গরীব নিম্নবিত্তক পরিবারের মেয়ে পল্লভী যেটুকুই আছে হাসি খুশি এভাবে দিন পার হচ্ছে সততা সরলতা দেখে গ্রামের সবচেয়ে ধনী লোক এমএলএ সাত্যায়াম ধনী গরীব এসব কিছুরই পার্থক্য না করে পল্লভীকে তার ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে তাদের পরিবারের বউ করে নিয়ে যায় শ্বশুর বাড়িতেও পল্লবীর বেশ সুনাম কারণ তার বউ হয়ে আসার পর এমএলএ সাতিয়ামের ভাগ্যের চাকা যে ঘুরে গেল এভাবে সবকিছু ঠিকঠাক সুন্দরভাবে চলছে কিন্তু টুইস্ট আসতে শুরু করে তখনই যখন একদিন মন্দিরে যায়ার পথে পল্লভী কোথায় গায়েব হয়ে যায়। অর্থাৎ পল্লবীকে কেউ কিডন্যাপ করে নিয়ে গেছে। ভাইরে ভাই এরপর থেকে শুরু হয় মারাত্মক সব টুইস্টের খেলা। কে পল্লবীকে কিডন্যাপ
করালো? কেন করালো? এই রহস্য গুলক ধাধার মত ঘুরতে ঘুরতে আপনাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে দাঁড় করাবে যেটার জন্য আপনি আমি মোটেও প্রস্তুত না। বলছি সদ্যমুক্তি পাওয়া তেলেগু সাসপেন্স থ্রিলার মুভি মাধুশালা এর কথা। মুভির শুরুতেই দেখা যায় কিছু গুন্ডা মিলে একটা মেয়েকে তারা করছে। অনেকক্ষণ ধরে তারা মেয়েটার পিছনে লেগে আছে। কোনরকম করে মেয়েটা সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলেও দেখা যায় শেষমেষ সামনে থেকে কেউ একজন এসে কিছু একটা দিয়ে মেয়েটার গলা কেটে তাকে হত্যা করে। এইটুক ঘটনাটা অবশ্যই মনে রাখবেন। চলুন এবার পুরো ঘটনা জানার জন্য আমরা একটু ফ্ল্যাশব্যাকে যাই। একটা বিষয় আপনাদের আগে বাগে বলে রাখি। মুভির
যে টাইমলাইনটা ওইটা প্রায় 1990 সালের দিকের। তাই এটাও একটু মাথায় রাখবেন তামিলনাডুর কোন একটা গ্রাম যেখানের এমএলএ ছিল সাত্তাম নামের এই লোকটা লোকটাকে সবাই অনেক মানে অনেক শ্রদ্ধা করে একদিন দেখা যায় সাত্তম তার পিয়েকে নিয়ে তাদের এলাকার একটা বস্তি টাইপের জায়গায় এসেছে অবশ্য সাত্তমকে এখানে দেখে বস্তির সবাই তো রীতিমতো শকট কারণ এত বড় একজন এমএলএ তাদের বস্তিতে অবশ্য সাত্তামের কথা সে আজ কোন ভোট ছাইতে আসেনি সে এখানে এসেছে একটা শুভ কাজের উদ্দেশ্যে তো সাত্তামরা এ বাসার সামনে এসে বাসার লোক জাকারিয়া নামের কেউ একজনকে ডাক দেয় জাকারিও বাইরে এসে এমএলএকে দেখে পুরাই অবাক। এখন এমএলএ সাত্তা
মূল কথায় আসে। বলে জাকারিয়া আমি জানতে পারলাম আমার ছেলে তোমার মেয়েকে অনেক পছন্দ করে। ধনী গরীব এসব আমার জন্য কোন মাইনে রাখে না। যেখানে আমার ছেলের পছন্দ আমিও সেখানে রাজি। তাই তো তোমার মেয়ের হাত চাওয়ার জন্য আমি নিজেই এখানে এসেছি। এই কথা শুনে জাকারিয়া এবং মহল্লার সবাই যেন আকাশ থেকে পড়লো। অবশ্য সবাই অনেক খুশি। এমএলএ সাত্তাম ধনী গরীবের কোন ভেদাভেদ না করে জাকারিয়ার ঘরের ভিতরে যায়। এরপর আট 10 টা সাধারণ মানুষ যেমন করে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যায় তেমন করে সাত্তামও তার ছেলের বিয়ের প্রস্তাব জাকারিয়াদের সামনে রাখে। জাকারিয়ারাও খুশি মনে রাজি। এত বড় একটা ঘরে তাদের
মেয়ের বিয়ে হবে। তো এটাই হচ্ছে জাকারিয়ার মেয়ে পল্লভী। মেয়ের স্বভাব চরিত্র দেখে সাত্তামদেরও তাকে পছন্দ হয়েছে। তাই কয়েকদিন পরে পুরো মহল্লাবাসীর সামনেই। সাত্তাম পল্লবীর সাথে তার ছেলের বিয়েটা ফাইনাল করে। ওইখানে তাদের বিয়ে পড়িয়ে দেওয়া হয়। এটা করে মহল্লাবাসীর সামনে সাত্তামের ইজ্জত তো আরো বেড়ে গেছে। যার ফলে কিছুদিন পর অর্থাৎ 1990 সালে অসেম্বলি ইলেকশনে আবারও সাত্তামের জয় হয়। সাত্তাম তো অনেক খুশি। পল্লভীকে সে তাদের ঘরের ভাগ্যবতী মনে করতে শুরু করে। যে সে আসার পর থেকেই তাদের ভাগ্যের চাকা যেন একেবারে ঘুরে গেছে। তাই সাত্তাম যেখানে কোন কাজে যাওয়ার জন্য বের হতো পল্লভীকে সামনে রেখে তার চেহারা দেখে
বাসা থেকে বের হতো। এখন সাত্তামের স্বপ্ন একটাই। ব্যাস সিএম সাব তাকে মিনিস্টারটা বানিয়ে দিলেই হয়। গাড়ি করে একটা দোকান ওপেনিং এর জন্য যাওয়ার সময় সাত্তম তার পিয়েকে এস ছবি বলছে। একটু পর সাত্তমরা ওখানে এসে পৌঁছে যেখানে দোকান ওপেনিংটা ছিল। এইখানে দেখা যায় সাত্তামের অপোজিশন পার্টি লিডার ব্যাংকার রামের এই লোকটাও আছে। অবশ্য পার্টি নিয়ে দুজনের মধ্যে মনোমালিন্যতা তো আছেই। বাট উপরে না দেখালেও ভিতরে যে একজন একজনকে ঘৃণা করে সেটা কিন্তু বোঝা যাচ্ছে। ব্যাংকেট সারতামকে বলছে আরে এমএলএ সাব। আপনার পার্টি তো বিপুল ভোটে জয় লাভ করেছে। আমরা তো হেরে গেলাম। তারপরও আপনি আমাকে এখানে ইনভাইট করেছেন এজন্য
আপনাকে শুকরিয়া। সাত্তাম ব্যাংকারকে একটু সাইডে নিয়ে গিয়ে বলে দেখো তোমার মহল্লার লোকজন যেমন তোমাকে ভোট না দেওয়ায় তোমাদের পার্টি হেরে গেছে। তেমনি আমার মহল্লার লোকজন যদি আমাকে ভোট না দিত আমি জয় লাভ করতে পারতাম না। এজন্যই তো আমি আগেভাগে তাদের সাথে এমন একটা সম্পর্ক করে ফেলেছি। যেটাতে আমার জয় তো একেবারে নিশ্চিত। এই এলাকায় তোমাদের পার্টি আর সুযোগ পাবে না। চাইলে অন্য এলাকায় গিয়ে ট্রাই করতে পারো। ব্যাংকার বলে দেখুন এমএলএ সাব এটা পলিটিক্সের জগৎ। আজ আপনি ক্ষমতার আসনে আছেন। কাল থাকবেন কিনা তার কোন গ্যারান্টি নেই। দেখা যাবে আপনি কতদিনে পজিশন ধরে রাখতে পারেন। সাথে সাথে এখান
থেকে সিন শিফট হয়ে যায় মুভির অন্যতম মেইন ক্যারেক্টার মাদ্রাবাবীর উপর। আমরা দেখি মাদরাবানী রঘু নামের একটা লোকের সাথে সে কথা বলছিল। এ রোগ হচ্ছে একজন পলিটিক্যাল মেম্বার। আসলে মধুরাণীও পলিটিক্সে আসতে চাইছিল। যার জন্য সে রোগ সে ব্যাপারে কথা বলছে। যাই হোক রোগু এবং মধুরা বাণীর মধ্যে এসব নিয়ে অনেক কথাবার্তা চলে। ভিডিওর এইটুকুতে আপনাদের একটু করে থামাচ্ছি। ইতিমধ্যে আপনারা অনেকেই জানেন আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় আমরা একটা অনলাইন ক্লোথিং ব্র্যান্ড শুরু করেছি যেখানে অলরেডি আমার ভালোবাসার লোকগুলো অনেক অনেক ভালোবাসা দেখাচ্ছে। অলরেডি কিছু নতুন প্রোডাক্ট চলে এসেছে। আপনাদের সবার প্রতি একটা রিকোয়েস্ট থাকবে। একবার হলেও কিছু একটা নিয়ে
দেখুন। আমার ভালোবাসার মানুষগুলোর জন্য বিশেষ ডিসকাউন্ট তো থাকছেই। যদিও এখন কিছু প্রয়োজন না হয় পরবর্তীতে প্রয়োজন তো আছেই তাই না? তার জন্য অবশ্যই অবশ্যই আগে গিয়ে পেজটাকে ফলো করে দিয়ে আসুন। সাথে একটা মেসেজ করতে একদমই ভুলবেন না কিন্তু। সাথে সাথে রিপ্লাই ব্যাক করার চেষ্টা করব। পেইজের লিংক কমেন্ট বক্সের পিন কমেন্টে দেওয়া আছে। যান গিয়ে আগে ফলোটা দিয়ে আসুন। তারপরে ভিডিও শুরু করছি। আশা করছি এতক্ষণে কাজ সেরে ফেলেছেন। তো চলুন গল্পে ফেরা যাক। যারপর এখান থেকে সিনেমাদের মুভির আরো একজন মেইন ক্যারেক্টার। দুর্গা নামের এই ছেলেটার উপর নিয়ে যাই। দুর্গা একটা মদের দোকানের পাশাপাশি একসাথে একটা চিকেনের
দোকানও চালাচ্ছে। অবশ্য সেগুলো তার নিজস্ব না। দোকানগুলো হচ্ছে এই নাইডু নামের লোকটারই। দুর্গা জাস্ট নাইডুর হয়ে কাজ করে আর কি। তো প্রত্যেকদিন সকালে দোকান খোলার সাথে সাথেই দুর্গার দোকানে কানাকা নামের এই মেয়েটা আসতো। লাল পানি কেনার জন্য। তাও আবার তার জন্য না তার বাবার জন্য। অর্থাৎ কানাকার বাবা ছিল অত্যন্ত নেশাখোর একজন লোক। আর এভাবে দুর্গাদের দোকানে আসা যাওয়া করতে করতে কানাকা এবং দুর্গার মধ্যে ভালো একটা সম্পর্ক হয়ে গেছে। সম্পর্ক বলতে একজন আরেকজনকে পছন্দ করতে শুরু করেছে। দুর্গা তো কানাকাকে ডিসকাউন্টের পাশাপাশি ফ্রিতে চিকেন টিক্কা, চিকেন তান্দুরি এসবও দিয়ে দিত। এদিকে রঘুর বস নায়ডু যে ছিল সেও
