আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন আর আপনারা দেখছেন এমডি ভয়েস টিভি খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাইহির জীবনী পরিচিতি ও ইতিহাস পাঠে জানা যায় যে সকল মহান ব্যক্তির অক্লান্ত কর্ম প্রচেষ্টার ফলে বঙ্গভারতে সোনালী ইসলামের নির্মল আদর্শ প্রতিষ্ঠা ও বিকাশ সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে রুহানি জগতের খাঁটি প্রজ্ঞাদাতা সুফি কুলের শিরোমণি মর্দে মুজাহিদ হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাইহির নাম বিশেষভাবে স্মরণীয় একথা বাস্তব যে তিনি অকল্পনীয় কারামত এবং ঐশী ক্ষমতাসমূহের অধিকারী ছিলেন আর আজকের এই ভিডিওতে আমরা খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাই আল্লাহর কুদরতে একটি পাথরের মূর্তিতে দুধ খাওয়ানোর একটি বিষয়কর ঘটনা সম্পর্কে বলতে চলেছি যা
শুনে আপনি বিস্মিত হয়ে যাবেন তাই ভিডিওটি একবারে শেষ পর্যন্ত দেখবেন একবার এক ছোট্ট হিন্দু কন্যা তার বাবার হাত ধরে বলল বাবা তুমি প্রতিদিন মন্দিরে দুধ নিয়ে যাও এবং তুমি প্রতিদিন মন্দিরে দুধ নিয়ে কি করো উত্তরে তার বাবা বললেন আমি প্রতিদিন আমার দেবতাদের দুধ উৎসর্গ করি এবার বাচ্চা মেয়েটি জিজ্ঞাসা করল বাবা দেবতারা কি দুধ খান জবাবে তার পিতা বললেন না বেটি আমি এই দুধ তাদের পায়ে ঢেলে আসি বাচ্চা মেয়েটি আবারো জিজ্ঞাসা করল বাবা তাহলে তুমি কেন দুধ নিয়ে যাও যখন তারা দুধ খেয়ে দেখেন না জবাবে তার পিতা বললেন বেটি তুমি আজব কথা বলছো দেবতারা কেন দুধ
খাবেন এবার বাচ্চা মেয়েটি বলে বাবা আমি আগামীকাল একা মন্দিরে যাব এবং দেবতাকে দুধ খাওয়াবো তখন তার পিতা বললেন তুমি যাবে ভালো কথা কিন্তু এমন জেদ করো না যে দুধ না খাইয়ে বাড়িতে আসবে না বাবার কথা শুনে তখন মেয়েটি বলে তুমি আমাকে অনুমতি দাও তখন তার পিতা বলল ঠিক আছে তোমার যেমন ইচ্ছা পরের দিন সেই বাচ্চা মেয়েটি একা দুধ নিয়ে মন্দিরে যায় এবং বলতে থাকে যদি আপনি সত্যিই আমার খোদা হয়ে থাকেন তবে আমার এই দুধ পান করুন কিন্তু পাথরের মূর্তি তো কথা বলে না তাই সেই বাচ্চা মেয়েটির কোন জবাব পেল না এবারও সেই বাচ্চা মেয়েটি কান্না
ভেজা চোখে বলতে থাকে আমি ততক্ষণ পর্যন্ত ঘরে যাব না যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি এই দুধ পান করবেন কিন্তু এবারও কোন জবাব এলো না বাচ্চা মেয়েটি কান্না করতেই থাকে থাকে এবং বলতে থাকে আজকে যদি আপনি দুধ পান না করেন তাহলে আমি আপনার পায়ে আমার জীবন দিয়ে দেব ফলে বাচ্চা মেয়েটি তার কপাল সে দেবতার মূর্তির সামনে ঢুকতে থাকে ফলে কিছুক্ষণের মধ্যেই তার কপাল থেকে রক্ত ঝরতে শুরু করে এবং সেই অবস্থায় বাচ্চাটি কাঁদতে থাকে হঠাৎ সেখানে একজন বুজুর্গের আগমন ঘটে তিনি ছিলেন খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাই বাচ্চা মেয়েটিকে কান্না করতে দেখে খাজা মইনুদ্দিন চিশতী বাচ্চা মেয়েটির কাছে আসেন
