আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন আর আপনারা দেখছেন এমডি ভয়েস টিভি বন্ধুরা আজকের এই ভিডিওতে আমরা বলব যে মৃত্যুকে কথা বলানো একজন জাদুকর ও আল্লাহর একজন অলির বিষয়কর ঘটনা যা শুনে আপনার মন ছুয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ তাই ভিডিওটি একবারে শেষ পর্যন্ত দেখবেন হযরত আব্দুল্লাহ শাহ বরুজ রহমাতুল্লাহি আলাই ছিলেন লাহোরের একজন বিখ্যাত ও জ্ঞানী বুজুর্গ ব্যক্তি তার আস্তানার নিকট একজন কৃষক বসবাস করতো সেই কৃষকের বাড়ির কাছে একটি কুয়া ছিল একদিন সেই কৃষক হযরত আব্দুল্লাহ শাবুরুজ রহমাতুল্লাহি আলাইহির কাছে এসে বললেন হুজুর আমার ছেলে খুবই অসুস্থ আপনি মহান আল্লাহতালার নিকট দোয়া করুন যেন আমার ছেলেটি খুব
দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে তখন হযরত আব্দুল্লাহ শাহ বুরুজ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বললেন তুমি তোমার ছেলেকে ওই কুয়ার পানি দিয়ে গোসল করাও ইনশাআল্লাহ সে খুব দ্রুত ভালো হয়ে যাবে আমি ওই পানিতে মহান আল্লাহতালার নাম দিয়েছি যে ব্যক্তি এই পানি ব্যবহার করবে তার কোন অসুখ থাকলে মহান আল্লাহতালার কুদরতে তা ভালো হয়ে যাবে আর এভাবেই তার শেফা মিলবে তখন হুজুরের কথামতো সেই কৃষক সেখান থেকে তার বাড়ি যায় আর তার ছেলেকে সেই পানি দিয়ে গোসল করায় এবং আল্লাহতালার কুদরতে সে দ্রুত ভালো হয়ে যায় এই ঘটনার পর থেকে সেই গ্রামের লোকেরা তাদের অসুখ হলে এই পানি ব্যবহার করতো এবং মহান আল্লাহতালার
কুদরতে খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতো এবং শিফা মিলত কোন এক বর্ণনায় এসেছে একবার একজন জাদুকর এক জিনকে তার কবজায় নিয়ে নেয় তারপর সেই জাদুকর ওই জিনকে মাটির নিচে বন্দি করে রাখে এবং তাকে দিয়ে যে কাজ করার দরকার তা করিয়ে নিত ঠিক যে সময়ে আব্দুল্লাহ শাহ বুরুজ রহমাতুল্লাহি আলাইহির নাম ছড়িয়ে পড়ে তিনি ছিলেন একজন বুজুর্গ আর পরহেজকার বান্দা তিনি সবসময় ইবাদতে মশগুল থাকতেন এবং মানুষের মাঝে ইসলামের জ্ঞান ছড়িয়ে দিতেন এর পাশাপাশি সেই জাদুকরের নামও ছড়িয়ে পড়ে সে জাদুকর জাদু দিয়ে অনেক অসম্ভব কাজ করতে পারতো তার সবথেকে অদ্ভুত জাদু ছিল সে জাদু বলে মৃত মানুষের সঙ্গে কথা
বলতে পারতো এবং এই কারণে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তার নাম ছড়িয়ে পড়ে আর সেই জাদুকর অনেকেই তার শিষ্য বানিয়ে নেয় যে ব্যক্তির ইচ্ছে হতো সে তার পূর্বপুরুষদের সঙ্গে কথা বলবে তখন ওই ব্যক্তি জাদুকরের নিকট আসতো এবং তার ইচ্ছার কথা জাদুকরের নিকট বলতো তার ইচ্ছা শোনার পর জাদুকর তাকে মাটির নিচে রাখা জিনের নিকটে নিয়ে যেত এরপর সে জিনের সাহায্যে তার ইচ্ছা পূরণ করতো আর সে ব্যক্তি ভেবে নিত যে সে তার মৃত পূর্বপুরুষদের সঙ্গে কথা বলছে এভাবে চলতে চলতে এই জাদুকরের সাহস অনেক বেড়ে যায় একদিন সেই জাদুকর হযরত আব্দুল্লাহ শাহ বুরুজ রহমাতুল্লাহি আলাইহির নিকটে আসে এবং বলে
এই ফকির তুমি অনেকদিন ধরে এখানে রয়েছো এবং অনেক শিষ্য জুটিয়েছো যদি আমাকে মোটা অংকের টাকা দাও তবে আমি চুপ করে থাকবো আর তা না হলে তোমার ধান্দা আমি চিরতরে বন্ধ করে দেব আর কেউ কোনদিন তোমার নিকটে আসবে না জাদুকরের এই বেয়াদবি সকল সীমা ছাড়িয়ে যায় আর এই বেয়াদবি দেখে আব্দুল্লাহ শাহ বুরুজ রহমাতুল্লাহি আলাইহির শিষ্যরা অনেক রেগে যায় কিন্তু হযরত আব্দুল্লাহ শাহ বুরুজ রহমাতুল্লাহি আলাই কিছুই বললেন না বরং তিনি কিছুটা মুচকি হাসলেন এরপর এক শিষ্যকে বললেন একে দশটি মোহর দিয়ে দাও আর চলে যেতে বলো এই কথা শুনে হুজুরের শিষ্যরা খুবই অবাক হয়ে গেল এবং তার কথা
