আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলে ভালো আছেন আর আপনারা দেখছেন এমডি ভয়েস টিভি বন্ধুরা আজকের এই ভিডিওতে আমরা এক হিন্দু তান্ত্রিকের কালো জাদু এবং আল্লাহর একজন অলির ঈমানী শক্তির একটি বিষয়কর ঘটনা সম্পর্কে বলতে চলেছি যা শুনে আপনার মন ছুয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ তাই ভিডিওটি একবারে শেষ পর্যন্ত দেখবেন বহু দশক আগের কথা সে সময়ে ইয়েমেনে একজন মুসলিম বাদশা শাসন করতেন সেই বাদশাহ ছিলেন অত্যন্ত ভালো একজন মানুষ তিনি আল্লাহতালার ওলিদের অত্যন্ত সম্মান করতেন এ বাদশার একজন নেককার ফকিরের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়েছিল এবং সেই নেককার ফকির সবসময় বাদশার সঙ্গে থাকতেন অর্থাৎ বাদশার যখনই কোন প্রয়োজন হতো তখনই সেই দরবেশ
বাদশার দরবারে চলে আসতেন কিন্তু এত কিছুর পরেও সেই বাদশার একটি খারাপ অভ্যাস ছিল কারণ সেই বাদশা যখনই কোন সুন্দরী নারীকে দেখতেন তখন কোনো না কোনো উপায় তাকে নিজের দরবারে নিয়ে আসতেন এবং এবং বাদশা চাইতেন এ সুন্দরী নারীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ না হয়ে সারাটি জীবন কাটিয়ে দিতে তার এই খারাপ অভ্যাস দেখে সে নেককার ফকির বাদশাকে অনেকবার সাবধান করেছিলেন ফকির বলতেন আপনার কোন নারীকে পছন্দ হলে তাকে বিয়ে করে নিন ইসলামে বিয়ে করা অনেক ভালো একটি কাজ কিন্তু ইসলামে জেনা করা অনেক বড় একটি গুনাহ আপনি অবৈধভাবে আপনার জন্য নন মাহরাম এমন নারীকে নিয়ে আসছেন এবং যা কাজ
করছেন এটি সত্যি অনেক বড় একটি গুনাহ বা বাদশাহ ফকিরের সব কথা শুনলেও এই কথাটি কিছুতেই মানতে চাইতো না বরং সে উল্টো বলতো দেখো আমি একজন বাদশা তুমি আমার বন্ধু এটাই তো তোমার অনেক বড় ভাগ্য আর আমি একজন বাদশা হয়ে তোমার সব কথা শুনতে পারবো না এ নেককার ফকির বাদশার এ সমস্ত কথা শুনে চুপ হয়ে যেত এবং সে ভাবতো এই বাদশাকে উপদেশ দেওয়া একদমই বোকামি এর থেকে আমি বাদশার সঙ্গেই থাকি একদিন না একদিন বাদশা আমার কথার মর্ম ঠিকই বুঝতে পারবে একদিন অনেক জোরে ঝড় তুফান শুরু হয় এ ঝড়ে বাদশার বন্ধু সে নেককার ফকিরের ঘর উড়ে যায়
তাই পরের দিন বাদশার সিপাহীরা এসে সে ফকিরকে বলল বাদশা আপনাকে তলব করেছেন কিন্তু তখনই সে নেককার ফকিরের স্ত্রী এসে বলে তোমাকে বাদশার কাছে এখন যেতে হবে না বাদশাহ কি তোমার খোঁজখবর ঠিকমত রাখেন তিনি তোমাকে একটি মহল বানিয়ে দিচ্ছেন না কেন বাদশার কাছে যাওয়ার আগে নিজের ঘর মেরামতের ব্যবস্থা করো একথা শুনে নেককার ফকির অনেক কষ্ট পেল সে বলল দেখো আমার বন্ধু আমাকে অনেক কিছু দিয়ে দিতে চাই কিন্তু আমি সেগুলো নিই না কিন্তু তাদের এই কথোপকথন সেখানে উপস্থিত সিপাহীরা শুনে ফেলে এবং তাদের মাঝে একজন বাদশার কাছে গিয়ে বাদশাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে সিপাহী বাদশাকে বলে ফকিরের স্ত্রী
