পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটা ছোট গ্রামে ছোট কুড়ে ঘরে বাস করতেন আশুতোষ বাবু তিনি ওখানকার একটা স্কুলের সামনে একটা ঠেলা গাড়ি নিয়ে ঘুগনি পরোটা বিক্রি করতেন আশুতোষ বাবুরা ছিল খুবই গরীব তার স্ত্রী অসুস্থ মেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে তিনি যে স্কুলের সামনে ঘুগনি পরোটা বিক্রি করতেন সেখানে একদিন ওখানকার এক নেতা এসে আশুতোষ বাবুকে বললেন যদি আপনার এখানে ব্যবসা করতে হয় তাহলে আপনাকে আমাকে ডেইলি 300 টাকা করে দিতে হবে তবেই আপনি এখানে ব্যবসা করতে পারবেন আশুতোষ বাবু এই কথা শুনে ওই নেতার পায়ে পড়ে গিয়েছিলেন বলছিলেন সাহেব আমি এত টাকা আপনাকে কি করে দেব সাহেব আমার তো আর সামান্য কিছু
আয় হয় আমি তাই দিয়ে আমার মেয়েকে মানুষ করছি আমার স্ত্রীকে আমি চিকিৎসা করাচ্ছি দুবেলা দু মুঠো খাচ্ছি সাহেব আমার কাছ থেকে এত টাকা নেবেন না কিন্তু ওই নেতা কোন মতে শুনলো না যখন আশুতোষ বাবু পুরোপুরি বলে দিল যে তার পক্ষে এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয় তখন ওই নেতা আশুতোষ বাবুকে ঠেলে ফেলে দিল পাশে ইট রাখা ছিল সেখানে গিয়ে আশুতোষ বাবু পড়ে যান এবং আশুতোষ বাবুর মাথা ফেটে যায় সেখান থেকে ওই নেতা চলে গিয়েছিল তারপর আশুতোষ বাবু বাড়ি ফিরে আসে কিন্তু বাড়িতে যখন তার মেয়ে সব শুনলো আর বাবার এই অবস্থা দেখল তারপর মেয়ে যা করল যে
ওই নেতার তো শাস্তি হলোই এবং ওই গ্রামের সমগ্র পটভূমি পাল্টে গেল বন্ধুরা কি এমন করেছিল ওই 15 বছরের মেয়ে যার জন্য ওই অত বড় দাপটের নেতা ভয়ে থরথর করে কাঁপছিল জানতে হলে বন্ধুরা এই ভিডিওটিকে শেষ পর্যন্ত দেখুন আর হ্যাঁ এই চ্যানেলে যদি আপনি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই একটা সাবস্ক্রাইব করে আমার এই ছোট্ট পরিবারের সাথে যুক্ত হয়ে যাবেন তাহলে বন্ধুরা শুরু করা যাক আজকের এই এই গল্প শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় ছিল ওই গ্রামের পঞ্চায়েতের প্রধান তার অনেক দাপট এবং তার দাপটে ওই গ্রামের মানুষ থরথর করে কাঁপে এবং তাকে ভয়ও পায় কারণ তার অনুমতি ছাড়া ওই গ্রামের মানুষ
কোন কাজ করতে পারে না এদিকে তো আশুতোষ বাবু স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওই পরোটা ঘুগনি এসব বিক্রি করে তো মোটামুটি ভালোই আয় হয় তাই দিয়ে তার মেয়েকে সে পড়াশোনা করাচ্ছিল এবং তার স্ত্রী চিকিৎসা করাচ্ছিল কারণ তার স্ত্রী বিছানা থেকেই উঠতে পারে না খুবই অসুস্থ সে এই কথা কানে গেল শিবশংকর চট্টোপাধ্যায়ের এবং সে তৎক্ষণাৎ আশুতোষ বাবুর কাছে এসে বলল যে তুমি এখানে তো ভালোই ব্যবসা করছো স্কুলের সামনে ব্যবসা করলে ভালোই আয় হয় তাই এখানে যে ব্যবসা করছো আমার অনুমতি কি একবারও নিয়েছো তখন ওই আশুতোষ বাবু বলেছিলেন সাহেব আমি তো এখানে শুধু সামান্য একটু ব্যবসা করছি সাহেব