মতো সে জাদুকরকে দশটি মোহর দিয়ে দিল কিন্তু জাদুকর মাত্র দশটি মোহর নিতে অস্বীকার করে সে আশা করেছিল যে সে হয়তো আরো অনেক বেশি মোহর পাবে যদিও সে সময়ে দশটি মোহরের মূল্য অনেক ছিল কিন্তু জাদুকর তা নিতে চায়নি কারণ সে যখন দেখল এত সহজেই দশটি মোহর পাওয়া যাচ্ছে সুতরাং আরেকটু চাপাচাপি করলে মোহরের পরিমাণ আরো বাড়বে তাই সে লোভের বসে মোহর নিতে অস্বীকার করে উল্টো সে আরো দম্ভ নিয়ে বলতে থাকে তুমি তো একজন ফকির পারলে তুমি তোমার একটি কেরামতি দেখাও আমিও তোমাকে আমার কেরামতি দেখাবো আমি যদি জয়ী হই তবে তুমি আমার শিষ্য হয়ে যাবে এবং আজীবন আমার
গোলামী করবে কেননা আমি 100 বছর পূর্বের মৃত মানুষের সঙ্গেও কথা বলতে পারি আমার এই কেরামতের কথা সবাই জানে সেই জাদুকরের কথা এবার সমস্ত সীমা অতিক্রম করে যায় হযরত আব্দুল্লাহ শাবুরুজ রহমাতুল্লাহি আলাই তার সীমা লঙ্ঘন দেখে এবার উঠে দাঁড়ালেন এবং তাকে একটি কবরস্থানের কাছে নিয়ে গেলেন তারপর তিনি তাকে একটি কবরের নিকট নিয়ে গেলেন এবং বললেন তুমি যদি এই কবরে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে তার বর্তমান অবস্থার কথা শুনতে পারো তবে আমি তোমার মুরিদ হয়ে যাব এই কথা শুনে জাদুকর নিজেকে তৈরি করে এবং কবরের উপর বলে ইয়াসিন এরপর কবর থেকে আওয়াজ আসে ওয়াল কুরআনুল হাকিম এরপর সেই
জাদুকর হযরত আব্দুল্লাহ শাহ বুরুজ রহমাতুল্লাহি আলাইহি কে বলে নাও এই কবরে থাকা ব্যক্তি পুনরায় জীবিত হয়ে গিয়েছে এখন তুমি তাকে যা খুশি জিজ্ঞেস করো সে তার উত্তর দেবে এই কথা শুনে হযরত আব্দুল্লাহ শাবরুজ রহমাতুল্লাহি আলাই পা দিয়ে জমিনের উপর মারতে থাকেন এবং বলেন যে ব্যক্তিকে এই জমিনের মধ্যে আটকে রাখা হয়েছে সে বেরিয়ে আসুক হুজুর এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে 14 বছরের একটি ছেলে তার সামনে হাজির হয় তারপর হযরত আব্দুল্লাহ শাহ বুরুজ রহমাতুল্লাহি আলাইহি সেই ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করলেন তুমি কে জবাবে ছেলেটি বলল জনাব আমি একজন জিন কয়েক বছর পূর্বেই এই জাদুকর আমাকে বন্দি করে এই জমিনের
নিচে রেখে দেয় এরপর আমি তার ইচ্ছামত জমির নিচে যাই এবং তার কথাতেই জমির নিচ থেকে আওয়াজ দিয়ে কথা বলি এ কথা শুনে হযরত আব্দুল্লাহ শাহ বরুজ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন মহান আল্লাহর হুকুমে আমি আজ তোমাকে মুক্ত করে দিলাম হযরত আব্দুল্লাহ শাবুরুজ রহমাতুল্লাহি আলাইহির কথা শুনে সেই জিন তার শুকরিয়া আদায় করে এবং সেখান থেকে অদৃশ্য হয়ে যায় এরপর হযরত আব্দুল্লাহ শাবুরুজ রহমাতুল্লাহি আলাই তার নেক কণ্ঠে আওয়াজ দেয় আর বলেন ইয়াসিন তখন সে কবরস্থানের সমস্ত কবর থেকে আওয়াজ আসে ওয়াল কুরআনুল হাকিম এরপর তিনি জাদুকরকে উদ্দেশ্য করে বলেন যাও এবার তুমি যেকোনো কবরের নিকট যাও এবং তার সঙ্গে কথা
বলে তার বর্তমান অবস্থা জিজ্ঞাসা করো এই ঘটনার পর জাদুকর হযরত আব্দুল্লাহ শাবুরুজ রহমাতুল্লাহি আলাইহির পায়ের নিকটে পড়ে যায় এবং বলে হুজুর আমাকে মাফ করে দিন আমি অনেক বড় ভুল করেছি আমি আমার অন্তর থেকে তওবা করছি আমি এখন থেকে এই ধরনের সমস্ত কাজ পরিত্যাগ করব এবং আমি আপনার নেক কাজে শামিল হয়ে যাব আমি জানতাম না মহান আল্লাহ তাআলার শান কত বড় সুবহানাল্লাহ প্রিয় দর্শক মহান আল্লাহতালা যখন কাউকে সম্মানিত করতে চান তখন তাকে সম্মানিত করেন মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের এই ধরনের গোমরা থেকে হেফাজত করুন আমিন