ভায়ার এখানে সবাই একত্রিত হয়েছে একটা খুবই সিম্পল এন্ড স্পেসিফিক জিনিসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বলি বা কিছুর এগেন্স্টে দাঁড়ানোর জন্য। এখানে আমি আসছি আবার তাদের সবার এগেন্স্টে আমি সবার বিরুদ্ধে দাঁড়ায় যাচ্ছি আজকে। দাঁড়ায় যেয়ে আমার কথা হচ্ছে আমি কোন অটোরিক্সার বিরুদ্ধে বা কোন রিকশা ড্রাইভারদের বিরুদ্ধে দাঁড়াইতে চাই না। আমি কোন চাকরিজীবীর বিরুদ্ধে দাঁড়াইতে চাই না। আমি দাঁড়াইতে চাই খালি একজন ইন্ডিভিজুয়ালের এগেন্স্ত। এখানে তো প্রত্যেকটা জিনিসের জন্য আমাদের পারমিশন লাগে না। আমরা তো চাইলেই রাস্তায় উঠে যেতে পারি না। কেউ না কেউ তো আছে যারা কন্ট্রোল করে। যারা হচ্ছে এখানে এপ্রুভাল দেয় পারমিশন দেয় একটা রেগুলেশন মেনটেইন
করে একটা অথরিটি থাকে এখন লক্ষ লক্ষ মানুষের এগেন্স্টে কি আমরা প্রত্যেকদিন এখানে সার্কেলে এসে দাঁড়াবো আর নিজেদের লাইফের নিজেদের জাস্টিসের জন্য ভিক্ষা চাবো একটা দেশ একটা জাতি আমরা যে বাংলাদেশের ক্যাপিটাল ঢাকা পুরা পৃথিবীর সবচাইতে জঘন্যতম লিস্টের লাস্টে গিয়ে মোস্ট নন লিভেবল সিটির একটা সিটি ক্যান ইউ ইমাজিন আমরা এখানে তারপরও কতটুকু লজ্জাহীনতার সাথে দাঁড়ায় হাসতে হাসতে ক্যামেরার সঙ্গে কথা বলতেছি নোইং দ্যাট এই প্রেস রিলিজের পর তারপরও কোন চেঞ্জেস আসবে কি পরিমাণে লজ্জা লাগার একটা বিষয়। সুতরাং আমি আনফরচুনেটলি সবার এগেন্স্টে দ্বারা আমি আলাদা একটা নিজের লড়াইয়ের জন্য আজকে এখানে মাইকটা হাতে নিলাম। খুব ছোট একটা কথা বলতে
চাই। আমার লড়াই হচ্ছে সেই গুটি কয়েক ব্যক্তির বিরুদ্ধে যার হাতে ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যার হাতে রেগুলেশন থাকা সত্ত্বেও কোন কিছুই করতে পারতেছে না এই ইমোশনাল কথা বলে যে মানুষ চাকরি হারাবে। দেশের মানুষ চলাচল করবে কিভাবে? আরে ভাই 2026 সাল এখন আমরা বলতেছি সাইন্স এতদূর পুরো পৃথিবীতে সাইন্টিফিক রেভলিউশন হয়ে যাচ্ছে। আমরা কোন কমিউট ঠিক করতে পারতেছি না। আমরা একটা সলিউশন বের করতে পারতেছি না। স্কুল কলেজে আসেন। আপনি একটা 18 বছরের যুবককে জিজ্ঞেস করেন সলিউশন কি? ইজিলি পাঁচ মিনিটের মধ্যে দিয়ে দিবে। সলিউশন নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। সৎ সাহস দরকার। আপনি স্টেপ নেন। জনগণ আপনাদের সঙ্গে থাকবে।
জনগণ নিজে জান দিয়ে দিছে। সলিউশন দেওয়া কোন ব্যাপার না।