কালকে আমাদের আমাদের হলে আসলে একটু টুর্নামেন্ট চলছিল একটা উৎসব হচ্ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল এটা স্বৈরাচার পতন উপলক্ষেই হলে প্রোগ্রামটা করা হয়েছে এখানে বিভিন্ন ধরনের গেম ছিল ইভেন্ট ছিল তার ভিতরে আজকের যে দিনটা এই দিনটাতে আমাদের একটি গরু কিনে আনে গরু ভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছিল পুরো হলটা আপনারা দেখছেন লাইটিং করা হয়েছে তা আমাদের দিনের বেলার ঘটনাটা সূত্রপাত দিনের বেলায় দিনের বেলা হচ্ছে ক্রিকেট ম্যাচ চলছিল তো ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন সময়ে হঠাৎ করে দেখা যায় যে ছয়টি ফোন চারটি মানি ব্যাগ একটা ব্যাগ ব্যাগের ভিতরে ছিল ব্যাগটি নেই তো এটা দেখার পরে তাৎক্ষণিক তো এটা স্বাভাবিকভাবে চোর নিয়ে ভেগে
গেছে তো পরবর্তীতে আমরা ওইখানে যারা ছিল যে যাদের খেলা হচ্ছিল ওরা যায় ওরা গিয়ে আপনার গেটম্যানের সাথে কথা বলে যাতে আর কেউ ঢুকতে না পারে সূত্রপাতটা এখান থেকে তখন গেটম্যানকে পুরো গেটটা বন্ধ করে শুধু জাস্ট অল্প একটু পার্ট খুলতে বলা হয় এবং এবং হলের ছাড়া কাউকে ঢুকতে নিষেধ মানে নিষেধ করা হয় যে হলে কেউ ছাড়া ঢুকতে না পারে তো এই ঘটনার পরে এটা এটা সম্ভবত 12:00 টার দিকে ঘটছিল মানে দুপুরবেলা ম্যাচ চলাকালীন সময়ে 12:00 টা বা এক্সাক্ট মনে নাই দুপুর বেলার ওইখানে ঘটছিল তারপরে হচ্ছে আপনার সন্ধ্যার সময় এখানে ফুটবল ম্যাচ চলছিল আমাদের রাত্রে লাইটিং দিয়ে
তো এটা তখন আটটার কাছাকাছি পৌনে আটটা হয়তো বাজবে পৌনে আটটা থেকে আটটার মধ্যে একটা লোক অপরিচিত সে এসে আমাদের ওই কমেন্ট্রি বক্সের সামনে বসে এসে পড়ে তো দুপুরবেলাও যে ঘটনাটা ঘটছে কমেন্ট্রি বক্সের ওইখান থেকেই ব্যাগটা নিয়ে চলে গেছে তো ও যখন আসছে স্বাভাবিকভাবে ওকে কেউ চিনতে না পারায় ওকে ওর পরিচয় জানতে জানতে চায় বলে যে আমি বহিরাগ বাইরে থেকে আসছি কোত্থেকে আসছি বলতে পারে না বলে যে আমি এদিক ওদিক থেকে আসছি তো ওকে ম্যাচ চলতেছিল যেহেতু ওকে হচ্ছে আপনার ওইখান থেকে ওইখানে যারা ছিল তারা ওইখান থেকে মেইন বিল্ডিং এর গেস্ট রুমে নিয়ে আসে আমাদের মেইন
বিল্ডিং এর গেস্ট রুমে এনে যে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় যে সে কে বা সে আসলেই চোর কিনা তো সে স্বীকার করে যে সে ওই ফোন ছয়টা সে চুরি করে নাই কিন্তু যে চুরি করছে তাকে সে চিনে তাকে সে ধরিয়ে দিতে পারবে এটা ছিল তার বক্তব্য তারপরে এটা শোনার পরে ওকে ওইখান থেকে আমি তখন নিজে ছিলাম উপস্থিত আমি নিজে ওকে নিয়ে এসে ক্যান্টিনে তাকে খাইয়ে খাওয়ার জন্য বসাই এবং ক্যান্টিনে যারা ক্যান্টিন বয় আছে ওদেরকে খাবার দিতে বলি খাবার দিতে বলায় ক্যান্টিনের ওরা ওকে খাবার দেয় তো এর মাঝখানে আমার একটা ফোন আসে সেটা হচ্ছে আমার এক ছোট ভাই
