today we have with us a very special guest he is 26 years old and he is one of the key advisors in the interim government in bangladesh when he started this movement in student against discrimination he did not expect that he will become the advisor in one of the one of the advisors in the interim government and have will have host of people outside his cabin he has agreed to speak to us and he will be talking to him about this revolution how it took shape and finally শেখ হাসিনা on fifth of august he will
also speak about the challenges that lie ahead before this interim government thank you so much for joining us so if you could tell us you're just 26 you are very young how did this movement start begin in the first place and how did it take shape in such a way that it became such a movement that finally led to the fall of shekh hasina's government thank you ভেরি মাচ উই স্টার্টেড এট বিগিনিং কোটা রিফর্ম মুভমেন্ট এন্ড ইউ উইল নো দ্যাট ইন 2018 দিস মুভমেন্ট টুক প্লেস ইন বাংলাদেশ আমরা 2018 সালে এই আন্দোলনটা একবার হয়েছিল তখন
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আমরা করেছিলাম কিন্তু আফটার দিস দ্যা ইলেকশন 2024 হাইকোর্টের একটা রায়ের মাধ্যমে কোটাকে আবার ফিরিয়ে আনা হয় সরকারি চাকরিতে তো স্টুডেন্টরা স্টুডেন্ট বিকাম ভেরি অ্যাংগ্রি এবং তারা এটার প্রতিবাদ জানায় এবং আমরা কোটা সংস্কারের দাবিতে আবার সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনাইট হই কিন্তু এই আন্দোলনের একটা ধারাক্রমে যখন দমন পীড়ন শুরু হয় এবং স্টুডেন্ট বিকেম টর্চারড এন্ড অ্যারেস্টেড এবং হচ্ছে প্রচুর মানুষকে হত্যা করা হয় গুলি চালানো হয় সাধারণ মানুষের উপরে আমাদের ক্যাম্পাস গুলোতে হামলা করা হয় ছাত্রলীগ সরকার দলীয় সেই সময়ের যে ছাত্র ছাত্রদলীয় সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ এবং পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায় তখন এই হামলা এবং
এই দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে সকল ছাত্ররা এবং জনগণ এসে যোগ দেয় এবং এটা একটা সরকার পতনের আন্দোলনের দিকে রূপান্তর হয় স্টুডেন্টস ডিসক্রিমিনেশন গ্রুপ কাম পপুলার আমরা এক জুলাই থেকে স্টুডেন্ট এগেন্স্ট ডিসক্রাইমিনেশন ব্যানারে হচ্ছে এই আন্দোলনটা সংঘিত করি মূলত কোটা সংস্কারের দাবিতেই এই আন্দোলনটি শুরু শুরু হয়েছিল এবং কোটা সংস্কারের দাবিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্গানিক্যালি ন্যাচারালি স্টুডেন্টরা মুভমেন্ট করতেছিল আমরা সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করি এবং এই কোঅর্ডিনেশন এর মাধ্যমে আমরা একটা প্লাটফর্ম মেক করি যেটার নাম আমরা দিচ্ছি স্টুডেন্ট এগেন্স্ট ডিসক্রামিনেশন বাংলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এটা একটা ওপেন প্লাটফর্ম ছিল যে কোন ছাত্র সংগঠন বা যে কেউ সাধারণ শিক্ষার্থী
