প্রিয় লিসেনারস আসসালামু আলাইকুম ফিল দা রিয়েল ফিয়ার উইথ আস হ্যাঁ প্রিয় লিসেনার সত্যিকারের ভয়ের অনুভূতি পেতে আফরনান হর ওয়ার্ল্ডের সাথেই থাকতে হবে দেশ ও দেশের বাইরে যে যেখান থেকে আফরনান হর ওয়ার্ল্ডের আজকের হরন নাইট এপিসোডের 48 তম আয়োজনের সাথে যুক্ত হয়েছেন হচ্ছেন বা পরবর্তিত হবেন সকলকে জানাচ্ছি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা আশা করি সবাই ভালো আছেন সুস্থ আছেন প্রিয় লিসেনারস আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন এবার 2025 সালের অমর 21শে বইমেলায় আফনান হরর ওয়ার্ল্ড থেকে দুটি বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে ইনশাল্লাহ প্রথম যে বইটি বাজারে আসতে যাচ্ছে সেটি হরর থ্রিলার ধর্মী একটি বই দারুণ রোমাঞ্চকর প্রতিটি মুহূর্ত সেই বইয়ের মধ্যে
রয়েছে এই বইটি এবারও প্রকাশিত হতে যাচ্ছে প্রান্ত প্রকাশন থেকে প্রিয় লিসেনারস আমরা খুব তাড়াতাড়ি এই বইটির প্রি অর্ডার সংক্রান্ত লিংকটি গ্রুপ পেইজ এবং আমাদের এই ইউটিউব চ্যানেলের কমিউনিটি পোস্টে জানিয়ে দেব প্রিয় লিসেনারস আজকের এই এপিসোডে আমরা দুটি ঘটনা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব প্রথম যে ঘটনাটি এটি আমার নিজেরই সংগ্রহ করা আর দ্বিতীয় ঘটনা আপনাদের সকলের প্রিয় মোহাম্মদ রবি ভাইয়ের পাঠানো মোহাম্মদ রবি ভাইয়ের কথা নতুন করে আর বলার কিছু নেই এইতো কয়েকদিন আগেই আমাদের উইন্টার হরর কার্নিভালের পুরো আয়োজনটা ছিল রবি ভাইয়ের পাঠানো ঘটনাগুলি নিয়ে আর এই এপিসোডে উনার একটি ঘটনা এখন আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব তবে প্রথম
ঘটনাটি আমার নিজেরই সংগ্রহ করা এবং সেটি দিয়ে শুরু করে করতে যাচ্ছি এই ঘটনাটি আমি যার কাছ থেকে সংগ্রহ করছি উনি পেশায় একজন অ্যাডভোকেট উনার নাম হচ্ছে খাইরুল বাশার উনার বাড়ি ঝালুকাঠি জেলার সদর উপজেলায় আর উনি মূলত ঢাকার প্রাণকেন্দ্র এলিফ্যান্ট রোড বা বাংলা মোটর এখানে যেই একটি নামকরা মার্কেট রয়েছে ইস্টার্ন প্লাজা এটার নাম অনেকেই শুনেছেন এই ইস্টার্ন প্লাজার কিন্তু দুটো অংশ রয়েছে একটি অংশ অফিশিয়াল কার্যক্রম পরিচালিত হয় বিভিন্ন অফিসগুলো সেখানে রয়েছে আরেকটি অংশে মার্কেট বা দোকান রয়েছে আর কি তো যেই অংশে অফিশিয়াল কার্যক্রম পরিচালিত হয় যেগুলো বিভিন্ন অফিস ভাড়া নিয়েছে তো সেখানে কিন্তু অনেক লয়াররাও তাদের
চেম্বার খুলেছেন মূলত এই খাইরুল বাশার ভাই একজন লয়ার উনি আয়কর সংক্রান্ত কাজগুলো করে থাকেন যেহেতু আমি নিজে সরকারি কর্মকর্তা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমাকেও আয়কর জমা দিতে হয় আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হয় তো এই কারণে মূলত খাইরুল বাশার ভাইয়ের কাছে আমি গিয়েছিলাম একটা রেফারেন্সে তো আমি যখন আমার ডকুমেন্টস গুলো উনার সামনে উপস্থাপন করি বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে যখন উনি জানতে পারলেন যে আমার একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে এবং আমি ভয়ের ঘটনাগুলো সংগ্রহ করি এবং উপস্থাপন করি তখন উনি উনার কাজ শেষ করে আমার সাথে একটি ঘটনা শেয়ার করলেন একটি না আরো অনেকগুলো ঘটনাই উনি শুরু করেছিলেন তবে আমি একটি
ঘটনা পুরোপুরি উনার কাছ থেকে শুনতে পেরেছি এবং উনার অনুমতি সাপেক্ষেই আমি এই ঘটনাটি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব আর পরবর্তীতে উনার আরো ঘটনাগুলো বিভিন্ন সময়ে যেগুলো ঘটেছিল যেগুলো উনার মনে আছে সেগুলো আমাকে দেবেন বলে উনি বলেছেন তো চলুন সেই ঘটনাটি এখন আপনাদের সামনে উপস্থাপন করি ঘটনাটির সময়কাল ছিল 1980 থেকে 82 সালের ভেতরে আর স্থান ঝালুকাটি সদর উপজেলাতেই নির্দিষ্ট করে গ্রামের নামটি উনি বললেও কারণে গ্রামের নামটি বলতে পারছি না উনি সেটা বলতে নিষেধ করেছেন তো ওই গ্রামেরই একটা হিন্দু পরিবার মূলত ওই জায়গাটাতে বেশ অনেক হিন্দু পরিবারের বসবাস ছিল অনেক পুরনো একটা হিন্দু পরিবার বংশ পরম্পরায় উনারা ওখানে
