আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন আর আপনারা দেখছেন এমডি ভয়েস টিভি ইসলামের মহান বাণী মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দুনিয়াতে যুগে যুগে যে সকল অলি আল্লাহর আবির্ভাব ঘটেছে তাদের মধ্যে বড় পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাই অন্যতম সে কারণে তাকে গাউসুল আজম হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয় তিনি দ্বিতীয় রমজান 470 হিজরী বা 19 মার্চ 1078 বাগদাদ জিলান শহরে জন্মগ্রহণ করেন তার পুরো নাম আল সাইয়েদ মহিউদ্দিন আবু মোহাম্মদ আব্দুল কাদের আল জিলানী আল হাসানী ও আল হোসানী খুব অল্প বয়সেই হযরত আব্দুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাই মক্তবে যাওয়া শুরু করেন বাল্যবয়সেই বিভিন্ন অলৌকিক ঘটনাও
ঘটতে শুরু করে আর আজকের এই ভিডিওতে আমরা বলব যে বড় পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাই যেভাবে মহান আল্লাহ তাআলার কুদরতে একজন মৃত্যুকে জীবিত করেছেন ছিলেন সে সম্পর্কে একটি বিস্ময়কর সত্য ঘটনা যা শুনে আপনার মন ছুঁয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ তাই ভিডিওটি একবারে শেষ পর্যন্ত দেখবেন বাগদাদে একজন বিধবা নারী তার পুত্র সন্তানকে নিয়ে বসবাস করতেন হঠাৎ একদিন এই বিধবা নারীর পুত্র সন্তানটি মহান আল্লাহতালার ইচ্ছায় অসুস্থ হয়ে যায় তাই এই নারী তার ছেলে চিকিৎসার জন্য অনেক বড় বড় চিকিৎসকের কাছে যায় কিন্তু তাতে কিছুই হয়নি এ কারণে এই নারী খুবই পেরেশান অবস্থার মধ্যে পড়ে যায় কারণ তার ছেলের
অবস্থা দিন দিন খারাপ থেকে আরো খারাপ হচ্ছিল এই বিধবা নারীর এই দুনিয়ায় তার এই ছেলে ব্যতীত আর কেউই ছিল না এক পর্যায়ে তার প্রতিবেশীরা তাকে পরামর্শ দিল যে তুমি তোমার ছেলেকে নিয়ে বাগদাদ শরীফের হুজুরের কাছে যাও তার দোয়াতে তোমার ছেলে সুস্থ হয়ে যাবে এই কথা শুনে সে বিধবা নারী তার ছেলেকে নিয়ে বাগদাদ শরীফের দিকে রওনা দিল রাস্তার মাঝেই তার ছেলের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যায় এবং সে বেহুশ হয়ে পড়ে পথে একজন একজন পথিক সে বিধবা নারীকে জিজ্ঞাসা করল আপনি কোথায় যাচ্ছেন জবাবে সেই নারী বলল আমার ছেলে খুবই অসুস্থ তাকে সুস্থ করতে আমি বাগদাদ শরীফের হুজুরের
নিকট যাচ্ছি কিন্তু দুর্ভাগ্যবসত আমার ছেলের অবস্থা রাস্তার মধ্যেই খারাপ হয়ে গিয়েছে তখন সে পথিক বলল আপনি সাহস হারাবেন না কোনভাবে আপনার ছেলেকে নিয়ে বাগদাদের হুজুরের নিকট চলে যান সেখানে কোনো না কোনো সমাধান হবেই আর আপনি খুশি মনেই আপনার বাড়িতে ফিরতে পারবেন কারণ বাগদাদের হুজুর মহান আল্লাহতালার একজন নেক বান্দা এবং তার দোয়ার উসিলায় অনেক মানুষ শেফা পেয়েছে এরপর সে বিধবা নারী তার ছেলেকে নিয়ে অনেক কষ্টে বাগদাদে পৌঁছায় যখন সে বাগদাদ শরীফে যায় তখন তার ছেলেকে দেখে হুজুর বললেন হে মহান আল্লাহর বান্দি এখন তোমার ছেলের জন্য আর কিছুই করার নেই কারণ তোমার ছেলেকে মহান আল্লাহতালা তার নিজের
