কিন্তু দুঃখের আর পরিতাপের বিষয় হলো যেভাবে সম্মান দিতে হয় সেগুলোকে বাদ দিয়ে আমরা নতুন কিছু সিস্টেম মনে করতেছি আর আমরা অন্য কারণে রজব মাসকে দামি মনে করি বলতে পারেন আমাদের দেশে রজব মাসকে কোন কারণে দামি মনে করে মেরাজের মাস মনে করে সকলে মনে করে এইটা মেরাজের মাস 27 তারিখকে মনে করে আসমানের নিচে জমিনের পিঠে কোন সহি কোন এবারত দ্বারা কোরআনের আয়াত দ্বারা আল্লাহর রসূলের মেরাজের রাত্রি কবে এটা প্রমাণ করতে পারবে না মেরাজ সত্য আল্লাহর নবী মসজিদে আকসা থেকে বাইতুল মুকাদ্দাসে গিয়েছেন মসজিদে আকসা পর্যন্ত গিয়েছেন মসজিদে হারাম থেকে এটা সত্য এটা বনি ইসরাইলের এক নম্বর আয়াতে
আল্লাহ বলে [মিউজিক] দিয়েছেন তার পবিত্রতা যিনি তার বান্দা মুহাম্মদে আরবিকে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছেন এটাকে বলা হয় ইসরা এটাকে কি বলে ইসরা ইসরা মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত এই ফিলিস্তিনের বাইতুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত সফরকে ইতিহাসের পরিভাষায় মুয়ারিকিনদের পরিভাষায় বলে এটা হলো ইসরা ইসরা সত্য কোন সন্দেহ নাই ইসরা সত্য কিন্তু এই আয়াতের ভিতরে আল্লাহ বলেছেন ইসরা আল্লাহ করিয়েছেন রাত্রি ভর্মন আল্লাহ করিয়েছেন কিন্তু আল্লাহ বলেন নাই কত তারিখে করিয়েছেন কোন বছরে করিয়েছেন এটা মক্কায় থাকতে হয়েছে এতটুকু পাওয়া যায় কিন্তু কত তারিখে রসূল বললেন না সাহাবায়ে কেরাম বললেন না আমি আপনি
কিভাবে জানতে পারি ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাকে চিনে না এরকম আলেম সে আলেম না যদি কেউ ইবনে হাজার আসকালানীর নাম নেওয়ার পরে বলে যে ইবনে হাজার আসকালানী কে চিনি না সে আসলে আলেম না কারণ এমন কোন আলেম নাই যে তার কিতাব না পড়ে আলেম হইতে পারবে যদি দাওরা পর্যন্ত পড়ে বেশি পড়তে না পারে মানে খালি মাওলানা হয় তাতেও একটা কিতাব তার এসে যাবে নুজহাতুন নজর নুখবাতুল ফিকার দুইটা কিতাব এসে যাবে আল্লাহ তো এই ইবনে হাজার আসকানী রহমতুল্লাহ আলাই বলেছেন এগুলো জাকারা আহলুল কুসসা কিছু কিচ্ছা ওয়ালারা কিছু ঘটনা বর্ণনা করনে ওয়ালারা এই ধরনের বানাইয়া তারিখকে
নির্ধারণ করেছে মূলত এ ধরনের কোন তারিখ স্পষ্টভাবে কোরআনেও নেই সহি কোন হাদিসের ভিতরেও নেই হ্যাঁ কিন্তু মেরাজ হয়েছে কি হয় নাই মেরাজ হয়েছে তাহলে এই মাস সম্মানিত মাস মেরাজের কারণে না আল্লাহর ঘোষণার কারণে বারবার একটু আগে প্রথমে এজন্য আলোচনা করি সূরা তাওবার আয়াত নাম্বার 36 আল্লাহ ঘোষণা করেছেন চার মাস সম্মানিত রসূল বলেছেন তার ভিতর থেকে একটা হলো রজব এ কারণে সম্মানিত এটা মেরাজের মাস এ কারণে নয় এটা ভুল ধারণা দ্বিতীয় হলো আমাদের দেশে আবার একটা শবে মেরাজ পালন করার প্রথা আছে না নাই আছে আল্লাহ আল্লাহ এক নম্বর কথা তো বললাম আমি কেবল যে মেরাজ কবে