বসবাস করছেন আর কি তো তাদের প্রত্যেক ভিটাতেই বা প্রত্যেক জমিতেই একটি বিশাল আকৃতির কোর গাছ ছিল অনেক বড় কোর গাছ আর এই কোরই গাছটি নিয়ে তাদের নিজেদের মধ্যে অনেক কথা প্রচলিত থাকলেও উনার দাদা তার বাবা তার দাদা উনারা কখনো এই কড়াই গাছটি বিক্রি করেননি এটার বয়স যে কত হয়েছিল এটা উনারা নিজেরাও ভালো করে বলতে পারতেন না একবার কি হয় যে যেহেতু জমি জমা ভাগ করতে হবে সন্তানাদি হয়েছে এখন এত বড় ক্রয় গাছ যদি থাকে তাহলে তো জমি ভাগ করে সেখানে মানে ঘরবাড়ি নির্মাণ করাটাও বেশ কঠিন একটি ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় এ কারণেই মূলত ওই গাছটি কাটার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তো কাটার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর যিনি বিক্রেতা মানে যিনি এই গাছের মালিক উনি স্বপ্নে দেখেন যে কোন একটা অবয়ব এসে বলছে যে এই গাছে তো আমরা বহুদিন ধরে থাকি তোর বাবা তোর দাদা তার বাবা তার দাদা এরাও কখনো কাটে নাই তুই এই গাছটি কাটিস না তখন উনি আবার স্বপ্নের ভিতর বলছে যে আসলে আমি তো নিরুপায় এখন আমার সন্তানাদি হয়েছে ওদেরও তো ঘরবাড়ি করতে হবে এই জমি ছাড়া তো আমার কোন জমি জমা নাই এত বড় কোর গাছ এই কোরই গাছটা বিশাল জায়গা নিয়ে এখন এই কোরই গাছের নিচে তো ঘরবাড়ি করা যায় না যদি অনেক
সময় যে মানে ঝড়ে যদি ডালপালা ভেঙে পড়ে তখন কি হবে তখন তো আরো ক্ষতিগ্রস্ত হবে ওরা প্রাণহানি হবে তা আমি তো নিরুপায় হয়ে গেছি আমার তো কাটতেই হবে এরপরেও ওই অভাবটি বলে না তোরা কাটিস না তুই অন্য কোন জায়গায় কেন পরেরটা আমরা দেখব তো এরপরে ওই অবয়বটা ঘুমের মধ্যেই মানে স্বপ্নের মধ্যেই চলে যায় কিন্তু উনি এই ব্যাপারটা আসলে অতটা অস্বাভাবিকভাবে নেন নাই কারণ ওইখানে যে ভয়ের ঘটনা কখনো ঘটতো বা মারাত্মক ভাবে কোন ভয়ের ঘটনা ঘটেছে এমনটা কিন্তু উনাদের কাছে কখনো ওইভাবে মনে হয় নাই যারা ফলশ্রুতিতে বিষয়টা উনি ওইভাবে গুরুত্ব দেন নাই আর যখন উনি বিক্রয়
করার জন্য আলোচনা শুরু করেন তখন ওই উপজেলারই আরেকজন ব্যক্তি উনিও হিন্দু ভদ্রলোক উনি গাছ কেনাবেচা করেন আর কি কোন গাছ কেনেন সেটা কাটেন সো মিলে নিয়ে যান কাঠ আবার বিক্রি করেন এটাই ছিল উনার প্রফেশন এবং এই কাজ করে উনি যথেষ্ট ধনীও হয়েছিলেন তো উনি এই কুরুই গাছটা অনেক আগেই দেখেছিলেন তো যখন শুনলেন যে এই গাছটা বিক্রি করা হবে তখন উনি মূলত এই গাছটি কিনে নেন আর খাইরুল বাশার ভাই আমাকে বলেছিল যে ওই 80 82 সালের সময় এই গাছটা এক লক্ষ টাকায় বিক্রি করেছিল এই গাছটির মালিক চিন্তা করতে পারেন 80 82 সালে এক লক্ষ টাকায় যে
গাছ বিক্রি করা হয় সেটা কত বড় গাছ ছিল কি পরিমাণ মোটা ছিল তার ডালপালা গুলো কত বড় ছিল তো এভাবেই গাছটি বিক্রি হয়ে যায় এখন গাছ যিনি কিনেছেন উনিও রাতের বেলা স্বপ্ন দেখেন যে কেউ বলছে যে এই গাছে আমরা থাকি তুই গাছটি কাটিস না তুই অন্য গাছ কেন তো উনি আবার এ সমস্ত বিষয়ে পাত্তা দিতেন না কারণ উনি তো আসলে গাছেরই ব্যবসায়ী কাঠের ব্যবসায়ী উনি এগুলা নিয়ে তো মাথা ঘামানোর সময় উনার নাই তো উনি এটা দেখেছেন ওইটা মাথা থেকে ছেড়ে ফেলেছেন ওই একবারই দেখেছেন তো উনি কি করেছেন উনার যেই রেগুলার যারা শ্রমিক ছিল তাদেরকে নিয়ে