সবসময় দোকানের সামনে থাকতো। এভাবে মাস্তি মজাতে তাদের দিন পার হচ্ছে। সিনেগান থেকে অপোজিশন পার্টি লিডার ব্যাংকের ডাউ এর উপর আসে। ব্যাংকের ডাউকে তার কিছু লোক এসে বলছে প্রত্যেক গ্রামে গ্রামে এ সাত্তমের নামের চর্চা হচ্ছে গ্রামের সব জায়গায় তার পার্টির পতাকায় উঠছে এরকমটা চলতে থাকলে পলিটিক্স থেকে তো আমাদের নাম নিশান মিটে যাবে ব্যাংকেররাও বলে জানি কিছু না কিছু একটা তো করতেই হবে না হয় পরের ইলেকশনও আমাদের লজ্জাজনকভাবে হাটতে হবে এইখান থেকে শুরু হবে মুভির টানটান উত্তেজনা সিন অবশ্য অনেক স্পিডে চলবে তা আপনারা একটু মনোযোগ দিবেন পরের দিন ওই যে পলিটিক্যাল মেম্বার দুর্গা আছে না দুর্গাকে কেউ
একজন কল করে এমএলএ সাতমের ছেলে এর বউ পল্লবীর ফটো পাঠিয়ে তাকে কল করে বলছিল তোমাকে মেয়েটাকে কিডন্যাপ করতে হবে। কিডন্যাপ করে মেয়েটাকে শেষ করে দাও। তোমাকে এক কোটি টাকা দিব। রোগ পল্লবীর ফটো দেখে এবং এই কথাগুলো শুনে একদমই শক্ড। যেটাকে কল করে সুপারি দিচ্ছিল তাকে বলে ভাই এটা তো অনেক রিস্কি একটা কাজ। তাছাড়াও মেয়ের মামলা। অন্য কোন রাস্তা বের করে বিষয়টা সলভ করে নিলেই তো হয়। কিন্তু এদিক থেকে লোকটা বলছে না পল্লভীকে মারতেই হবে। রোগ বলে ঠিক আছে। আপনি যেহেতু বলছেন তাহলে কাজটা তো করতেই হয়। বলে সাথে সাথে রুগু পল্লবীর ফটোটা নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। তার
পরিচিত এরকম একজন লোককে পল্লভীকে কিডন্যাপ করে শেষ করে দেওয়ার সুপার দেওয়ার জন্য। আমরা দেখি রোগের জন্য যাই হচ্ছে তার পরিচিত একজন মাছওয়ালা এই লোকটার কাছে। এই লোকটা মূলত সমুদ্র থেকে মাছটা ধরে গেল বিক্রি করা আর কি। সাথে রঘুদের এরকম ছোটখাটো কাজকাম থাকলে কন্ট্রাক্ট নিয়ে এগুলো করে দেয়। এখন রঘু তো ডাইরেক্টলি পল্লবীকে মারতে পারবে না। কারণ সেও একজন পলিটিক্যাল মেম্বার। তাই সে এই মাছওয়ালার কাছে এসে তাকে পলবের ফটো দেখিয়ে তাকে কাজটা করে দিতে বলে। মাছওয়ালা বলে, আরে স্যার আপনি কবে থেকে এসব কাজ করতে শুরু করেছেন? রোগ বলে আমার কাজ না এটা। আমার থেকে উপরের একজনের অর্ডার।
তাই করতে তো হবেই। আপাতত তুমি তাকে শুধু কিডন্যাপ করে নিয়ে আসো। এরপর কি করতে হবে তা পরে জানাবো। এ মাছওয়ালা অবশ্য প্রথম দিকে রাজি হচ্ছে না। কারণ এমএল এর ছেলের বউ অনেক রিস্কি একটা কাজ। তবে রঘু তাকে 70 লাখ টাকা দেওয়ার ওয়াদা করলে মাছওয়ালাও রাজি হয়ে যায়। আর ডোগুর চলে যাওয়ার পরেই এই মাছওয়ালা পল্লবীর ফটো নিয়ে বিরাসওয়ামী নামের এই লোকটার কাছে এসে পৌঁছায়। এই বিরাসওয়া ইটের ভাটায় কাজ করে। মাছওয়ালার সাথে ক্লোজ সম্পর্ক। মাছওয়ালা বিরাসওয়াকে পল্লবীর ফটো দেখিয়ে বলে, আমার জন্য একটা কাজ করে দিতে হবে। এই মেয়েটাকে কিডন্যাপ করে নিয়ে আসতে হবে। যেহেতু মেয়েটার এলাকা তোমার
এলাকার আশেপাশেই তাই তোমার জন্য এটা সহজ কাজ হবে। এটা শুনে বিরাসওয়ামী একটু অবাক হয়। বলে আমার বয়স হয়েছে। ইটের ভাটায় কাজ করি আমি। আমার দ্বারা এটা হবে না। মাছওয়ালা বিরাজমিকে 50 লাখ টাকার অফার দেয়। বলে কাজটা করে দিলে তোমাকে 50 লাখ টাকা দিব। অর্থাৎ রঘু মাছওয়ালাকে 70 লাখের অফার দিয়েছে। আর এই মাছওয়ালা এখন বিরাসওয়াকে 50 লাখের অফার দিচ্ছে। এত বড় একটা অফার শুনে বিরাসওয়ামিতের জন্য রাজি। এখন পরবর্তীতে দেখা যাক বিরাসওয়ার জন্য কি করে। এর আগে আমাদের একজন এরেসি পলিসির লোককে দেখানো হয়। যে কিনা গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে গ্রামের মানুষদের কিস্তি ইনস্যুরেন্স এগুলো করার প্রস্তাব দেয়।
এরই মাঝে কিস্তিওয়ালা এসে ছিল একদিন বিরাসওয়ার কাছে। কারণ কিছুদিন আগে বিরাসওয়া কিস্তির জন্য প্রস্তাব করেছে। তো কিস্তিওয়ালা এসে বিরাসওয়াকে তাদের অফারগুলো বলছিল। এখন বিরাসওয়ামী তো অলরেডি ওই মাছওয়ালার কাছ থেকে বাম্পার অফার একটা পেয়েছে। অর্থাৎ পল্লভীকে কিডন্যাপ করে নিয়ে আসার বদলে 50 লাখ টাকার অফার। তাই সে কৌতুহল বসত কিস্তিওয়ালাকে জিজ্ঞাসা করে বসে। যে তুমি এত কষ্ট করে কাজগুলো করে কত টাকা ইনকাম করতে পারো? কিস্তিওয়ালা বলে আর কত টাকা? এই পাদ 100 হাজার। বিরাসমী বলে আমি তোমাকে 30 লাখ টাকা দিব। আমার হয়ে একটা কাজ করে দিতে হবে। এই বলে বিরাসওয়ামী কিস্তিওয়ালাকে পল্লবীর ফটো দেখিয়ে বলে এ মেয়েটাকে
কিডন্যাপ করতে হবে। এরা শুনে কিস্তিওয়ালার রিয়েকশনও প্রথমে সবার মতোই যে আমার দ্বারা এটা হবে না। তবে বিরাস তাকে লোভ দেখায় যে 5000 100 হাজার টাকা আর কতদিন কামাই করবে। একেবারে 30 লাখ টাকার অফার পেয়েছো। লাইফ সেট হয়ে যাবে। এ অফার পেয়ে এখন কিস্তিওয়ালা এ জন্য রাজি। এরপরের দৃশ্য আমাদের রবি নামের এই লোকটার উপর নিয়ে যায়। এ রবি হচ্ছে এক নম্বরের নিকাম্মা নিতালা একজন ছেলে। সারাক্ষণ এদিক সেদিক টয়টই করে ঘুরে বেড়ায় আর জুয়া খেলে খেলে টাকা উড়ায়। মদের দোকান, ক্লাব, বার এগুলো হচ্ছে রবির ঠিকানা। উপর থেকে মানুষজনদের কাছ থেকে নিয়ে রেখেছে এত এত টাকার ঋণ। একদিন
এরকম একটা ক্লাবে বসে বসে রুবে আড্ডা দিচ্ছিল। আর সবাইকে বড় বড় গাল মারছে একটা সুযোগ। যদি একটা সুযোগ পায় তাহলে সে দেখিয়ে দিবে সে কি জিনিস। এত এত টাকা সে ইনকাম করবে যেরকম দুই তিনটা ক্লাব একসাথে সে একা দিতে পারবে। এখন এদিক দিয়ে যাওয়ার সময় ওই কিস্তিওয়ালা লোকটার নজর পড়ে রবির উপর। সে আড়াল থেকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে রবির কথাগুলো শুনছে। আসলে কিস্তিওয়ালাও এরকম একজন লোকের তালাশ করছে। একটু আগে বিরাসমী তাকে যে পল্লবীকে কিডন্যাপ করার কন্টাক্টটা দিয়েছিল না যাতে করে সেই কাজটা এরকমই কারো সাহায্যে করে নিতে পারে। আর এই কাজের যে 30 লাখ টাকাগুলো পাবে সেগুলো পরে
তারা দু ভাগে ভাগ করে নিবে। এরই মাঝে এদিকে ক্লাবওয়ালা এসে রবিকে ক্লাব থেকে বের করে দেয়। কারণ এখানেও সে অলরেডি অনেকগুলো টাকা বাকি করে রেখেছে। তো রবি এখান থেকে বের হয়ে একটা পাবলিক টয়লেটে গিয়ে সুসু করছিল। আর তাকে ফলো করতে করতে সেখানে ও কিস্তিওয়ালা এসে হাজির। এসে রবিকে বলতে শুরু করে আমি দেখেছি ক্লাবওয়ালা তোমাকে কি রকম অপমান করল। তুমি যদি তোমার অপমানের প্রতিশোধ নিতে চাও অনেকগুলো টাকা ইনকাম করে তোমার স্বপ্ন পূরণ করতে চাও তাহলে আমার একটা কাজ করে দিতে হবে। প্রথমদিকে রবি বলেন এইসব অপমান টপমান আমার জন্য কিছুই না। এগুলো তো আমার ডেইলি রুটিন। আমার
ঋণ রয়েছে পাঁচ লাখের মত। এর মধ্য থেকে আমি এক লাখ টাকা দিয়ে আমার পছন্দের মধুরা বাণীকে আমি কিছু একটা গিফট করতে চাই। অর্থাৎ রবি মূরা বাণীকে পছন্দ করে। কিস্তি বলা বলে আমার কাজটা করে দিলে আমি তোমাকে 15 লক্ষ টাকা দিব। আর এগুলো দিয়ে তুমি তোমার স্বপ্ন তোমার সবকিছু পূরণ করতে পারবে। তোমার পছন্দের মানুষ মধুরা বাণী বা যাকে ইচ্ছা তাকে যা ইচ্ছা তা দিতে পারবে। শুনে রবি তো শকড। কি এমন কাজের জন্য এত টাকা দিবে জিজ্ঞাসা করলে কিস্তিওয়ালা রবিকেও পল্লবীর ফরুরা দেখায় বলে এই মেয়েটাকে কিডন্যাপ করতে হবে এটা শুনে সবার মত রবিও শকড বলে আবে কি
বলছো কে এসব আমি সকালে ঘুম থেকে উঠি মদ খাই জোয়া খেলি আবার মদ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি এসব কিডন্যাপিং মার্ডার এগুলো আমার দ্বারা হবে না কিস্তিওয়ালা বলে আরে রবি তোমাকে কেন করতে হচ্ছে তোমার বোনের আশিক ওই নাইরু আছে না তাকে দিয়ে কাজটা করিয়ে নাও অর্থাৎ এইখানে আমরা জানতে পারি এ রবি হচ্ছে ওই মদের দোকানের মালিক নায়ডুর গার্লফ্রেন্ডের ভাই। আইডিয়াটা তেমন একটা খারাপ না মনে করে সাথে সাথে রুবি তার বোনের কাছে এসে তাকে বলতে শুরু করে। দিদি আমার হাতে একটা জ্যাকপট লেগেছে। তোমাকে পা লাখ টাকা দিব। আমার একটা কাজ করে দিতে হবে। বলে সে পল্লবীর ফটো দেখিয়ে