সেটাই তো আমরা জানিনা মেরাজ হয়েছে সত্য ইসরা হয়েছে সত্য রাত্রি ভরণ হয়েছে সত্য সাত আসমান পেরিয়ে আল্লাহর নবী আল্লাহ পাকের দিদার করে এসেছেন এটা সত্য কিন্তু সেই তারিখটা তো রসূল বলে যান নাই সাহাবায়ে কেরাম বলে যান নাই তো আমি আপনি সেই দিবস কেমনে পালন করি আমার কথা বুঝতেছেন এরপর আরো আমি মেনে নিলাম কিছু সময়ের জন্য মেনে নিলাম যে 27 তারিখে হয়েছে কথার কথা 27 তারিখেই হয়েছে কিন্তু আল্লাহর নবী মক্কায় বসে যখন মেরাজে গিয়েছেন কোথায় বসে হয়েছে মক্কায় এরপরে মদিনায় 10 বছর ছিলেন কি ছিলেন না ছিলেন মক্কায় ছিলেন মদিনায় ছিলেন আল্লাহর রসূলের পরে সাহাবায়ে কেরাম ছিলেন
কি ছিলেন না ছিলেন তা আল্লাহর নবী কোনদিন মেরাজ পালন করলেন না সাহাবায়ে কেরামিন কোনদিন মেরাজ পালন করলেন না তাবেঈনরা কোনদিন মেরাজ পালন করলেন না আসমানের নিচে জমিনের পিঠে একটা আয়াতের ভিতরে আল্লাহ বললেন না একটা হাদিসের ভিতরে নবী বলেন বললেন না কোন ফেকার এবারতের ভিতরে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন কথা নকল হলো না কোন ইমামের কোন কথা নকল হলো না একেবারে আলিয়া মাদ্রাসা বলেন কওমি মাদ্রাসা বলেন একেবারে একটা ফেকার এবারও কোথাও নেই যে শবে মেরাজ পালন করা সুন্নাহ বা মুস্তাহাব একটা এবারও নাই তাহলে আমাদের দেশে এই পালন করা কোথা থেকে আসলো এগুলো বিভিন্ন নামে ইসলামী
ভিতরে বাড়ানো কমানোর আমাদের ভিতরে ছড়িয়ে দিয়েছে ইসলাম কমপ্লিট কোড অফ লাইফ ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা এ ব্যবস্থার ভিতরে বাড়ানোর কমানোর ক্ষমতা আমাদের নাই ভাইয়েরা বুঝতে হবে যখনই বাড়ায় এটা ইসলামের ভিতরে ধোঁকা সূরা মায়েদা আয়াত নাম্বার তিন আল্লাহ বলেছেন আমি আল্লাহ আজকে যেদিন আরাফার ময়দানে আল্লাহর নবী বিদায় হজ দিয়েছেন সেদিন আয়াত নাযিল হয়েছে বলে দিয়েছেন নবীকে বলতে বলেছেন নবী বলে দিয়েছেন আজকের এই দিনে আমি তোমাদের জন্য দ্বীনকে কমপ্লিট করে দিয়েছি পূর্ণাঙ্গ করে দিয়েছি তোমাদের দ্বীন কমপ্লিট করে দিয়েছিলাম আর আমি খুশি হয়েছি রাজি হয়ে গেছি তোমাদের ধর্ম ইসলাম দিয়ে আমি খুশি হয়ে গিয়েছি তাহলে ইসলাম কি পূর্ণাঙ্গ
না অপূর্ণাঙ্গ এটা কি নবীর জামানা থেকে পূর্ণাঙ্গ না বর্তমানে আমাদের পূর্ণ করতে হবে নবীর জামানা থেকেই পূর্ণাঙ্গ তাহলে আমাদের বাড়ানোর কোন সুযোগ আছে তাহলে নবী যে কাজ করে নাই আমরা সেটা করতে পারি না সাহাবায়ে কেরামও করে নাই তাবেঈনরাও করে নাই ইমাম আবু হানিফা শাফি মালেক কেউ করেন নাই কোন স্কলার করেন নাই কোন ফেকার এবারতের ভিতরে লেখেন নাই সেই কাজটা বাড়ানোর মতন কাজ আমরা করতে পারি না এইজন্য এই কাজগুলো আমাদের মাত্র করা উচিত পরিত্যক্ত করা উচিত শুধু তাই না এই রাতের নামে আবার আতশবাজি অনেক জায়গায় করে মানে আতশবাজি করে ফুল সজ্জা করে অপচয় করে মাহফিলের নামে