পাম্পে গেছিল তেল ভরতে তো ওই নজেলটা ছুটে গিয়ে ওর পুরো শরীর পেট্রোলে ভরে যায় তো আমি ওদেরকে বলে যাই এখানে যারা ছিল ওদেরকে বলে যাই যে ওকে যেন খাওয়ানো শেষ করে প্রবস স্যারের হাতে তুলে দেয়া হয় কারণ হলের নিরাপত্তার দায়িত্ব প্রবাস স্যারের প্রবাস স্যারের নিরাপত্তা যেখানে গাফিলতির কারণেই ছয়টা ফোন চুরি হয়েছে আবার একটা বহিরাগত ঢুকছে তো আমরা ওকে স্যারের হাতে হ্যান্ড ওভার করবা তোমরা হ্যান্ড ওভার করে বলবা স্যার আমার ফোনটা দেন এটা বলে আমি আসলে চলে যাই পরবর্তীতে আমি যখন হলে আসি আমি এসে শুনতে পাই যে ওই লোকটা মারা গেছে বিশ্বমানের থার্মিক্স রড সালাম স্টিল
থার্মিক্স দেশের একমাত্র থার্মিক্স রড আমি হচ্ছে আনুমানিক রাত 9:30 টার দিকে টিউশন থেকে ফিরি আমি গুলশানে গেছিলাম টিউশন করাইতে এবং আমি হচ্ছে টিউশনের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলাম বিকেল বেলা তো যখন দিনের বেলা যখন ফোনটা চুরি হয় ওই সময় কিন্তু আমার ম্যাচ ছিল আমি খেলতেছিলাম ম্যাচের মধ্যে তো ফোনটা চুরি হওয়াতে ম্যাচের বিঘ্ন ঘটে দেন ম্যাচটা পোস্টপোন হয়ে যাই এবং আমি কিন্তু আর খেলার না থেকে আমি টিউশনে চলে যাই দুইটা টিউশন করানোর পরে যখন আমি আনুমানিক 9:30 টার দিকে হলে ঢুকি তখন আমার আমার টিমের ফুটবল ম্যাচ চলতেছিল এন্ড ওই ম্যাচটা আমি দেখি এবং কিছুক্ষণ দেখার পরে দেখি প্রকট
স্যারের গাড়ি ঢুকতেছে হলের মধ্যে প্রকট স্যারের গাড়ি ঢুকতেছে স্বভাবতই আমার কৌতুহল হয় যে কেন ঢুকতেছে বা এরকম এরপরে আমি গিয়ে দেখি ওখানে অনেক মানুষজন হাউস টিটো স্যাররা আছে সবাই আছে হাউস টিটর স্যাররা দাঁড়ায় কথাবার্তা বলতেছিল ভিতরে আরো মানুষজন আমি কৌতুহলবসত ভিতরে ঢুকলাম যে আসলে কি হয়েছে দেখার জন্য এরপরে ভিতরে ঢুকে যাইয়া দেখি যে হচ্ছে একজনকে মেরে শোয়ায় রাখছে এরপরে আমি জিজ্ঞেস করতেছিলাম ভাইদেরকে যে ওইখানে হচ্ছে আমার দুজন সিনিয়র দাঁড়ানো ছিল আমি জিজ্ঞেস করলাম ভাই কি হয়েছে এখানে কখনকার ঘটনা বা হচ্ছে আসলে ঘটনাটা কি এর মধ্যে হচ্ছে আমার একটা বন্ধু আসে বন্ধু এসে ও দেখলো এবং