এখানে আসতে পারে এখানে আসতে পারছে জয়েন করতে পারছে এখানে কোন কারো রাজনৈতিক পলিটিক্যাল আইডেন্টিটি মুখ্য ছিল না মূলত একটা সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্লাটফর্ম হিসেবে এটা আবির্ভূত হয়েছিল এবং সকলের যেহেতু এটাতে একটা এক্সেস ছিল এবং এটা খুবই হচ্ছে ওপেন ছিল ফলে এটা আসলে খুবই দ্রুত সবাইকে এঙ্গেজ করতে পারছে এবং মানুষের একটা আস্থার জায়গায় আসতেছে পারছিল ডিড ইউ এক্সপেক্ট দ্যাট দিস মুভমেন্ট লিড টু দ্যা ফল অফ শেখ হাসিনা গভমেন্ট আমরা এটা এক্সপেক্ট করিনি যে এভাবে হবে বাট বাংলাদেশের ইতিহাস হচ্ছে যে যেকোনো সৈরচারী অটোক্রেটকে সবসময় কিন্তু স্টুডেন্ট মুভমেন্ট দ্বারাই তাকে ফল করানো হয়েছে সো মানে 15 16 বছর ধরে
এক ধরনের ফ্যাসিজম চলতেছিল বাংলাদেশে বাংলাদেশের মানুষ এক্সপেক্ট করতেছিল যে এই ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে একটা অভ্যুত্থান হবে এবং ছাত্রদের জায়গা থেকে তাদের যে হিস্টরিক্যাল রোল সেইটা কিন্তু এক্সপেক্ট করতেছিল বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই তো এই সময়ে এই মোমেন্টামে হচ্ছে একটা মোমেন্টাম তৈরি হয়ে গেছে যেখানে আসলে ছাত্ররা জেগে উঠছে এবং জনগণ এসে তাদের সাথে যোগ দিছে তো এটা একটা হিস্টরিক্যাল মোমেন্ট ছিল এবং মানুষের যে পুঞ্জীবিত কোপ তার যে অ্যাঙ্গার এবং আমাদের যে বর্তমান ইকোনমিক সিচুয়েশন ছিল সবকিছু মিলে সবকিছু এক জায়গায় সে মিলিত হইছে দেখেই এই মুভমেন্টটা মানে পপুলার এন্ড ফল ডাউন ইনফ্যাক্ট দ্যাট মাই নেক্সট কোশ্চেন দ্যাট ক্যান ইউ
গিভ পিক ইনসাইড হাসিনা regime how was it inside has regime everybody talks about corruption politicization of institutions so what were the kind of atrocities that everyone talks about especially when it comes to students why was there so much anger except obviously the fact that a protest was going on এগেন্স্ট কোটা রিফর্ম বাট হোয়াট এলস এখানে যেটা হচ্ছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ক্যাম্পাস গুলোতেই এক ধরনের দখলদারিত্ব চলত তাদের যে ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ তারা হচ্ছে টর্চার করতো স্টুডেন্টদেরকে এবং আমরা এটাকে বলি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গণরুম এবং গেস্ট রুম যেখানে হচ্ছে স্টুডেন্টদেরকে টর্চার করা হতো এবং গণরুম স্টুডেন্টরা খুবই বাজেভাবে
থাকতো ক্যাম্পাস গুলো কোন মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছিল না ফ্রিডম অফ স্পিচ ছিল না এবং স্টুডেন্টরা খুবই একটা ইন হিউম্যান লাইফ লিড করতো ইন ক্যাম্পাসেস এর ফলে যেটা হয়েছে যে স্টুডেন্টরা খুবই ক্ষুব্ধ ছিল পুরো সময়টা জুড়েই আসলে এবং যখন সুযোগ পেয়েছে আসলে স্টুডেন্টরা কিন্তু রিভল্ভ করতে চেয়েছে বিভিন্ন সময়ে এটা হচ্ছে স্টুডেন্টদের জায়গা থেকে এবং ন্যাশনালি হচ্ছে আপনি যেটা জানেন করাপশন এগুলা ছিল এবং এর আগেও বিভিন্ন আন্দোলন দমন পীরণ হয়েছে এবং ভোট তিনটা ইলেকশন আনফেয়ার ইলেকশন সেখানে আমরা ঘটছে যেখানে মানুষের ভোটিং রাইটস ছিল না এবং বাংলাদেশে হিউম্যান রাইটস এরও হচ্ছে খুবই বাজে অবস্থা ছিল এবং টাকা লোটপাট
হয়েছে পাচার হয়েছে তো সার্বিকভাবেই পুরা স্ট্রাকচার কিন্তু ভেঙে গেছে এবং গুটি কয়েক মানুষের কাছেই কিন্তু ক্ষমতাটা ছিল টাকা-পয়সাটা ছিল এবং হাসিনা ফ্যামিলি মানে এটা একটা ডাইনেস্টি হয়ে গেছিল তো তাদের কাছে কিন্তু সকল অর্থ সম্পদ ক্ষমতা পুঞ্জিভী ভাবে ছিল তো মানুষ ক্ষুব্ধ হয়েছিল এবং হচ্ছে একটা গণতন্ত্রহীনতা ছিল ডেমোক্রেসি ছিল না তো সার্বিকভাবে বাংলাদেশের যে সিনারিও এবং যেটাকে আমরা বলতেছি ফ্যাসিজম যে এখানে ডিভাইড এন্ড রুল করে রাখা হইতো নানান ইডিওলজি এন্ড অনেক মিডিয়া প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষকে বিভক্ত করে রাখা হইতো দমন পীড়ন করা হতো সার্বিকভাবেই যে একটা অত্যাচার নিপীড়ন জুলুমের মধ্যেই বাংলাদেশের মানুষ আসলে এতদিন