এবং জিজ্ঞাসা করলেন বেটি তুমি কাঁদছো কেন কি হয়েছে তোমার জবাবে বাচ্চা মেয়েটি বলল আপনি আপনার কাজ করুন আর আমাকে আমার কাজ করতে দিন তখন খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাই আবারো জিজ্ঞাসা করলেন বেটি তুমি আমাকে বলো যে তোমার কি হয়েছে এবার বাচ্চা মেয়েটি বলল দেখুন এই পাথরের মূর্তি আমার দেবতা তাকে আমি অনেকবার বলেছি আমার এই দুধটুকু পান করতে কিন্তু সে পান করছে না তখন খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাই বললেন বেটি এগুলো পাথরের মূর্তি মূর্তি তোমার দুধ পান করবে না তখন বাচ্চা মেয়েটি বলল আমি কসম খেয়েছি এই মুহূর্তে দুধ পান না করলে আমি ঘরে যাব না উনাকে
আমার দুধ পান করতেই হবে যদি উনি আমার দুধ পান না করেন তবে আমি আমার জীবন দিয়ে দেব এই কথা শুনে খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন ঠিক আছে বেটি এটা তোমার সিদ্ধান্ত তখন খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাই সেখান থেকে এগিয়ে গেলেন এবং মূর্তিটিকে বললেন দেখছো না বাচ্চার মাথা থেকে রক্ত ঝরছে তাহলেও তুমি দুধ কেন পান করছো না খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমতুল্লাহি আলাই শুধুমাত্র এটুকুই বললেন এবং সঙ্গে সঙ্গে মহান আল্লাহতালার ইচ্ছায় সেই মূর্তি জীবন্ত হয়ে উঠলো এবং সে দুধ পান করতে শুরু করল বাচ্চা মেয়েটি এই দৃশ্য দেখে খুবই খুশি হলো এবং সে তার ঘরে ফেরত আসলো
কিন্তু তার মাথা এবং জামাই তখনো রক্ত লেগেছিল এ দৃশ্য দেখে মহল্লার লোকেরা সেই বাচ্চা মেয়েটির বাবাকে বলল পন্ডিত মশাই মনে হচ্ছে আপনার মেয়েটি কোথাও থেকে তার ইজ্জত খুঁয়ে এসেছে দেখুন আপনার মেয়ের কি হাল হয়েছে তার সঙ্গে খুব সম্ভবত খুব খারাপ কিছুই হয়েছে মহল্লার সবাই এক হয়ে জিজ্ঞেস করতে থাকে বেটি তোমার সঙ্গে কি হয়েছে এবার বাচ্চা মেয়েটি উত্তর দেয় আমার সঙ্গে কিছুই হয়নি কেউ আমার উপর হাত তুলেনি আমি শুধুমাত্র আমার খোদাকে দুধ পান করে এসেছি এই কথা শুনে সবাই অবাক হয়ে বলল এটা কিভাবে সম্ভব হয়তো এই বাচ্চা মেয়েটি পাগল হয়ে গিয়েছে এবার মেয়েটির বাবা জিজ্ঞাসা করল
বেটি তুমি সত্যি করে বলো তোমার সঙ্গে কি হয়েছে তখন বাচ্চা মেয়েটি উত্তর দেয় আমি ওয়াদা করেছিলাম আমি আমার খোদাকে দুধ পান করিয়ে তবে বাড়িতে ফিরবো এবং আমি সেটাই করেছি এবং সে আবারো বলে আগামীকাল তোমরা সবাই আমার সঙ্গে যাবে আমি তোমাদেরকে দেখাবো পরের দিন সকালে সবাই এসে বাচ্চা মেয়েটির সঙ্গে মন্দিরে যায় মূর্তির সামনে এসেই বাচ্চা মেয়েটি দুধের বাটি রেখে আবারো বলে নাও আবারো আমার দুধ পান করো কিন্তু আজ পাথরের মূর্তি সেইভাবেই রইল বাচ্চাটি কান্না করতে করতে বলে হে আমার খোদা আমার ইজ্জত তোমার হাতে এই দুধ পান করে নাও এই দৃশ্য দেখে সেখানে উপস্থিত সবাই বাচ্চা মেয়েটিকে