বলে দুলাভাইকে বলে তার লুক দিয়ে এই মেয়েটিকে কিডন্যাপ করতে হবে। এটা শুনে রবির দিদিও সেম কথাই বলে। যে কি বলছিস কি এসব? তুই আবার এসব কাজ কবে থেকে করতে শুরু করলি। রবি বলে আরে দিদি জাস্ট মেয়েটিকে নিয়ে আসবো। দুই তিন দিন রাখবো। এরপর ছেড়ে দিব। উপর থেকে এতগুলো টাকা কামাই হবে। আমাদের টাকার সব সমস্যা এবারে সমাধান হয়ে যাবে। তুমি যেমন করে হোক দুলাভাইকে রাজি করাও। এসব বলে টলে রবি তার দিদিকে রাজি করিয়ে নেয়। এরপর সিন একটু করে এখান থেকে আমাদের কানাকার বাবার উপর নিয়ে যাওয়া হয়। কানাকা বলতে ওই মেয়েটা আর কি। দুর্গার যার সাথে লাইন
চলছে। এটাই হচ্ছে কানাকার বাবা। যার প্রত্যেক দিনের ডেইলি রুটিন হচ্ছে সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে মদ খাওয়া। এরপর হারমোনি নিয়ে বেসুরা গলায় হিরো আলমের গান গাওয়া। কবিতা আবৃত্তি সংস্কৃতিক গান এসব তার অনেক পছন্দ তো আজ কানাকা দুর্গাকে তাদের বাসায় ডেকেছে তার বাবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে তাদের সম্পর্কের কথাটাও বলতে কানাকা অলরেডি তার বাবাকে দুর্গার ব্যাপারে একটু একটু বলে রেখেছে তো দুর্গাকে দেখে কানাকার বাবা তাকে ডাক দেয় পাশে বসে বলতে শুরু করে তুমি কি কবিতা আবৃত্তি করতে পারো সামনে যে ফেস্টিভালটা আসছে যদি সেখানে কবিতা আবৃত্তি করে স্টেজ পারফর্ম করতে পারো তাহলেই কানাকাকে তোমার সাথে বিয়ে দিব
এখন দুর্গার দ্বারা এসব হবে না এটা সে নিজেও ভালো করে জানে তারপরও বলে ঠিক আছে আমি চেষ্টা করব আসলে জোয়ান বয়সে কানাকার বাবা গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে এরকম স্টেজ পারফর্ম মঞ্চ নাটক এগুলো করতো তাই এরকম সাংস্কৃতিক গান কবিতা আবৃত্তি এসবের প্রতি তার আকর্ষণ এখনো রয়ে গেছে তাই তার মেয়ের যে জামাই হবে সেও এই ফিল্ডেরই লুক হবে এটাই তার আশা সিন শিফট হয়ে যায় রাতের দিকে নায়রু প্রত্যেকদিনের মতো তার রাত রঙিন করার জন্য ফুলটু নিয়ে রেডি সেডি হয়ে তার গার্লফ্রেন্ডের কাছে এসেছে কিন্তু নায়রু দেখে আজ তার গার্লফ্রেন্ড তাকে কোন পাত্তাই দিচ্ছে তার কাছে আসছে না নাইলে
বুঝে যায় এরকম করছে মানে তার কোন কিছুর প্রয়োজন অনেক সুন্দর এবং আদর করে জিজ্ঞাসা করে কি হয়েছে জানো কাছে আসছো না যে এই সুযোগে তার গার্লফ্রেন্ড তার ভাই রবির কথা মতো নাইকে পল্লবী সেই ফটোটা দেখিয়ে বলতে শুরু করে এই মেয়েটাকে কিডন্যাপ করতে হবে যদি আমার কথামতো করো তাহলেই যা চাও তাই দিব এটা শোনার প্রথমে সবার মত নাই রিয়েকশনও সেম যে আমি তোমাকে ভালোবাসি বিধায় তুমি আমাকে দিয়ে যা ইচ্ছা তাই করাবে জিএফ বলে ঠিক আছে তুমি না পারলে বলে দাও আমি অন্য কাউকে দিয়ে করে নিব। ভুলে যেও না আমার আশিকের কিন্তু অভাব নেই। আর তাদের মধ্য
থেকে যে কাজটা করে দিবে আমি তাকে বিয়ে করব। এখন নায়ডু তো তার গার্লফ্রেন্ডকে অনেক ভালোবাসে। তাই কোন উপায় না দেখে তার কথামতো রাজি হয়ে যায়। আর এজন্য পরবর্তী দিন নায়ডু কি করে? দুর্গাকে নিয়ে সুনসান একটা জায়গায় যায়। এরপর পল্লবীকে কিডন্যাপ করে নিয়ে আসার কাজটা সে দুর্গাকে দিতে শুরু করে। অর্থাৎ দুর্গাকে দিয়ে সে কাজটা করাবে। কারণ দুর্গাই তার একমাত্র লোক। অর্থাৎ দেখুন কাজটা কিভাবে একজন থেকে একজন। একজন থেকে আরেকজন। এভাবে আস্তে আস্তে বেশ কয়েকজনের হাত দিয়ে দুর্গা দেশে পৌঁছেছে। আর অবশ্য এটা শোনার প্রথমে সবার মত দুর্গাও না করে দেয়। বলে আপনার কাছে কাজ করি মানে এই
না যে আপনি আমাকে দিয়ে এসব কাজ করাবেন। নায়রু দুর্গার হাতে পায়ে ধরে তাকে রিকোয়েস্ট করতে শুরু করে। বলে দেখ ভাই দুর্গা আমি মজবুতে পড়ে গেছি। এসব কিছু ও রবিরই কান্ড। যতক্ষণ এই কাজটা করে দিতে না পারছি ততক্ষণ আমার জানুও আমাকে তার কাছে যেতে দিচ্ছে না। তুই কিছু একটা কর। আমাকে এখান থেকে উদ্ধার কর। জাস্ট মেয়েটাকে তুলে নিয়ে আসবি। তিন চার দিন রাখবি এরপর আবার ছেড়ে দিবি যার জন্য তোকে পা লাখ টাকা দিব এভাবে এসব কিছু বলে টলে নাইটু দুর্গাকে রাজি করয়ে নেয় অর্থাৎ এ একটা কাজ গোলক ধাধার মত কতদিক দিয়ে ঘুরছে দেখুন আরো কি কি
কান্ড হয় আরো কত রকমের টুইস্ট সামনে আসে শুধু দেখে যান সিন শিফট হয়ে যা পরবর্তী দিন রঘুর উপর রঘুকে যে লোকটা পল্লভীকে মারার কন্টাক্ট দিয়েছে সে কল করে একটা ইনফরমেশন বলছে বলছে একটু পরে পল্লভী গ্রামের একটা মন্দিরে যাবে পুজো করতে এটা একমাত্র সুযোগ কাজটা সেরে ফেল রোগ সাথে সাথে এর কাছ থেকে কলটা রেখে কল করে বিষয়টা জানা হচ্ছে সে জায়গায় কন্টাক্ট দিয়েছে অর্থাৎ ওই মাছওয়ালাকে মাছওয়ালা কি করে সাথে সাথেই আবার সে জায়গায় কন্টাক্ট দিয়েছে অর্থাৎ ইটের ভাটায় কাজ করে যে ওই বৃদ্ধ লোক বিরাসওয়ামী তার সাথে দেখা করে বিষয়টা তাকে জানায় এবার বিরাসওয়া ঠিক সেমভাবে সে
জায়গায় কন্টাক্ট দিয়েছে আবার মানে ওই কিস্তিওয়ালাকে তাকে জানায় আবার কিস্তিওয়ালা গিয়ে সে জায়গায় কন্টাক্ট দিয়েছে অর্থাৎ রবিকে জানালে রবি এসে জানায় হচ্ছে দুর্গাকে কারণ নায়ডুকে বলে দুর্গাকে দিয়ে তো তারা কাজটা করাচ্ছে এভাবে ঘুরতে ঘুরতে বিষয়টা দুর্গার কাছে এসে পৌঁছে আর কি। আর দুর্গাও তার একজন সহকারীকে নিয়ে ওই মন্দিরের পাশে এসে পল্লবীদের উপর নজর রাখতে শুরু করে দেয়। পল্লবীর সাথে তখন তার শাশুড়িও ছিল। দুর্গার এদিকে সুযোগের অপেক্ষা করছে। সুযোগ পেলে তারা পল্লবীকে বেহুশ করে তুলে নিয়ে যাবে। অনেকক্ষণ ঘুরাঘুরি করে অনেকক্ষণ নজর রাখার পর গিয়েই ফাইনালি তারা যেমন তেমন করে পল্লবীকে কিডন্যাপ করে নেয়। সোজা সেখান থেকে
তাকে সুনচান একটা জায়গায় নিয়ে আসে। এমএলএ সাতমের কানে যখন বিষয়টা গিয়ে পৌঁছায় যে তার ছেলের বউ এরকম এরকম মন্দির থেকে গায়েব হয়ে গেছে। তখন প্রথমে সাত্তিয়াম তার বউকে ধরে অনেক বকাঝকা করে। দিন দুপুরে এমএলএ ছেলের বউ কিডন্যাপ হয়ে গেছে। আমার ইজ্জত মান সম্মান কোথায় যাবে। এই পুলিশ অফিসারটিকে ডেকে সাতম তাকে অনেক স্ট্রেট ভাবে বলছে যে যত দ্রুতই সম্ভব যেখান থেকে পারে তার ছেলের বুকে খুঁজে এনে দিতে। সাথে এটাও বলে মিডিয়া অফ ডিজেনের খবরটা না যায়। ওদিকে আমরা পল্লভীকে দেখি যাকে কিনা দুর্গারা সুনসান একটা জায়গায় এনে রেখেছিল। চারিদিকে ঘেরাও করা বিশাল এক কামবাগান। বাট তারা ছাড়া
আশেপাশে এখানে আর কোন মানুষজন নেই। পল্লবীর হাত পা সবকিছু খোলা ছিল। যে সুযোগে সে এখান থেকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাও করে। বাট দুর্গারা তাকে পাহারায় রেখেছিল। সামনে এসে তাকে ধরে নেয়। সুন্দর করে তাকে বোঝায় যে দেখো আমরাই তোমাকে তুলে নিয়ে এসেছি। আমরা তোমার কোন ক্ষতি করবো না। দু চার দিন এখানে শান্তিতে থাকবে। এরপর আবারও তোমাকে বাসায় দিয়ে আসব। কান খুলে শুনে রাখো এখান থেকে পালানো চিন্তা মাথায় আনবে না। এতে করে তোমারই বিপদ। অন্যদিকে আমরা পুলিশদের দেখি যারাও কিনা পল্লবীকে খুঁজতে শুরু করে দিয়েছে। পুরো গ্রামে ঘুরে ঘুরে সবাইকে পল্লবীর ফটো দেখে জিজ্ঞাসা করছে। কিন্তু কোথা থেকেও তারা
কোন রকমের ইনফরমেশন পাচ্ছে না। ওদিকে এবার রবি ওই কিস্তিওালার সাথে দেখা করে তাকে বলছিল যে তোমার কাজ তো করে দিয়েছি। পল্লবীকে কিডন্যাপ করে রেখেছি। এবার আমার টাকা আমাকে বুঝিয়ে দাও। কিস্তিওয়ালা বলে, আরে রবি আমার উপরেও একজন আছে। যখন সে আমাকে টাকা দিবে তখনই তো আমি তোমাকে দিতে পারব। এটা শুনে রবি আপাতত কিস্তিওয়ালার কাছ থেকে 10,000 টাকা চেয়ে নেয়। ওই যে লাল পানি টানবার জোয়া খেলবে। কিস্তিওয়ালাটা না চাইতে তাকে 10000 টাকা দিতেই হয়। অন্যদিকে আমরা দেখি সাদিয়াম তার বউকে বলছিল। পলবি যে কিডন্যাপ হয়ে গেছে এই বিষয়টা যেন আমাদের ছেলে জানতে না পারে। শুধু শুধু সে টেনশন