ধরে ছিল এবং এইটাই মানুষকে প্রভাবিত করছে মোটিভেট করছে যে হাসিনার পতনের জন্য মুভমেন্টের জীবন দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ after the students were attacked by the police so if you could tell us why was there so much anger even for mujibur রহমান because we saw visuals of his statue being pulled down and you know his house being burned i have asked this questions to several others that i have met before but what is as a student since you part of that movement what was the anger with মুজিবুর রহমান মুজিবুর রহমান বিকেম আইকন অফ দিস ফ্যাসিস্ট এই রেজিমের
সকল অপকর্ম সকল কিছু কিন্তু করা হতো মুজিবুর রহমানের স্ট্যাচু বা তার পিকচারটাকে সামনে রেখে এবং সকল কিছু ন্যাজ্যতা ছিল এটাই যে শেখ মুজিবুর রহমান জাতির পিতা বা তিনি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তাকে সামনে রেখেই শেখ হাসিনা এবং তার সরকার সকল ধরনের অপকর্ম করতো সে যেহেতু এই ফ্যাসিস্ট রেজিমের আইকনে পরিণত হয়েছে মানুষ কিন্তু সেই আইকনটাকে ভেঙে দিয়েছে এবং এবং তার স্বাভাবিকভাবে সেই আইকনের বিরুদ্ধে মানে প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং শেখ মুজিবুর রহমানের নিয়েও বাংলাদেশের মানুষ তার যে 71 এর ভূমিকা একরকম কিন্তু তার পরবর্তী যে ভূমিকা বাকশাল গঠন বা সেই সময়ে দমন নিপীড়ন সেটা নিয়েও বাংলাদেশের মানুষ হিস্ট্রিতে কিন্তু
সমালোচনা রয়েছে এবং এই পুরা রেজিমটা রেজিমে হচ্ছে শেখ মুজিবুর রহমান শেখ মুজিবুর রহমানকে একটা কাল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে তো মানুষ যখন ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে স্বাভাবিকভাবে সে কার্ল্টাকেও কিন্তু তার ভাঙতে হবে সে কাল্টের বিরুদ্ধে সে দাঁড়িয়েছে এবং এর দায় কিন্তু সম্পূর্ণভাবেই শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী রেজিমের কারণ তারাই মূলত শেখ মুজিবকে একটা ফ্যাসিস্ট আইকনে পরিণত করেছে প্রটেস্ট পুলিশ স্টেশন পুলিশ এখানে প্রথমেই কিন্তু আন্দোলনটা খুবই পিসফুল ছিল এবং সরকারের জায়গা থেকে উস্কানি দেওয়া হয়েছে তাদের ছাত্র সংঘকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আন্দোলনে হামলা করার জন্য তারা মেয়েদের উপরে হামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস গুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং গভমেন্ট
এটাকে একটা ভায়োলেন্ট জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল আসলে এবং পুলিশ যখন হামলা করছে নিরপরাধ মানুষের উপরে অস্ত্রগুলি চালাচ্ছে তো মানুষের কিন্তু আর কোন উপায় ছিল না প্রতিরোধ না করার মানুষ ইউনাইটেড হয়েছে এবং প্রতিরোধ করেছে এবং তারপরও গুলি চলেছে যদি সরকার সেখানে এটা দমন ননীতি না গ্রহণ করতো এটাকে একটা পিসফুল ট্রান্জিশন সম্ভব হতো কিন্তু আমরা দেখছি শেষ দিন পর্যন্ত 5ই আগস্টের সকালেও কিন্তু গুলি চলেছে শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা চেয়েছিল বল প্রয়োগের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকতে যখন গভমেন্টের জায়গা থেকে বল প্রয়োগ করা হচ্ছে স্টেটের সকল শক্তিকে ব্যবহার করা হচ্ছে স্টুডেন্টের উপর পিপলস এর উপরে তখন কিন্তু পিপল প্রতিরোধ করবে এবং