গাছ কাটতে গেছেন এত বড় গাছগুলো সাধারণত কি করে ওই একদম উপর থেকে কাটতে হয় ডালপালাগুলো কেটে দড়ি দিয়ে আস্তে আস্তে আস্তে আস্তে বেঁধে বেঁধে একটা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় নামাতে হয় আর ওই গাছটা কাটার জন্য মানে বেশ অনেক মানুষেরই প্রয়োজন ছিল তো উনি প্রথমে গাছ কাটতে গিয়েছেন গাছ কাটতে যাওয়ার পর ওই উপরের দিকে যখন শ্রমিকরা উঠেছেন উঠার পর কোন কিছু একটা দেখে ভয় পেয়েছে উনারা দ্রুত নেমে এসে বলছে যে গাছ আমরা কাটতে পারবো না উপরে ভয় আছে কি জন্য একটা দেখলাম তখন উনি যিনি মানে কিনেছেন আর কি গাছটা তো উনি বলছেন আরে ও কিছু না উট উপরে
তো ওরা আর ওঠে না এদিকে মুখে মুখে অন্যান্য শ্রমিকের শ্রমিকদের কাছে তারা বলে ফেলছেন যে এরকম ঘটনা উপরে উঠলে ভয় লাগে আর যারা উঠেছিলেন তারা কিন্তু একদম উপরে উঠে ডাল কাটতে খুবই সিদ্ধ হস্ত তো উনারা যেহেতু এই বিষয়গুলো বলেছেন অন্য শ্রমিকরাও বলছে যে গাছ আর কাটবো না আমরা এটা এখন যিনি কিনেছেন উনি কি করবেন উনি তো ইতোমধ্যে সব টাকা দিয়ে ফেলেছেন গাছের মালিককে আর এরপরে উনি নতুন করে কিছু শ্রমিক আনার পরিকল্পনা করলেন এবং পরের দিন আনলেনও তো শ্রমিকরা যখন এসেছে পরের দিনও তারা যখন ওই গাছে উঠে গাছ কাটবে তখন তারাও কোন একটা কিছু দেখে অভাব
দেখে ভয় পেয়েছে দিনের বেলাতেই তারাও বলেছে গাছ কাটতে পারবো না এখন কি করণীয় তৃতীয় দিন এসে এই যে যিনি বিক্রেতা উনি সত্যিই গাছটা কেটে ফেলেছেন কারণ হলো ওইদিন উনি দুই থেকে 250 লোক নিয়ে এসেছেন নিয়ে এসে উনি এ এক গ্রুপকে এ এক ডালে উঠে উঠিয়ে দিয়েছেন এবং একসাথে বিভিন্ন সাইড কাটা শুরু করেছেন এবং সত্যি সত্যি গাছটি কাটা হয়ে যায় ওই দিনই উনি গাছ শুধু কেটেছেন বিষয়টা এরকম না গাছের গুড়িসহ উপড়ে ফেলেছেন একদিনেই উনি এই কাজটা করতে সক্ষম হয়েছেন এতগুলো লোক লাগিয়েছেন আর কি আর এতক্ষণ পর্যন্ত বিষয় যেগুলো হয়েছে তা এই ধরনের ভয়ের ঘটনার ক্ষেত্রে অনেক
স্বাভাবিকই বলতে হবে যে গাছ কাটার আগে স্বপ্নে কেউ দেখে এটা তো আমরা বিভিন্ন সময় শুনেছি এইবার যে বিষয়টা বলবো এটা খুবই ব্যতিক্রম একটি ব্যাপার গাছের গুঁড়ি যখন উপরে ফেলা হয় তখন দেখা যায় যে ওখানে ধবধবে সাদা দুটি ধুতি পড়ে আছে আর দুটো স্বর্ণের পাত্র একটা পাত্রের মধ্যে সিঁদুর আরেকটা পাত্রের মধ্যে আলতা বা এই টাইপের কোন জিনিস রাখা অথচ এই জিনিসগুলো একদম গাছের গুঁড়ির নিচে মাটির ভেতরে ছিল গাছের গুঁড়ি উপরে ফেলার পর এই জিনিসটা দেখা গিয়েছে তো এটা দেখার পর কি হয়েছে কেউ তো ভয় আর নামে না সবাই দূরে সরে চলে গিয়েছে তো যখন দূরে সরে
চলে গিয়েছে দুজন শ্রমিক এরা কি করেছে এরা সাহস করে ওই জিনিসটা ধরার জন্য নেমেছে কারণ অন্যরা তো ভয় পেয়েছে কারণ আগের দুই দিনে তো বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে তারা তো জানতো এখন ওই দুইজন নেমে ওই জিনিসটা ধরার চেষ্টা করেছে আর ধরার চেষ্টা করার সাথে সাথে ওনারা অজ্ঞান হয়ে যায় আর যিনি গাছ কিনেছেন উনি কাছাকাছি ছিল উনি আবার কি করেছে ওই গর্তের মধ্যে নেমেছে নামার পর উনি ওই ধুতি এবং ওই দুইটা স্বর্ণের পাত্র সিঁদুর এবং ওই আলতা সদৃশ এই জিনিসটা ছিল এই জিনিসটা নিয়ে নেন এরপর উনি ওইটা নিয়ে বাড়িতে চলে যান এরপর ওই যে কাঠগুলো ছিল এগুলো
সো মিলে পাঠায় দেয়া হয় উনি যখন ওই বিষয়টা শুরুতেই বুঝতে পেরেছেন যে এই গাছে কোন সমস্যা রয়েছে এরপর উনি কেটেছেন কাটার পর এখানে যে ব্যাপারটা ছিল বা এই যে যেই ধুতি সিঁদুর তারপরে আলতার মত জিনিস স্বর্ণের পাত্রে তো এই দুটা জিনিস ছিল আর কি এটা নিয়ে আসার পর উনি বুঝতে পারলেন যে উনি বড় ধরনের কোন একটা ভুল করে ফেলেছেন এই জিনিসটা নিয়ে আসছেন এই জিনিসটা নিয়ে আসার পরের দিন যখন দুঃসংবাদটা আসে তখন উনি ভালো করে বুঝতে পারেন কি সেই দুঃসংবাদ দুঃসংবাদটা হচ্ছে ওই যে দুই শ্রমিক যারা অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে তাদেরকে তো হসপিটালে পাঠানো হয় পরের