করবে। আর কাজকাম সবকিছু ছেড়ে শহর থেকে এখানে চলে আসবে। আমি অলরেডি লুক লাগিয়ে দিয়েছি। দেখবে দুই একদিনের ভিতরে তাকে খুঁজে নিয়েছে। এখন এমএলএ সাদিয়ামের ছেলের বোঝে কিডন্যাপ হয়ে গেছে। এই খবরটা উঠতে উঠতে গিয়ে পৌঁছায় হচ্ছে তার অপোজিশন পার্টির ও ব্যাংকের ডাওের কানে। এখন ব্যাংকের ডাও আগে থেকেই তো সুযোগের অপেক্ষায় ছিল যে কিভাবে সাতদিয়ামের নাম খারাপ করা যায়। এখন যেহেতু সুযোগ একটা পেয়েও গেছে তাই সে খবরটা চারদিকে ছড়িয়ে দেওয়ার প্ল্যান বানাচ্ছে। পরবর্তী দিন এদিকে ওই কিস্তিওয়ালা রবির সাথে দেখা করে তাকে বলছিল যে রবিও লোকগুলো একটা প্রমাণ চাচ্ছে। যারা পল্লবীকে কিডন্যাপ করার কন্ট্রাক্ট দিয়েছে তারা। তারা প্রমাণ
হিসেবে এটা দেখতে চাচ্ছে যে মেয়েটাকে সত্যি আমরা কিডন্যাপ করেছি কিনা। তুমি মেয়েটার এমন কোন কিছু নিয়ে আসো যাতে করে এটা প্রমাণ হয় যে মেয়েটা আমাদের কাছে আছে। এদিকে আমরা দুর্গাকে দেখি যে কিনা কবিতা আবৃত্তি করার চেষ্টা করছিল। কারণ ওই যে কানাকার বাবা তাকে একটা শর্ত দিয়ে রেখেছে না যে সামনে ফেস্টিভলে তোমাকে স্টেজ পারফর্ম করতে হবে। তারপরে কানাকার সাথে তোমার বিয়ে দিব। এখন দুর্গার বেসুরা গলা শুনে এদিকে পল্লবী তো তার কানই বন্ধ করে নেয়। সাধে পল্লবী এখানে দুর্গার লাভ স্টোরির ব্যাপারে জানতে পারে যে এরকম এরকম কান্ড যার জন্য দুর্গা কবিতা আবৃত্তি শিখছে ও সময় দুর্গার সহকারী
তাকে এসে বলতে শুরু করে যে দুর্গা ও রবি কোন একটা প্রমাণ চাচ্ছে যে মেয়ে আমাদের কাছে আছে সেইটার দুর্গারা চিন্তার মধ্যে পড়ে যায় এখন কি করা যায় পল্লবীকে গিয়ে বলতে শুরু করে তোমার বাসার লোকজন প্রমাণ চাচ্ছে যে তুমি যে আমাদের কাছে আছো সেইটার এটা শুনে পল্লবীর মাথায় একটা আইডিয়া আসে তার শরীরে গহনাঘাটি যা কিছু ছিল সবগুলো খুলে একটা কাপড়ে নেয় এরপর সেগুলো দুর্গা দিয়ে বলে এগুলো দেখিয়ে দাও তাহলে তারা বিশ্বাস করে নিবে দুর্গাও সাথে সাথে সেগুলো নিয়ে এসে দেয় হচ্ছে নায়ডুকে বলে যাও তোমার শালা রবিকে এগুলো দেখাও তারপরে তো তারা বিশ্বাস করবে তাই না এবার
নায়ডু কি করে রাতে তার জিএফ কে খুশি করার জন্য সব গহনাগুলো নিয়ে এসে তার জিএফকে পড়িয়ে দিয়ে তার সাথে রুমেজ করতে শুরু করে শুধু তাই নয় কাজ চালানোর জন্য এই এতগুলো গহনার মধ্য থেকে একটা গহনা সে তার জিএফকে গিফটও করে দেয় এরপর বাকিগুলো যখন রবিকে দিয়ে দেয় পরবর্তী দিন দেখা যায় রবি কারো বাসার সামনে সামনে এসে দরজা বাড়ি দিচ্ছে। দরজা খুললে আমরা জানতে পারি এটা ছিল মধুরা বাণীর ঘর। আসলে রুবিরও একটা স্বপ্ন ছিল না সে মধুরা বাণীকে পছন্দ করে আর তাকে কোন কিছু একটা গিফট করতে চায়। তো গহনাগুলো হাতে পেয়ে সে দেরি না করে এরই
মধ্য থেকে একটা গহনা নিয়ে এসে মধুবাণীকে গিফট করতে শুরু করে তাকে খুশি করার জন্য। রবির আসলে একটা ইচ্ছে। মধুরাবাণী তাকে আদর করে বাসায় ডেকে তাকে নিজের হাতে চা বানিয়ে খাওয়াক। আর তার সাথে বসে একটু গল্প করুক। অনেক রিকোয়েস্ট রিকোয়েস্ট করে রবি মুদ্রাবাণীকে গহনাটা তো দিতে পারে বাট মুদ্রাবাণী তাকে ভিতরে আসতে দেয় না বলে দেয় এখনো সময় আসেনি এতটা সহজ না আমার হাতে চা খাওয়া বলে গহনাটা নিয়ে সে ভিতরে চলে যায় রবি কি করে বাকি গহনাগুলো যা ছিল সেগুলো কথামত নিয়ে এসে দেয় হচ্ছে ওই কিস্তিওয়ালাকে বলে নাও তোমার প্রমাণ মেয়েটার গহনা তোমার বসকে গিয়ে এগুলো দেখাও
তাহলে প্রমাণ হয়ে যাবে যে মেয়েটা আমাদের কাছে আছে এটা করে রবি চলে যাওয়ার পর দেখা যায় আরেক কান্ড এই কিস্তিওয়ালা সোজা গহনাগুলো নিয়ে এসে পৌঁছে হচ্ছে মুদ্রাবাণীর বাসায় এসে অনেক নরম ভদ্রভাবে মুদ্রাবাণীর সেবাযত্ন করতে শুরু করে। আর এখানে ঘটনা হচ্ছে মুদ্রাবাণী কিস্তিওয়ালাকে তাদের কোম্পানিতে 10 লাখ টাকার একাউন্ট খুলবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। যার পর থেকেই কিস্তিওয়ালা এক প্রকার মুদ্রাবাণীর ভক্ত হয়ে গেছে। এমনকি খুশি হয়ে এও মুদ্রাবাণীকে পল্লভীর গহনাগুলোর মধ্য থেকে একটা গহনা গিফট করে দেয়। এরপর বাকি যে গহনাগুলো ছিল এও নিয়ে গিয়ে সেগুলো পল্লবীর প্রমাণ হিসেবে ওই বিরাওয়ামীকে দিয়ে দেয়। কারণ তাকে তো কন্টাক্ট দিয়েছে বিরাসওয়ামী।
এটা করার পর দেখা যায় আরেক কান্ড। ইরাসের গহনাগুলোর মধ্য থেকে একটা গহনা নিয়ে সোজা এসে পৌঁছায় হচ্ছে মুদ্রাবাণীর বাসায়। গহনাটা তাকে গিফট হিসেবে দিতে শুরু করে। অর্থাৎ বুড়ো মুদ্রাবাণীর উপর ট্রাই মারছে। এখানে একটা বিষয় আমরা বুঝতে পারি মুদ্রাবাণী তার রূপের জাদুতে পুরো এলাকার সবাইকে আসলে বশ করে নিয়েছিল। তো এটা করার পর বিরাসওয়ামে বাকি গহনাগুলো পল্লবের প্রমাণের জন্য গিয়ে ওই মাছওয়ালাকে দিয়ে দেয়। আর আশ্চর্যভাবে দেখা যায় এই মাছওয়ালা গহনাগুলোর মধ্যে কিছু গহনা নিয়ে মুদ্রাবাণীর কাছে এসে পৌঁছে এখন এই মাছওয়ালার কাহিনী হচ্ছে মুদ্রাবাণীর কাছ থেকে সে কিছু টাকা ঋণ নিয়েছিল সে ঋণের টাকার মধ্য থেকে কিছু টাকা
পরিশোধের জন্যই এই গহনাগুলো মুদ্রাবাণীকে দিচ্ছে মুদ্রাবাণী এগুলো নিয়ে নেয় এবার এর মধ্য থেকে বাকি যে গহনাগুলো ছিল মাছওয়ালা ফাইনালি সেগুলো নিয়ে গিয়ে তাকে যে কন্ট্রাক্ট দিয়েছে অর্থাৎ রঘুকে দেয় ইন্টারেস্টিং বিষয় হচ্ছে গোলকধাতার মত এই গহনাগুলো ঘুরতে ঘুরতে রোগুর কাছে শুধুমাত্র পল্লবীর একটা হাতের রিং এসে পৌঁছেছে। বাকি সবগুলো গহনা গেছে কার কাছে? মুদ্রাবাণীর কাছে। অর্থাৎ এটা দ্বারা আমাদের বোঝানো হয়েছে। মুদ্রাবাণী হচ্ছে এই গল্পের মিডপয়েন্ট। যাই হোক এদিকে রঘু পল্লভীর ঋণটা পেয়ে বলে, ঠিক আছে প্রমাণের জন্য এটাই এনাফ। তুমি এখন যাও। বাকি পরে কি করতে হবে তা আমি জানাবো। বলে সে মাছওয়ালাটাকে পাঠিয়ে দেয়। এরপর রঘুকে যে
কন্টাক্ট দিয়েছে তাকে কল করে রঘু বিষয়টা জানায় যে সত্যি কাজ হয়েছে আর পল্লবী তাদের আন্ডারে আছে। তো এরপরে রঘু এই মাছওয়ালাকে আবারও ডেকে তার সাথে যে টাকার ডিলটা হয়েছিল তার কাজে 70 লাখ টাকা তাকে দিয়ে দেয়। সাথে বলে দেয় মেয়েটিকে শেষ করে দাও। আর মেরে কেউ না জানা মত সমুদ্রে ফেলে দাও। তো এই মাছওয়ালা কি করে? এর মধ্য থেকে 50 লাখ টাকা নিয়ে গিয়ে তার যার সাথে গিল হয়েছিল অর্থাৎ গিয়ে বিরাসওয়াকে দেয়। সাথে সেও বিরামীকে বলে যে মেয়েটিকে মেরে তোমাদের ইটের ভাটাতেই তার লাশ ঘুম করে ফেলো। এবার এর মধ্য থেকে ঠিক সেমভাবে বিরাসওয়ামীও তার যার
সাথে ডিল হয়েছিল অর্থাৎ ওই কিস্তিওয়ালা তাকে গিয়ে কথামত 30 লাখ টাকা দিয়ে দেয়। আর কিস্তিওয়ালা গিয়ে তার যার সাথে ডিল হয়েছিল অর্থাৎ রবিকে তার ডিল মতো তাকে 15 লাখ টাকা দিয়ে দেয়। এভাবে আর কি টাকা এবং ইনফরমেশন পাস হতে হতে দুর্গাও দেশে পৌঁছে। দুর্গার সাথে যে ডিলটা হয়েছিল সে অনুযায়ী রবি এসে দুর্গাকে তার কাজের পা লাখ টাকা দিয়ে দেয়। সাথে বলে দেয় মেয়েটিকে শেষ করে আমাকে জানাও। এটা শুনে দুর্গা বলে কি কথা তো এমন হয়নি। এভাবে একটা মেয়েকে কিভাবে মেরে দিব? তোমরা তো বলেছিলে জাস্ট মেয়েটাকে কিডন্যাপ করে তিন চার দিন পাহাড়ে রাখতে। এখন বলছো শেষ
করে দিতে? এই কাজ আমার দ্বারা হবে না। রবি বলে দেখো দুর্গা তুমি আজ পর্যন্ত দোকানে অনেকগুলো মুরগির গলা কেটেছো না। এই কাজটাও ধরে নাও ওরকমেরই। জাস্ট মুরগি মনে করে কেটে দাও। এরপর একটা ফটো নিয়ে এসে আমাকে দাও। আর তার লাশটা ঘুম করে ফেলো। দুর্গা আপাতত রবিকে আর কিছু না বলেই সোজা এসে পল্লবকে টাকাগুলো দেখিয়ে তাকে বলে যে দেখো তোমাকে জানে শেষ করার বদলে এই টাকাগুলো দিয়েছে। এটা শুনে পল্লবী তো একদমই শক্ড। সে মনে করেছিল কেউ হয়তো তার শ্বশুরের কাছ থেকে টাকা খাওয়ার জন্যই তাকে দুর্গাদের দিয়ে কিডন্যাপ করিয়েছে হবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে ঘটনা তো পুরো
