সাল 2020 সময়টা জুন মাসের দিকে ঢাকা বাংলাদেশ স্কুল কলেজ অফিস আদালত সবকিছুতে ঝুলছে তালা তালার উপর মাকরসা জালও বনতে শুরু করেছে চারদিকে নিশ্চুপ রাস্তায় গাড়ি ঘোরাও তেমন নেই রোহান বয়স হবে 17 কি 18 স্কুলের গন্ডি এখনো পেরোয়নি টিনেজ বয়স এতদিন অব্দি যেই অভ্যাসটা ছিল না সেই অভ্যাসই তাকে গ্রাস করেছে চারদিকে যখন লকডাউন কাজ বলতে গুরুত্বপূর্ণ তেমন এমন কিছুই নেই নেই হোমওয়ার্ক কিংবা অ্যাসাইনমেন্টের চাপ সুযোগ নেই বিকালে বন্ধুদের সাথে খেলার রোহান তখনই ঘরে বসেই যে নেশায় ফেসে গেছে তা হলো স্ক্রিন অ্যাডিকশন সহজ কথায় মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেটের নেশা খোঁজ নিয়ে দেখা গেল তার মোবাইলের স্ক্রিন টাইম
প্রাক লকডাউনের থেকে বেড়ে গেছে প্রায় 60 শতাংশ রোহানের গল্পটা ফিকশন হলেও আপনার নিজের সাথে কিছুটা মিল পান রোহানের জায়গায় কি নিজেকে এতক্ষণ কল্পনা করছিলেন না যদিও আমাদের আজকের কেস সিস্টেম লকডাউন কে নিয়ে না আমাদের আজকের গল্প প্রত্যেক মুহূর্তে হারিয়ে যাওয়া ক্রম রাসমান আমাদের মনোযোগ কে নিয়ে একটু চিন্তা করে দেখুন তো আপনি ছোটবেলায় যেই মনোযোগ সহকারে বই পড়তে পারতেন এখন কি তা পারেন হাজার চেষ্টা করেও কি কোন কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত একটানা কাজটা করতে পারেন আমাদের আজকের ভিডিওর সমস্ত রিসার্চ আমাদেরকে বলছে আধুনিক দুনিয়ার বেশিরভাগ মানুষই তা পারে না কিন্তু মূল সমস্যাটা আসলে কি এভাবে চলতে
থাকলে এই আধুনিক দুনিয়ার ভবিষ্যৎই বা কি এর সমাধানী বাকি আদৌ আমরা আমাদের এই হারানো মনোযোগ বা ফোকাস কে ফিরিয়ে আনতে পারবো কিনা সব মিলিয়ে আমাদের আজকের কেস স্টাডি একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি শুরু করছি একটা রিয়েল লাইফ এক্সাম্পল দিয়ে তাহলে সম্পূর্ণ বিষয়টা খুব সহজে এক্সপ্লেইন করা সম্ভব একটা সময় টেস্ট ক্রিকেটে ছিল সব ভক্তরা দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসতো টেস্ট খেলা দেখতে ঘন্টার পর ঘন্টা স্টেডিয়ামে বসে স্লো কিংবা অত্যন্ত ধীরগতির টেস্ট খেলা দেখতো সেই টেস্ট খেলা যা শেষ হতে সময় লাগতো গোটা পাঁচ দিন এবার একবার নিজেকে কল্পনা করুন ঘন্টার পর ঘন্টা মনোযোগ দিয়ে টেস্ট খেলা দেখছেন একদিন দুদিন তিনদিন