হোক যেকোনো নামে হোক অপচয় করা ঝাড়বাতি ইত্যাদি লাগাইয়া যেখানে অপচয় করে এটা জায়েজ হবে কে না জানে অপচয় হারাম অপচয় যে হারাম যেই কাজ অপচয় মানে কি যেখানে আমার কোন লাভ নাই সেখানে টাকা পয়সা খরচ করাটাই তো অপচয় তো যেই কাজের ভিতরে লাভ নাই আমি সেখানে এই যে গেট করে হোক যেভাবেই হোক বিভিন্নভাবে এগুলো পালন করি এগুলো কি আল্লাহ পাকের এই আয়াতের ভিতরে পড়বে না আল্লাহ বলেছেন তোমরা অপচয় করো না ইন্নাল্লাহা আল্লাহ অপচয়কারীকে পছন্দ করেন না এরপরে যেখানে মেরাজে নির্দিষ্ট নাই আবার এই মেরাজের নামে আবার 27 তারিখে মিথ্যা বানোয়াট কথা বলে আল্লাহর রাসূলের নামে মিথ্যা
করে বলে যে এই মাসে এই 27 তারিখে রোজা রাখলে এত সওয়াব এত সওয়াব এগুলোর ব্যাপারে একটা ভ্রান্ত বই সবচেয়ে যে ভ্রান্ত ছড়িয়েছে সেটা হলো মকসিদুল মুমিন মুমিনিন নামে একটা বই আছে মার্কেটে এই ফুটপাথে পাওয়া যায় লাইব্রেরিয়ান খুঁজে পাওয়া কষ্ট লেখককে খুঁজে পাওয়া কষ্ট মকসিদুল মুমিনিন নামাজের বই বিভিন্ন চটি বই কোন সঠিক লাইব্রেরির থেকে জানাশোনা লাইব্রেরি থেকে ছাপায় না এরকম কিছু বই মেলায় ফুটপাতে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে এগুলোর থেকে আমরা সাবধান থাকি আমরা নিজেদের ইমাম সাহেবের সাথে পরামর্শ করে তারপরে বই করাই করার চেষ্টা করব এরপরে আমাদের দেশে এই দিনের নামে বিভিন্ন সেমিনার মাহফিল বিভিন্ন কিছু তৈয়ার
করা হয় কিন্তু আসলে তো এই দিনটাকে পালন করাই এটাই দিনের তারিখে জানা যায় না মেরাজ সত্য কিন্তু এই দিনের কোন তারিখ ইতিহাসের ভিতরে নির্দিষ্টভাবে পাওয়া যায় না এ ব্যাপারে যতগুলো মতামত আছে অনেক মতামত কেউ বলেছেন রজব মাস কেউ অন্য মাস রবিউল আউয়াল রমজান অনেক কথা আছে কিন্তু ওলামায়ে কেরাম বলেছেন যেহেতু কোরআনেও নেই সহি হাদিসের ভিতরেও নেই সাহাবায়ে কেরামও বলেন নাই সুতরাং এ ধরনের কথাগুলো বিশ্বাস করা যায় না কারণ নবী মেরাজে গেছেন দেখছে কে আল্লাহ নিয়েছেন সাহাবায়ে কেরামের সামনে নবী বয়ান করেছেন আর নবী নিজে গিয়েছেন তো এইটা কোন তারিখে হয়েছেন বলতে পারেন কে আল্লাহ নবী নিজে
আর সাহাবায়ে কেরাম কে শুনিয়েছেন তো বলতে পারেন সাহাবায়ে কেরাম তো তারা তিনজনই যদি না বলে অন্যরা বললে সেটা কি চলবে না এজন্য অন্য কারা কি বলল সেটা হবে না এই তিন দলে দেখাইতে হবে যে আল্লাহ কোথাও বলেছেন নবী বলেছেন সাহাবায়ে কেরাম বলেছেন তাহলে মানবো আর নয় মানবো না আর এই তিন দল কেউ এ কথা বলেন নাই কোন তারিখে হয়েছে কাজেই এই দিবসকে পালন করার নামে আতশজ্জা বিভিন্ন রুটি পাকানো এরকম বয়ানের ব্যবস্থা করা এরকম ভাবে হইলো হইচই করা এভাবে রোজা রাখার নিয়ম করা এগুলো ঠিক না তবে আমি শুরুতে বলেছি এই মাসটা সম্মানিত মাস এবাদত বাড়ান যাবে
কি যাবে না যাবে সম্মানিত মাস হিসাবে আপনি রোজা রাখেন সম্মানিত মাস হিসাবে আপনি নফল নামাজ পড়েন রাতভর এবাদত করেন কোন সমস্যা নাই কিন্তু এই হিসাবে না যেটা মেরাজের রাত্র আল্লাহ পাক আমাদেরকে বোঝা এবং সঠিক নিয়মে আমল করার তৌফিক দান করেন আমিন