতীয়ত আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যার তত্ত্বাবধয়নে ছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রথমে দাদা আব্দুল মুত্তালিব। তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চাচা আবু তালিব তারা সকলেই মানে লিডিং লিডার ছিলেন আর কি মক্কার কোরাইশের তো যেহেতু ছোটবেলা থেকে তাদেরকে লিডিংশিপ লিডারশিপ করতে দেখেছেন এবং
রাসূ সাল্লামের পরদা বলেন হাশেম বলেন আব্দে মানা এরা সবাই কোরাইশের সরদার হিসেবেই ছিল। তো রক্তের মধ্যেও কিছুটা ওই জিনিসটা ছিল আর কি ছোটবেলা থেকে দেখতে দেখতে একটা জিনিস হয়তো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সালাতু সালাম এই জিনিসগুলো গেম করেছেন জ দারুণ বলেছেন আর কেউ আয়েশা আপা লিখেছেন যে মেশ পালন থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ সমস্ত নবীরাই ছিলেন মেশ পালন করেছেন এবং এভাবে আল্লাহ সুবহানাতালা তাদেরকে তরবিয়াত করেছেন পারবি আল্লাহ প্রদত্ত যেটা আবুল হাজ্জাজ ভাই শুরুতে বললেন যে আল্লাহ সুবহাতা শিখিয়েছেন এটাও কারেক্ট আনসার আর কিছু আমরা যদি দেখি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম চারটা সোর্স থেকে তার ম্যানেজমেন্ট স্কিল গুলোকে আত্মস্থ করেছেন।
একটা হচ্ছে রেভলেশন বা ওহী যেটা আল্লাহ তালা শিখিয়েছেন। যেটা আপা লিখেছেন এবং আবুল হাজ্জাজ ভাই বলেছেন আল্লাহ সুবহানাতালা ওহীর মাধ্যমে তাকে এমন কিছু গাইডলাইন দিয়েছেন এটা করো ওটা করো এটা করো না বা এরকম সেগুলোতে তার এই ম্যানেজমেন্ট স্কিল ফুটে উঠেছে অর্থাৎ আল্লাহ সুবহানাতালা শিখিয়েছেন। দ্বিতীয়টা হচ্ছে এনসেস্ট্রাল হেরিটেজ মানে পূর্বপুরুষের যে ঐতিহ্য হ্যা কারণ বন কুরাইশ তারা ঐতিহ্যগতভাবে মক্কার রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী ছিল এবং সেই কুসাই বিন কিলাবের সময় থেকেই এই মানে এই বন কুরাইশের মধ্যে এই আপনার যে রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং তাদের যে বিভিন্ন অবদান হ্যা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এটা আসলে খুব প্রসিদ্ধ হুসাইবিন কিলা কি ছিলেন রাসূ
সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাললামের একজন পূর্বপুরুষ ছিলেন। কারণ তার বংশ তালিকা যদি আমরা দেখি মোহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুত্তালিব বিন হাশেম বিন আব্দে মানা বিন কুসাই বিন কিলাব। তো এই যে কুসা বিন কিলাব তিনি খুবই প্রসিদ্ধ একজন ব্যক্তি ছিলেন এবং তিনি প্রথম এই কুরাইশরা যে মক্কায় বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়েছিল তাদেরকে তিনি একত্রিত করে বনু কুজার বিরুদ্ধে একটা বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং মক্কায় একটা কেন্দ্রীয় মানে একটা বনু কুরাইশের যে শাসন প্রতিষ্ঠা করা বা বনু কুরাইশের যে একটা কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা এটা তিনি করেছিলেন এবং দারুণ আচ্ছা এগ একটু পরে আসব তো এই যে বনু কুরাইশের এবং হাশেম মুত্তালিব
যে ঐতিহ্যগত একটা মানে লিডারশিপ এখান থেকেও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম শিখেছিলেন তার দাদার কাছ থেকে আব্দুল মুত্তালিব তো অনেক বড় একজন নেতা ছিলেন আবু তালিব একজন লিডার ছিলেন আচ্ছা এবং তার নবুয়াত পূর্ববর্তী জীবনের কিছু ঘটনা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামকে তার ম্যানেজমেন্ট স্কিল শিখিয়েছে এবং লাইফ আফটার প্রফেট তার নবুয়াত পূর্ববর্তী জীবনের কিছু ঘটনা রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামকে লিডারশিপ শিখিয়েছে। এখন আমাদেরকে একটা কাজ করতে হবে সেটা হচ্ছে আমি আপনাদেরকে দুইটা গ্রুপ করব। যেহেতু দুই একজন জয়েন করেন নাই। সেটা হচ্ছে আপনাদেরকে যেটা করতে হবে গ্রুপে সেটা হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের এনসেস্টর হেরিটেজ অর্থাৎ তার পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য থেকে
তিনি শিখেছেন এরকম তিনটা লিডারশিপ কোয়ালিটি বা ম্যানেজমেন্ট কোয়ালিটি এবং তার নবুয়ত পূর্ববর্তী জীবনের বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে থেকে তিনটা মানে এমন তিনটা লিডারশিপ কোয়ালিটির ঘটনা সহ যে এই জিনিসটা তিনি এখান থেকে শিখেছেন বা এই ঘটনা থেকে তিনি এইটা শিখেছেন হ্যাঁ এরকম তিনটা নবুয়াত পূর্ববর্তী জীবনের ঘটনাগুলো থেকে শেখা তার তিনটা ম্যানেজমেন্ট কোয়ালিটি এবং তার পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য থেকে শেখা তিনটা ম্যানেজমেন্ট কোয়ালিটি আপনাদের ফাইন্ড আউট করতে হবে। আপনারা এটা সিরাতের বই থেকে হেল্প নিতে পারেন। আপনারা এটা চ্যাটজিপিটি দিয়েন না। তাহলে একটু ব্রেনস্টরমিং হবে না। বাট সিরাতের বই থেকে আপনারা এটা হেল্প নিতে পারেন। কোন সমস্যা নেই। আমি আপনাদেরকে দুইটা
রুমে ভাগ করব। হ্যাঁ আয়েশা আপা এবং পারভন আপাকে আমি একটা রুমে ব্রেক আউট করবো। আর বাকি আপনাদের সুবিধার জন্য ইনশআল্লাহ আপনাদের পাঁচজনকে আমরা একটা গ্রুপে রাখতেছি। আর সেপারেট গ্রুপ করতেছি না। ঠিক আছে? ইনশআল্লাহ। আপনারা অটোমেটিক্যালি গ্রুপে চলে যাবেন। এটা নিয়ে টেনশন করতে হবে না। এক মিনিট। ওয়ান আমি ব্রাদারস ব্রাদারস। ওকে একটা সাইল করি সাইড চার্জ করতে [মিউজিক] পারি আপনাদের টাইম হচ্ছে 10 মিনিট 10 মিনিটও না আচ্ছা আমি শেষ করে নেই এরপর হচ্ছে আপনাদেরকে টাইম দিচ্ছি ওকে ওকে আপনারা অটোমেটিক্যালি আপনারা আবার ব্রেকআউট রুম থেকে ঘুরে আসবেন। সেটা হচ্ছে আপনাদের টাইম করে দিচ্ছি এখন 10:15 বাজে। সো
আপনারা প্রেজেন্ট করবেন ধরেন 15 মিনিট। তো আপনারা প্রেজেন্ট করবেন সাত মিনিটে আর একক্টিভিটি করবেন আট মিনিটে। ওকে। আপনারা দেখেন আপনাদের কাছে জয়েন রুম ওয়ান জয়েন ব্রাদারস রুম এরকম একটা অপশন চলে যাবে বা চলে গিয়েছে। আপনারা ভাইয়েরা সেই ব্রাদার্স রুমটাতে জয়েন করেন এবং সিস্টাররা যারা আছেন আপনারা দুইজন সিস্টারস রুমটাতে জয়েন করেন এবং আট মিনিট পর অটোমেটিক্যালি আপনাদেরকে এখানে ঘুরিয়ে নিয়ে আসা হবে ঠিক আছে ভাই আপনাকে এসাইন করি নাই তাতো বলতে পারছি না ভাই এই আপনাকে তো এইযে দিয়ে দিছি আপনাকে আসসালামু আলাইকুম বোঝাই আসসালামু আলাইকুম ওস্তাদ ওয়ালাইকুম আসসালাম কি অবস্থা ভাই আছি আলহামদুলিল্লাহ না আমি প্রেজেন্ট আছি
ওই যে কাজ করতেছি ওই দুইটা গ্রুপে ওদেরকে ভাগ করে দিছি। আমি ইয়াকে বলছি ওই যে ব্রেকআউটের ইয়েটা তো ক্লিয়ার না। ওর কারণ এক্টিভিটি গুলো তো ওদেরকে হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ ওখানে তো ক্লিয়ার। এমনি ওই যে আমাকে তো হোস্ট করে দিলে মনে হয় আমি ইয়েটা যখন 10:30টায় জাস্ট লিভ নিব হোস্ট করে দিব। হ্যাঁ হ্যাঁ ঠিক আছে। তখনই তো আমি ওই যে ইয়েটা দেখতে পারবো আর কি নিচে নিচে ওটা দেখাবে। আর হচ্ছে যে ও ইমোশনালাইজ সেশনটা শেষ হওয়ার সময় এন্ড করে দিলেই হবে। ভাই কারণ দুই ঘন্টার ব্রেক তো নালে রেকর্ডিং কন্টিনিউ হয়ে যাবে আমরা আবার নতুন করে স্টার্ট
করবো তাহলে তারপরে আস আচ্ছা আচ্ছা আচ্ছা ঠিক আছে ঠিক আছে এটা কি অটোমেটিক্যালি ওদেরকে দুইটা তিনটা রুমে ইয়া করে নিয়ে গেছে না হ্যা অটোমেটিক্যালি আমি ক্রিয়েট করার পর এসাইন করে দিলে অটোমেটিক্যালি নিয়ে চলে যাবে ওখানে ওখানে ওরা কথা বলতে পারবে নিজেরা ডিসকাস করতে পারবে কিন্তু ওটা এক গ্রুপ আরেক গ্রুপে ডিসকাশন শুনতে পারবে না। হ্যাঁ শুনতে পারবে। আবার ইন্সট্রাক্টর চাইলে বিভিন্ন ব্রেকআউট রুমে দেখতে ঘুরতে যাইতে পারবে আর কি যে মানে অফলাইন ওয়ার্কশপে একটা ফিলিংস থাকে এই আরক আচ্ছা আচ্ছা আমি অলরেডি দুইটা গ্রুপে একবার রুমের আসছি যে কি অবস্থা বুঝছে কিনা। আচ্ছা এটা ওই হোস্ট করে দিলে
অপশনগুলো চলে আসবে। তখন এগুলা সব দেখা যাবে আর কিি যে বিভিন্ন গ্রুপে জয়েন করতে চাইলে জয়েনে ক্লিক করলে তখন ওই গ্রুপটাতে নিয়ে যাবে। আচ্ছা আমি কোহোস্ট করে দেই। তারপর একটু একটা জিনিস একটু চেক করে দেখা যেতে পারে যে আসছে কিনা স্ক্রিনে একটু। [মিউজিক] এপাশে আসেন পায়েস না কি ব্যাপার ফজলে ভাই আর সাইম ভাই এখনো ফিরে আসতেছে না মানে টাইম শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টাইম ইউটিলাইজ হবে না ওকে এবার সবাইকে আসতেই হবে কিছু করার নাই ফাইন আমাদের এখন পাঁচ মিনিট সময় পাঁচ মিনিটের মধ্যে আড়াই মিনিট করে আপনাদের প্রেজেন্টেশনের টাইম স ভাইদের মধ্যে থেকে একজন আপনাদের টিম লিডার
কাকে করছেন কে প্রেজেন্ট করবে কুইক কুইক সময় নাই আমাদের আবুল হাজ্জা ভাই আবুল হাজ্জাজ ভাই আবুল হাজ্জা ভাই কোথায় আসসালামু আলাইকুম শোনা যাচ্ছে কিনা আচ্ছা তো নবুয়তের পূর্বে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেই কাজগুলো করেছেন যেগুলো আগে থেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সালাতু সালামের শিখা সেটার মধ্যে হতো একটা হতে পারে যে হাজারে আসওয়াদের সময় যখন রাখার জন্য যে সময় একটা ঝগড়ার সম্মুখীন হইতে নেয় তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটাকে সুন্দর করে সাজিয়ে এখান থেকে মানে ভাই খুব দ্রুত হাজরে আসওয়াদের ঘটনা হ্যাঁ এতটুকুই এখান থেকে আমরা কি শিখলাম কোন লেসনটা লেসনটা হইতে পারে কিভাবে সকলকে খুশি করে কাজটা
করা যায় মানে সকলের দিকে খেয়াল রেখা রাখা ওকে মানে একটা আমরা বলতে পারি টিম্যেন্ট হতে পারে আচ্ছা ভাই আবার কনফ্লিক্ট ম্যানেজমেন্ট গুড এটা আরো ভালো শোনাই যে কনফলিটা উনি ম্যানেজ করেছে কিভাবে হ্যা দুইটা গ্রুপের মধ্যে আছে আর নেক্স ফুল ফুজুল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে একদম তরুণ সময় যখন অধিকার বঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ান সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য সেই ঘটনাটা সেখান থেকে আমরা কি শিখি? [মিউজিক] কোন টাকা পয়সা ছাড়া মানে এখানে তো উনাদের কোন ফায়দা হচ্ছে না। সেটা ছাড়া সাধারণ লোকদের জন্য কিভাবে কাজ করতে পারি। যেটা মেইনলি ওই যে শুরুতে বলছেন আমরা আখেরাতের জন্য কিছু করার
আর কি বা আমার নিজের এটা কি সরাসরি ম্যানেজমেন্ট বা লিডারশিপের সাথে কিছু ইনভলভ যে কোন লিডারশিপ লেসনটা আমি শিখতেছি এখান থেকে চুপে আসছে আচ্ছা আপনি কন্টিনিউ করেন আবুল আজাজ ভাই আমাদের সময় কম নেক্সট আর কি কি শিখলাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সালাতু সালাম সিরিয়াতে সফর করার বিজনেসে যখন চাচার সাথে যান তো ওই সময় ওখান থেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানে শিখেছেন এমনভাবে নিজেকে তৈরি করেছেন ব্র্যান্ড নিজের ব্র্যান্ড ভ্যালু করেছেন যে তৈরি করেছেন ব্র্যান্ডিং যেটার কারণে হযরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা রাসূ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালামকে কাজ দেন। এরপরে নিজের নিজেকে তার জায়গায় রাখা। ওকে। এটা হলো আমাদের
ইয়া থেকে পূর্ণবত পূর্ববর্তী ঘটনা। আর ইয়া থেকে ওই যে এই পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য থেকে আমরা কি কি শিখেছি? তিনি কি কি শিখেছেন? কুইক সময় নাই আর খেয়াল করতে পারিনি ওকে আর কেউ ফজ ভাই আপনারা কি এটা আইডেন্টিফাই করছিলেন যে পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য থেকে তিনি কি কি শিখেছিলেন আচ্ছা ভাইয়া এটা আইডেন্টিফাই করা হয়নি তবে আমার যেটা মনে হয় যে ধরেন ওদের মধ্যে যে গোত্রীয় যে বন্ধন যেটা ছিল এটা অনেক স্ট্রং ছিল মানে তার কওমের মধ্যে যদি কেউ তাদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে আসে হ্যাঁ ওরা সব এক হয়ে যেত সো পয়েন্ট যে ইউনিটি যে জায়গাটা যে আমার গোত্রের জন্য মানে ডেসপ
ছিল যে এনিথিং এ ধরনের একটা বিষয় ছিল আর কি যে সেটা উনাদের মধ্যে লেসনটা ছিল যে সেটা ইনহিটেডলি পাইছে ইনশল্লাহ আমরা চলে যাচ্ছি আমাদের বন্দের কাছ থেকে আপনারা লিখছেন যে বংশ পরম্পরায় পেয়েছিলেন দানশীলতা সত্যবাদিতা নেতৃত্ব আচ্ছা নবুত পূর্ববর্তী সময়ের হাজরে আসওয়াদ থেকে শিখে বিচক্ষণতা হেলফুল ফুজলে অংশগ্রহণ থেকে শিখেছেন সামাজিক দায়িত্ববোধ সিরিয়ায় ব্যবসায়িক কাজে অংশগ্রহণ নেতৃত্বে দক্ষতা আচ্ছা আমি আমার এই পয়েন্টগুলো নিয়ে আমি আমার নেক্সট সেশনের আগে অর্থাৎ সালাতের পরে বিকালে আমার যে সেশনটা হবে সেখানে আমি একটু কথা বলব অল্প একটু ফিডব্যাক দিব বাট একটা কথা একটু জাস্ট এখানে বলে রাখি এক মিনিটে সেটা হচ্ছে যে
যেহেতু আপনাদের দুই গ্রুপের মধ্যে কমন একটা পয়েন্ট আপনারা সিরিয়ায় ওনার ব্যবসায়িক কাজে অংশগ্রহণটাকে খুব ফোকাস করেছেন। তো এখানে আসলে কি যে আবুল আতিস ভাই যেটা বলেছেন যে ওখানে উনি একটা ব্র্যান্ডিং করেছেন যেটা পরবর্তীতে তাকে কাজ পেতে সহায়তা করেছে ইয়ার সাথে এই জায়গাটায় সিরিয়ায় ব্যবসায়িক কাজে যখন উনি যান উনার বয়স তখন 12 বছর এই জায়গাটাতে কিন্তু উনি সরাসরি উনার যে খুব ট্রেডিং এ কন্ট্রিবিউশন ছিল তা না এই সময়টাতে বেসিক্যালি ওনার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ওনাকে উনি যেহেতু আবু তালিব উনাকে খুব অসম্ভব ভালোবাসতেন তো এই কারণে উনাকে উনি রেখে যেতে চান সাথে করে নিয়ে গিয়েছেন। বাট নিয়ে
