চিকিৎসাবিজ্ঞান তো প্রতিনিয়ত শরীরকে খুরে খুড়ে রোগের অনুসন্ধান করতেছে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে। একটা রোগের অনুসন্ধান পাই সন্ধান পাইলে তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায়। যে হাজার হাজার কোটি টাকার বিজনেস পাইছি। সিন্থেটিক ড্রাগ ছাড়া সুস্থ থাকার এমন চমৎকার সুন্দর একটা রাস্তা আছে। যেটা একেবারে খুব সরল। আমাদের সামনে তো চিকিৎসাবিজ্ঞান আমাদের সামনে যেটা উপস্থাপন করতেছে যে শরীর এক রোগ শত শত। শত শত রোগের শত শত কারণ শত শত বিশেষজ্ঞ শত শত সমাধান এই শরীর শরীরের রোগ সুস্থতা এটা একটা খুব সরল রাস্তা >> দেহতত্ত্বের সূত্র সুস্থতার মূল মন্ত্র থার্ড থিওরি একটু >> এটা হলো এটাই হলো আমার
মূল ডিজাইন >> আক্রান্ত ব্যক্তি তিনি যদি এটা ফলো করে তারপর >> যতদিন পর্যন্ত আপনার সেন্স ঠিক আছে আর যতদিন আপনার দু পা সচল আছে এই দুটা জিনিস যতদিন ঠিক আছে ততদিন আপনি ভুল সংশোধন করে আপনি সুস্থতার পাবে। তো আমি মুসলিম আমার সৃষ্টিকর্তা যদি আলাদা হতো, হিন্দু তার সৃষ্টিকর্তা যদি আলাদা হতো, খ্রিস্টানের সৃষ্টিকর্তা যদি আলাদা হতো, তাইলে আমাদের শরীরের রুলসটাও আলাদা আলাদা হতো। কিন্তু আমি যে রুলসের কথা বলতেছি, যে সূত্রের কথা বলতেছি শরীরের সবার ক্ষেত্রে সেইম। একটু 19 20 নয়। কোথা থেকে পানি আসতেছে? পানির মূল উৎস কোথায়? সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা এক হইয়া যদি খুঁজা শুরু করে
যে পানির মূল উৎস কোথায়? আমরা দেখতে চাই। সবাই পাগল হইয়া মরব। কোথাও খুঁজে হবে না পানি কোথা থেকে আসতেছে আসমানের প্রয়োজন হইছে আসমানকে ওয়াটার দিছে হয়ে গেছে জমিনের প্রয়োজন হইছে জমিনকে ওডার দিছে হয়ে গেছে মানে ওয়াডার দিয়ে তৈরি করছে এই শরীরকে যখন আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেন শরীরের মধ্যে আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে তিনটি রোগ দিয়া দিছে রোগ নির্মূল করার রোগ বন্ধ করার গবেষণা চলতেছে না গবেষণা চলতেছে রোগ অনুসন্ধান করার মানে রোগের নতুন নতুন রোগের সন্ধান চলতেছে যেটা চিবিয়ে ঢুকাচ্ছি এটা যদি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের ওষুধ হয়ে থাকে যেটা পান করে ঢুকাচ্ছি এটা যদি পিপাসা নিয়ন্ত্রণের ওষুধ হয়ে থাকে
আরেকটা একটা রোগও থাকে আরেকটা চিন্তা কাঁচামালও আরেকটা বাতাস এইটা চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করার ঔষধের নাম হলো বাতাস অক্সিজেন হার্ট অটাক থেকে বাঁচার মূল ঔষুধের নাম হলো বাতাস একটা হাদিস আছে যে মুসা আলাইহি সাল্লাম আল্লাহকে প্রশ্ন করেছেন হে আল্লাহ তুমি যদি মুসা হতে আর আমি যদি আল্লাহ হতাম তাহলে তুমি আমার কাছে কি চাইতে তখন আল্লাহ বললেন এটা তো সম্ভব না তারপরেও তুই যদি আল্লাহ হতি আর আমি যদি মুসা হতাম তাহলে আমি সুস্থতা চাইতাম। ঠিক এই সুস্থতা নিয়ে আমাদের সমাজে যারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তার মধ্যে অন্যতম একজন সাধক ফিরোজ্জামান ভাই। প্রিয় ভাইটির সাথে আজ কথা বলব। এই
সাধনা চর্চা করা এবং মানুষের উপকারে নিজেকে নিবেদিত করার গল্প আজ শুনবো। আসসালামু আলাইকুম। >> ওয়ালাইকুম আসসালাম। ভাই কেমন আছেন? >> ভাই আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো আছি। >> আচ্ছা আপনার সাথে তো আমার পূর্ব কোন পরিচিতি নাই। কিন্তু আপনার কর্মের সাথে আমার একটা প্রেম আছে। সেটা হচ্ছে আপনার তিনটা বই আছে। বইগুলোর নামগুলো খুবই মানে অত্যন্ত মানে আনন্দদায়ক। মানে শব্দগুলো শুনতে মজা লাগে। যে মানে ন্যাচারোপেক তিতত্ত্ব। তো আমি যদিও আপনি এগুলো বলবেন আমার ইচ্ছে। তো এগুলো বলার আগে আপনার কাছেই আমার প্রথম প্রশ্ন যে আপনার আসল লক্ষ্যটা কি ছিল? আপনি যে আজ এই অবস্থাতে এসেছেন মূল লক্ষ্যটা কি ছিল? >>
আমার আসলে আমি যখন 1998 সালের দিকে যখন আমি ইন্টারমিডিয়েট ফার্স্ট ইয়ারে বা পড়ি তখন আমার যে বন্ধু-বান্ধব যারা তাদের বাসায় তাদের সাথে যখন আড্ডা দিতাম তাদের বাসায় গিয়ে। আমরা স্কুলে তো আমরা কারো বাসায় আড্ডা দিতাম না। খোলা মাঠে বিভিন্ন জায়গায় বিকেলবেলা আড্ডা দিতাম। কিন্তু কলেজে যাওয়ার পরে আমরা ওই বন্ধু-বান্ধবদের বাসায় গিয়ে আড্ডা দেওয়া শুরু করছিলাম। তো এটা স্বাভাবিক হতো। এটা মৌলভীবাজারের জেলার কথা বলতেছি। মৌলভীবাজার সরকারি কলেজে তখন পড়তাম। তো এখানে আড্ডা দিতে গেলে সবাই বন্ধুরা ড্রইংরুমে বন্ধুরা বসে আড্ডা দিত। নানান কথা এগুলো আমার ভালো লাগতো না। এইসব না করে আমি কি করতাম? ভিতরে চলে যেতাম।
দাদি, নানি, চাচি বা বাবা মা বৃদ্ধ যারা আছে বয়স্ক তাদের সাথে আমি আড্ডা দিতাম। তো স্বাভাবিকভাবে আমি তাদের ভিতরে গেলে সালাম দিতাম। আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন? কেমন আছেন? যখনই বলতাম তখনই সবাই বলতো যে নাহারে বাবা ভালো নেই। ভালো নেই। এই সমস্যা ওই সমস্যা। এই ওষুধের বাক্স দেখায় দিত। বলতো যে এত ঔষধ খাই। এই বড় বড় ডাক্তারের চিকিৎসা নেই। তারপরও ভালো নেই। এই যে ভালো নেই কথাটা ওরা বলতো। এত মানে কষ্ট নিয়ে বলতো আমার ব্রেইনের মধ্যে এটা তখন হিট করতো যে এত কিছু এত ডাক্তার এত ঔষধ এত কিছু থাকার পর কেন ভালো নেই এটা আমাকে খুব
ভাবানো শুরু করে দিল এই যে ভাবনাটা মাথার মধ্যে ঢুকলো তার মানে কি এই তারা যে রাস্তায় সুস্থ থাকার জন্য যে ঘুরতেছে ছুটতেছে এছাড়া বিকল্প রাস্তা আছে কিনা মানে পরবর্তীতে আমার মাথার সামনে একটা প্রশ্ন আমি দাঁড় করালাম যে মানুষের তৈরি তৈরি সিন্থেটিক ড্রাগস গুলো ফার্মেসির যে ঔষধ এগুলো সিন্থেটিক ড্রাগস এ ওষুধ নয় এলো ড্রাগস তো এই সিন্থেটিক ড্রাগস গুলো ছাড়া সুস্থ থাকার কোন উপায় আছে কিনা ভালো থাকার রাস্তা আছে কিনা জাস্ট এই প্রশ্নটাকে সামনে রেখেই আমার আজ প্রায় 25 বছর কেটে গেল এই একটা প্রশ্নের উত্তর আমি খুঁজতেছি তো খুঁজতে খুঁজতে খুঁজতে খুঁজতে আমি আসলে এমন সব
তথ্য এমন সব উপাত্য এমন সব রাস্তা আমি খুঁজে পেলাম। মানে আমার 24 আওয়ার আমার লেখাপড়া পর্যন্ত নষ্ট হয়ে গেছিল। আমার মানে ইন্টারমিডিয়েটের প্রথম চান্সে আমি পাস করতে পারি নাই। মানে লেখাপড়া পর্যন্ত আমার নষ্ট হয়ে গেল এই ভাবনার ভিতরে ডুবে যাওয়ার কারণে। এই থেকেই আমি খুঁজতে খুঁজতে যে আমি যে রাস্তাটা খুঁজে পেলাম। এটাকে বলা হয় এটাকে সাধারণভাবে এটা বলা হয় প্রজ্ঞা থেকে খুঁজে পাওয়া। একটা হল আমরা যদি কোন বই থেকে পড়ে কোন কিছু শিখি কারো মুখ থেকে শুনে যদি কোন কিছু এটা হল জ্ঞান দ্বারা শিখা জ্ঞান জ্ঞান অর্জন করলাম কিন্তু আরেকটা আছে প্রজ্ঞা যে আপনার মাথার
আপনার নিজের ভিতরে চিন্তা আসতেছে প্রশ্ন আসতেছে আর এই প্রশ্নের উত্তর আপনি নিজের ভিতর থেকেই খুঁজে বের করতেছেন এবং এই প্রশ্নের আনসার যেটা পাইতেছেন এটা একেবারে সবার কাছে অজানা এটা একটা ডিফারেন্ট নতুন আনসার এবং এই আনসারটা আপনার প্রথমত প্রশ্ন আসতেছে তারপরে এটার এটার আনসার খুঁজে বের করতেছেন নিজের ভিতর থেকে এবং এই আনসারটা আপনি প্রকাশ করাটা হলো সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। এটা একটা নতুন ধারা নতুন চিন্তা নতুন কথা। এটা সবার মধ্যে সবাই একসেপ্ট করবে কিনা কিভাবে এক্সেপ্ট করবে? এবং এটা যদি কেউ এক্সেপ্ট করে এটার এটাকে এস্টাবলিশ করা মানুষের মধ্যে সমাজের মধ্যে এটা হল সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। আর এটা
হলো প্রজ্ঞা থেকে না। তো এটা প্রজ্ঞা এইটা এইভাবে যদি কেউ কোন কিছু সমাধান খুঁজে বের করে তো এটা গভীর সাধনার মধ্যে থাকতে হবে। নিজের ভিতরে ঢুকতে হবে। এটা অন্য বিষয়। ওইটা নিয়ে আমরা আজকে কথা বলব না। তো এইভাবেই আমি মূলত আমি একটা পর্যায়ে খুঁজে পেলাম যে হ্যাঁ এই সিন্থেটিক ড্রাগ ছাড়া সুস্থ থাকার এমন চমৎকার সুন্দর একটা রাস্তা আছে। যেটা একেবারে খুব সরল। আমাদের সামনে তো চিকিৎসাবিজ্ঞান আমাদের সামনে যেটা উপস্থাপন করতেছে যে শরীর এক রোগ শত শত। শত শত রোগের শত শত কারণ শত শত বিশেষজ্ঞ শত শত সমাধান এটা জটিল প্রক্রিয়া সাধারণ মানুষ এজন্য মাথায় নিতে
চায় না এই যে রোগ সুস্থতা এটা মানুষ সাধারণ মানুষ মাথায় নিতে চায় না মানে অসুস্থ হয়েছি মানে ডাক্তার ঔষধ ছাড়া কোন ফার্মেসি ড্রাগ ছাড়া কোন উপায় নেই এইটা মানুষের মধ্যে কিন্তু আসলে এত জটিল না এই শরীর শরীরের রোগ সুস্থতা এটা একটা খুব সরল রাস্তা এই সরল রাস্তাটা শরীরে যিনি সৃষ্টিকর্তা তিনি সুন্দর করে সরল রাস সাজায় দিছেন। কিন্তু এই রাস্তাটা আমি খুঁজে পেলাম বহু বছর গবেষণা করার পরে সাধনা করার পরে আমার একটা সুবিধা ছিল কি আমি 2000 সালে আমি একটা জিমের দায়িত্বে নেই আরক জিম মৌলিবাজারে একটা ক্লাবের ভিতরে যে প্রথম জিম হয় জিমনেশিয়াম খুব আধুনিক যন্ত্রপাতি
দিয়ে একটা জিমনেশিয়াম হয় আমাদের সিনিয়র বড় ভাইরা এই জিমটা প্রতিষ্ঠা করেন তো এই জিমের আমি ইন্স্ট্রাক্টর হিসেবে যখন দায়িত্ব নিলাম তখন আমার এই এই সাধনা গবেষণাটা আমার জন্য ইজি হয়ে যায় আমার সামনে অনেক স্টুডেন্ট অনেক মানুষ ওদের আমি ওস্তাদ আমি যা বলবো তাই শুনে আমি যেভাবে খাইতে বলি সেভাবে খাই যেভাবে পানি পান করতে বলি সেভাবে করে যেভাবে ব্যায়াম করতে বলি সেভাবে করে মানে আমার উপর তারা আমাকে খুব গভীরভাবে তারা আমাকে আমার ইন্সট্রাকশনগুলো ফলো করতো তো আমার এখানে সুযোগ ছিল যে আমার মনের ভিতরে যে সুস্থতা নিয়ে যে ন্যাচারাল যে রাস্তাগুলো আসতো মাথা এগুলো আমি ওদের উপরে
এপ্লাই করতাম এ আমার গবেষণা করার একটা সুযোগ ছিল গবেষণা করতে হলে তো আপনার মানুষ দরকার আপনার কথা শোনা জন্য মানুষ দরকার। তো আমার এটা সুবিধা ছিল। তো আমি এখানে প্রায় একটানা 17 বছর 2000 থেকে 2017 সাল পর্যন্ত একটানা আমি এই জিমে ওইখানেই থাকি, ওইখানেই খাই, ওইখানেই ঘুমাই। ওইখানেই শিখাই। এরকম আমার একটা স্বপ্নের মতন জায়গা ছিল। এই জিমনেশিয়াম। তো এখানেই মূলত আমি আমার এই রাস্তাগুলো আমি খুঁজে পাই। যে সিন্থেটিক ড্রাগ ছাড়া সুস্থ থাকার একটা খুব সুন্দর সরল রাস্তা। তো এইভাবেই আমার মূলত এইটা শুরু। এখন তো আল্লাহর রহমতে সারা বাংলাদেশে আমি ঘুরে বেড়াই, ছুটে বেড়াই, মানুষকে সেবা
দিয়ে যাচ্ছি। আলহামদুলিল্লাহ হাজার হাজার মানুষ সিন্থেটিক ড্রাগ ছাড়া এখন সুস্থ থাকতেছে। আমি অনলাইনে বেশি বলি না, প্রচার করি না। এজন্য আমাকে কেউ চিনো না। আমি মেন টু ম্যান প্রচার হচ্ছে আমার। >> আমার প্রচারণাটা ম্যান টু ম্যান বেশি হচ্ছে। বুঝতেছি >> আপনি শুনলেন বুঝলেন শিখলেন অভ্যাস করলেন বেনিফিট পাইলেন এখন আপনি যখন বেনিফিট আপনার বন্ধু বান্ধব আপনার প্রতিবেশী আপনার আত্মীয়স্বজন আপনি তখন আমার কাছে রেফার করতেছেন যে এর কাছে যাও >> এভাবে মূলত আমার সারাদেশে প্রচারণাটা হইছে আজ প্রায় 25 বছর ধরে সাধনা গবেষণা সেবা দিয়েছি কিন্তু আমি মূলত বর্তমানে সেবাটা আমি দিচ্ছি প্রায় 10 বছর ধরে কিন্তু আমার
এই রাস্তাটা খুঁজে বের করতে আমাকে এই 20 25 বছর সময় লাগছে >> এমনিতে আপনি তো নানী চাচি দাদীদের কথা বললেন এছাড়াও কি আপনার জীবনে কোন ঘটনা ঘটছে কিনা >> হ্যাঁ আমি তো আমার ঘটনা বলতে সুস্থতার যে আমার নিজের ক্ষেত্রেও আমি উপকার আমি নিজের নিজেকে নিয়ে প্রথম আমি প্রত্যেকটা জিনিস আমি নিজের নিজেকে নিয়ে গবেষণা করি আমার যখন যে আইডিয়াটা আসে যে প্ল্যানটা আসে ওইটা আমি আমার নিজের উপরে মিনিমাম তিন মাস ম্যাক্সিমাম ছয় মাস আমি আমার নিজের উপরে এপ্লাই করি তারপরে এটার যে ওইটার বেনিফিটটা আমি কি বেনিফিট যদি আমার প্রপার মানে মানে সন্তোষজনক বেনিফিট পাই তখন আমি
