আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন আর আপনারা দেখছেন এমডি ভয়েস টিভি বন্ধুরা আজকের এই ভিডিওতে আমরা বড় পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাই ও এক কালো সাপের বিস্ময়কর ঘটনা সম্পর্কে বলতে চলেছি যা শুনে আপনার মন ছুয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ তাই ভিডিওটি একবারে শেষ পর্যন্ত দেখবেন প্রিয় দর্শক বড় পীর হযরত আব্দুল জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাইহির উপস্থিতি ছিল প্রত্যেকের জন্য রহমত স্বরূপ তাকে জ্বীন এবং মানুষ উভয়ই মেনে চলত তার বয়ান প্রত্যেকে অত্যন্ত মনোযোগের সহিত শুনতো যার কারণস্বরূপ সকলেই বরকত প্রাপ্ত হতো তার সম্মান এতটাই উঁচু ছিল যে তার কথা বা হুকুম শুধুমাত্র মানুষ নয় জিনেরাও মেনে
চলত একটি সাপ বড় পীরকে প্রতিদিন অনুসরণ করতো এবং তার কথা দূর থেকে বসে বসে শুনতো আসলে এই সাপটি ছিল একটি দুষ্টু জিন এ জিনটি সাপের রূপ ধারণ করে বড় পীরকে বিপদে ফেলতে চাইতো কিন্তু অনেকদিন ধরে পরিকল্পনা করার পরেও সে বড় পীরের কোন ক্ষতি করতে পারছিল না কারণ তার সাহস হতো না বড় পীরের উপর হামলা করার এই দুষ্টু জিন যখনই আসতো তখনই সে দেখতো সেখানে অনেক মানুষের সমাগম রয়েছে এদের মাঝে কেউ কেউ বড় পীরের কথা শুনে কান্নাকাটি করতো কিন্তু সাপটির দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে সে বড় পীরকে তার নেক আমল থেকে যেভাবেই হোক সরিয়ে ফেলবে এবং বড়
পীরকে গোমরাহিতে পতিত করবে এই পরিকল্পনা মাফিক সাপের রূপ ধরে থাকা জিনটি বড় পীরের দরবারে এসে চুপচাপ বসে থাকতো যেন বড় পীরকে তার ঈমানের পথ থেকে সরিয়ে দেওয়া যায় এই সাপরূপী জিনটি সবসময় বড় পীরের আশেপাশে অবস্থান করতো কিন্তু অনেক চেষ্টার পরেও সে কোনভাবেই সফল হতে পারছিল না একদিন এই সাপরূপী জিনটি সাহায্য নেয় আর বলে আমি আল্লাহতালার এই অলিকে পাপের মধ্যে ডুবিয়ে দিতে চাই লোকেরা তার জন্য দেওয়ানা হয়েছে তার বয়ান শোনার জন্য পাগল হয়ে থাকে এবং তাকে খুবই সম্মান করে আর এই ব্যাপারগুলো আমার একদম ভালো লাগে না হে শয়তান তুমি আমাকে শক্তি দাও যেন আমি তার পথের
কাটা হয়ে দাঁড়াতে পারি আর সে যেন কাউকে ঈমানের পথে আনতে না পারে আর কাউকে কালিমা না পড়াতে পারে এভাবে সে একদিন শয়তানের কাছ থেকে শক্তি নেয় একদিন গাউসুল আজম তার মাদ্রাসার ছাত্রদের তালিম দিচ্ছিলেন সেখানে অনেক বড় বড় আলেমরা উপস্থিত ছিল তারা সবাই অনেক মনোযোগ এবং আদবের সঙ্গে বয়ান শুনছিল এত বড় জমায়েতে বড় পীর এমন ভাবে বয়ান করছিলেন যে কারো কোন হুশ ছিল না আচমকা একটি সাপ সেই দালানের ছাদ থেকে জমায়েতের মাঝে এসে পড়ে আর সকলের মাঝে মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে আখার আয়তনে এই সাপটি ছিল অনেক বড় সাপটি বড় পীরকে হামলা করে ফলে লোকেরা ভয়ে সেখান
থেকে পালাতে থাকে কিন্তু কিছু কিছু মানুষ যারা বড় পীরকে ভালোবাসতো তারা বড় পীরের চিন্তায় পেরেশান হয়ে ওঠে কিন্তু বড় পীর তার জায়গা থেকে একটু নড়লেন না তার চেহারায় কোন ভয় বা আতঙ্কের ছাপ ছিল না বরং তিনি নিশ্চিন্তে বসে ছিলেন তিনি তখনো তার বয়ান থামাননি সাপটি ধীরে ধীরে তার পায়ের উপরে উঠে বসে এবং ক্রমে তার শরীর মোবারক পেঁচিয়ে ধরে এবং ধীরে ধীরে এই সাপটি বড় পীরের ঘাড়ের উপর উঠে পেঁচিয়ে ধরে কিন্তু এত কিছুর পরেও বড় পীর বিন্দুমাত্র বিচলিত হলেন না এবং তিনি তার বয়ানও থামালেন না দেখে মনে হচ্ছে যেন তার মাঝে এই সাপকে নিয়ে কোন চিন্তাই