যাওয়ার পর আবার যখন ওই যে বাহিরা পাদ্রী বললেন তার নিরাপত্তা জীবনে ঝুঁকি তখন আবার তাকে ফেরত পাঠিয়েছেন। হ্যা ওই জায়গাটায় সরাসরি আবু তালিবের সাথে যেতে গেলেন সিরিয়ায় ওখান থেকে কিন্তু সরাসরি তার নেতৃত্বের দক্ষতাটা আসবে না। বরং খাদিজা রাদিয়াল্লাহ ক্যারাভা নিয়ে যে তিনি গেলেন ওই জায়গাটায় হচ্ছে তার একটা তিনি যে একটা বড় প্রফিট করে ফিরে আসলেন ওই জায়গাটায় তার একটা ক্যারিশমা বা তার যে একটা নেগোসিয়েশন স্কিল তার একটা যে বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্কিলটা ওইখান ওই ওটার মধ্যে আসবে। হ্যাঁ। বাকি পয়েন্টগুলো নিয়ে ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের মানে আমার নেক্সট যে সেশনটা সালাতের পরে স:15টা থেকে ওখানে একটু সময় পেলে
কথা বলবো ইনশাআল্লাহ। তো আমরা একটা ব্রেকে চলে যাচ্ছি। আপনাদের ব্রেক হলো 10:45 পর্যন্ত। হ্যাঁ। মিটিং এভাবেই থাকবে। আপনারা জাস্ট 10:45 এ আমাদের নেক্সট যে ফ্যাসিলিটিটর আছেন মুজাহিদ রাসেল অলরেডি আমাদের সাথে ছিলেন পুরোটা সেশন। তিনি আপনাদের ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স সেশনটা কন্ডাক্ট করবেন। সয়াটায় আপনাদের সালাত এবং নামাজের ব্রেক হয়ে যাবে। আপনারা দুই ঘন্টার ব্রেক থাকবে। সোয়াদুটার সময় ইনশআল্লাহ আপনারা লাঞ্চ শেষ করে স:15টায় চলে আসবেন। ঠিক আছে? ইনশাআল্লাহ। আর নেক্সট আপনারা আসবেন হলো 10:45 এ। আপনারা একটু কিছু চা, কফি বা স্ন্যাক্স নিতে পারেন। 10:45 এ আপনারা আমার স্ক্রিনের সামনে চলে আসবেন ইনশাআল্লাহ। আর মিটিং এভাবেই থাকবে। এটা অফ হবে
না। ঠিক আছে? সুবহানাক আল্লাহুম্মাবিহামদিক আশা আলা ইলাহাফ 10 45 এ ইনশল্লাহ নেক্সট সেশন শুরু হবে আপনাদের আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। একটু রেসপন্স আমরা একটু রেসপন্স করি। সবাই যদি এসে থাকেন তাহলে আমরা ইনশল্লাহ আমাদের যথাসময় আমাদের ইয়েটা শুরু করতে চাচ্ছেন। সবাই কি এসেছে? একটু যদি চ্যাট বক্সে অথবা জাস্ট এলো ওকে দিলেই হবে। তো ভাই মনে হয় এখনো আসে নাই। আমরা একটু এক দুই মিনিট একটু ওয়েট করি আমরা। আসালামু আলাইকুম ওয়ালাইকুম আসসালাম সবাইকে হ্যাঁ সবাই মনে হয় এখনো আসে আসে নাই কারণ আমরা একটু দুই তিন মিনিট একটু সময় নিচ্ছি আমার কথা তো স্পষ্ট
শোনা যাচ্ছে না হ্যাঁ স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে হস্ট করে দিচ্ছি ছি আমি কোহোস্ট হিসেবে এড করতেছি আচ্ছা ঠিক আছে আমি হোস্ট করে দিলাম আমাকে কোহোস্ট করে দিলে ভালো হয় যাই হোক কোহোস্ট স্ক্রিনটা ডার্ক হয়ে যাচ্ছে কেন? কি দেখা যাচ্ছে বোঝা যাচ্ছে এখন? হ্যাঁ বোঝা যাচ্ছে। সবাই কি আসছে যারা আজকে প্রেজেন্ট আছেন সবাই কি আছেন এখন বুঝতে পেরেছেন তাইম ভাই আবু মুসা ভাই আছে ভাই আবুল হাজ্জাজ ভাই জ আছি আচ্ছা আচ্ছা শুরু করা যেতে পারে আমার মনে হয় শুরু করতে পারি আমরা অলরেডি মিনিটের উপরে কালো ব্কটা চলে আসতেছে আনশেয়ার করে আবার নতুন করে স্ক্রিনটা শেয়ার দিলে ভালো
হবে। আচ্ছা স্টপ শেয়ার দিয়ে আবার নতুন করে শেয়ার অথবা আমি আমার স্ক্রিনটা আমার এখান থেকে শেষ না আমি আমি দিচ্ছি আবার এখন কি অবস্থা ডার্কটা থেকে যাচ্ছে কেন জানিনা হ্যাঁ আমি স্ক্রিন শেয়ার করি ওখান থেকে আর মানে হোস্ট যেহেতু করা আছে সো করতে পারবা সমস্যা নাই। মানে আমি ইয়া করতে পারবো কোন মানে ক্লিয়ার আসতেছে না? হ্যাঁ হ্যাঁ ক্লিয়ার। আচ্ছা এবার আমি একটু এড করি। জাস্ট একটু জাস্ট চেক করো যে তুমি চেঞ্জ করতে পারতেছো কিনা। নেক্সটে যাওয়া যাচ্ছে ক্লিক করলে? হু না যাচ্ছে না না মনে হয় আমি শেয়ার দিয়ে আবার আবার কারণ আমি এটা স্টপ শেয়ার
স্টার্ট করি শেয়ার লাইক স্পোর্ট কিরকম মানে এটা কি বেশি ইয়া কিছু আসতেছে। আমি তো এখানে খুব বেশি কিছু রাখি নাই। আর ওকে আছে নাকি কি অবস্থা এখনো কি লাইট স্পোর্ট কিছু আছে সাইড দিয়ে আছে আমার মনে হয় যে এটা লোডিং এ সমস্যা হইতেছে নেট নেক্সট স্লাইডিং বা নেক্সট স্লাইডে গেলে হ্যাঁ এটা কন্টিনিউ করা যায়। নেক্সট স্লাইডে গেলে দুই একটা স্লাইড ফরওয়ার্ড হলে হয়তো ঠিক হয়ে যাবে। ইনশাল্লাহ। কন্টিনিউ শুরু করা যায়। একটু সময় চলে গেছে কিছু। ওকে আলাসহিম। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আজকে ঈদ গান এবং কর্তৃক আয়োজিত আজকের এই ডেলং ওয়ার্কশপ সেশনে আমি আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি।
আমি আমাদের আজকের দ্বিতীয় সেশন শুরু করছি। আমি মুজাহিদ রাসেল আইএমটিআর এর সিও হিসেবে কাজ করছি। তো আমার আজকের আমাদের এই সেশনের মূল বিষয়টা হচ্ছে মূলত ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স। বেসিকলি ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স এই শব্দটা যদি আমরা শুনি এ শব্দের মধ্যে দুইটা শব্দ একটু কন্ট্রাডিক্টরি যদি আপনি একটু শুনেন বোঝার চেষ্টা করেন কারণ ইমোশন এটা হচ্ছে একটা মানুষের আবেগ অনুভূতি এবং এই জায়গাটা হচ্ছে কিছুটা সাবজেক্টিভিটি আছে এটার মধ্যে হ্যা অন দা আদার হ্যান্ড যদি আমরা ইন্টেলিজেন্সটাকে ধরি মানুষের ইন্টেলেক্টের সাথে ইয়া পরে ইন্টেলেক্টের সাথে কানেক্টেড এটা অনেক বেশি অবজেক্টিভ অবজেক্টিভ অবজেক্টিভিটি আছে লজিক এখানে কাজ করে ক্রিটিক্যাল থিংকিং এখানে কাজ করে
তো দুইটা বিষয় একটু আপনাদের কাছে মনে হতে পারে যে এটা কন্ট্রাডিক্টরি কিন্তু আমরা যদি মোটা দাগে দেখি তাহলে আমরা যেটা বুঝবো যে আমরা যখন ইমোশনে থাকি আমাদের আবেগ যখন কোন কিছুতে কাজ করে তখন আমরা যদি সেই আবেগটাকে কে আমাদের ইন্টেলেক্ট দিয়ে ঠিকভাবে ম্যানেজ করতে পারি। আমাদের ইন্টেলেক্ট দিয়ে ঠিকভাবে আমরা ড্রেন করতে পারি, চ্যানেল করতে পারি। তাহলে আমাদের ওই কাজটা অনেক বেশি পারফেক্ট হবে। এই ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স এই শব্দটার মধ্যেই আসলে আমরা আমাদের ক্টিভিটিটা কি হবে সেটা নির্ধারণ করবেন। এখন যে বিষয়টা দাড়ায় সেটা হচ্ছে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স রাসূলের আমলে বিষয়টা ছিল না। কিংবা এটা খুবই হালনাগাত একটা শব্দ।
মানে খুবই আপডেটেড একটা শব্দ। কিছুদিন আগে আমরা এই শব্দটা শুনতে পেয়েছি। তো এই জিনিসটার সাথে আসলে আল্লাহ রাসূলের সম্পর্কটা কেমন? হ্যা এটা আমরা একটু সার্ফিং করার চেষ্টা করব এবং বুঝার চেষ্টা করব যে আল্লাহ রাসূল তার পুরো জীবনে কিভাবে এই জিনিসটা প্র্যাকটিস করেছেন কিংবা তার লাইফে জিনিসটা রিফ্লেক্ট করেছে সেটা আমরা একটু বোঝার চেষ্টা করবো। আমি শুরুতেই আপনাদের সাথে দু তিনটা গল্প শেয়ার করার চেষ্টা করছি। প্রথম যেই ঘটনাটা আমি উল্লেখ করতে চাই সেটা হচ্ছে একদিন আল্লাহ রাসূল তার সাহাবীদেরকে নিয়ে মসজিদে নববীতে বসে আছেন। এ অবস্থায় একজন কৃষ্ণাঙ্গ সাহাবী একজন কালো সাহাবী তিনি দেখতে অত বেশি সুন্দর ছিলেন
না। তিনি আল্লাহ রাসূলের কাছে আসলেন। এসে বললেন যে ইয়া রাসূল্লাহ সবাই আমাকে দেখে ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নেয়। আমাকে এত বেশি পছন্দ করে না। আপনার কি মনে হয় কালো মানুষগুলো কি জান্নাতে যাবে? খুবই আবেগী ভাষায় খুবই কষ্টের সাথে তিক্ততার সাথে হয়তো উনি প্রশ্নটা আল্লাহ রাসূলকে করেছেন যে ইয়া রাসূল্লাহ একটা কালো মানুষ কি জান্নাতে যাবে এটা তার মাথায় বুঝে আসছে না যে এই কালো মানুষ জান্নাতে যাবে জান্নাতের নাজ নেয়ামত ভোগ করবে জান্নাতে যা চাই তিনি তা পাবেন জান্নাতের যে হুর পরিদান তাকে নিয়ে থাকবেন এই বিষয়টা উনি কানেক্ট করতে পারতেছিলেন না তখন আল্লাহ রাসূলকে তিনি প্রশ্ন করছেন আশ্চর্য
নিয়ে যে ইয়া রাসূল্লাহ এই একটা একটা কালো মানুষও কি জান্নাতে যাবে? তখন আল্লাহর রাসূল তার দিকে তাকিয়ে মুচকে হেসে বললেন হ্যাঁ একজন কালো জান্নাতে যাবে। কারণ মানুষকে তার রেস কালার এগুলা দিয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বিবেচনা করবেন না। মানুষকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বিবেচনা করবেন যে সে কতটুকু ভালো, সে কতটুকু আল্লাহভীতি তার মধ্যে আছে। তাকওয়া কতটুকু আছে। মানুষকে সেটার নিরিখে বিচার করা হবে এবং সেই অনুযায়ী তাকে জান্নাত এবং জাহান্নাম নির্ধারণ করা হবে। এটা একটা ঘটনা। আরেকটা ঘটনা যদি আমরা দেখি এভাবে আপ এই ঘটনাটা খুবই মশহুর। আপনারা বিভিন্ন জায়গায় শুনতে পারেন। একদিন এক যুবক তাও আল্লাহ রাসূল সাহাবীদের
সাথে বসে আছেন। এ অবস্থায় আল্লাহ রাসূল আল্লাহ রাসূলের কাছে ওই সাহাবী এসে জিজ্ঞেস করলেন তিনিও সাহাবী ছিলেন। যুবক সাহাবী ছিলেন। তিনি বললেন, ইয়া রাসূল্লাহ আমার মধ্যে কিছু খারাপ গুনাগুন আছে। আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি কিন্তু একটা জিনিস আমি ছাড়তে পারবো না। সেটা হচ্ছে ব্যভিচার। এটা আপনারা খুব ঘটনাটা জানেন। তখন আশেপাশে যে আমরা একটু মিউট করে ফেলি প্লিজ নয়েজ আসতেছে। তখন আশেপাশে যে সাহাবীরা ছিলেন তারা কিছুটা রাগান্বিত হলেন এবং তাকে পাকড়াও করার জন্য উদ্যত হলেন। এ অবস্থায় আল্লাহ রাসূল তাদের দিকে ইশারা করলেন না। তাকে কিছু বলিও না। বিষয়টা আমি ডিল করছি। আল্লাহর রাসূল তখন সেই যুবক সাহাবীটাকে
বললেন যে তুমি যেটা বলছো তুমি কি বুঝে বলছো? আচ্ছা তুমি চিন্তা করো তো তোমার কোন আত্মীয় তোমার কোন বোনের সাথে যদি কেউ এই বিষয়টা করতে চায় তুমি কেমনভাবে নিবা বলে যে না এটা তো আমি ভালোভাবে নিব না তোমার খালার সাথে তোমার মার সাথে তোমার ওয়াইফের সাথে এই বিষয়টা যদি ঘটে তুমি জিনিসটাকে কিভাবে দেখছো কিভাবে ডিল করছো তখন ওই সাহাবীটা রিয়ালাইজ করতে পারলো যে হ্যাঁ এটা তো আমার একটা অন্যায় আবদার ভুল আবদার ভুল চিন্তা তখন তিনি আল্লাহ রাসূলকে বললেন যে ইয়া রাসূল্লাহ আমি কখনোই এটার কাছাকাছি যাবো না। তখন আল্লাহ রাসূল তার বুকে হাত দিয়ে তার জন্য
দোয়া করলেন যে হে আল্লাহ তুমি তাকে প্রটেক্টেড রাখো। তুমি তাকে প্রটেক্ট করো। সব রকম ফাহেশা থেকে সব রকম অশ্লীলতা থেকে তুমি তাকে হেফাজত করো। এবং সাহাবীরা বলছেন যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যতদিন বেঁচে ছিলেন কিংবা ওই সাহাবী যতদিন বেঁচে ছিলেন এবং টিল লাস্ট ডে অফ হিস লাইফ। তিনি কখনো কারো দিকে চোখ তুলে পর্যন্ত তাকান নাই। এমন সুন্দর পবিত্র একটা জীবন তিনি ধারণ করেছিলেন, লালন করেছিলেন। তিন নাম্বার আরেকটা ঘটনা আমরা আপনাদের সাথে একটু আমি শেয়ার করতে চাই। সেটা হচ্ছে আল্লাহ রাসূলের আপনারা জানেন যে আল্লাহ রাসূলের অনেকজন স্ত্রী ছিলেন। তো আল্লাহ রাসূলের একজন স্ত্রী নাম ছিল সাফিয়া।
তিনি ছিলেন একজন ইহুদি নেতার মেয়ে। তো একদিন আল্লাহ রাসূলের আরেকজন স্ত্রী হাফসা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা। হযরত ওমরের মেয়ে। তার সাথে কোন একটা বিষয়ে কথা কাটাকাটি অবস্থায় হাফসা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা তিনি সাফিয়া রাদিয়াল্লাহু তালা আনহাকে বললেন যে তুমি তো এটা ইহুদির মেয়ে এই জিনিসটা উনাকে তিরস্কার করে তিনি বললেন আল্লাহ রাসূল যখন ঘরে ফিরে এলেন তখন সাফিয়া রাদিয়াল্লাহ আনহা কিছুটা মানে কান্নাজড়িত কন্ঠে মন খারাপ করে তিনি আল্লাহ রাসূলকে এই বিষয়ে নালিশ করলেন। আল্লাহ রাসূল বুঝতে পারলেন পুরো ঘটনাটা। তিনি তখন সাফিয়া রাদিয়াল্লাহু তালা আনহাকে একটু কনফিডেন্স দেয়ার জন্য একটু তার মনটাকে ভালো রাখার জন্য ভালো করার জন্য তার
মনে কষ্ট দূর করার জন্য তার মনে যে ক্ষত তৈরি হয়েছে সেখানে মলম লাগানোর জন্য তিনি বললেন যে তুমি এটাতে এত কষ্ট পাওয়া তো কিছু নাই তুমি তাদেরকে বল যে তোমার বাবা একজন নবী বাবা বলতে এখানে তার বংশধারায় নবী মুসা আলাইহি সালাতু সালামকে তিনি ইন্ডিকেট করেছেন যে তোমার বাবা একজন নবী। তোমার চাচা মানে হারুন আলাইহিস সালাম তিনি মুসা আলাইহিস সালামের ভাই ছিলেন। তিনি একজন নবী। এবং তোমার স্বামী মানে আল্লাহ রাসূল তার নিজেকে ইন্ডিকেট করছেন যে তোমার স্বামী একজন নবী। তো তোমার মত এত বেশি প্রিভিলেজড অথবা এত বেশি সম্মানিত আর তো কেউ নাই। হ্যাঁ। তো এটা বলার
সাথে সাথে সাফিয়া রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা উনি খুবই খুশি হলেন। তার চেহারার মধ্যে সেই আনন্দ সেই খুশি প্রস্ফুটিত হলো। এবং আল্লাহ রাসূল পরে হাফসা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহাকে এটার জন্য কিছুটা ভষণা করলেন এবং তাকে নিষেধ করলেন যে কখনোই যেন তিনি এরকম কোন কিছু কাউকে না বলেন। সাফিয়া কিংবা অন্য কাউকে যেন এভাবে তাকে ছোট করে খোটা দিয়ে কোন কথা যেন না বলেন। এখন প্রশ্ন আসতেছে এই তিনটা ঘটনা এই তিনটা ঘটনা থেকে আমরা কি বুঝতে পারি? আসলে আল্লাহ রাসূল তিনটা ঘটনাতে কি দেখছি আসলে একটা কমন একটা প্যাটার্ন আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আল্লাহ রাসূল মানুষের ইমোশনটাকে ডিল করছেন এখানে এখন
আমার যে প্রশ্নটা এখানে আল্লাহ রাসূলের মানে এই যে ইমোশনাল ডেলিংস আমরা যদি একটু চিন্তা করি একটু চিন্তা করি যে কোন কি চিন্তাটা আপনারা এখানে মাথায় আসতেছে মানে তিনি কিভাবে ইমোশনটাকে ডিল করছেন এখানে আমি একটু আপনাদেরকে একটু প্রশ্ন করছি আপনারা যদি একটু উত্তর দেন কেউ যে আল্লাহ রাসূল এখানে কোন স্কিলটা আপনার কাছে মনে হচ্ছে এবং তিনি যে ডিল করছেন বিষয়টাকে সেটা আপনারা কিভাবে রিয়ালাইজ করছেন অথবা কিভাবে এটাকে আইডেন্টিফাই করবেন সাইম ভাই এখানে দেখা যাচ্ছে তিনটা ঘটনাই আলাদা আলাদা ঘটনা। তো লাস্টের যেটা যে ঘটনাটা এখানে হলো আপনার মানে একটা হলো একটা খারাপ অবস্থায় সেটাকে নেগেটিভ বিষয়টাকে পজিটিভ
