সিরিয়াল কিলার ডাক্তার হ্যাঁ আজ কথা বলবো ভারতবর্ষের এমন এক সিরিয়াল কিলার কে নিয়ে যে পেশায় একজন ডাক্তার ছিল পুলিশের জালে ধরা পড়ার পর সে বলেছিল আজ অব্দি কতজনকে খুন করেছি সঠিক মনে নেই তবে 50 টা খুন করার পর থেকে আর কখনো হিসেব করে গুনে দেখিনি কি ভয়ানক স্বীকারক্তি ভাবতে পারছেন এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার চুরি থেকে বেয়নি কিডনি প্রতিস্থাপন অপারেশন প্রাইভেট ট্যাক্সি চুরি থেকে শখ খানিক মানুষকে কুমিরের মুখে ছুড়ে দেওয়া ভারতবর্ষের এই নিঃশংস ডাক্তার এমন অদ্ভুত অদ্ভুত সব কান্ড ঘটিয়েছে যা শুনলে আপনাদের শিরদা দিয়ে ঠান্ডা স্রোত নামতে বাধ্য কিন্তু একটানা 11 বছর ডাক্তারি করার পর একজন ডাক্তারের
মাথায় সিরিয়াল কিলার হওয়ার নেশায় বা চাপলো কেন কি এমন হয়েছিল যার বদলা নেওয়ার জন্য একটার পর একটা মানুষকে কুমির দিয়ে খাইয়ে দিত এই ডাক্তার আর কিভাবে বা জেল থেকে পালিয়ে এক বিধবাকে বিয়ে করে সংসার পেতেছিল সে নমস্কার আমি সুজয় নীল কথায় বলে ডাক্তার নাকি সৃষ্টিকর্তার রূপ কারণ তারা মানুষের জীবন বাঁচায় কিন্তু আজকের এই ভিডিওতে আমি কথা বলবো এমন এক ডাক্তারকে নিয়ে যে নিজের বদলা নেওয়ার জন্য শতাধিক নিরীহ মানুষকে নিঃশংসভাবে হত্যা করেছিল আর তাই ভারতবর্ষের এই সিরিয়াল কিলার ডাক্তারকে ভারতীয় মিডিয়ার নাম দিয়েছিল ডক্টর ডেথ অর্থাৎ মৃত্যুর ডাক্তার কাউকে বিশ্বাস করে ঠকে যাওয়ার পর একজন ঠকে যাওয়া
মানুষ যে কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে আজকের গল্পটা সেটারই জলজ্যান্ত উদাহরণ তাহলে আর দেরি না করে চলুন শুরু করা যাক চাল 1958 উত্তরপ্রদেশের আলীগ গ্রামে জন্ম হলো দেবেন্দ্র কুমার শর্মার দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্ম হলেও নিজের পড়াশোনার আর মেধার জোরে ব্যাচেলর অফ আয়ুর্বেদা মেডিসিন এন্ড সার্জারি অথবা বিএমএস ডিগ্রি লাভ করে দেবেন্দ্র তখন 1984 সাল বিহারের সিওয়ান থেকে আয়ুর্বেদিক ডাক্তারের ডিগ্রি অর্জন করে দেবেন্দ্র সরাসরি পাড়ি দেয় রাজস্থানের জয়পুরে সেখানে গিয়ে বান্দিকি নামের একটা জায়গায় নিজস্ব ক্লিনিক খুলে বসে দেবেন্দ্র এই ক্লিনিকটার নাম ছিল জানতা হসপিটাল এন্ড ডায়াগনোস্টিক এর আগে 1982 সাল নাগাত দেবেন্দ্র বিয়েও করেছিল এভাবেই কেটে যায়
10 টা বছর নিজের ক্লিনিক রোগী আর পরিবারের লোকজনদের নিয়ে ঝঞ্ঝা জীবন কাটছিল দেবেন্দ্রের প্রতিদিনে বেশ কিছু টাকাও সঞ্চয় হয়েছে সেই সময় এক চেনা জানা আত্মীয় মারফত দেবেন্দ্র খোঁজ পায় এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার ডিলারশিপের বিষয়ে দেবেন্দ্রকে বোঝানো হয় গ্যাসের ব্যবসায় বিশাল লাভ রয়েছে ভোলা ভালা দেবেন্দ্র সেই কথায় বিশ্বাস করে নিজে জমানো 11 লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে বসলো সেই ব্যবসায় আজ থেকে 30 বছর আগে 11 লক্ষ টাকা মানে আজকের দিনে সেটা প্রায় 68 লক্ষ টাকার সমান কিন্তু দুদিন বাদেই সেই ব্যবসা লাটে উঠে গেল আর সেই গ্যাস কোম্পানিও দেবেন্দ্র পুরো টাকাটা লুট করে চম্পট দিল চিরজীবনের মতো সর্বশান্ত হয়ে