এর জন্য কি অনুমতি নেব সাহেব আমি তো কারোর ক্ষতি করছি না বলছে অনুমতি নিতে হতো কারণ এখানে ব্যবসা করতে গেলে আমাকে ডেইলি টাকা দিতে হবে তখন আশুতোষ বাবু বলেছিলেন সাহেব আপনাকে কত টাকা দিতে হবে তখন শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় বললেন যে আমাকে ডেলি 300 টাকা দিতে হবে এবং যার জন্য বন্ধুরা আপনারা প্রথমেই তো শুনলেন যে তার মাথা ফেটে গিয়েছিল কারণ যখন আশুতোষ বাবু টাকা দিতে রাজি হচ্ছিল না তখন শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় তাকে ইটের উপর ঠেলে ফেলে দিয়েছিল এবং যার দরুণ আশুতোষ বাবুর মাথা ফেটে গিয়েছিল কিন্তু যখন সে বাড়ি এসেছিল তখন তার মেয়ে মোনালিসা তার বাবাকে দেখে হাউ হাউ
করে কাঁদতে লাগে এবং তার বাবাকে জিজ্ঞেস করে যে বাবা তোমার এমন অবস্থা কে করল তখন আশুতোষ বাবু সব কথা খুলে বলে সেখানে মোনালিসা আর এক মুহূর্ত দাঁড়ায়নি সে সোজা চলে গিয়েছিল তাদের থানায় থানায় কেসটাকে নেওয়া হয়েছিল ঠিকই কিন্তু যখন ওই প্রধান শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় কে ডেকে পাঠানো হয় সে পুরোপুরি অস্বীকার করে যায় সে এরকম কোন কাজই করেনি এটা কিন্তু পুলিশের সবাই জানতো যে শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় এই কাজটা করেছে কিন্তু প্রমাণের অভাবে পুলিশরাও কিছু করতে পারেনি এবং তারপর থেকে আশুতোষ বাবু ওই স্কুলের সামনে কেন অন্য কোথাও বসতে পারে না কারণ তার মেয়ে মোনালিসা যেহেতু পুলিশে কমপ্লেন করেছে সেই
কারণে শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় তার বাবাকে কোন জায়গায় দোকান নিয়ে বসতে দেয় না এদিকে বাড়ির অবস্থা খুবই শোচনীয় অসুস্থ স্ত্রী তার জন্য ওষুধ লাগে সপ্তাহে সপ্তাহে এত ওষুধ সে কোথা থেকে আনবে এইসব চিন্তা করতে করতে আশুতোষ বাবু একদিন রাত্রেবেলায় হার্ট অ্যাটাক হয়ে মারা যান মোনালিসা প্রচুর কাঁদতে আরম্ভ করল সে ভেবে পাচ্ছিল না সে কি করবে রাগের কারণে চলে গিয়েছিল শিবশংকর বাবুর বাড়ির সামনে কিন্তু বাড়ির গেটে দাঁড়িয়েছিল দারোয়ান মোনালিসাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি দূর দূর করে তাড়িয়ে দিয়েছিল শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় মোনালিসা সেখান থেকে বেরিয়ে রাস্তায় বসে বসে খুব পরিমাণে কাঁদছিল এমন সময় একটা বড় গাড়ি তার সামনে এসে দাঁড়ায় এবং
সেখান থেকে একজন ভদ্রলোক সুটবুট পড়া ভদ্রলোক নেমে আসেন এবং মোনালিসাকে এসে বলে কি ব্যাপার তুমি এখানে বসে কাঁদছো কেন সেই ভদ্রলোকের বয়স কিন্তু খুব বেশি নয় সেই ভদ্রলোকের বয়স মোটামুটি ওই 29 30 বছর হবে সে মেয়েটিকে বলে কি ব্যাপার এখানে বসে কাঁদছো কেন মেয়েটি কোন কথা বলে না সে হাঁটু মুড়ে কাঁদতেই আরম্ভ করে তখন আবার জিজ্ঞেস করে কি ব্যাপার বলো কি হয়েছে তখন মেয়েটা একটু উপর দিকে তাকিয়ে দেখে ওই ভদ্রলোক এবং ভদ্রলোকের চারিপাশে অনেক পুলিশ অফিসার রয়েছে তখন মেয়েটা বলতে আরম্ভ করে ও আপনিও তাহলে পুলিশের লোক আচ্ছা তাহলে আপনাদের আমি কি করবো আমার তো কোন