দিন তারা দুজনেই মারা যান তখন বুঝতে পারলেন যে ও টাচ করার সাথে সাথে মারা গেল এরপরে অসুস্থ হয়ে আমি জিনিসটা নিয়ে আসছি না জানি কোন বিপদ আমার উপর অপেক্ষা করছে ওই জিনিসটা উনি কি করেছেন এটা জানা যায় না ওই দুইটা ধুতি বা ওই যে স্বর্ণের দুটো পাত্রের মধ্যে যেটার মধ্যে সিঁদুর ছিল এবং আলতা সদৃশ জিনিস ছিল এটা কি করেছেন এটা জানা যায় না উনি কি করেছেন উনার ব্যবসা অন্যকে বুঝিয়ে দিয়ে উনার এক আত্মীয়কে বুঝিয়ে দিয়ে উনি উনার স্ত্রী এবং উনার সন্তানাদিসহ কয়েকদিনের মধ্যেই বিদেশে চলে যান এক্সাক্ট কোন দেশে গিয়েছিলেন এটা জানতে পারেন নাই খাইরুল বাশার
ভাই তো বিদেশে চলে যাওয়ার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই দেশে খবর আসে যে যিনি এই গাছটি ক্রয় করেছিলেন কেটেছিলেন সপরিবারে উনারা মারা গিয়েছেন তবে একসাথে মারা গিয়েছেন বিষয়টা এরকম না প্রথমে উনার সন্তানগুলো মৃত্যুবরণ করা শুরু করে অদ্ভুত বিষয় হলো প্রত্যেকেরই রক্ত বমি ওঠা শুরু হয় আর যার একবার রক্ত বমি ওঠা শুরু করেছে মাত্র একদিনের ভেতরেই সে মারা গিয়েছে ওই পরিবারের সদস্যদের রক্ত বমি ওঠা মানেই হচ্ছে মৃত্যু নিশ্চিত এভাবে উনার সব সন্তানরা মারা যান এরপর উনার স্ত্রী মারা যান সর্বশেষ মারা তবে এই ঘটনার সবচাইতে অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে এই গাছের যিনি বিক্রেতা মানে মূল মালিক যিনি ছিলেন তার কিন্তু
কিচ্ছু হয় নাই তারও কিচ্ছু হয় নাই তার সন্তানাদিরও কিচ্ছু হয় নাই তার বংশধর এখনো কিন্তু ভালো আছে কিন্তু যিনি কিনেছিলেন আর এই যে ধুতি সিঁদুর এবং আলতা সজ্জি যিনি যারা টাচ করেছিলেন তারাই শেষ হয়ে গেছে বিশেষ করে দুইজন শ্রমিক তারা তো মারা গেল পরের দিনই আর উনি যেহেতু নিয়ে আসছিলেন উনি উনার পরিবারসহ ধ্বংস হয়ে গিয়েছেন একদমই তো যিনি বিক্রয় করলেন যিনি কিনলেন এই গাছ দুজনই হিন্দু ধর্মাবলম্বী মূলত জানা যায় যে ওই গাছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী জিনেরা পরিবার নিয়ে বসবাস করতো বহু বছর ধরে বংশ পরম্পরায় এজন্য এই গাছটি বিক্রি করতে নিষেধ করা হয়েছিল যেহেতু উনি নিরুপায় ছিলেন
হয়তোবা ক্রেতাকে উনি উনি কোন ক্রেতার কোন সমস্যা হয় নাই বা ওই জিনারা তাকে ক্ষমা করে দিয়েছে কিন্তু বিক্রেতা তাকে দুইবার সতর্ক করার পরেও সে যখন কয়েকশো লোক নিয়ে হাজির হলো গাছটা কেটেও ফেলল এরপরে যখন ওই গাছের গুড়ির নিচে ওই জিনিসটা দেখলো তারপর উনি আবার এটা নিয়েও চলে গিয়েছেন উনার উচিত ছিল ওই জিনিসটা মাটি দিয়ে ঢেকে দেয়া কিন্তু উনি সেটা করেন নাই কিন্তু উনি যে এগুলো কার কাছে দিয়েছেন কি হয়েছে এটার আর কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি এটি ছিল ঘটনা প্রিয় লিসেনারস এরকম ঘটনা কিন্তু অনেক শুনতে পাওয়া যায় তবে এই ঘটনার মধ্যে যে ছোট ছোট কয়েকটি ব্যাপার
ছিল এটা কিন্তু আমার কাছে একদম নতুন লেগেছে যেটা আমি আগে কখনো শুনি নাই ধন্যবাদ জানাচ্ছি অ্যাডভোকেট খাইরুল বাশার ভাইকে আশা করছি উনার কাছ থেকে আরো ঘটনা ইনশাল্লাহ পাবো এবং সেগুলো ইনশাল্লাহ আপনাদের সামনে পর্যায়ক্রমে উপস্থাপন করব আর উনার কাছ থেকে ঘটনাগুলো আমার নিজেকে সংগ্রহ করতে হবে যেহেতু উনার সাথে সরাসরি আমার দেখা সাক্ষাৎ হবে এইজন্য ইনশাল্লাহ উনার কাছ থেকে আমি চেষ্টা করব অন্যান্য ঘটনাগুলো যেন সংগ্রহ করে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে পারি প্রিয় লিসেনার চলুন চলে যাব আমাদের এবারের হরন নাইট এপিসোডের আজকের আয়োজনের দ্বিতীয় এবং শেষ ঘটনায় প্রিয় লিসেনারস রবি ভাইকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই
তারপরও যারা নতুন লিসেনার রয়েছেন তাদের জন্য বলছি যে উনি বর্তমানে ইউএস এইডের একজন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এই মুহূর্তে যদিও বা উনি মধুখালীতে একটি প্রজেক্টের দায়িত্বে রয়েছেন তবে প্রজেক্টের কাজে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গাতেই উনি গিয়েছেন তো উনি যখন বেশ কিছুদিন আগে গাজীপুরে গিয়েছিলেন গাজীপুরের ভাদাম নামক একটা স্থানে সেখানে মূলত ড্রেনেজ সিস্টেম নিয়ে একটি প্রজেক্ট ছিল মূলত সেটির কারণে ওখানে গিয়েছিলেন তো ওখানে যাওয়ার পর বেশ বয়স্ক বলতে কি মধ্যবয়সীও না একটু তার থেকেও বেশি বয়স হবে আর কি 55 60 বছর এরকম একজন ব্যক্তি তার নাম হচ্ছে মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ এই আব্দুস সামাদ উনি উনার তরুণ বয়স থেকেই
বেশ সাহসী একজন মানুষ এবং ওই বয়স থেকেই উনি অনেক গভীর ড্রেনের মধ্যে নেমেও অনেক জটিল জটিল কাজ সমাধান করেছেন যেখানে কেউ নামতে ভয় পায় কারণ হচ্ছে ড্রেনেজ সিস্টেমের মধ্যে কিন্তু খুব ভয়ঙ্কর ধরনের ঘটনাও ঘটতে পারে কারণ হলো ওই জায়গাগুলো খুব বিষাক্ত হয়ে থাকে দূষিত পানি ময়লা আবর্জনা সেখানে থাকে তো দেখা যাচ্ছে যে সেখানে অক্সিজেন নিয়ে গেলেও বিভিন্ন ধরনের বিপদ আপদ হতে পারে তারপরে অনেক সময় ড্রেনেজ ব্যবস্থার মধ্যে প্রচন্ড পরিমাণ পানির প্রেসারও থাকতে পারে সেই পানির প্রেসারেও কিন্তু উনাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা বা অক্সিজেন সাপ্লাই থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়গুলো ধ্বংস হয়ে যেতে পারে এছাড়া যদি কখনো কোন
একটা সরু গলির মধ্যে উনারা পানির প্রেসারে চলে যান তাহলে তো মৃত্যু নিশ্চিত এরকম ঝুঁকি নিয়ে কিন্তু উনাদেরকে কাজ করতে হয় তো উনার সাথে যখন কথা হচ্ছিল রবি ভাইয়ের তখন রবি ভাই এই আব্দুস সামাদ চাচাকে উনার সাথে কোন ভয়ের ঘটনা ঘটেছে কিনা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে উনি একটি ঘটনা শেয়ার করেছিলেন যে উনার জীবনে একটি ভয়ঙ্কর ঘটনা রয়েছে তো সেই ঘটনাটি যখন শেয়ার করেন তখন রবি ভাইয়ের কাছে যেমন অদ্ভুত লেগেছে আর এটা শোনার পর আমাদের কাছে অদ্ভুত লেগেছে চলুন সেই ঘটনাটি এখন শুরু করি ঘটনাটি ঘটেছিল 2005 সালে 2005 সালে গাজীপুর মিউনিসিপালিটি যেটা তখন ওখান থেকে উনার কাছে
একটি খবর আসে যে এই চেরাগালির এখানে যে গাজীপুর এই যে টঙ্গি চেরাগালি যে জায়গাটা রয়েছে ওইখানে একটা জায়গায় পানি আটকে গেছে ট্রেনের মধ্যে কোনভাবে সেটা সমাধান হচ্ছে না এটা পরিষ্কার করতে হবে মূলত এই তথ্যটা উনার কাছে আসে হচ্ছে রাতের বেলা তো রাতের বেলা ওই সময় তো আর যেতে পারেন নাই সকাল সকালেই উনি সহ উনার আরো দুইজন সহকর্মী নিয়ে সেখানে চলে যায় যাওয়ার পর ওই সাইটটা স্থানীয় যারা প্রশাসনের লোক ছিলেন তাদের সহযোগিতায় একটা সাইট আটকানো হয় যাতে যানবাহন না চলাচল করে এরপর ওনাদের যে প্রয়োজনীয় জিনিস অক্সিজেন সিলিন্ডার আর অক্সিজেন সিলিন্ডার বলতে কি ওনারা মুখে মাস্ক পড়ে
নেন অক্সিজেনের জন্য উপরে একটা মেশিন চলে ওই মেশিন থেকে অক্সিজেন সাপ্লাই হতে থাকে যদি কোন কারণে ওই মেশিন বন্ধ হয়ে যায় অথবা কোন কারণে ওইটার পাইপ যদি নষ্ট হয়ে যায় বা ছিড়ে যায় তাহলে কিন্তু ভয়ঙ্কর বিপদ তো উনি প্রথমে নামেন যেই জায়গাটাতে সমস্যা আছে বলে মনে হয় আর কি মানে যেখানে পানি এসে ওখান থেকে পানি বের হয়ে আসছে তো ওই জায়গাতে উনি যখন নামেন ওই জায়গাগুলো সাধারণত যেখানে ম্যান হোল থাকে ম্যান হলে যে ঢাকনা থাকে ওই বরাবর নিচে কিন্তু একটা ক্লোজার থাকে ক্লোজারে দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন পাশ থেকে পানি আসতে থাকে মাঝখানে একটা চারকোনা কিউবের