এটা আরেকজনকে এপ্লাই করা শুরু করি। আমার নিজের একটু প্রবলেম ছিল। আমি ওই যে বললাম না যে কোন যে যে জিনিসই যেটাই আমি আমার ভিতর থেকে আমি খুঁজে পাই না কেন সমাধানের জন্য ওইটা আমি আবার নিজের উপরে আগে এপ্লাই করি। আমার যেমন একটা সমস্যা ছিল কি আমার রাতে শোয়ার পরে একটা কাশি আস উঠতো। তো কাশিটা উঠতো এমন কাসতে কাসতে চোখ দিয়ে পানি পড়ে বালিশ ভিজে যেত। সারারাত কাসতাম। কিন্তু সন্ধ্যা এই ভোর রাতে ঘুম লাগতো। এইটা একটা সমস্যা ছিল। আরেকটা ছিল যে কোন কিছু খেলেই জ্বালাপোড়া শুরু হতো। বুক জ্বালাপোড়া করতো। এসিডিটি যেটাকে বলা হয়। তো এই দুটো
সমস্যা আমাকে আমাকে স্টুডেন্ট লাইফে আমার স্কুল স্কুল জীবনে আমাকে প্রচুর কষ্ট দেয়। কলেজ জীবনেও কষ্ট দেয়। তো আমি যেটা দেখলাম যে ওই এসিডিটির কারণেই মূলত আমার রাতের কাশিটা হতো। এটা ইদানিং এখন জানতে পারি আমি যখন প্রোপারলি সবকিছু বুঝতে পারলাম তখন আমি বুঝি যে আমার এসিডটা গিয়ে ওই খাদ্যনালীর যে একটা পর্দা আছে ওইখানে গিয়ে টাচ করতো আর ওখানে খুশখুস করতো আর কাশি শুরু হতো কারণ শুইলে এসিডটা ওই খাবারের যে এসিডটা এটা গলার ঊর্ধ্মুখী চাপ সৃষ্টি করতো এইজন্য এই কাশিটা হতো পরবর্তীতে যখন আমি ওই যে আমি ওই পানি পানের যে আমার একটা অভ্যাস আছে বলি ওই অভ্যাসটা
যখন আমি শুরু করি তখন আমার এই জিনিসটা ঠিক হয়ে যায় এই যে ঠিক হলো আমার আর কখনো এই এই সমস্যা আর কখনো আমাকে কষ্ট দেয় নাই। এইযে নিজের উপরে এরকম অসংখ্য বিষয় আমি গবেষণা করছি। প্রত্যেকটা জিনি আমার আমরা যখন জিমে ব্যায়াম করতাম আমার কোমরের ব্যথার জন্য আমি সমাধান কি? আমার হাঁটুর ব্যথা হলে সমাধান কি? আমার কুনুইর ব্যথা, কবজির ব্যথা বিভিন্ন ব্যথা হলে আমি কিভাবে সমাধান করব? এগুলো অসংখ্য ছোটখাট জিনিস বা স্টুডেন্টদের যে নানান সমস্যা শারীরিক জটিলতা জিমে স্টুডেন্ট তাদের বিষয়গুলো আমি ওরা বলতো আর আমি সমাধান খুঁজতাম নিজের ভিতরে যেটা আমার সঠিক আসতো ওইটা আমি ওদেরকে
এপ্লাই করতাম সমাধান আসতো এইটা পরবর্তীতে আমি যে শুধু আমার নিজের চিন্তা থেকে আমি সমাধান দিয়ে যে সমাধান পাইতেছি এটা না আমার সমাধানগুলো নিয়ে আমি যখন বিভিন্ন পত্রিকার যে স্বাস্থ্য নিয়ে যে বিভিন্ন বিশেষ করে প্রথম আলো যে অধ্যাপক সুভাগত চৌধুরী বারডেমের উনি উনার প্রতি সপ্তাহে উনার লেখা আসতো আমি উনার লেখার খুব ভক্ত ছিলাম ওগুলা পড়লে আমি বুঝতাম আমার আবার দেখতাম যে আমারটার সাথে উনার এগুলার কথাগুলোর মিল পাইতাম আমি তখন আমি নিজে খুব মনে করতাম যে হ্যাঁ ঠিক আছে আমি রাইট ওয়েতে আছি এভাবে আরো নানান জনের বই পড়েও আমি দেখি যে আমার যে আমার ভিতর থেকে যে
সমাধানের রাস্তাগুলো আসতেছে এগুলোর সাথে মিল আছে। তো কথার মিল নেই কিন্তু ফর্মুলা বা সমাধানের যে উপকার আরামটা এটার মিল পাইতাম। তো এভাবেই মূলত আমার এই ছোটখাট ঘটনা ছোটখাট মানুষের সমস্যাগুলোর সমাধান খুঁজতে খুঁজতে এভাবেই আমার মূলত এই বর্তমানে যে আমি প্রপার একটা কমপ্লিট ডিজাইন মানুষকে সুস্থ থাকার জন্য দিচ্ছে। একটা বিকল্প ডিফারেন্ট একটা ওয়ে। এইটা এই পর্যন্ত প্রতিষ্ঠা। আচ্ছা আপনার একটা থিওরির কথা বিভিন্ন মাধ্যমে ঘুরাঘুরি করে জনশ্রুতি জন মানুষ সাধারণ মানুষরা ওইটাকে নিয়ে অনেক বলাবলি করে যে ওয়ান থার্ড থিওরি আমরা তো আসলে যারা ছোটবেলায় ক্লাস নাইন এ পড়তাম তখন বিভিন্ন বিজ্ঞানীর থিওরি মানে শুনতাম আপনার থিওরিটার একটা
বৈজ্ঞানিক থিওরি মনে হয় ওয়ান থার্ড থিওরি যে দেহতত্ত্বের সূত্র সুস্থতার মূল মন্ত্র ওয়ান থার্ড থিওরি মানে একটু >> এটা হল এটাই হল আমার মূল মূল ডিজাইন হ্যাঁ মানে আমি যেটা এই যে সুস্থতার জন্য যে যা শুনলাম বুঝলাম নিজের ভিতরে খুঁজলাম খুঁজতে খুঁজতে আমি যে ছেকে একটা জিনিস তৈরি করলাম কোন কিছুই আমার কাছে কমপ্লিট মনে হতো না যারটাই দেখি যারটাই শুনি যারটাই পড়ি আমার কাছে কোনটাই কমপ্লিট মনে হতো না >> আপনার নিজের কাছে >> কিন্তু নিজের কাছে >> কিন্তু আমি কমপ্লিট চাইতাম এই কমপ্লিট জিনিসটা আমি যখন পাইলাম এইটা দেখলাম যে এইটা ওয়ান থার্ড থিওরি এটা এটাকে
বলি আমি দেহতত্ত্বের সূত্র শরীরের সূত্র পৃথিবীতে কোন কিছু আছে আমরা সূত্র ছাড়া ব্যবহার করি বলেন তো শুনি এই যে বিল্ডিংটা দাঁড়ায় আছে সূত্র ছাড়া তো সুই থেকে বিমান পর্যন্ত কোন কিছু আমরা সূত্র ছাড়া রুল ছাড়া ব্যবহার করি তো এই সবকিছু বিজ্ঞানের যা কিছু সবকিছু সূত্র অনুযায়ী প্রত্যেকটা জিনিস আবিষ্কার ব্যবহার সবকিছু সূত্র ফর্মুলা ফলো করে তো সবকিছুই তো শরীরকে কে কেন্দ্র করে তাই না? তো শরীরের সূত্র কি? আমি এটা পর এইটা আমার একসময় খুব ভাবাতো যে শরীরের সূত্র কি? তো শরীরের সূত্র আমি এমন এক সূত্র আমি যেটা খুঁজে বের করলাম সেটা সব মানুষের ক্ষেত্রে সেইম। একটু
19 20 নাই। হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, নারী, পুরুষ ভেবে কোন ভেদাভেদ নেই। সবার ক্ষেত্রে সেম। একটু 19 20 নেই। পার্থক্য সেইম একটা সূত্র। এবং এই দেহতত্ত্বের সূত্র আমি যেটা বলতেছি ওয়ান থার্ড থ্রি এইটা এটা হইলো এইটা ফলো না করার কারণে এই সূত্র ফলো না করার কারণে আমরা চিকিৎসাবিজ্ঞানের রোগে রোগী হচ্ছি একটা দুইটা রোগের কারণ নাই ওই যে বললাম যে শরীর এক রোগ শত শত শত শত রোগের শত শত কারণ শত শত বিশেষজ্ঞ শত শত সমাধান এটা আমরা বিজ্ঞানের কাছ থেকে শুনতেছি বুঝতেছি কিন্তু আসলে আমি যেটা বলতেছি যে শরীর এক রোগ সৃষ্টির কারণে এক সমাধান একটাই একটা
দুইটা রোগের না সব রোগের কারণ একটাই এবং সমাধানও একটাই >> এটাই হল ওয়ান থার্ড থিওরি সূত্র সূত্র আপনি যদি বুঝেন যে আমি সূত্র ফলো করি না দেখে রোগী হইছিলে সমাধান কি সূত্র ফলো করুন তাইলে আপনার রোগ থেকে আপনার সব রোগ থেকে আপনি আপনার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে >> মানে আক্রান্ত ব্যক্তি যদি এটা ফলো করে >> যতদিন পর্যন্ত আপনার সেন্স ঠিক আছে আর যতদিন আপনার দুপা সচল আছে এই দুটা জিনিস যতদিন ঠিক আছে ততদিন আপনি ভুল সংশোধন করে আপনি সুস্থতার স্বাদ পাবেন। যতদিন আপনার আপনি যা শুনতেছেন যা দেখতেছেন এটা যদি আপনি বুঝতে পারতেছেন তার মানে আপনার সেন্স
ঠিক আছে। আর নিজের পায়ে নিজে হেঁটে যেখানে খুশি সেখানে যেতে পারবেন। এই দুটো জিনিস যতদিন আপনার ঠিক থাকবে ততদিন আপনি শরীরের যে ভুল ত্রুটিগুলো সংশোধন করে আপনি সুস্থতার স্বাদ পেতে পারেন ন্যাচারালি। কিন্তু তখন আর পাবেন না যে তুমি কে বাবা? তোমারে তো চিনি না কি বলতেছো বুঝিনা নিজের পায়ে নিজে হেটে বিছনা থেকে বাথরুমে যেতে পারবেন না তখন ভুল সংশোধন করে কোন লাভ হবে না সুযোগ তো নাই হ্যাঁ এর আগ পর্যন্ত আপনি ভুল সংশোধন মানে সূত্র ফলো করে আপনি নিজের সংশোধনে চলে আসতে পারেন তো এটা এমনই এক সূত্র সূত্রটা হলো খেয়াল করে দেখুন যে প্রত্যেকটা জিনিস
যেমন আমি আমরা মোবাইলের কথা ধরি মোবাইলটা যে ব্যবহার করতেছি রুলস অনুযায়ী তো ব্যবহার করি না রুলস অনুযায়ী তো ব্যবহার করতেছি তাই না একটা নিয়ম মানে সূত্র অনুযায়ী ব্যবহার করতেছি এই মোবাইলের সূত্রটা কে তৈরি করছে যিনি আবিষ্কার করছে >> যে মোবাইলটা তৈরি করছে যে সৃষ্টি করছে >> জ >> সে মোবাইলটা সূত্র তৈরি করছে এবং ওই সূত্র ফলো করে আমরা ব্যবহার করি সাধারণ মানুষ এখন এখানে একটা মজার জিনিস আমি প্রায় সেমিনারে আমি এক্সাম্পলটা দেই যে এই যে মোবাইলের সৃষ্টিকর্তা মোবাইল তৈরি করে রুলস সাজায় দিয়ে মার্কেট ছেড়ে দিয়ে কিন্তু তার দায়িত্ব শেষ না। যতদিন মোবাইলটা মার্কেটে টিকে থাকবে
ততদিন এই মোবাইলটা টিকায় রাখার জন্য যা যা দরকার কোথায় পাঠাতে হবে পাঠানোর দায়িত্ব পর্যন্ত ওই মোবাইলের সৃষ্টিকর্তার। সে মনে করেন চায়না বা আমেরিকায় বসে আছে। আমরা বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতেছি হঠাৎ যদি পার্টস চলে যায়, চার্জার চার্জার নষ্ট হয়ে যায়, ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায়, ঘরে বসে পাইতেছি না। এটা পাঠানোর দায়িত্ব পর্যন্ত ওই মোবাইলের সৃষ্টিকর্তার। তো সে তার যদি সব দায়িত্ব সব মাথা ব্যথা যদি তারই থাকে তাহলে আমাদের কাজটা কি ব্যবহারকারীর আমাদের কাজ শুধু এতটুকুই ওই মোবাইলের সৃষ্টিকর্তা যে মোবাইলের রুলস সাজায় দিছে সেই রুলস অনুযায়ী শুধু ব্যবহার করা যদি তার সাজানো রুলস আমি ব্যবহার
করি ফলো করি তাইলে মোবাইলের কাছ থেকে যে সেবাটা চাইতেছি সেটা আমি মোবাইলের হায়াত যতদিন আছে ততদিন নিশ্চিন্তে পেতে থাকবো আর যদি মোবাইলের সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত মোবাইলের রুলস ফলো না করি তাইলে মোবাইলটা বারবার ডিস্টার্ব করবে বারবার মেকারের কাছে নিতে হবে জীবনটা হেল করে দিবে একটা মোবাইল। এই যে এক্সাম্পলটা দিলাম উদাহরণটা এটার এইরকম এরকম প্রত্যেকটা জিনিসের ক্ষেত্রে যে এসি তৈরি করছে তার সৃষ্টিকর্তা সে রুলস তৈরি করছে। যে গাড়ি তৈরি করছে। এই গাড়িটা ব্যবহার করার চালানো রুলসটা সে তৈরি করছে। প্রত্যেকটা জিনিসের ক্ষেত্রে যে যেটা সৃষ্টি করছে এটার ব্যবহার করার রুলস সে তৈরি করছে এবং এটা যতদিন সেবা দিবে ততদিন
এটাকে টিকা রাখার দায়িত্ব তাদের। >> আচ্ছা। তো তাইলে এই এইরকম এক্সাম্পল এটার ক্ষেত্রে সেইম আমাদের শরীরের ক্ষেত্রে তাইলে এখন একটু মিলান শরীরের রুলসটা তাহলে কে তৈরি করছে >> আল্লাহ যিনি সৃষ্টি করছে >> যিনি শরীর সৃষ্টি করছেন তাই না >> শরীরকে সৃষ্টি করছে আমরা আমি মুসলিম আমি বলি আল্লাহ সৃষ্টি করছে আরেকজনে আরেক নাম বলে আরেকজনে আরেক নাম বলে আমরা মানুষ যে নামেই সৃষ্টিকর্তাকে ডাকি না কেন সবার সৃষ্টিকর্তা একজন এটার প্রমাণ কি এটার প্রমাণ হল এই শরীরের রুলস দেহতত্ত্বের সূত্র কারণ এইখানে যে খেয়াল করেন নোকিয়া মোবাইলের রুলস আর সামস মোবাইলের রুলস কি সেইম ব্যবহার করে ডিফারেন্ট ডিফারেন্ট
কেন ডিফারেন্ট কারণ দুটোর সৃষ্টিকর্তা দুজন আলাদা ব্যক্তি তো আমি মুসলিম আমার সৃষ্টিকর্তা যদি আলাদা হতো হিন্দু তার সৃষ্টিকর্তা যদি আলাদা খ্রিস্টানের সৃষ্টিকর্তা যদি আলাদা হতো তাইলে আমাদের শরীরের রুলসটাও আলাদা আলাদা হতো কিন্তু আমি যে রুলসের কথা বলতেছি যে সূত্রের কথা বলতেছি শরীরের সবার ক্ষেত্রে সেইম একটু 19 20 নয় ইভেন আমরা চিকিৎসাবিজ্ঞান যত রোগ আবিষ্কার করছে এই পর্যন্ত সব রোগ সৃষ্টি করার মূল সব রোগ শরীরের মধ্যে সৃষ্টি হওয়ার পিছনে মূল কারণ হইলো এই শরীরের সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত রুলস ফলো না করা মোবাইলের রুলস ফলো না করলে যেমন বারবার নষ্ট ডিস্টার্ব করে বারবার মেকারের কাছে নিতে হয় ঠিক আমাদের
শরীরে খেয়াল করে দিন আমরা একই রোগের জন্য বছরের পর বছর চেম্বারে চেম্বারে ঘুরতেছি একই রোগ বাংলাদেশের সব চেম্বার শেষ ইন্ডিয়া সিঙ্গাপুর পর্যন্ত যাচ্ছি এত দামি দামি ডাক্তার এত দামি দামি ডায়াগনোসিস এত দামি দামি ড্রাগস খাচ্ছি তারপরও তো সমাধান হচ্ছে না যদি সমাধান হতো তাহলে তো নেক্সট চেম্বারে যাওয়ার প্রয়োজন হতো না কেন সমাধান হচ্ছে না কারণ শরীরের যে সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত যে রুল সে রুলস এর মধ্যে আমরা আসতেছি না জানি না তো রুলস সেই সূত্র আমরা কি ফলো করবো কিভাবে মেন্টেনেন্স করবো কিভাবে সূত্র যদি জানা থাকে অংক সমাধান করতে টিচার লাগে না নিজে নিজেই সমাধান করা যায়
