হাসিনার দালালেরা হুশিয়ার সাবধান হাসিনার দালালেরা হুশিয়ার সাবধান ভন্ডদের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান সবাইকে আমরা কয়েকবার বলেছি যে এই খতিব রুহুল আমিন মসজিদে ঢুকছে নামাজ পড়াতে মুসল্লিরা বলল আপনাদের নামাজ হবে না এটা বলার কারণে তার কয়েকশো সন্ত্রাসী মুসল্লিদেরকে মেরে মসজিদ থেকে বের করে দিয়েছে আমার প্রশ্ন এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থাকা অবস্থায় কিভাবে এই সন্ত্রাসী আমাদের উপর হামলা চালায় ঠিক এর বিচার চাই সবাই কে ধন্যবাদ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই ফাঁসিবাদের বড় বড় দোষরা লাইসপেন্সাররা পদত্যাগ করেছে আমরা তো বাইতুল মোকাররমে মনে করিনি একজন আলেম এই ভূমিকা নিতে পারে তিনি খতিব হিসেবে নিজেকে দাবি করছেন তিনি
গোপালগঞ্জ থেকে মাদ্রাসার তার ছাত্রদের প্রায় 1000 ছাত্র নিয়ে এসে এখানে দখল করে উনি খুতবা দিতে চান তখন মুসল্লিরা উনাকে বলেছে আপনি খুতবা দিতে পারেন না শহীদ রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি সিদ্ধান্ত হবে তারপরে খুতবা দিবেন উনি উনার সাথে ছাত্ররা নির্দয়ভাবে ঢাকার মুসল্লিদেরকে পেটালো আজকে কোন ধরনের কোন আলাপ ছাড়া তার ছাত্ররা মসজিদের চত্তরের ভিতরে রক্তাক্ত করেছে অসংখ্য আজকে মুসল্লি আহত হয়েছে আজকে প্রায় 50 জন আমার সামনে আহত হয়েছে তারা জুতার বক্স রড এবং পাইপ দিয়ে তারা গ্লাস ভেঙেছে গ্লাস দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেছে আহত করেছে সবাই আজকে তো আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাই হাসিবাদের দূষররা বাংলাদেশের বিভিন্ন
স্থাপনা থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছে আর একজন আলেম তার ছাত্রদেরকে নিয়ে এসে জাতীয় মসজিদে রক্ত ঝরালো এটা যদি অনতিবলম্বে এটার প্যানিশমেন্টের ব্যবস্থা না করা হয় তাহলে এটা মুসল্লিদের মাঝে চরম প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে এবং এটা জাতীয় ইস্যুতে একটা পরিণত হবে এটা অনাকাঙ্ক্ষিত নেককারজনক এবং অনভিব্রে এটা এটা বড় ম্যাসিভ অন্যান্য ইউনিভার্সিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেগুলো ঝামেলা হয়েছে সেগুলো সামনে নেওয়া সম্ভব কিন্তু জাতীয় মসজিদে হামলা করার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের 20 কোটি তৌহিদী মানুষের উপরে হামলা করেছে এবং তিনি সম্ভবত গোপালগঞ্জের পক্ষ থেকে একটা বার্তা দিলেন জাতিকে তারা এখনো করতে তারা এখনো নাই তারা আবার হামলা করতে রাজি আছে
গোপালগঞ্জ থেকে বাঁশ ভাড়া করে নিয়ে এসে হামলা করে গণতন্ত্র প্রেমীদের এই ফাঁসিবাদ ফাঁসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তাদেরকে একটা উল্টো তারা চ্যালেঞ্জ জানালো আমি মনে করি আমরা আমরা কোন ধৈর্যশীল এই সরকার আমাদের সরকার এই সরকার 20 কোটি মানুষের সরকার কিন্তু তারা যে কাজটা করলো যদি তালবিলম্ব না করে অথবা রাজনীতির মাধ্যমে শুধুমাত্র ঠান্ডা করার নেশা না করে যদি 24 ঘন্টার মধ্যে এই ঘটনা রুল আমি যদি গ্রেফতার না হয় এবং এটা টিভি ফুটেজ আছে কিভাবে তারা ঢুকেছে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকায় কিভাবে ঢুকেছে কিভাবে বের হয়েছে কিভাবে হামলা করেছে টিভি ফুটেজ আছে যদি এটার বিচারের ব্যবস্থা না হয় গ্রেফতার যদি