অবশ্যই দেখার মতো ছিল না মানে খুবই বাজে অবস্থা ছিল এবং এটা মানে দেখার মতো ছিল না এবং ওর বন্ধু আমাকে বলল যে চল এখান থেকে চলে যাই খুবই কাজে অবস্থা করে ফেলছে সো এরপরে আমি হচ্ছে চলে আসি এন্ড এই যে দুই থেকে পাঁচ মিনিট যে আমি ওখানে ছিলাম এবং আমি হচ্ছে যে সিনিয়রদেরকে জিজ্ঞেস করতেছিলাম যে ভাই কি হইছে আমি জানিনা কে বা কারা ওইখানে আরো অনেকজন ছিল ওইখানে মোটামুটি হচ্ছে 30 40 জনের মত ছিল কেউ হয়তোবা সেটা ছবি উঠাইছে উঠাইয়া হচ্ছে এখন সেটা দিছে এবং ওইখানে অনেকজন বসা ছিল দাঁড়িয়ে ছিল আমি জাস্ট ওখানে দুইটা মিনিটের
জন্য ঢুকে জিজ্ঞেস করতেছিলাম যে ভাই কি হইছে এন্ড এইটাই হচ্ছে এখন সবচেয়ে বেশি মানুষ দেখতেছে বা এরকম বা ভাইরাল হয়েছে যেটা বলা যায় খেলা ছিল আমাদের ক্রিকেটের টুর্নামেন্টে তা আমরা আসলে কি করতেছিলাম সব ফোনগুলো একখানে মানি ব্যাগ সহ রাখছি রাখার পর এক ব্যাগে রাখছিলাম জুনিয়রকে দায়িত্ব দিছিলাম তা জুনিয়র কি করছে ওইখানে কমিটিকে কাউকে দেওয়ার কারণে পরে কিছুক্ষণ পরে যেয়ে দেখে ব্যাগগুলা নাই মানে ব্যাগে ফোন সহ নাই তখন আমরা কি করলাম ওই খেলাটা ওইখানে ক্লোজ করার পরে আরেকটা টিম খেললো পরে আমরা আরো খোঁজাখুঁজি করলাম ফোন টোন দিলাম তখন আর কি কোন ভাবে যখন পাইলাম না কোন
আপডেট পাইলাম না তখন আমরা খেলাটা শেষ করে আমাদের আমরা কি করলাম জিডি করতে গেলাম ঠিক আছে জিডি করতে গেলাম তখন আমরা সবাই জিডি টিডিটি করে সন্ধ্যার পরে সন্ধ্যা বেজে গেছে আর কি তো সন্ধ্যার পরে এসে আমি রুমে রেস্ট টেস্ট নিয়ে ঘুমান ঘুম টুম পারে পরে আমাদের রাতে খেলা ছিল তো খেলা শেষ মানে প্রায় খেলাটা প্রায় আটটার কাছাকাছি এরকম হবে তা খেলতে গেলাম তা খেলা শেষের পরেই বা ওই সময় শুনলাম নাকি চোর ধরছে তখন আমরা ওই সময় আমাদের খেলা চলতেছিল তখন আমরা কি করলাম খেলাটা শেষ শেষ করে প্রায় এসে আসি শুনলাম মেইন বিল্ডিং এর গেস্ট রুমে
যে চোর ধরছে তখন আমার যে ভাই রকি ভাই ছিল তা উনি উনিকে বললাম যে ভাই কি করবেন তখন উনি আমাকে বলল যে সোহাগ তোমার ফোন যা হারায় হারুক তোমার দায়িত্ব আমার তুমি একটা গায়ে টাচ করবা না ঠিক আছে তখন আমি এখন পর্যন্ত মানে যেটা বলি এখন পর্যন্ত মানে কোন গায়ে টাচ করি নাই আমি কোন কিছু করি নাই এখন আমাদের হলে তো এটা একটা বড় ভাইদের ট্রেন থাকে যে বড় ভাইরা যা বলে বলা চলে আর কি সেভাবে করতে হয় তাই এইরকম আর কি কোন কিছু করি নাই পরে আর কি কি বললাম আমরা যখন ওখান থেকে বের
হইলাম ভাইরা বলল ভাই আমাকে বলল যে একটা কাজ করো খাওয়া-দাওয়া করো খাওয়া-দাওয়া করে তারপর বাকি আমরা স্যারের হাতে দেই তখন আমি বললাম যে আচ্ছা তাহলে আমরা স্যারের সাথেও বসতে পারবো একদিনে কিভাবে চোর দুইটা আমাদের হলে ঢোকে তাহলে এটা তো একটা দায়বদ্ধতা তাদের আছে তো এইভাবে বলে আমরা ওকে এদিকে খাইতে পাঠায় দিলাম পরে এখান থেকে যে কি হয়েছে আমরা জানিনা কিছুক্ষণ পরে শুনলাম যে ওরা নাকি এক্সটেনশনে নিয়ে গেছে তো এক্সটেনশনে নিয়ে যাওয়ার পর তখন আমরা ওইখানে যে ছিলাম ছিলাম ওইখানে যেয়ে একজন বলতেছে যে ভাই এক্সটেনশনে নিয়ে গেছে আপনারা কেউ যান না হলে মারা ফেলবে একদম তা