চিন্তার মাধ্যমে একটা সমাধান করা এবং দুইটা পক্ষকেই সমানভাবে মানে আপনার দুইটা পক্ষকেই সমানভাবে আপনার দেখা যায় যে পক্ষকে ডিমোটিভেটেড ছিল বা হতাশ মানে মানে খারাপ নেগেটিভ অবস্থা ছিল তাকে পজিটিভ করা এবং যে বিষয়টা যার মাধ্যমে ঘটেছে তাকে সমাধানটা তার যে মানে অবস্থা অনুযায়ী তাকে সমাধানটা করে দেওয়া এবং যাতে ভবিষ্যতে ঘটনা না ঘটে এই জিনিসটা পূর্ণিতি না ঘটে সেই ব্যাপারে পদার্থ গ্রহণ করা এবং এখানে এবং পরবর্তীতে যাতে এটা না হয় সে বিষয়ে এক স্থায়ী একটা সমাধান করা এক্সাক্টলি মানে এখানে আল্লাহ রাসূল তিন নাম্বার ঘটনাটা থেকে আপনি যেটা ইন্ডিকেট আল্লাহ রাসূ মানুষের মধ্যে পজিটিভিটি চ্যানেল করার ট্রাই
করছেন রাইট মানে পজিটিভিটি তাকে দেয়ার চেষ্টা করছেন তার থিংকিং আবু মুসা ভাই আমরা আবুল হাজ্জা ভাই সহ বিষয়টা ওই মানুষটা কিরকম ফিল করতেছে এই জিনিসটা সে বুঝে তারপরে সেই জিনিসটাকে ডিল করছে এক্সাক্টলি এক্সাক্টলি তার মানে এখানে আমরা এই শব্দটা আসবো আমরা আগামীতে এটা এমপ্যাথি এটাকে বলে দ্বিতীয় প্রথম ঘটনাটা প্রথম ঘটনাটা নিয়ে কেউ একটু যদি আলোচনা করতে চাই আমি আসলে কি বুঝতে পারছি হাজ ভাই আমরা একটু ইন্টারেক্টিভ আসলে ওই ব্যক্তিকে তার মত করে বুঝে ইমোশনালি মানে ফিল ফিলিং অফ আদার সে কিরকম ফিলিং করতেছে সেই জায়গাটাকে ফিল করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাললাম তাদেরকে বুঝালেন ওই জায়গায় তুমি
থাকলে কি করতে তো সেরকম করে বুঝালেনতো প্রত্যেকটা জিনিসে যেহেতু সাইড রয়েছে তো দ্বিতীয় সাইডটাকেও দেখা দিলেন যে তুমি যেহেতু যেরকম ব্যভিচার করতে চাচ্ছ তোমার জায়গায় তোমার তুমি যদি সেই জায়গায় হতে সে জায়গায় তোমার সাথে এরকম হলে তাহলে করতে তো ওইভাবে আলাইহি সালাতু সালাম বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। এক্সাক্টলি মানে তিনি মানুষের ফিলিংসটাকে আইডেন্টিফাই করতেছেন এটাকে রিকগনাইজ করতেছেন যে মানুষ এমন একটা সত্তা মানে যার মধ্যে কিন্তু ফিলিংস আছে। এটা আমরা আগামীতে আরো ঘটনাতে দেখবো যে ফিলিংস টাকে আইডেন্টিফাই করা। এবং আরেকজনের ফিলিংস নিজের ফিলিংস এই আইডেন্টিফিকেশন এটাকেই কিন্তু এখনকার ভাষায় ইমোশন ইন্টেলিজেন্স বলে। হ্যাঁ যে আমরা প্রথম ঘটনাতে আমরা
যেটা দেখছি সেখানে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন মানুষের ল্যাক অফ কনফিডেন্স মানে তার মধ্যে কনফিডেন্সের একটা ঘাটতি তার মধ্যে একটা শঙ্কা সেটাকে তিনি দূর করার চেষ্টা করেছেন। দ্বিতীয় যে ঘটনা তিনি ওই সাহাবীটাকে বুঝানোর চেষ্টা করলেন যে আরেকজনের ইমোশনটা কিরকম সেটার আঙ্গিকে তুমি তোমার ইমোশনটাকে বুঝার চেষ্টা করো। আবার তিন নাম্বার যেই ঘটনাটা যেটা ভাই রাইটলি বলছেন ভাই যে আমার সহমন্তা কিংবা পজিটিভিটি এই জায়গাগুলা তিনি হিট করার চেষ্টা করেছেন। তো এখন মোটা দাগে হচ্ছে যে এই ঘটনাগুলা এখানে কিন্তু আল্লাহর রাসূল মানুষের ইমোশনকে নিয়েই ডিল করেছেন। কিন্তু সেই আমলে কখনো কেউ কোন শব্দ দিয়ে জিনিসটা সংজ্ঞায়িত
করে নাই। সাহাবীরা সাহাবীদের মত করে বুঝেছেন এবং পরবর্তীতে যারা আছেন তারাও কিন্তু তাদের মত করেই আল্লাহর রাসূল যে জিনিসটাকে ইঙ্গিত করেছেন যে জিনিসটা ট্রেনিং দিয়েছেন মানুষও কিন্তু ঠিক সেইভাবেই নিয়েছে। কিন্তু বর্তমানে হাল জামানায় হয়তো যদি আমরা দেখি যে এটাকে একটা খুব চমৎকার টার্ম যেটা আমরা বলছি আমাদের আজকের সেশনের যে মূল শব্দ সেটা হচ্ছে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স। এই পুরো বিষয়গুলাকে আমাদের বলা হয় ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স। এখন আমরা যদি একটু সবগুলো কথাকে একটু যদি সামারাইজ করি তাহলে আমরা যেটা দেখব যে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স এটা আসলে কি? এটা হচ্ছে যে আপনি আপনার নিজের আবেগকে বুঝতে পারবেন, আইডেন্টিফাই করতে পারবেন। আপনি আরেকজন
মানুষ আছে তার আবেগকেও আপনি বুঝতে পারবেন, আইডেন্টিফাই করতে পারবেন। এবং এই যে আপনার মধ্যে যে বুঝ তৈরি হলো নিজের আবেগ বুঝা আরেকজনের আবেগ বুঝা এই দুইটার মধ্যে কানেক্ট করে যে একটা সমাজ ব্যবস্থা নির্মিত হয় আরেকজনের সাথে যে আমার একটা রিলেশনশিপ বিল্ডিং হয় এই জিনিসটা তৈরি করা এই পুরো বিষয়টাকে বলা হয় আসলে মূলত ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বুঝা গেছে কিনা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের যদি মোটা আগে আমরা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সকে আমরা এখন আইডেন্টিফাই করি যে হোয়াট ইজ ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স তাহলে এটাই হচ্ছে নিজের আবেগ বুঝা আরেকজনের আবেগ বুঝা এবং সব পরস্পর পরস্পরের আবেগকে বুঝে সেই অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে একটা পারস্পরিক সম্পর্ক একটা
বন্ধন একটা রিলেশনশিপ তৈরি করা এটাকে বলা হয় ইমোশন ইন্টেলিজেন্স। এখন এই ইমোশন ইন্টেলিজেন্স নিয়ে যদি আমরা কথা বলতে যাই এটা ওযে বললাম যে এটা একটা মডার্ন টার্ম। এটা কিন্তু আগে ছিল না এবং এটা মেইনলি ড্যানিয়েল গোলম্যান তিনি এই শব্দটাকে অনেক বেশি পপুলারাইজ করেন। এর আগে শব্দটা এসেছিল বাট এটাকে তিনি একটা প্রাতিষ্ঠানিক একটা রূপ দেন এবং ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের তিনি কিছু কম্পোনেন্ট আইডেন্টিফাই করেন। এবং তিনি বলেন যে, যে এই যে মানুষের মধ্যে যেই ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স এটার পাঁচটা কম্পোনেন্ট মেইনলি কাজ করে। প্রথমটা হচ্ছে সেলফ এওয়ারনেস। যে আত্মসচেতনতা। নিজের ব্যাপারে সচেতন থাকা। দ্বিতীয়টা হচ্ছে সেলফ রেগুলেশন। থার্ড হচ্ছে সেলফ
মোটিভেশন। ফোর্থ এমপ্যাথি এবং সোশাল স্কিল। এ পাঁচটা বিষয় এ পাঁচটা কম্পোনেন্ট মিলে হয় মানুষের ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স। এটা শব্দটা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স। আগে অনেক আগে থেকেই শব্দটা অনেকভাবে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন জার্নালে, রিসার্চ পেপারে, আর্টিকেলে আসছিল। বাট তিনি এটাকে একটা ইনস্টিটিউশনালাইজড করেন এই শব্দটাকে এবং এটাকে এমন একটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন একটা কাঠামো তিনি দাঁড় করেন এবং সেই কাঠামোতে তিনি বলেন যে ইমোশন ইন্টেলিজেন্সের পাঁচটা কম্পোনেন্ট আছে। এখন আমরা মূলত এই পাঁচটা কম্পোনেন্টকে একটু ভাঙ্গার চেষ্টা করব, বুঝার চেষ্টা করব এবং এই পাঁচটা কম্পোনেন্ট দিয়েই আমরা বুঝার চেষ্টা করব যে আল্লাহ রাসূল আসলে জীবনের বিভিন্ন ফেজে এই জিনিসটা সবসময় তিনি এটা প্র্যাকটিস
করেছেন। হ্যাঁ। হ্যাঁ এখন আমরা হয়তো একটু কেতাবি আকারে একটু একটু আরেকটু বেশি গঠনমূলকভাবে হয়তো পড়ছি কিন্তু আল্লাহর রাসূল কিন্তু তার সাহাবীদেরকে সবসময় এই ট্রেনিংগুলোই দিয়ে গেছেন। আমরা এই স্টোরিটা একটু পরে করার চেষ্টা করছি। আমরা মূলত প্রথমে এই সেলফ এওয়ারনেস। এই জিনিসটাকে একটু আমরা বুঝার চেষ্টা করি। আমরা বুঝতে পারছি যে আমাদের নিজের সম্পর্কের সচেতনতা। এই জিনিসটাই হচ্ছে মেইন সেলফ এওয়ারনেস। আরবিতে একটা প্রবাদ বাক্য আছে যে আরাফা নাফসাহুফা আরাফা রব্বাহু যে নিজেকে চিনে সে আল্লাহকে চিনে এবং এটাকে একটু যদি উল্টাভাবে বলি তাহলে প্রথমে যদি আপনি আল্লাহকে চিনেন আপনি নিজের ব্যাপারেও সচেতন হবেন এটা একটু সিমবায়োটিকছেন মানে নিজেকে
যে মানুষ যত বেশি চিনবে সে তখন আল্লাহর ব্যাপারে তত বেশি সচেতন হবে মানে আল্লাহকে চিনার ব্যাপারে যে আল্লাহ সুবহানাতালা আপনি যখন আয়নায় দাঁড়াবেন আল্লাহ আপনাকে এত সুন্দর একটা বডি দিয়েছেন এত সুন্দর একটা সবকছু আপনার গঠন আকৃতি সবকিছু এত সুন্দর এই জিনিসটা যখন আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন তখন কিন্তু আপনি আল্লাহকে চিনবেন আবার আপনি যত বেশি আল্লাহকে চিনতে পারবেন তত বেশি আপনি আবার নিজের ব্যাপারে সচেতন হবেন এখন এখনকারই কনটেক্সটা একটু বোঝার জন্য আমি একটা আয়াত এখানে কোট করার চেষ্টা করছি যেটা সূরা হাশরে আল্লাহ রাব্বুল আলামন বলছেন যে আল্লাহ কোরআনে বলছেন যে তোমরা তাদের মত হয় না তাদের
মত হয় না যারা আল্লাহ তাআলাকে ভুলে গেছে মানে আপনি আল্লাহকে চিনছেন না আল্লাহ সম্পর্কে জানছেন না আল্লাহকে ভুলে গেছেন ফলে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে আত্মবিশ্মিত করে দিয়েছেন মানে তারা নিজেদেরকে ভুলে গেছে এখন দেখেন মানুষের ক্ষেত্রে কি হয় যে অনেক সময় মানুষ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে চিনেও চিনে না ভুলে যায় আল্লাহ নাফরমানি করা শুরু করে এবং নাফরমানি করতে করতে তারা এমন একটা অবস্থায় যায় যে তারা তাদের নিজের ব্যাপারেও বেখেল হয়ে যায় উদাসীন হয়ে যায় তারা নিজেকেও আর চিনতে পারে না এবং এবং আস্তে আস্তে সে নিজেকেও ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায় তো এই জিনিসটাকে আমি এভাবে বলি জিনিসটা সিমবায়োটিক একটা
আরেকটাকে শক্তিশালী করে যে আপনি যত বেশি নিজেকে চিনবেন তত বেশি আপনি আল্লাহকে চিনবেন আবার যত বেশি আপনি আল্লাহকে চিনতে থাকবেন তত বেশি আপনি নিজের ব্যাপারে সচেতন হতে থাকবেন এই পুরো পুরো প্রসেসটাকে বলা হয় আপনার সেলফ এওয়ারনেস। আমরা যদি দেখি যে এই সেলফ এওয়ারনেসের যদি আরেকটা বৈশিষ্ট্য আমরা বুঝার চেষ্টা করি সেটা হচ্ছে আমরা আমাদের নিজেদের যে সীমাবদ্ধতাগুলো আছে সেটা বুঝবো। প্রথমে হচ্ছে নিজেকে নিজেকে বুঝবো। নিজের ব্যাপারে সচেতন হব। এরপরে হচ্ছে নিজের সীমাবদ্ধতা গুলা বুঝবো। এবং নিজের সীমাবদ্ধতাগুলো কিভাবে? আমরা মুসা আলাইহি সালামের যে যে দোয়াটা সেটা আমরা সবসময় জানি পড়েছি। আমরা রব্বিশহ স আমার পালনকর্তা আমার অন্তরকে
প্রসারিত করে দেন। আমার বুককে প্রসারিত করে দেন। মানে আমাকে সাহস দেন। সরি এবং আমার কাজগুলোকে আপনি একটু সহজ করে দেন। আমার যে জিহ্বার জড়তা সেটাকে আপনি দূর করে দেন। মানুষ যেন আমার কথা বুঝতে পারে। মানে মুসা আলাইহিস সালাম তিনি বুঝতে পারছিলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যখন উনাকে নবুয়তের দায়িত্ব দেন। তখন তিনি কিন্তু বুঝতে পারছিলেন যে তার লিমিটেশনস গুলো আসলে কোথায় যে তিনি অনেক বেশি স্পষ্ট করে কথা বলতে পারেন না আমরা জানি যে তিনি কিছুটা ছিলেন তোলা ছিলেন একটু তো তিনি বুঝতে পারছিলেন যে তিনি যদি মানুষের কাছে গিয়ে দাওয়াত দিতে চান হয়তো এটা একটা ইম্পিডিমেন্ট হবে তার
যে মুখের জনতাটা তার এবং মানুষের মধ্যে একটা বাধা হয়ে দাঁড়াবে তখন তিনি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে দোয়া করছেন সাথে সাথে তিনি সাহসের জন্য দোয়া করছেন এবং তিনি বলছেন যে আমার পরিবারের পরিবারের মধ্য থেকে একজনকে আপনি আমার সাহায্যকারী বানাই দেন। মানে সেটা হচ্ছে হারুন আলাইহিস সালামকে আমার একজন সহকারী বানাই দেন। এই যে তিনি তার নিজের সীমাবদ্ধতাটাকে বুঝতেছেন। আমরা কোরআনে আর অন্য একটা জায়গায় পাচ্ছি যে মুসা আলাইহি সালাম যখন ফেরাউনের কাছে যাচ্ছিলেন তিনি কিছুটা ভয় পাচ্ছিলেন। তো উনি ওনার নিজের সীমাবদ্ধতা কিন্তু বুঝতে পারছিলেন। বাট এই বাট এই সীমাবদ্ধতা তার কিন্তু তার কাজে কিন্তু বাধা হতে পারবে না।
হ্যাঁ। হয়তো তিনি নতুনভাবে স্ট্রাটেজি ঠিক করবেন। কি করবেন না করবেন এটা নিয়ে চিন্তা করবেন। কিন্তু কাজ তো করতে হবে আপনাকে। মানে আপনার সীমাবদ্ধতা কখনো আপনাকে আপনার কাজ থেকে বিমুখ রাখতে পারবে না। বরং কাজে আপনি স্ট্রাটেজি ঠিক করবেন। আরেকটু বেশি কৌশলী হবেন। তো এখানে সেলফ এওয়ারনেসের দ্বিতীয় যে বিষয়টা সেটা হচ্ছে আপনি আপনার সীমাবদ্ধতাকে জানবেন। তো এখন এই বিষয়টা বোঝার জন্য মানে এখনকার মডার্ন ওয়ার্ল্ডে খুব চমৎকার একটা কনসেপ্ট আছে। সেটা হচ্ছে জোহারি উইন্ডো মডেল। যে এই মডেলটা যদি আপনারা দেখেন তাহলে বিষয়টা এরকম যে মানুষের জীবনে কিছু কিছু এরিয়া আছে মানে আপনার সম্পর্কেও আপনি জানেন যে কিছু কিছু
জিনিস আছে যেটা সবাই আপনার সম্পর্কে জানে সবাই জানে আপনার সম্পর্কে আর কিছু কিছু এরিয়া আছে যেটা আপনি জানেন অন্য কেউ জানে না এটাকে বলে ব্লাইন্ড স্পট আর যেটা সবাই জানে সেটা হচ্ছে ওপেন এরিয়া আবার মানুষের জীবনে এমন এমন কিছু বিষয় আছে যেমন অনেক মানুষ আছে যে সে জানেও না সে অনেক বেশি রেগে যায় তাহলে এই জিনিসটা হচ্ছে হিডেন এরিয়া। মানে তার কাছে হিডেন। কিন্তু সে জানে না যে সে যে তার যে কিছু কিছু ব্লাইন্ড স্পট আছে সেটা যেমন সে জানে না। আবার তার কিছু হিডেন এরিয়া আছে। মানে অন্য মানুষ জানে যে তার এই প্রবলেম। কিন্তু
সে জানে না তার প্রবলেমটা। আবার মানুষের লাইফে জীবনে এমন কিছু জিনিস আছে, মানুষের চরিত্রে এমন কিছু জিনিস আছে যেটা সে নিজেও জানে না, মানুষ জানে না। হ্যাঁ। এরকমও কিছু বিষয় আছে। তো মানুষ যখন নিজের সম্পর্কে এসেস করবে, নিজের সম্পর্কে এওয়ার হবে তখন কিন্তু সে এই বিষয়টা সম্পর্কে তার ধারণা থাকতে হবে যে তার কোন কোন বিষয় সবাই জানে। কোন কোন বিষয়ে তার ব্লাইন্ড স্পট আছে, হিডেন এরিয়া আছে, আননোন এরিয়া আছে এগুলো সম্পর্কে তার জানতে হবে। এবং আরেকটা খুব ফেমাস ইয়া আছে সেটা হচ্ছে সোট এনালাইসিস। আপনি আপনার স্ট্রেন্থটা জানবেন। আপনার উইকনেস গুলা জানবেন। আপনার অপরচুনিটিস কি আছে?