এটাকে একটা ভায়োলেন্ট জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং শেখ হাসিনা একটা গৃহযুদ্ধ একটা সিভিল ওয়ার সিচুয়েশন কিন্তু তৈরি করে ফেলছিল তো শেখ হাসিনা চাইলে একটা পিসফুল ট্রান্জিশন করতে পারতো শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারতো আমরা কিন্তু বারবার সেই সময়টা দিয়েছি কিন্তু যখনই সময় পেয়েছে আন্দোলনের মাঝে বা যখন আমরা সময় দিচ্ছি সে কিন্তু আরো বেশি আক্রমণাত্মক হয়েছে আরো বেশি গ্রেফতার শুরু করেছে তো মানুষের কাছে মানে আর কোন অপশন ছিল না এ কারণে তাকে প্রতিরোধ করতেছে গভমেন্ট সো মেনি রিফর্ম ইনস্টিটিউশন রিফর্মস আর নেসেসারি এন্ড প্রায়োরিটি অফ দিস ইন্টারিম গভমেন্ট আমরা ইন্টারিম গভমেন্ট থেকে প্রথমত আমরা আমাদের যারা শহীদ হয়েছে
আন্দোলনে আহত হয়েছে আমরা সেই সকল ফ্যামিলি এবং সেই সকল মানুষদের পাশে দাঁড়াতে চাচ্ছি পাশে দাঁড়াবো আমরা তাদের ফ্যামিলিকে সহায়তা করব এটা আমাদের ফার্স্ট কমিটমেন্ট সেকেন্ডলি আমরা হচ্ছে যে যারা এই গণহত্যার সাথে জড়িত এবং দুঃশাসন লুটপাট করাপশনের সাথে জড়িত প্রিভিয়াস রেজিমে তাদেরকে আমরা বিচারের আওতায় আনবো এবং লিগাল প্রসেসে তাদেরকে আমরা বিচার করবো এবং জাস্টিস ইনসিওর করব তৃতীয়ত এন্ড মোস্ট ইম্পর্টেন্ট থিং দ্যাট উই ওয়ান্ট রিফর্ম অর উই আর টকিং এবাউট নিউ পলিটিক্যাল সেটেলমেন্ট যে বাংলাদেশের যে পুরা স্ট্রাকচার যেহেতু ভেঙে গেছে আমাদেরকে এটা রিফর্ম করতে হবে এবং একটা নিউ পলিটিক্যাল সেটেলমেন্ট করতে হবে নিউ স্ট্রাকচার করতে হবে সেটার
জন্য আমাদের সকল প্রতিষ্ঠানে আসলে রিফর্মেশন প্রয়োজন আমরা অলরেডি কাজ শুরু করেছি সকলের সাথে আলাপ আলোচনা চলছে আমাদের ইলেকশন কমিশন আমাদের এডমিনিস্ট্রেশন আমাদের লই এনফোর্সমেন্ট জুডিশিয়ারি এন্ড অলসো মোস্ট ইম্পর্টেন্টলিটি কারণ আমাদের এই কনস্টিটিউশন এর ভেতরে অনেক ধরনের সমস্যা রয়ে গেছে যেটা এক ধরনের অথরিটেরিজমের বা হচ্ছে এক ধরনের ফ্যাসিজমের উত্থান ঘটায় তো কনস্টিটিউশন খুব গুরুত্বপূর্ণ আমাদের সংশোধনের জন্য এবং এই তিনটা জিনিসকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি পাশাপাশি আমাদের ইকোনমিক চ্যালেঞ্জ আছে সামনে এবং আমাদের যে আইন-শৃঙ্খলার পরিবেশকে আবার স্থিতি অবস্থায় নিয়ে আসা অলরেডি এটা হয়েছে কিন্তু আমাদের পুলিশ বাহিনী বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আবার একটা আস্থার জায়গায় নিয়ে আসা তো এই
কাজগুলো আমরা ধারাবাহিকভাবে করছি এবং সকলের সাথে আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়েই আমরা একটা হাউ ডু ইউ ডেইলি মিটিং টেকিং ডিফারেন্ট ডিপার্টমেন্ট আমরা প্রতিটা মিনিস্ট্রি এবং প্রতিটা ডিপার্টমেন্টে বলেছি যে রিফরমেশনের প্রস্তাবনা প্রপোজ করার জন্য স্টেক হোল্ডারস এজ ওয়েল এস পলিটিক্যাল পার্টিস এন্ড উই কন্ডাক্ট পাবলিক ডায়লগস যেখানে মানুষ থেকে আমরা আসলে সাজেশনটা নিচ্ছি এবং সবকিছু মিলিয়ে আমরা একটা হলিস্টিক একটা রোডম্যাপ উই আর মেকিং রাইট দেয়ার ইজ অলসো ওয়ান মোর কনসার্ন দ্যাট ওয়াজ বিং বাই লট অফ পিপল আই হ্যাভ বিন হিয়ার ফর অলমোস্ট 10 ডেজ লট অফ আওয়ামী লীগ লিডারস হুয়ার ফর্মার লম মেকার মিনিস্টার are being dragged into