উল্টো। কে তাকে কেনইবা শেষ করতে চায়। দুর্গারও এটা মাথায় ঢুকছে না। যাই হোক এই গানে থাকাটা পল্লবীর জন্য সেফ হবে না। দুর্গা সেটা ভালো করে বুঝতে পারছে। যার জন্য আপাতত সে পল্লবীকে এখান থেকে সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করে। সোজা নিয়ে যায় হচ্ছে তার প্রেমিকা কানাকাদের বাসায়। কানাকাদের এখানে পল্লবী সেফ থাকবে। তবে পল্লবী কে আর ঘটনা কি? দুর্গা কানাকাকে এ বিষয়ে কিছু বলে না। জাস্ট এইটুকুই বলে এ না পল্লবী? এ তার দুঃসম্পর্কের আত্মীয় হয়। বাবা মা বিয়ে ঠিক করে ফেলেছে এজন্য বাসা থেকে পালিয়ে এসেছে। এটা শুনে বেচারিক কানাকার মনে মনে তো ভয় ধরে গেছে। কোন এর সাথে
দুর্গার কিছু চলছে না তো? সে এখন কিছু বলে না। পল্লবীকে নিয়ে বাসার ভিতরে চলে যায়। এদিকে কানাকার বাবা তখনো বসে বসে গান করছিল আর লাল পানি টানছিল। দুর্গাকে দেখে ডাক দেয়। বসে পল্লবীর ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করে যে কি? মেয়েটা কে? কোথা থেকে নিয়ে এলে তাকে। দুর্গা কানাকাকে যেরকম বলেছে কানাকার বাবাকেও সেরকম বলার চেষ্টা করে। বাট কথায় কথায় কানাকার বাবা পল্লবীর ফটো একটা বের করে দুর্গাকে উল্টো শখ দিয়ে দেয়। বলে ফটোতে যে মেয়েটাকে দেখছো যে মেয়েটাকে তুমি নিয়ে এলে সেও ঠিক এই মেয়েটার মতোই। যতটুকু আমি জানি এই মেয়ে এমএলএ সাদিয়ামের ছেলের বউ। মেয়েটা নাকি কোথায় ঘুম হয়ে
গেছে। এখন আমি একজন ডিরেকটিভের মত কেসটা সলভ করে এমএল এর হাতে পুরস্কার হাসিল করব। এভাবে বুরু নেশার ঘরে উল্টাপাল্টা বকছে। তবে হ্যাঁ এইটাশির সে এখনো ভালো করে পল্লবীকে চিনতে পারেনি। কারণ প্রচন্ড নেশার মধ্যে ছিল। তাই আপাতত কয়েকদিন পলবীকে এখানে রাখা ছাড়া দুর্গা আর কোন উপায় দেখছে না। পরবর্তী দিনে দুর্গা সোজা তার বস নাইডুর কাছে আসে। এসে তাকে বলে আপনি তো বলেছিলেন মেয়েটাকে জাস্ট কয়েকদিন তুলে নিয়ে এসে রাখার জন্য। কিন্তু এখন তো তাকে জানে শেষ করে দেওয়ার কথা চলছে। আর তাছাড়াও আপনি কি জানেন মেয়েটা কে? এমএলএ সাতমের ছেলের বউ। বিষয়টা আমি কালকেই জানতে পারলাম। এসব শুনে
নাইডু তো নিজেই শকড। আসলে এটা নাইটও জানতো না যে মেয়েটাকে জানে শেষ করে দেওয়ার জন্য তুলে নিয়ে আসতে বলেছে। দুর্গাকে বলে দুর্গা আমি তো এ ব্যাপারে কিছু জানি না। ওই রবি করেছে এসব। চলো গিয়ে তাকে ধরি। তারপরে বিষয়টা জানা যাবে যে এর পিছনে কে কে আছে। ওদিকে আমরা দেখি অপোজিশন পার্টি লিডার ব্যাংকেররাও এমএলএ সাতমের কাছে এসে তাকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে তার মজা নিতে এসেছিল। যে চিন্তা করবেন না আপনার ছেলের বুকে পেয়ে যাবেন। এসবই বলছে আর কি। ঠিক সেই সময় এমএলএ সাতমদের পারিবারিক একজন ডক্টর এসে তাকে বলতে শুরু করে দুটা নিউজ আছে। একটা গুড নিউজ আরেকটা
ব্যাড নিউজ। গুড নিউজ হচ্ছে পল্লবী মা হতে চলেছে। অর্থাৎ কিছুদিন আগে পল্লবী হসপিটাল গেছিল। ওইখানে কিছু টেস্ট করেছিল যেগুলো থেকে ডক্টর জানতে পেরেছে পল্লবী প্রেগনেন্ট। তার গর্ভে যে সন্তানটা আছে সেটা ছেলে সন্তানই। আর ব্যাড নিউজটা হচ্ছে। বিয়ের পরে কিছুদিন আগে করে সাতিয়ামের ছেলের একটা এক্সিডেন্ট হয়েছিল। এক্সিডেন্টের পর সে সুস্থ হয়ে গেছিল। বাট তার রিপোর্ট দেখে ডক্টর এখন জানতে পেরেছে সে দ্বিতীয়বার আর কোনদিনও বাবা হতে পারবে না। অর্থাৎ পল্লবীর গর্ভে থাকা সন্তানই হচ্ছে সাতমদের পরবর্তী বংশের একমাত্র প্রদীপ। যদি পল্লবীকে পাওয়া না যায় আর তার কিছু হয়ে যায় তাহলে সাতমদের বংশ এতটুকুতেই শেষ। পল্লবী যে কিডন্যাপ হয়ে
গেছে ডক্টর সেটা জানে না। সাতমকে বলে তার খেয়াল রাখবেন। কারণ এটা প্রথম এবং একদম শেষ সুযোগ। কারণ আপনার আর কোন ছেলেমেয়েও নেই যে বংশ গিয়ে নিয়ে যাবে। এখন সবকিছু বসে বসে অপোজিশন পার্টির ব্যাংকেরও শুনছিল। এদিকে এসব শোনার পর এমএলএ সাত্যাম তো পুরোপুরি টেনশনের মধ্যে পড়ে যায় যে পল্লবীর গর্ভে তাদের বংশের পরবর্তী প্রজন্ম তাদের একমাত্র ওয়ারিস। যেমন করে হোক তাড়াতাড়ি তাকে খুঁজে বের করতে হবে। পরবর্তী সিনে আমরা দেখি মধুরাবাণী রোগ কাছে এসে তাকে কিছু টাকা দিচ্ছিল। তাদের পার্টিতে একটা সিটের ব্যবস্থা করে দিতে। অর্থাৎ আগে যেমনটা বলেছিলাম মধুরাবাণী পলিটিক্সে আসতে চায়। ঠিক সেই সময় সেখানে দেখা যায়
এমএলএ সাতম রঘুর কাছে আসছে। এখন এমএলএ সাতমকে দেখে রঘু মুদ্রাবাণীকে তাড়াতাড়ি অন্য আরেকটা রুমে লুকিয়ে দেয়। এদিকে সাতমকে দেখা যায় পাগলের মত দৌড়াতে দৌড়াতে রঘুকে সে ধরে। ধরে তাকে বলতে শুরু করে রঘু আমার ভুল হয়েছে। আমার বুদ্ধি ঘাস করতে গিয়েছিল। আমি পাপ করেছি। পল্লবী কোথায় তাকে ফিরিয়ে দাও। রঘু বলে ভাই আপনি শান্ত হন। আপনি তো বলেছেন তাকে শেষ করে দিতে। আমি তো অলরেডি কন্টাক্ট যাকে দিয়েছি তাকে বলে দিয়েছি। এই গান থেকে আমরা বুঝতে পারি এইসবের আসল মাস্টারমাইন্ড অন্য কেউ নয়। বরঞ্চ এমএলএ সাতমি তার ছেলের বউকে মারার জন্য এসব করেছে। আর এখন যখন জানতে পারল পল্লবীর
গর্ভে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম তাই তার পরবর্তী বংশ বাঁচানোর জন্যই রঘুর কাছে ছুট এসেছে। রঘু হচ্ছে এমএলএ সাতমের পার্টির লোক। তার পার্টির হয়ে কাজ করে। সাতম রঘুকে বলে দেখ রঘু জলদি যা পল্লভীকে মারা যাকে কন্টাক্ট দিয়েছিস তার সাথে দেখা করে পল্লভীকে নিয়ে আয়। তার কিছু হলে দেখবি। কিন্তু এটা বলে এমএলএ সাদিয়াম তো চলে যায়। সাথে সাথে রোগ বেরিয়ে পড়ে ওই মাছওয়ালার সাথে দেখা করতে যাওয়ার জন্য। অর্থাৎ যাকে কন্টাক্ট দিয়েছিল। অন্যদিকে আমরা দুর্গা এবং নাইডুকেও দেখি যারাও কিনা রবিকে খুঁজছে যে পল্লবীকে মারার কে কন্টাক্ট দিয়েছে তাকে সেটা বের করার জন্য। এদিকে রঘু মাছওয়ালার কাছে এসে পৌঁছায়। জিজ্ঞাসা
করে পল্লভী কোথায়? তাকে মারার যে কন্টাক্ট দিয়েছি তোমাকে সেটা ক্যান্সেল। তাকে ছেড়ে দাও। মাছওয়ালা বলে ভাই কি বলছো কে এসব? আমি তো মেয়েটাকে শেষ করে দেওয়ার জন্য অন্য কাউকে অলরেডি কন্টাক্ট দিয়ে দিয়েছি। রঘু বলে জলদি তাকে কল করে মানা কর। মাছওয়ালা বলে কিন্তু সে তো মোবাইল ইউজ করে না। অর্থাৎ ওই বড় বিরাসওয়ামির কথায় বলছে। তো রঘু মাছওয়ালাকে নিয়ে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়ে বিরাজমির কাছে যাওয়ার জন্য। অন্যদিকে আমরা দেখি দুর্গা এবং নায়ডু রবির খোঁজ করতে করতে তাকে খুঁজে নিয়েছে। এসে তাকে আচ্ছা মত পেদাতে পেদাতে জিজ্ঞাসা করে যে বলো কাজটা কে দিয়েছিল তোমাকে? মেয়েটাকে মারতে কে বলেছে? মারদর
খাওয়ার পর এক পর্যায়ে রবিও বলে দেয় যে এরকম এরকম এক কিস্তিওয়ালা তাকে অফারটা দিয়েছিল। তো দুর্গার সাথে সাথেই রবিকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে সেই কিস্তিওয়ালাকে গিয়ে ধরার জন্য যে সে কেন পল্লভীকে মারার জন্য কন্টাক্ট দিয়েছে। সেম টাইম এদিকে রঘু এবং ওই মাছওয়ালা বিরাসমির কাছে এসে পৌঁছে। আর বিরাসমীকে জিজ্ঞাসা করলে তারাও জানতে পারে বিরাসম তো অন্য আরেকজনকে কন্টাক্টটা দিয়ে দিয়েছিল। অর্থাৎ ওই কিস্তিওয়ালাটাকেই। ব্যাস দুইদিক থেকে এখন মাঝখানে পড়েছে এই কিস্তিওয়ালা। রঘুঘু পল্লভীকে বাঁচানোর জন্য বেরিয়ে পড়েছে সে কিস্তিওয়ালাকে গিয়ে ধরতে। আর এদিক থেকে দুর্গারা তো যাচ্ছেই। মাঝখানে দেখা যায় সেই কিস্তিওয়ালা তার স্কুটি করে কোন একটা কাজে যাচ্ছিল।