তো দেহতত্ত্বের সূত্র যদি আপনার জানা থাকে তো আপনার শরীরের সমস্যাগুলো সমাধান করার জন্য চিকিৎসকের চেম্বারে চেম্বারে ঘুরা লাগবে না। আপনি নিজেই সমাধান করতে পারবেন। >> আচ্ছা এটা এমনই এক সূত্র। >> আচ্ছা। এই সূত্র যেটা ধরেই আপনাকে মানুষ চেনে। এই সূত্রটা যদি আজকে বলতেন এবং আপনার যে তিনটি বইয়ের ধারাবাহিকভাবে আপনি আলোচনা করেছেন যতটুকু আজকে বলা যায়। >> আচ্ছা এটা এটা সংক্ষেপে আমি বলতে পারব। কিন্তু বলতে গেলে এটা আমার প্রায় আট 10 ঘন্টার সেশন। তো সংক্ষেপে আমি বলি দেহতত্ত্বের সূত্র কি? আচ্ছা খেয়াল করে দেখুন শরীর তো আল্লাহ তালা সৃষ্টি করছে। আমরা আল্লাহ তাালার আমি আল্লাহকে বিশ্বাস করি
আল্লাহর ব্যাখ্যা দিয়ে আমি বিশ্লেষণ করব। কেউ যদি ভিন্ন বিশ্বাসের হয়ে থাকেন তো আপনি আপনার বিশ্বাস দ্বারা মিলান। দেখুন মিলে কিনা। সেইম হবে। তো আমি দেহতত্ত্বের যে সূত্র সেটা বলি যে আল্লাহ তাআলা মহা প্রকৃতি সৃষ্টি করছেন কিভাবে? অর্ডার দিয়ে। হ গেছে তাই না >> এটা আমরা সবাই জানি যে আসমানের প্রয়োজন হইছে আসমানকে ওয়ার্ডার দিছে হয়ে গেছে জমিনের প্রয়োজন হয়েছে জমিনকে ওয়ার্ডার দিছে হয়ে গেছে মানে ওয়ার্ডার দিয়ে তৈরি করছে কিন্তু মানব শরীরকে আল্লাহ তালা সৃষ্টি করছেন কিভাবে নিজ হাতে কুদরতি হাতে খুব আদর করে যত্ন করে ভালোবেসে সময় নিয়ে এই শরীরকে যখন আল্লাহ তালা সৃষ্টি করেন শরীরের মধ্যে
আল্লাহ তালা নিজ হাতে তিনটি রোগ দিয়া দিছেন। বিজ্ঞান বলে চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে এটা ন্যাচারাল প্রবলেম। আমি এটাকে রূপক অর্থে আমি রোগ বলি। আল্লাহ প্রদত্ত শরীরের মূল রোগ হলো তিনটি। ডেঞ্জারাস, ভয়ঙ্কর এত ভয়ঙ্কর রোগ বিজ্ঞানের তালিকায় এখন পর্যন্ত নেই। >> আমরা জানি না। >> মায়ের পেট থেকে যেদিন বের হয় জানি। কিন্তু আমরা এইভাবে জানি না। এইভাবে এইভাবে কখনো আমরা এটাকে বিচার করি না। আমি যেভাবে এটাকে ব্যাখ্যা করি। আমি যেভাবে চিকিৎসা দিই মানুষকে যেভাবে সুস্থ করি এইভাবে কেউ আগে ভাবে নাই আমার কাছ থেকে শোনার পরে ভাবনা শুরু করে এটা তো ইজি সহজ জিনিস তো আল্লাহ তাআলা যখন
সৃষ্টি করেন তখন নিজ হাতে তিনটি রোগ দিছেন। এই তিনটি হল আমাদের শরীরের মূল রোগ। এর বাইরে যত রোগ আমরা জানি এগুলো সব বিজ্ঞান আবিষ্কার করছে। মিয়া মানুষ আবিষ্কার করছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান তো প্রতিনিয়ত শরীরকে খুরে খুরে রোগের অনুসন্ধান করতেছে। হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে। একটা রোগের অনুসন্ধান পাই। সন্ধান পাইলে তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায় যে হাজার হাজার কোটি টাকার বিজনেস পাইছি। কিন্তু এই গবেষণা যদি রোগ বন্ধ করার পিছনে ব্যয় করা হতো তাহলে এত রোগের আবিষ্কার হতো না। রোগ নির্মূল করার রোগ বন্ধ করার গবেষণা চলতেছে না। গবেষণা চলতেছে রোগ অনুসন্ধান করার। মানে রোগের নতুন নতুন রোগের সন্ধান
চলতেছে। তো এখন এই এগুলো সব মানুষের আবিষ্কার করা। কিন্তু আল্লাহ প্রদত্ত শরীরের সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত শরীরের মূল্য হলো তিনটি। মায়ের পেট থেকে যেদিন বের হই সেদিন থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিদিন প্রতিনিয়ত রোগ তিনটি আমাদেরকে কষ্ট দেয়। আর এই রোগ তিনটি আল্লাহ তালা এই জন্যই শরীরের মধ্যে দিলেন। আল্লাহ আমরা আমি যদি বলি আপনাকে যে আমাদের লালনকর্তা, পালনকর্তা, জন্মদাতা, মৃত্যুদাতা কে? কি বলবেন? >> আল্লাহ। >> আল্লাহ বলবেন তাই না? বলে যদি আমি যদি এখন বলি যে কত পারসেন্ট বিশ্বাস করেন? কি বলবেন? >> শতভাগ 100% বুক ফুলায় বলে 100% বিশ্বাস করি এই যে মুখে বললাম 100% বিশ্বাস করি
লালনকর্তা পালনকর্তা জন্মদাতা মৃত্যুদাতা আল্লাহ তালা এই বিশ্বাসটা মৃত্যু পর্যন্ত কত পারসেন্ট টিকে থাকে এটা পরীক্ষা করার জন্যই মূলত আল্লাহ তালা এই তিনটি রোগ দিছে যদি এই রোগ তিনটি না দিতেন তাহলে আমাদের যে নিয়ম কানুন বাদ্যবাদকতা মানা না মানা এগুলার কোন বালাই থাকতো না বুঝিয়েন আমি কিন্তু শরীরের রুলস সূত্র বুঝাচ্ছি তো এই রোগ তিনটি কি? এক নাম্বার হলো ক্ষুধা, দু নাম্বার হলো পিপাসা আর তিন নাম্বার হল চিন্তা। ক্ষুধা, পিপাসা, চিন্তা। এই তিনটি হল আমাদের শরীরের মূল রোগ। সরাসরি আল্লাহ তালা নিজ হাতে শরীরের মধ্যে দিয়া দিছেন। এটা কোন মানুষের সৃষ্ট নয়। মানুষের তৈরি নয়। এটার যুক্তি কি?
আল্লাহ তালা যে নিজ হাতে শরীরের রোগ তিনি দিছে। এটার যুক্তি কি? একটা শিশু যখন জন্মগ্রহণ করে তখন সে জন্মের পরেই সে দেখেন কখনো হাসতেছে কখনো কানতেছে কখনো ভয় পাইতেছে এটা তার চিন্তার বহিঃপ্রকাশ তার ক্ষুধা লাগে তার পিপাসাও লাগে কতদিন লাগে কতদিন কষ্ট দেয় যতদিন সে বেঁচে থাকে যত বয়স বাড়তে থাকে চিন্তার পরিধি বাড়তে থাকে পিপাসার পরিধি বাড়তে থাকে ক্ষুধার পরিধি বাড়তে থাকে আর কোন মানুষের কিন্তু সমস্যা নেই এই তিনটি মানুষের মূল সমস্যা আমি বলি মূল রোগ এর বাইরে আর কিছু এর কোন সমস্যা নেই। এই বাকি যত সমস্যা আমরা মনে করি অর্থনৈতিক সমস্যা, পারিবারিক সমস্যা, ব্যবসায়িক
সমস্যা নানান যত সমস্যা বলতেছি এগুলো হলো এগুলো যদি আপনি এই তিনটি ক্ষুধা, পিপাসা চিন্তা এই তিনটাকে যদি আপনি যথাযথ প্রক্রিয়ায় সূত্র অনুযায়ী যদি আপনি মেইনটেনেন্স করেন তে বাকি যত রোগ, শোখ, ব্যবসা, বাণিজ্য, টাকা, পয়সা, সংসার এগুলো যতগুলো সমস্যা মনে করতেছি এগুলো সমস্যাই মনে হবে না। এগুলো মনে হবে স্বাভাবিক বিষয়। যদি আপনি এই তিনটি সমস্যাকে ফোকাস করে সৃষ্টিকর্তার রুলস অনুযায়ী মেনটেনেন্স করেন বাকিগুলো এগুলো সমস্যাই মনে হবে না। >> আচ্ছা >> তো এই রোগ তিনটি মায়ের পেট থেকে বের হওয়ার পর মুহূর্ত থেকেই যে আমাদেরকে যে কষ্ট দিচ্ছে এটা কি হিন্দু মুসলিম নারী পুরুষ ভেদে কোন ভিন্নতা আছে?
সবার ক্ষেত্রে সেম না। একইভাবে না >> এইজন্য আল্লাহ প্রদত্ত শরীরের সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত। এখন বিচার করুন কতটা ভয়ঙ্কর। ক্ষুধ অনুভূত হওয়ার পরে ক্ষুধার ঔষধ যদি আপনি না খান নিশ্চিত 20 থেকে 25 দিনের ভিতরে মারা যাবেন। ক্ষুধা অনুভূত হওয়ার পরে ক্ষুধার ঔষধ যদি না খান নিশ্চিত আপনি 20 থেকে 25 দিনের ভিতরে মারা যাবেন। এবং এই 20 25 দিন যে শরীরের মধ্যে যে কষ্ট হবে এই কষ্টের সাথে বিজ্ঞানের কোন রোগের কষ্ট তুলনা করা যেতে পারে। ক্ষুধা এমনই ভয়ঙ্কর রোগ। আর ক্ষুধার থেকে আরো ডেঞ্জারাস হলো পিপাসা। পিপাসা অনুভূত হওয়ার পরে পিপাসার ঔষধ যদি আপনি না খান আপনি নিশ্চিত সাত
থেকে 10 দিনের ভিতরে মারা যাবেন এবং এই সাত 10 দিন যে শরীরের মধ্যে যে কষ্ট হবে এই কষ্টটা আপনি জবান দিয়ে প্রকাশ করতে পারবেন না এমনই ভয়ঙ্কর কষ্ট বিজ্ঞানের এমন কোন রোগ আছে যে রোগটা ধরা পড়ার পরে চিকিৎসা না করলে আপনি এই সাতদিন 10 দিন 20 দিনের ভিতরে মারা যাবেন ক্যান্সার সবথেকে ভয়ঙ্কর রোগ এখন পর্যন্ত আমরা জানি কিন্তু ক্যান্সার ধরা পড়ার পরেও চিকিৎসা না করলেও ছয় মাস এক বছর আরো বেশি বেঁচে আছে অনেক মানুষ আছে বেঁচে থাকে তো এইটা ক্ষুধা পিপাসা চিন্তা আর সবথেকে মজার জিনিস কি যে ক্ষুধা এবং পিপাসার থেকে আরো ডেঞ্জারাস আরো ভয়ঙ্কর
রোগ হলো চিন্তা এটা মুহূর্তের ভিতরে শেষ করে দেয় মানুষ মানুষকে ক্ষুধা তো 20 25 দিন টিকায় রাখে পিপাসা তো সাত 10 দিন টিকা রাখে কিন্তু >> চিন্তা মুহূর্তের ভিতরে শেষ করে দেয় >> কোন সময় নাই সুযোগ দেয় না ওষুধ খাওয়ারও সুযোগ দেবে না এইযে হার্ট এটাক করে মারা যায় না। এটা কেন হার্ট এটাক করে মারা যায়? হার্ট ব্লকেজের কারণে হার্ট ব্লকেজের কারণে সাপোর্ট দেয়। হার্ট ব্লকেজ। কিন্তু হার্ট ব্লকেজ মুখ্য না। হার্ট অ্যাটাকের মুখ্য কারণ হলো চিন্তা অনিয়ন্ত্রিত হওয়া। যেটাকে মেডিকেল ভাষায় বলা হয় স্ট্রেস। মানসিক চাপ। আমরা সাধনার ভাষায় বলি চিন্তা অনিয়ন্ত্রিত হওয়া। হার্ট অ্যাটাক করে
মারা যায় মূলত চিন্তা অনিয়ন্ত্রিত হওয়ার কারণে। ব্রেইন স্ট্রোক করে মুহূর্তের ভিতরে মারা যাচ্ছে মূলত চিন্তা অনিয়ন্ত্রিত হওয়ার কারণে। মুহূর্তের ভিতরে শত শত মানুষ যে এক্সিডেন্ট করে মারা যাচ্ছে মূলত চিন্তা অনিয়ন্ত্রিত হওয়ার কারণে এটা ক্ষুদা পিপাসার থেকে ভয়ঙ্কর মুহূর্তের ভিতরে শেষ করে দেয় এই তিনটি রোগকে নির্মূল করা যাবে না এমন কোন ব্যবস্থা নেই যে আমি করলাম আমাকে আর শরীরে আর কষ্ট দেবে না শরীরের ক্ষতি করবে না এমন কোন ব্যবস্থা নেই কি করতে হবে এই তিনটি রোগের প্রতিনিয়ত নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে যেন শরীরের ক্ষতি না করে এখন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে তো ঔষধ দরকার তাই না এই তিন রোগের
ঔষধ কোন মানুষ তৈরি করে নাই। বুঝিয়েন আমি কিন্তু শরীরের সূত্র বুঝাচ্ছি। একবার সূত্র যদি একবার মাথায় ঢুকাইতে পারেন বাকি জীবন শরীরে কেন আপনার ডায়াবেটিস হলো? কেন আপনার ব্লাড প্রেসার হলো? কেন আপনার হার্ট ব্লকেজ হলো? কেন গ্যাস্ট্রিক এসিড হলো? আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন এবং সমাধানটা আপনি নিজেই করতে পারবেন। সূত্র জানা থাকলে করতে পারবেন। না হলে যা করতে পারবেন না। তো এই তিন রোগের ঔষধ কোন মানুষ তৈরি করে নাই। আল্লাহ তাআলা শরীর সৃষ্টি করছেন শরীরের মধ্যে নিজ হাতে রোগ দিছেন। আর এই রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য যদি মানুষের তৈরি ঔষধের উপরে ডিপেন্ড করতে হলে যে কেন আমি আল্লাহকে 100%
বিশ্বাস করব? ভরসা করব। লালনকর্তা পালনকর্তা। 100% বিশ্বাস আর ভরসা আমরা এই জন্যই করি যে উনি শরীর সৃষ্টি করছেন শরীরের মধ্যে নিজ হাতে রোগ দিছেন। আর এই রোগ নিয়ন্ত্রণের ঔষধ উনি মহাপ্রকৃতির মধ্যে দিছেন। যার যত প্রয়োজন নিচছে শেষ হচ্ছে না। ক্ষুধ রোগের ঔষধ কি? বলতে বলেন ক্ষুধ রোগের ঔষধের নাম কি? >> পুষ্টি। >> খাবার। >> আমরা সাধারণ ভাষায় বলি খাবার। কিন্তু বিজ্ঞানী এটার নাম দিছে কি? নিউট্রিশন। পুষ্টি। ক্ষুধা রোগের ওষুধের নাম হলো পুষ্টি। শরীর কিন্তু খাবার চায় না। মনে রাখবেন শরীর পুষ্টি চায়। খাবার আর পুষ্টির মধ্যে পার্থক্য আছে। এটা ভিতরের আলোচনা। এগুলো এখন এখন বলে সময়
নষ্ট না করি। তো ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের ঔষধের নামের নাম ঔষধের নাম হলো পুষ্টি। এগুলো হলো ঔষধ। মনে রাখবেন ঔষধ আর ড্রাগস এগুলোর মধ্যে পার্থক্য আছে। ফার্মেসির থেকে যেগুলো আমরা খাই এগুলো হলো ড্রাগস। আর যেটা আমরা প্রকৃতির থেকে ন্যাচার থেকে জমিন থেকে আমরা সংগ্রহ করে আনি। ন্যাচারাল নিজেই প্রসেসিং করে শরীরের ভিতরে ঢুকাই। এটাই হল ঔষধ। কোন ফ্যাক্টরির মধ্যে নানান উপাদানের মিক্সিং দিয়ে এটা তৈরি করি না। এটা হল এটা হল ঔষধ। আর যদিও মিক্সিং করে কিছু তৈরি করে নিজেরাই নিজেদের মত করে তৈরি করে অল্প সময়ের ভিতরে এটা শরীরে ঢুকায় এটাই হল ঔষধ। আর যেটা আমরা ফ্যাক্টরির মধ্যে বানায়