cases of murder even if they were say charged of corruption or maybe they must have done some money laundering but they are being falsely implicated in cases of murder in fact that also raises a question that you know is বাংলাদেশ making the same mistake as what am league had made because now since the government has changed the people who from the আওয়ামী লীগ আর টার্গেটেড সো হোয়াট ইজ ইউর রিয়াকশন টু দ্যাট আমরাও এটি নিয়ে কনসার্ন এবং আমরা কোনভাবেই এটি আমরা প্রত্যাশা করি না আমরা অলরেডি এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষতিয়ে দেখছি এখানে আমরা সবাই যাতে জাস্টিস পায়
সেটি এনসিওর করব যার যতটুকু অপরাধ সেই অপরাধ অনুযায়ী শাস্তি পাবে এটা আমরা মেকসিওর করব এখনো যেহেতু পুরা স্ট্রাকচারটা মানে রিবিল্ড হয়নি জুডিশিয়ারি লই এনফোর্সমেন্ট আগের প্রিভিয়াস রেজিমের পিপলরাই কিন্তু সেখানে রয়ে গেছে দেয়ার ফোর সেই ঘটনাগুলো কিন্তু তারা আগের মত করেই করার চেষ্টা করতেছে কিন্তু আমরা কিন্তু গভমেন্টের জায়গা থেকে এ ধরনের কোন ডিরেকশন ছিল না সো আমরা এই মামলাগুলো ক্ষতিয়ে দেখছি এবং যাদের বিরুদ্ধে এলিগেশন নাই মার্ডারের বা ফলস একুইজিশন তাদেরকে সেইখান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে এবং তারা যেই অপরাধের সাথে যুক্ত ছিলেন যেই অভিযোগ সেই অভিযোগে সেই ধরনের মামলাই তাদেরকে দেওয়া হবে কেউ নিরপরাধ থাকলে তার প্রতি
কোন ধরনের অবিচার করা হবে না ইউ আর অলসো টু অনাউন্স প্রফেসর ইউনিস চিফ এডভাইজার অফ দিস ইন্টারেম গভমেন্ট চয়েস আমরা ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসকে ভেবেছি যে উনি এই ক্রাইসিস এই সংকটকালে আমাদের নেতৃত্ব জাতির নেতৃত্ব নিতে পারবেন আমাদের একজন অভিভাবক প্রয়োজন ছিল আমরা ডক্টর ইউনিসকে ভেবেছি কারণ হচ্ছে আমরা চেয়েছিলাম একজন ন্যাশনালি এক্সেপ্টেড ফিগার এবং ডক্টর নট অনলি ন্যাশনালি বাট অলসো ইন্টারন্যাশনালি হিজ এক্সেপ্টেন্স এন্ড আমরা একজন একজন নির্দলীয় মানুষটি ছিলাম ডক্টর ইউনুস বাংলাদেশে বিগত সময়গুলোতে তিনি পীড়িত ছিলেন এবং বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন এবং এই স্টুডেন্ট মুভমেন্টও আমাদের পক্ষে তিনি কথা বলেছেন পাশাপাশি ইকোনমি ইট উইল বি ভেরি হেল্পফুল
ফর আওয়ার কান্ট্রি এট দিস মোমেন্ট আমরা সামনের ইকোনমিক চ্যালেঞ্জ গুলার জন্য তার মধ্যে একজন অর্থনীতিবিদ আমাদের দরকার ছিল এবং জিওপলিটিক্যালিও সে আমাদের জন্য এই সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে এই সার্বিক বিবেচনায় আমাদের কাছে মনে ছিল ডক্টর মোহাম্মদ ইউনিস খুব ভালো একটা চয়েস হবে এবং বাংলাদেশের মানুষও এটা খুব ভালোভাবে এক্সেপ্ট করেছে এবং সমর্থন করে যাচ্ছে রাইট সো ইন্ডিয়া বাংলাদেশ রিলেশনশিপে পিপল ফর ইন্ডিয়া ইন্ডিয়ান ভারতের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক এবং সভ্যতাগত সম্পর্ক রয়েছে এবং আমরা মনে করি যে সেই সম্পর্কগুলো আমাদের বজায় রাখতে হবে বাট ইন পলিটিক্সার সাম ট্রাভেলস মেইন প্রবলেম ইজ ইন্ডিয়া উই থিংক দ্যাট বা পিপল অফ