আপনার থ্রেডস গুলা কি আছে সেগুলা জানবেন। এই এনালাইসিসটা যখন আপনি করতে পারবেন তখন আপনি আপনার যে কোন কাজ আপনি করতে গেলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার স্ট্রেন্থটা কতটুকু, উইকনেস কতটুকু, অপরচুনিটি কি আছে? থ্রেড কি আছে? মনে করেন আপনি এক জায়গায় একটা ব্যবসা এস্টাবলিশ করতে যাচ্ছেন। এখন আপনি জানেন যে সেখানে পলিটিক্যাল প্রবলেম আছে। সোশ্যাল কিছু প্রবলেম আছে। তাহলে আপনি সেই থ্রেডস গুলাকে আইডেন্টিফাই করতে হবে। আপনি জানেন যে ওখানে আপনার একজন বন্ধু আছে যিনি বিভিন্নভাবে আপনাকে সাপোর্ট দিতে পারেন। তাহলে এটা আপনার একটা অপরচুনিটিস। আপনি জানেন যে আপনার হয়তোবা সাহস কম অথবা আপনার ক্যাপিটাল কম। তাহলে এটা আপনার
উইকনেস। আপনি আপনার স্ট্রেন্থ হইতে পারে যে আপনার সাহস না। অনেকেই সাহসী। এটাই তার একটা বড় স্ট্রেন্থ যে সে সাহস নিতে পারে রিস্ক নিতে পারে। তো এই যে এনালাইসিস সোট এনালাইসিস এই জিনিসটা কিন্তু মানে আইডেন্টিফাই করা জানা বুঝা এটাই কিন্তু আপনার একটা সেলফ এওয়ারনেসের একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্ট। তো এখন যেই গোল মেন্ডেনিয়াল গোলমেন্ট যেই প্রস্তাবনাটা যে কম্পোনেন্টগুলা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের দিয়েছেন সেটার মধ্যে প্রথম যেটা আমরা বুঝলাম যে সেলফওয়ার নিজের সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা থাকা। দ্বিতীয় যে বিষয়টা তিনি বলেছেন যে সেলফ রেগুলেশন মানে নিজেকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ন্ত্রণ করা এবং মানুষ কখন নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সংযম করতে পারে জানেন যখন
সে সবকিছু আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করে এবং সে যে কাজগুলা করে তার মাথায় যে চিন্তা আসে সে যে ভিশন নিয়ে আগায় সে যদি কিছু জিনিস একটু মাথায় রাখতে পারে তখন তার মধ্যে সেলফ রেগুলেশনটা অটোমেটিক্যালি গ্রো করবে। এটার মধ্যে প্রথম যে জিনিসটা আপনি যখন পার্থিব্য কোন কাজ করবেন তখন আপনাকে একটু নিচু যে আপনার থেকে নিচু যে মানুষগুলো আছে আপনি তাদের দিকে তাকাবেন। মনে করেন আপনি একটা কাজ করছেন ব্যবসায়িক কাজ করছেন একটা চাকরি করছেন। এখন যদি আপনি উঁচু যে আপনার চেয়ে বড় চাকরি করে তার ব্যাপারে যদি আপনি চিন্তা করেন তাহলে কিন্তু আপনি আপনি
কনফিউজ হবেন। আপনি সাহস পাবেন না। আপনি ডিমোটিভেটেড হবেন। অন দা আদার হ্যান্ড আপনি যদি আপনার নিচেও কারো ব্যাপারে চিন্তা করেন তাহলে আপনি পার্থিব্য জায়গাগুলো আপনার কিল করতে সুবিধা হবে। অপরদিকে যখন আপনি আখিরাতের জন্য কাজ করবেন নেক আমল করবেন তখন আপনি দেখবেন যে যারা বেশি ভালো কাজ করে মানে আপনার থেকে উঁচু স্তরে যারা আছে আপনার চেয়ে যে বেশি আমলদার যে আপনার থেকে বেশি আল্লাহকে ভয় করে তাকওয়াব তাওয়াক্কুল করে আপনি তাদের দিকে তাকাবেন আপনি কোন একটা কাজ করছেন আপনি কোন ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য আপনি প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না যেমন আল্লাহ রাসূলের একটা আছে আল্লাহ রাসূলের ব্যাপারে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা
বলেছে যে আল্লাহ রাসূ কখনো নিজের ব্যক্তিগত রাগ খোপ থেকে তিনি কারো সাথে কোন কিছু ডিল করতেন না। উনি ব্যক্তিগত কোন কিছুর জন্য করতেন না। বরং উনি আল্লাহর আল্লাহর যে নির্দেশনা ছিল সেটার জন্য তিনি কারো সাথে আলওয়ালা ওয়াল বারা হতো বন্ধুত্ব হতো শত্রুতা হতো সেটা আল্লাহর জন্যই হতো। সেটা তার নিজস্ব যেই স্বার্থ সিদ্ধি সেটার জন্য কিন্তু হতো না। আরেকটা বিষয় হচ্ছে যে আপনি মানুষের মানে কথা শুনতে হবে। কোন একটা বিষয় আপনি ডিল করছেন আপনি সবরকম আসপেক্ট আপনাকে বুঝতে হবে। হ্যাঁ। সব রকম এঙ্গেল থেকে বিষয়টা বুঝতে হবে। এবং আপনি যখন কারো সাথে ডিল করছেন, কেউ একটা ভুল
করে ফেললো। আপনি একটা দুইটা ভুলের কারণে আপনি তার সবকিছু মূল্যায়ন করলে হবে না। বরং সেগুলাকে আপনি আলাদা আলাদা বিচার বিশ্লেষণ করে আপনি সেটাকে সেটাকে বুঝতে হবে। তাকে বুঝতে হবে। সে মানুষটাকে বুঝতে হবে। এই জিনিসটা যখন আপনার মধ্যে এই পুরো বিষয়গুলো যখন তৈরি হবে তখন আপনার মধ্যে একটা আত্মসংযম তৈরি হবে। আপনি মানুষকে মানুষের মধ্যে পজিটিভিটি খুঁজবেন। হ্যা আপনি মানুষের মধ্যে সবসময় একটা মানুষকে বেনিফিট অফ ডাউট দিতে চাইবেন। হ্যা তার একটা হয়তো কোন একটা খারাপ কিছু আপনার খারাপ লাগলো বাট আপনি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে তাকে বেনিফিট অফ ডাউট দিয়ে আপনি ভালো একটা কিছু সেখান থেকে বের করতে পারবেন।
তো যে বিষয়টা তহলে সেকেন্ড কম্পোনেন্ট সেটা হচ্ছে সেলফ রেগুলেশন। এখন এই সেলফ রেগুলেশনটার ব্যাপারে আমরা অনেকগুলো ঘটনা আছে। আমরা হয়তো সবকিছু ডিল করতে পারবো না। বাট আমি স্লাইডে রেখেছি এই কারণে আপনাদেরকে একটু নোক্তা দিয়ে রাখার জন্য যে আপনারা এই বিষয়টা যখন জানবেন বুঝবেন অথবা এই ঘটনাটা সিরাতের এই জায়গায় আছে তখন কিন্তু আপনি বুঝতে আপনার জন্য সুবিধা হবে। মনে করেন সেলফ রেগুলেশনের একটা ঘটনা আমরা পাই যে আল্লাহ রাসূল যখন তায়েফে গেলেন তিনি সেখানে তায়েফের যারা তৎকালীন নেতা ছিল তিন ভাই তারা নেতা ছিলেন তিনি তাদেরকে দাওয়াত দিলেন। কিন্তু তিন ভাই একেকজন একেকভাবে সেটাকে প্রত্যাখ্যান করলেন। এরপরে আল্লাহ
রাসূল কষ্ট দেওয়া হয়েছিল। তারা তাদের শিশু কিশোরদের লেলিয়ে দিয়েছিল আল্লাহ রাসূকে পাথর নিক্ষেপ করার জন্য। তাকে রক্তাক্ত করেছে তাই। কিন্তু আপনি দেখেন আল্লাহ রাসূলের ধৈর্য সর্য ক্ষমতা। আল্লাহ রাসূল যখন ফিরে আসছিলেন একটা খেজুর বাগানে তিনি মানে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন এবং ওয়েট করছিলেন তার সাথে ছিল জায়েদ বিন ফারিসা ও সময় ফেরেশতা আসছে আল্লাহ রাসূকে বলছেন ইয়া রাসূল্লাহ আপনি শুধু একটু অনুমতি দেন আপনি একটু অনুমতি দেন পুরা তায়েফকে লন্ডভন্ড করে দি উলটপালট করে দি তাদেরকে স্যান্ডুইচ বানা দি পাহাড়ের দুই পাহাড় পৃষ্ঠ করে তাদেরকে হত্যা করি আল্লাহ রাসূ কি সেটা করেছেন তিনি সেটা করেন নাই বরং তিনি ধৈর্য ধরেছেন
তিনি নিজে যে আত্মসংযম তার মধ্যে যে বিষয়টা সেটা তার মধ্যে ছিল। তিনি আল্লাহর উপরে ভরসা করেছেন। তিনি জিব্রাইল আলাইহিস সালামকে বলেছেন যে আপনি আমি মনে করি যে হয়তো তারা এক্সেপ্ট করে নাই। কিন্তু তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ইসলামকে একসেপ্ট করবে। এবং আমরা দেখেছি যে হিস্ট্রিতে অনেক বড় বড় অনেক বড় বড় আলেম ওলামা এই তায়েফের যে গোত্রগুলা থেকে বের হয়ে আসছে। এই যে আল্লাহ রাসূল আত্মসংযোগ করলেন এই যে নিজেকে রেগুলেট করলেন এই জিনিসটা কিন্তু আমরা বুঝতে পারি। আল্লাহ রাসূল সেটা প্র্যাকটিস করেছেন এবং দেখিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ রাসূল হুদাইবিয়া সন্ধি আপনারা সবাই জানেন সেখানে আল্লাহ রাসূল কিভাবে তাদের সাথে ডিল
করেছেন। আল্লাহ রাসূল কিন্তু একটা আশা নিয়ে তিনি ওমরা করবেন এরকম একটা আশা নিয়ে তিনি মক্কাতে আসছিলেন। হুদাইবিয়াতে তাকে স্টপ করে দেওয়া হলো। তার সাথে বিভিন্ন নেগোসিয়েশন হলো সঙ্গী হলো। কিন্তু তিনি কিভাবে ঠান্ডা মাথায় তাদের সবগুলো ইস্যুকে তিনি মোকাবেলা করলেন এই জিনিসটা কিন্তু আমরা এটা কিন্তু সেলফ রেগুলেশনের একটা পার্ট আমি জাস্ট আপনাদেরকে একটু নক্তা দিয়ে দিচ্ছি কোন কোন বিষয়ে আপনারা হয়তো ফারদার আরেকটু পড়াশোনা করতে হবে্যা তার এইযে হুদায়বিয়ার সন্ধি যেটা হলো সেখানে আমরা দেখতে পাই যে তার মধ্যে একটা লং টার্ম একটা শর্টটারম না যে আমরা এইবার ওমরা করে চলে যাব না এরকম না বরং তিনি একটা
লং টার্ম ভিশন নিয়ে আসছেন যে ইসলাম পুরো আরব উপদ্বীপে ইসলামের যে ইসলামের যে আভিজত্ব হবে ইসলামের যেই শক্তি সামর্থ্য হবে সেটার একটা মানে স্টেপিং স্টোন ছিল এই হুদায়বিয়া সন্ধি বলা যায় কেন হুদায়বিয়া সন্ধিটা হলো এরপরে আল্লাহ রাসূলের ব্যাপারে অন্য যারা ছিল তারাও আল্লাহ রাসূলের ব্যাপারে সিরিয়াস হলো কারণ মক্কার কাফেররা যখন রিকগনাইজ করল আল্লাহ রাসূলকে একটা শক্তি হিসেবে তখন অন্যরাও কিন্তু তাকে ওইরকম একটা শক্তি হিসেবে দেখা শুরু করলেন এবং মক্কা থেকে কোনরকম ব্যাকলেশের উনি যখন ব্যাকলেশের আর কোন আশা নাই মানে তিনি সেফ ফিল করলেন তখন তিনি অন্যান্য এরিয়াতে তিনি তার দাওয়াতি কার্যক্রম চালালেন। তো এই যে
তিনি অনেকগুলা জিনিস তিনি কমপ্রমাইজ আমি ঠিক বলবো না। তিনি এমন বেশি এমন সুন্দরভাবে ম্যানেজমেন্ট করলেন যে এ কারণে মানে ইসলামের যে জয়জয়কার আগামী দিনে যে জয়জয়কার ইসলামের যে সমৃদ্ধি ইসলামের যেই প্রচার এবং প্রসার সেটা অনেক বেশি অনেক বেশি মানে এক্সেলারেট করল। তারপরে হুনাইনের গনিমতের মালে এটা আমরা কনফ্লিক্ট ম্যানেজমেন্টে আমরা এই জিনিসটা দেখব। এজন্য এটা আমি বিস্তারিত বলছি না। সেখানেও আল্লাহ রাসূল কিভাবে ম্যানেজ করলেন? নিজেকে রেগুলেট করলেন, ম্যানেজ করলেন সেই জিনিসটা আমরা দেখতে পাই। একজন ইহুদি একজন আল্লাহ রাসূলকে এসে বললেন আসসালামু আলাইকুম। এবং তিনি আসসালামু আলাইকুম মানে আপনার ধ্বংস হোক। আপনি মারা যান। আল্লাহ রাসূ কিন্তু
সাথে সাথে কিন্তু তিনি রিক্ট করেন নাই। তিনি ও আলাইকুম বলে তিনি স্টপ হয়ে গেলেন। হ্যা তখন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তালা আনহা কিন্তু ঠিক এভাবেই মানে তাদেরকে ভষণা করতে চাইলেন। আল্লাহ রাসূল কিন্তু তাকে নিষেধ করে বলে যে না তুমি দেখো নাই যে আমি কিভাবে তাদেরকে ডিল করেছি। তারা আসসালামু আলাইকুম বলছে। আমি তো বলছি যে তোমাদের উপরেও মানে তোমরা আমাকে যেটা বলতেছো সেটা তোমাদের উপরে। এই যে তিনি রাগ না করে নিজেকে কন্ট্রোল করে ম্যানেজ করে তিনি নিজেকে রেগুলেট করেছেন এই জিনিসটা কিন্তু আল্লাহ রাসূলের লাইফে ছিল। এরকম অসংখ্য ঘটনা আমরা আল্লাহ রাসূলের জীবনে দেখতে পাই যে তিনি নিজেকে কিভাবে
রেগুলেট করেছেন। তো তার মানে আমরা এখন বুঝতে পারলাম যে সেলফ রেগুলেশন যে দ্বিতীয় যে বিষয়টা গোলম্যানের যে সেলফ এওয়ারনেস এবং সেলফ রেগুলেশন যে আল্লাহ রাসূল কিভাবে বিভিন্ন জায়গায় রেগুলেট করেছেন নিজেকে এই জিনিসটা আমরা বুঝতে পারি। তৃতীয় যে বিষয়টা সেটা হচ্ছে সেলফ মোটিভেশন। এবং এই সেলফ মোটিভেশনটা হচ্ছে এমন একটা জিনিস যে আমরা পুরো আল্লাহ রাসূলের পুরো জীবনীতে আমরা বারবার সেটা দেখতে পাই। এবং শুধু আল্লাহ রাসূলের জীবনী নয় বরং যত নবী রাসূল এই দুনিয়ার বুকে এসেছেন তাদের মধ্য থেকে তাদের কাছ থেকে আমরা এই মোটিভেশন গুলা পাই। আমি দেখি যে নূহ আলাইহি সালামের ব্যাপারে কোরআনে এসেছে এভাবে যে
সূরা নুতে আসছে যে নূহ আলাই সালাম আল্লাহর কাছে দোয়া করছেন হে আমার পালনকর্তা আমি আমার সম্প্রদায়কে রাতদিন দাওয়াত দিয়েছে কিন্তু তারা আমার দাওয়াত থেকে শুধু পালাইছে পালিয়ে বেরিয়েছে আমি যতবারই তাদেরকে দাওয়াত দিয়েছি যাতে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন ততবারই কিন্তু তারা রিএক্ট করেছে জেদ করেছে অত্য প্রকাশ করছে অতঃপর আপনি আমি তাদেরকে প্রকাশ্যে দাওয়াত দিছি গোপনে দাওয়াত দিয়েছি অনেক রকমভাবে তাদেরকে আমরা দাওয়াত দিয়েছি আমি কিন্তু তারা গ্রহণ করছে না আপনার কি মনে হয় নূহ আলাইহি সালাম 950 বছর তিনি দাওয়াত দিয়েছেন কিন্তু আমরা দেখছি যে মানুষ এক্সেপ্ট করে নাই কিন্তু তিনি আল্লাহর কাছে কিভাবে দোয়া করছেন এটা কিন্তু
একটা মোটিভেশনের পার্ট আল্লাহ রাসূল দীর্ঘ 13 বছর মক্কায় দাওয়াত দিয়েছেন। কত মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছে? খুব কম। খুব কম মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছে। কিন্তু তো এই যে সেলফ মোটিভেশন গুলা তারা কোথায় পেয়েছেন? তারা পেয়েছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে। কারণ তারা আল্লাহর উপর ভরসা করতেন। কারণ আল্লাহর কাছ থেকেই চাইতেন তারা। আমরা আরেকটা আয়াত দেখি সূরা হুদে। সূরা হুদে যে আমরা আসছি যে হুদ আলাইহিস সালাম, সালেহ আলাইহিস সালাম। শোয়াইব আলাইহি সালাম এদের বৃত্তান্ত আসছে। সেখানে মানে আমরা দেখেছি যে তারা দিনের পর দিন দাওয়াত দিয়েছেন। কতজন মানুষ তাদের সাথে ছিল। কতজন মানুষ তাদের দাওয়াত এক্সেপ্ট করেছিল। কিন্তু তারা