তৈরি করে বছরের পর বছর ছয় মাস ফ্যাক্টরিতে ছয় মাস শোরুমে বছরের পর হাতে আসতেছে তারপর এটা হল কেমিক্যাল ড্রাগস। তো এই যে ক্ষুধা রোগের ওষুধের নাম হলো পুষ্টি। এখন এই পুষ্টিগুলো আপনি কি কোথাও শুনেছেন? পড়েছেন পুষ্টিগুলোর মধ্যে ধানগুলো অমুক বিজ্ঞানী গমগুলো আরেক বিজ্ঞানী সবজিগুলো আরেক বিজ্ঞানী ফলগুলো আরেক বিজ্ঞানী তৈরি করছে শুনেছেন কোথাও পড়েছেন কোথাও >> অসম্ভব কখন >> লক্ষ বছর আগে মাটির ভিতর থেকে যেভাবে বের হতো এখনো ঠিক ওই একই নিয়মে বাইর হইতে আছে হইতে আছে হইতে আছে আগে 10 জন ছিলাম এখন 10 কোটি কারো কি ঘাটতি হচ্ছে এজন্যই আল্লাহকে আমরা 100% বিশ্বাস করি লালনকর্তা
পালনকর্তা উনি শরীর সৃষ্টি করছেন শরীরের মধ্যে রোগ দিছেন ক্ষুধা আর রোগের ঔষধ উনি মহা প্রকৃতির মধ্যে দিতে আছেন যার যত যত প্রয়োজন হচ্ছে শেষ হচ্ছে শেষ হচ্ছে না কেউ যদি মনে করে যে আমরা আবাদ করতেছি চাষ করতেছি এজন্য হচ্ছে এটা ভুল আপনি যদি আমরা যদি আবাদ না করি তো প্রকৃতিতে হবে আবার মাটিতে ঝরে পড়বে আবার হবে দিন দিন বাড়তেই থাকবে গাছের ফল ধরবে ফলগুলো মাটিতে পড়বে আবার নতুন গাছ হবে আরো বেশি ফল হবে হইতেই থাকবে কিয়ামত পর্যন্ত চলতেই থাকবে এরকম ধারাবাহিকতা কোন মানুষ যদি চাষ বাস না করে সার কেমিক্যাল দিয়ে যে চাষ করতেছে এগুলো যদি
নাও করে তো অটোমেটিকলি এরকম হইতেই থাকবে পুষ্টি। ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের ওষুধ। এটা সৃষ্টিকর্তার নিয়ন্ত্রণ। আল্লাহতালা শরীর দিছে। শরীরের মধ্যে রোগ দিছে ক্ষুধা। রোগের ঔষধ উনি মহা প্রকৃতির মধ্যে দিতেছেন। যার যত প্রয়োজন শেষ হচ্ছে না। পিপাসা রোগের ঔষধের নাম কি? পানি। >> পানি। কোন বিজ্ঞানী তৈরি করছে? >> মহাবিজ্ঞানী আল্লাহ। >> কোথা থেকে পানি আসতেছে? পানির মূল উৎস কোথায়? সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা এক হইয়া যদি খোঁজা শুরু করে যে পানির মূল উৎস কোথায়? আমরা দেখতে চাই। সবাই পাগল হইয়া মরব। খুঁজে হবে না পানি কোথা থেকে আসতেছে আল্লাহ তালা শরীর সৃষ্টি করছে শরীর মধ্যে রোগ দিছে পিপাসা রোগের ঔষধ উনি
মহা প্রকৃতির মধ্যে দিতেছেন যার যত প্রয়োজন শেষ হচ্ছে শেষ হচ্ছে না এজন্যই আল্লাহকে আমরা 100% বিশ্বাস করি লালনকর্তা পালনকর্তা চিন্তা রোগের ওষুধের নাম কি এখানে সবাই থেমে যায় না আপনি হয়তোবা আমার বই পড়ছেন এজন্য আপনি বলতে পারলেন যে অক্সিজেন কিন্তু সবাই থেমে যায় চিন্তা রোগের আবার ঔষধ কি চিন্তার কোন ঔষধ নেই একেকজন একেক কথা বলে। কেউ বলে আল্লাহর উপর ভরসা করা। কেউ বলে অমুক। আরে বাবা সবকিছুই তো আল্লাহর উপর ভরসা করা। শুধু চিন্তাটা কেন? ক্ষুধা পিপাসা সবটাই তো আল্লাহর উপর ভরসা করা। কিন্তু ঔষধটা কি? চিন্তার চিন্তা নিয়ন্ত্রণের ঔষধ। এটা ঔষধের নাম হলো সহজ ভাষায় বলি
যদি বাতাস। বিজ্ঞানের ভাষায় বলে অক্সিজেন। চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করার ঔষধ যে বাতাস অক্সিজেন। এটার যুক্তি কি? খেয়াল করে দেখুন আমরা জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সারাটা জীবন এই মহা প্রকৃতি থেকে শরীরের ভিতরে কাঁচামাল হিসেবে আমরা এই তিনটা জিনিসেই ঢুকাই একটা চিবিয়ে ঢুকাই একটা পান করে ঢুকাই একটা বাতাসের মাধ্যমে আর কিছু ঢুকাই তো যেটা চিবিয়ে ঢুকাচ্ছি এটা যদি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের ওষুধ হয়ে থাকে যেটা পান করে ঢুকাচ্ছি এটা যদি পিপাসা নিয়ন্ত্রণের ওষুধ হয়ে থাকে যেটা আরেকটা রোগও থাকে আরেকটা চিন্তা আর কাঁচামাল আরেকটা বাতাস এটা চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করার ঔষধের নাম হলো বাতাস অক্সিজেন এটা যদি আমি সাইন্সের ভাষায় বলি হার্ট
অটাক থেকে বাঁচার মূল ঔষুধের নাম হলো বাতাস ব্রেইন স্টোক থেকে বাঁচার মূল ঔষধের নাম হলো বাতাস প্যারালাইজ হবেন না বিছনায় পড়ে থাকতেছেন প্যারালাইজ এটা হবে না ঘটবে না যদি আপনি বাতাস বাতাসের সমন্বয় যথাযথ প্রক্রিয়া করেন টাকা লাগে অভাব আছে প্রকৃতির মধ্যে বিনে পয়সায় অথচ এই বাতাসের অভাবে শেষ শেষ বয়সে আইসিইউতে ছটফট করতে করতে বাতাস কিনে আমি শেষ চেষ্টা করতেছি বেঁচে থাকার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকার আল্লাহর দুনিয়ায় কি অভাব পড়ছে বাতাসের যে আপনি আইসিইউতে বাতাস কিনে আপনি সর্বশেষ চেষ্টা করতেছেন বেঁচে থাকার জন্য কারণ এই যৌবন বয়সে যে আপনার বাতাসের যে ব্যবহার শরীরের সমন্বয় সেটা আপনি এটা
তো কারো মাথাতেই নেই খাবারটা তো এখন সবাই তো শুধু খাবার আর খাবার পুষ্টি আর পুষ্টি সবাই এটা নিয়ে মাথা মাথা ঘামায়। কারণ এটার মধ্যে কিছু ব্যবসা আছে। পানি আর বাতাসের মধ্যে কোন ব্যবসা নাই। তো এগুলোতে বলে সময় নষ্ট করে কি লাভ? এজন্য সবাই শুধু পুষ্টি পুষ্টি পুষ্টি দিয়ে সবাইকে সুস্থ করতেছে। শুধু পুষ্টি না পুষ্টি পানি অক্সিজেন তিনটারই সমন্বয় যথাযথ প্রক্রিয়া করতে হবে। >> বরত বেশি লাগবে। তো এটা হলো দেখুন খেয়াল করে দেখুন। তাইলে বাতাস কোন বিজ্ঞানী তৈরি করছে? >> মহাবিজ্ঞানী >> এটাও কোথায়? বাতাস কোথা থেকে আসতেছে এটাও খুঁজতে গেলে সবাই পাগল হয়ে আমার মতও খুঁজেবে
না বাতাস কোথা থেকে আসতেছে আল্লাহ তালা শরীর সৃষ্টি করছে শরীরের মধ্যে রোগ দিছে চিন্তা রোগের ঔষধ উনি মহা প্রকৃতির মধ্যে দিছেন যার যত প্রয়োজন নিচে শেষ হচ্ছে না এইজন্যই আমরা আল্লাহকে 100% বিশ্বাস করি লালনকর্তা পালনকর্তা জন্মদাতা মৃত্যুদাতা যিনি শরীর দিছেন শরীরের মধ্যে নিজ হাতে রোগ দিছেন আর এই রোগ নিয়ন্ত্রণের ঔষধ উনি মহা প্রকৃতির মধ্যে দিছেন কোন মানুষ তৈরি করে নাই কোন মানুষের হাত নেই এখানে বিজ্ঞানের কোন হাত নেই এটা সুপার ন্যাচারাল ওয়ে একটা ন্যাচারাল ওয়ে। এই ন্যাচারকে যদি আপনি ন্যাচারের নিয়মে পরিচালনা করে তাহলে ন্যাচার স্থিতিশীল থাকবে। শান্ত থাকবে। আর ন্যাচারকে যখন আপনি কৃত্রিমতা দ্বারা নিয়ন্ত্রণ
করতে চাইবেন ন্যাচার ভয়ঙ্কর রূপ লাভ করবে। দেখেন না আগের থেকে দাবানল অনেক ভয়ঙ্কর। জলোচ্ছ্বাস অনেক ভয়ঙ্কর। ঘূর্ণিঝড় এই যে প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলো আগের থেকে দিন দিন ভয়ঙ্কর রূপ লাভ নিচ্ছে না। কেন? কারণ বিজ্ঞান এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতেছে। প্রকৃতিকে যত বিজ্ঞান নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবে তত প্রকৃতি ভয়ঙ্কর রূপ লাভ করবে। ঠিক এই মানব শরীরকে এখন মানুষ আমরা কি করতেছি? এই সুপার মানব শরীর একটা সুপার ন্যাচারাল ওয়ে এর থেকে ন্যাচার এর থেকে আল্লাহ সৃষ্টি এত নিখুত সৃষ্টি। নিখুত মেনটেনেন্স এইটাকে আমরা কি করি? কৃত্রিমতা দ্বারা বিজ্ঞানের তৈরি সিন্থেটিক ড্রাগ দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতেছি। যেটাই দিচ্ছে চলবে বলে
চালাচ্ছে। এই যে যখন আমরা এই চলবে বলে চালানো ড্রাগস দিয়ে আমরা এটাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি তখন এই শরীরটা আরো ভয়ঙ্কর রূপ লাভ করতেছে। রোগের একেকটা মানব শরীর এখন রোগের ক্ষনিতে পরিণত হয়ে গেছে। রোগের শেষ নেই। তো এই যে শরীর রূপ ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে। কারণ এটা আমরা কৃত্রিমতা দ্বারা কৃত্রিমতা দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতেছি। ন্যাচারকে আমরা বিজ্ঞান দ্বারা বিজ্ঞানের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতেছি এজন্য এটা ভয়ঙ্কর রূপ লাভ করতেছে এটাকে যারা সাইড ইফেক্ট বলে আর কি তো এখন সূত্র মিলান আপনি যে শরীর দিল আল্লাহ তাআলা শরীর সৃষ্টি করল শরীরের মধ্যে রোগ দিল ক্ষুধা পিপাসা চিন্তা
তিন রোগের ঔষধ দিল পুষ্টি পানি আর অক্সিজেন এখন প্রশ্ন হইলো এই তিন মেডিসিনের ডোজ কি হবে পরিমাণ কি হবে আপনি যে তিন থিওরির কথা বললেন এটার তো একটা মানে পরিমাণ বিষয় আছে আপনি কি >> হ্যা এখানে বিষয়টা হলো যে এরকম এইটাই মূল ফ্যাক্ট মূল সমস্যাটা আমরা এই জায়গায় করি এতটুক পর্যন্ত তো আমরা মোটামুটি জানি না জেনেও আমরা মেনটেনেন্স করি কিন্তু ভেজালটা করি কোন জায়গায় যে শরীর দিলেন আল্লাহ তাআলা শরীরের মধ্যে রোগ দিলেন ক্ষুদা পিপাসা চিন্তা তিন রোগের ঔষধ দিলেন পুষ্টি পানি অক্সিজেন এখন এই তিন মেডিসিনের ডোজ কি হবে তিন ওষুধের ডোজ কি হবে পরিমাণ কি
হবে খাবারও এভেলেবেল পানিও এভেলেবেল বাতাসও এভেলেবেল আমি ঢুকাবো কতটুক পরিমাণটা কি হবে? এখানে মূলত আমরা ভেজালটা লাগাই। এই পরিমাণ মেনটেনেন্স না করার কারণেই আমাদের সাইড ইফেক্ট হয়ে আমরা বিজ্ঞানের রোগে রোগী হচ্ছি। সোজা হিসাব একেবারে ইউনিভার্সাল ট্রুথ। চিরন্তন সত্য। পুষ্টি পানি অক্সিজেনের সমন্বয় না করার কারণে আমার এইযে ফার্স্ট পার্ট বই একটা যেটা এটার নাম হল তিন খাবারের সমন্বয় সুস্থ থাকার বিষয়। এই যে পুষ্টি পানি অক্সিজেনের যে সমন্বয় দৈনন্দিন চাহিদার সাথে সমন্ শরীরের সমন্বয় করলে শরীর ঠিক না হলে কেউ ঠিক করতে পারবে না তো এই যে পুষ্টি পানি অক্সিজেনের ডোজ কি হবে পরিমাণ কি হবে এটাও আল্লাহ
তালা জানাইয়া দিছেন এখানেই মূলত আমরা ভেজালটা করি মানুষ এবং এই এই ডোজটা কি এটা আল্লাহ তাালার যত নিয়ম কানুন রুলস রেজুলেশন আমরা জেনেছি কার মাধ্যমে রাসূল >> আমদের শেষ নবী হযরত মহাম্লামের মাধ্যমে তাই না উনাকে উনাকে যদি আমরা বিচার করি সেরা নবী হিসেবে মানি উনাকে যদি মানুষ হিসেবে বিচার করি সেরা মানুষ হিসেবে মানি উনাকে যদি আধ্যাত্মিকতার ক্ষেত্রে বিচার করি উনি সেরা আধ্যাত্মিক ব্যক্তি উনাকে যদি বিজ্ঞানীর কাতারে যদি ক্যাটাগরিতে যদি বিচার করি উনি সেরা বিজ্ঞানী এমন এক সেরা মানুষ আল্লাহ তাআলা সরাসরি সান্নিধ্যে না থাকলে তো এরকম সেরা হতে পারে না এই মানুষটা আল্লাহ তাালার এই সেরা
প্রতিনিধি আমাদের জন্য কি নিয়ম দিয়ে গেলেন? কি নিয়ম শিখায় গেলেন? উনি কি এটাই বুঝায় গেলেন? শিখায় গেলেন যে তোমরা মানুষ হয়ে মানুষের তৈরি সিন্থেটিক ড্রাগস গুলোর উপরে ডিপেন্ড করিও বেঁচে থাকার জন্য? প্রশ্ন আসে না। তাহলে উনি কি শিখায় গেলেন? উনি এত সুন্দর একটা সলুশন দিয়া গেলেন। এই যে পুষ্টি পানি অক্সিজেনের ডোজ কি হবে? পরিমাণ কি হবে? 24 আওয়ার সার্কেলে মানব শরীরে এটা উনি নিজে সাধনা করলেন। নিজে সাধনা করে অভ্যাস করে তারপরে উনার সঙ্গী সাথীদেরকেও সাহাবাদেরকেও উনি সেই অভ্যাস করালেন। করিয়ে উনি সে সময় প্রমাণ করে দিলেন যে আধুনিক চিকিৎসার দরকার নেই। নবীর আমলে একটা আধুনিক চিকিৎসা
ছিল। এটা এখনো নিবু নিবু করে টিকে আছে। ওই যে বলে না তান্ত্রিক কামরুক কামাখ্যাত থেকে ট্রেনিং নিয়ে আছে। তান্ত্রিক চিকিৎসা জীন, ভূত, কালির মায়াজাল তৈরি করে চিকিৎসা দেয়। এটা ছিল নবীর আমলে জাদুবিদ্যার চিকিৎসা হিসেবে প্রতি। মানে এটাকে জাদুবিদ্যার চিকিৎসা বলা হতো তখনকার সময়। পরবর্তীতে এটাকে কুফরি বিদ্যার চিকিৎসা বলা হতো। এখনও এটাকে কুফরি বিদ্যার চিকিৎসা বলা হয়। এই চিকিৎসাটা ছিল নবীর আমলের টপ লেভেলের চিকিৎসা। এইটাকে উনি হারাম বললেন। হারাম। তাইলে সবাই অবাক হয়ে গেল। এরকম একটা তখনকার সময় বেস্ট চিকিৎসা। এটা হারাম। তাইলে আমি বাঁচবো কিভাবে? সুস্থ থাকবো কিভাবে? সাহাবারা অবাক হয়ে গেল। তখন উনি এই বললেন