না হয় তাহলে আপনি দেখতে পাবেন বাংলাদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী এই মসজিদকে কেন্দ্র করে কি আন্দোলন গড়ে তো এখানে ঠিক এবং বায়তুল মোকাররমে মসজিদে নামাজের জন্য আসি এবং নামাজের শুরুতেই আজকের ইমাম সাহেব উনি এসে খুতবা বক্তব্য পাঠ করে শুরুর আগেই খুতবা বক্তব্য শুরুর আগেই উনি দরুদ শরীফ পাঠ করেন এবং দরুদ শরীফ পাঠ করার পর পর আজান শুরু হয় আযান শুরু হতেই পূর্ব পূর্ব যে পলাতক ইমাম আওয়ামী লীগের নিয়োগ প্রাপ্ত এবং আওয়ামী লীগের পেটুয়া ইমাম উনি তার বাহিনে নিয়ে এসে মসজিদের খতিব সাহেবের উপর হামলা করে এবং সেই হামলার প্রতিবাদে বর্তমান যে খতিব পাঁচ কেজি মসজিদে ইমামতি করেছেন উনার
পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ করা হয় তারই ধারাবাহিকতায় পূর্বে যে ইমাম পাঁচ তারিখে স্বৈরাচার হাসিনা হাসিনা পতনের ইমাম উনি যে পাল্লাতক হয়েছিলেন নিজের জীবন আত্মরক্ষার জন্যে উনি এই মসজিদে আজকে এই মসজিদের বিঘ্ন ঘটিয়েছেন এবং উনার বিচার হওয়া হওয়া উচিত ওনাকে গ্রেপতার করা উচিত এবং ওনার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হওয়া উচিত এবং আজকের মসজিদে যে ইমাম নামাজের ত্রুটি হয়েছেন এর উনাকেই নিতে হবে সবাইকে ধন্যবাদ আসলে আমরা সকাল সকাল আমাদের বাসা এখানে পল্টনে আমরা এখানেই কাজ কারবার করি আবার অফিসও এখানে আমরা সকাল সকাল মসজিদে গিয়েছি যে শুনলাম দেখলাম যে ছয় সাত গাড়ি বহিরাগত গাড়ি ঢুকছে এখানে ওখানে মাদ্রাসার ছাত্র বলে
পাঞ্জাবি পরিহিত এরা অলরেডি মসজিদের আজান দেওয়ার অনেক আগেই ঢুকে পড়ছি পরবর্তীতে আমরা স্থানীয়ভাবে জনশক্তি মনে করছি প্রায় দেড় 200 লোক নামাজ শুরু হওয়ার আগে 11:00 টা বাজে তো নামাজ শুরু হয় না ওরা ঢুকে গেছে মসজিদে এরপরে সিরিয়ালে দেখছি মানে বেরিগেড দিয়ে দাঁড়ায় রইছে কি ব্যাপার এখানে কি আমরা স্থানীয়ভাবে সবাই জিজ্ঞেস করলাম বলছি যে সাবেক হুজুর আসছে আমরা বলছি যে সাবেক হুজুর কেন আসছে বলছে যে আজকে নামাজ পড়াবে পরে বলছি এটা তো রক্তক্ষয় সংঘর্ষ উনি তো অলরেডি পালিয়ে গেছেন উনি কেন ঢুকছেন উনার পা চেপে ধরে আমরা বলছি আমরা পা চেপে ধরছি হুজুর যায়েন না পরবর্তীতে উনি
ঠেলে চলে গেছে আমরা বর্তমান যে হুজুর সালেহ আহমেদ উনার উনি নামাজে দাঁড়াবে বা খুতবা দিবে এই মুহূর্তে উনাকে সরিয়ে উনি বসে গেছেন চেহারা পরবর্তীতে আমরা উনাকে বসাইতে চাইছি আমাদেরকে বেধরক পিটাইছে এই ছেলেগুলা সাবেক যিনি পালিয়ে গেছেন ওই পেটে পাইনি হুজুর সাবেক হুজুর আর কি উনার নাম তো ভুলে গেছেন রুল আমিন রুল আমিন সাহেব বিশ্বমানের থার্মিক্স রড সালাম স্টিল থার্মিক্স দেশের একমাত্র থার্মিক্স রড