বাবাকে বলল পন্ডিত মশাই আপনার কন্যা মিথ্যা কথা বলছে আসলে তার ইজ্জত লুট হয়ে গেছে এ সমস্ত কথা শুনে মেয়েটি এবার জোরে চিৎকার করে বলল হে আমার খোদা তুমি কি আমার দুধ পান করবে নাকি আমি গতকালের সেই বাবাকে ডাকবো এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে পাথরের মূর্তি আবারো জীবন্ত হয়ে যায় এবং সে দুধ পান করতে শুরু করে এই দৃশ্য দেখে সেখানে উপস্থিত সবাই এই বাচ্চা মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করে বেটি আমাদেরকে বলো যে এই বাবা কে যে এই মূর্তিকে দুধ পান করিয়েছিল বাচ্চা মেয়েটি উত্তর দেয় আমি তো তার নাম জানিনা এবং আমি এটাও জানিনা যে সে কোথা থেকে এসেছিল
এরপর বাচ্চা মেয়েটি একটি রাস্তা দেখিয়ে বলে ওই বাবা এই রাস্তা দিয়ে এসেছিল এবং এই রাস্তা দিয়েই আবার চলে গেছে এরপর সবাই বাচ্চা মেয়েটি দেখানো রাস্তায় ছুটতে থাকে এবং কিছুদূর গিয়ে তারা দেখতে পায় সেখানে একটি গাছের নিচে খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাই বসে আছেন সবাই তাকে ঘিরে জিজ্ঞাসা করতে থাকে বাবা আপনি কি সেই ব্যক্তি যে গতকাল পাথরের মূর্তিকে দুধ পান করিয়েছিলেন খাজা মইনুদ্দিন চিশতি রহমাতুল্লাহি আলাই এই কথা শুনে একটু মুচকি হাসলেন এবং বললেন আমি সেই ব্যক্তি এবার সবাই তার সামনে হাত জোড় করে বলতে থাকে বাবা আপনি আমাদেরকে বলুন এটি কোন জাদু খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমতুল্লাহি আলাই
বললেন এটা কোন জাদু নয় এটি হলো আমার আল্লাহতালার প্রদত্ত একটি ক্ষমতা যা তিনি আমাকে দান করেছেন এবার সবাই জিজ্ঞাসা করল আপনি আমাদের বলুন আপনার রব কে খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহ তখন বললেন আমার রব তিনি যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন আবার তিনি মৃত্যু দেন তিনি আমাদের রিজিকদাতা তিনি এ সমস্ত ব্রহ্মাণ্ডের মালিক এবার সবাই জিজ্ঞাসা করল বাবা আপনার ধর্ম কি খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাই বললেন আমার ধর্ম হলো ইসলাম আর আমার নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কথা বলেই খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাই সামনের দিকে এগিয়ে গেলেন তিনি কিছুদূর যেতেই সবার প্রথম সেই পন্ডিত ব্যক্তি তার পবিত্র
পা মোবারক ধরে ফেলে এবং বলে বাবা আপনি কি শুধু এই মূর্তিকে দুধ পান করাতে এসেছিলেন নাকি আমাদের মত গুনাহগারদেরকে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উম্মত বানাতে এসেছিলেন এরপরেই সেখানে উপস্থিত মহল্লার সবাই একসঙ্গে কালেমা পড়ে মুসলিম হয়ে যায় সুবহানাল্লাহ তো প্রিয় দর্শক এ ছিল আমাদের আজকের এই ঘটনা কেমন লাগলো কমেন্ট করে আমাদের অবশ্যই জানাবেন আজ তাহলে এই পর্যন্তই আপনারা ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ [মিউজিক]