কি দাওয়াত দেয়া বন্ধ করেছিলেন? না। বরং তারা তাদের দাওয়াত চালিয়ে গিয়েছিলেন। তো এই জিনিসটার মোটিভেশনটা আসলে তারা কোথা থেকে পেয়েছে? আল্লাহর উপর সন্তুষ্টি। আল্লাহর ব্যাপারে সন্তুষ্টি। এবং তার যে জান্নাতের যে পরকালীন যে জান্নাতের যে চাওয়া সেটার জন্য জান্নাতের সাফল্য পরকালীন সাফল্য এটার জন্যই কিন্তু তারা মোটিভেটেড ছিলেন এবং তারা কাজ করছেন আমি আল্লাহ রাসূের ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম যে আল্লাহর উপরে ভরসা তিনি কিভাবে করেছেন যে তিনি চাইলেই কিন্তু জিব্রাইল আলাইহিস সালাম তিনি তায়েফবাসীকে ধ্বংস করে নিতে পারতেন কিন্তু না তিনি তার প্রচেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন আল্লাহর উপরে ভরসা করবে এই দোয়াটা আমরা খুব সুন্দর দোয়া আমরা চেষ্টা
করব এই দোয়াটা একটু বারবার পড়ার বুঝার চমৎকার দোয়া আল্লাহ রাসূল এত কঠিন সময়ে এবং এ তায়েফ সময়টা এত বেশি কঠিন ছিল আল্লাহ রাসূলকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে সম্ভবত আয়েশা রাদিয়াল্লাহকে আল্লাহ রাসূলকে না আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে আল্লাহ রাসূলের জীবনে কি ওহুদের চেয়েও কোন কঠিন দিন আছে তখন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেছিলেন যে হ্যা ওহুদের চেয়েও কঠিন দিন ছিল আল্লাহ রাসূলের জন্য তায়েফের দিনটা যেটা আল্লাহ রাসূল তাকে জানাইছিলেন যে উহুদের চেয়েও কঠিন দিন তিনি পার করছেন সেটা হচ্ছে তায়েফের দিন। সেই কঠিন দিনেও তিনি কিন্তু তায়েফ বাসীদেরকে তিনি বদদোয়া করেন নাই। তাদের থেকে দূরে
থাকেন নাই। বরং তিনি আল্লাহর উপরে ভরসা করেছেন। তো আমি একটু যদি সামারাইজ করি যে সেলফ মোটিভেশনটা সেটা হচ্ছে যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করা। এবং আল্লাহর ক্ষমতার উপরে আশা রাখা। যে আল্লাহ সবকিছুর উপরে ক্ষমতাবান এবং তিনি চাইলে আপনাকে ক্ষমা করতে পারবেন এটার উপরে আশা রাখা এবং শুধুমাত্র কেবলমাত্র আল্লাহর কাছেই আশ্রয় চাওয়া এই বিষয়টা যদি আমরা ধারণ করতে পারি আমরা সেলফ মোটিভেটেড হব আমি একটু ইয়া তাড়াতাড়ি আগাচ্ছি আমাদের আমরা স্লাইডগুলো দিয়ে দিব আমরা জাস্ট এখানে কিছু নোক্তা দিয়ে রাখলাম আমরা হয়তো এগুলো দেখলে আমাদের আইডিয়াটা এটা হবে যে আসলে আরেকটু বিস্তারিত আইডিয়া হবে। তৃতীয় যেই বিষয়টা আমরা
নিয়ে আসছি এখানে সেটা হচ্ছে যেটা ড্যানিয়েল গোলম্যান তার ফোর্থ যে কম্পোনেন্ট সেটা হচ্ছে এমপ্যাথি। এখন আমি একটু একটু আপনাদের থেকে জানতে চাচ্ছি। দুইটা শব্দ আপনারা শুনছেন নিশ্চিতভাবেই যে একটা হচ্ছে সিম্প্যাথি আরেকটা হচ্ছে এমপ্যাথি। আমি একটু প্রশ্ন করতে চাই আপনাদেরকে যে আপনারা কি একটু বলতে পারবেন যে আসলে হোয়াট ইজ সিম্প্যাথি এন্ড হোয়াট ইস এমপ্যাথি? একটু আমি আপনাদের থেকে জানতে চাচ্ছি। ডু ইউ হ্যাভ এনি আইডিয়া? কোন সমস্যা নাই ভাই। এখানে এখানে আমরা আসলে পরস্পর আইডিয়া শেয়ার করছি। হ্যাঁ। এখানে আমি কথা বলছি ডাজেন্ট মিন যে আমি সবকিছু জেনে বুঝে আসলে ম্যানেজমেন্ট লিডারশিপ হ্যাঁ এই কনসেপ্টগুলা এমন এগুলা থিওরিটিক্যাল
না হ্যাঁ এবং আমরাও এখানে ওয়ার্কশপের উদ্দেশ্য কিছু যে আপনাদেরকে অনেক কিছু শিখাই এখান থেকে চলে যাবেন বিষয়টা তা না এক হচ্ছে যে আমরা আপনাদেরকে সিারার সাথে একটু কানেক্ট করা দেয়ার চেষ্টা করব মানে আমাদের এখানে আমাদের পুরো ওয়ার্কশপের একটা মাকসাদ হচ্ছে যে আমরা ডে টু ডে লাইফে যে ম্যানেজমেন্ট যে লিডারশিপ কনসেপ্টগুলো আমরা প্র্যাকটিস করি সেগুলো একটু সিারার সাথে কানেক্ট করে দেওয়ার চেষ্টা করব। আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে যে আমরা যখন প্র্যাকটিস করি তখন এটা মাথায় রাখা যে হ্যা আমার রাসূল এভাবে করছেন। এই জায়গাটা শুধু আমরা একটু ধরায় দেয়ার চেষ্টা করছি। আদারওয়াইজ এই ম্যানেজমেন্ট লিডারশিপ এগুলো হচ্ছে এটা একটা
কন্টিনিয়াস প্রসেস। আপনার জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত কিন্তু আপনাকে প্র্যাকটিস করতে হবে। যত বেশি প্র্যাকটিস করবেন আপনি সেটা প্রতিটা মুহূর্তে প্রতিটা প্রতিটা ঘটনাতে কিন্তু আপনি পৃথক পৃথক ভাবে এগুলা এনকাউন্টার করবেন এবং সে অনুযায়ী কিন্তু আপনাকে সেগুলা মানে মোকাবেলা করতে হবে অথবা প্র্যাকটিস করতে হবে আপনাকে সো এটা একটা কন্টিনিউয়াস প্রসেস এই কারণে আমরা একটু মানে নির্দ্বিধায় আমরা এটা শেয়ার করব কথাগুলো যে আপনাদের যেটাই মনে হোক অসুবিধা নাই এখানে ভুল শুদ্ধর কোন বিষয় না বাট আমরা একটু ইন্টারেক্টিভ থাকবো আসসালামু আলাইকুম ফজলে জি যদি সিম্প্যাথি বলি আমি যদি ফিলিস্তিন ইস্যু দিয়ে বলি যদি কেউ বলে ফিলিস্তিনি ইসরাইল আগ্রাসন চালাচ্ছে
এটা হচ্ছে ধরেন হচ্ছে সিম্প্যাথির উদাহরণ কিন্তু এট দা সেম টাইম আমি যদি ফিলিস্তিনদের জন্য ফিল করি যে ওদের এখানে আগ্রাসন হচ্ছে হত্যাকাণ্ড হচ্ছে ওরা যে কষ্টটা অনুভব করছে আমি যদি সেটাও ফিল করি এট দা সেইম টাইম সেটা হচ্ছে এমপ্যাথি এবং এটা অর্গানাইজেশনের ক্ষেত্রে অনেকভাবে হয় যেমন হচ্ছে কোন একটা এমপ্লয়ের ধরেন হয়তো বাচ্চা মারা গেল তা আমি বললাম আহারে ওর বাচ্চাটা মারা গেল এটাও সিম্প্যাথি তার প্রতি কিন্তু এট দা সেম টাইম আমি যদি তার ওই ব্যথাটা অনুভব করার চেষ্টা করি তাকে সাপোর্ট দেই মানে তার সাথে তার ব্যথাটা আমি যদি একই সাথে অনুভব করার চেষ্টা করি সেটা
হচ্ছে এমপ্যাথি সুন্দর চমৎকার বলেছেন এনিওয়ান এলস আর কেউ সিম্পল যেটা টা আমি বুঝতে পেরেছি ওটা হচ্ছে সামনের জনের যে প্রবলেমটা আছে সেটার জন্য কষ্ট পাওয়া মানে তার সামনে প্রকাশ করা যে তোমার এটা হয়েছে এটার জন্য আমি কষ্ট পেছি বা এটা ভালো হয় আর এমপ্যাথিটা হচ্ছে মানে তার ফিলিংসটা আমি নিজে ফিল করব ফিলিং অফ এটা সিম্প্যাথি ওকে জি জি চমৎকার ওকে আমি চমৎকার আপনাদের দুইজনের কথাই আসলে মেইন যে ডিফারেন্সটা সেটা চলে আসছে অথবা মেন ডেফিনেশনটা চলে আসছে একচুি সিম্প্যাথি হচ্ছে যে যদি আমরা একটু যদি এক লাইনে বলি সিম্প্যাথি হচ্ছে ফিলিং ফর সামওয়ান আপনি তার ব্যাপারে ফিল
করছেন আর এমপ্যাথি হচ্ছে ফিলিং থ সামওয়ান মানে একচুি ফজলে এলাহী ভাই কিংবা মুসা ভাই যেটা বলছেন এই বিষয়টাই আসলে যদি এক লাইনে আমরা বলি যে ফিলিং ফর সামওয়ান এবং ফিলিং উইথ সামওয়ান যেটা উনি প্যালেস্টাইনের উদাহরণ দিয়ে বললেন যে ইয়েস রাইট আমরা ওদের কষ্ট হচ্ছে এতটুকু এরপরে আমরা আমাদের লাইফের মজমাসিতে আছি বিষয়টা এটা একটা যে হ্যাঁ আমরা সরি ফিল করেছি। বাট আরেকটা হচ্ছে যে সে যে ব্যথাটা পাইছে সে যে কষ্টটা পাচ্ছে সেটা আপনিও ফিল করছেন। আপনারও মনে হচ্ছে যে মনে হচ্ছে ব্যথাটা আমার কাছে আসছে। আমি মনে হয় ব্যথাটা এভাবে পাচ্ছি। এক একজন ট্রেইনার খুব চমৎকারভাবে এটাকে
ইয়ে করছেন এভাবে। মনে করেন আপনি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন। আপনার আপনি আপনার ট্রাউজার আপনি গায়ের উপরে যা আছে আপনার জ্যাকেট আছে। এর উপর আপনি শালগা দিয়ে হাঁটতেছেন। হঠাৎ করে দেখলেন যে একজনের খুব ঠান্ডা লাগতেছে। সে জবুদ হয়ে বসে আছে। থরথর করে কাঁপছে। এখন আপনি তার দিকে তাকায় ও লোকটার খুব কষ্ট হচ্ছে। আহারে তার কিছুই নাই। তাহলে আপনি তার ব্যাপারে সিম্প্যাথেটিক। আর আপনি যদি জিনিসটাকে এভাবে ফিল করেন আহা ঠান্ডাটা কত বেশি আপনার তো অলরেডি আপনি একটা সোয়েটার গায়ে দিয়ে আছেন অথবা জ্যাকেট গায়ে দিয়ে আছেন এবং আপনার শালও আছে একটার সাথে আপনি সেটা তাকে দিয়ে দিলেন তাহলে আপনি
এমপ্যাথেটিক হলেন মানে মোর দেন সিম্প্যাথি যখন আপনি যাবেন অথবা আপনি তার মত করেই ফিল করবেন তার জায়গায় থেকে ফিল করবেন সেটা হচ্ছে এমপ্যাথি তো এই এমপ্যাথিটাকে যে ড্যানিয়েল গোলমেন্ট সেটা তিনি খুব খুব সিরিয়াসলি এটা একটা ইম্পর্টেন্ট পার্ট হিসেবে তিনি দেখিয়েছেন এবং ফোর্থ যেই উনার কম্পোনেন্ট হিসেবে তিনি এমপথেটাকে দেখিয়েছেন। আল্লাহ রাসূলের জীবনেও বিভিন্ন জায়গায় আমরা এমপ্যাথেটিক হওয়াটাকে দেখি। আমরা একটা ঘটনা এটা হয়তো আমরা শুনে থাকতে পারি। একদিন আল্লাহ রাসূল রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি দেখলেন যে একজন মহিলা তিনি কান্না করছেন। কান্নার করছেন বলতে কি বিলাপ করে কান্না করছেন। বিলাপ করছেন বলা যায়। এবং ইসলামে কিন্তু বিলাপ করার
নিষেধাজ্ঞা আছে। তখন আল্লাহ রাসূল তিনি যাওয়ার পথে তিনি ওই মহিলাটাকে বললেন যে মানে এভাবে কান্না করা ঠিক না। ওই মহিলাটা আল্লাহ রাসূলকে চিনলে। তখন ওই মহিলাটা সাথে সাথে কান্না জড়িত কন্ঠে উত্তর দিল যে আপনি কিভাবে আমার কষ্ট বুঝবেন? আমার আমার ছেলে মারা গেছে, আমার সন্তান মারা গেছে। আপনি তো সেই কষ্টটা বুঝবেন না। এটা শুনে আল্লাহ রাসূল কোন জবাব দিলেন না। চুপচাপ চলে গেলেন। কিছুক্ষণ সাথে আরেকজন ছিল। ওই মহিলাটাকে তখন বলল যে আপনি জানেন আপনি কে আপনার সাথে কথা বলছে? এতক্ষণ কে আপনাকে নিষেধ করছিল? আপনি তার সাথে এভাবে রো ভাষায় কথা বললেন? বলে যে না আমি
তাকে চিনি না। বলে যে তিনি হচ্ছেন আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমাদের নবী তখন ওই মহিলাটা দৌড়ে গিয়ে আল্লাহ রাসূলকে বললেন যে ইয়া রাসূল্লাহ আমি দুঃখিত। আমি বুঝতে পারি নাই। তখন আল্লাহ রাসূল বেশি কিছু বললেন না। তিনি জাস্ট দুঃখ প্রকাশ করে বললেন যে প্রথম আঘাতেই সবর করতে হয়। মানে আপনি প্রথম যেই আপনার যে আঘাত মানে প্রথমেই মানে আপনি অনেকক্ষণ কান্না জড়িত কান্না করলেন দুইদিন তিনদিন এরপরে আপনি জাস্ট হ্যা আপনিও টায়ার্ড হয়ে গেছেন এবং আপনি তখন আর কান্না চোখেও কান্না আসে না আপনি মন খারাপ করে যাক আল্লাহ যা করছেন এটা কিন্তু আপনার সবর না সবর
হচ্ছে যে আপনি প্রথমেই যে রিয়াকশনটা আপনার আপনি অনেক বেশি বিলাপ করার কথা অনেক বেশি কান্না করার কথা কিন্তু আপনি আল্লাহর উপরে ভরসা করছেন সবর করছেন এটাই হচ্ছে যে সবর মেইন সবর হচ্ছে এটাতো এখন এই পুরো ঘটনা থেকে আমরা কি দেখতে পাচ্ছি? আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আল্লাহ রাসূল কিন্তু ওই মহিলাটাকে বলতে পারতেন যে তুমি আমি আল্লাহ রাসূল তুমি আমাকে এভাবে কথা বলছো। আল্লাহ রাসূল কিন্তু সেভাবে বলেন না। আল্লাহ রাসূল বুঝতে পেরেছিলেন যে ওই মহিলাটার কষ্ট, বেদনা, তার দুঃখটা আসলে কেমন। এ কারণে কিন্তু তিনি তাকে কোন কথা আর বললেন না। তিনি চুপচাপ চলে গেলেন। যখন ওই মহিলাটা
আল্লাহ রাসূলের কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে আসলো তখন তিনি উনাকে ফারদার যেই নসিহা সেটা করেছেন। এটাতে কিন্তু বুঝা যায় যে আল্লাহ রাসূ কত বেশি এমপথেটিক ছিলেন। আমরা আরেকটা ঘটনা একটু দেখি। আমরা জানি যে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তিনি যখন নামাজের ইমামতি করতেন তখন সেই সময় মসজিদে নববীতে মহিলারা অংশগ্রহণ করতো। তো মহিলারা একদম পিছনে কাতারে থাকতো। পুরুষরা সামনের দিকে থাকতো। একদিন আল্লাহ রাসূল একটা শিশু কান্না করছে। আল্লাহ রাসূল বুঝতে পারছিলেন যে তার মা তাকে এখানে নিয়ে আসছে এবং তার মা নামাজে আছে। আল্লাহর রাসূল কিন্তু নামাজ শর্ট করে দিলেন। এবং শর্ট করলেন কেন? যে ওই যে শিশুটা
কান্না করছে তার মা তার মাও হয়তো এটা ফিল করছেন এবং তার মার মধ্যে একটা একটা কষ্ট দুঃখ একটা উদ্দিগ্নতা তার মধ্যে কাজ করছে আল্লাহ রাসূল সেটাকে সেটাকে কমানোর জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তিনি নামাজকে দ্রুত শেষ করলে এটা হচ্ছে আল্লাহ রাসূলের এমপ্যাথির উদাহরণ যে আল্লাহ রাসূল কত বেশি এমপ্যাথেটিক ছিলেন সাহাবীদের ব্যাপারে এই জায়গা থেকে কিন্তু আমরা বুঝতে পারি| আরেকটা হাদিসে আমরা দেখতে পাই যে আল্লাহ রাসুল বলছেন যে মানে জান্নাত দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু একজন মানুষকে একজন মানুষকে জান্নাত দেওয়া হয়েছিল যে তিনি রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরায় ফেলতেন সুবহানাল্লাহ যে একটা ছোট্ট একটা কাজ
আপনি এটাকে খুব বেশি তো গুরুত্বের সাথে আমরা করি না রাস্তায় একটা ইট পড়ে আছে কলার ছোকলা পড়ে আছে অথবা কাটা আছে অথবা এমন কিছু জিনিস আছে যেটা মানুষের কষ্ট হবে আমরা এটাকে কিন্তু নেগলেক্ট করি আমরা আমাদের মত চলে যাই কিন্তু এই যে ছোট্ট কাজ আল্লাহ রাসূল বলছেন সাহাবীদেরকে মোটিভেট করার ট্রাই করছেন এবং বুঝানোর চেষ্টা করছেন যে তুমি যখন রাস্তায় এটা দেখছো তুমি ফিল করো যে তুমি হয়তো দেখছো আরেকজন না দেখলে তার কি হবে এবং এইরকম ভালো কাজ করার কারণে মানুষ জান্নাতে গেছে তিনি তাদের মধ্যে এই মোটিভেশন গুলা তৈরি করার চেষ্টা করলেন। তাদের মধ্যে এমপ্যাথিগুলা এমপ্যাথেটিক