যে তোমরা এটা ফলো করো। কি ফলো করো? পেটকে তিন ভাগে ভাগ করো। পাকস্থলীকে তিন ভাগে ভাগ করো। এক তৃতীয়াংশ খাদ্য দিয়ে ফিলাপ করো। এক তৃতীয়াংশ পানীয়ও দিয়ে ফিলাপ করো। আরেক তৃতীয়াংশ খালি রাখো। শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য। বাতাস চোখে দেখি না। অক্সিজেন চোখে দেখি না। খালি শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য রাখো। খালি রাখো। এইটাই হলো ওয়ান থার্ড থিওরি। যে আল্লাহ তাআলা শরীর সৃষ্টি করলেন শরীরের মধ্যে রোগ দিলেন ক্ষুধা পিপাসা চিন্তা তিন রোগের ঔষধ দিলেন। পুষ্টি পানি অক্সিজেন আর তিন ঔষধের পরিমাণ কি হবে? ডোজ কি হবে এটা উনার সেরা প্রতিনিধি দ্বারা প্রতিষ্ঠা করলেন যে সমপরিমাণে ঢুকাতে হবে। এটাই হলো ওয়ান থার্ড থিওরি।
আল্লাহ প্রদত্ত শরীরের রুলস আমি এটাকে বলি। সৃষ্টিকর্তা প্রদত যিনি শরীর সৃষ্টি করছেন তিনি এই রুল সাজাইয়া দিছেন। উনার সেরা প্রতিনিধি দ্বারা প্রতিষ্ঠা করছেন। সবাই জানে এটা হিন্দু মুসলিম খ্রিস্টান সবাই জানে। এবং এটা হযরত মহমদ সাল্লামের থিওরি এটাও সবাই জানে। এখন এই রুলস এই হলো আল্লাহ প্রদত্ত রুলস। এটাই হল দেহতত্ত্বের সূত্র। এখন বলুন এই সূত্র কেউ ফলো করে দেখেন আপনি? কাউকে দেখেন আশেপাশে? কেউ আমরা ফলো করি না। মানে আল্লাহ তাালার যে রুলস নিয়ম সেটা আমরা কেউ মানি না। মোবাইলের সৃষ্টিকর্তার যে মোবাইলের রুল সাজাইয়া দিছে এটা যদি আপনি না মানেন মোবাইলটা যেমন বারবার ডিস্টার্ব করবে বারবার মেকারের
কাছে নিতে হবে। ঠিক আল্লাহ প্রদত্ত যে শরীরের এই রুলস ওয়ান থার্ড থিওরি। এই রুলস আমরা কেউ ফলো করি না। এইজন্যই শরীর একই রোগের জন্য বারবার ডিস্টার্ব করতেছে। আর বারবার আমরা চেম্বারে চেম্বারে ঘুরতেছি। বছরের পর বছর ধরে। আপনি এই রুলস ফলো করুন। আপনার দেখুন সব নিয়ন্ত্রণে থাকে কিনা। পরীক্ষা করে দেখুন না। আল্লাহ তালা স্পষ্ট বলছেন তোমরা ভুল জেনে করো আর না জেনে করো। শাস্তি কিন্তু আমি দেবই। আমি খুব কঠোর। আবার এও বলছেন তোমরা যদি তোমাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে, বিবেক দেওয়া হয়েছে। এটাকে যদি কাজে লাগায়ে যদি ভুলটা সংশোধন করো, একই শাস্তি থেকে আমি মুক্তি দেব। আমি খুব
দয়ালু। ভুল করলে শাস্তি দেব খুব কঠোর। ভুল সংশোধন করলে শাস্তি থেকে মুক্তি দেব। খুব দয়ালু। এই যে শাস্তিটাই তো মুখ্য বিষয় তাই না? শাস্তি মানে কি? সে আল্লাহর দেওয়া হোক আর মানুষের দেওয়া হোক। দুনিয়াতে হোক আর আখেরাত হোক। শাস্তি মানে কি? >> কষ্ট। >> শাস্তি মানেই হলো ব্যথা, যন্ত্রণা বা কষ্ট। বুঝেন। আল্লাহ তাআলা বলতেছেন শাস্তি ওইটাকে আমরা বলি সাধারণ মানুষ আমরা বলি ব্যথা, যন্ত্রণা, কষ্ট। ওই একই জিনিসটাকে চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে ডিজিজ। রোগ। >> রোগ। >> একই জিনিস। আল্লাহ যেটাকে কোরআন হাদিসের শাস্তি বলতেছেন ওইটাকে আমরা বলি ব্যথা যন্ত্রণা কষ্ট ওই একই জিনিসটাকে চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে রোগ
সিমিলার জিনিস আল্লাহ যে শাস্তিটা দেবেন কোথায় দেবেন দেহে শরীরের মধ্যে আর আপনি যে বলতেছেন আপনার ব্যথা হচ্ছে যন্ত্রণা হচ্ছে কোথায় হচ্ছে শরীরের মধ্যে আপনি তো নতুন বিল্ডিং মেরেছেন বিল্ডিং এর ওয়ালে তো নয় নতুন গাছ লাগাইছেন গাছের ডালে তো নয় শরীরের মধ্যে আর চিকিৎসাবিজ্ঞান যে বলছে আপনার রোগ হইছে রোগটা কোথায় হইছে শরীরের মধ্যে রোগের অনুভূতি হয় কি দ্বারা ব্যথা যন্ত্রণা কষ্ট রোগ ব্যথা যন্ত্রণা কষ্ট না হলে তো নিজেকে রোগী মনে করি না শাস্তির অনুভূতি হলো ব্যথা যন্ত্রণা কষ্ট রোগের অনুভূতিটাও হইলো ব্যথা যন্ত্রণা কষ্ট দুটোই অনুভূত হয় শরীরের মধ্যে জিনিস একই এটা আমি আমার সাধনার ভাষায় আমি
ব্যাখ্যা করলাম আমি এই যে আমার দীর্ঘ বছর সাধনা করে গবেষণা করে যে রাস্তাটা আমি খুঁজে বের করছি ড্রাগ ছাড়া সুস্থ থাকার এই রাস্তাটা যে আমি যে যে ফর্মুলায় যে চিন্তাধারায় যে আমি সাধনা করছি গবেষণা করছি সেইটার ভাষায় আমি ব্যাখ্যা করলাম এখন কিন্তু যদি আমরা বিজ্ঞানের ভাষায় ব্যাখ্যা করি বিজ্ঞানের বিজ্ঞানের ভাষায় যদি আমরা যদিও আমি ওই লাইনে পড়াশোনা করি নাই তবুও আমি আমার ওই যে প্রজ্ঞা দিয়ে বিজ্ঞানের যে বিষয়গুলোকে যে আমি যে আমার প্রজ্ঞা দিয়ে আমি যে বিচার করছি দৃষ্টিকোণ আমার দৃষ্টিকোণ থেকে যে আমি যেভাবে দেখছি দেখুন ওদের দৃষ্টিকোণ ওদের ইয়েটা কি রকম ফর্মুলাটা সেটা হলো
যে প্রাচীন আমলে চিকিৎসা হতো কোথায় হাড্ডি আর মাংসে তাই হাড্ডি মাংসের চিকিৎসা হইতো। তো হাড্ডি মাংসের ক্ষেত্রে এখন আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান কি বলতেছে যে ওজন বেশি হলেও ক্ষতি কম হলেও ক্ষতি। ব্যালেন্সে রাখতে হবে। হাড্ডি মাংসের ওজনটা ব্যালেন্সে রাখে কে? আপনি ক্ষুধা রোগের ঔষধ যে পুষ্টি যেটা এটা যদি আপনি ওয়ান থার্ড মেজারমেন্ট করে ঢুকান আপনার হাড্ডি মাংস ব্যালেন্সে থাকবে। এখন আধুনিক যুগে চিকিৎসা দিচ্ছে কোথায়? রক্তের মধ্যে। ব্লাডের মধ্যে। চিকিৎসাবিজ্ঞান দেখলো শরীরের ভিতরে ঢুকলো। ঢুকে দেখে যে শুধু রক্ত আর রক্ত ভেসে বেড়াচ্ছে। তারপরে রক্তটাকে আরো ভালোভাবে ফোকাস করে দেখলো যে এখানে অসংখ্য কোণা ভেসে বেড়াচ্ছে। কি ভেসে বেড়াচ্ছে?
এখনো তো অনেক কিছু অজানাই রয়ে গেছে। যেটুকু আবিষ্কার করছে এটুকুতে তারা ধরলো। এক একটা করে কোণা ধরে আর এটার নাম দিল কোলেস্ট্রল, এটা ফ্যাট, এটা মিনারেলস, এটা ভিটামিন, এটা সুগার, এটা অমুক তমুক নানান নাম দিল তারা। এক একটা করে কোণা ধরলো। তারা আরো গবেষণা করে দেখলো, গভীর পর্যবেক্ষণ করে দেখলো যে এগুলো যদি কখনো বেড়ে যায় রক্তের মধ্যে তাও ক্ষতি, কমে গেলেও ক্ষতি। একটা নির্দিষ্ট ব্যালেন্সের মধ্যে থাকতে হবে। এই যে ব্লাডের লেভেল সুগার বেড়ে গেলেও ক্ষতি কমে গেলেও ক্ষতি। ব্যালেন্সে রাখতে হবে। কোলেস্ট্রল প্রেসার যেগুলোই আবিষ্কার করছে বেড়ে গেলেও ক্ষতি কমে গেলেও ক্ষতি। ব্যালেন্সে থাকতে হবে। এখন
এই যে ব্লাডের লেভেলটাকে ব্যালেন্সে রাখে কে? আপনি পানিটা ওয়ান থার্ড মেজারমেন্ট করে ঢুকান। আপনার ব্লাডের লেভেল ব্যালেন্সে থাকবে। একেবারে সোজা হিসাবে। এ ইউনিভার্সাল ট্রুথ। দেহতত্ত্বের ক্ষেত্রে। আপনার সুগার বেড়ে গেছে, কোলেস্ট্রল বেড়ে গেছে। আপনি পানির সমন্বয় করুন। দেখুন আপনার এগুলো ব্যালেন্স হয় কিনা। তরকারি নামানোর সময় আমরা লবণ টেস্ট করি না। খুব করা হয়ে গেছে লবণ। তরকারিটা খাওয়া যাবে না। আমরা কি ফেলে দিই? পানি করি। একটু পানি জড়া দিলে জাল দিলে ব্যালেন্স হয় না? চা টা খাচ্ছেন। খুব করা মিষ্টি হয়ে গেছে। মিষ্টি ব্যালেন্স করবেন কিভাবে? একটু গরম পানি জড়া দিলেই ব্যালেন্স হয়ে যাবে। আমার মা গরুর থেকে
দুধ বের করতো যখন ছোটবেলায় দেখতাম। তো এক লিটার দুধ আমাদের জন্য যখন গরম করতো এক পাওয়া পানি জড়া দিত। তা আমার চোখে যেদিন পড়তো সেদিন আমার খুব আমি একটু রাগ করতাম যে কেন তুমি পানি জড়াতো সরটা মজা লাগে মোটা হয়ে পড়ে না দুধটা মিষ্টি করে না পানসা লাগে তুমি পানি কেন জড়া দুধ অতিরিক্ত দুধটা বিক্রি করা হতো তো অতিরিক্ত দুধ তো অনেক আছে তুমি দিলে দাও না তুমি পানি জড়া দাও কেন তো উনি বলে যে না পানি জড়া দিতে দিতে হয় পানি জড়া দিয়ে জাল দিতে হয় এতটুকু শুধু উনি জানতেন কেন দিতে হয় এটা আমরা
এখন বুঝি দুধের মধ্যে যে সরটা আছে না চর্বিটা এটা ডাইরেক্ট গরম করে খেলে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য কোলেস্ট্রলের লেভেল বাড়ায় দেয়। দ্রুত কোলেস্ট্রলের লেভেল বেড়ে যায়। কিন্তু ওই এক লিটার পানির মধ্যে এক পোয়া পানি জোড়া দিয়ে জাল দিলেও কোলেস্ট্রলের লেভেলটা ব্যালেন্স হয়ে যাবে। ওটা প্রাপ্তবয়স্ক খেলে কোলেস্ট্রলের লেভেল আর বাড়বে না। পানি জোড়া দিলে যদি সবকিছু যদি ব্যালেন্স হয়ে যায় তো তাইলে আপনার ব্লাডের লেভেলগুলো যে বেড়ে গেছে, কোলেস্ট্রল বেড়ে গেছে, সুগার বেড়ে গেছে, এই বেড়ে গেছে, সেই বেড়ে গেছে, এটা ব্যালেন্সে রাখে হল পানি। কোরআন শরীফে একটা শব্দ আছে না পানাহার করুন পরিমিত পানি এবং আহার পানাহার বলতে কি
বুঝায় পানি এবং আহারের সমন্বয় করুন পানি আর খাবারের সমন্বয় করুন এই শব্দটা বিজ্ঞানও হয়তোবা গবেষণা করছে করছে কিনা জানিনা এই শব্দ থেকে তবে ওদের যে একটা নিউট্রিশন পুষ্টি বিজ্ঞানের একটা ফর্মুলায় পাওয়া গেছে যে 1000 1000 ক্যালরি খাবার খেলে এক লিটার পানি খেতে হবে 2000 ক্যালরি খাবার খেলে দু লিটার পানি খেতে হবে ব্যালেন্স মানে ব্যালেন্স ওযে পান সমন্বয় করুন এভাবে কি আমরা মেন্টেনেন্স করে কেউ খাই আমি এটা নিয়ে আমি নিজের ভাবনা থেকে গবেষণা করলাম আমি তো আমার সাধনা নিয়ে আমার ফর্মুলা দিয়ে গবেষণা করি আমি চিন্তা করে দেখলাম যে এক লিটার এক কেজি চাল রান্না করলে যে
পানি দিই দু কেজি চাল রান্না করলে কি একই পানি দিই ডাবল পানি দিই না এক কেজি মাংস এক কেজি সবজি রান্না করলে যে পানি দিই সিদ্ধ করতে দু কেজি বা বেশি করলে বেশি পানি দিই না ঠিক সেইরকম আমরা এখানে যে ভাতটা যদি আমরা যদিদু কেজি চাল যদি এক কেজি চালের পানি দিয়ে যদি রান্না করি তাহলে ওই ভাতটা খাওয়ার মতন যোগ্য হবে খাবো না ফেলে দিব ঠিক ওইরকম আমাদের শরীরের ভিতরে খাবারগুলো যাওয়ার পরে নতুন করে আবার রান্না হয় পাকস্থলীটা হল পাতিল আর অগ্নাশয় প্যানক্রিয়াস হল চুলা হিট আসে এখান থেকে ওখানে আবার নতুন করে রান্না হয় ওখানে
যদি খাবার আর পানির সমন্বয়টা সঠিকভাবে না হয় তাইলে ওই খাবারগুলো কোষের উপযুক্ত হবে না কোষগুলো খাবে না কোষ যদি না খায় তাহলে কোথায় থাকবে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরবে রক্তের মধ্যে ভেসে বেড়াবে আর এই রক্তের ঘন বাড়বে। তো এই যে রোগের সৃষ্টি হচ্ছে এইভাবেই। তো এই যে আমরা সমন্বয় করতেছি না। তো আপনি ওয়ান থার্ড মেজারমেন্ট করে পুষ্টি ঢুকাবেন। ক্ষুধা রোগের ওষুধ আপনার হাড্ডি মাংস ব্যালেন্সে থাকবে। ওয়ান থার্ড মেজারমেন্ট করে পানিটা পান করে আপনার ব্লাডের লেভেল ব্যালেন্সে থাকবে। এখন সর্বাধুনিক যুগ এখন চিন্তার মধ্যে চিকিৎসা দিচ্ছে। ওই যে সাইকিয়াট্রিস্ট ডিপার্টমেন্ট মানসিক রোগ। এরা এখন স্ট্রেসের মধ্যে চিন্তার মধ্যে চিকিৎসা
দিচ্ছে। চিন্তার মধ্যে কি চিকিৎসা দিচ্ছে? যে চিন্তাটাকে দুই ভাগে ভাগ করছে। আবেগীয় চিন্তা আর যুক্তিবাদী চিন্তা। চিন্তা দুই ভাগে ভাগ করছে। শুধু আবেগ দিয়েও জীবন চলবে না। শুধু যুক্তি দিয়েও জীবন চলবে না। আবেগ মাথা ছাড়া দিছে। যুক্তি খুঁজে পান না। তার মানে আপনি মানসিক রোগী। স্ট্রেসের মধ্যে আছেন। আবার আপনার যুক্তি মাথা ছাড়া দিছে। আবেগ খুঁজে পান না। তো আপনি স্ট্রেসের রোগী। মানসিক রোগী। আপনাকে ব্যালেন্সে রাখতে হবে। আবেগও থাকতে হবে। যুক্তিও থাকতে হবে। আবেগ মানে হল আপনি রাগ করছেন, শাসন করছেন, মারছেন। এটা হল আবেগ মনে করেন তাইলে কিছু সময় পরে আপনি গিয়ে বলেন যে ভাই তখন
মেজাজটা খারাপ ছিল মাথা খারাপ রাগারাগি করছি আমার ভুল হয়ে গেছে আমাকে ক্ষমা করে দিও মাফ করে দিও ভুলে যাবে এটা তুমি এই যে যুক্তি এই যে এটা করলে কি হবে ম্যাচিউর হয়ে যাবে না বিষয়টা ম্যাচিউর হয়ে যাবে না কিন্তু আপনি রাগ করছেন শাসন করছেন মারছেন এই লোকটাকে যদি সরি না বলেন যতদিন আপনার মুখোমুখি হবেন ততদিন আপনাদের মেজাজ খারাপ 10 বছর পরে দেখা হলো মেজাজ খারাপ হবে কিন্তু যদি সরি বলেন তাইলে যতবার দেখা হবে সালাম বিনিময় হবে ভালো মন্দ জিজ্ঞাসা করবে এইযে বিষয়টা ম্যাচিউরড হবে আবার শাসন না করলেও সমস্যা মানে আবেগও থাকতে হবে যুক্তিও থাকতে হবে
