যে এই গভমেন্টের যে প্রশ্নটা আছে যে গভমেন্টের হচ্ছে ন্যাজ্যতার প্রশ্নটা এই প্রশ্নটা হচ্ছে যে জাস্ট স্পিরিটের কোশ্চেন না এটা মূলত একটা নিউ পিপলস উইল নতুন একটা জনগণ গঠিত হয়েছে এবং ওইটার আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করতেছে এই গভমেন্ট এটা হচ্ছে প্রথম দাগের কথা আর এই যে নতুন জনগণ আমাদের সামনে এসে উপস্থিত হলেন বা আমি যদি বলি পলিটিক্যাল কমিউনিটি আকারে তারা আসলে যে উইলের এক্সারসাইজ করবেন এটা আসলে ঠিক করে দিবে যে সামনের বাংলাদেশ কিভাবে নির্মাণ হবে কিভাবে এটা গঠিত হবে এখানে অনেকগুলো বাধা ধরা কোশ্চেন আছে সে কোশ্চেন গুলোর অ্যানসার আলী স্যার উনি বলেছেন এবং অনেকটাই মোটামুটি কাভার হয়েছে এবং
অন্যরা বলবেন কিন্তু আমি যদি রাজনৈতিক দিক থেকে বলি সেটা হচ্ছে এই গভমেন্টের যেটা বললাম যে পিপলস সুইলের জায়গাটাকে কতটুকু আমি টেনে নিতে পারবো এবং যখন কনস্টিটিয়েন্ট অ্যাসেম্বলির তর্কটা আসবে সেখানে মূল তর্কটা আসবে পিপলস সুইলের জায়গা থেকে ইডিওলজিক্যাল ফর্মুলেশন টা কি হবে এই রাষ্ট্রের আপনি যখন 1972 সালে যে সংবিধান প্রণীত হয়েছে সে সংবিধানে মূলত ইডিওলজিক্যাল যেই বায়াস ছিল সে ছিল মূলত যদি আমরা বলতে পারি যে একটা দল দলের যে মূলনীতি এবং সংবিধানের মূলনীতি সেইম এবং ওই দলের প্রধানের নামে এই সংবিধানের মূলনীতিগুলোকে ওই দলের প্রধানের নামে নামকরণ করা হয়েছিল মুজিবিজম অর মুজিব বাদাকারে তাহলে ওখানে যদি ধরি
ওইটা কিন্তু শ্যাটারড হয়ে গেছে এবং ওই আইডিওলজিক্যাল ফর্মুলেশনস গুলোকে পুনর্গঠন এবং পুনঃনির্মাণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেই জনগণ একাট্টা হয়ে এটাকে টপল ডাউন করছে বলতো এই জিনিসটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে আগামীর যে রাষ্ট্র হবে যেমন আরেকটা কথা বলি যে এখানে অনেকেই বলতেছেন যে পলিটিক্যাল পার্টিস গুলোকে এনগেজ করতে হবে কিন্তু পলিটিক্যাল পার্টি অন্যান্য পলিটিক্যাল পার্টিস নাম না বলে বলি তাদের যেই আদর্শিক পরিগঠন আছে সেটাও কিন্তু এই আন্দোলনের ক্ষেত্রে উইলের ক্ষেত্রে কোনভাবেই প্রতিফলিত হয়নি বলতো ওই ওই দলগুলোরও নিজেদের আদর্শিক রাজনৈতিক অবস্থানকে পুনর্গঠনের দরকার আছে পিপলস উইলের জায়গা থেকে যে জনগণ কোন কোন অ্যাম্বিশন এবং এসপিরেশন
কে সামনে রেখে নেমে এসেছেন সেটাকে একীভূত করা সেটাকে নিয়ে গঠনের মানে যেই প্রশ্নটা সেটা আমি মনে করি যে একটা পোস্ট ইডিওলজিক্যাল সিচুয়েশনে আমরা আছি এবং এই নতুন বাংলাদেশে মূলত ওই জায়গাটাতে আমাদেরকে পৌঁছাতে হবে যেখানে আমরা আগেকার যে রাজনৈতিক দর্শন গুলোকে আছে ওগুলোকে কিভাবে হচ্ছে আমরা পুনর্গঠন করব এ পুনর্গঠনের ভিত্তির উপরেই নির্ধারণ হবে মূলত আমাদের স্টেটকে আমরা কিভাবে নতুন নতুন নীতি বা নতুন নতুন বক্তব্যের জায়গা থেকে পুনঃনির্মাণ করব ফলত আমি মনে করি যে এইটা খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং এজন্যই আমাদেরকে জনগণের কাছে যেতে হবে জনগণের যে বৃহত্তর অংশ আছে বৃহত্তর অংশ আসলে কি চাচ্ছে এবং তাদের মূলত এই