ঠিক আছে তখন আমরা আসলাম আসার পর আমার বন্ধু শোভনের সাথে দেখা তা ওকে দেখা করলাম ফিজিক্সের এক স্যার আছে আলমগীর স্যার তা উনার সাথে দেখা হইলো উনাকে আমরা অনেক কিছু বললাম তা উনি বলল আচ্ছা ঠিক আছে আমরা সব স্যার বসতেছি তোমরা কি করো ওই যে ওকে নিয়ে আসো ওখান থেকে তখন আমি এক্সটেনশনে গেলাম আমার বন্ধু আরেকজন আছে আরিফ ভাই ও সহ গেলাম যাওয়ার পর যাওয়ার পর আমরা এক্সটেনশনে যেয়ে দেখি যে ওকে মারতে মানে মারামারি কি কথাবার্তা কাটাকাটি হচ্ছে অনেকজন লোক মানে অনেক ছেলেপেলে একসাথে আছে আর কি এরকম তা ওইখানে আমি যা যেটা দেখছি আর কি
যে দেখলাম আর কি ওর পা দিয়ে ব্লেড হইতেছে মানে ব্লেডিং হইতেছে আর হচ্ছে এরকম আর কি তখন আমরা আমি কি করলাম মানে ওই ভিতরে ঢুকলো আরিফ ও ঢুকে বলতেছে বন্ধু এই অবস্থা তখন আমি কি করলাম আরেকটা স্যার যে আছে উনি তা পরে আমি ভেতরে যেয়ে ওনাকে বুঝানোর চেষ্টা করলাম যে মারামারি করার দরকার কেউ যদি একটা অঘটন হয়ে যায় তাহলে সমস্যা হবে তখন ওরা আর কিছু করলো না পরে স্যার আসলো স্যার আসার পর ওই স্যার সহ মানে স্যারের কথা শুনলো সবাই পরে ওখানে ওকে নিয়ে এসে মেইন মিলিং এর গেস্ট রুমে নিয়ে গেল এই এই হচ্ছে কাহিনী
আর দ্বিতীয় কাহিনী হচ্ছে তখন আমরা স্যাররা যখন আসলো তাদের সাথে আমরা বসলাম কিন্তু এর ভেতরে যে ভেতরে ঢুকেছে মারামারি এরকম কোন কিছু হয়েছে আমি কিছু জানিনা শুধু আমাকে ওরা বলতেছিল যে এই একটা নাম্বার ও বলতেছে ওকে রেস্ট হয় বা আত্মী হয় ওই নাম্বারটা ফোন দাও তখন আমার এক বন্ধু ফোন দিতেছিল আমার কাছে তো ফোন নাই আমার তো ফোন হারায়ে গেছে তখন আমি কি করতাম আরেকটা বন্ধুর নাম্বার নিয়ে এই ফোন দিতাম দিয়ে আপডেট না জানার চেষ্টা করতাম তখন ও ঐদিক থেকে ওরা বারবার ওরা বলতেছিল যে আমরা কিছু জানিনা বা ও ভারসম্যহীন এরকম ওরা আবদার করতেছিল কিন্তু
আমাদের পোলাপাইনের যে কথাবার্তা ছিল যে ও যদি ভার্সমহীন হয় তা এতগুলো নাম্বার সে কিভাবে বলতেছে আর বারবার একই সেম নাম্বার বলতেছে এবং নাম যাদের বলতেছে তারাও মানে নামটাও সিওর মানে একদম ঠিক ঠিক বলতেছে তখন এরা মানতে নারাজ তখন আমরা কি করলাম লাস্টে যখন কোন কিছু হইলো না তখন স্যাররা আমাদের যারা যারা ফোন হারাইছে তাদের সাথে বসলো তো তোমরা কি করতে চাও তখন আমরা বললাম আচ্ছা স্যার আপনারা যা বলবেন আমরা তাই করব তখন ওরা বলল যে ঠিক আছে তাহলে প্রক্রিটিয়াল টিমকে আমরা থানায় যাই তখন স্যাররাও থানায় গেল থানায় ওখানে কথাবার্তা বললাম বলার পরেই বলার পরে আর