মত করে একটা জায়গা করা থাকে ওই জায়গার ওই প্লেসটাতে মূলত লোহার শিক দিয়ে তৈরি একটা ঢাকনা থাকে তো যারা এটা দেখেছেন তারা বুঝতে পারবেন আর কি তো উনি জানতেন যে এই জায়গায় অনেক সময় চতুর্দিক দিক থেকে পানি এসে বিভিন্ন পলিথিন বা এই টাইপের কোন জিনিস এসে যদি ওই ক্লোজারের ঢাকার উপরে পড়ে তখন পানি আটকে যায় আর ওই ক্লোজারের ওই জায়গাটাতে প্রচন্ড পানির প্রেসার থাকে যেহেতু এটা খুবই ব্যস্ততম এলাকা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকাও বটে যার কারণে ওখানে প্রতিনিয়ত প্রচুর পানির ব্যবহার হয় আর এই কারণে পানির প্রেসার যেমন থাকে বিভিন্ন ধরনের পলিথিন জাতীয় ময়লা আবর্জনা ওই জায়গায় এসে জমা
হওয়াটাই স্বাভাবিক তো উনি ওই জায়গায় নেমেছেন নামার পর প্রচন্ড পানির প্রেসারে উনি ওই ক্লোজার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছিলেন না উনি নামার চেষ্টা করলো ব্যর্থ হয়ে আবার উঠে চলে আসেন আর কি কিন্তু যেতে তো হবেই না হলে তো পানি ওভারফ্লো হয়ে যাচ্ছে উপর দিয়ে এরপর উনি আরেকটু শক্তি সঞ্চয় করে আল্লাহর নাম নিয়ে আবারো ডুব দেন এবারে উনি কষ্ট করে ওই ক্লোজার পর্যন্ত পৌঁছে যান তো ক্লোজার পর্যন্ত যখন পৌঁছেছেন পৌঁছানোর পর উনি ওই ক্লোজারের উপর যখন হাত দেন তখন উনি বুঝতে পারেন বেশ মোট আকারের একটা রেক্সিন জাতীয় জিনিস ওইটার উপরে পড়েছে এবং আটকে গেছে ওখানে যার ফলশ্রুতিতে ওই
ক্লোজারের ওই ঢাকনা দিয়ে পানি পাস হতে পারছে না উনি কি করেছেন এক হাত দিয়ে ওই রেকসিনটা যখন সরিয়েছেন সরানোর সাথে সাথে খপ করে উনার হাত যেন কে টেনে ধরেছে মনে হলো একটা মানুষের মত হাত কিন্তু আঙ্গুল মনে হচ্ছে দুইটা উনি আবার কি করেছেন ভয় পান নাই উনি সাহস করে ওই রেক্সিনটা উনি উনার পায়ের একপাশে রেখে উনার অন্য হাত দিয়ে খপ করে ওই হাতটা ধরেছেন যেই হাতটা উনার হাতের উপর চেপে ধরেছে তো যখনই ধরেছে তখন উনি ফিল করেন যে এই হাতটা খুব লিকলিকে ছোট একটা হাত এবং হাতে আঁশ থাকে না মানুষের মাছের আঁশ যখন মানুষ হাত
দেয় মাছের গায়ের উপর তখন কিন্তু একটা আশ জাতীয় জিনিস আমরা অনুভব করি এমনিতে থাকে আশ এটা আমরা দেখেছি কিন্তু হাত দিলে কিরকম অনুভূতি হয় উনি বুঝতে পারেন যে বেশ বড় বড় আঁশ রয়েছে তার হাতে এরপর উনি ভয় পেয়ে ওই হাতটা ছেড়ে দেন আর উনি উনার পায়ের একটা পাশে চাপ দিয়ে যেই রেক্সিনটা রেখেছিলেন ওইটা আবার ধরে দ্রুত উপর দিকে উঠে আসেন উনি ভাবছেন হয়তোবা তার পা ধরে নিচে হ্যাঁচকা টান দেয় কিনা কিন্তু না সেটা আর হয়নি উনি দ্রুত উপরে উঠে আসেন উপরে উঠে আসার পর উনি ওই রেক্সিনটা তোলেন বেশ বড় ভারী একটা রেক্সিন ছিল সেটা যার
কারণে এরকমটা হয়েছিল আর কি আর যেহেতু এখন পানি ক্লিয়ার হবে আস্তে আস্তে তো উনি যখন উঠেছেন উঠার পর এক ঘন্টার মতো উনারা সবাই ওয়েট করেছেন এক ঘন্টার মধ্যে মোটামুটি পানির প্রবাহ একদম স্বাভাবিক হয়ে যায় যখন পানির প্রবাহ স্বাভাবিক হয়ে যায় তখন ড্রেনেজের যে লাইনগুলো সেগুলো ক্লিয়ার হয়ে যায় পানিও নিচে নেমে আসে এরপর ওখানে অন্য কোন জায়গায় আরো কিছু আটকে আছে কিনা সেই জিনিসগুলো কিন্তু পরক করা জরুরী শুধু এইটা করলে যে সমস্যার সমাধান হয়ে গেল বিষয়টা এরকম না পানি নেমে গেলে তখন আরো কিছু কাজ থেকে যায় তখন উনি আর একা নামেন নাই উনার সাথে আরেকজন সহযোগীকে
নিয়ে নেমেছেন তো দুইজন দুই দিকে যান একজন চলে যান ওই দিক দিয়ে নেমে গাজীপুর চৌরাস্তার দিকে যেই ড্রেনটা চলে গেছে ওইটা ওই ড্রেন গুলো কিন্তু অনেক বড় বড় ট্রেন আর আরেকজনকে বলেন যে ওই চেরাগালির মোড় যেদিকে ওই দিকটাতে যে ড্রেনটা চলে গেছে ওই দিকে যাবে তো ড্রেইন যখন নিচ দিকে করা হয় তখন কিছু জায়গায় একটু পাটাতনের মত করা হয় যাতে করে যারা ড্রেনের সিস্টেমটা ক্লিন রাখবেন যে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা তো উনারা যেন উনাদের কাজের সুবিধা পেতে পারেন এইজন্য এটা করা হয় তো উনি মূলত একটা পাটাতনের উপর ওঠেন ইতোমধ্যে পানি আরো কমে গেছে এরপর উনি হাতে একটা