দেওয়ালে পিঠ থেকে গেল ডাক্তার দেবেন্দ্র কুমার শর্মার কিন্তু তারপর ভোলা ভালা দেবেন্দ্র কুমার এমন রূপ ধারণ করল যা হয়তো কেউ কল্পনাও করতে পারেনি কি সেই রূপ সেটা জানতেই আমাদের ঢুকে পড়তে হবে ভিডিওর দ্বিতীয় অধ্যায়ে সর্বশান্ত হওয়ার পর যখন দেবেন্দ্র কুমারের পিঠ দেওয়ালে ঢেকে গেছে তখনই একটা অবৈধ কাজের অফার এলো তার কাছে যেটা সাকসেসফুলি করে ফেলতে পারলেই প্রতিটা কেস বাবত বেশ কয়েক হাজার টাকা হাতে আসবে কি সেই কাজ বেয়নি কিডনি প্রতিস্থাপন ওই শুরু হলো দেবেন্দ্র কুমারের পাপের দুনিয়ায় পথ চলা কিছুদিন বাদেই দেবেন্দ্র কুমার সিদ্ধান্ত নিলেন যে গ্যাসের বিজনেসে নেমে তিনি সর্বশান্ত হয়েছিলেন সেই বিজনেসের মাধ্যমেই তিনি
আরো বড় স্কেলে জালিয়াতি শুরু করবেন ঠিক কেমন ছিল সেই জালিয়াতি চক্র এবার সেটাই বলবো 1995 সালে নিজের গ্রামের কাছে ছড়া নাম নামক এলাকায় একটা জালি গ্যাস এজেন্সি খুলে বসে দেবেন্দ্র কুমার আর সেই এজেন্সির মারফত লখনৌ থেকে বেয়নি ভাবে আনানো গ্যাস সিলিন্ডার গুলো সে চড়া দামে বিক্রি করতে থাকে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিন্তু বারবার পুলিশের চোখ এড়িয়ে লখনৌ থেকে গ্যাস সিলিন্ডার আনানো সম্ভব নয় বলে একটা মারণ বুদ্ধি ফেঁদে বসে ডক্টর ডেথ সে পাশের দালালপুর গ্রামের তিন সমাজবিরোধী বেদবীর উদয়বী বীর এবং রাজের সঙ্গে যোগাযোগ করে আর তারপরেই ডক্টর ডেথ শুরু করে নিজের মার্ডার গেম লখনৌ থেকে আলীগড়ের পথে
যে এলপিজি সিলিন্ডার বোঝায় ট্রাকগুলো আসতো সেই ট্রাক গুলোকে বন্দুক দেখিয়ে দাঁড় করাতো দেবেন্দ্র কুমারের দলবল প্রাণের ভয়ে ড্রাইভার গাড়ি থামালেই গাড়িতে হামলা চালাতো উদয়বী বীর এবং বেদবীর আর ওদিকে গাড়ি থেকে ড্রাইভারকে নামিয়ে তাকে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দিত ডাক্তার দেবেন্দ্র কুমার এবং রাজ মিলে কিন্তু দাঁড়ান এখানেই গল্প শেষ নয় তারপর সেই ড্রাইভারের কি হতো আর ওই ট্রাকটাকে কিভাবে লোকের নজর এড়িয়ে বিক্রি করতো ডাক্তার ডেথ এবার কথা বলবো সেটা নিয়ে গ্যাস ডাকাতির পর যখন উদয়বীর আর বেদবীর মিলে ট্রাকের সমস্ত পার্টস আলাদা আলাদা ভাবে খুলে মেরাট অথবা লখনৌতে বিক্রি করতে ছুটতো ঠিক তখনই অন্যদিকে দেবেন্দ্র কুমার এবং রাজ