নেই এবার সাপটি বড় পীরকে ছেড়ে তার সামনে এসে দাঁড়ায় এবং বড় পীরের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করে আর সাপটি এমন ভাবে দাঁড়িয়েছিল যেন কেউ তার শত্রুকে বহুদিন পর নিজের কবজায় পেয়েছে সাপটি কিছুক্ষণ বড় পীরের সঙ্গে কথা বলে সেখান থেকে চলে যায় লোকেরা অবাক হয়ে এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখতে থাকে লোকেরা ভেবেছিল সাপটি হয়তো বড় পীরের ক্ষতি করবে কিন্তু এমন কিছুই ঘটলো না সেখানে পেরেশানিতে থাকা লোকেরা তার সামনে হাজির হয় আর বলে হুজুর এটা তো একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা এত বড় সাপ যে এতটা ভয়ঙ্কর সে ইচ্ছা করলে এক মুহূর্তে যে কাউকে শেষ করে দিতে পারে কিন্তু সাপ আপনার
কিছুই করতে পারলো না সে আপনার সামনে দাঁড়িয়ে কি বলছিল তখন বড় পীর বললেন তোমরা যে সাপটি দেখেছো সেটি ছিল আমাদের দুশমন সে আমাদের ক্ষতি করতে এসেছিল সে চেয়েছিল এখানে যেন বয়ান বন্ধ হয়ে যায় এবং আল্লাহ এবং তার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জিকির থেমে যায় সে বহুদিন ধরে আমাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করছিল কিন্তু আজ যখন সে সাহস করে আমাকে পেঁচিয়ে ধরে তখন তার মনে হতে থাকে তার সমস্ত শক্তি শেষ হয়ে গিয়েছে এই সাপটি আমার কোন ক্ষতি করতে পারেনি কারণ মহান আল্লাহ তাআলার হেফাজত সবচেয়ে বড় এই সাপটি আমার সামনে এসে বলে হে গাউসুল আজম আমি বহু
আল্লাহওয়ালা ব্যক্তিদের দেখেছি যাদের কেউ নামাজ ছাড়তো না যাদের অন্তর থেকে কখনোই আল্লাহতালার জিকির থামতো না আমি তাদেরকেও ইমামের পথ থেকে সরিয়ে দিয়েছি কিন্তু একমাত্র আপনার সঙ্গে আমি হেরে গেলাম আমি তখন সাপটিকে বলি জীবন এবং মৃত্যুর মালিক একমাত্র আল্লাহ তাআলা আর তুই তো একটি সামান্য সাপ একদিন তোরও মৃত্যু আসবে আল্লাহতালার রহমতে তুই আমার কোন ক্ষতি করতে পারবি না সবথেকে বড় হেফাজতের মালিক তো স্বয়ং আল্লাহ তাআলা এই কথা শুনে সাপটি সেখান থেকে চলে যায় বড় পীর পুনরায় তার বয়ান করতে শুরু করেন এবং মানুষের ভয়কে খতম করে দেন এরপরেও সাপটি তার জেদের উপর অটল ছিল কারণ শয়তান ছিল
তার বন্ধু সে মনে মনে ভাবতে থাকে এই পীর এতগুলো লোকের সামনে তার বয়ান করছিল আর আমি তার কিছুই করতে পারলাম না কিন্তু পরের বার আমি ভয় পেয়ে আর ফেরত আসবো না আমি এই পীরকে তার ঈমান থেকে সরিয়ে ছাড়বো এতই ঘৃণিত ইচ্ছা ছিল এই সাপরূপী জিনটির আসলে এই সাপরূপী জানতোই না যে ইনি কোন সাধারণ পীর নয় ইনি হলেন পীরদের পীর বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাই সাপরূপী এই জিন অপেক্ষা করতে থাকে কোন একদিন পীরকে একা পেলেই তার ক্ষতি করবে এবং ইসলাম থেকে সরিয়ে আনবে একদিন এই সাপরূপী জিনটি সুযোগ পেয়ে যায় একদিন বড় পীর আব্দুল কাদের
জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাই একটি মসজিদে নামাজ আদায় করেছিলেন এবং আল্লাহতালার দরবারে একের পর এক সেজদা করে যাচ্ছিলেন এমন সময় সাপরূপী এই পাপিষ্ঠ জিন পুনরায় হাজির হয় আর ঠিক বড় পীরের জায়নামাজের সেজদার জায়গায় মুখ খুলে বসে থাকে তখন সাপটি খুবই অহংকারের সঙ্গে চিন্তা করছিল এই পীর এখন কি করবে যদি কোন সাধারণ মানুষ হতো সে হয়তো ভয়ে নামাজ ছেড়ে পালিয়ে যেত কিন্তু আমাদের বড় পীর একমাত্র আল্লাহ তাআলা ব্যতীত আর কাউকে ভয় পেতেন না তাই তিনি দাঁড়িয়ে সূরা পাঠ করে যাচ্ছিলেন তার চেহারা মোবারকে কোন ভয়ের ছাপ ছিল না যখন তিনি সিজদায় যেতে লাগলেন সিজদার জায়গা থেকে সাপটিকে এমন ভাবে