মিলে মিশে ব্যালেন্সে থাকতে হবে এখন এই আবেগ আর যুক্তিকে ব্যালেন্সে রাখে কে আপনি অক্সিজেনটা ওয়ান থার্ড মেজারমেন্ট করে প্রতিদিন সমন্বয় করুন আপনার চিন্তার লেভেলটা ব্যালেন্সে থাকবে এই যে আমরা পুষ্টি দিয়ে ক্ষুধা রোগের ওষুধটা ওয়ান থার্ড মেজারমেন্ট করে ঢুকায় যদি হাড্ডি মাংস ব্যালেন্সে রাখি ব্লাডের লেভেলটা যদি ওয়ান থার্ড মেজারমেন্ট করে পানি ঢুকায় যদি ব্লাডের রক্তের লেভেলটা যদি ব্যালেন্সে রাখি ওয়ান থার্ড মেজারমেন্ট করে অক্সিজেন লোডিং করে যদি আমরা চিন্তার লেভেলটা ব্যালেন্সে থাকি তাহলে আমাদের তো এই সর্বাধুনিক যুগেও আপনার চিকিৎসাবিজ্ঞান আপনার শরীরে চিকিৎসা করার জায়গাই খুঁজে পাবে না এই তিনটি জায়গায় চিকিৎসা হয় আর কোথাও চিকিৎসা হয় না
আধুনিক বিজ্ঞান চিকিৎসা দেয় তো তাহলে এই আল্লাহ প্রদত্ত যে শরীরের রুলস শরীরের সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত যে শরীরের রুলস ওয়ান থার্ড থিওরি এই এটাই হলো আমাদের সব রোগ সৃষ্টির মূল কারণ। আর আপনি এখন এটা ফলো করেন না দেখে রোগী হইছেন। আপনি আবার ফলো করা শুরু করে দিন। আপনার সব রোগ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। বেশ শেষে যে কথাটা বললেন যে মানে অসুস্থ হয়েছেন আবার এই তিন তত্ত্ব শুরু করুন আবার সুস্থ হয়ে যাবেন। মানে আমি প্রশ্ন যদি এভাবে করি যে তথাকথিত যে চিকিৎসাবিজ্ঞান তা ছাড়াও কি আসলে মানুষ সুস্থ থাকতে পারে? আর যদি থাকতে পারে থাকতে চায় তাহলে আসলে তার কি
করা উচিত আপনার তিতত্ত্ব ব্যাখ্যা যদি >> আচ্ছা প্রশ্নটা আপনি এইভাবে করতে পারেন যে এখন এই যে ওয়ান থার্ড থিওরি পুষ্টি পানি অক্সিজেন যে সমপরিমাণে ঢুকাবে এটা বুঝবো কিভাবে >> প্রশ্ন এটা করতে পারেন্যা আর এখানে আরেকটা জিনিস আপনি বলছেন যে এই চিকিৎসাবিজ্ঞান যে ফর্মুলায় চিকিৎসা দিচ্ছে এইটা ছাড়া বিকল্প >> কিনাতে পারে কিনা সুস্থ থাকতে পারে না এটা বলছেন হ্যাঁ ওইটা ছাড়াই ভাই আপনি আছে না 100 বছর বেঁচে আছে কোন ড্রাগস খায় না এরকম মানুষ অসংখ্য আছে পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ মানুষ আছে এরকম কোন সাইন্টিফিক ড্রাগস এর কোন সাপোর্টের প্রয়োজন হয় না কোন ডায়াগনোসিসেরও প্রয়োজন হয় না এরকম
অনেক মানুষ আছে পৃথিবীতে আচ্ছা তো আমরাও এটা পারি কোন ব্যাপার না সবথেকে ভয়ঙ্কর জিনিস কি জানেন চিকিৎসাবিজ্ঞান ড্রাগস চিকিৎসাবিজ্ঞান ডাক্তার ড্রাগস এগুলোকে আমি কখনো অস্বীকার করি না পৃথিবীতে যত চিকিৎসা আমি আমি আরেকটা আরেকটা ইয়ে বলি যে আমাদের চিকিৎসাবিজ্ঞান যে সূত্রে যে সূত্রে রোগ শরীর চিকিৎসা দেয় সেইটা হলো কি যে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হওয়াই হলো রোগ আর রক্ত সঞ্চালন সচল করাই হলো চিকিৎসা এই দুটি লাইন যদি মাথায় ঢুকায় রাখতে পারে কেউ তাহলে সে বুঝে নিতে পারবে যে কি রোগটা কেন হলো কিভাবে সুস্থ মানে রক্ত সঞ্চালন আমাদের যত রোগ আছে চিকিৎসাবিজ্ঞানে যত রোগ আবিষ্কার করছে মানব শরীরের
প্রত্যেকটা রোগের মূল মুখ্য বিষয় হলো রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হওয়া >> আর যে যেভাবেই চিকিৎসাধক অ্যালোপথি হোমিওপ্যাথি ন্যাচারোপ্যাথি যে যেভাবে চিকিৎসক হারবাল ইউনানী যে যেভাবে চিকিৎসাধক ওই রক্ত চলাচল সচল করাই হলো চিকিৎসা মানে এই দুই লাইনের মধ্যে পুরো সিস্টেমটা রোগ এবং রোগের সমাধান এই দুই লাইনের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হওয়াই হল রোগ আর রক্ত চলাচল সচল করাই হলো চিকিৎসা এটা হল মানে মূল বিয়ে এরপরে তো আরো ডালপালা অনেক একেকজনে একেক লাইনে গবেষণা করতে করতে অনেক ডালপালা বাহির করছে এখানে অনেক গভীরে গেছে গভীরে যাওয়া সাধারণ মানুষ যদি আমরা এটুকুই বুঝি শুধু তাতেই আমাদের জন্য যথেষ্ট সুস্থ থাকার
জন্য আজীবন এখন রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্তই যদি রোগ হয়ে থাকে তাহলে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত কেন হচ্ছে এটা আমি এখন ওই মানুষের তৈরি চিকিৎসা সিস্টেমগুলোর ওই রাস্তা দিয়ে ব্যাখ্যা করতেছি আমি এত সময় যেটা ব্যাখ্যা করছি এটা সৃষ্টিকর্তার রুলস বা আমার নিজস্ব সাধনা ব্যাখ্যা করলাম। কিন্তু আমি যদি এখন প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা সিস্টেমগুলোর ইয়েটাতে ব্যাখ্যা করি তাহলে তাদের বিষয়টা হল এরকম। রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য রোগ হচ্ছে। এখন রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত যদি রোগ হয়ে থাকে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত কেন হয়? দুটি কারণে মানে মুখ্য দুটি কারণে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়। একটা হলো আঘাত প্রাপ্ত হওয়া। আরেকটা হলো রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যাওয়া।
আঘাত প্রাপ্ত মানে পড়ে গেছি কেটে গেছে ফেটে গেছে থেতলে গেছে বাঁকা হয়ে বসি চাপ খাইতেছে ভারি জিনিস বইতেছি টান খাইতেছে এটা হলো আঘাত প্রাপ্ত হয় এরকম হলে কি হয় ব্যথা যন্ত্রণা কষ্ট হয় না >> কারণ ওই আঘাত প্রাপ্ত হওয়ার কারণে কেটে যাওয়ার কারণে ফেটে যাওয়ার কারণে থেতলে যাওয়ার কারণে রক্তটা এদিক সেদিক চলাচল করতে পারে না বাধাগ্রস্ত হয় এজন্য এখানে ব্যথা হয় এটা এইরকমটা হলে এটা এক্সিডেন্টলি যদি হয়ে থাকে অজানার কারণে হয়ে থাকে এটা হলে কি প্রাথমিক চিকিৎসা হলো বিশ্রাম আপনি বিশ্রামে থাকুন কয়েকটা দিন সপ্তাখানে আপনার ওটা রিকভার হয়ে যাবে। অটোমেটিকি আবার এটা ঠিক হয়ে ব্লাড
সার্কুলেশন চালু হবে। বিশ্রাম যদি আপনি দ্রুত সুস্থ হতে চান আপনি চিকিৎসা নিতে পারেন। পৃথিবীতে সব চিকিৎসাই কাজ করে। এমারজেন্সি রিকভারের জন্য। মানে এই চিকিৎসাগুলো হল এমারজেন্সি রিকভারিং এর জন্য। এটা আমি একটু পরে বলতেছি আগে এটা বলি। তো এখন রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত। এটা হল আঘাত প্রাপ্ত হওয়ার কারণে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আরেকটা যেটা মূল যেটা মানে মূলত আমরা যেটা অন্ধের মতন আছি মূলত যেটা আমাদেরকে অন্ধের মতন রেখে যেটা চিকিৎসা দিয়ে যে বিজনেস করতেছে যে জায়গাটা সেটা হলো যে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যাওয়া এটা হলো মূল ফ্যাক্ট রক্তের ঘনত্ব বলতে কি বুঝায় এই যে বলে না সুগার বেড়ে
গেছে আমরা যে রোগী হই রক্ত রক্ত পরীক্ষা করে না পরীক্ষা করে কিডনি রোগী হলে রক্ত পরীক্ষা করে হার্টের রোগ হলে রক্ত পরীক্ষা করে ব্রেনের রোগ হলে যে কোন রোগ হোক না যে অর্গানিক সমস্যা হোক না কেন প্রথমে কি পরীক্ষা করতেছে ব্লাড টা নিয়ে পরীক্ষা করতেছে কি পরীক্ষা করতেছে রক্তটা কি বেশি ঘন হয়ে গেছে না বেশি পাতলা হয়ে গেছে না ঠিকঠাক আছে জাস্ট এটা পরীক্ষা করে বেড়ে গেছে মানে কি যেমন ধরেন ঘনত্ব বলতে কি যেমন সুগার বেড়ে গেছে ডায়াবেটিক্সের রোগী বলে সুগার বেড়ে গেছে সুগার বেড়ে গেছে মানে কি সুগার দ্বারা রক্তের ঘনত্ব বাড়ছে এরপরে ধরেন কোলেস্ট্রল
বেড়ে গেছে কোলেস্ট্রল বেড়ে গেছে মানে কোলেস্ট্রল দ্বারা রক্তের ঘনত্ব বাড়ছে ইউরিক এসিড বেড়ে গেছে ইউরিক এসিড দ্বারা রক্তের ঘনত্ব বাড়ছে টিজি বেড়ে গেছে মানে টিজি দ্ারা রক্তের ঘনত্ব বেড়েছে ক্রেটিনিন বেড়ে গেছে মানে ওইটা দ্বারা রক্তের ঘনত্ব বাড়ছে মানে কারো একটা দ্বারা ঘন হয়ে গেছে কারো পাঁচটা দ্বারা ঘন হয়ে গেছে এখন আমাদের যে চিকন নালিগুলো আছে মোটা নালি তো অল্প কিছু আছে কিন্তু চিকন নালিগুলোই সবথেকে বেশি এখন এই নালিগুলো দিয়ে রক্তটা যদি পাতলা থাকে যেভাবে চলাচল করবে ঘন থাকলে কিভাবে চলাচল করবে বছরের পর বছর রক্ত যখন ঘন হয়ে যায় তখন কি হয় রক্ত নালির মধ্যে মেডিকেল
চিকিৎসা বিজ্ঞান ভাষা বলে যে প্লাগ জমে গেছে জমে গিয়ে রাস্তা সংকুচিত হয়ে গেছে এই রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়ে কষ্ট ব্যথা যন্ত্রণা শুরু হচ্ছে। তো প্লাগ জমলো। প্লাগ জমে রক্তনালী বন্ধ হতে তো 20 বছর কারো 30 বছর কারো 40 বছর লাগে। মূলত আগে রক্তটা ঘন হয়। ঘন না হলে প্লাগ জমতো না। সুগার বেড়ে যাওয়া এগুলা বেড়ে যাওয়াটা আসলে রোগ নয়। রোগের সিমটম রোগের উপসর্গ। এরকম যদি রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায় তাহলে কিভাবে রোগ হয়? যে সুগার বেড়ে গেলে কি কোন তো সমস্যা হয় না। সুগার বেড়ে গেলে কি কোন কষ্ট ফিল হয়? বুঝে কিছু বুঝে না। সে কখনো
মেশিন দিয়ে পরীক্ষা না করলে বুঝতেই পারবে না যে বেড়ে গেছে। কিন্তু রোগ হবে 20 বছর পরে পরে 30 বছর পরে রোগ হবে। কি রোগ হবে? এই 20 বছর ধরে যদি আপনার সুগারের সুগার দ্বারা রক্তের ঘনত্ব বেশি থাকে তাহলে কি হবে? কিডনি নষ্ট হবে। হাড্ডি গুড্ডিগুলো ক্ষয় হয়ে বেড়ে যাবে। মাসলগুলো ঝুলে যাবে। তাড়াতাড়ি চোখের জ্যতি কমে যাবে। ব্রেইন স্ট্রোক হতে পারে। এইযে অর্গানগুলো নষ্ট হবে। কিভাবে অর্গানগুলো নষ্ট হবে? শরীরে যতগুলো অর্গান আছে যতগুলো এরিয়া আছে প্রত্যেকটা এরিয়ার মধ্যে প্রধান নালি আছে কয়েকটা যেমন বাংলাদেশটাই ধরেন কিডনির সাথে বাংলাদেশটাকে তুলনা করেন বাংলাদেশে বিশ্বরোড আছে কয়েকটা কিন্তু অলিগলি ছোটখাটো
চিকন রাস্তা কতগুলো আছে >> অনেক হিসাব ছাড়া অসংখ্য এখন ওই প্রধান বিশ্বরোডগুলো দিয়ে যে কোনরকম করে ধাক্কা ধাক্কা গাড়ি ঘোড়া চলতেছে বেঁচে আছে দেশটা কিন্তু এই বিশ্ব রোডের গাড়িগুলো যদি চিকন একটা রাস্তা দিয়ে যদি যাইতে বলা হয় তো যাইতে পারবে ঠিক এরকম আমাদের ওই কিডনির প্রধান নালিগুলোতে কোন রকম করে ব্লাড সার্কুলেশন চলতেছে এজন্য হয়তোবা আমরা বেঁচে আছি কিছুদিন কিন্তু ওই যে চিকন নালিগুলো গ্রামেগঞ্জে যে টিস্যুর মতন চিকন নালিগুলো গেছে ওই নালিগুলোতে ব্লাড সার্কুলেশন হবে না সুগার বাড়তি থাকার রক্তক্ষণ হওয়ার কারণে এখন ওই নালিগুলোতে যে নালিগুলোতে ব্লাড সার্কুলেশন হবে না ওই নালিগুলোর ওই এরিয়াগুলোতে যে কোষ
আছে মাসল আছে নার্ভ আছে ওগুলো আস্তে আস্তে নষ্ট ফাইনালি কোষগুলো নষ্ট হবে কোষগুলো যত নষ্ট হতে থাকেন নষ্ট হতে থাকবে হতে থাকবে হতে থাকবে এরকম যখন 40% 50% কোষ নষ্ট হবে তখন আপনার কোষঠ যন্ত্রণা শুরু হবে পরীক্ষা করে দেখবেন যে আপনার কিডনি 50% নষ্ট হয়ে গেছে কেন নষ্ট হলো সুগার বাড়তেছিল রক্তের ঘনত্ব বাড়তেছে ঘন হয়ে গেছিল এই যে এইভাবে প্রত্যেকটা অর্গানের ক্ষেত্রে এইভাবেই রক্ত ঘন হয়ে গেলে এইভাবে আমাদের অর্গানগুলো নষ্ট হয়ে আমরা রোগী হচ্ছি তো এখন এই যে রক্তটা ঘন হওয়াটাই যদি মুখ্য বিষয় হয়ে তাহলে রক্ত ঘন হলো কেন কেন রক্তটা ঘন হলো ওই যে
ওয়ান থার্ড থিওরি আল্লাহ প্রদত্ত যে শরীরের রুলস সেই রুলস আমরা কেউ ফলো করি না। মানে বাতাসের জায়গাটা আর পানির জায়গাটা আমরা খাবার দিয়ে ফিলাপ করতেছি। গলা ভর্তি করে খাবার খাচ্ছি প্রতিদিন প্রতিনিয়ত। প্রতিবেলায় আমরা গলা ভর্তি করে খাচ্ছি। এখন এযে প্রয়োজন আপনার আপনার শরীরের যে ওয়ান থার্ড থিওরি মানে এক ভাগ পাকস্থলীর এক ভাগ যে খাবারটা ঢুকবে ওই খাবারটা আমাদের হজম হয়ে কোষের ভিতরে জায়গা পাবে। কোষের ভিতরে ঢুকতে পারবে। এই বাতাসের জায়গায় আর পানির জায়গায় যে খাবার দিয়ে ফিলাপ করতেছি এই খাবারগুলো কোষের ভিতরে ঢুকতে পারবে না। মানে ওইটাই কোষে ফিলাপ হয়ে যাবে। ওই এক ভাগ খাবারে কোষ