মিলে অপারেশন করে কিডনি বের করে নিত ওই ট্রাক ড্রাইভারের কিন্তু ডেড বডি সেটার কি হবে এই পরিস্থিতিতেই সবচেয়ে নিঃশংস খেলাটা খেলতো ডক্টর ডেথ দেবেন্দ্র কুমার সে ওই মৃত ড্রাইভারদের বডি নিয়ে সোজা পাড়ি দিত কাশগঞ্জ এলাকার হাজারা খালের উদ্দেশ্যে কেন কারণ ওই হাজারা খালে কুমির ভর্তি ছিল ড্রাইভারদের ডেড বডি একবার ওখানে ফেলে দেওয়া মানে পুলিশ জীবনেও সেই ডেড বডি খুঁজে পাবে না আর সত্যি সত্যি সেটাই হলো প্রায় দু বছর ধরে এভাবেই একটার পর একটা ট্রাক লুটে তার ড্রাইভারকে মেরে কিডনি বের করে নেওয়ার মারণ ধান্দা চালাতে লাগলো ডাক্তার দেবেন্দ্র কুমার কিন্তু তারপরেই একটা এমন ঘটনা ঘটলো যার
জন্য দেবেন্দ্র কুমারের সেই ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে হলো ট্রাক লুটতে লুটতে বেপরোয়া হয়ে ওঠা দেবেন্দ্র কুমাররা একদিন এমন একটা ট্রাকে হামলা চালালো যেটা উত্তরপ্রদেশের এক ক্যাবিনেট মিনিস্টারের নিকট আত্মীয় ট্রাক ছিল এই ট্রাকটা লুট করার পরেই পুলিশ উঠে পড়ে লাগলো ট্রাক ডাকাতদের গ্রেফতার করার জন্য এই সার্চ অপারেশনে দেবেন্দ্র কুমার এবং তার দলবল ধরা পড়লো ঠিকই কিন্তু সেটা শুধুমাত্র গ্যাস সিলিন্ডার ডাকাতির কেসে পুলিশ হাজার চেষ্টা করেও ওই ড্রাইভারদের মৃতদেহ গুলো কিছুতেই উদ্ধার করতে পারলো না ফলে মাত্র তিন বছর জেলে কাটিয়ে 2000 সাল নাগাত জামিনে ছাড়া পেয়ে যায় ডক্টর দেবেন্দ্র কুমার এবার হয়তো আপনারা ভাববেন তিন বছর জেলে থাকার
পর নিশ্চয়ই দেবেন্দ্র কুমারের শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছিল কিন্তু সেটা 100 শতাংশ ভুল ভাবনা কারণ দেবেন্দ্র কুমার বুঝে গেছিল ডেড বডি খুঁজে না পেলে পুলিশ চাইলেও বেশিদিন তাকে জেলে আটকে রাখতে পারবে না তাই জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর আরো বড় পরিসরে মারণ খেলা শুরু করে দেবেন্দ্র কুমার নিজের পরবর্তী টার্গেট হিসেবে সে বেছে নেয় নিরীহ ট্যাক্সি ড্রাইভারদের ভিডিওর পরবর্তী অধ্যায়ে কথা বলবো সেই সিরিয়াল কিলিং এর ঘটনাগুলো নিয়েই জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর সোজা রাজস্থানের জয়পুরে পাড়ি দেয় দেবেন্দ্র কুমার সেখানে গিয়ে আবারো একটা ক্লিনিক খুলে বসে সে কিন্তু যে সিরিয়াল কিলার একবার রক্তের স্বাদ পেয়ে গেছে সে নিজেকে
কিছুতেই মারণ খেলায় অংশগ্রহণ করা থেকে আটকাতে পারে না তাই দেবেন্দ্র কুমারের এই ক্লিনিকটা ছিল জাস্ট একটা আই ওয়াশ যাতে কেউ তাকে সন্দেহ না করে ক্লিনিক খুলে বসার কিছুদিন পর থেকেই শিকার শুরু করে ডক্টর ডেড সে এবার টার্গেট করে দিল্লি ফরিদাবাদ গাজিয়াবাদ এবং গুরুগাঁও এর ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে থাকা ট্যাক্সি ড্রাইভারদের সে প্রথমে একজন ধোপদস্থ ভদ্রলোরক সেজে ট্যাক্সি ড্রাইভারদের সঙ্গে দেখা করতো আর তারপর প্রত্যেককেই বলতো আমি আজ রাতে আলীগাড় যেতে চাই আমাকে পৌঁছে দিতে হবে ডাবল টাকা দেবো এই ডাবল পেমেন্টের কথা শুনে অভাবী ট্যাক্সি ড্রাইভাররা সঙ্গে সঙ্গে রাজিও হয়ে যেত এরপর রাত্রিবেলা ট্যাক্সি যেই আলীগের ফাঁকা হাইওয়েতে উঠতো