কি ওরা চলে আসলো মানে তখন ওই ওসি স্যারের সাথে কথা বললাম ওসি স্যার আমাদের দুইটা অপশন দিল একটা হচ্ছে তোমরা যদি একে বিচার করতে বলো তাহলে তোমার ফোন ঐরকম আমরা দিকে যাব না আর তোমরা যদি ফোনের দিকে বলো তাহলে একে ছাড়িয়ে দিতে হবে তখন আমরা কি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে আমাদের যেহেতু ফোন লাগবে তার ফোনের দিকে আপনারা যান তখন আমরা চলে আসতেছিলাম তখন পোক্রিয়াল টিমের ভাইয়েরা বলতেছে ভাইরা আপনারা যদি যান তাহলে মেডিকেলের কাজটা তাড়াতাড়ি হবে তখন আমরা কি করলাম আমি যাব না তখন ভাইরা অনুরোধ করতেছিল তখন আমাদের যারা ফোন হারাইছে তাদেরকে তারা নিয়ে গেল ওরা
নিয়ে যেয়ে আমরা তো গেটে নেমে গেছি নিয়ে যেয়ে এই যে স্ত্রী যার খুঁজার জন্য দৌড়াদৌড়ি করতেছিল করার পর আর কি ওখানে যখন শোয়ানোর পর ভেতরে নিয়ে গেছে আমি এইদিকে দাঁড়াইছিলাম এক ছোট ভাই এসে বলছে ভাই ও নাকি মারা গেছে এইটুকুই আমি জানি আর কিছু জানিনা পরে তো ওনার সাথে কথাবার্তা বলে আমরা চলে আসি যা আছে এই এইটুকুই আমি সবকিছু জানি আর আমি এখনো বলতেছি এই যে ঘটনার প্রায় সাড়ে মানে মানে আমাদের খেলা শেষ হবার প্রায় 9:00 টা বা 9:30টা এরকম কাছাকাছি হবে মানে যখন স্যারের সাথে দেখা হয় তখন থেকে আমি শুধু এই কাহিনীটা জানি এর
আগে কি হয়েছে আমি জানিনা আর এক্সটেনশনে যখন গেছিলাম তখনও তো বললাম ওই যে ব্লিডিং হচ্ছিল গায়ে আমি আসলে মারার ক্ষেত্রে কাউকে দেখি নাই আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এখন তো আমরা তো সিনিয়র মাস্টার্সের এখন তো হলে ফার্স্ট ইয়ার সেকেন্ড ইয়ার যারা বা উঠছে থার্ড ইয়ার পর্যন্ত আমরা কিন্তু ওইভাবে চিনি না কারণ আগে তো ধরেন আমাদের একটু সবাই মিলে বসা হইতো কথাবার্তা হইতো এখন তো ঐরকম নাই কারণ আমরা সিনিয়র হয়ে গেছি এখন তো আর আমার জুনিয়র ব্যস্ততার সাথে বসি না সো আমাদের তো চাকরি পড়া নিয়েই আমরা ব্যস্ত সো আমি ওইভাবে কাউকে চিনি না বা কাউকে কিছু
বলতে পারি না তবে এইটা সম্পূর্ণ আপডেট জুনিয়ররা বলতে পারবে শুধু আমি এইটুকুই জানি স্যার আমাকে যা বলছে আমি শুধু সেইটুকুই নিয়ে এসে এভাবে কাজ করছি আর এখানে আমি ওর গায়ে একটা টাচও দেইনি কিছু দেই নাই শুধু আমি ওই যে আমার ফোন হারাইছে এটা শুধু থানাচিটি করছি এর বাইরে আর কিছু আমার এখানে ইয়া নেই اللہ