বাংলাদেশ থিংক দ্যাট ইন্ডিয়া অলওয়েজ হ্যাজ মেইনটেইন রিলেশন উইথ আওয়ামী লীগ উইথ পার্টি নট দা স্টেট অর দা পিপল অফ বাংলাদেশের জনগণের সাথে বা রাষ্ট্রের সাথে ভারতের যত না সম্পর্ক তার থেকেও ভারত বেশি মনোযোগ দিয়েছে আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্কটা মজবুত রাখতে বজায় রাখতে এবং আমরা বাংলাদেশের জনগণের ভিতরে ধারণা আছে যে আওয়ামী লীগ যে এতগুলা বছর ক্ষমতায় টিকেছিল এবং ইলেকশন গুলো করে গেছে আনফেয়ারলি ভারত তাকে পরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা দিয়েছে ইন্টারন্যাশনালি একটা জনমত করেছে আওয়ামী লীগের পক্ষে তো আওয়ামী লীগ তো বাংলাদেশের জনগণের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে বিগত সময়গুলোতে তো আওয়ামী লীগকে যে সহায়তা করবে স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশের মানুষও তাকে অপছন্দ
করবে ঘৃণা করবে তো সেই জায়গা থেকে ভারতের প্রতি সেই ক্রিটিক্যাল দৃষ্টিভঙ্গিটা বাংলাদেশের মানুষের আছে আর এছাড়াও কিছু মেজর প্রবলেম আছে বর্ডার কিলিংস এন্ড ওয়াটার ইস্যু ডিসপিউটস সো এই বিষয়গুলো নিয়ে ভারতের সাথে একটা বাংলাদেশের টেনশন সবসময় ছিল কিন্তু আওয়ামী লীগকে সরাসরি সহায়তা করায় বাংলাদেশের মানুষ কিন্তু আসলে ক্ষুব্ধ তো সেই জায়গা থেকে আমরা মনে করি যে আসলে ভারতের হচ্ছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সাথে মূলত সম্পর্কটা বিল্ড করা উচিত এবং জনগণের সাথে স্টেট টু স্টেট এন্ড পিপলস টু পিপলস নট এনি পার্টি কারণ দল চলে যায় সরকার অদলবদল হতে পারে কিন্তু রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্কটা কিন্তু থেকে যায় এবং বাংলাদেশের সাথে
ভারতের যেই প্রবলেমগুলো আছে সেই প্রবলেমগুলো মানে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া উচিত কারণ বাংলাদেশ বাংলাদেশের যদি সমস্যা থাকে বাংলাদেশের ভেতরে যদি ভারতের প্রতি ঘৃণা থাকে তাহলে আনস্টেবিলিটি থাকে বা বাংলাদেশ যদি ভালোভাবে না আগায় এটা কিন্তু পুরা সাউথ এশিয়াতেই প্রবলেম তৈরি করবে আমরা চাই যে একটা শান্তিপূর্ণ ডেমোক্রেটিক সাউথ এশিয়া সে জায়গায় ভারত বাংলাদেশের গুড রিলেশন ইজ ভেরি নেসেসারি কনসার্ন চ্যালেঞ্জ অলসো ইন দ্যাট পিরিয়ড সো মেনি অফ স্টুডেন্টস চিলড্রেন হকার like almost 400 people is the figure that we have were killed in in that brief period where there was no police on the streets no cases were being registered
no postmortem were being carried how does the government the interim government now ensure that justice is done to those people is is the government planning something is there a commission that has been set up to look into those cases because we we are meeting a lot of people in fact most of them don't even have cases রেজিস্টার বিকজ পুলিশ রিফিউজ রেজিস্টার জাস্টিস আমরা এই বিষয়গুলো তদন্ত করছি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিশন করার কার্যক্রম চলছে এবং জাতিসংঘ থেকে একটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম কিন্তু এসেছে বাংলাদেশে ইউএন থেকে এছাড়াও আমাদের যে মিডিয়া যারা ছিল সেই সময় ইন্টারনেট সোশ্যাল মিডিয়া ছিল