সমস্যার আপনারা সমাধান করতে পারবেন না আপনারা সবাই এক আপনারা সবাই নেতাদের তোষণ করে চলেন তাই আপনাদের বলে কোন লাভ নেই তখন ওই ভদ্রলোক আবারো বলেন কি হয়েছে কি হয়েছে আমাকে খুলে বলো তখন মোনালিসা কাঁদতে কাঁদতে বলে আমার বাবা একজন গরীব মানুষ ওই স্কুলের সামনে আমার বাবা পরোটা ঘুগনির দোকান দিত এবং এখানকার যে প্রধান শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় তিনি আমার বাবার কাছ থেকে কে ডেইলি 300 টাকা করে চাইলেন কিন্তু আমার বাবা দিতে পারবে না যেই বলল তখন আমার বাবাকে ওই শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় ঠেলে ফেলে দিল আমার বাবার মাথা ফেটে গেল আমি পুলিশের কাছে গেলাম ওরা বলল উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া
ওরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারবে না আমি চলে আসলাম আমাদের খাবার জুটছে না আমার মা অসুস্থ সেই টেনশনে টেনশনে আমার বাবা হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেল আমি কি করবো এখন বলুন আমার সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষা আমি এখন কি করবো বলে দিন এই শিবশংকর চট্টোপাধ্যায়ের কথা ওই ভদ্রলোক যিনি এখানকার আইপিএস অফিসার তার কানে কিন্তু অনেক আগেই পৌঁছেছে কিন্তু প্রমাণ ছাড়া তো কারোর বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেওয়া যায় না তাই শিবশংকর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করার জন্য তিনি মোনালিসাকে আলাদা করে ডেকে নিয়ে যান এবং তার সাথে একটা পরামর্শ করেন এবং মোনালিসাকে বলেও দেন এই পরিকল্পনার কথা যেন মোনালিসা কাউকে না
বলে কাউকে না ওই আইপিএস অফিসার কিন্তু এই পরিকল্পনার কথা কোন পুলিশ অফিসার কেউ বলেননি তৎক্ষণাৎ তিনি সেখান থেকে ওই গাড়িতে করে চলে যান এবং মোনালিসাকে বলে যান তুমি বাড়ি যাও বাড়ি গিয়ে পড়াশোনা করো সামনেই তো তোমার মাধ্যমিক পরীক্ষা তুমি চিন্তা করো না আমি ওই প্রধান শিবশংকর চট্টোপাধ্যায়ের চরম শাস্তির ব্যবস্থা করব সেই প্রমাণ আমি জোগাড় করব মোনালিসা বাড়ি চলে যায় পরের দিন সকাল হয় এবং যা ঘটে সেইদিন আপনারা কেউ বিশ্বাস করতে পারবেন না স্কুলের সামনে আইপিএস স্যার দাড়ি এবং অন্য ধরনের পোশাক পড়ে ওই স্কুলের সামনে ঠেলাগাড়ি নিয়ে চলে যান সেখানে গিয়ে পরোটা এবং ঘুগনি বিক্রি করতে
থাকেন এবং সেই খবর চলে যায় ওই শিবশংকর চট্টোপাধ্যায়ের কাছে শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় ও তার চেলাবেলা নিয়ে সেখানে চলে যায় তখন শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় আইপিএস স্যার কে বলতে লাগলেন কি ব্যাপার তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে তুমি এখানে নতুন তোমার নাম কি স্যার আমার নাম মানুষ হ্যাঁ স্যার আমি এখানে নতুন এসেছি ও তাই আচ্ছা তুমি কি জানো এখানে ব্যবসা করতে গেলে ডেইলি আমাকে 300 টাকা দিয়ে তবে ব্যবসা করতে হবে তখন আইপিএস স্যার বললেন স্যার আমি তো অত টাকা দিতে পারবো না স্যার আমি প্রতিদিন 300 টাকা করে দিলে আমার কিভাবে থাকবে স্যার আমার বাড়িতে অসুস্থ মা রয়েছে শোনো আমি তোমার অত