বলেছে আপনি ফকিরের বন্ধু হয়েও আজ পর্যন্ত তাকে একটি মহল বানিয়ে দেননি এবং তার কোন উপকার করেননি এরপর একদিন বাদশাহ ফকিরকে বলে আপনি আমার বন্ধু আপনি শুধু আমাকে একটিবার অনুমতি দিন আমি আপনাকে একটি মহল বানিয়ে দেব আমার ঘরে যে সমস্ত দামি আসবাপত্র রয়েছে ঠিক সেই রকম দামি আসবাবপত্র আমি আপনার মহলে দেব আমার মহলে যতজন চাকর রয়েছে ঠিক ততগুলো চাকর আমি আপনার সেবা নিয়োগ দেব একথা শুনে ফকির বলল আমি আপনার সঙ্গে এই কারণে বন্ধুত্ব করিনি যে আমি বন্ধুত্বের সুযোগ নেব আর হ্যাঁ আমার স্ত্রী রাগের মাথায় এ সমস্ত কথা বলেছিল আমার যে ঘরটি ঝড়ে ভেঙে গিয়েছিল আমি পুনরায়
তা ঠিক করে ফেলেছি এবং আমার স্ত্রী আমার কথাগুলো পরে ঠিকই বুঝতে পেরেছে এরপরের দিন বাদশা এবং ফকির দুজন একসঙ্গে শিকারে বের হয় ফকির বরাবরের মতোই ঘোড়ার বদলে পায়ে হেঁটে চলতে থাকে এবং বাদশা ঘোড়ায় চড়ে চলতে থাকে চলতে চলতে বাদশার অনেক তৃষ্ণা পায় তখন ফকির তাকে একটি গাছের ছায়া নিচে অপেক্ষা করতে বলে এবং সে নিজে পানির খোঁজে বের হয় কিছুদূরে যেতে সে একটি পুকুরের সন্ধান পায় সে পুকুরের পানি ছিল অনেক পরিষ্কার পথ চলতে চলতে সে ফকিরের অনেক তৃষ্ণা পেয়েছিল সে ভাবলো প্রথমে আমি কিছুটা পানি পান করি এরপর বাদশাকে এখানে ডেকে নিয়ে আসবো বাদশার অনেক খারাপ অভ্যাস
থাকলেও ফকির তাকে মন থেকে ভালোবাসতো ফকিরের অল্প পানি পান করেই বাদশাকে ডাকতে রওনা হবে ঠিক তখনই তার চোখে একটি পাথরের মূর্তি ফকির মূর্তিটি দেখে অবাক হয় এবং ভাবে একটি নারী মূর্তি কিভাবে এতটা সুন্দর হতে পারে এবং সে মনে মনে বলতে থাকে ইস এখনই যদি এই মূর্তির মাঝে জীবন চলে আসতো এবং সে পথ চলতে শুরু করতো সে ফকির জানতো বাদশাহ আল্লাহওয়ালা লোকদের অনেক পছন্দ করলেও সে কিন্তু সুন্দরী নারীদের প্রতি অনেক বেশি দুর্বল বাদশা এই পাথরের মূর্তিটিকে দেখলে সে অবশ্যই বলবে এই মূর্তিটিকে নিয়ে আমার মহলে চলো এ ভেবে ফকির ওই পাথরের মূর্তিকে একটি ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে ফেলে
এরপর সে বাদশার কাছে ফিরে এসে সে পুকুরের কথা বলে এবং দুজনেই সেই পুকুরের নিকটে গিয়ে নিজেদের তৃষ্ণা নিবারণ করে এরপর বাদশাহ সে ফকিরকে কিছু লাকড়ি জোগাড় করতে বলে যাতে সেগুলো দিয়ে মাংস রান্না করে খাওয়া যায় এরপর ফকির লাকড়ি জোগাড় করতে চলে যায় এবং বাদশা নিজে সেখানে আরাম করতে থাকে থাকে কিছুটা সময় পর বাদশা প্রকৃতিকে উপভোগ করতে বাদশা যখন এদিক সেদিক ঘুরতে থাকে তখনই তার চোখ একটি ঝোপের আড়ালে যায় বাদশার মনে হতে থাকে ঝোপের আড়ালে কিছু একটা রয়েছে তাই বাদশা ঝোপের নিকট এগিয়ে যায় এবং সে একটি পাথরের মূর্তি দেখতে পায় বাদশা ঝোপটি সরিয়ে দেখে এত সুন্দর