তাদের কাছে অনেক ইনফরমেশন আছে যারা হয়তো সেই সময় প্রকাশ করতে পারেনি তো আমরা প্রত্যেকটা কেস ধরেই আসলে তদন্ত করব এবং সকলেই যাতে ন্যায়বিচার পায় এবং পুরা আসল সিনারিওটা কি ছিল এখনো কিন্তু আমরা মানে যেই শহীদের সংখ্যা মৃতের সংখ্যাটা কিন্তু এখন অনগোইং সেটা কত হতে পারে তাদের ফ্যামিলিদের আমরা খুঁজে বের করতেছি তো গভমেন্টের এটা সবচেয়ে বেশি ইম্পর্টেন্ট যাতে তারা জাস্টিস পায় এবং প্রকৃত সিনারিওটা কি হয়েছিল আসলে সেটা যাতে পুরা পৃথিবীকে আমরা বলতে পারি দেখাতে পারি ডক্টর ইউনুস অলসো ইনফ্যাক্ট স্পোকেন এবাউট মাইনরিটি প্রসেস গভমেন্ট এন্ড জাস্টিস হোয়াট এবাউট দ্যাট এফর্টস আর টেকেন ইন দ্যাট রিগার্ড আমরা যাই
যে সকল ঘটনাগুলো ঘটেছে সেই বিষয়ে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং মাইনরিটি লিডারস যারা আছে কমিউনিটি লিডারস রিলিজিয়াস লিডার তাদের সাথে আমরা বসছি কয়েকবার বসতেছি তাদেরকে যেকোনো তাদের সমস্যার আমরা সমাধানের প্রতি অঙ্গীকার দিয়েছি এবং মাইনরিটিস এই প্রবলেমটা বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাংলাদেশের সাথে বিভিন্ন সময় হামলা হয়েছে কোন ধরনের বিচার পায়নি তারা কারণ বিচারের জন্য যার কাছে গিয়েছে তারাই আসলে এই হামলাগুলোর সাথে জড়িত ছিল তাদেরকে একটা রাজনৈতিক ভোট ব্যাংক পলিটিক্যাল ভোট ব্যাংক হিসেবে ইউজ করা হয়েছিল তো আমরা মাইনরিটিস মেজরিটিস আমরা দেখছি না আমরা বাংলাদেশের সিটিজেন হিসেবে সকলকে বিচার করছি সো সকলের সমান রাইটস ইকুয়াল রাইটস এন্ড ইকুয়াল ডিগনিটি
আমরা ইনসিওর করব এবং এই সময়টায় এই অভ্যুত্থানে পরবর্তী সময়তে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে সেগুলোর পিছে কিছু পলিটিক্যাল রিজনস ছিল এবং আমরা দেখেছি বিভিন্ন দেশে বা বাইরের বিভিন্ন মিডিয়াতে একটু অতিরিক্ত অতিরিঞ্জিতভাবে সেগুলোকে প্রপাগান্ডা করা হয়েছে আমরা মনে করি করে যে একচুয়াল সিনারিটি এরকম না চাইলে যে কেউ বাইরে থেকেও বা ইন্ডিয়া থেকেও যদি চায় এখানে সে দেখতে তদন্ত করতে সে বিষয়ে আমরা এক্সেস বলেছি ওয়েলকাম করেছি আপনারা এসে দেখুন এখানে আসলে একচুয়াল সিনারিওটা কি হোয়াট এবাউট বাংলাদেশ পলিটিক্স হাউ ডু ইউ সি ইট প্যান আউট ইন নেক্সট সে কাপল অফ মান্থসন ডু উই এক্সপেক্ট এন ইলেকশন এন্ড ইজ ইট দ্যাট
স্টুডেন্টস আর নাউ কামিং টুগেদার টু ফর্ম এ পলিটিক্যাল পার্টি ডু উই সি দ্যাট হ্যাপেনিং ইন দা ফিউচার আমরা তো হচ্ছে একটা ডেমোক্রেটিক ট্রান্জিশন চাচ্ছি এবং তবে তার আগে একটা ইলেকশন ইলেকশনের আগে আসলে রিফর্মেশনটা গুরুত্বপূর্ণ যেটা আমরা বলার চেষ্টা করছি এটা কিন্তু একটা অভ্যুত্থানের ভিতর দিয়ে গঠিত হওয়া সরকার এটা কোন কেয়ারটেকার গভমেন্ট না যে কেবল ইলেকশন করাটা তার দায়িত্ব যেহেতু সে অভ্যুত্থানের ভিতর দিয়ে উঠে এসেছে তার কিছু কমিটমেন্ট আছে তার কিছু প্রতিশ্রুতি আছে তাকে সে প্রতিশ্রুতিগুলো ফুলফিল করতে হবে এবং এটা বাংলাদেশের জন্য একটা হিউজ চান্স যে বাংলাদেশকে আমরা নতুন নতুন করে রিবিল করবো সো এই সরকারের
মেয়ারটা আসলে সেই রিফরমেশন প্রজেক্টের উপরে নির্ভর করতেছে এবং এটা অবশ্যই আমরা এককভাবে নিব না একটা পলিটিক্যাল মানে ন্যাশনাল কনসেন্সেস এর ভিতর দিয়েই আমরা সেটা নিব সকল পলিটিক্যাল পার্টিস এর সম্মতির ভিতর দিয়ে মধ্য দিয়ে এই মেয়াদকাল নির্ধারিত হবে রিফর্মেশন গুলো আমরা করতে চাচ্ছি তারপরে হয়তো আমরা একটা সুষ্ঠ ইলেকশন আয়োজন করতে চাচ্ছি সো আমরা একটা ডেমোক্রেটিক ট্রান্জেকশন চাচ্ছি যাতে ডেমোক্রেটিক ডেমোক্রেসি যাতে ইনসিওর হয় বাংলাদেশে আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে আমরা এই মুহূর্তে কোন পলিটিক্যাল পার্টির কথা ভাবছি না আমরা একটা গভমেন্টে আছি আমাদের স্টুডেন্টের একটা বড় অংশ বাইরে রাজপথে আছে তারা ডিরেক্ট করতেছে গভমেন্টকে যাতে অভ্যুত্থানের স্পিরিটটি বজায় থাকে সেই
