দর্শক দেখুন ওড়িশায় বাংলার শ্রমিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে শাহকে চিঠি ইউসুফ পাঠানের চার দফা দাবি বহরমপুর সাংসদের এটা একটা আরেকটা হচ্ছে এটা অমিতের রাজ্যেই আক্রান্ত বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকেরা অমিত শাহকে চিঠি লিখলেন তৃণমূলের সামিরুল ইসলাম। উনিও একজন এমপি। রাজ্যসভার এই হচ্ছেন উনি। তারমানে টিএমসির দুই এমপি মুসলিম এমপি। একজন লোকসভার আরেকজন হচ্ছেন রাজ্যসভার। ইউসুফ পাঠান এবং সামিরুল ইসলাম। তারা এখন চিঠির মাধ্যমে অমিত শাহের দ্বারস্ত হয়েছেন যে এই বাংলা থেকে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে যারা রাজ্যের বাইরে গুজরাট, উড়িশা সহ অন্যত্র কাজ করছেন তাদের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের বিষয়টা একটু দেখা হোক এবং কিছু জ্ঞানটানও দেওয়া হয়েছে যেটা আর কি টিএমসির
অভ্যাস কেন এই ঘটনা ঘটবে আমাদের এখানেও তো অনেকে আসেন বলে কিছু জ্ঞানটান আছে তো দিয়ে এইসব বলা হয়েছে এখন দেখা যাক দর্শক কি হয় অমিত শাহ কিভাবে ভ সাড়া দেন সেটা দেখতে হবে। কিন্তু আমার কয়েকটা প্রশ্ন রয়েছে এই দুই এমপির কাছে। সবার প্রথমে এই ইউসুফ পাঠানকেই আমি প্রশ্ন করতে চাই যে আপনি এতদিন কোথায় ছিলেন? আপনি এতদিন কোথায় ছিলেন? হঠাৎ করে চিঠি লিখছেন শাহকে। মানে পরিযায়ী শ্রমিক যারা কাজ করতে যাচ্ছেন তারা আক্রান্ত হচ্ছেন একটু দেখুন এতদিন পরে চিঠি লিখছেন কিন্তু আপনি কোথায় ছিলেন আপনি যে জেলার এমপি মুর্শিদাবাদ সেখানে যে দাঙ্গা হলো অশান্তি হলো হিন্দু হত্যা হলো
ক তখন তো আপনাকে দেখিনি কিছু বলতে কিছু উদ্যোগ নিতে এগুলোকে মানে কমানোর জন্য আপনাকে আপনাকে তো দেখিনি কিছু বলতেই শুনিনি লেখা তো দূরের কথা কিছু বলতেই শুনিনি মানে মানে লেখা তো দূরের কথা বলতে মানে চিঠি লেখা তো দূরের কথা আমি বলছি কিছু যে অন্যভাবে বলা লেখা সোশ্যাল মিডিয়াতে সেটাও তো দেখিনি একটা ছবি দেখেছিলাম আপনার চায়ের কাপ হাতে একটা ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে এসছিল সেটা নিয়ে খবরও হয়েছিল যেখানে এইসব হচ্ছে আর ইশু পাঠান দেখুন আরামে চা খাচ্ছেন এটাই আর কি তখন দেখেছিলাম শুনেছি ছিলাম কিন্তু আপনাকে তো তার তারপরেও কখনো কিছু বলতে শুনিনি দেখিনি আপনি কোথায় ছিলেন ছিলেন
এতদিন এখন হঠাৎ করে চিঠি লিখছেন শাহকে পরিযায়ী শ্রমিকরা আক্রান্ত হচ্ছেন কেন আক্রান্ত হচ্ছেন জানেন আক্রান্তের যে বিষয়টা ঘটছে কেন ঘটছে জানেন যদি সেটা জানতেন না তাহলে ওই সময় চুপ করে বসে থাকতেন না বা এটাও হতে পারে সবই জানেন তবুও চুপ করে বসেছিলেন এটাও হতে জানেন না বলা ভুল নাকি দর্শক হয়তো সবই জানেন চুপ করে বসেছিলেন এখন দেখছেন এইরকম একটা অবস্থা এখন আবার চিঠি লিখে শাহকে বলছেন একটু দেখুন একটু দেখুন বা এই দেখার দেখার কথা বলার মাধ্যমে হয়তো রাজনীতিরও একটা চেষ্টা হচ্ছে যেই যে চিঠি লিখছি কত পাশে রয়েছি পরিচয় শ্রমিকদের লোকজন জানছেন মানে চিঠি কোথায় পাঠালেন