সংবিধানের যেই মৌলিক মানবাধিকার জিনিসগুলো আছে বা আরো অনেকগুলো বিষয় আছে সেগুলো কিন্তু এই নতুন সংবিধান লিখলে যে খুব বেশি ডিফারেন্সেস হবে এরকম না কিন্তু ডিফারেন্সেসটা হবে কোথায় আপনারা অনেকেই বলতেছেন পুনর্লিখন করতে হবে পুনর্লিখনটা হবে কোথায় ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস যেটা আছে এখানে অনেকগুলো কনভেনশন আছে অনেকগুলো ট্রিটিস আছে আছে সেগুলোকে ধরে কিন্তু আমরা হচ্ছে যে একটা প্রত্যেকটা রাষ্ট্রে ওইটাকে ধরে আলোচনা করে বা কিছু স্পেসিফিক টার্মস টার্মিনোলজিস আছে কিন্তু মূলত পার্থক্যটা নির্ধারিত হবে 1971 72 সালের পিপল আর এখনকার পিপলের উইলের যে ডিফারেন্সেস এট দ্যা সেইম টাইম খুব সতর্কভাবে ওই উইলের কন্টিনিউশন বটে 1971 এর যে পিপল উনাদের উইলের
সাথে তো আমাদের উইলের খুব বেশি ডিফারেন্স নাই ওইটা একটা রাজনৈতিক দলের ভিতরে ঢুকে গেছে সেখান থেকে বের করে 1971 এর পিপলস হুইলকে আমি কিভাবে 24 এর পিপলস হুইলের সাথে কানেক্ট করব সেই রাজনৈতিক প্রস্তাবনাও আমাদের থাকতে হবে এবং রাজনীতিকে ওই রাজনৈতিক প্রস্তাবনাটাকেই কনস্টিটিউশনে ট্রান্সলেটেড করতে হবে ফলত আমি মনে করি এটা একটা প্রক্রিয়ার বিষয় এটা শুধুমাত্র পলিটিক্যাল পার্টিজের বিষয় না বরং সমাজের বিভিন্ন বর্গের মানুষের গল্পগুলো শুনতে হবে এবং এই যে স্যাক্রিফাইসটা এই স্যাক্রিফাইসটাকে আমাদের হাজার হাজার শহীদ এবং আহত এবং উনাদের যেই গল্পগুলো এই গল্পগুলোটাকে গল্পগুলোকে কেন্দ্র করেই আমাদেরকে নতুন বাংলাদেশের কথাটা বলতে হবে তো আমি মনে করি
যে এইটা হচ্ছে মোটা দাগে কনস্টিটিউশন যে আলাদা হলো এবং আমাদের যে নতুন যেই জনগণ এটা যে আলাদাভাবে কনস্টিটিউন্ট পাওয়ার নিয়ে আসলো সেটার প্রতিফলন যদি সংবিধানে না থাকে তাহলে সংবিধান জাস্ট এই কয়েকটা অনুচ্ছেদ বদলে এটাকে লেখার আর দরকার নেই বরং সংবিধান যদি লিখতে হয় পুনর্লিখন করতে হয় তাহলে এখনকার পিপলস হুইলকে 1971 এর যে পিপলস উইল আছে প্রক্লামেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স আছে সেটার ধারাবাহিকতা আকারে এটাকে আমাদেরকে নিয়ে আসতে হবে এবং ওইটার ভিতর দিয়ে আমরা মনে করি যে বাংলাদেশের জনগণ নিজেদের এখনকার যেই বাস্তবতা আছে সেই বাস্তবতায় আদর্শিক রাজনৈতিক তর্ক গুলোকে একটা মীমাংসার দিকে নিয়ে যেতে পারবে যদি মীমাংসার দিকে