ঠিক তখনই দেবেন্দ্র কুমার ট্যাক্সি ড্রাইভারদের বলতো আমার বাথরুম পেয়েছে ট্যাক্সিটা একটু সাইড করো ব্যাস এরপর যেই সেই ট্যাক্সি ড্রাইভার গাড়িটাকে হাইওয়ের একপাশে সাইড করতো সঙ্গে সঙ্গে একটা লোহার তার দিয়ে সেই ড্রাইভারের গলার নলিটা পেঁচিয়ে দিত ডক্টর ডেথ তারপর আর কি সেই একই পুরনো পদ্ধতি প্রথমে গাড়ি ড্রাইভ করে নিজের আস্তানায় ডেড বডি নিয়ে যাওয়া তারপর সেই ড্রাইভারের কিডনি বের করে নেওয়া এবং অবশেষে ড্রাইভারের ডেড বডিটাকে হাজারা খালির কুমিরদের দিয়ে খাইয়ে দেওয়া আর অন্যদিকে ওই ট্যাক্সির পার্টস গুলো আলাদা আলাদা ভাবে খুলে কাজগঞ্জ কিংবা মেরঠে বিক্রি করে দেওয়ার কাজটাও করতো দেবেন্দ্র কুমারই এভাবেই প্রায় 125 খানা অবৈধ কিডনি
প্রতিস্থাপন এবং প্রায় 100 টারও বেশি মার্ডার করে নিশংস সিরিয়াল কিলার ডক্টর ডেথ কিন্তু জানলে চমকে যাবেন দেবেন্দ্র কুমারের এই রক্ত ভেজা খেলার কথা ঘোরাখোরেও টের পায়নি ওর পরিবারের লোকজন এমনকি দেবেন্দ্র কুমারের স্ত্রী পর্যন্ত আয়ুর্বেদ চিকিৎসা করেই সংসার চালায় দেবেন্দ্র কিন্তু অবশেষে কিভাবে পুলিশের জালে ধরা পড়লো ডক্টর ডেথ এবার বলবো সেই গল্পটাই না সিরিয়াল কিলিং এর জন্য পুলিশের জালে ধরা পড়তে হয়নি ডক্টর ডেথ দেবেন্দ্র কুমারকে আসলে 2004 সালে ডাক্তার অমিত কুমার নামের আরেক ডাক্তারকে বেয়নি কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের জন্য গ্রেপতার করতে গিয়েই দেবেন্দ্র কুমারের নামটা সামনে আসে পুলিশের তাই সেই অপরাধের ভিত্তিতেই গুড়গাঁও থেকে দেবেন্দ্র কুমারকে গ্রেপতার করে
পুলিশ কিন্তু বাংলায় একটা প্রবাদ আছে না কেঁচো খুরতে কেউ উঠে দেবেন্দ্র কুমারের ক্ষেত্রে ঠিক সেটাই হলো পুলিশ যখন দেবেন্দ্র কুমারের পাস্ট রেকর্ড ঘেটে দেখে যে সে ইতিমধ্যেই জেলখাটা আসামি তখনই পুলিশের সন্দেহ হয় যে 125 খানা কিডনি প্রতিস্থাপন করার মত রিসোর্স দেবেন্দ্র কুমারের কাছে এলো কোথা থেকে এই বিষয়ে প্রথম মুখ খোলে ডাক্তার অমিত কুমার আর অমিত কুমারের বলা তথ্যের উপর ভিত্তি করেই সিরিয়াল কিলার ডক্টর ডেথকে থার্ড ডিগ্রি জেরা করা শুরু করে পুলিশ এরপর একটা সময় এমন আসে যখন মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে পুলিশের কাছে গড়গড় করে নিজের পাপের কীর্তিগুলো বলে দেয় ডাক্তার দেবেন্দ্র কুমার পুলিশকে
দেবেন্দ্র কুমার জানায় আজ অব্দি কতজনকে খুন করেছি সঠিক মনে নেই তবে 50 টা খুন করার পর থেকে আর কখনো হিসেব করে গুনে দেখিনি গোটা পুলিশ ডিপার্টমেন্ট চমকে যায় ডক্টর ডেথের ইহান নিশংস স্বীকারক্তি শুনে একজন আয়ুর্বেদিক ডাক্তার শতাধিক মানুষকে খুন করে কুমির দিয়ে খাইয়ে দিয়েছে এই খবরটা মিডিয়ার কাছে পৌঁছতেই তোলপার সৃষ্টি হয় সারা ভারতবর্ষ জুড়ে মিডিয়া পৌঁছে যায় দেবেন্দ্র কুমার শর্মার বাড়িতে ক্যামেরার সামনে দেবেন্দ্র কুমারের স্ত্রী বলেন আমি হতবাক হয়ে গেছি খবরটা শুনে কি বলবো বুঝতে পারছি না আমার স্বামী যদি সত্যিই দোষী হয় তাহলে যেন ওর কঠোর থেকে কঠোরতর শাস্তি হয় আজকের পর থেকে ওর সঙ্গে