ফিলাপ হয়ে যাবে। তো তখন বাকি খাবারগুলো কোষের ভিতরে আর ঢুকতে পারবে না। জায়গা নাই। তখন এরা যে ঢুকতে এরা তো এটা দরকারও নাই। অপ্রয়োজনীয় এখন অপ্রয়োজনীয় খাবারগুলো কোষের ভিতরে ঢুকতে পারবে না। জায়গা নাই। এখন এগুলো কি করবে? এই রক্তের মধ্যে ভেসে বেড়াবে। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াবে। >> আচ্ছা। >> এই রক্তের মধ্যে ভেসে বেড়াবে, রক্তের মধ্যে ঘুরে বেড়বে আর রক্তের ঘনত্ব বাড়তে থাকবে। এটা একটা রক্তের ঘনত্ব বাড়ায়। আরেকটা জিনিস রক্তের ঘনত্ব বাড়ায় যে মৃত খাবার যেগুলো ডেড ফুড ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফুড এই যে খাবারগুলো এগুলো হল মৃত। এগুলোর মধ্যে কোন প্রাণ নেই। এই খাবারগুলো কোন কোষের
ভিতরে ঢুকতে পারে না। অপদার্থ জিনিস কাউকে আপনি ঘরের ভিতরে জায়গা দিবেন। এই অপদার্থ খাবার এগুলো কোষের ভিতরে কোষ জায়গা দেয় না। কোন সময় হয়তো জোর জোর করে ঢুকে। ঢুকলে ও কোষের ভিতরে ডাস্টবিন আছে ও ডাসবিনে চলে যায়। কিন্তু কোষের ভিতরে ঢুকে কোষের কোন উপকার করে না। আর কোষ এদেরকে সহজে ঢুকতে দেয় না। যখন ঢুকতে না পারে তখন রক্তের মধ্যে ভাসতে থাকে। এই যে রক্তের ঘনত্ব বাড়ে। তো এই যে রক্তের ঘনত্বটা আমাদের শরীরে এভাবে বাড়তেছে। আমি আরো আরো একটু এটা মজা করে বলি। কিভাবে বলি জানেন যে আমরা আমাদের এই যে শরীরে যত রোগ হয় বিশেষ করে
এই যে রক্তের যে ঘনত্ব বেড়ে গিয়ে যে রোগগুলো হয় এগুলো কিন্তু আমাদের 50 40 50 না হওয়া পর্যন্ত কিন্তু আমরা এই রোগগুলো আমাদেরকে কষ্ট দেই না ফিল করি না তার মানে আমি বলি কি যে এই যে 50 বছর বয়স পর্যন্ত যে রোগগুলো আমি যে শরীরের ভিতরে বাসা বাধলো তৈরি হইলো এগুলো কি করি জানেন আমরা যারা মধ্যবিত্ত আছি এটা এটা মধ্যবিত্তদের ক্ষেত্রে এবং উচ্চবিত্তদের কষেত্রে আরো বেশি খরচ কিন্তু গরীবদের ক্ষেত্রে হিসাব কাটে না। মানে মধ্যবিত্তরা কি করি? এটা প্রয়োজনের অতিরিক্ত গড় 20 লক্ষ টাকা জনপতি হিসাব এটা প্রয়োজনের অতিরিক্ত গড় 20 লক্ষ টাকা খরচ করে আমরা রোগগুলো
তৈরি করি। আদর যত্ন করে আদর যত্ন করে ভালোবেসে প্রয়োজনের অতিরিক্ত 20 লক্ষ টাকা খরচ করে আমরা 50 বছর বয়স পর্যন্ত রোগগুলো তৈরি করি। আবার এই 50 বছর বয়স থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ওই একই রোগ থেকে আবার আরাম পাওয়ার জন্য মুক্ত হওয়ার জন্য নয় আরাম পাওয়ার জন্য আরো 20 লক্ষ টাকা খরচ করার জন্য তৈরি করে রাখি উচ্চপিত্তদের ক্ষেত্রে এক কোটি টাকা খরচ করে রোগ তৈরি করি 50 বছর বয়স পর্যন্ত আবার ওই একই রোগ থেকে আরাম পাওয়ার জন্য আরো এক কোটি টাকা পেয়ে করি >> একটু সারাংশ করা যায় কিনা বলা যায় >> কিন্তু এটা গরীবদের ক্ষেত্রে খাটে না
কারণ গরীবদের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটা আসে না এই হিসাবটা আসে না এটার এটার এটার এটার এটা বুঝেন নাই এটার বিষয়টা হলো এরকম খেয়াল করে দেখুন আমরা খাবারটা ভেজাল উল্টাপাল্টা করে খাই ওয়ান থার্ড মেজারমেন্ট করে খাই আর ওই থ্রি মানে তিন ভাগ ফিলাপ করে খাই খাবারটাই তো শুধু টাকা দিয়ে কিনে খাই তাই না আর পানি আর বাতাসটা তো এখন পর্যন্ত বিনে পয়সায় আছে তাই না এখন এই পানি যেমন খাবারটা ওয়ান থার্ড মেজারমেন্ট করে যেটুকু খাই এইটুকু খেতে যদি আমাদের দৈনিক যদি 100 টাকা খরচ হয় এটুকু আমার শরীরের উপকারে লাগবে কাজে লাগবে শরীর ব্যবস্থাপনা মেনটেনেন্স পরিচালনা সুস্থ রাখা
এইটুকুতে কাজে লাগবে দরকার এতটুকুই কিন্তু এর বেশি যেটা খাচ্ছি পানির জায়গায় বাতাসের জায়গায় যে খাবার দিয়ে ফিলাপ করে দিচ্ছি গলা ভর্তি করে খাচ্ছি তেই যে বাকি দুই ভাগ অতিরিক্ত এক্সট্রা খাবার খাইলাম তে আমি অতিরিক্ত কয়শ টাকার খাবার অতিরিক্ত খাইলাম 200 টাকা >> 200 টাকার >> এক ভাগ খাবার খেতে যদি আমার 100 টাকা খরচ হয় তে বাকি পানির জায়গায় বাতাসের জায়গায় খাবার দিয়ে ফিলাপ করলে অতিরিক্ত আমার 200 টাকা খরচ হবে না >> অবশ্যই এখন এই অতিরিক্ত যে 200 টাকার খাবার কিন্তু আমার শরীরের কোষের ভিতরে তো জায়গা পাচ্ছে না। এটা কি হচ্ছে? রক্তের মধ্যে ভাজতেছে আর এই
রক্তের ঘনত্ব বাড়তেছে। মানে সুগার বাড়তেছে, কোলেস্ট্রল বাড়তেছে, টিজি বাড়তেছে, অমুক বাড়তেছে, তমুক বাড়তেছে যে বাড়তেছে 40 বছর, 50 বছর পরে বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে অর্গানগুলো ডিস্টার্ব হয়ে আমরা রোগী হচ্ছি। এই যে রোগের ঘনত্ব বাড়ায় যে রোগ তৈরি করলাম অতিরিক্ত প্রতিদিন 200 টাকা খরচ করে তো রোগ তৈরি করলাম। রোগের ঘনত্ব বাড়াইলাম। এটা প্রয়োজনের অতিরিক্ত এবং আদর যত্ন করে বাবা খাও বাবা খাও এই বয়সে খাবা না তো কোন বয়সে খাবা শাশুড়ি জামাইরে জোর করে খাওয়ায় ছেলে মা মায়ে ছেলেরে খাওয়ায় মেয়েরে খাওয় বাচ্চারে খাওয়ায় আবার ছেলে মেয়ে বিয়ে শাদী করার পরে মা বাবা যখন আসে মা বাবাকে আবার
জোর করে গলা ভর্তি করে খাওয়ায় খাও বাবা খাওয়া আইসো বেড়াইতে খাও এই যে অতিরিক্ত প্রয়োজনের অতিরিক্ত খরচ করে প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাইয়া আদর যত্ন করে যে ভালোবেসে বললাম রক্তের ঘনত্ব বাড়াইলাম 50 বছর বয়স পর্যন্ত। আবার 50 বছর বয়স থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ধরেন আপনি 70 বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকবেন। তে 50 থেকে 70 পর্যন্ত আরো 20 বছর। এখন ওই রক্তটাকে আবার পাতলা করার জন্য প্রতি মাসে 10000 টাকার করে 5000 টাকার করে ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাচ্ছেন। তাইলে যে অতিরিক্ত খরচ করে যে রক্তের ঘনত্ব বাড়াইলেন ওই রক্তটাকে আবার পাতলা করার জন্য অতিরিক্ত আরো পাদ হাজার টাকার প্রতি মাসে ওষুধ
খাচ্ছেন। ড্রাগস খাচ্ছেন সিন্থেটিক ফার্মেসি থেকে কিনে। তো এখন 20 বছর প্রতি মাসে যদি পাদ হাজার টাকার করে সিন্থেটিক ড্রাগস খান তাইলে কত কত টাকার ওষুধ খাবেন ড্রাগস খাবেন তার মানে আমরা অতিরিক্ত খরচ করে আদর যত্ন করে রোগ তৈরি করি জাস্ট এই আল্লাহ প্রদত্ত শরীরের রুলস ওয়ান থার্ড থিওরি ফলো না করার কারণে আবার ওই একই রোগ থেকে বাঁচার জন্য আরো এত টাকা খরচ করি গরীবদের ক্ষেত্রে খাটে না কারণ গরীবরা সবসময় ওয়ান থার্ড মেজারমেন্ট তাদের এমনিই হয় তাদের অন্য কোন রক্তের ঘন রোগ তাদের নাই বলতে গেলেই চলে। তো এই যে বিষয়টা এটা হলো আমরা এখন এই পর্যায়ে
আছি। আল্লাহর রুলস ফলো না করার কারণে আমরা অতিরিক্ত সারাটা জীবন রোগ সৃষ্টি আর রোগ থেকে আরাম পাওয়ার জন্য 40 লক্ষ টাকা জন প্রতি খরচ করতেছি। প্রতিদিন অল্প অল্প করে করতেছি তো এজন্য গায়ে লাগে না। কিন্তু 40 বছর পরে হিসাব করে দেখেন। 20 বছর 50 বছর পরে হিসাব করে দেখেন কত টাকা আপনি অতিরিক্ত খরচ করতেছেন। বুঝতে পারছেন মেকানিজমটা? জি জি >> এই এই হলো আমাদের অবস্থা তো এই জন্য আমি বলি যে আমরা যদি এই ওয়ান থার্ড থিওরি আল্লাহ প্রদত্ত শরীরের সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত যে শরীরের রুলস পুষ্টি পানি অক্সিজেনের যে সমন্বয় তিন ভাগ করে সমপরিমাণে ঢুকাতে হবে এই
ওয়ান থার্ড ফর্মুলা যদি আমরা ফলো করি তো তাইলে আমাদের রোগের সৃষ্টি হবে না অতিরিক্ত খরচও হবে না আর আমাদেরকে ওই রোগ থেকে আরাম পাওয়ার জন্য আবার অতিরিক্ত ড্রাগসেরও সাপোর্ট চিকিৎসারও সাপোর্ট নেওয়ার প্রয়োজন হবে না জন্ম হইছে মৃত্যু হবে এই নিয়মে চলতে থাকবে শরীর আপনি হ্যাপিনেস আরামের সহিত সুস্থতা সহিত চলতে থাকবেন আপনার কোন ট্রাবল যদিও কখনো শয়তানের ধোকায় পড়ে একটু এদিক সেদিক হতে পারে আল্লাহ তাআলা তো স্বয়ং নিজে আদম আলাইহি সালামকে শিখায় বুঝায় দেওয়ার পরেও শয়তানের ধোঁকায় পড়েই সে ভুল করছিল ওই খাবার দাবারের বিষয় নেই >> জি জ >> আবার সে পানিশমেন্ট হইছিল ওই আদমের সন্তান
আমরা আমাদের ওই সিলসিলা চলতেই থাকবে আমরা সবকিছু জানার পরেও বুঝার পরেও আমরা ভুল করতে পারি। ভুল হবেই। এখন ভুল হলে আবার আল্লাহ শাস্তি দেবে নাই। মানে রোগ হবেই। এখন এই রোগ থেকে আরাম পাওয়ার জন্য জেনে হোক না জেনে হোক আমরা তিন ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থা ফলো করি। একটা হল আল্লাহ প্রদত্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা। আল্লাহ নিজেই সৃষ্টিকর্তা নিজেই চিকিৎসা দিছেন। এটা আমার সেকেন্ড পার্ট বইয়ের মধ্যে দেহতত্ত্বের সূত্র সুস্থতার মূলমন্ত্র। এই বইয়ের মধ্যে এই ব্যবস্থাগুলো নিয়ে আলোচনা করা আছে। সরাসরি আল্লাহ প্রদত্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা। সরাসরি মানুষের তৈরি প্রাকৃতিক চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং আল্লাহ মানুষের তৈরি কৃত্রিম চিকিৎসা ব্যবস্থা। মানুষ জেনে হোক
না জেনে হোক এই তিন ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থা আমরা ফলো করি শরীরের থেকে আরাম পাওয়ার জন্য শাস্তি থেকে আরাম পাওয়ার জন্য। >> আচ্ছা। >> তো এই চিকিৎসাগুলো কি এগুলো আমরা এখন ডিটেইলসে এখানে আলোচনা করার সুযোগ নেই। এখন যেটা প্রশ্ন হচ্ছে আপনি যে প্রশ্নটা করতেছিলেন করলেন সেটা হলো যে আমরা যে সমপরিমাণে যে ঢুকাবো এটা বুঝবো কিভাবে? রাইট >> এটা সাহাবারাও নবীকে প্রশ্ন করছিলেন যে হুজুর আমরা বুঝবো কিভাবে পাক খাবার পানি বাতাস সমপরিমাণে যে ঢুকাবো তিন ভাগের পাকস্থলীর এক ভাগ খাবার এক ভাগ পানি এক ভাগ বাতাস খালি শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য এই যে সমপরিমাণে ঢুকাবো এটা আমরা বুঝবো কিভাবে তো
হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরেকটা তাদেরকে ইন্সট্রাকশন দিলেন এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে আরেক ইন্সট্রাকশন দিলেন সেটা হলো কি যে তোমরা ক্ষুধা না লাগা পর্যন্ত খাবার খাবে না ক্ষুধা না লাগা পর্যন্ত খাবার খাবে না। আর ক্ষুধার্থ অবস্থায় যখন খাওয়া শুরু করবে ক্ষুধার অনুভূতি থাকতেই খাওয়া বন্ধ করে দিও। ব্যাস সাহাবারা পেয়ে গেলেন সমাধান। তারা পেট খালি রেখে খায়। আর পেট খালি রেখে যারা খায় তারা শারীরিক পরিশ্রম করতে পারে। ভালো যোদ্ধা হয়, ভালো কৃষক হয়। ভালো পরিশ্রমী হয়। আর গলা ভর্তি করে যারা খাবার খায় তারা ভালো যোদ্ধা ভালো পরিশ্রমী তারা পরিশ্রমই করতে পারে না। তাদের ক্লান্তি চলে আসে তাড়াতাড়ি।
পেট খালি রেখে খেলে তারা অসম্ভব পরিশ্রম করতে পারে। তারা অন খুব পাওয়ারফুল যোদ্ধা হতে পারে। এখন যখন পেট খালি রেখে খেয়ে যখন এই শারীরিক পরিশ্রমের কাজগুলো করে তখন তাদের ওই যে বাতাসের চাহিদাটা আর পানির চাহিদাটা অটোমেটিকি ফিলাপ হয়। কিন্তু আমি এখন যেটা বিচার করে আমি এই পর্যন্ত বুঝার পরে আমার আমার নিজস্ব প্রজ্ঞা থেকে এই জিনিসটা যখন আমি বুঝার পরে খুঁজে পাওয়ার পরে আমার কাছে একটা ভাবনা আসলো বর্তমানে তো আমরা বসে শুয়ে জীবনযাপন করি এয়ার কন্ডিশনে থাকি ঘর থেকে বের হলে গাড়ি রিক্সা রিকক্সা থেকে নামি চেয়ার চেয়ার থেকে নামি আবার রিক্সা গাড়ি রিক্সা গাড়ি থেকে নামি