টর্চ লাইট নিয়ে আগাতে থাকেন সামনের দিকে অক্সিজেন কিন্তু রয়েছে বাবার কাছে কারণ নিচে তো অনেক গ্যাস ওখানে তো এই উপরের অক্সিজেন বা বাতাসগুলো ওইভাবে কাজ করে না তো নিচেও তো অন্ধকার ঘুটঘুটে অন্ধকার তো উনি যাচ্ছেন টর্চ লাইট মারতে মারতে হঠাৎ করে একটা জায়গায় খটাং করে একটা আওয়াজ হলো মনে হইলো তো উনি সাথে সাথে যেদিক থেকে আওয়াজ আসে ওইদিকে টর্চলাইট মারেন মারার সাথে সাথে দেখতে পান এক ভয়ঙ্কর দৃশ্য উনি দেখতে পান যে একটা ছোট অবয়ব একটা বাচ্চা মত অবয়ব আর কি কালো কুচকুচে মাথাটা দেখা যাচ্ছে কিন্তু এটার চোখ মুখ কান নাক কিচ্ছু বোঝা যাচ্ছে না মনে
হচ্ছে একটা বাতাবি লেবু যেরকম হয় ওই রকম একটা বলের মত বাতাবি লেবুর মতো যেখানে কোন চোখ মুখ নাক কিচ্ছু নাই কিন্তু হাত রয়েছে হাতের আঙ্গুল দুইটা তখন উনি আরো একটা বিষয় দেখতে পান যে যখনই উনি টর্চ লাইট মেরেছেন মারার সাথে সাথে ওই অবয়বটা মনে হলো যে কি একটা খাচ্ছিল ছিড়ে ছিড়ে সাথে সাথে একটা দৌড় দিল এবং দৌড়টা এমন ছিল টিকটিকে কিভাবে দৌড় দেয় ওইভাবে চার হাত পায়ে ভয় ভর করে ড্রেনেজের আরেকটা লাইন ছিল তার মধ্যে ঢুকে গেল উনি আবার তাড়াতাড়ি করে এগিয়ে গিয়ে ওই লাইনটার মধ্যে টর্চ মেরেছেন ওই লাইনটা কিন্তু সোজা অনেকটা পথ গিয়েছে তো
যতক্ষণ উনার টর্চ লাইট ধরা ছিল উনি দেখতে পাচ্ছিলেন যে ওই অবয়বটা টিকটিকির মত দৌড়ে দৌড়ে চলে যাচ্ছে যতক্ষণ টর্চের আলো ছিল বা যতদূর দেখা যায় উনি ওইটা পুরোটাই দেখেছিলেন এরপর উনি দেখার চেষ্টা করলেন যে আসলে জিনিসটা কি খাচ্ছিল তো উনি দেখলেন যে ওখানে কাকের মত কিছু একটা মানে পড়ে আছে কাক বা এই টাইপের কোন একটা পাখির মৃতদেহ পড়ে আছে ওটা ছেড়া তো ওটাই ওই জিনিসটা খাচ্ছিল তো এটা দেখে তো উনি বেশ ভয় পান এবং উনি চিৎকার দিয়ে উনার উনার সহকর্মীকে ডাক দেন আর যেহেতু ওই লাইনটা তো সোজা হালকা শব্দ অনেক দূর পর্যন্ত শোনা যায় তো
উনার সহকর্মী উনি দ্রুত তার দিকে এগিয়ে আসার চেষ্টা করছিলেন তবে উনার সহকর্মীর ওই সাইটটাতে বেশ হাঁটু কোথাও হাঁটু পর্যন্ত পানি কোথাও কোমর পর্যন্ত পানি এরকম ছিল তো উনার আসতে একটু সময় লাগে তো এরপর উনাকে সাথে নিয়ে উপর দিকে চলে আসেন আর কোন সমস্যা ছিল না উনি যখন উনার ড্রেসটা খোলেন যে ড্রেস পড়ে উনি নেমেছিলেন এরপর দেখা যায় উনার এক হাতে বিশেষ করে ডান হাতে দুই আঙ্গুলের ছাপ রয়েছে এবং গভীরভাবে সেই ছাপটা বসে গেছে ওই যে উনি যখন ওই ক্লোজারের ওখানে ঢাকনাটা ধরতে গিয়েছিলেন তখন যখন উনার হাতটা চেপে ধরেছিল তো ওই ছাপটাই মূলত তো উনি উনার
সহকর্মীকে এই বিষয়ে খুব একটা কিছু বলেন নাই তার অবশ্য জিজ্ঞেস করেছিল হাতের ওখানে কি হয়েছে উনি বলেন না কিছু নাই এটা চাপটা লাগছে আর কি তো উনি এই বিষয়টা এভাবেই এড়িয়ে যান তো এরপর উনি এক হুজুরের সাথে দেখা করেন গাজীপুরি এক হুজুরের সাথে ওই দিনই আর কি সন্ধ্যার পরে তো হুজুরের কাছে যখন বিষয়টা বলেন তখন হুজুর বলেন যে জিনদের মধ্যে অসংখ্য শ্রেণী রয়েছে এর মধ্যে এক শ্রেণীর জিন রয়েছে যারা সবসময় দৃশ্যমানী থাকে ওরা অদৃশ্য হয় না আর এই শ্রেণীর জিনেরা সবসময় অন্ধকারে থাকে ওরা মানুষের সামনে আসতে চায় না মানুষের সামনে আসলে ওরা ওরা পালিয়ে যায়
তবে ওরা মানুষকে পজেস করতে পারে না মানুষের উপর আসর করতে পারে না এমনকি ওদেরকে হাজিরও করা যায় না কারণ ওরা তো মানুষের উপর আসর করে নাই হাজির করবে কিভাবে আর এরা খুবই নিম্ন শ্রেণীর জিন এদের শরীরের শক্তিও কম এরা মানুষকে শুধু সামনে পেলে আক্রমণ করতে পারে এছাড়া অন্য কোন ভাবে আক্রমণ করতে পারে না তো আপনি ওরকমই একটা জিনের খপ্পরে পড়েছিলেন আল্লাহর রহমতে আপনি ভালো আছেন সুস্থ আছেন এটাই বেশি তো এরপর পরে উনি এই আব্দুস সামাদ চাচাকে কিছু দোয়া শিখিয়ে দেন যে এরপর থেকে আপনি যখন এই ধরনের কাজে যাবেন তখন এই দোয়াগুলো পড়ে নামবেন ইনশাল্লাহ আপনার