একটা মাইন্ড তাদের মধ্যে বিল্ড আপ করার ট্রাই করছিলেন। সহমর্মিতা তাদের মধ্যে বিল্ড আপ করার ট্রাই করছিলেন। তো এই জায়গাগুলা আল্লাহ রাসূল আমাদেরকে শিখিয়েছেন এমপ্যাথেটিক হওয়া হ্যা মানে অন্যের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করা হ্যা অন্যের এটাকে ইংলিশে একটা কথা আছে যে মানে আরেকজনের সুতে আপনি এমনি আপনি নিজের পা দিয়ে বুঝার চেষ্টা করা হ্যা যে আপনি জিনিসটা কেমন জিনিসটা কি রকম হতে পারে আরেকজনের অবস্থান থেকে বিচার বিশ্লেষণ করা আরেকজনের এঙ্গেল থেকে বিচার বিশ্লেষণ করা এই বিষয়টাই হচ্ছে এমপ্যাথি আমরা আরেকটা ঘটনা খুবই মশহুর ঘটনা আমরা জানি যে এক বেদইন একদিন মসজিদে প্রস্রাব করে দিয়েছে। সাহাবীরা খুব তরিঘরি করে তার
তাকে ধরতে গিয়েছেন। পাকড়া করতে যাচ্ছিলেন। আল্লাহ রাসূল কিন্তু বললেন যে না সবর কর। ওই বেদুইনটার প্রস্রাব শেষ করছে। তখন আল্লাহ রাসূল সাহাবীদেরকে ডেকে বললেন যে পানি মেরে দাও। এবং ওই বেদুইনটাকে ডেকে বললেন যে এ মসজিদ হচ্ছে জিকিরের জায়গা। ইবাদতের জায়গা। এটা কোন প্রাকৃতিক কর্ম সারার জায়গা না। তখন ওই বেদুইনটা বুঝতে পারল এবং সে সাহাবীদের রিএকশনও দেখছে। কিন্তু তখন সে আল্লাহর কাছে দোয়া করছিল যে হে আল্লাহ তুমি আমার এবং আল্লাহর রাসূল মোহাম্মদ সাল্লামের উপরে দয়া করো। আল্লাহ রাসূল তাকে তখন ডেকে বললেন যে তুমি কেন আল্লাহর রহমতকে সংকুচিত করে দিচ্ছ? বরং তুমি সবার জন্য দোয়া করো। এই
যে আল্লাহ আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে তার দোয়াটাকেও তিনি কিন্তু সবাইকে দোয়ার মধ্যে শামিল করার জন্য বললেন এবং তার ব্যাপারে সাহাবীদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করলেন যে না তোমরা তার প্রাকৃতিক কার্য সারতেছে এ অবস্থায় অর্ধেকের মধ্যে যদি তুমি তাকে স্টপ করে দাও তাহলে সে কষ্ট পাবে তার ফিজিক্যাল প্রবলেম তৈরি হতে পারে এই যে বিষয়টা এটা কিন্তু এমপ্যাথির একটা পার্ট এটা কিন্তু এমপ্যাথির পার্ট আপনি আমরা আমাদের ডে টু ডে লাইফে মানুষের সাথে ডিল করছি অনেকের কনটেক্সট আমরা বুঝি না। সে কোন জায়গা থেকে আসছে তার সে কোন চিন্তা থেকে আসছে এগুলাকে কনসিডার করা এবং সেই কনসিডারেশন
থেকেই কিন্তু কাজ করা এটাকে এগুলো কিন্তু সবকিছুই এমপ্যাথির একটা পার্ট এবং আপনি যখন একটা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন আপনি কোন ম্যানেজমেন্টের কোন একটা জায়গায় বসে আছেন আপনি যখন এই জিনিসগুলো প্র্যাকটিস করতে পারবেন তখন কিন্তু আপনার লিডারশিপ আপনার ম্যানেজমেন্ট অনেক বেশি ফ্রুটফুল হবে। আমরা আরেকটা ঘটনা দেখি যে আল্লাহ রাসূল কত বেশি অানোপ্যাথেটিক ছিলেন। এই ঘটনাটা অনেক বেশি মশহুর য আল্লাহ রাসূল মদিনা থেকে যখন মক্কা বিজয় করার জন্য যাবেন মক্কা আক্রমণ করার জন্য যাবেন তখনকার বেশিরভাগ যুদ্ধ আসলে আগে থেকে বলে কয়ে যেত না মানে হঠাৎ সিদ্ধান্ত এবং এরপরে এটাকে যেতেন। কারণ যখন যদি কারণ এতে এতে করে কিন্তু ক্ষয়ক্ষতি
কম হতো। তো আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম তিনি সাহাবীদেরকে মক্কা এটাক করার জন্য রেডি হতে বললেন এবং তিনি সৈন্য সামন্ত রেডি করে যাবেন। এই অবস্থায় হঠাৎ করে জিব্রাইল আলাইহিস সালাম তার কাছে খবর নিয়ে আসলো যে এক মহিলা এই জায়গায় সে মক্কাবাসীদেরকে ইনফর্ম করতে যাচ্ছে যে আপনারা এটাকে যাবেন। তখন আল্লাহ রাসূল হযরত আলী এবং আরেকজন সাহাবীকে পাঠালেন যে এই মহিলার খোপার ভিতরে একটা চিঠি আছে তোমরা এটা উদ্ধার করো। তো ওই হযরত আলী এবং ওই সাহাবীটা যে জায়গাতে আল্লাহ রাসূল বলছেন ওখানে ওই মহিলাটাকে পেলেন এবং তার কাছ থেকে ও চিঠিটা নিয়ে এসে আল্লাহ রাসূলকে দিলেন। দেখা গেল যে
ওই চিঠিটা দিয়েছিল হাতিম ইবনে মালতা। আল্লাহ রাসূল একজন খুব মানে জানবাজ সাহাবী যাদেরকে বলে যে যিনি আল্লাহ রাসূলের জন্য জীবন উৎসর্গ করার মত সাহাবী এবং বদরী সাহাবী তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। তিনি চিঠি লিখে মক্কাবাসীকে সতর্ক করছিলেন যে মোহাম্মদ সাল্লাম তিনি মক্কায় আসছেন। এখন এটা তো অনেক বড় অপরাধ এবং এটা এত বেশি বড় অপরাধ। কোর্ট মার্শাল হওয়ার মত অপরাধ। এবং হযরত ওমর যথারীতি তিনি বলছেন যে ইয়া রাসূল্লাহ আপনি অনুমতি দেন আমি তার গর্দান উড়িয়ে দিব। তখন আল্লাহ রাসূল বললেন যে না এটা করা যাবে না। কারণ হাতিব ইবনে বালতা তার অন্তরে ঈমান আছে সে বদরী সাহাবী। সে
বদরী সাহাবী এবং বদরের যে ক্রিটিক্যাল মোমেন্টে যে সাহাবীরা আল্লাহ রাসূলের সাথে ছিল তাদের হয়তো আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদের পিছনের এবং সামনের সবগুলো মাফ করে দিয়েছেন। তুমি এ কাজ করো না। তখন তিনি হাতিবকে ডাকলেন ডেকে তাকে কারণ জিজ্ঞেস করলেন এবং হাতিব বললেন যে ইয়া রাসূল্লাহ আমি আসলে এ কারণেই তাদেরকে সতর্ক করি নাই যে যেন তাদের ক্ষয়ক্ষতি কম হয় কিংবা আপনাকে অটাক করার জন্য তারা রেডি থাকে। বরং আমি আমি জানি যে আল্লাহর সাহায্য নিয়েই আমরা আগাচ্ছি। আল্লাহর সাহায্য নিয়েই আপনি আগাচ্ছেন। কিন্তু আমি এ কারণে শুধু তাদেরকে ইনফর্ম করতে চেয়েছি যে ইয়া রাসূলাল্লাহ আমরা মুহাজেররা যারা মক্কা ছেড়েছি
তারা মক্কায় এমন অবস্থায় ছেড়েছি অনেকের আত্মীয়স্বজন সেখানে আছে। তাদেরকে সাপোর্ট দিতে পারবে। কিন্তু ইয়া রাসূলাল্লাহ আমার কোন আত্মীয়স্বজন সে মানে আমার আমাকে সাপোর্ট দেয়ার মত আমার পরিবারকে সেখানে সাপোর্ট দেয়ার মত কেউ নাই। আমার পরিবার এখনো সেখানে আছে। এখন যদি আমরা অটাক করি তাহলে তারা আমার পরিবারের উপরে জুলুম করতে পারে নির্যাতন করতে পারে। তো এই চিন্তা থেকে আমি কাজটা করেছি। কোন মুনাফিকি থেকে আমি কাজটা করি নাই। আমি চাই নাই যে আপনার উপরে ধ্বংস নেমে আসুক কিংবা আপনার জন্য আপনাকে তারা এটাক করে তারা ছিন্ন ভিন্ন করে দিক। ন এই কারণে আমি কিন্তু এই ইনফরমেশনটা দিই নাই। তখন
আল্লাহ রাসূল বুঝতে পারলেন এবং তাকে ক্ষমা করে দিলেন এবং তার জন্য দোয়া করলেন। তো এখানে আমরা কি দেখতে পাচ্ছি যে একজন টিম মেম্বার ভুল করছেন। আল্লাহ রাসূল কিন্তু তার প্রিভিয়াস যে অবদান যে তিনি বদরী সাহাবী ছিলেন। বদরের কঠিন মুহূর্তে তিনি তিনি শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে ইসলামের জন্য লড়াই করেছেন। এত কঠিন মোমেন্টে যেই সাহাবী লড়াই করে ছোট্ট একটা বিষয়ে সে নিশ্চয় মুনাফিক হয়ে যায় নাই। কিন্তু আমাদের আপনি দেখবেন এখনো অনেক জায়গায় ছোট্ট ছোট্ট বিষয়ে আপনি একজনকে আরেকজনকে মুনাফিক ট্যাগ দিচ্ছেন ছোট একটা কাজ তার ভুল হতে পারে সেটাকে মুনাফিক ট্যাগ দিয়ে দিচ্ছেন তো এই জিনিসগুলো কিন্তু আমরা
সতর্ক থাকা এবং একটা একটা টিমে যখন কেউ ভুল করে তার প্রিভিয়াস হয়তো অনেক ভালো ভালো অবদান আছে তার কন্ট্রিবিউশন আছে আপনি সব ভুলে গিয়ে তাকে ওই ছোট্ট ভুলের জন্য পাকড়াও করলেন তার অনেক বড় ক্ষতি করে ফেললেন এরকম যেন না হয় এগুলো সব কিন্তু এমপ্যাথির অংশ আমি একটু আগাচ্ছি আমরা বদর যুদ্ধে একটা চমৎকার ঘটনা আছে আবু হুজাইফার আমরা এগুলা একটু সিরা আমরা যেকোন একটা সিরা পড়ে নিব হ্যাঁ আমি জাস্ট একটু জিনিসটাকে নক করে যাচ্ছি আপনাদেরকে নোক্তা দিয়ে যাচ্ছি আপনারা সেই অনুযায়ী এই জিনিসগুলাকে একটু পড়বেন এটা আমার অনুরোধ এবং যেকোন একটা সিরা একটু ভালো করে শেষ করবেন
এটা আমার অনুরোধ আপনাদের প্রতি আরেকটা ঘটনা এই ঘটনাটা আমার খুব পছন্দের এ কারণে আমি একটু শেয়ার করছি আপনাদের সাথে সেটা হচ্ছে এই যে মক্কা বিজয়ের কথা বললাম যে মক্কাতে এরপরে আল্লাহ রাসূল এটাক করলেন এবং অলমোস্ট রক্তপাতহীনভাবে তিনি মক্কা জয় করলেন। তো এরপরে মক্কাতে তিনি যখন এই ঢুকছিলেন তখন মুসলমানদের পতাকা বহন করছিল সাদ বিন ওবাদা। খাজরাজগতের তিনি নেতা ছিলেন এবং তিনি যখন মানে মক্কায় ঢুকছিলেন তখন তিনি বলে ঢুকছিলেন যে আজকে রক্তপাতের দিন আজকে রক্তাক্ত করে দিব এরকম কিছু কথা বলে তিনি মক্কাতে প্রবেশ করছিলেন এবং কিন্তু আল্লাহ রাসূল চাচ্ছিলেন যে একটু রক্তপাতহীনভাবে তিনি মক্কা ক্যাপচার করেছেন এখানে
ফারদার কোন প্রবলেম না হোক যখন সাহাবী কোন একজন সাহাবী তাকে ইনফর্ম করল যে সাদ বিন উবাদা তিনি এইভাবে বলে মক্কায় ঢুকছেন যে তিনি হয়তো কোন অকারেন্স ঘটাবেন। তিনি রক্তপাত ঘটাবেন। এটা যখন আল্লাহ রাসূল শুনলেন তখন আল্লাহ রাসূল কিছুটা সতর্কতা সহিত তিনি কি করলেন? সাদ বিন ওবাদা থেকে তিনি পতাকাটা নিয়ে নিলেন। এবং তিনি পতাকাটা দিলেন সাদ বিন ওবাদার ছেলে সমত তার নাম ছিল কায়েস ইবনে সাদ। তাকে তিনি পতাকাটা দিলেন। এখন আপনি পুরো বিষয়টা একটু বিশ্লেষণ করেন। তো যে আল্লাহ রাসূলের একজন সাহাবী আজকে একটা বিজয়ের মোমেন্ট। সে বিজয়ের মোমেন্ট একজন সাহাবী একটা কাজ করেছে এবং তিনি এখনো
কাজটা করেন নাই জাস্ট মুখে বলেছে এ কারণে তাকে প্রেস্টিজিয়াস একটা অবস্থা তিনি পতাকা মুসলিমদের পতাকা নিয়ে ঢুকছেন। এ অবস্থায় তিনি সেখান থেকে তাকে পদচুত করলেন। কিন্তু তিনি পদচুত করছেন। এ অবস্থায় তিনি জানেন যে তার মন খারাপ হবে। এরকম একজন সাহাবীকে তিনি এভাবে পথ থেকে সরায় দিলেন। কিন্তু দেখেন তিনি ম্যানেজমেন্টটা কিভাবে করলেন? তিনি সাদ থেকে পতাকাটা নিয়ে কাকে দিলেন? সাদের ছেলে কাইসকে। যেন সাদের মধ্যে যে কষ্টটা আসে সেটা যেন অনেকটুকুই চলে যায়। যখন দেখবে যে হ্যাঁ আমার ছেলেই তো পদাকাগাটা নিচ্ছে। মানে আমার ফ্যামিলিতে জিনিসটা আছে। আমার ছেলে নেওয়ার আমি নেওয়া তো একই কথা। এই যে আল্লাহ
রাসূল তাকে ম্যানেজ করলেন এবং তার মনের কষ্টটাও একজন একজন সাহাবী আপনারা জানেন যে আনসার সাহাবীদের ব্যাপারে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কত বেশি মহব্বত করতেন তাদেরকে এবং তাদের ব্যাপারে কত বেশি পজিটিভ কথা তিনি বলেছেন তিনি বলছেন তিনি বিভিন্ন হাদিসে বলছেন যে আনসাররা যেদিকে যাবে আমি মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম সেদিকে যাব সবাই একদিকে যাবে আনসাররা একদিকে যাবে আমি আনসারদের দিকে যাব এবং আনসার আল্লাহর রাসূলকে খুব ক্রুশিয়াল মোমেন্টে আল্লাহ রাসূলকে সবচেয়ে বেশি সাহা্য করেছেন সেই সাহাবী সাদ বিন ওবাদা তার কাছ থেকে পতাকা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে তিনি কত বেশি কষ্ট পাবেন কিন্তু সেই জিনিসটাকেও তিনি এমনভাবে চ্যানেল করলেন তার কষ্টটা
যেন অনেকটুকুই লাগব হয়ে যায় তিনি পতাকাটা নিয়ে দিলেন কায়েস বিন সাদের হাতে যেন সাদ মনে কষ্ট না পায় এই যে এমপ্যাথেটিক হওয়া একজন একজন তার একজন গ্রুপ মেম্বারের ব্যাপারে এইরকম সচেতন থাকা এটাই আল্লাহ রাসূল তার বিভিন্ন লাইফের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি আমাদেরকে শিখিয়ে গেছেন। ফিফথ যে বিষয়টা যে কম্পোনেন্টটা গোলমেন্ট ডেনিয়ার গোলমেন্ট ইয়া করলেন আমাদেরকে বললেন সেটা হচ্ছে সোশাল স্কিল সোশাল স্কিল বিষয়টা আসলে কি যে আরেকজনের সাথে আপনার ইন্টারেকশনটা কেমন হবে আপনার রিলেশনটা কেমন হবে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাম একটা হাদিসে তিনি বলছেন যে তোমরা ভালো কথা বলো অথবা চুপ থাকো মানে আপনি কারো সাথে হয় ভালো বন্ডিং
করেন নাহলে চুপ থাকেন এমন কিছু খারাপ কিছু বলিয়েন না যেটাতে সম্পর্ক খারাপ হয়। যেটাতে আপনার ব্যাপারে নেগেটিভ ধারণা হয়। যেটাতে আপনাদের সম্পর্কের অবনতি হয়। এরকম কিছু বলিয়েন না। আল্লাহ রাসূল বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন হাদিসে এ সোশ্যাল স্কিলটাকে বিভিন্নভাবে আমাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করেছেন। হ্যাঁ। এবং সোশ্যাল স্কিলটা মানুষের মধ্যে কখন তৈরি হবে? যখন আপনি আরেকজনের ব্যাপারে আপনি মহব্বত রাখবেন। আপনার মনের মধ্যে তার ব্যাপারে রহমত, দয়া তৈরি হবে। তখনই কিন্তু আরেকজনের সাথে আপনার কি ইন্টারেকশনটা ভালো হবে। রিলেশনশিপটা ভালো হবে। এবং কোরআনে সেই আয়াতটা আপনারা জানেন অলরেডি আমাদের প্রথম সেশনে এই আয়াতটা আসছে। আয়াতটা বারবার হয়তো আসবে। সে রয়েছে কোরআনে
সূরা আল ইমরানের 159 নাম্বার আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলছেন যে আল্লাহর রহমতেই আপনি তাদের ব্যাপারে কোমল হৃদয় হয়েছেন যে আপনি সাহাবীদের ব্যাপারে আপনার যে ফেলো মুসলিম ব্রাদারস যারা আছে তাদের ব্যাপারে আপনি আল্লাহর রহমতে আপনি তাদের ব্যাপারে কোমল হৃদয় হয়েছেন যদি আপনি তাদের ব্যাপারে রাগ করতেন আপনার অন্তর যদি কঠিন হতো তাহলে আপনি তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতেন তারা আপনার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেত একসাথে থাকতে পারতেন না আপনাদের মধ্যে যে রিলেশনশিপ যে বন্ডিং সেটা থাকতো না। কাজেই আপনি তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। তাদের মাগফেরাতের জন্য দোয়া করেন। তাদের কাজকর্মে তাদের সাথে পরামর্শ করেন। এই যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন
বলছেন যে আপনি তাদের ব্যাপারে রহমতদিল হন। রহমদিল হন, কঠিন দিল হইয়েন না। এইটাই কিন্তু সোশাল স্কিল তৈরি করবে আপনার মধ্যে। আপনার মধ্যে রিলেশনশিপ তৈরি করবে। বন্ডিং তৈরি করবে আরেকজনের সাথে। আপনার টিম মেম্বারদের সাথে, আপনার কলিগের সাথে, আপনার বন্ধু-বান্ধবের সাথে, আপনার ফেলো যে যারা আপনার অধীনস্থ এম্প্লয় তাদের সাথে কিন্তু আপনার যে রিলেশনশিপ সেটা তৈরি করবে সোশাল স্কিলটা। এটা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের খুব ইম্পর্টেন্ট একটা পার্ট। এবং আল্লাহ রাসূল কিন্তু এই জিনিসটা এভাবে আমরা বিভিন্ন জায়গায় দেখি। সেটা প্র্যাকটিস করেছেন। আমরা জানেন যে আল্লাহ রাসূল মদিনাতে যাওয়ার আগে দুইবার শপথ হয়। মানে মদিনার লোকরা যখন মক্কায় আসলেন হজ করার জন্য
তারা আল্লাহ রাসূলের কাছে শপথ নেয় যে ইয়া রাসূল্লাহ আমরা ঈমান আনছি এবং আমরা আপনাকে প্রটেকশন দিব। তখন একদিন তাকে প্রশ্ন করা হলো ইয়া রাসূল্লাহ দ্বিতীয় যে আকাবার শপথ আকাবার শপথ দুইটা হয়েছিল সম্ভবত দ্বিতীয়টাতেই সাহাবীরা প্রশ্ন করলেন সাহাবীরা বলতে তখন আনসার যারা পরবর্তীতে আনসার হবেন মদিনার লোকেরা তাকে প্রশ্ন করলেন যে ইয়া রাসূল্লাহ আমরা যে ইসলাম গ্রহণ করলাম আমরা কি পাবো আল্লাহ রাসূল তাদের মন মানসিকতা বুঝতেন আল্লাহ রাসূ জানতেন যে তারা মদিনাতে মূলত দুইটা গ্রুপ ছিল একটা হচ্ছে মুশরিক দের গ্রুপ যারা মূর্তি পূজা করতেন। আরেকটা হচ্ছে ইহুদিদের গ্রুপ। তো মুশরিকদের গ্রুপের মধ্যে দুইটা বড় দল ছিল আউস
এবং খাসরাস। এবং ইহুদিরা সবসময় বলতো যে আমাদের একজন নবী আসতেছে। আমাদের একজন নবী আসতেছে। তারা আসলে তোমাদের ব্যাপারে আমরা শিক্ষা দিব। তোমাদেরকে শিক্ষা দিব। তোমাদের ব্যাপারে আমরা স্টেপ নিব। তখন মানে এই আউস খাজরাজ এবং আশেপাশে যারা তাদের মধ্যে একটা মনের মধ্যে একটা কষ্ট থাকতো যে আমরা যদি পেতাম অথবা আমরা কি পাব? এরকম একটা অবস্থা থেকে আল্লাহ রাসূল তাদের মনস্তাত্বিক অবস্থা জানতেন। তো যখন তারা প্রশ্ন করল যে ইয়া রাসূল্লাহ আপনাকে যে আমরা এক্সেপ্ট করলাম ইসলাম গ্রহণ করলাম আমরা কি পাব? তখন আল্লাহ রাসূ বললেন যে তোমরা জান্নাত পাবা শুধু জান্নাত একটা শব্দ একটা শব্দ এই একটা শব্দ
জান্নাত। তারা একটা শব্দই কিন্তু তারা এক্সেপ্ট করে নিল আল্লাহ রাসূলকে। একটা শব্দই তারা এক্সেপ্ট করে নিল যে পুরো আরব তাদের শত্রু হয়ে যাবে। হয়তো আল্লাহ রাসূলকে নিলে মক্কা তাদের শত্রু হয়ে যাবে। হয়তো তারা পুরো আরব তাদের শত্রু হয়ে যাবে এবং আল্লাহ রাসূল সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন। কিন্তু তারা এই জান্নাত এই শব্দটার মধ্যে এত বেশি মজা পেলেন এবং তাদের এত বেশি মাকসাদ খুঁজে পেলেন যে তারা আল্লাহ রাসূলকে এক্সেপ্ট করে নিলেন এবং আল্লাহ রাসূ জানতেন যে তাদের সাথে বন্ডিং এর ইয়া টাকা না যে আল্লাহ রাসূল বলবেন যে আমি তোমাদেরকে অনেক বেশি সম্পদ দিব। তোমরা অনেক বেশি শক্তিশালী সম্পদশালী
হয়ে যাবে। এরকম কিছু বলেন নাই। তাদেরকে শুধু বলেছেন জান্নাত। এই শব্দটাই মানে তৎকালীন যে আনসারদের সাথে আল্লাহ রাসূলের একটা বন্ডিং ক্রিয়েট করেছেন। আরেকটা জিনিস যদি আমরা দেখি আল্লাহ রাসূ সলা সলাম মসজিদে নববী যখন নির্মাণ করেন তিনি এইযে আকাবার শপথ হলো এরপরে তিনি মদিনাতে হিজরত করলেন হিজরতের প্রথম যে স্টেপটা তিনি নিলেন সেটা হচ্ছে মসজিদ নির্মাণ করা এবং এই যে মসজিদে নববী তিনি নির্মাণ করছেন তিনি কিন্তু সবার সাথে হাত লাগিয়ে কাজ করেছেন। জিনিসটা এমন হয় নাই যে তিনি বসেছিলেন যে না তোমরা কাজ করো এটা করো ওইটা করো না বরং আল্লাহর রাসূলও ওইটার একটা পার্ট হয়েছেন এবং আমরা
যদি দেখি যে বিভিন্ন জায়গায় আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি সমানভাবে সাহাবীদের সাথে কাজ করেছেন। মানে তিনি লিডার হয়ে ম্যানেজার হয়ে এক জায়গায় বসেছিলেন এরকম হয় নাই। বরং তিনি তাদের সাথে হাত লাগিয়ে কাজ করেছেন এবং সেটা আমরা দেখি যখন আপনার আহজাবের যুদ্ধ যেটাকে আমরা ইয়াদে খন্দকের যুদ্ধ বলি সেটাও যখন খন্দক পরীক্ষা নির্মাণ করা হচ্ছিল তিনি কিন্তু একই সাথে তিনি হাতে হাত লাগিয়ে কাজ করছিলেন। তো এই জিনিসগুলা কিন্তু মানুষের মধ্যে যে বন্ডিংটা সাহাবীদের সাথে যে আল্লাহ রাসূলের যে বন্ডিং সেটা ক্রিয়েট হয়েছে কিন্তু এই বিষয়গুলা কারণে তারপরে আমরা দেখি যে মদিনাতে তিনি মসজিদ তিনমাল করলেন। দ্বিতীয় যে
আরেকটা জিনিস করলেন সেটা হচ্ছে যে ইহুদি এবং যারা ছিল একটা মদিনার সনদ তিনি তৈরি করলেন এবং সবার সাথে যে একটা মাল্টিকালচারের মদিনা ছিল যে এদিকে ইহুদিরা ছিল এদিকে আউজ গোত্র খাজরাজ গোত্র আবার ঠিক মদিনার পাশে বনুয়া গাতফান গোত্র যদিও তাদের সাথে মদিনার সনদে তারা ছিলেন না বাটইন মদিনা এই শহরটার মাল্টিকালচারের মধ্যে তিনি যে একটা কানেকশন ক্রিয়েট করলেন এই যে তিনি জিনিসটা সুন্দরভাবে করেছেন এটা কিন্তু তার সোশাল স্কিলের একটা রিফ্লেকশন হিসেবে আমরা দেখতে পাই। তো মোটামুটি এই হচ্ছে যে পাঁচটা কম্পোনেন্ট যেটা ড্যানিয়েল গোলম্যান তিনি তার তার যেই বই যে প্রস্তাবনা সেখানে দিয়েছেন এবং বলেছেন যে ইমোশনাল
ইন্টেলিজেন্সে এই পাঁচটা বিষয় থাকতেই হবে। মানে একটা মানুষ যে ইমোশনের ইন্টেলিজেন্ট হতে হলে তাকে এই পাঁচটা বিষয় তার মধ্যে থাকতেই হবে। এইরকম একটা জিনিস তিনি বলেছেন। সর্বশেষ আমি আপনাদের সাথে একটা ঘটনা শেয়ার করতে চাই এবং আমি আপনাদেরকে অনুরোধ করব যে আপনারা ঘটনাটা একটু মনোযোগ দিয়ে শুনবেন। কারণ এরপর একটা টাস্ক দিব যেখান থেকে আমরা এই পাঁচটা যেটা শিখলাম যে এই পাঁচটা কম্পোনেন্ট সেটা আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা করব। আল্লাহ রাসূল হিজরত করার সম্ভবত 16 মাস পরে এরকমই আশেপাশে তার পুত্র সন্তান ইব্রাহিম মারা যাও। ইব্রাহিম মারা যাওয়ার পরে আল্লাহ রাসূল তাকে হাতে নিয়ে তাকে কোলে নিয়ে কানছেন। আল্লাহ রাসূলের
দুই চোখে অশ্রু চলছে। তখন এক সাহাবী আব্দুর রহমান ইবনে আউফ তিনি প্রশ্ন করলেন, ইয়া রাসূল্লাহ আপনিও কাঁদেন। ইয়া রাসূল্লাহ আপনিও কাঁদেন। তখন আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম তিনি বলছেন যে এটা তো রহমত। আমি যে কান্না করছি এটা তো রহমত। এই যে চোখের অশ্রু ঝরা এটা রহমত। তারপর তিনি সাহাবীদেরকে বললেন যে চোখ অশ্রু সজল হবে। চোখে অশ্রু আসবে। হৃদয় বিদীর্ণ হয়ে যাবে। চৌচির হয়ে যাবে। ভেঙ্গে যাবে। আমরা যখন একটা কষ্ট পাই তখন আমাদের চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরবে। এটা খুবই ন্যাচারাল। অন্তর ভেঙ্গে যাবে। এটাও ন্যাচারাল। কিন্তু মুখ দিয়ে সেই কথাটাই উচ্চারিত হবে যেটা আল্লাহ চেয়েছেন। যেটা আল্লাহ
পছন্দ করেন। তারপর তিনি বললেন হে ইব্রাহিম তোমার হৃদয়ে আমরা সবাই শোকাহত। কি চমৎকার কথা যে আল্লাহ রাসূল বলছেন যে চোখ তো এটা কান্না করবেই। এটাই চোখের কাজ। কষ্ট পাবে কান্না করবে ন্যাচারাল। অন্তর মানে ফানাফানা হয়ে যাবে চৌচির হয়ে যাবে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে কিন্তু আপনার মুখ সেটা কিন্তু আপনার কন্ট্রোলে আপনি বিলাপ করবেন না হ্যা আপনি এমন কিছু বলবেন না যেটা আল্লাহ অপছন্দ করেন এই যে বিষয়টা এরপরেই তিনি বললেন যে হে ইব্রাহিম তোমার হৃদয়ে আমরা সবাই শোকাহত তারপরে অন্য একটা সিরাত গ্রন্থে এটাও আসছে যে সবাই তারপরে কান্না শুরু করে দিলেন যে নবীর কান্না দেখে ওসামা
বিন জায়েদ সহ সব সাহাবীরা কান্না করলেন এবং আরেকটা ঘটনা সিরাতে আসছে এই ঘটনার সময় যে তার পুত্র ইব্রাহিম মারা গেল এই সময় আরেকটা ঘটনা ঘটল তখন সূর্যগ্রহণ হচ্ছিল এদিকে আল্লাহ রাসূলের সন্তান মারা গেলেন তিনি কান্না করছেন ওদিকে আকাশ অন্ধকার সূর্য গ্রহণ হচ্ছে এ অবস্থায় সাহাবীরা অনেকে বলাবলি শুরু করলেন যে আল্লাহর রাসূলের সন্তানের মৃত্যুতে মনে হয় আল্লাহরও মন খারাপ হয়ে গেছে আল্লাহও কষ্ট পাচ্ছেন। এ কারণেই আমরা দেখতে পাচ্ছি যে সবকিছু অন্ধকার হয়ে গেছে। তখন দেখেন আল্লাহ রাসূল তিনি কিন্তু কষ্ট পাচ্ছিলেন। তিনি কান্না করছেন এবং এটা তো কিছুটা প্রেজও যে দুনিয়ার বুকে আল্লাহ রাসূল কষ্ট পাচ্ছেন। সাত
আসমান উপরে আল্লাহও আল্লাহ রাসূলের সেই কষ্টে কষ্ট পাচ্ছেন। আল্লাহ রাসূল যদি সাধারণ আমরা আমাদের ক্ষেত্রে কি হইতো? আমরা কষ্ট পাচ্ছি। কোন একটা জিনিসে আমরা কষ্ট পাচ্ছি। আমাদের এমপি সাহেব শোকা হতো আমিও শোকা হতো অথবা সমবেদনা জানাচ্ছেন আমাদের ভালো লাগে বড় লেভেল থেকে যদি কেউ জানায় আমাদেরকে সমবেদনা মর্মবেদনা তখন আমাদের ভালো লাগে কিন্তু আল্লাহ রাসূল তো সাহা আল্লাহ রাসূল তো এমন একজন মানুষ ছিলেন তার মধ্যে সততা ছিল তার মধ্যে আল্লাহর আল্লাহ যে আমানত নবুয়তের আমানত দিয়েছেন সে আমানতদারিতা ছিল তিনি বললেন যে না তোমরা যেটা বলছো যে অন্ধকার হয়ে গেছে এটা কখনোই সেটা না যে আল্লাহর মন
খারাপ হইছে এজন্য এরকম অন্ধকার ন বরং এটা হচ্ছে একটা ন্যাচারাল ফেনোমেনা এটা কোন ঐশ্বরিক কিছু না দৈবিক কিছু না হ্যা স্বর্গীয় কিছু না বরং এটা একটা ন্যাচারাল ফেনোমেনা যে কোইনসিডেন্স যে এখানে আমার সন্তান মারা গেছে এখানে সুযোগ গ্রহণ হয়েছে এটা একটা কোইনসিডেন্স এটা একটার সাথে একটা কোন সম্পর্ক নেই এই ঘটনাটা আমার সিরাতের খুবই পছন্দের একটা ঘটনা এবং আমি আপনাদেরকে এখন একটা টাস্ক দিতে চাচ্ছি যে আপনারা কাইন্ডলি এই ঘটনা থেকে একটু একটু নিজেরা আলোচনা করে একটু যদি বের করতেন যে আসলে এই বিষয়টা আসলে এখানে কোন কোন কম্পোনেন্ট গুলা কিভাবে কাজ করছে আমরা যে পাঁচটা কম্পোনেন্ট বললাম
যে সেলফ এওয়ারনেস সেলফ রেগুলেশন সেলফ মোটিভেশন এমপ্যাথি সোশাল স্কিল এটা কিভাবে কাজ করছে এটা একটু আপনারা কাইন্ডলি যদি একটু আইডেন্টিফাই করেন তাহলে আমাদের এই যে পুরো আলোচনাটা এটা সার্থক হবে। যে আমরা এই পাঁচটা কম্পোনেন্ট বুঝতে পারছি এবং ইমোশন ইন্টেলিজেন্সের এই বিষয়গুলো আমরা বুঝতে পারছি। আমি আপনাদেরকে সাত থেকে আট মিনিট সময় দিব। আপনারা একটু গ্রুপে ভাগ হয়ে আমার মনে হয় এটাতে একটু সময় বেশি যাবে। আমাদের সময়ও খুব বেশি নাই। আমরা একটু নিজেরা ইয়া করি। আইডেন্টিফাই করে নিই। তারপরে আমরা একটু শুনবো আপনাদের কাছ থেকে। আমি আর গ্রুপে না নিয়ে যাই। কারণ আমাদের সময়টা খুব বেশি নাই আমাদের।
আমরা একটু কাইন্ডলি একটু আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা করি এ পুরা ঘটনা থেকে যে আমরা যে পাঁচটা কম্পোনেন্ট জানলাম সেটা কি কি বিষয়ে এভাবে কাজ করছে। এখানে কোন কোন জায়গাতে এই বিষয়গুলো আমরা পাচ্ছি। প্লিজ আপনারা একটু দেখেন। এরপরে আমি পাঁচ মিনিট আপনাদেরকে সময় দিলাম। একটু আইডেন্টিফাই করে নোট ডাউন করেন। আমি এরপরে আপনাদেরকে জিজ্ঞেস করব। কারো যদি হয়ে যায় আপনারা শেয়ার করতে পারেন। আমরা জাস্ট এই একটা ঘটনা থেকেই আমরা বুঝার চেষ্টা করবো যে আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লাম কিভাবে পাঁচটা কম্পোনেন্ট একটা ঘটনাতেই প্রেজেন্ট সেটা আমরা বুঝতে পারব। সোশ্যাল স্কিলটা আর কি যেটা মনে হচ্ছে সেটা যখন সূর্য গ্রহণ
হলো তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম সকলকে বলে দিলেন যে না এটা মানে আমার ছেলের ইন্তেকালের জন্য না এটা পৃথিবীর নিয়ম অনুস আসলে সেটা শুনতে আমি একটু আরেকটা বিষয় এড করে রাখি এখানে আচ্ছা এই ঘটনাটা হওয়ার পরে আল্লাহর রাসূল নিজেই তিনি জানাজাটা পড়ান শোনা যাচ্ছে একটু ইন্টারনেট কানেকশন একটু আনস্টেবল দেখাচ্ছে শোনা যাচ্ছে তো না এরপরে আল্লাহর রাসূল নিজেই তিনি জানাজা পড়ান এবং নিজ হাতে তিনি তার সন্তানকে দাফন করেন। এটা একটা বিষয়। তো এটা আমি একটু এড করে নিলাম এই পুরা ঘটনাতে। একটু জাস্ট এখন একটু শুনবো যে আপনারা আসলে এখান থেকে কিভাবে আইডেন্টিফাই করতে পারলেন যে পুরা
ঘটনাতে সেলফ এওয়ারনেস, সেলফ রেগুলেশন, মোটিভেশন, এমপ্যাথি এবং সোশাল স্কিল এই পাঁচটা কম্পোনেন্ট আমরা এই একটা ঘটনাতেই প্রেজেন্ট। সেটা আমরা একটু বুঝার চেষ্টা করব। এটলিস্ট দুইটা তিনটা আইডেন্টিফাই করলে অসুবিধা নাই। সমস্যা নেই। আচ্ছা ভাইয়া হ্যা হচ্ছে সেলফ এওয়ারনেন্সের যে বিষয়টা আমি যেটা বুঝি সেটা হচ্ছে ধরেন উনার সন্তান যখন মারা গেল উনার চোখে পানি আসছে। হ্যাঁ। এট দা সেইম টাইম উনি সেটাও কন্ট্রোল রাখছেন যে আল্লাহ যাতে অসন্তুষ্ট না হয়। মুখ দিয়ে এমন কথা যাতে না বের হয়। তো এজ এ হিউম্যান বিইং হিসেবে আমাদের সন্তান যখন আমরা হারাই বা আমাদের প্রিয়জন যখন চলে যায় এটা খুবই ন্যাচারাল যে