সব কথা শুনতে চাই না এর আগেও তোমার আগেও এখানে একজন বয়স্ক মানুষ ব্যবসা করতে এসেছিল আমি তাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে এখান থেকে বের করে দিয়েছি তার আর সাহস হয়নি শেষমেষ মারা গেছে সে তাই তুমি এখানে ব্যবসা যদি করতে চাও তাহলে এখানে টাকা দিয়ে তোমার ব্যবসা করতে হবে তখন আইপিএস স্যার বলেছিলেন তাই জোর যার মুল্লুক তার আপনি এরকম কথা কেন বলছেন স্যার আপনি এখানের কে যে আপনার কথা আমি শুনতে যাব আরে তুমি দেখি আমাকে চেনো না নতুন এসেছো নাকি এখানে আমি এখানকার প্রধান শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় আমার অনুমতি ছাড়া এখানে কেউ কিচ্ছু করতে পারে না তখন আইপিএস স্যার
বললেন তাই নাকি তা আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ কিছু করতে পারবে না কেন আপনি প্রধান বলে কি আপনি যা খুশি তাই করবেন আমি পুলিশে কমপ্লেইন করবো আরে ছোকরা তুমি পুলিশে কমপ্লেন করবে আর আমি সব মেনে নেব আমি শিকারী করবো না দেখি কার কত বড় সাহস আমার বিরুদ্ধে পুলিশে কমপ্লেন করে সেই সময় হোহো করে হেসে ওঠে আইপিএস অফিসার আইপিএস অফিসার তখন বলে আপনার সব ভান্ডা আজকে প্রকাশ পেয়ে গেল আপনি তো আজকে হাজতে যাবেনই যাবেন সেই মুহূর্তে শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় বলে তুমি আমাকে হাজতে পাঠাবে তোমার এত বড় সাহস তোমারও আমি সেই অবস্থা করব যেটা হয়েছিল এর আগে ওই বয়স্ক
লোকটার সাথে তুমি শুধু এই স্কুলের সামনে কেন তুমি এই গ্রামের কোন চত্তরেই তোমার এই দোকান পাতাতে পারবে না এই বলে শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় ওই আইপিএস অফিসারকে ঠেলে ফেলে দিতে গেলে প্রচুর পুলিশ যারা ছদ্দবেশে অন্য ড্রেস পড়েছিল তারা সেখানে এসে ওই আইপিএস অফিসারকে ধরে ফেলে তখনই অবাক হয়ে যায় প্রধান সাহেব শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় যে একটা মানুষ পড়ে যাচ্ছে সে এরকম একটা গরীব মানুষ তাকে ধরার জন্য এত মানুষ চলে এসেছে আবার তাদের দেখেও মনে হচ্ছে খুব শিক্ষিত সেই সময় অন্য একজন অফিসার এসে ঠাঁটিয়ে একটা চড় মারে শিবশংকর চট্টোপাধ্যায়ের গালে আপনার এত বড় সাহস কি করে হলো আপনি আইপিএস স্যারের
গায়ে হাত দিতে গেছিলেন বলছে আইপিএস স্যার আইপিএস স্যার কে কে আপনি একটু আগে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে চেয়েছিলেন তিনি হলেন এখানকার আইপিএস স্বরূপ মুখোপাধ্যায় এই কথা শুনে শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় ভয়ে থরথর করে কাঁপতে লাগে আপনি আইপিএস অফিসার আমার ভুল হয়ে গেছে স্যার আমার বড্ড ভুল হয়ে গেছে এরকম ভাবে কাঁদতে কাঁদতে আইপিএস অফিসারের পায়ে পড়ে যায় শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় তখন সেখান থেকে পিছনে সরে দাঁড়ায় আইপিএস স্যার স্বরূপ মুখোপাধ্যায় স্বরূপ স্যার তখন বলেন আপনি এখন আমার কাছে ক্ষমা চাইছেন আপনার নামে আমার কাছে অনেক কমপ্লেন এসেছে আপনি এখানের গরীব মানুষদের প্রতি খুব অত্যাচার করেন যারা দুবেলা দু মুঠো খেতে পায়