আমাদের কোন যোগাযোগ নেই আদালত যেন ওকে ওর পাপের সাজা দেয় কিন্তু আদালত কি সত্যি সত্যি দেবেন্দ্র কুমার ওরফের ডক্টর ডেথকে তার প্রাপ্য সাজা দিতে পেরেছিল ভিডিওর শেষ অধ্যায় থাকবে সেই গল্পটাই 2004 সালে রাজস্থান কোর্টের তরফ থেকে দেবেন্দ্র কুমার শর্মাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মূর্ত করা হয় 2007 সালে ফরিদাবাদ কোর্ট দেবেন্দ্র কুমারের পাশাপাশি তার দুই সঙ্গীকেও এক ট্যাক্সি ড্রাইভারকে খুন করার অপরাধে কারাদণ্ডের আদেশ দেয় 2008 সালে গুরগাঁও কোর্টের তরফ থেকে 21 জন ড্রাইভারকে খুন করার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনানো হয় দেবেন্দ্র কুমার শর্মাকে কিন্তু তারপরেও ডক্টর ডেথের মতন নিশংস সিরিয়াল কিলারের হাসি হয় না 2004 সাল থেকে 2020 সাল
অব্ধি 16 বছর জেল খাটার পর অবশেষে 2020 সালের জানুয়ারি মাসে 20 দিনের প্যারলে জেল থেকে ছাড়া হয় দেবেন্দ্র কুমার শর্মাকে কিন্তু জেল থেকে ছাড়া পেতেই পালিয়ে যায় দেবেন্দ্র কুমার শর্মা আর তারপর এক বিধবাকে বিয়ে করে নিজের পরিচয় গোপন করে সে নিশ্চিন্তে দিল্লির বারপোলা এলাকার 10 নম্বর গলিতে জীবনযাপন করা শুরু করে এদিকে এত বড় মাপের একজন দাগী আসামি পালিয়ে যাওয়ায় রাতের ঘুম উড়ে যায় পুলিশ ডিপার্টমেন্টের দিল্লি পুলিশের নারকোটিক সেলের তরফ থেকে একটা স্পেশাল টিম তৈরি করা হয় শুধুমাত্র ডক্টর ডেথকে খুঁজে বের করার জন্য টানা পাঁচ মাস দিন-রাত এক করে সার্চ অপারেশন চালায় ইন্সপেক্টর রাম মনাহার এবং
তার দলবল অবশেষে 2020 সালের জুন মাসে আবারো পুলিশের হাতে ধরা পড়ে নিশংস সিরিয়াল কিলার ডক্টর ডেথ তবে তারপর আরো চার চারটে বছর কেটে গেছে কিন্তু আজও ভারতবর্ষের এই সাইকো সিরিয়াল কিলার ডাক্তারকে ফাঁসি কাঠে ঝোলাতে পারেনি ভারতীয় আইন ব্যবস্থা শতাধিক নিরীহ মানুষকে মেরে তাদের পরিবারকে তচনচ করে দিয়েও বহাল তবিয়তে জেলের ভাত খাচ্ছে ডক্টর ডেথ অথচ আমরা সবটা জেনেও কিছুই করতে পারছি না এখন ডক্টর দেবেন্দ্র কুমারের 66 বছর বয়স আর কয়েক বছর পরেই হয়তো এমনি এমনি মারা যাবে সে তাহলে এক্ষেত্রে মৃতদের পরিবার কি আদৌ কোন জাস্টিস পাবে উত্তরটা আমাদের সবারই জানা কিন্তু ওই যে সাধারণ মানুষের আইন
ব্যবস্থার উপর কথা বলার কোন অধিকার নেই যাই হোক বললে অনেক কথাই বলা যায় কিন্তু সেগুলো বললে অযথা বিতর্ক সৃষ্টি হওয়া ছাড়া আদতে কোন লাভ হবে না তাই আজকের ভিডিওটা এখানেই শেষ করছি দেখা হবে নতুন কোন ভিডিওতে সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন নমস্কার اللہ