একদিক থেকে দুর্গারা অন্যদিক থেকে রগুরা প্রায় তার কাছাকাছি চলে এসেছিল। কিন্তু তখনই ঘটে যায় আরেক কান্ড। দুর্ভাগ্যবসত একটা ট্রাক তার কন্ট্রোল হারিয়ে সেই কিস্তিওয়ালার বড়সড় একটা এক্সিডেন্ট করিয়ে দেয়। কিস্তিওয়ালা লোকটা দূরে গিয়ে ছুড়ে পড়ে। জায়গায় তার মৃত্যু হয়। দুইদিক থেকে তখনই দুই ঘটনাস্থলে সে পৌঁছে যেত। তো ঠিকই কিন্তু ততক্ষণে খেলা পথে। এদিকে রবি দুর্গাদের বলছে এই কিসিওলায় তো আমাকে কন্টাক্টটা দিয়েছিল। অন্যদিকে বিরাজম রঘুদের বলছে এই কিস্তিওয়ালাকেই তো আমি কন্টাক্টটা দিয়েছিলাম। মানে এখন মাঝখানে তৈরি হয়ে গেছে বিরাট একটা শূন্যস্থান। এর বেশিক্ষণ রগুরা ঘটনাস্থলে দাঁড়াতে যাবে কি। দেখা যায় এদিকে পুলিশের গাড়ি আসছে। তাই দুর্গারা রঘুরা সবাই
তাড়াতাড়ি সেখান থেকে যে যার মত করে কেটে পড়ে। রঘু তো মাছওয়ালা এবং বিরাসমিকে সাইডে নিয়ে গিয়ে অনেক বকাঝকা করছিল। মাছওয়ালাকে বলছে আমি তোমাকে কন্টাক্টটা দিয়েছিলাম। আর তুমি কিনা এই বুড়োকে দিয়ে কাজটা করাতে গিয়েছিলে। ঠিক সেমভাবে মাছওয়ালা বিরাসমিকে বলছে আমি তোমাকে কাজটা করতে বলেছিলাম। আর তুমি কিনা কি করেছো? ওই কিস্তিওয়ালাকে কাজটা দেওয়ার কি প্রয়োজন ছিল? এখানে এদের কথায় কথায় আরো একটা ইন্টারেস্টিং টুইস্ট সামনে আসে। যেটা হচ্ছে এরা একজন একজনের সাথে লিংকের পিছনে হাত রয়েছে মধুরা বাণী। সহজ করে বলছি। যখন রঘুকে এমএলএ সাত্তম পল্লবীকে মারা কন্টাক্ট দিয়েছিল। তখন রোগুর সাথে সেখানে মুদ্রা পানিও ছিল। আর তার সাথে
সে সর্বপ্রথম বিষয়টা শেয়ার করেছিল। এরপর মুদ্রা পানি রঘুকে সাজেস্ট করে তুমি কাজটা এরকম এরকম এই মাছওয়ালাকে দিয়ে করাতে পারো। সো রঘু যখন মাছওয়ালাকে গিয়ে কন্টাক্টার দেয়। তখন মাছওয়ালাও বিরাসওয়ামীর কাছে যাওয়ার আগে মধুরাণীর সাথে গিয়ে দেখা করে। তার কাছ থেকে পরামর্শ চায়। এরপর মধুরাবাণী মাছওয়ালাকে বিরাসওয়া ব্যাপারে সাজেস্ট করে যে তুমি চাইলে একে দিয়ে কাজটা করিয়ে নিতে পারো। ঠিক সেইমভাবে অফারটা পাওয়ার পর বিরাসওয়া মধুরাণীর কাছে আসে। আর মধুরা বাণী তখন তাকে সাজেস্ট করে ওর কিস্তি বলার ব্যাপারে। অর্থাৎ এভাবেই এই ঘটনাটা চলতেই থাকে আর কি। আর এদের সবার একজন একজনের সাথে লিঙ্ক আপের পেছনে মুদ্রাবাণী রয়েছে। তাই পরবর্তী
সিনে রোগুরা সবাই মুদ্রাবাণীর কাছে এসে উপস্থিত। এসে বলতে শুরু করে ওই কিসিওয়ালা তো মারা গেছে। কন্টাক্ট পাওয়ার পর পরামর্শের জন্য আমাদের সবার মতো সেও নিশ্চয়ই তোমার কাছে এসেছিল হবে। তুমি তাকে কাকে সাজেস্ট করেছিলে? পল্লভী কোথায়? তার ব্যাপারে কিছু জানলে বলে দাও। মাদ্রাবণী পরিষ্কার জানিয়ে দেয় যে আমি কিছু জানি না। সে পরামর্শের জন্য আমার কাছে আসেনি। আর তাছাড়াও ওই এমএলএ সাতম কি পাগল হয়েছে নাকি? একবার বলে মেয়েটাকে শেষ করে দাও আবার বলে বাঁচিয়ে দাও। রঘু বলে সবকিছু আমি বুঝি না। যদি এখন গিয়ে ওই মেয়েটার কিছু হয় তাহলে আমরা সবাই ফেসে যাব। সাতম আমাদের কেউ ছাড়বে না।
এদিকে এসব শুনে বিরাসম এবং মাছওয়ালার অবস্থা তো খারাপ। লোভে পড়ে খামাখায় তারা এসবের মধ্যে ফেসে গেল। যাই হোক এদিকে দুর্গা পল্লভীকে গিয়ে বলতে শুরু করে যে লোকটা তোমাকে মারার জন্য রবিকে কন্টাক্ট দিয়েছিল সে কিস্তিওয়ালা এক্সিডেন্ট করে মারা গেছে তুমি এক কাজ করো আমি তোমাকে বাসায় দিয়ে আসছি তুমি বাসায় চলে যাও পল্লভী বলে না এভাবে কেমনে বাসায় চলে যেতে পারি কেউ আমাকে কিডন্যাপ করে কেনবা মারতে চাইবে আমার তো কারো সাথে শত্রুতা নেই এটা খুঁজে বের করতেই হবে তুমি আমার বড় ভাইয়ের মত এতদিন আমাকে প্রটেক্ট করে এসেছো দয়া করে আর এই কাজটাও করে দাও এসবের পিছনে কে
আছে তাকে খুঁজে বের করে পরবর্তী সিনে দুর্গা এবং নায়রু তাদের দোকানে বসে এই বিষয়টা নিয়ে ডিসকাস করছিল। ঠিক তখনই সেখানে দুর্গাদের পরিচিত এই লোকটা এসে তার কাছ থেকে 2000 টাকা ধার চাইতে শুরু করে। দুর্গা যখন তাকে না করে দেয় তখনই দুর্গাদের অনেক রিকোয়েস্ট করতে থাকে। সাথেই লোকটা কথা এখানে ওই কিস্তি বলার ব্যাপারেও জানতে পারে। আর সে কিস্তি বলার ব্যাপারে শোনার সাথে সাথেই এই দুর্গাদের বলতে শুরু করে। লোকটা আমার বসের অনেক খাস একজন লোক ছিল। একদিন তো আমি পিছন থেকে শুনলাম। আমার বসের সাথে সে কোন একটা টাকা ভাকা ভাগির বিষয় নিয়ে কথা বলছিল। সাথে কোন একটা
মেয়ের ব্যাপারেও। এখানে আমরা জানতে পারি এই লোকটার বস হচ্ছে বিরাসওয়ামী। অর্থাৎ লোকটা বিরাসওয়ামীর সাথে ইটের ভাটায় কাজ করতো। আর এর মুখ থেকে বিরাসওয়ামীর ব্যাপারে শোনার পর দুর্গাদের তার উপর সন্দেহ যায়। যেও কিস্তিওয়ালার সাথেই বিরাসওয়ামী এতগুলো টাকা এবং কোন মেয়ের ব্যাপারে কি কথা বলছিল। নিশ্চয় পল্লবীর ব্যাপারে হবে। এই সন্দেহের বসে দুর্গার সাথে সাথে বিরাসমীর খুঁজে। সে যে ইটের ভাটায় কাজ করতো সেখানে সে পৌঁছায়। ওইখানে গিয়ে সে বিরাসওয়ামীকে পেয়েও যায়। ধরে তাকে পল্লবের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করতে শুরু করলে যে মেয়েটাকে মারার কন্টাক্ট তোমাকে কে দিয়েছে? এরা শোনামাত্র বিরাম দুর্গাকে পুলিশের লোক মনে করে সেখান থেকে দৌড়ে পালাতে শুরু
করে দেয়। দুর্গা অনেক করে তার পিছু নাই। বিরাসম ইটের ভাটার উপরে উঠে পালানোর চেষ্টা করলে এক পর্যায়ে গিয়ে দুর্ভাগ্যবসত ইটের ভাটার উপর থেকে পড়ে বিরাসম ইটের নিচে চাপা পড়ে জায়গায় মৃত্যু হয়। মানে দুর্গার হাত থেকে এ প্রমাণটাও গেল। টেনশনের মধ্যে পড়ে যায়। এবার কিভাবে সে বের করবে যে পল্লবীকে কে মারতে চায়। অন্যদিকে আমরা অপোজিশন পার্টির ব্যাংকেটা ওকে দেখি যে কিনা তার লোকদেরকে ডেকে বলছিল ওই পল্লবীকে খুঁজে বের করো আর যেখানে পাও তাকে জায়গা শেষ করে দাও কারণ তার গর্ভে সাতিয়ামের ওয়ারিস রয়েছে আগে গিয়ে সাতিয়ামের ওয়ারিসই তার মত সবকিছুর দায়িত্ব নিবে তখন আমার কি হবে আমার
ওয়ারিসের কি হবে ব্যাংকের রাওয়ের কথামত তার লোকগুলো পলবীর ফটো নিয়ে বেরিয়ে পড়ে তাকে খোঁজার জন্য পুরো গ্রামে ঘুরে ঘুরে পলবীর ফটো দেখিয়ে সবাইকে জিজ্ঞাসা করছে এরই মাঝে রাস্তায় কানাকার বাবার সাথে দেখা হলে তারা কানাকার বাবাকে কেও পলবীর ফটো দেখিয়ে জিজ্ঞাসা করে। এখন কানাকার বাবা পল্লবীর ফটো দেখা মাত্র বলে উঠে, আরে এই মেয়ে তো আমার বাসাতেই আছে। এটা বলে সে এদের গাড়িতে উঠে তাদেরকে তার বাসার দিকে নিয়ে যেতে শুরু করে। এখন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এই বিষয়টা দেখে নে হচ্ছে দুর্গা। আর এসব দেখে সে বুঝে যায় নিশ্চয় কোন একটা গর্বর হতে চলেছে। দুর্গা তাড়াতাড়ি তার বাইক
ঘুরিয়ে এদের যাওয়ার আগেই সে কানাকার বাসায় গিয়ে পৌঁছে। আর পিছনের দরজা দিয়ে পল্লবীকে নিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। এদিকে কানাকার বাবা গুন্ডাগুলোকে নিয়ে বাসায় আসলেই কানাকাও বিষয়টা বুঝে নেয়। যার কারণে কানাকাও নাটক করতে শুরু করে যে কই এখানে তো আমি ছাড়া অন্য আর কোন মেয়ে নেই। বাবা তুমি নেশার ঘুরে এতটাই ডুবে থাকো না। কখন কাকে কি বলো কি করো সেগুলো তুমি নিজে জানো না। এভাবে কানাকা গুন্ডাগুলোর সামনে নাটক করে যাতে তাদের সন্দেহ না হয়। এরাও এক পর্যায়ে গিয়ে মনে করে নেয় এ বুড়ো নিশ্চয় নেশার ঘুরে মাতলামি করছিল। শুধু শুধুই তাদের টাইম ওয়েস্ট হলো। এটা বলে
তারা সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। এর পরবর্তী দৃশ্যে দুর্গারা যখন দোকানে ছিল তখনই নাইডুর জিএফ লতা তার জন্য খাবার নিয়ে আসে। দুর্গা নাই জিএফ এর গায়ে একটা গহনা দেখে একদমই শখ হয়ে যায়। কারণ গহনাটা ছিল পল্লবীর। সাথে সাথে নাইরুকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে ঘটনা কি? এই গহনা এর কাছে কিভাবে এল? নায়রু সত্যিরা বলে দেয় যে তুমি যখন গহনাগুলো নিয়ে এসে আমায় দিয়েছিলে তখনই আমি এর মধ্যে থেকে একটা সরিয়ে নিই। আর লাইন ক্লিয়ার করার জন্য লতাকে গিফট করে দিই। দুর্গা বলে প্রমাণের জন্য তখন গহনাগুলো আমাদের সবার হাত দিয়ে যেতে যেতে নিশ্চয় ওই কিস্তিওয়ালা অব্দি গিয়েছিল। এরপর সেগুলো কার