একটি নারী মূর্তি যা সে আজ পর্যন্ত দেখেনি এ বাদশা শুরু থেকে নারীদের প্রতি দুর্বল ছিল বাদশা মূর্তিটিকে দেখতেই থাকে এবং সে কোনভাবে চোখ সরাতে পারছিল না তখন সে ফকির লাকড়ি হাজির হয় ফকিরকে দেখে বাদশাহ বলে বন্ধু আমি তোমাকে হুকুম দিচ্ছি এই মূর্তিটিকে নিয়ে আমার মহলে চলো তখন সে ফকির বলল কিন্তু বাদশা আমরা এই মূর্তিকে নিয়ে এখান থেকে যেতে পারবো না আমার মনে হয় এই মূর্তিকে কেউ কোন খাস কাজে তৈরি করেছে এবং সে ব্যক্তিরা এই মূর্তিকে পূজা করে অর্থাৎ এই মূর্তি কোন অমুসলিম তৈরি করেছে হতে পারে এই মূর্তি তাদের কোন দেবী আপনি যদি এই মূর্তিকে এখান
থেকে নিয়ে যেতে চান তাহলে হয়তো অকারণে এখানে দাঙ্গা ফ্যাসা সৃষ্টি হবে ফকিরের এই কথা শুনে বাদশা খুবই রাগান্বিত হয়ে যান এবং তিনি বলতে থাকেন তুমি এমন কে যে আমাকে এই মূর্তিটি দখল করতে বাধা দিচ্ছ হোক এই মূর্তি কোন অমুসলিমের আমার এই মূর্তিকে পছন্দ হয়েছে আমি এই রাজ্যের রাজা আমি যা খুশি তাই করতে পারি আমার এই মূর্তিকে পছন্দ হয়েছে আমি এই মূর্তিকে আমার সঙ্গে নিয়ে যাব এরপরও ফকির বাদশাকে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করে এবং বলে হুজুর মানুষ আপনাকে অনেক সম্মান করে এ কাজ করলে তারা সবাই আপনার বিরোধী করবে আপনি এই কাজটি করবেন না আজ পর্যন্ত আপনি তো
কারো উপর জুলুম করেননি কিন্তু আপনি আজ এই সামান্য মূর্তির কারণে আমার উপর আঙ্গুল তুলছেন এতদিন বাদশাহ এবং ফকিরের বন্ধুদের মাঝে মহান আল্লাহতালা ছিলেন কিন্তু এই নারী মূর্তির কারণে তাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি হয়ে গেল সে ফকির ছিল একজন আল্লাহওয়ালা ব্যক্তি কিন্তু বাদশাহ এই মূর্তির জন্য দেওয়ানা হয়ে গিয়েছিল তাই সে নিজের বন্ধুত্বকে কুরবানি দিচ্ছিল এরপর বাদশাহ বলে আজকের পর থেকে আমি তোমার মুখ দেখতে চাই না তুমি এখন এখান থেকে চলে যেতে পারো আমি তোমাকে আমার সামনে আর দেখতে চাই না তুমি আজকে আমার বিরোধিতা করছো তখন ফকির বলল বাদশা আমি আপনার ভালোর জন্যই আপনার বিরোধিতা করছি আপনি যদি
এই মূর্তিকে এখান থেকে নিয়ে যান তবে আমার মনে হচ্ছে আপনি কোন না কোনো বিপদে পড়বেন আপনি বুঝতে পারছেন না কিন্তু আমি বুঝতে পারছি মহান আল্লাহতালা জানেন এবং তিনি একমাত্র এ বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারেন আপনি মহান আল্লাহতালার কাছে দোয়া করুন তিনি যেন আপনাকে এ বিপদ থেকে উদ্ধার করেন তা না হলে আপনি অনেক বড় সমস্যায় পড়ে যাবেন এবং আপনি এখান থেকে বের হতে পারবেন না বাদশাহ অবাক হয়ে দেখতে থাকে এই পুরাতন কাপড় পরা ফকির তাকে বারবার একই কথা বলছে এতে করে তার রাগের পরিমাণ আরো বেড়ে যায় এবার বাদশার ক্রোধ চরম সীমায় উঠে যায় এবং সে সিপাহীদেরকে