কোন কিছু হবে না বা এই টাইপের জিনিসগুলো আপনার আশেপাশে আসতে পারবে না তা আব্দুস সামাদ চাচা এখনো সেই আমলগুলো করে যাচ্ছেন তো আব্দুস সামাদ চাচা যে প্রফেশনটাতে রয়েছেন আমরা কিন্তু অনেকেই এই প্রফেশনে যুক্ত মানুষগুলোকে খুব একটা পছন্দ করি না কিন্তু আমরা কি একবারও চিন্তা করেছি এই কাজটি কতটুকু ঝুঁকিপূর্ণ আর এই কাজে গিয়ে যেকোনো সময় তাদের মৃত্যু হতে পারে আর এই মানুষগুলো আছেন বলেই আমাদের শহর আমাদের আশপাশ থাকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন আমরা যদিও বা তাদেরকে পরিচ্ছন্নতা কর্মী বলি কিন্তু তাদের আসলে বলা উচিত পরিবেশকর্মী যদিও বা তারাও তাদের তরফ থেকে দাবি করছেন তাদেরকে পরিবেশকর্মী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য
আমরাও মনে করি যে তাদেরকে আসলে পরিচ্ছন্নতা কর্মী না বলে পরিবেশকর্মী বলা উচিত কারণ তাদের মাধ্যম দিয়েই কিন্তু এই শহর আমাদের আশপাশ রয়েছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন প্রিয় লিসেনারস আমাদের পাঠ্যপুস্তক থেকে কিন্তু অনেক কবিতাই হারিয়ে গেছে যে কবিতাগুলো আমাদেরকে নীতি নৈতিকতা শিক্ষা দিত তেমন একটি কবিতা সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের মেথর কবিতাটি যেই কবিতাতে কিন্তু এই পরিবেশকর্মীদের উদ্দেশ্যে অনেক কথাই বলা হয়েছে মূলত সেই কথাগুলো বলা হয়েছে আমরা যারা নিজেদেরকে সভ্য সমাজের লোক দাবি করি তাদেরকে শিক্ষা দেয়ার জন্য সেই কবিতায় কিন্তু লেখা রয়েছে কে বলে তোমারে বন্ধু অস্পৃশ্য অসুচি সূচিতা ফিরিছে সদা তোমারই পিছনে তুমি আছো গৃহবাসে তাই আছে রুচি নইলে মানুষ
বুঝি ফিরে যেত বনে প্রিয় লিসেনারস যারা এই কাজগুলো করছেন তারা আমাদের আশপাশ পরিষ্কার রাখছেন বলেই তো আমরা সুন্দর করে চলতে পারছি আপনি একবার ভাবুন আমাদের বাড়িতে বা আমাদের আশপাশ যারা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখছেন তারা যদি একদিনের জন্য সেটা করা বন্ধ করেন আমরা বাইরে বের হতে পারবো আমাদের আশপাশে যে ডাস্টবিন গুলো রয়েছে এগুলো যদি এক একদিনের জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা বা পরিবেশকর্মীরা এই ময়লাগুলো নিয়ে বন্ধ রাখেন আমরা রাস্তায় নামতে পারবো কিন্তু দিনশেষে তাদেরকে দেখেই আমরা কিন্তু নাক ছিটকাই এটাকে আসলে আমাদের করা উচিত নিশ্চয়ই করা উচিত নয় কারণ তারা আছে বলে আমরা এই ঘরে থাকতে পারছি না হলে
এই ঘর আমাদের থাকার অযোগ্য হয়ে যেত আজকের এই এপিসোডটি সকল পরিবেশকর্মীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করলাম যারা আমাদের আশপাশ পরিষ্কার রেখে আমাদের এই শহর আমাদের এই গ্রামকে রেখেছেন বাসযোগ্য প্রিয় লিসেনারস আজকের এপিসোড এ পর্যন্তই ইনশাআল্লাহ আসছে বৃহস্পতিবার আপনাদের পাঠানো ঘটনাবলী নিয়ে 133 তম এপিসোড নিয়ে ইনশাল্লাহ হাজির হব এছাড়া এইবার যেই ফ্রাইডে আসতে যাচ্ছে সেই ফ্রাইডেতে কিন্তু দারুন একটি স্পেশাল এপিসোড হতে যাচ্ছে আশা করছি এবার স্পেশাল এপিসোডে ভিন্ন ধর্মী কিছু চমক আপনাদের জন্য নিয়ে আসতে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আমার জন্য দোয়া করবেন আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন আপনাদের জন্য দোয়া রইল আপনাদের পরিবারের প্রত্যেকের
জন্য দোয়া রইল মহান আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদেরকে ভালো রাখুন সুস্থ রাখুন নিরাপদে রাখুন আফনান দহর ওয়ার্ল্ডের সাথে রাখুন আসসালামু আলাইকুম প্রিয় লিসেনার [মিউজিক]