না পাঠালেন সেটা মিডিয়াতে খবর হয়ে গেল চিঠি লিখেছেন কিন্তু যে জন্য এই ঘটনাগুলো ঘটছে আক্রান্তের ঘটনা সেটা তো বুঝতে হবে। সেটা তো বোঝাতে হবে ওখানে। এমনি এমনি আক্রান্তের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে অন্যান্য রাজ্যে। আমি সামিরুলের কথাটাও বলছি। উনি তো আবার অমিতের রাজ্যেই যেটা আর কি বলার চেষ্টা করেছেন মানে গুজরাট। যেহেতু উনার ওখানে বাড়ি গুজরাট। মানে গুজরাটে হচ্ছে উড়িশাতে হচ্ছে। এবং আরো অন্যান্য রাজ্যের কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যের কথাগুলোকে বেশি করে বলা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন তো ওটাই যে হচ্ছেটা কেন? আগে তো এরকম হতো না। হচ্ছেটা কেন? আর রিসেন্টলি এতটা এইরকম হচ্ছে কেন? এবং মালদা
মুর্শিদাবাদ শুনলেই কেন এইরকম আক্রান্তের ঘটনাগুলো ঘটছে? এটা তো বুঝতে হবে। উড়িশাতে যে ঘটনা ঘটছে আমি তো একটা ভিডিও দর্শক আপনাদেরকে দেখিয়েছি। আপনারা হয়তো অনেকে দেখেছেন একজন ফেরিওয়ালা এই বাংলা থেকে। একজন ফেরিওয়ালা ওখানে ফেরি করতে গিয়েছিলেন যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে আপনি কোত্থেকে এসছেন? বাংলায় কথা বলছেন ঠিক আছে কোত থেকে এসছেন যখন তিনি বলেন যে আমি মুর্শিদাবাদ এলাকা থেকে এসছি শুনেই একেবারে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে সেখান থেকে বের করে দেওয়া খারাপ লেগেছিল আমার সেটা দেখে কিন্তু এটা এটা কেন হচ্ছে সেটা তো ফিল করছি উড়িসার লোকেরা এইসব জেলার নাম জানতেন আগে এইসব জেলার নাম সবাই কি জানতেন
পশ্চিমবঙ্গ বাংলা এটুকুই জানতেন পশ্চিমবঙ্গের কোথায় কোথায় জেলা রয়েছে সব কি জানতেন এইযে আপনারা আপনারা কি উড়িসার সব জেলার নাম জানেন গুজরাটের সব জেলার নাম জানেন কিন্তু মুর্শিদাবাদ মালদা এই জেলা মানে জেলা দুটো এমন হয়ে গেছে যে গোটা ভারতের লোক জেনে গেছেন যে ওই জেলা মানে ওখানে হিন্দু হত্যা হয় হিন্দুদেরকে মারধর করা হয় হিন্দুদেরকে ঘরছাড়া করা হয় এটা সবাই জেনে গেছেন এটাই তো হয়ে গেছে সমস্যা তো এটা আপনার আগে বুঝে আসেনি যদি এই ধরনের দাঙ্গা হিন্দু হত্যা এইসবগুলো চলে তাহলে এলাকার বদনাম হবে জেলার বদনাম বদনাম আর এইসব জেলা থেকে প্রচুর ছেলে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে
যান দেশের অন্যত্র এবং বিজেপি শাসিত রাজ্যে তারা সমস্যায় পড়বেন এগুলো কখনো ফিল করেননি এই এই বোধ কখনো হয়নি তাহলে কেন কেন বারণ করেননি এলাকার লোকজনদেরকে এই ঘটনা ঘটাবেন না যখন ঘটনা ঘটছিল কেন সেই সময় এলেন না যে না এটা করবেন না আপনারা এই এলাকার প্রচুর আর সত্যি ওই দুটো জেলা থেকে প্রচুর মানুষ বাইরে কাজ করতে চান তো কাজ করতে যাবেন আপনারা সমস্যায় পড়বেন। যারা করছেন তারা তো পড়বেন। যারা করেননি বাইরে আছেন কিন্তু ঘটনা ঘটছে যেহেতু এলাকার নাম শুনলে সেখানে তারা মানে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত না হয়েও তারা আক্রান্ত হয়ে যাবেন। এটা কেন বোঝাননি কেন? এই