ডেকে আনে এবং সিপাহীদেরকে আদেশ করে এ ফকিরকে এখান থেকে অনেক দূরে ফেলে দিতে সঙ্গে সঙ্গে বাদশার সিপাহীরা সে ফকিরকে এই জঙ্গল থেকে দূরে সরিয়ে রেখে আসে এরপর বাদশা দেয় সিপাহীরা এই মূর্তিটিকে এখান থেকে তুলে আমার মহলে নিয়ে চলো আমি এই মূর্তিটিকে অনেক পছন্দ করেছি এমন সুন্দর মূর্তি আমি আজ পর্যন্ত কোথাও দেখিনি সিপাহীরা এই কথা শুনে সেই মূর্তিটিকে সে জমিন থেকে তুলতে যাবে ঠিক তখনই সেখানে প্রচন্ড ঝড়ের সৃষ্টি হলো মাটি কাঁপতে শুরু করল এবং সেখানে আজাব চলে আসলো তারা সেই জমিনে অর্ধেক দাফন হয়ে গেল কিন্তু তারা কেউ মারা যায়নি বাদশা অবাক হয়ে এ সমস্ত ঘটনা দেখতে
থাকে এবং ভাবতে থাকে থাকে এখানে কি হচ্ছে আচমকা সেই বাদশার সামনে একটি বদকার চেহারা লোক এসে হাজির হয় বাদশা সেই জমিনে অর্ধেক ঘিরে থাকা অবস্থায় সে লোকটিকে জিজ্ঞাসা করে তুমি কে জবাবে সেই বদকার চেহারা লোকটি বলল আমি একজন জাদুকর তুমি আমার মূর্তির গায়ে হাত দিয়ে অনেক বড় ভুল করেছো এখন তোমার সঙ্গে যা হবে তা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না আমি এখন তোমাকে বলে দেব তখন বাদশা বলল তোমার সাহস হলো কিভাবে আমার সঙ্গে এমন ভাবে কথা বলার তুমি জানো না আমি কত শক্তিশালী একজন বাদশা এবার জাদুকর বলে তুমি যদি শক্তিশালী হতে তবে তুমি এই জমিনের মাঝে
এমন ভাবে দাফন হয়ে যেতে না তুমি আমার খোদার গায়ে হাত লাগিয়ে অনেক বড় ভুল করেছো তুমি তোমার নাপাক হাত আমার খোদার উপর দিয়েছো তুমি আমার খোদাকে তোমার মহলে নিয়ে যেতে চেয়েছিলে তুমি এই কাজ করে কি প্রমাণ করতে চেয়েছিলে তুমি মুসলিম হয়ে যা খুশি তাই করতে পারবে বাদশাহ বলল আমি এই মূর্তিটিকে অনেক পছন্দ করেছি এবং আমি চেয়েছি এই মূর্তিটি আমার সাথেই থাকুক তখন জাদুকর বলল এই মূর্তি আমার দেবী আর আজকে আমি তোমাদের সবাইকে আমার দেবীর সামনে বলে দেব তখন বাদশাহ বিপদ টের পেল এবং সেই পেরেশান হয়ে পড়লো এবং ভাবতে থাকলো আমার বন্ধু ঠিকই বলেছিল আমি অনেক
বড় একটি বিপদে পড়েছি ইয়া মহান আল্লাহতালা আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন একটি সামান্য নারী মূর্তির ফেতনায় পড়ে আমি আমার দরবেশ বন্ধুকে আমার চোখের সামনে থেকে দূর করে দিয়েছি আর এখন তো সে ইচ্ছা করলেও আমার কাছে আর ফিরে আসতে পারবে না বাদশা আরো দোয়া করতে থাকে ইয়া মহান আল্লাহতালা আপনি আমাকে সাহায্য করুন আমি পথভ্রষ্ট হয়ে গিয়েছিলাম এখন এই পৌত্তলিক জাদুকর আমাদের সবার গলা কাটবে এই হিন্দু জাদুকর আমাদের সবাইকে এই দেবীর সামনে বলি দেবে ইয়া মহান আল্লাহতালা আমরা এমন নির্মম মৃত্যু চাই না ইয়া মহান আল্লাহতালা আপনি আমাদের ক্ষমা করে দিন এরপর থেকে আমি আর কোন নারীর দিকে
কখনো বদনজর দেবো না আমার বন্ধু আমাকে অনেকবারই বুঝিয়েছে আজও সে আমাকে বোঝাতে চেয়েছে আমি যেন এই মূর্তিকে ছুঁয়ে না দেখি ইয়া মহান আল্লাহতালা আমাদের একটিবার সাহায্য করুন যখন বাদশাহ এমন দোয়া করছিল তখন তার মনে হলো তার কানে একটি আওয়াজ আসছে যখন সে পেছনে ফিরলো তখন সে দেখতে পেল তার বন্ধু সেই নেককার আল্লাহওয়ালা ব্যক্তি সেখানে দাঁড়িয়ে আছে তখন বাদশাহ বলল বন্ধু তুমি এসেছো জবাবে ফকির বলল হ্যাঁ বাদশা আমি আপনাকে ফেলে কিভাবে চলে যাই আমি জানতাম আপনি অবশ্যই কোনো না কোনো বিপদে পড়বেন আমি এসে গেছি এবং আল্লাহতালার রহমতে আমরা অবশ্যই সফল হব এরপর সেই হিন্দু জাদু ফকিরের