আমাদের চোখ দিয়ে পানি আসবে। তো সেটা আল্লাহ রাসূলের ক্ষেত্রে হইছে। বাট ওই যে আপনি একটা কাহিনী বললেন না যে একটা মহিলা খুব জোরে জোরে প্রলাপ করতেছিল। তো আল্লাহর রাসূল হচ্ছে নিজের ব্যাপারে এবং আল্লাহ যাতে অসন্তুষ্ট না হয়। ওই ইমোশনাল ওই মুহূর্তে তিনি ওটা মেনটেইন করছেন এটা গেল একটা এমপ্যাথির যদি আমি বিষয়টা বলি সেটা হচ্ছে আল্লাহ রাসূলের যারা সাহাবী ছিলেন এট সেম টাইম তারাও ওই ব্যথাটা অনুভব করছেন সোশাল স্কিলের জন্য যে ভাই অলরেডি বলছেন যে সূর্যগ্রহণ যেটা যেটাকে কিভাবে করে ম্যানেজ করে এটা কি এটা সম্ভবত আপনার সেলফ রেগুলেশনের মধ্যে পড়বে কারণ আমাদের ক্ষেত্রে হল আমরা বললাম
সূর্য তার মানে আজকে আসমান জমিন আমার জন্য কান্নাকাটি করতেছে হ্যা সেটা হচ্ছে আল্লাহ রাসূল কিভাবে হ্যান্ডেল করলেন এবং এটা থেকে যাতে ফারদার ফেতনাটা ক্রিয়েট না হয় এবং সেজন্য উনি একটা খুব ভালো একটা ইন্স্ট্রাকশন দিয়ে গেলেন। আর মোটিভেশনের বিষয়টা আমি আসলে আল্লাহর উপর ভরসা করা এটা কি আল্লাহর জাজমেন্ট এর উপরে এটা সবই তো আল্লাহর ইচ্ছা। জন্ম মৃত্যু তো কারো হাতে নেই। তো সেটাই নিজেকে সপর্দ করা এটা হয়তো মোটিভেশন এটাই রাইট রাইট জাকাল্লাহ ভাই ফজ ভাই আপনি রাইটলি পাঁচটাই অলমোস্ট আইডেন্টিফাই করতে পারছেন যে আসলেই আর কেউ কিছু বলবেন আচ্ছা মোটামুটি আমাদের মেইন কথাগুলো আসলে চলে আসছে মানে
আমি জাস্ট এটাই আপনাদেরকে একটু বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম যে এই যে এখনকার ওয়ার্ল্ডে যেটা নিয়ে ধরেন এত বেশি মাতামাতি করা হয় এই যে পাঁচটা আপনি কিন্তু যতই এই ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স এই পুরা বিষয়ে ঘাটেন পড়াশোনা করেন এ পাঁচটা কম্পোনেন্ট নিয়েই ড্যানিয়েল গোলমেন্টের থিওরির উপরেই কিন্তু গোলম্যানের থিওরির উপরেই কিন্তু বাকি কাজগুলো হয়েছে বুঝছেন তো আল্লাহ রাসূলের জাস্ট একটা ছোট্ট ঘটনা এখানেই কিন্তু আমরা কিন্তু প্রত্যেকটা পাঁচটা কম্পোনেন্টই প্রেজেন্ট হ্যা এটা কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি প্রথমে আমি একটু সামারাইজ করি ফজলে রাব্বি ভাই তিনি রাইটলি সবগুলোই আইডেন্টিফাই করছেন অলমোস্ট আমি একটু সামারাইজ করি যে মনে করেন সেলফ এওয়ারনেস হ্যাঁ তিনি কিন্তু
একনলেজ করছেন এই যে আপনি একনলেজ করা যে হ্যাঁ মানুষের ইমোশন তো থাকবে হ্যাঁ আমরা এজ এ হিউম্যান বিং উই আর অলসো ইমোশনাল বিং ইন্টেলেক্ট বিং একই সাথে আমরা ইমোশনাল বিং এই যে জিনিসটা এবং আমাদের মধ্যে সর আসবে সর কিংবা লস এই কারণে আমাদের মধ্যে যে কষ্টগুলা এটা কিন্তু ক্লিয়ারলি তিনি বুঝছেন এবং সাহাবীদেরকে বুঝায় দিছেন এটাই হচ্ছে সেলফার সেকেন্ড যে জিনিসটা তিনি রেগুলেট করছেন নিজেকে। যেটা আমরা বললাম যে তিনি তার গ্রিড যেগুলো ছিল সেটাকে কিন্তু চ্যানেলিং করছেন। চোখের পানি গেছে তার মধ্যে। মানে এটা দিয়ে চ্যানেল করছেন। কিন্তু মুখ দিয়ে এমন কোন কথা উচ্চারণ করেন নাই যেটা
আল্লাহ অপছন্দ করবেন। এই জায়গাটা হচ্ছে তার সেলফ রেগুলেশন। তিন নাম্বার যে বিষয়টা ওযে মোটিভেশনে যে কথাটা ভাই বলছেন যে মানে আল্লাহর উপরে তাওয়াক্কুল থাকা ভরসা থাকা। এক্সাক্টলি মনে করেন তিনি কিন্তু তার মিশনে অটুট ছিলেন। হ্যাঁ। তিনি কিন্তু তার মিশন থেকে সরেন নাই। এরকম একটা চন্দ্রগ্রহণ সূর্যগ্রহণ হচ্ছে কিংবা তার সন্তান মারা গেছে। অন্য সাহাবীরা তাকে বলছে ইয়া রাসূলাল্লাহ আপনি কাঁদছেন। তিনি কিন্তু সেই কান্নার ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। তারপরে কান্নাটা করলেও কিভাবে করতে হবে, কিভাবে রিএক্ট করতে হবে এগুলো কিন্তু তিনি তার সবগুলোই তার মিশনের একটা পার্ট। এবং তিনি এরপরে তিনি তার সাহাবীদেরকে তিনি মানে তাদেরকে কানেক্ট করছেন যে তারা
যে এমপ্যাথেটিক হচ্ছে এটাকেও কিন্তু তিনি রিকগনাইজ করছেন। হ্যাঁ যে তারাও কান্না করছে এটাকে কিন্তু তিনি রিকগনাইজ করতেছেন। তো সব মিলায় তিনি কিন্তু একটা মিশনে ছিলেন যে মিশনে আছেন সে মিশন মিশনটাকেই তিনি কন্টিনিউ করেছেন। এটাই তার মোটিভেশনের উৎস এবং আল্লাহর উপরে ভরসা যেটা বললেন আল্লাহর কাছেই আশ্রয় চাওয়া আল্লাহর কাছেই ধরনা দেওয়া এগুলা কিন্তু সবই তার মোটিভেশনের উৎস হিসেবে কাজ করেছে। এমপ্যাথির কথা যেটা বললেন যে সাহাবীরা যে তার ইমোশনটাকে বুঝতে পারছেন সাহাবীরাও যে কান্না করছেন তার সাথে সাথে হ্যাঁ এটাকে তিনি কিন্তু ভ্যালিডেট করছেন এটাই কিন্তু এমপ্যাথি এখানে আর সোশ্যাল স্কিল হিসেবে আমরা এখানে বলতে পারি যে তিনি
যে সাহাবীদেরকে এড্রেস করেছেন বিশ্বাসের জায়গা থেকে দেখেন আপনি যদি এটাকে এখানে কিন্তু একটা চরম আকিদার কনফ্লিক্ট তৈরি হইতে পারতো হ্যা যে আল্লাহ রাসূলের সন্তান মারা গেছে এ প্রাকৃতিক এ কাজগুলা আল্লাহর মন খারাপ। এটা কিন্তু আকিদার সাথে একটা সম্পর্ক। তিনি কিন্তু ওই আকিদাটাকেও কিন্তু এড্রেস করেছেন, শিখাচ্ছেন সাহাবীদেরকে। এই ভরা মজলিসে কিন্তু তিনি কষ্ট, দুঃখ সব তো আছেই। কিন্তু তিনি তার সোশ্যাল ইন্টারেকশন যেভাবে করা দরকার সেখান থেকেও কিন্তু পিছপাহন নাই। একই সাথে কিন্তু তিনি তার ছেলের জানাজা পড়িয়েছেন এবং একই সাথে কিন্তু তিনি তাকে দাফন করেছেন। তো দেখেন একটা ছোট্ট ঘটনা। এই ঘটনা থেকে কিন্তু আমরা আল্লাহ রাসূলের
জীবনের মানে যে মানে ইমোশন ইন্টেলিজেন্সের যে পাঁচটা কম্পোনেন্ট সেটা কিন্তু খুব চমৎকারভাবে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে আমরা এখানে রিফ্লেকশন দেখতে পাচ্ছি। আমি একটু আরেকটা কাজ মানে এটা তো একটা গেল। আপনারা কি কোন মানে সিরা থেকে একটু প্রতিটা কম্পোনেন্টের জন্য একটা একটা ঘটনা কি একটু আমার সাথে শেয়ার করতে পারবেন? মানে জাস্ট ধরেন সে ফর এক্সাম্পল এমপ্যাথি এমপেথি নিয়ে যেকোন একটা ঘটনা এই যে আমি বললাম ধরেন বেদুইনের প্রস্রাব করা এটাও কিন্তু একটা এমপ্যাথির পার্ট হিসেবে দেখাইছি আপনাদের কি আর কোন জানা আছে কিনা এরকম কিছু যে হ্যাঁ আমরা এটা এটা ইয়া করতে পারি্যা যে এটা একটা এমপ্যাথির পার্ট সিরাতে মোটিভেশনের
পার্ট এটা এই ঘটনাটা সেলফ রেগুলেশনের পার্ট এই ঘটনাটা আপনারা কি প্রত্যেকটা কম্পোনেন্টের জন্য একটা একটা ঘটনাটিকে একটু আমার সাথে একটু আপনারা আপনারা নিজের মত করে একটু আপনাদেরকে আমি তিন মিনিট সময় দিচ্ছি। আমি একটু পাঁচ মিনিট এক্সট্রা সময় নিব। যেহেতু আমরা পাঁচ মিনিট পরে শুরু করছি। আমি তিন মিনিট সময় দিচ্ছি। একটু আপনারা জাস্ট একটু সার্ফিং করেন মনে মনে যে আসলে সিরাতে অন্য কোন ঘটনা থেকে আমরা প্রতিটা কম্পোনেন্টকে কিভাবে কানেক্ট করতে পারি। একটু আমি তিনটা মিনিট সময় দিচ্ছি আপনাদেরকে। কারো যদি হয়ে থাকে আপনারা শেয়ার করতে পারেন আমার আচ্ছা ভাই আমার একটা মানে একটা ছোট্ট স্টোরি আছে সেটা
হচ্ছে শিশুদের সাথে সেটা হল ধরেন ওযে আনাস রাদিয়াল্লাহু তালার ছোট ভাই ছিলেন হচ্ছে আবু তো ছোটবেলা উনি একটা পাখি পালতেন সম্ভবত অনেকেই জানেন এটা তো ওই পাখিতো একসময় একদিন মারা যায় মারা যাওয়ার পরে আল্লাহ রাসূ তাদের বাসায় যান তো আল্লাহর রাসূল হচ্ছে আসলে মানে উমাইরকে ইন্ডিকেট করে বলেন আর কি ইয়া আবা উমায়ের মাফলান নুগা যে ও আবু উমা তোমার নুগায়ের বা পাখিটির কি করেছে এটাই আর কি বিষয় যে আল্লাহ রাসূল তাকে মানে এত সুন্দরভাবে আসলে বাচ্চাদের সাথেও মানে তাকে এট সেম টাইম মানে ডিরেক্টলি প্রশ্ন কেও তাকে মৃত্যুর একটা উপলব্ধি যে পাখিটা যে মারা গেছে একটা
কনভারসেশন স্টার্ট করা তার ফিলিংসে ডিরেক্টলি হার্ট না করে তার মত করে কথা বলা এমপ্যাথেটিক হওয়া তো আমার কাছে এটা খুবই ভালো লাগে মানে আমি এটা বেশ মানে ওখান থেকে উমায়ের নামটা আমার মানে এই স্টোরিটা আমার কাছে খুব এম্যাটিক মনে হয় যে আল্লাহর রাসূল আসলে জানতেন যে একটা বাচ্চার সাথে আমি কিভাবে বিহেভ করতে হবে বা কিভাবে তার সাথে কনভারসেশনটা স্টার্ট করতে হবে হ্যাঁ যাতে তার সে যাতে হার্টফিল না করে এট দা সেইম টাইম যে মৃত্যু বা মৃত্যু পরবর্তী জীবন সম্পর্কে যে একটা উপলব্ধি হওয়া বা একটা ধারণা দেওয়া সেটা আল্লাহর রাসূল জানতেন ট্রু রাইট রাইট রাইট জি
চমৎকার ভাই এবং আমি জাস্ট একটা নোক্তা দিয়ে রাখি। এই যে আমরা আসলে এই যে যে কাজটা করলাম এখন হ্যাঁ মানে একটা ঘটনা থেকে ধরেন ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের পাঁচটা কম্পোনেন্ট বের করছি। হ্যা যেমন ধরেন এই ইমাম শাফে জাস্ট এই ঘটনা যেটা আপনি বললেন যে ইয়াবা মাফ এইটা থেকে তিনি 40 টা ফিক বের করেছেন সুবহানাল্লাহ। মানে 40 টা ফিক এই ছোট্ট ঘটনা থেকে তিনি বের করেছেন। হ্যাঁ যে সাহাবীদের মানে অন্যান্য বাদশাদের সাথে কি রকম আচরণ পশুপাখির সাথে আমাদের কি কি রকম আচরণ এরকম প্রায় 40 টা ফিক তিনি এই একটা হাদিস থেকেই বের করেছেন। তো আসলে আমরা যে কাজটা
করছি সেগুলারই একটা কন্টিনিউশন যে যখন আমরা নতুন কোন প্রবলেম ফেস করছি নতুন কোন জ্ঞানের দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে আমরা কিন্তু ফিরে যাচ্ছি আল্লাহ রাসূলের জীবনীতে আল্লাহ রাসূলের সেই হাদিসগুলাতে হ্যাতো আপনি রাইটলি বলছেন হ্যা এটাও একটা ঘটনা যেখানে আমরা তাকে এমপ্যাথেটিক হওয়া দেখতে পাচ্ছি এবং একই সাথে তার সোশ্যাল স্কিল এখানে আমরা বুঝতে পারতেছি যে হ্যাঁ তিনি একটা বাচ্চার সাথে কিভাবে কমিউনিকেট করেছেন তার ল্যাঙ্গুয়েজে তার মত করে তিনি কমিউনিকেট করেছেন ট্রু ট্রু রাইট থ্যাংক ইউ আর কেউ কিছু আমরা কিছু কি আইডেন্টিফাই করতে পেরেছি আচ্ছা এটা তাহলে আমাদের একটা টাস্ক হিসেবেই থাকুক। যেমন আমি এখানে যদিও এটা এই ঘটনার
তো আমরা একটা নিয়েই আসছি এখানে ডেথ অফ হেসান ইব্রাহিম সেটা থেকে আমরা কি কি জিনিস তার কি কি ইমোশন ইনভলভ এবং সে কষেত্রে আমরা তার কোন কোন বিষয়টা এখানে প্রাধান্য পেয়েছে হ্যা এগুলো আমরা দেখতে পাচ্ছি তারপরে বিট আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এটা থেকে তিনি কিভাবে সেলফ রেগুলেটেড হয়েছেন তারপরে কোরাইশদেরকে তিনি ফাতে মক্কাতে তিনি ক্ষমা করে দিয়েছেন। সেখানে তার কোন কম্পোনেন্টটা কিংবা তার কোন ইমোশনটা এখানে ইনভলভ হয়েছে। হ্যা তারপরে হুদাইবিয়া ফ্রিটি সেখানে এটা আমরা অলরেডি জানছি শিখছি। ইন্টারেকশন উইথ হথ হইন। কিছু কিছু বেদইন ছিল যে আল্লাহ রাসূলের সাথে এসে খুব হারসলি বিহেভ করত। কারণ তারা গ্রামে ছিল।
তারা আসলে ওই বিহেভিয়ারটা তাদের মধ্যে ছিল না। তিনি তাদের সাথে কিভাবে বিহেভ করতেন? হ্যাঁ। তো এখানে আসলে পুরো সিরাতে ছড়ায় সেটাই অনেক রকম ঘটনা আছে। হ্যাঁ। এবং এই ঘটনাগুলো থেকে আমরা কিন্তু দেখতে পাবো যে আসলে তার মধ্যে কোন কোন ইমোশনাল স্কিলটা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স এর স্কিলটা ছিল। এটা কিন্তু আমরা প্রত্যেকটা ঘটনায় কোন না কোন একটা জিনিসের রিফ্লেকশন হয়েছে। এবং কোন কোন ঘটনাতে একাধিক থ্রেটও কিন্তু রিফ্লেক্ট করেছেন। তো আমরা চেষ্টা করব সিরাতটাকে একটু ভালোভাবে পড়ার, বুঝার এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে তৈরি করার। আমি আপনাদের জন্য একটা আমাদের একটা চেকলিস্ট আছে। হ্যাঁ। আমি এই চেকলিস্টটা আপনাদেরকে দিয়ে দিব। মূলত
এই চেকলিস্টটা থেকে আপনি আপনার নিজেদের ব্যাপারে একটা অ্যাসেসমেন্ট। হ্যাঁ। যে আপনার ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স আসলে কেমন কিংবা কত বেশি। হ্যাঁ। কতটুকু আছে এটা জাস্ট আপনি নিজের মত করে একটা মার্কিং করার জন্য নাথিং এলস তো আমি এই ইয়াটা আপনাদেরকে দিয়ে দিব আপনারা আমার মনে হয় এটা এটা আমি আপনাদেরকে শেয়ার করে দিব আপনাদের সাথে তো সেই চেকলিস্টটা থেকে আপনারা আপনাদের ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের মার্কিংটা আপনি করতে পারবেন এবং আপনি কতটুকু কোন কোন জায়গাতে কোন কোন সেক্টরে নিজেকে আরেকটু কাজ করতে হবে সেটা আপনি নিজেই উপলব্ধি করতে পারবেন। তো আমরা মোটামুটি আজকের মত এখানেই আমাদের আজকের সেশনটা শেষ করতে চাচ্ছি। আল্লাহ আমাদেরকে
যতটুকু শুনলাম মানলাম শুনলাম সেটা অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন এবং যা ভুল হয়েছে সেটা আমার নিজের পক্ষ থেকে এবং যা ঠিক বলেছি এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে। তো আমরা মোটামুটি আজকের মত এখানেই শেষ করতে চাচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন এবং আগামী পরের সেশনটা সেশন নাম্বার থ্রিতে সবাইকে ইনভাইট করে আমি আমার আজকের সেশন এখানে শেষ করছি। আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।