এই বোধটা কি আপনার হয়নি? আমি তো এটা অনেক আগে থেকেই বুঝছিলাম যে যে ঘটনা ঘটছে মুর্শিদাবাদে দেখবেন মুর্শিদাবাদ নাম শুনলেই যে যেখানে আছেন তারা আক্রান্তের শিকার হয়ে যাবেন। ক্ষোবের শিকার হয়ে যাবেন। রোশের শিকার হয়ে যাবেন। হচ্ছে সেটা হচ্ছে তো? তো সেটা বোঝাবেন না আসল জায়গা জায়গাতে আঘাত করবেন না এলাকার বদনাম যাতে না হয় এলাকার মানুষের সম্পর্কে ধারণা খারাপ যাতে না হয় সেই চেষ্টা করবেন না শুধু একটা চিঠি লিখে দিলেন শাহকে দেখুন উনি কি দেখবেন সব জায়গায় কি হাত পা ছড়িয়ে বসে থাকবেন যদি মানুষের রোশ না কমে ক্ষোভ না কমে মূল জায়গাটা যদি না মানে বন্ধ
হয় মানে ক্ষোবের যে বিষয়টা বলছি যে কারণে তো কি করে সব দেখবেন ঠিক আছে চিঠি লিখেছেন উনি উনার তরফ থেকে যেটা দেখার হয় তো দেখবেন কিন্তু আসল জায়গাটা তো আইডেন্টিফাই করতে হবে যে কি কেন এরকম হয়ে যাচ্ছে এরকম তো ছিল না এরকম তো ছিল না আর সামিরুল ইসলাম উনি তো লিখেছেন একেবারে বুঝলেন উনার লেখাটাও কিন্তু আমি দুজনকেই বলতে চাই আরেকটা কথা যে আপনারা এইসব বলছেন যে আক্রান্তের ঘটনা ঘটছে দেখুন বলে চিঠি লিখে দিয়েছেন আচ্ছা আপনারা একটা চিঠি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কেন লিখছেন না? ওই কথাটা বলে যে দিদি আপনি তো ভোটের সময় বলেছিলেন এই বাংলাকে গুজরাট হতে
দেব না। আপনার কথা শুনে আমরাও চিৎকার করেছি। এই বাংলাকে গুজরাট হতে দেব না। তো এখন আমাদের ছেলেরা সেই গুজরাটে কেন গিয়ে কাজ করবেন? এবং আপনি বলেছেন আমরাও চিৎকার করেছি। তারও একটা আক্রোশ ওখানে তৈরি হচ্ছে গুজরাটে। যে তোমাদের দিদি তো বলে থাকেন এই বাংলাকে গুজরাট হতে দেব না তো তোমরা কি করতে এসছো সেই গুজরাটে ফলে আক্র একটা তৈরি হয়েছে তাহলে কেন তাদেরকে এখনো সেই গুজরাটেই কাজ করতে হবে তাদের কর্মসংস্থানের জন্য কেন এই বাংলাতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করছেন না সেটা করুন কেন এটা বলে একটা চিঠি লিখছেন না আর সেই সঙ্গে বিজেপি খুব খারাপ বিজেপি খুব খারাপ বিজেপি এলে
মুসলিমরা থাকতে পারবে না সব ঘরছাড়া হয়ে যাবে দেশ ছাড়া হয়ে যাবে তো দিদি আপনি বলেছিলেন আমরাও বলেছি এখন সেই বিজেপি শাসিত রাজ্যে আমাদের মুসলিম ছেলেরা কি করে নিরাপদে কাজ করতে পারবে বা পারবেন তাদের একটা কাজের ব্যবস্থা করুন এখানে কেন তারা সেখানে তাদেরকে ডেকে আনুন এখানে কাজ দিন এইরকম বলে একটা চিঠি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কেন লিখছেন না কেন লিখছেন না ভোটের সময় বলবেন গুজরাট হতে দেব না ভোটের সময় বলবেন বিজেপিকে আসতে দেব না আর ছেলেরা ভোট মিটলেই বা অনেকে আবার সেখান থেকে এনে ভোটও দেয়া হবে বিজেপিকে কে আটকানোর জন্য আবার সেই ছেলেরাই বিজেপি শাস্ত্র রাজ্যে গিয়ে কাজ