কাছে এসে বলে তুমি কি বলছো তুমি আমার থেকে বড় হতে পারো না জবাবে এসে ফকির বলে আমি যাকে মানি তিনি সবার থেকে বড় তিনি আমাদের রব তিনি সমস্ত ক্ষমতার মালিক তুমি যার ইবাদত করো সে হলো তোমার হাতে বানানো একটি সামান্য মূর্তি এবং তুমি এই মূর্তির পূজা করো এই মূর্তির সামনে সেজদা করো কিন্তু এই মূর্তি নিজে চলতে পারে না কিন্তু আমাদের রবকে কখনো কোন নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না তিনি সর্বক্ষমতার অধিকারী তিনি জীবনদাতা ও মৃত্যুদাতা এ সমস্ত কথা সেই হিন্দু জাদুকর অনেক রোধান্বিত হলো এবং সে বলল এবার আমি তোমার উপর সেই মন্ত্র পড়বো এবং এই মন্ত্রের
শক্তিতে তুমি জ্বলে পড়ে ছারখার হয়ে যাবে এরপর আমি তোমার এই বাদশাকেও মেরে ফেলবো যখন সেই হিন্দু জাদুকর মন্ত্র পড়তে শুরু করল তখন ফকির মনে মনে আল্লাহতালার কাছে দোয়া করতে শুরু করল ইয়া মহান আল্লাহতালা এই ব্যক্তি আপনাকে মিথ্যা সাব্যস্ত করতে চায় সে আপনাকে ছেড়ে এই মূর্তির পূজা করে আপনাকে ব্যতীত এই মূর্তিকে সিজদা করে সে আপনার সৃষ্ট মানুষকে এর মূর্তির সামনে কেটে হত্যা করতে চায় ইয়া মহান আল্লাহতালা আপনি এ জাদুকরকে দেখিয়ে দিন আমরা যার এবাদত করি সে সবার বড় তার সামনে সবই তুচ্ছ দরবেশ যখন এ দোয়া করছিল ঠিক তখনই মহান আল্লাহতালা সেই মূর্তির মাঝে প্রাণ দেন সেই
মূর্তি যে চলতে পারতো না কথা বলতে পারতো না মহান আল্লাহতালার কাছে জিন্দা মানুষে পরিণত হয়ে গেল এবং জিন্দা হয়ে এসে জাদুকরকে বলল তুমি আমার এবাদত করো আমার পূজা করো কিন্তু আমাকে বলো আজ পর্যন্ত আমি তোমাকে কি দিয়েছি তুমি অযথা নিরীহ মানুষ আমার সামনে হত্যা করছো হিন্দু জাদুকর অবাক হয়ে সেই পাথরের মূর্তিকে দেখছিল এ মূর্তি কিভাবে জিন্দা হয়ে গেল সে কিভাবে কথা বলছে হিন্দু জাদুকর সেই ফকিরকে বলতে থাকে তুমি নিজেও একজন জাদুকর নিশ্চয়ই এটি তোমার কাজ জবাবে সেই দরবেশ বলল এটি আমার কেরামতি নয় এটি আমার রবের কেরামতি তিনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা এরপর ফকির বলে জাদুকর তুমি এবার
মেনে নাও আল্লাহতালা এক এবং অদ্বিতীয় তাহার কোন শরিক নেই তখন জাদুকর বলল আমি মানছি এবং তোমার আল্লাহর উপর ঈমান আনছি এবং আমি মুসলিম হচ্ছি এরপর সে মটকি বাদশাকে বলে আপনি সবসময় বেগানা নারীদের উপর নজর দিয়েছেন গুনাহ করেছেন আপনি যদি আমাকে সত্যিই পছন্দ করে থাকেন এবং আমাকে আপনার কাছে সারাজীবন রাখতে চান তবে আমাকে বিয়ে করতে হবে বাদশাহ বলল আমি তোমাকে বিয়ে করব এরপর বাদশাহ তাকে নিয়ে মহলে চলে গেল এবং বিয়ে করে নিল এবং তাকে তার রাজ্যের রানী করে নিল সুবহানাল্লাহ [মিউজিক]