মর্জিতে তার কাছে নিয়ে গেছেন এখন তুমি শুধুমাত্র আল্লাহতালার উপর ভরসা করে থাকো আর এই সিদ্ধান্তকে মেনে নাও কিন্তু এই কথা সে বিধবা নারী কোনভাবেই মানতে পারছিল না সে চিৎকার করে কাঁদতে থাকে সে সময় সেখানে খুব সুন্দর একটি বাচ্চা আসে এবং বিধবা নারীকে জিজ্ঞাসা করে তুমি কাঁদছো কেন সুন্দর বাচ্চাটিকে দেখে বিধবা নারী বলতে থাকে তোমাকে আর কি বলবো তুমি তো অনেক ছোট একটি বাচ্চা এরপরেও সে বিধবা নারী তার সামনে উপস্থিত থাকা সেই ছোট্ট বাচ্চাটিকে তার সমস্ত ঘটনা খুলে বলে সেই নারী বলতে থাকে কিভাবে তার ছেলে অসুস্থ হলো আর কিভাবে সে তার ছেলেকে নিয়ে এই বাগদাদে এসেছে
যেন হুজুরের দোয়ায় সে সুস্থতা ফিরে পায় কিন্তু এখানে পৌঁছানোর পূর্বেই তার ছেলে রাস্তায় জ্ঞান হারিয়েছিল এবং এই অসুস্থতায় তার ছেলেকে মৃত্যুর মুখে নিয়ে গিয়েছে এই কথা বলে বিধবা নারী কান্না করতে শুরু করে এবং বলতে থাকে আমি আমার এই ছেলেকে ছাড়া কি নিয়ে বাঁচবো এই কথা শুনে সে বাচ্চাটি বলে উঠলো হে মহতারামা আপনার ছেলে মারা যায়নি সে এখনো জীবিত রয়েছে দেখুন সে সত্যিই জীবিত বাচ্চাটির কথা শুনে বিধবা নারী আবার তার ছেলের দিকে ভালো করে তাকালো এবং সে তাকে দেখতে পেল তার ছেলের শ্বাস চলছে এবং তার ছেলে ধীরে ধীরে হাত পা নাড়াচ্ছিল তখন সে বিধবা নারী অবাক
হয়ে সুন্দর বাচ্চাটিকে জিজ্ঞাসা করল আমার মৃত পুত্র কিভাবে জীবিত হলো কারণ সে তো আমার সামনেই প্রাণ ত্যাগ করেছিল এটা কিভাবে সম্ভব নাকি আমার পুত্র শুধুমাত্র অসুখের কারণে অবস্থায় ছিল তখন সে সুন্দর বাচ্চাটির জবাব দিল মহান আল্লাহর হুকুমে আপনার পুত্র আবারো জীবিত হয়েছে আপনার ছেলে অসুখের কারণে বেহুশ হয়নি বরং সে এই দুনিয়া থেকে চলে গিয়েছিল আপনার কষ্ট আমার সহ্য হয়নি তাই আমি আল্লাহতালার কাছে দোয়া করেছি বলেছি ইয়া মহান আল্লাহ তাআলা আপনি এই দুঃখী মায়ের কষ্টকে লাঘব করে দিন এবং আপনি তার কলিজাকে ঠান্ডা করে দিন এই বিধবা নারী তার পুত্রের মৃত্যুকে কোনভাবে মানতে পারতো আপনি তাকে সুখী
করে দিন আপনি সবকিছুই করতে পারেন আপনার জন্য কোন কিছুই অসম্ভব নয় আপনি চাইলে সব হতে পারে দোয়ার উসিলায় মানুষের তাকদীর পর্যন্ত বদলে যায় আর আপনি তো সকল ক্ষমতার মালিক আপনি চাইলে তার সমস্ত সুখ তাকে ফিরিয়ে দিতে পারেন আপনি এ ছেলেকে পুনরায় হায়াত দিন আমি এভাবেই মহান আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করেছি এবং মহান আল্লাহতালা আমার দোয়া কবুল করেছেন এখন আপনার পুত্র আপনার নিকট সালামত অবস্থায় রয়েছে তখন সে বিধবা নারী সেই বাচ্চাটিকে জিজ্ঞাসা করল আমি সবই মানছি কিন্তু তুমি কে তোমার পরিচয় কি সেই বাচ্চা তার পরিচয় দেওয়ার পূর্বেই সেখানে বাগদাদ শরীফের হুজুর আসেন সেই মহিলার ছেলেকে পুনরায়