করবেন আর সেখানে ক্ষোবের শিকার হলে রোশের শিকার হলে হাতপা ছড়িয়ে কাঁদবেন শাকে চিঠি লিখবেন এটা তো হতে পারে না বিজেপি খুব খারাপ তো বিজেপি শাস্ত রাজ্যে কেন কাজে পাঠাবেন বিজেপি এলে উন্নয়ন হবে না কারণ আপনারা আছেন খুব উন্নয়ন করছেন তাহলে এখানে কাজের ব্যবস্থা করুন আরেকটা বিষয় দিদিমনি ভোটের সময় এত কথা বলেন আর চিঠিটা দিদিমনি কেন লিখছেন না দিদিমনি তো ভোটের সময় এত এত বলেন কিন্তু চিঠিটা দিদিমনি কেন লিখছেন না আপনাদের দুজনের কাঁধে বন্দুক রেখে বেশ মজা নিচ্ছেন তাই না দুই মুসলিম এমপিকে পেয়েছেন চিঠি লিখে দিয়েছেন ব্যাস ওটা দিয়ে বলবেন আমরা এই করেছি সেই করেছি বলবেন
নিজে কেন লিখছেন না নিজে কেন লিখছেন না শাকে উনি তো মুখ্যমন্ত্রী উনার দায় নাই আপনাদের দুই এমপির দায় উনার দায় উনি কেন লিখছেন না কোন মুখে লিখবেন কোন মুখে লিখবেন পালটা তো এক্ষুনি কেউ প্রশ্ন করে দেবেন না কি বলছেন আপনার বাংলার ছেলেমেয়েরা গুজরাটে আছেন হ্যা কেন গুজরাটে কেন হয়তো কেউ প্রশ্ন করতে পারেন বা প্রশ্ন না করলেও নিজে নিজে হয়তো খানিকটা লজ্জা পেতে পারেন সেই গুজরাটের জন্য আমাকে বলতে হবে হয়তো সেই কারণে লিখছেন না আর সেই সঙ্গে আরেকটা বিষয় মুসলিমদের দিয়েই খেলানোর চেষ্টা করছেন মুসলিমরা এতো বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন এটা তো ঠিক এই বাংলা থেকে যারা অমুসলিম
গেছেন অন্যত্র তাদের তারা কিন্তু স্বীকার হচ্ছে না মুসলিম বাঙালি মুসলিমরা শিকার হচ্ছেন এবং তার একটা আরেকটা কারণ হচ্ছে যে আইডেন্টিটি বাঙালি মুসলিমদের আইডেন্টিটি এমন একটা তৈরি করে দেওয়া হয়েছে যে তাদেরকে দেখলেই বাংলাদেশী মনে হয় বা তাদেরকে দেখলে বাংলাদেশী সন্দেহ হয় প্রথমত আচার আচরণ দ্বিতীয়ত এই বর্ডার এলাকা এতটাই মানে এ করা হয়েছে যে ওখান থেকে লোক ঢোকানো বাংলাদেশ থেকে ফলে এখানকার বাঙালি বা বাংলায় কথা বলা শুনলেই মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হয়ে যায় দেশের অন্যান্য প্রান্তে যে এরা সত্যি এই বাংলার মানে ভারতীয় তো নাকি ওপার বাংলার কারণ এমন আশ্রয় দেয়া হয়েছে ওপার বাংলা থেকে আসার লোকজনদেরকে এখানে
আইডেন্টিটি কার্ড তৈরি করে দিয়ে ফলে একটা সন্দেহ তৈরি হয় ফলে এই বাংলার মুসলিমদের আইডেন্টিটিটাও কার্যত এই মুহূর্তে সংকটে পড়ে গেছে সংকটে পড়ে গেছে যেহেতু ওখান থেকে কাতারে কাতারে লোকজনদেরকে নিয়ে এসে বা যারা এসেছে তাদেরকে আইডেন্টিটি তৈরি করে দিয়ে যেহেতু ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গোটা দেশে ফলে তাহলে এখানে ইন্ডিয়ান মানে মুসলিম বাঙালি কিন্তু সন্দেহের তীর তাদের দিকে এই যেসব ঘটপাকড় হচ্ছে গুজরাটে বা অন্যত্র সবাই যে বাঙালি বাংলাদেশী মুসলিম তা কিন্তু না দেখবেন এর মধ্যে অনেক এই বাংলার মুসলিম আছেন তারা হয়তো পরে ছাড়ও পাবেন কিন্তু হেনস্তার শিকার হয়ে যাচ্ছেন হেনস্তার শিকার হয়ে যাচ্ছেন কারণটা কি ওই যে আইডেন্টিটি