নিয়ে যেতে না পারে তাহলে যেটা হবে এই সংবিধান অথবা আমরা যদি বলি গণপরিষদ নতুন গণপরিষদ কোনটাই আসলে রাজনৈতিক ভাবে যখন এটা সামনে যাবে মাঠে যাবে যখন এটা টিকে থাকতে পারবে না ফলত এই প্রশ্নটা এই আদর্শিক এবং রাজনৈতিক প্রশ্নটা সমাধান করে ফেলতে হবে এই সংবিধানের ভিতর দিয়ে এবং এই সংবিধানটা তখন ওই জায়গা থেকে লিখলে আমরা এবং ওই আমি বললাম যেটা যে 1971 এর কন্টিনিউ আকারে লিখতে হবে এখানে অনেকেই আছেন মানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যারা 1971 এর যেই চেতনা বা 1971 এর যেই মানুষের যেই আকাঙ্ক্ষার প্রশ্নটাকে এটাকে পাশ কাটিয়ে এগোতে চাচ্ছেন আমরা মনে করি এটা আত্মঘাতী হবে
ওইটা অবশ্যই করা যাবে না 1971 কে কন্টিনিউশন আকারে রেখে 24 এ আমাদেরকে এসে দাঁড়াতে হবে এবং জনগণের নতুন এই যে জনগণ গঠিত হয়েছে এই জনগণকে সাথে নিয়ে আমাদেরকে আদর্শিক রাজনৈতিক প্রশ্নটা ডিল করে সংবিধানে ঢুকতে হবে এবং এর বাইরে যেই আমাদের যে প্রশ্নগুলো আছে সরি তো এর বাইরে যে প্রশ্নগুলো আছে মৌলিক মানবাধিকার এবং হচ্ছে যে ইনস্টিটিউশন বিল্ডিং এর প্রশ্নগুলো আছে ওই ইনস্টিটিউশন বিল্ডিং এর প্রশ্নগুলো আমাদের প্রত্যেকটা সংগঠন নাগরিক সংগঠন এবং হচ্ছে যে শ্রেণী যেই প্রেসার মানুষ আছে তাদের সাথে কথা বলে সেটাকে ঠিক করতে হবে কারণ আমরা মূলত শেখ হাসিনার আমলে যেটা লক্ষ্য পরিলক্ষ হয়েছে সেটা হচ্ছে
যে উনি ইনস্টিটিউশন গুলোকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে এখন আপনি একটা স্টেটে যখন ইনস্টিটিউশন থাকে না ইনস্টিটিউশন শুধু সাংবিধানিক এখানে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে শুধু সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান না বরং এর বাইরেও রাষ্ট্রের অনেক ধরনের ইনস্টিটিউশনস আছে ইনস্টিটিউশন বিল্ডিং এর যে প্রজেক্টটা আছে এবং আমি বিভিন্ন জায়গায় বলতেছি যে পেসিবাদ আমরা তো এটাকে পেসিভ আকারে যেহেতু দেখেছি ফলে তো পেসিবাদ কিন্তু ব্যক্তি পর্যায় পর্যন্ত পেনিট্রেটেড হয়েছে ফলে ব্যক্তি পর্যায় পর্যন্ত মানুষের সংস্কার শব্দটা ইউজ করবো না এখানের আলোচনার টপিক ধরে এটাকে রিকনস্ট্রাক্টও যদি বলি ব্যক্তি এবং সমাজকে রিকনস্ট্রাক্ট করার অ্যাম্বিশাস প্রজেক্টও বা ভিশনও সংবিধানে থাকতে হবে বলতো আমি মনে করতেছি
এই জায়গায় এই জায়গাগুলোকে ধরাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে আমি এই আদর্শিক ব্যক্তি সমাজ এই প্রশ্নগুলোকে ডিল করবো কিনা নাকি শুধু রাষ্ট্রে থাকবো তো ধন্যবাদ আমি খুব জাস্ট পলিটিক্যাল এবং ইডিওলজিক্যাল কোশ্চেনটা ধরলাম কারণ এখানে অনেকেই আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক এবং অন্যরা আছেন যারা এটার আইনি দিক বা এটার সাংবিধানিক দিকগুলো ব্যাখ্যা করবেন ধন্যবাদ আপনাদেরকে [মিউজিক]