জীবিত দেখেই হুজুর বুঝতে পারলেন যে এখানে কি ঘটেছে তখন হুজুর বাচ্চাটিকে বললেন ব্যাটা তুমি এখনো তাকদীরের ব্যাপারটা পুরোপুরি বুঝতে পারোনি আমি জানি তোমার দোয়ার উসিলায় মহান আল্লাহতালা এই বিধবা নারীর পুত্রকে পুনরায় হায়াত দিয়েছেন আমার প্রশ্ন তুমি এমনটা কেন করলে মানুষ তো এই কথাকে কোনভাবেই মানবে না এটা বলে হুজুর একটি বেদ নিয়ে আসলেন বেদ দেখে বাচ্চাটি দৌড় দিল হুজুরও বাচ্চার পেছনে দৌড়াতে শুরু করলেন আসলে বেদ দিয়ে প্রহার করার উদ্দেশ্যে এই হুজুরের ছিল না তিনি শুধুমাত্র ভয় দেখানোর জন্যই এমনটা করেছিলেন এমন অবস্থায় সেই বাচ্চা হুজুরের ভয়ে প্রাণপনে ছুটছিল তখন সামনে একটি কবরস্থান ছিল যেখানে অসংখ্য কবর ছিল
আর সেই বাচ্চাটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে ছুটতে ছুটতে থাকে আর বলে হে কবরবাসী এই হুজুরের হাত থেকে আমাকে বাঁচাও আর সেখানেই ঘটে একটি অদ্ভুত ঘটনা ছোট্ট এই বাচ্চার কথায় কবরস্থানের সমস্ত কবর থেকে মুর্দারা উঠে আসতে শুরু করল এবং সেই মুর্দারা সেই ছোট্ট শিশুটির সামনে ডালের মত দাঁড়িয়ে গেল অর্থাৎ একপাশে হুজুর এবং অন্যপাশে সেই কম বয়সী ছেলেটি এবং তাদের মাঝে কবর থেকে উঠে আসা মুর্দারা এ দৃশ্য দেখে হুজুর এবার সেই ছোট্ট বাচ্চাটিকে বললেন আমি জানি তুমি আসলে কে আমি তোমার ক্ষমতার সঙ্গে পেরে উঠবো না আমি শুধু বলছিলাম তুমি এত ছোট বয়সেই তোমার এই ক্ষমতাগুলো দেখিও না কারণ
লোকেরা তোমার এই সমস্ত বিষয়ে বিশ্বাস করবে না এবং পরবর্তীতে তোমার উপরে আঙ্গুল তুলে কথা বলবে তোমাকে দোষারোপ করবে তখন এই বাচ্চাটি বলে হুজুর আমি তো ইচ্ছে করে করিনি সেই মা কিভাবে কান্না করছিল আর সেই মা মাকে কান্না করা অবস্থায় দেখে আমি সহ্য করতে পারিনি এই মা কিভাবে তার সন্তানের মৃত্যুকে সহ্য করবে কিভাবে একা একা তার সন্তানকে দাফন করবে আর এই মা কিভাবে তার সন্তানকে ছাড়া থাকবে এই কথাগুলো আমার একদমই সহ্য হচ্ছিল না আর এই কারণে আমি আল্লাহতালার কাছে দোয়া করেছি আর বলেছি ইয়া মহান আল্লাহ তাআলা এই বাচ্চার তাকদীরে শেফা যদি লিখা থাকে তবে আপনি তাকে
শেফা দিন আর যদি মৃত থেকে জীবিত করা সম্ভব হয় তবে আপনি আমার দোয়া কবুল করে নিন আর তাকে হায়াত দিন কারণ আপনার দরবারে সমস্ত অসম্ভব জিনিসকে সম্ভব করা যায় বান্দারা তো অক্ষম কিন্তু আপনি তো সবই পারেন মহান আল্লাহতালা আমার এই দোয়াকে কবুল করেছেন আর এই ছেলে পুনরায় জীবিত হয়ে গিয়েছে হুজুর আপনি বলুন আমি এখানে কি ভুল করেছি সুপ্রিয় দর্শক এই হুজুর ছিলেন এই ছোট্ট বাচ্চার নানা আর এই বাচ্চাটি ছিলেন গাউসুল আজম বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাইহ আল্লাহ তো বন্ধুরা এই ছিল আমাদের আজকের এই ভিডিও কেমন লাগলো কমেন্ট করে আমাদের অবশ্যই জানাবেন আজ তাহলে
এই পর্যন্তই আপনারা ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