ক্রাইসিস আইডেন্টিটি ক্রাইসিস এখানকার মুসলিমদের সম্পর্কে এমন একটা ধারণা তৈরি করে দেওয়া হয়েছে আচার আচরণে অবস্থানে এবং বাংলাদেশের এন্ট্রিকে এতটাই সহজ সরল করে দিয়ে তাদেরকে আইডেন্টিটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে এর যে টোটাল যে মুসলিম কমিউনিটি এই বাংলার তাদের আইডেন্টিটি ক্রাইসিস চলে এসছে ফলে যে যেখানে আছেন দেশের অন্যান্য প্রান্তে সন্দেহের অনেক জায়গায় ধরা পড়ে মানে আটক হয়ে যাচ্ছেন হ্যানস্তার শিকার হচ্ছেন কিছু করার নেই এই বাংলার মুসলিমদেরকে আরো সংকটে পড়তে হবে আরো সংকটে পড়তে হবে যে অবস্থা করে দিয়েছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আরো সংকটে পড়তে হবে। এই চিঠি লিখে কিচ্ছু হবে না। এই চিঠি লিখে কিচ্ছু হবে না। কতগুলো বিষয়ে
সমাধান করার চেষ্টা করুন। মন মানসিকতার পরিবর্তন যাতে আসে ওই এলাকার মানুষদের সেটাকে করান। যেন এখানে থেকে বাংলাদেশ পন্থী হয়ে না থাকেন। পাকিস্তানপন্থী হয়ে না থাকেন বা হিন্দু মুসলিম এই নিরেখে হয়ে না থাকেন। সেটাকে চেঞ্জ করুন। অত্যাচার বন্ধ করতে বলুন। ওই জিহাদী মানসিকতা ত্যাগ করতে বলুন। এটা এক। আর আপনাদের মুখ্যমন্ত্রীকে ঠিকমত করে চলতে বলুন। ভোটের সময় একরকম বলবেন। তারপর সেই অন্যান্য রাজ্যে গিয়ে সব ইনকাম করে আনবেন। তবে সংসার চলবে আর মুখ্যমন্ত্রী ফুটানি করবেন। এই ফুটানিটা বন্ধ করতে বলুন। দেশকে দেশ ভাবতে ভাবতে বলুন। এদিকে বলছেন কেন অন্য রাজ্যে কি যেতে পারেন না? নিশ্চয় যেতে পারেন কেন পারবেন
না? কারা যাবেন? যারা এটাকে নিজের দেশ ভাববেন। আর মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে কথা বলেন উনি তো দেশটাকে দেশ ভাবেন না। যেন মনে করেন যে পশ্চিমবঙ্গটা একটা আলাদা। তো তাদের জন্য তো প্রবলেম তো প্রবলেম তো তৈরি হবেই। দেশকে ভাবতে দেশ ভাবতে শিখুন না ভারতরা কি আমাদের দেশ ভাবতে শেখান না? তাহলে দেখবেন সব জায়গায় সমান ব্যাপারটা থাকবে। আর ওই বাংলাদেশের ব্যাপার স্যাপারটা একটু দেখতে বলুন। যার জন্য এখানকার বাঙালিরা সমস্যার মধ্যে পড়ে যাচ্ছেন। আমাকেও সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে। এটা তো কোন আমি তো আলাদা না। আমিও তো বাঙালি মুসলিম। আমাকে আমি বাংলায় কথা বলি আমাকেও সন্দেহ হবে। টোটাল সংকট। টোটাল সংকট।
সংকটের কারণগুলো আইডেন্টিফাই করে ব্যবস্থা নিতে হবে। ওই একটা চিঠি লিখে দিলাম দেখিয়ে দিলাম মিডিয়াতে আমি চিঠি লিখেছি গো আমি বিরাট ব্যাপার মুসলিমদের জন্য অনেক কিছু করছি আর দেখো ওরা কি করছে এইসব বললে কিন্তু মানে স্থায়ী সমাধান হবে না ওই কিছু খবর হবে মিডিয়া ফোকাসে থাকা যাবে এর বাইরে কিছু হবে না দর্শক বলবে যদি এই নিয়ে আপনাদের আরো কিছু বলার থাকে অবশ্যই বলবেন কমেন্ট বক্সে নজর রাখবেন আরামবাগ টিভিতে