না তাদের ওই সামান্য কটা টাকার উপরেও আপনি থাবা বসান কেন শিবশংকর বাবু আপনি বলছিলেন না কয়দিন আগে আপনি একজনকে ঠেলে ফেলে দিয়েছিলেন এখান থেকে এবং তিনি চিন্তায় চিন্তায় গিয়েছিলেন পরবর্তীকালে আর তার মেয়েকেও আপনি আপনার বাড়ি থেকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন আপনি জানেন তাদের বাড়ির অবস্থা কি তারা এখন না খেতে পেয়ে মরতে বসেছে মেয়েটার সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষা সে ঠিকমত পড়াশোনা করতে পারছে না আপনি কি মানুষ শিবশংকর বাবু আপনি কি মানুষ বলুন তো আপনি আজকে যা যা কথা আমার সামনে বলেছেন সমস্ত কথাই ভিডিও রেকর্ড হয়ে গেছে সেই সময় সেখানে এসে উপস্থিত হয় সেই 15 বছরের মেয়ে
মোনালিসা ওই মেয়েটি তখন শিবশংকর চট্টোপাধ্যায়ের সামনে গিয়ে কাঁদতে থাকে কেন করেছিলেন এরকম কেন আমার বাবার সাথে এরকম করেছিলেন আপনি এরকম করেছিলেন বলেই আমার বাবা মারা গেল আমরা কি করে বাঁচছি আপনি জানেন আমাদের খাওয়ার জোটে না কে কাজ করবে এখন আমার মা অসুস্থ আমি 15 বছরের একটা বাচ্চা মেয়ে আমার সামনে পরীক্ষা আপনি কখনো ভেবে দেখেছেন আপনি যে আমাদের মত এসব গরীব মানুষদের প্রতি এরকম অত্যাচার করেন তাদের মানসিক অবস্থা তখন কেমন হয় আপনি সেটা ভেবে দেখেছেন কখনো সেই সময় মোনালিসার কথা শুনে শিবশংকর চট্টোপাধ্যায়ের চোখে জল তিনি হাঁটু গেড়ে বসে যান আর মোনালিসার দুটো হাত ধরে বলে আমায়
ক্ষমা করে দাও মা আমায় তুমি ক্ষমা করে দাও আমি সত্যি বড় অন্যায় করে ফেলেছি শুধু তোমাদের সাথে না সমস্ত মানুষের সাথে আমি অন্যায় করি আমি আর কখনো এরকম অন্যায় করবো না আমাকে তুমি ক্ষমা করে দাও আমার জন্য তোমার বাবা মারা গেছে আজ থেকে তোমার সব দায়িত্ব আমি নিলাম তোমার মায়ের দায়িত্ব আমি নিলাম তোমাকে আমি পড়াশোনা করাবো তুমি অনেক বড় হবে জানিনা এটা করে আমি আমার পাপের প্রায়শ্চিত্ব করতে পারবো কিনা তবু একটু তো মনকে সান্ত্বনা দিতে পারবো যে একটু হলেও পূর্ণ করতে পেরেছি এই পৃথিবীতে এসে শিবশংকর চট্টোপাধ্যায় আরো বলেন তিনি এরপর থেকে কোন পাপ কাজ তো
করবেনই না বরঞ্চ যারা খেতে পান না যারা গরীব মানুষ তাদের দেখাশোনা করবেন বন্ধুরা শিবশংকর বাবু তো বদলে গেল কিন্তু এটা তো নিছকি গল্প এটা যদি সত্যি বাস্তবে হতো প্রত্যেকটা শয়তান নেতারা যদি শুধরে যেত যদি প্রত্যেকটা নেতারা এরকম ভালো হতো তাহলে হয়তো আমাদের রাজ্যের আমাদের প্রত্যেকটা দেশের প্রত্যেকটা রাজ্যের এরকম হাল হতো না বন্ধুরা কেমন লাগলো আজকে আপনাদের এরকম বাস্তব একটা গল্প অবশ্যই কিন্তু বন্ধুরা কমেন্ট করে জানাবেন আর ভালো লাগলে বন্ধুরা একটা সাবস্ক্রাইব করে আমার এই ছোট্ট পরিবারের সাথে যুক্ত হয়ে যাবেন আর হ্যাঁ বন্ধুরা আমি আমার এই পাঠকে আরো ভালো করার চেষ্টা করব আমি কিন্তু এই গল্পটা
লিখি না স্ক্রিপ্ট তৈরি করি না যে তারপরে মুখস্ত করে বলি আমি আপনা আপনি আপনাদের সামনে বলতে থাকি তাই আমি চেষ্টা করব আমার বাচনভঙ্গিকে আরো সুন্দর করার ধন্যবাদ ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আবার আসবো এরকম কোন শিক্ষণীয় ঘটনা নিয়ে