ওর সোফা আর বিসনা এই তো আমাদের জীবন এখন এই জীবনে পেট খালি রেখে খেলেও ওই বাতাস আর পানির চাহিদাটা অটোমেটিকি ফিলাপ হবে না প্ল্যান ওয়াইজ করতে হবে। এখন এই প্ল্যান ওয়াইজ কিভাবে করবো আমরা এটা এটা নিয়ে আমি একটা আমার নির্দিষ্ট একটা ডিজাইন আমি তৈরি করলাম এবং এই ডিজাইনটা আমি না হলেও আমি চার 5000 জটিল জটিল রোগীর উপরে আমি এপ্লাই করলাম এবং এপ্লাই করার পরে আমি যখন সাউল হার্ট সেন্টারে ছিলাম সাউল হার্ট সেন্টারে আমি 2018 থেকে 2022 সাল পর্যন্ত আমি সরাসরি রোগীদের উপরে আমার এই ওয়ান থার্ড ফর্মুলা আমি এপ্লাই করা শুরু করি পরবর্তীতে যে কারণে আমার
চাকরিটা ওখান থেকে চলে যায় যে আমার এই ওয়ান থার্ড ফর্মুলা রোগীদের উপরে এপ্লাই করার কারণে রোগীরা এত ভালো হয়ে যায় এত সুস্থ হয়ে যায় যে বারবার তাদেরকে যে আসতে বলা হয় এখানে আর আসে না তারা রোগী আসে না রোগী কেন আসে না এই অনুসন্ধান করতে করতে দেখা গেল যে আমি ঘন্টার পর ঘন্টা রোগীকে বুঝাই শিখাই এতে রোগী রাস্তা পেয়ে যায় চিনে যায় এই রাস্তায় চললে তাদের আর চেম্বারে চেম্বারে ঘুরার প্রয়োজন হয় না এটা নিয়ে অনেক দ্বন্দ হয় এইজন্য জন্য এই দ্বন্দেই আমি চাকরি আমার একসময় ছাড়া লাগে। তো এখন এইযে এখানে আমি প্রায় 4000 রোগীর উপরে
আমি আমার এই ওয়ান থার্ড ফ্লোর এখন 2018 সালে যে রোগীগুলোকে আমি ইন্সট্রাকশন দিয়েই লাইফস্টাইল এডজাস্ট করি ওরা এখনো আমাকে ফোন করে বলে যে স্যার এখনো ড্রাগ ছাড়া চলতেছি। কোন ওষুধ লাগে না এখনো ভালো আছি। বিশ্বাস করুন এরকম হাজার রোগী আছে। আমি বলতে পারবো যে ওরা এই ওয়ান থার্ড ফর্মুলা ফলো করে ড্রাগ ছাড়াই সুস্থ জীবনযাপন করতেছে। অসংখ্য মানুষ আছে। ম্যান টু ম্যান এগুলো প্রচার হইছে। আমার সার্ভিস সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এখনো দিয়ে যাচ্ছি নিয়মিত। প্রতিদিন বিভিন্ন পরিবারে গিয়ে আমি কাউন্সিলিং করি, সেমিনার করি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সেমিনার করি। আমার যে ন্যাচারোপ্যাথি মেথড যে লাইফস্টাইল কোর্স আমি যে লাইফস্টাইলটা
আমি মানুষকে শিখাই এটার আমি এটার ডিজাইনটার নাম দিছি আমি ন্যাচারোপ্যাথি মেথড লাইফস্টাইল এই ন্যাচারোপ্যাথি মেথড লাইফস্টাইল এই ডিজাইনটা আমি কাউকে যদি শিখাতে চাই থিওরিক্যাল এবং প্র্যাক্টিক্যাল এটা শিখাতে আমার সময় লাগবে মিনিমাম ছয় থেকে আট ঘন্টা এটা আমার সাথে যদি সারাদিনব্যাপী কেউ থাকে আমি তাদেরকে অভিজ্ঞ এই এই ওয়ান ওয়ান থার্ড ফর্মুলা আল্লাহ প্রদত্ত এই শরীরের রুলস এর উপরে আমি বিশেষজ্ঞ করে দিতে পারব এবং সে নিজের জন্য হোক এবং নিজের পরিবারের জন্য হোক অন্তত নিজের পরিবারের ব্যবস্থাপনাটা সে নিজে নিজে করতে পারবে সুস্থ থাকার জন্য। আচ্ছা ভাইয়া এতক্ষণ যে আপনার যে মূল কথাগুলো শুনলাম বা তিন তত্ত্ব এটার
ব্যাখ্যাও দিয়েছেন কিন্তু বাস্তবিকভাবে মানুষ এটা কিভাবে কাজে লাগাতে পারে বলে আপনার যে গবেষণার কথা বললেন সেটা কিভাবে মানুষ কাজে লাগাবে? আচ্ছা বিষয়টা হলো এরকম যে আপনার বা প্রশ্নটা এরকম যে যে আমরা বর্তমান সময়ে যে আমি যেটা বললাম যে বর্তমান সময়ে আমরা ওয়ান থার্ড থিওরি কিভাবে মেন্টেনেন্স করব কিভাবে হ্যাঁ পুষ্টি পানি অক্সিজেনের সমপরিমাণে কিভাবে আমরা বর্তমান সময়ে সমন্বয় করব এখন তো আমরা হার্ড ওয়ার্ক করি না >> সাহাবাদের মতন পেট খালি রেখে এলে হার্ডওয়ার্ক করলে বাতাস আর পানির চাহিদা তো অটো ফিলাপ হতো কিন্তু আমরা তো এখন হার্ডওয়ার্ক করি না ঘরে বসে বসে শুয়ে জীবন যাপন করতেছি এয়ার
কন্ডিশনে থাকি তাইলে আমাদের এখন পানি আর অক্সিজেনের চাহিদাটা কিভাবে সমন্বয় করব খাবারটা না হয় বুঝলাম ওয়ান থার্ড এই যে বর্তমান সময়ে আমাদের যে সমপরিমাণে যে মেইনটেনেন্সের যে ডিজাইনটা যে ডিজাইন আমি করে হাজার হাজার রোগীকে ড্রাগস থেকে বের করে নিয়ে আসছি সিন্থেটিক ড্রাগস থেকে এই ডিজাইনটা যদি আমি এখন আপনাকে বুঝাতে চাই বা দর্শকদেরকে যদি আমি বুঝাতে চাই শিখাতে চাই তাহলে আমার এই যে এত সময় যে আলোচনা শুনলাম এই আলোচনা টা লম্বা হয়ে আরো প্রায় তিন ঘন্টা লম্বা হতে হবে। তো এত লম্বা সময় তো এক ভিডিওতে সবগুলো দেওয়া যাবে না। এজন্য আজকে আমরা আজকের এই ভিডিওতে আজকের
এই আলোচনায় আমরা যে জিনিসটা জানলাম। যে সিন্থেটিক ড্রাগ ছাড়া মানুষ ন্যাচারালি সারাজীবন সুস্থ থাকার যে সহজ যে মেকানিজম সহজ যে সূত্র যেটা আল্লাহ প্রদত্ত শরীরের সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত যে শরীরের রুলস যে রুলস ফলো না করার কারণে আমরা চিকিৎসাবিজ্ঞানের রোগে রোগী হচ্ছি। আবার ওই রুলস ফলো করলে আবার আমার সব রোগ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। সেই রুলসটা কি? সেই দেহতত্ত্বের সূত্রটা কি? সেটা আমি আজকের এই ভিডিওর মধ্যে জানালাম এবং এটা আমরা আজকের ভিডিওতে আমরা মূলত জানলাম। এখন সূত্র কিভাবে আমরা প্রয়োগ করব এইটা ডিটেলসে বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে এইটা ডিটেইলসে বুঝতে হলে আমার আমাকে এরকম আরো দু ঘন্টা আলোচনা করা লাগবে।
এই ডিজাইন নিয়ে তো আমি আজ দীর্ঘ বহু বছর ধরে কাজ করতে বললাম না হাজার হাজার মানুষকে আমি সেবা দিচ্ছি। আর আমি তো আসলে এগুলো প্রচার করি না এজন্য আমাকে কেউ চিনে না জানে না। আমার প্রচারটা হয় মেন টু মেন। ওযে আমি যেমন ধরেন যে একটা পরিবারের সবাই একখানে হলো। আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব বাসায় সবাই একখানে হলো। আমাকে তারা ইনভাইট করলো। করে আমি গেলাম। আমি প্রায় ছয় থেকে সাত ঘন্টা আট ঘন্টা সময় নিয়ে সারাদিন ওদের সাথে বসে আমি এটা থিওরিক্যাল এবং প্র্যাক্টিক্যাল শিখায় দিলাম। এখানে রান্নাবাড়ারও বিষয় আছে। রান্নাবাড়াটা কিভাবে সংশোধন করতে হবে এটাও বিষয় আছে। এটাও আমি শিখায়
দিলাম। আমি আট ঘন্টার সেশনে মানে পুরা থিওরিক্যাল এবং প্র্যাক্টিক্যাল এই ওয়ান থার্ড বর্তমান সময় কিভাবে মেইনটেনেন্স করবো এটার এইরকম পারিবারিক ফ্যামিলি কাউন্সিলিং ফ্যামিলিভাবে করতেছি বা কোন প্রতিষ্ঠানিকভাবে করতেছি কোন অর্গানাইজ যারা করে অর্গানাইজে করলো বিভিন্ন গ্রামে আমার গ্রামের মানুষকে নিয়ে আমি এটা এই সেমিনার করতে চাই কেউ যদি অর্গানাইজ করে আমি বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে আমি গিয়ে এই সেবা দিচ্ছি এখন বর্তমানে যেমন কিছুদিন আগেও এই গত গত সপ্তাহে আমাদের কক্সবাজারে একটা হেলথ ক্যাম্প ছিল। এখানে প্রায় অনেকগুলো রোগী ছিল। অসুস্থ মানুষ ছিল। ওদেরকে আমরা চার পাঁচ দিন থেকে রেখে শিখায় থিওরিক্যাল প্র্যাকটিক্যাল এখানে আমরা শিখায় দিই এই জিনিসগুলো। বা
কয়েকটা প্রতিষ্ঠান আছে। যেমন মাতৃভূমি হার্টকেয়ার লিমিটেড বর্তমানে পল্টনে। এখানে আমার প্রতি সপ্তাহে শনিবারে আমার সেমিনার হয়। এটা আমি থিওরিক্যাল প্র্যাক্টিকে প্রায় তিন ঘন্টা আলোচনা করি। তিন ঘন্টায় আমি এখানে সংক্ষেপে এই ওয়ান থার্ড মেজারমেন্ট কিভাবে মেনটেনেন্স করে রোগীদেরকে আমি শিখায় দেই বুঝায় দেই এরকম কেউ যদি অর্গানাইজ করতে চায় নিজেদের পরিবারের জন্য নিজের প্রতিবেশীদের জন্য আত্মীয়স্বজনের জন্য তো কেউ অর্গানাইজ করতে করে যদি মানে আমার সামনে মানুষ বসায় দিবেন আমি এইটা শিখায় দিব পড়ায় দিব এটা আমার প্রতিদিন প্রতিনিয়ত আমার এই কাজগুলো চলতেছে >> বিভিন্ন জায়গায় তো এইটা কেউ করতে চাইলে আপনার সাথে বা আমার সাথে যোগাযোগ করলে আমি
এটা দেবো ইনশাআল্লাহ। এটা তো করতেছি। এটা আমার কাজ। এটা আমার পেশা এবং নেশা। দুইটাই এখন এটা আমার। >> আচ্ছা। আমি শেষ যেটা শেষের কথা যেটা বলতেছি পৃথিবীর সব মানুষের চাওয়া কিন্তু একটাই। পৃথিবীর সব মানুষের চাওয়া একটাই। সেটা কি চায় মানুষ? মানুষের মানুষ হ্যাপিনেস চায়, সুখ চায়, সুখী হতে চায়। দুনিয়াতেও সুখ চায়, মরার পরেও সুখ চায়। সুস্থতা মৃত্যুর পরে সুস্থতা চায় না সুখ চাই আরাম চায় এই যে আরাম চাই সুখ চাই এটা আছে কোথায় এই সুখ আর সুখ আছে কোথায় যেটা যেখানে আছে সেখানে না খুঁজলে কি পাওয়া যাবে সুখ আছে কোথায় যার যার সুখ তার তার
শরীরের ভিতরেই আছে সুখ না সুখের খনি আছে একেবারে শরীরের ভিতরে যে সুখের খনি আছে এখান থেকে যদি সুখ কালেক্ট করেন মৃত্যু পর্যন্ত সুখের স্বাদ শেষ হবে না আপনি গাছতলাতে থাকলেও যেমন সুখ অনুভব করবেন রাজপ্রসাদে থাকলে আপনি একই সুখ অনুভব করবেন। 100 হাজার ইনকাম করলে যেমন সুখী 10 লাখ ইনকাম করলে আপনি তেমনই সুখী। যে হালতেই থাকুন না কেন আপনি নিজেকে সবসময় সুখী মনে হবে। যদি আপনি শরীরের ভিতরে যে সুখের খনি আছে এখান থেকে যদি সুখ কালেক্ট করেন। এখন শরীরের ভিতরে যে সুখের খনি আছে। আরেকটা কথা মনে রাখবেন সুখ যেখানে আছে সুস্থতাও সেখানে আছে। সুখ আর সুস্থতা
এপিট আর ওপিট। সুখ আছে তো সুস্থতা আছে। সুস্থতা আছে তো সুখ আছে। এখন দুটাই আছে কোথায়? শরীরের ভিতরে। সুস্থতা কিন্তু ফার্মেসিতে ডাক্তারের চেম্বারে আর ওই হাসপাতালে নেই। সুখ সুস্থতাও আছে আপনার শরীরের ভিতরে। এখন সুস্থতা বলেন আর সুখ বলেন। এই দুটো জিনিস আপনার শরীরের ভিতরে যে সুখে ক্ষনি আছে এখান থেকে কালেক্ট করতে হলে কি করতে হবে? একটা কথায় বলা যাবে সেটা হলো যে শরীরের সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত যে শরীরের রুলস ওয়ান থার্ড থিওরি আমি এত সময় যে আলোচনা করলাম এই ওয়ান থার্ড থিওরি ফলো করতে হবে এই ওয়ান থার্ড থিওরি ফলো করা ছাড়া সুস্থতা বলেন আর সুখ বলেন শরীরের
ভিতরে এটা এখান থেকে পাবেন না আমরা তো আসলে শরীরের ভিতরে কেউ সুখ খুঁজি না বর্তমানে সুখ খুঁজি বাইরে একতলা বাড়িটাকে দোতলা বানালে আরো সুখী হব ব্যাংক ব্যালেন্স ডেভেলপ করলে আরো সুখী হব গাড়ি কিনলে আরো সুখী এয়ার কন্ডিশন লাগলে আরো সুখী হব। সুন্দরী দেখে হ্যান্ডসাম দেখে বিয়ে করলে আরো সুখী হব। আমরা মূলত সুখ খুঁজি এগুলোতে। এগুলোতে সুখ আছে। কেমন আছে? মরিচিকার মতন মনে হচ্ছে আছে। হাজার কষ্ট করে যখন আমি এটা অর্জন করি একটা গাড়ি বাড়ি তখন দেখা যায় যে না এগুলোতে তো সুখ নেই। অন্য আরেক জায়গায় সুখ আছে। এগুলোতে সুখ আছে মরিচিকার মত। অরজিনালি সুখ আছে
শরীরের ভিতরে। এখান থেকে সুখ কালেক্ট করুন। যে হালতে থাকুন সুখের স্বাদ পেতে থাকবেন। আর এইটা পাই এখান থেকে সুখ পাইতে হলে সুস্থতা পেতে হলে এক কথায় শরীরের সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত যে শরীরের রুলস আমি যেটা বলতেছি ওয়ান থার্ড থিওরি সেই রুলস আপনাকে ফলো করতে হবে। এটা দেহতত্ত্বের সূত্র। এই সূত্র ফলো করতে হবে। সূত্র ফলো না করলে যেমন অংক শত শত পৃষ্ঠা লিখলেও যেমন অংকের সমাধান হবে না ঠিক সুখের সন্ধান বা সুস্থতার সন্ধান আপনি সূত্র ফলো না করলে শরীরের কাছ থেকে আশা করতে পারবেন না দেখুন একটা জিনিস সবাই শুধু খাবার নিয়ে বলে খাবার না পানি এবং বাতাস খাবারটা
শুধু টাকা পানি এবং বাতাসটা এখনো বিনে পয়সা পাওয়া যায় এই বিনে পয়সার ঔষধ দিয়ে আপনি আপনার 70 পারসেন্ট রোগের সুস্থতা আপনি নিশ্চিত করতে পারবেন শুধু পানি আর বাতাস দ্বারা। আর বাকি 30% আপনার ওই খাবার দ্বারা। তো শুধু খাবার নিয়ে মেনটেনেন্স করলে হবে না। খাবার এবং পানি এবং বাতাস তিনোটাই সমপরিমাণে শরীরের সাথে সমন্বয় করতে হবে।