অনুযায়ী গভমেন্ট পরিচালিত হতে পারে এবং আমরা চাচ্ছি এখন একটা ন্যাশনাল ইউনিটি সো আমরা কোন ধরনের দ্বিধা বিভক্তি বা ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এখনই জড়াতে চাচ্ছি না আমরা একটা পলিটিক্যাল ইউনিটি চাচ্ছি ন্যাশনাল ইউনিটি চাচ্ছি এবং সেই ইউনিটির ভিত্তিতে আমরা এই ন্যাশন রিবিল্ডিং প্রজেক্টটা করতে চাচ্ছি যখন ইলেকশন হবে তখন হয়তো আমরা সিদ্ধান্ত নিব বাংলাদেশের পলিটিক্যাল পরিস্থিতি বা বাংলাদেশের জনগণ আসলে কি প্রত্যাশা করতেছে বা আমাদের সেই সময় কি ধরনের ভূমিকা নেওয়া উচিত সেটি আমরা সেই সময়ের জন্যই ছেড়ে দিচ্ছি হাউ ডু ইউ রোল অফ জামাত অলসো লিফটেড ইয়েস্টারডে রোল অফ জামাত পলিটিক্যাল সিন কামিং ডেস এন্ড অফকোর্স বিএনপি রিমেনস সিঙ্গেল লার্জেস্ট
পার্টি আমি কোন স্পেসিফিক দলের কথা বলতে চাচ্ছি না বিষয়টা হচ্ছে যে একটা অভ্যুত্থান হয়েছে এখানে কিছু অ্যাসপিরেশন স্পিরিট এন্ড কমিটমেন্ট তৈরি হয়েছে তো বাংলাদেশ সামনের বাংলাদেশকে চলতে হলে আসলে সেই স্পিরিটের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সেই কমিটমেন্ট অনুযায়ী চলতে হবে এবং ফলে আমাদের পার্টিকুলার ভিতরেও রিফরমেশন প্রয়োজন হতে পারে এবং যদি পুরনো ধাঁচের রাজনীতি চলবে না আর কি বাংলাদেশ সে নতুন প্রজন্মের কাছে সেটা আকর্ষণীয় হবে না গ্রহণযোগ্য হবে না ফলে এই নতুন যে প্রজন্ম যে অভ্যুত্থান করেছে যে ছাত্ররা তাদের কাছে নতুনভাবেই প্রেজেন্ট করতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকে এবং আমরা আসলে সিস্টেমের চেঞ্জটা চাচ্ছি কারণ আমরা যদি সিস্টেমটাকে চেঞ্জ করতে
পারি সিস্টেমটাকে ডেমোক্রেটিক করতে পারি সেখানে আমরা চাচ্ছি এমন ভাবে এমন ভাবে সিস্টেমটা তৈরি করতে যেখানে যেই আসুক না কেন সে যাতে ক্ষমতাকে অপব্যবহার করতে না পারে যেটা এর আগের রেজিম বা এর আগে শেখ হাসিনা সরকারসহ বিভিন্ন সরকার বিভিন্ন সময় আসলে করেছে লাস্ট কোশ্চেন হোয়াট ইজ ইউর পলিটিক্যাল এম্বিশন আমার পলিটিক্যাল এম্বিশন আমি যেটা বললাম এতক্ষণ ধরে যে আমরা একটা গণতান্ত্রিক রূপান্তর চাই এবং বাংলাদেশকে একটা শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাই এবং আমি ব্যক্তিগত আমার আশা আকাঙ্ক্ষার জায়গা নেই আসলে অনেক মানুষ শহীদ হয়েছে রক্ত দিয়েছে আহত হয়েছে তাদের প্রতিনিধিত্ব করছি আমি সো জনগণ যা চায় জনগণের সেই যে
আশাকাঙ্ক্ষা একটা ভালো জীবন একটা বেটার লাইফ বেটার বাংলাদেশ এবং একটা জাস্টিস সেটা ইনসিওর করাটাই আমার দায়িত্ব এবং আমার কাজ বলে আমি মনে করি থ্যাংক ইউ সো মাচ ফর বিং মিস্টার নাহিদ naয়ে islam speaking to us about the challenges before the interim government what all is on the cards how does the political landscape of bangladesh will pan out in the next few months when our elections on so please do watch the video to know more thank you so much this is ananya bharadwaj reporting from dhaka for the [মিউজিক] [প্রশংসা]