সরিয়ে দিলেন যেন সেটি কোন ক্ষতিকর প্রাণী নয় বরং একটি সাধারণ পোকা যার কোন ক্ষতিকর শক্তি নেই কিন্তু সাপটি পিছু হটলো না সে বড় পীরের ঘাড় পেঁচিয়ে ধরলো কিন্তু এবারও বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাই নির্ভিঘ্ন মনে নামাজ পড়তে লাগলেন এবার সাপটি বড় পীরের কুর্তির ভেতর ঢুকে যায় সেটি একপাশ দিয়ে ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বেরিয়ে আসে সাপটি সর্বাত্মক চেষ্টা করতে থাকে বড় পীরের নামাজকে নষ্ট করার কোনো না কোনো সময়ে তো তার নামাজে মনোযোগ নষ্ট হবেই তার নামাজ ছুটে যাবে কিন্তু বড় পীরের সালাত নষ্ট হলোই না বরং তিনি সম্পূর্ণ সালাত আদায় করে সালাম ফিরিয়ে তবে উঠলেন
বড় পীর সালাম ফেরানোর পর সবটি কিছু না বলে সেখান থেকে গায়েব হয়ে যায় সে কোথা থেকে এসেছিল কেন এসেছিল কিছুই বলল না পরের দিন বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী রহমতুল্লাহি আলাই ওই মসজিদে পুনরায় নামাজ আদায় করতে আসেন যখন তিনি মসজিদে প্রবেশ করেন তখন তিনি সেখানে অনেক বড় বড় চোখের একজনকে দেখতে পান সে মসজিদের মাঝে অনেক অসহায় অবস্থায় দাঁড়িয়েছিল আর সে অসহায় দৃষ্টিতে বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাইহিকে দেখছিল বড় পীরের অনেক মুরিদ ছিল যারা ছিল জিন বড় পীর এ জিনকে দেখে বুঝে যান এটি আর কেউ নয় এ হলো একজন জিন সে অনেক দুর্বল অবস্থায়
বড় পীরের সামনে আসে এবং হাত জোড় করে মাফ চাইতে থাকে এবং বিলাপ করে কাঁদতে থাকে এরপর কান্না থামিয়ে সেই জিন বলে আমি তো এক জাহান্নামী জিন যে আপনাকে প্রতিটি সময় বিরক্ত করে গিয়েছি আমি তো বেশ কয়েক মাস ধরে এ কারণে বসে থাকতাম আপনাকে যেন আপনার কাছ থেকে সরিয়ে ফেলতে পারি আর মানুষের চোখে আপনার সম্মানকে শেষ করতে পারি আমি সেই সাপ যে আপনাকে আপনার রাস্তা থেকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলাম আমি এর পূর্বেও বহু আল্লাহওয়ালা ব্যক্তিকে তাদের ইবাদত থেকে সরিয়ে দিয়েছি কিন্তু আপনার মত আর কাউকে পাইনি যাকে আমি ইবাদত থেকে সরাতে ব্যর্থ হয়েছি আমি না আপনার বয়ানকে থামাতে
পেরেছি না আপনার নামাজ থেকে আপনাকে সরাতে পেরেছি শয়তানের কাছ থেকে শক্তি নিয়েও আমি আপনার আল্লাহতালা মহব্বতকে শেষ করতে পারিনি এবার বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাই বললেন লোকদের বাহবা পেতে আমি কোন কাজ করি না আমি শুধুমাত্র কাজ করি মানুষকে আল্লাহর পথে নিয়ে আসার জন্য আল্লাহর ইবাদতের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য আর এই কারণে জিনেরাও আমার উপর বিশ্বাস রাখে এরপর সে জিন বলে ওস্তাদ আপনি আমার জন্য দোয়া করবেন আমি মুসলিম হতে চাই আর এরপরে এই জিন বড় পীরের হাতেই মুসলিম হয়ে যাই তো বন্ধুরা কেমন লাগলো আমাদের আজকের এই ভিডিওটি কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন আজ তাহলে এই
পর্যন্তই আপনারা ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