কাছে ট্রান্সফার করে এটা বের করতে পারলেই আমরা কালপিটকে পেয়ে যাব। এটা ভেবে দুর্গা কিস্তিওয়ালার ঠিকানা বের করে তার বাসার বাইরে গিয়ে নজর রাখতে শুরু করে। ঠিক তখনই দেখা যায় কিসিওয়ালার বাসায় তখন মধুরা বাণী এসেছিল তার ফ্যামিলিকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য। মধুরাবাণী এই কিসিওয়ালা বউ এবং তার ছেলেকে সান্ত্বনা টান্তনা দিয়ে এখান থেকে বেরিয়ে পড়ে। আর তখনই তার উপর নজর যায় দুর্গাদের। লুকিয়ে লুকিয়ে তারা মুদ্রাবাণীর উপর নজর রাখছিল। তারা মুদ্রাবাণীকে ফলো করতে শুরু করে যে সে এখানে কেন কি উদ্দেশ্যে এসেছে এসবের সাথে তার কোন সম্পর্ক আছে নাকি? এদিকে মুদ্রাবাণী ততক্ষণে বাসায় চলে আসে। আর এখানে আমরা জানতে পারি
সেও আসলে এটা বের করতে চাইছিল পল্লভী বর্তমানে কার কাছে আছে। ও কিস্তিওয়ালা পল্লবীকে কিডন্যাপ করার কন্ট্রাক্টটা কাকে দিয়েছিল? মধুরাবাণী এটা কিন্তু জানে না। তাই ওইটা সে বের করার চেষ্টা করছে। সাথে এখানে মধুরা বাণীর কানে রঘুর ওই কথাটা বারবার আসছিল যে সে যদি ফাসে তাহলে সে কাউকে ছাড়বে না। এমএলএ সাতম তাদের সবাইকে শেষ করে দিবে। এখন মধুরাবাণী এসব থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য প্ল্যানিং করে গিয়ে হাত মিলায় হচ্ছে অপোজিশন পার্টি লিডার ওই ব্যাংকেডাও এর সাথে। মুদ্রাবাণী ব্যাংকেও এসে বলতে শুরু করে ওই সাত্তিয়ামের পার্টিকে সরিয়ে তোমার পার্টিকে জেতানোর জন্য আমার কাছে দারুন একটা প্রমাণ আছে আমি তোমাকে পরবর্তী
ইলেকশনে জেতাতে পারব কিন্তু এর বদলে তুমি কি দিবা আমায় এটা বলতে সিন একটু করে ফ্ল্যাশব্যাকে নিয়ে যায় একদিন মধুরাবাণী রঘুশায় দেখা করতে তার অফিসে গেলে তার যাওয়ার পর পরই সেখানে রঘুশাহ দেখা করতে এমএলএ সাতম আসছিল সাতমকে দেখে মধুরাবাণীকে বলে তুমি তাড়াতাড়ি ও রুমটাতে গিয়ে লুকিয়ে পড়ো কারণ সাতম দেখলে সমস্যা এখন এখন মুদ্রা বাণীর রুমটাতে গেলে দেখে রোগ আসলে এই রুমের দেওয়ালটা একটু করে ফুটো করে সেখানে একটা ক্যামেরা সেটিং করে রেখেছিল। যেটার মাধ্যমে সে বড় বড় যতগুলো নেতার সাথে এখানে কথাবার্তা হয় সবগুলো গোপনে রেকর্ড করে রাখে। পরবর্তীতে প্রমাণের জন্য আর কি। এই ঘটনাটা হচ্ছে সাত্তিয়াম পল্লভীকে
তার ছেলের বউ করে নিয়ে যাওয়ার পর পরেই। তো সাত্তিয়া এসে রঘুকে বলছিল। ইলেকশন জেতার জন্য প্ল্যানিং করে ওই বস্তির মেয়েটাকে ছেলের বউ বানিয়ে ইলেকশন তো জিতে নিয়েছি। কিন্তু এই বস্তির মেয়ে যে আমার বাসায় আমার সোফায় আমার টেবিলে বসে আমার সাথে খাওয়া-দাওয়া করে। এটা দেখলে আমার গা জ্বলে কিন্তু কিছু করতে পারছি না। রঘু ওই মেয়েটাকে শেষ করে দাও তুমি। কখন কিভাবে তা পরে জানাবো। এরপর আমার ছেলের জন্য ধনী পরিবারের আরেকটা মেয়ে নিয়ে আসবো। এভাবে সাতম তার লোক রঘুকে এসব বলে সেখান থেকে চলে যায়। কিন্তু এদিকে ওই রুমে বসে ক্যামেরার মাধ্যমে সবকিছু মধুরা বাণী শুনে নিয়েছে। এমনকি
সে রঘুর না জানার মত ক্যামেরার ক্যাসেটটা চুরি করে নিয়ে নেয়। যাতে পরবর্তী সে কোন একটা চাল চালতে পারে। সিন প্রেজেন্টে এসব কিছু জানতে পেরে অপোজিশন পার্টির ব্যাংকেররাও তো মহাখুশি। কারণ এবার তারা সাতমকে হাতে নাতে ফাঁসাতে পারবে। পরবর্তী সিনে দেখা যায় মধুরা বাণী বাসায় এসে রবিকে তার বাসায় ডেকেছে। কারণ মধুরা বাণী বুঝে নিয়েছিল। পল্লভীর কিডন্যাপের পিছনে রবিও জড়িত আছে। তো মধুরা বাণী রবির চাওয়া মতো তাকে বাসার ভিতরে ডেকে সোফায় বসিয়ে তাকে নিজের হাতে চা বানিয়ে খাওয়ায়। সাথে বলে আমি জানি পল্লভী তোমাদের কাছে আছে। এক কাজ করো তাকে জানে শেষ করে দাও। রবি বলে আরে পল্লভী যে
আমাদের কাছে আছে সেটা তুমি কিভাবে জানলে? মধুরা বাণী বলে তুমি আমাকে যে গহনা গিফট করেছ সেটা যে পল্লবীর ওটা আমি আগে থেকে জানি। এখন আমার কথামতো যদি পল্লবীকে শেষ করতে পারো তাহলে প্রত্যেকদিনই তোমাকে আমি আমার বাসায় ডেকে নিজের হাতে চা বানিয়ে খাওয়াবো। তো মুদ্রাবাণীকে পাওয়ার আশায় এই রবি কি করে? ওই রাতে কানাকাদের বাসায় যায় পল্লবীকে শেষ করতে। আসলে দুর্গা পল্লভীকে কানাকার বাবা না জানার মতো ওই গুন্ডাগুলো চলে যাওয়ার পর আবারও কানাকাদের বাসায় দিয়ে গেছিল। এখন রবি একটা ছুরি বের করে পল্লভীকে মারার চেষ্টা করছিল। কানাকারা এদিকে তাকে আটকানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু রবিকে কেউই থামাতে পারছে না।
এক পর্যায়ে গিয়ে সে পল্লভীকে মারতে যাবে কি? তখনই সে এখানে দুর্গা চলে আসে। রবিকে ধরে নেয়। মারথর করে শান্ত করে তাকে জিজ্ঞাসা করে যে পল্লবীকে মারার জন্য তোমায় কে বলেছে? রবি যখন মুদ্রাবাণীর কথা বলে তখন দুর্গার তাকে বোঝায় যে মহিলা কোন সাধারণ মহিলা না একজন ছলনাময়ী নাগিন এ তার স্বার্থ হাসিল করার জন্য তোমাকে ইউজ করছে তার ফাঁদে পা দিও না রবিও তার ভুল বুঝতে পেরে পল্লভীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয় তবে তাদের সবার একটাই ভয় রবি না হলেও তারা অন্য কাউকে দিয়ে পল্লবীকে মারার চেষ্টা করবেই এখন এইটার জন্য তারা সবাই মিলে একটা প্ল্যান বানায় যে প্ল্যানটা
হচ্ছে মুভির শুরুতে আমরা যেরকমের দৃশ্যটা দেখেছিলাম অর্থাৎ কতগুলো গুন্ডা একটা মেয়েকে মারার জন্য তারা করছিল আর সুযোগ বুঝে গলা কেটে তাকে হত্যাও করে। আসলে এটা ছিল দুর্গা পল্লভী। তাদের সবারই মিলিত একটা প্ল্যান। পল্লবীর গলায় রং লাগিয়ে বিষয়টা এমনভাবে তারা সাজায় যাতে করে মনে হয় যেন পল্লবীকে মেরে দিয়েছে। এরপর এভাবে পল্লবীর একটা ফটো তুলে তারা। রবিকে দিয়ে সেটা মধুরা বাণী অব্ধ পৌঁছে দেয়। যাতে করে তারা মধুরা বাণীর উপর নজর রেখে তার কাছ থেকে এটা বের করতে পারে যে এসবের সাথে তার সম্পর্ক কি? এখন রবির কাছ থেকে এসব প্রমাণগুলো নিয়ে মধুরা বাণী পরবর্তী সিনে সোজা এসে দেখা
করে হচ্ছে। ব্যাংকের রাওয়ের সাথে এসে তাকে সব প্রমাণগুলো দেখাতে শুরু করে। এদিকে দুর্গারা মধুরা বাণীকে ফলো করতে করতে এটুকু অব্দি চলে এসেছিল। আর এসব দেখে তারা বুঝেও গেছে। তাহলেই অপোজিশন পার্টির ব্যাংকেও এসবের সাথে জড়িত। এদিকে মদ্রুরা বাণী ব্যাংকেও ওই ভিডিওগুলো দেখায়। যেগুলো এমএলএ সাদ্দিয়াম রঘুর সাথে মিলে পল্লভীকে শেষ করে দেওয়ার প্ল্যানিং বানাচ্ছিল। অর্থাৎ রঘু গোপন ক্যামেরা দিয়ে সবকিছু রেকর্ড করে নিয়েছিল না। তো ফুটেজটা তো মুদ্রাবাণী তার সাথে নিয়ে নিয়েছিল। আর এখন রবিকে কাজে লাগিয়ে পল্লভীকেও শেষ করে দিয়েছে। পল্লভীকে শেষ করে এই ফুটেজগুলোকে কাজে লাগিয়ে এর মধ্যে এমএলএ সাত্যায়ামকে এমনভাবে ফাঁসি দিবে যাতে করে রাজ্য তাদের
দখলে চলে আসে। অর্থাৎ এই মুদ্রাবাণীর ছোটখাটো কোন হাত মারতে চায় না। সে যেহেতু সুযোগ একটা পেয়েছে তাহলে বড় কোন হাত মারতে চায়। এর আগে তারা এসবের আরো একটা প্রমাণ। অর্থাৎ রঘু তাকেও শেষ করে দিবে। মুদ্রাবাণী এখন ব্যাংকেটাওকে তার ইশারা মতো চালাচ্ছে। ব্যাংকেও মুদ্রাবাণীর কথামত তার লোকজনদেরকে লাগিয়ে দিয়েছে রঘুকে খুঁজে বের করে শেষ করে দেওয়ার জন্য। দেখা যায় ব্যাংকেও লোকজন রঘুকে শেষ করার জন্য তার পিছনে লেগে গেছে। আর মুদ্রাবাণীকে ফলো করতে করতে এসবের ব্যাপারে দুর্গাও জানতে পেরে রঘুকে এবং শেষ প্রমাণটাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য দুর্গাও তাদের পিছন পিছন ছুটে যায়। ব্যাংকের ড্রায়ের লোকজন যখন রঘুকে ধরে মারতেই
