দ্রুতগতিতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছানো আদি যুগ থেকেই মানুষের স্বপ্ন তাইতো প্রথম চাকার আবিষ্কার পৃথিবীর প্রাচীনতম সুমেরিয় সভ্যতাকে এক অনন্য শিখরে নিয়ে যায় কিন্তু সে সময়ের তুলনায় বর্তমান যুগের পরিবর্তন হচ্ছে অনেকটা আলোর গতিতে আর এই টেকনোলজিক্যাল অ্যাডভান্সমেন্টের জন্যই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ইলন মাস্ক আমেরিকার এই উদ্যোক্তা রীতিমত বদলে দিচ্ছে মানুষের জীবনমান অত্যাধুনিক গাড়ি থেকে শুরু করে মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসবাসের আশা এখন অনেকটাই হাতের কাছে একমাত্র ইলন মাস্কের জন্যে এতসব উদ্ভাবনের পরও থেমে নেই পৃথিবীর এলিয়েন খ্যাত ইলন মাস্ক এবার তিনি নতুন আরেক সম্ভাবনার কথা জানালেন নিজেই যেখানে ঢাকা থেকে আমেরিকা পৌঁছানো যাবে মাত্র 30 মিনিটে
অনলাইনে টাকা লেনদেনের প্রতিষ্ঠান পেপাল থেকে শুরু করে একে একে বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির প্রতিষ্ঠান টেসলা ও মহাকাশ যান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্সপো প্রতিষ্ঠা করে ইলন মাস্ক চমকে দিয়েছেন পুরো পৃথিবীকে এদিকে মহাকাশ যাত্রায় এক অকল্পনীয় বিপ্লব এনেছেন তিনি যেখানে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য রকেট বুস্টারস তৈরি করে এই শিল্পকে নিয়ে গেছেন মানুষের চিন্তার বাইরে তার সবশেষ সাফল্যের মধ্যে রয়েছে স্টারশিপের হেভি বুস্টারকে একটি চপস্টিকের মাধ্যমে মাঝ আকাশেই ধরে ফেলা যা হেভি বুস্টারকে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আবার ব্যবহার করার জন্য বেশ উপযোগী করে তুলেছে স্টারশিপের এর হেভি বুস্টার সফলভাবে পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠে ল্যান্ড করাই মানুষকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেয়ার নতুন
দরজা খুলে দিয়েছে 397 ফুট উচ্চতার স্টারশিপটি হচ্ছে ইলন মাস্কের তৈরি সবচেয়ে বড় রকেট যা 100 থেকে 150 টন সামগ্রী মহাকাশে পৌঁছে দিতে সক্ষম এছাড়া এটি এক গ্রহ থেকে আরেক গ্রহেও 100 জন যাত্রী নিয়ে পাড়ি দিতে সক্ষম বলে ইলন মাস্ক দাবি করেছেন তবে এটি অদূর ভবিষ্যতের পরিকল্পনা কিন্তু বর্তমানে ইলন মাস্কের এই স্টারশিপ আবারো আলোচনায় এসেছে পৃথিবীর মধ্যেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেয়ার সম্ভাবনা নিয়ে যেখানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স এর একটি বার্তায় ইলন মাস্ক নিজেই বলেন যে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ রুটে স্টারশিপের মাধ্যমে যাত্রীদের যেকোনো জায়গায় মাত্র 30 মিনিটেই পৌঁছে দেয়া সম্ভব এছাড়া বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকায় এটি বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের ব্যাপার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স এর একটি পোস্টে একজন ব্যবহারকারী তুলে ধরেন স্পেস এক্স এখন দেশটির ফেডারেল এভিয়েশন এডমিনিস্ট্রেশন থেকে অনুমতি নিয়ে স্টারশিপের আর্থ টু আর্থ ফ্লাইট চালু করতে পারবে মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স এর ওই পোস্টের রিপ্লাই হিসেবেই ইলন মাস্ক বলেন দিস ইজ নাউ পসিবল এদিকে স্পেস এক্স এমনই একটি সিস্টেমের কল্পনাও করে আসছে যেখানে স্টারশিপ পৃথিবীর বাইরের অরবিটে সমান্তরাল ভ্রমণ করে একসাথে প্রায় 1000 যাত্রীকে খুব দ্রুত এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পৌঁছে দিতে [মিউজিক] পারবে ইলন মাস্কের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আমেরিকার লস এঞ্জেলেস থেকে কানাডার টরন্টো শহরে
পৌঁছাতে সময় লাগবে মাত্র 24 মিনিট এছাড়া লন্ডন থেকে নিউইয়র্কে আসতে সময় লাগবে 29 মিনিট আর দিল্লি থেকে সানফ্রান্সিস্কো পৌঁছাতে সময় লাগবে মাত্র 30 মিনিট সেই হিসেবেই ঢাকা থেকেও আমেরিকা পৌঁছাতে 30 মিনিটের বেশি সময় প্রয়োজন হবে না হাজার হাজার কিলোমিটারের এই পথ সাধারণ বিমানযায় যেখানে বেশ কয়েক ঘন্টা সময় নেয় ঠিক সেখানেই ইলন মাস্কের স্টারশিপ তা কমিয়ে কিছু মুহূর্তে নিয়ে আনতে সক্ষম এখন অপেক্ষার পালা কবে নাগাত স্টারশিপের এই যাত্রী সেবা জনসাধারণের জন্য শুরু হবে ইস্তিয়াক হোসেন দেশ টিভি [মিউজিক] اللہ