যাচ্ছিল তখনই সেখানে দুর্গা এসে হাজির। দুর্গা একজন একজন করে গুন্ডাগুলোকে সবাইকে মেরে ধরে রঘুকে সেখান থেকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসে। তাকে তাদের আস্থানে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করে যে বলো এসবের সাথে তোমার কানেকশন কি? কেন এবার পল্লভীকে মারতে চায়? আর এখন তোমাকেও রুগু আর না পেরে দুর্গাদের সবকিছু বলে দেয় যে পল্লভীকে এরা না প্রথমে তার নিজের শ্বশুর এমএলএ সাতমেই তাকে মারার প্ল্যান বানিয়েছিল। কিন্তু পল্লভী প্রেগনেন্ট হওয়ায় তাদের পরবর্তী ওয়ারিসকে বাঁচানোর জন্যই এমএলএ সাতম আবারও প্ল্যানটা ক্যানসেল করে দেয়। আর এখন সেই প্ল্যানের মধ্যে আমরা সবাই জড়িয়ে গেছি। যে যে যার স্বার্থ হাসিল করার জন্য এখন উঠে পড়ে লেগেছে।
এ সবকিছু জানার পর দুর্গা গিয়ে পল্লবীকে সবকিছু খুলে বলে যে তোমার আসল কালপিট তোমার নিজের শ্বশুরি। কিন্তু পল্লবী এটা কিছুতেই বিশ্বাস করতে চাইছে না। যার জন্য দুর্গা আবার রঘুকে এসে বলে যে পল্লবী তো বিশ্বাসই করছে না। তোমার কাছে এমন কোন কি প্রমাণ আছে? যেটা দ্বারা বোঝা যাবে তার শ্বশুরি তাকে মারার প্ল্যান বানিয়েছিল। এটা বলতেই রঘুর তার লাগানো ওই গোপন ক্যামেরার কথা মনে পড়ে। সাথে এটাও যে আচ্ছা। তার মানে মধুরাবাণী ওদিন ক্যামেরার সবকিছু দেখে নিয়েছিল। আর নিশ্চয়ই সেই ক্যামেরার ফুটেজটা চুরি করে। এসব কিছু নিয়ে ব্যাংকেটরা সাথে মিলে প্ল্যান বানাচ্ছে। অন্যদিকে আমরা দেখি ব্যাংকেট রাও মধুরাবাণীকে ব্যাগ
ভর্তি টাকা দিচ্ছে। এতগুলো ইনফরমেশন এনে দেওয়ার বদলে। সাথে বলছে কালকে মিডিয়াকে দেখে সব প্রমাণগুলো দেখিয়ে এ সাতমের বারোটা বাজাবো। সিন শিফট হয়ে যায় পরবর্তী দিন। কথামত ব্যাংকেট পেপারের মধ্যে এই নিউজটা ছাপিয়ে দিয়েছে যে এমএলএ সাত্তিয়া আমি প্ল্যানিং করে তার নিজের ছেলের বুকে কিডন্যাপ করে তার মার্ডার করেছে। সবকিছুর প্রমাণ সহ মিডিয়ার সামনে সবকিছু লাইভ দেখানো হবে। সকল মিডিয়াওয়ালাকে আমার বাসায় আসার আমন্ত্রণ রইল। এখন ব্যাংকের এই নিউজ মোতাবেক মিডিয়ার সব লোকজন এসে ব্যাংকের বাসায় জড় হয়েছে। ব্যাংক এড্র প্রমাণ হিসেবে সবাইকে ওই ভিডিও ফুটেজগুলো দেখাতে যাচ্ছিল কি? অর্থাৎ রোগ গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে যে ভিডিওগুলো করেছিল আর কি। সাতম
যে তাকে কন্টাক্ট দিতে এসেছিল মধুরা পানি সে ফুটেজগুলো নিয়ে সে ব্যাংকেও দিয়ে দিয়েছে এখন ব্যাংকেও যখনই মিডিয়ার সামনে এসে ফুটেজগুলো অন করতে যাচ্ছেই তখনই দেখা যায় ফুটেজগুলোতে তো কিছুই নেই সবকিছুই খালি কোন একটা গর্বর বুঝতে পেরে ব্যাংকেও মিডিয়াওয়ালাদের বলে টিভিতে সিগনাল প্রবলেম দিচ্ছে তোমরা সবাই পরে আসিও এখন মিডিয়ার এই সবগুলো লোক ব্যাংকেটের এখানে কিছু না পেয়ে তারা সোজা ছুটে যায় এমএলা সাতমের বাসায় তার মুখ থেকে সত্যতা শোনার জন্য সবাই সে সাত্তমের বিরুদ্ধে একটা দাবি তোলে যে তুমি তোমার ছেলের বউয়ের কিডন্যাপ করে তার মার্ডার করিয়েছো। এরকমটা বলতে এমএলএ সাত্যাম হেসে বলে, আরে তোমরা কি পাগল হয়েছো?
আমার বিরোধী দলের লোক একটা বলে দিয়েছে আর তোমরা সেটা মেনেও নিয়েছো। যদি আমি আমার ছেলের বউয়ের কিডন্যাপ করে তার মার্ডার করে দিই তাহলে এইটা কে? বলে সে ভিতর থেকে তার বৌমাকে ডাক দেয়। আর আমরা দেখি ভিতর থেকে চায়ের ট্রেনিং পল্লভী বেরিয়ে আসে। এখানে চলে আসে মুভির জবরদস্ত আরেক টুইস্ট। এখানে সিনেমাদের আবারো কাল রাতের একটু ফ্ল্যাশব্যাকে নিয়ে যাই। এইটাই দেখানোর জন্য যে পল্লবী এখানে কিভাবে এলো আবার। তো কাল রাতে দুর্গারা সবাই মুদ্রাবাণীর ব্যাপারে জানার পর রঘু দুর্গা তারা সবাই মুদ্রাবাণীর কাছে ছুটে আসে। এসে দুর্গা তাকে অনেক বকাঝকা করে যে তুমি সামান্য নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য
একটা মেয়ের জীবন নিতে চাচ্ছো। সাথে এতগুলো লোককেও এসবের মধ্যে ফাঁসি দিয়েছো। কিছু ভিডিও ফুটেজের বলেই তো তুমি উঠছো। তাইতো? চলো তোমাকে তোমারই নিজের কিছু ভিডিও দেখা এবার। বলে দুর্গা মধুরবাণীকে কিছু ফুটেজ দেখাতে শুরু করে। যে ভিডিওগুলো আসলে রোগ চুপি চুপি বানিয়েছিল যেখানে মুদ্রাবাণী সবাইকে কল করে করে বলছিল পল্লবীকে কিডন্যাপ করার কথা অর্থাৎ মাছওয়ালা কিস্তিওয়ালা বিরাসওয়ামী তাদের সবাইকে একজন একজনের সাথে লিংক আপ করয়েছিল না ওই ফুটেজটাই দুর্গা বলে তুমি একজনে যদি আমাদের সবাইকে ফাসাতে পারো তাহলে আমরা সবাই মিলে তোমাকেও ফাসাতে পারি তাই এমএলএ সাতমের ওই ফুটেজটা ব্যাংকেটাওকে না দিয়ে সেটা আমাদেরকে দিয়ে দাও বলে দুর্গার মধুরাণীর
কাছ থেকে ভিডিওটা নিয়ে নেই সাথে বলে দে ব্যাংকে খালি খালি একটা ফুটেজ দিয়ে দেওয়ার জন্য যেখানে কিছুই থাকবে না। এভাবেই দুর্গারা পুরো প্ল্যানটা সাজায়। সাথে ফুটেজগুলো নিয়ে এসে পল্লবীকেও দেখায় যে তোমার শ্বশুরই তোমাকে মারার প্ল্যান করেছিল। দুর্গা পল্লবীকে তার নিজের ভাইয়ের মতো বলে দেখো বোন। মাছি তোমার শ্বশুর প্রথমে তোমাকে মারার প্ল্যান বানিয়েছিল ঠিকই। কিন্তু পরবর্তীতে যখন জানতে পারলো তুমি প্রেগনেন্ট। তখন তোমাকে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। আর এখন আমার কথা হচ্ছে তুমি সোজা তোমার শ্বশুর বাড়ি ফিরে যাবে। তারা কেউ তোমাকে আর কিছু করতে পারবে না। সাথে তুমিও এমন একটিং করবে তাদের সামনে যেন তুমি এসবের ব্যাপারে
কিছু জানো না। এরকমটা করলে তোমার সংসার আগের মতো হবে। এভাবে আর কি দুর্গারা পল্লভীকে আবার তার শ্বশুর বাড়িতে নিয়ে আসে। প্রেজেন্টে দেখা যায় এমএলএ সাদিয়াম রঘুকে ডেকে তাকে বসিয়ে বলছিল। জানিনা আমার মাথায় কেন এত অহংকার ঢুকে গেছিল। কত বড় একটা পাপ করতে যাচ্ছিলাম আমি। মেয়েটার যে কিছু হয়নি তার জন্য লাখ লাখ শুকরিয়া। এখন একটাই রিকোয়েস্ট রইল এ ব্যাপারে যেন সে কিছু জানতে না পারে। আর তাছাড়াও মনে তো হয় এই বিষয়ে আমি আর তুমি ছাড়া অন্য কেউ তো জানে না তাই না? রোগু বলে ভাই ঘটনা ঘটে গেছে। আসলে একজন থেকে একজন একজন থেকে আরেকজন এভাবে করতে
করতে কন্টাক্টটা অনেকজনের হাতে চলে গেছিল। আর এসবের মধ্যে অনেকগুলো লোক ইনভল্ভ হয়ে গেছে। এটা বলে সে যারা যারা এসবের মধ্যে ইনভল্ভ ছিল সবাইকে ডাক দেয়। যেমন নায়ডু, মাছওয়ালা, রবি, দুর্গা সবাইকে। তো দুর্গারা সবাই মিলে এমএলএ সাতমকে বোঝায় যে দেখুন স্যার হতে পারে পল্লবী ছোট জাতের মেয়ে। কিন্তু তার মধ্যে যে গুণগুলো রয়েছে এত সহজ সরল একটা মেয়ে সেটা আপনি সারাজীবন অন্য কোথাও আর খুঁজে পাবেন না। তাকে স্বয়ং উপরও বলে রক্ষা করছে। না হয় দেখুন না এত কিছু হয়ে যাওয়ার পরও তার একটু কিছু হয়নি। মেয়েটার টেক কেয়ার করুন স্যার। এভাবে তার অনেক সুন্দর করে সাতমকে বোঝায়। সাতমও
তার ভুল বুঝতে পেরে পল্লবীকে বুকে টেনে নেয়। আর ফাইনালি এদিকে কানাকার বাবাও দুর্গার এত সাহসিকতা এবং এত উদারতা দেখে কানাকার সাথে তার বিয়েটা ফাইনাল করেই দেয়। কোন রকমের কোন সংস্কৃতিক গান কবিতা আবৃত্তি এগুলো কিছুতে অংশগ্রহণ নেওয়া ছাড়াই দেখতে দেখতে মুভিটাও এখানেই শেষ হয়। আসলে মুভিটা দ্বারা আমাদের এটাই বোঝানো হয়েছে সমাজে এমন এমন কিছু কূটনীতিশীল লোক আছে যারা কিনা শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য সহজ সরল মানুষদের কাজে লাগিয়ে কত কিছুর মধ্যে ফাঁসিয়ে দেয়। আর স্বার্থ হাসিল হয়ে যাওয়ার পর জাত ধর্ম ধনী গরীব এসবের ভেদাভেদ করে তাদের দূরে ছুড়ে মারে। এজক অলরেডি ভিডিও বেশি বড় হয়ে গেছে
তার বেশি কিছু বলছি না। ভিডিওতে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট, শেয়ার আর চ্যানেলটাকে সাবস্ক্রাইব করে দিয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।