পারবেন অনেকেই এখনো থাকতে পারেন যারা নিয়মিত টেস্ট খেলা উপভোগ করেন কিন্তু বাস্তবতা হলো আমাদের বেশিরভাগ মানুষকে মাথায় রেখেই একে একে ওয়ানডে আর টিটয়েন্টির আবির্ভাব কোন কোন স্পেশাল লিগে টি টেন খেলাও হয় কারণটা কি জানেন আধুনিক দুনিয়ার বেশিরভাগ মানুষের মনোযোগ কম মোটা দাগে অ্যাটেনশন স্প্যান কম এবং সবচেয়ে কষ্টের বিষয় দিন দিন মোমেন্ট বাই মোমেন্ট আমাদের প্রত্যেকের অ্যাটেনশন স্প্যান কমছে হয়তো আপনিও ভাবছেন ভিডিও তো অনেক দেখা হলো এবার স্ক্রল ডাউন করে অন্য কিছু দেখি ক্রম রাসমান মনোযোগ আমাদের কিভাবে এবং কত দিক থেকে বিপদের মুখে ফেলছে তা বুঝতে আমাদের নিজেদের মনোযোগকে একটু টাইট করে ধরতে হবে ধৈর্য ধরতে
হবে অল্প একটু ইফ ইউ থিংক ইউ ক্যান ফোকাস ফর লং ইউ আর রাইট কথাটা সিএনএন এর একটি আর্টিকেলের হেডলাইন যেখানে এটেনশন স্প্যাম গ্রাউন্ড ব্রেকিং টু রিস্টোর ব্যালেন্স হ্যাপিনেস এন্ড প্রোডাক্টিভিটি বইয়ের লেখক ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার প্রফেসর ডক্টর গ্লোরিয়া মার্কের একটি সাক্ষাৎকার পাওয়া যায় সাক্ষাৎকার অনুযায়ী ডক্টর গ্লোরিয়া মার্কের গবেষণা বলছে 2004 সালে মানুষের অ্যাটেনশন রেট বা মনোযোগের দৈর্ঘ্য ছিল আড়াই মিনিট কিছু বছর পর তা হয়ে যায় 75 সেকেন্ড আর বর্তমান সময়ের ডাটা বেশ ভয়ঙ্কর আধুনিক দুনিয়ার মানুষের মনোযোগের দৈর্ঘ্য এক মিনিটেরও কম মাত্র 47 সেকেন্ড অর্থাৎ মাত্র 47 সেকেন্ড পর মানুষ যেকোনো কাজে তার মনোযোগকে হারিয়ে ফেলে মাইন্ড
ডাইভার্ট হয়ে যায় অথবা ভিন্ন কোন কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে একের পর এক ভিডিও স্কিপ করে অন্য ভিডিও দেখার পিপাসাও আপনার ব্রেইনে ঠিক এই কারণেই তৈরি হয় পড়ার টেবিলে বসে বই খুলে পড়তে বসলেও ঠিক এ কারণেই কিছুক্ষণ পর পর ভিন্ন কিছু করতে মন চায় পড়তে আর ইচ্ছা করে না কিন্তু কাজের এই বারবার পরিবর্তন আমাদের কি পরিমাণ হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে তার হিসাব কি আমরা রাখি কাজের এই বারবার পরিবর্তনকে আমরা অনেক সময় বলি একসাথে কয়েকটি কাজ করা ইংরেজিতে যার নাম দেওয়া হয়েছে মাল্টিটাস্কিং কিছু ক্ষেত্রে মাল্টিটাস্কিং কে স্কিল হিসেবেও গণনা করা হয় কিন্তু আসলেই কি তাই মাল্টিটাস্কিং প্রসঙ্গে
প্রফেসর মার্ক বলছেন উইথ এক্সেপশন অফ ফিউ রেয়ার ইন্ডিভিজুয়ালস দেয়ার ইজ নো সাচ থিং এজ মাল্টিটাস্কিং ইউ ক্যান নট ডু টু ইফোর্টফুল থিংস এট দা সেম টাইম অর্থাৎ কিছু ক্ষেত্রবাদে মাল্টিটাস্কিং বলে কিছু নেই মানুষ চাইলেই প্রচেষ্টামূলক বা ইফর্ট দিতে হয় এরকম দুটো কাজ একসাথে করা সম্ভব না ধরুন আপনি পড়তে বসেছেন হঠাৎ একটা নোটিফিকেশনের আপনি চেক করলেন আবার পড়তে বসলেন আপনি হয়তো ভাবছেন পড়াশোনা থেকে আপনার মনোযোগ একটুও সরেনি আপনি একই সাথে পড়ছেন এবং নোটিফিকেশন চেক করছেন সোজা কথায় আপনি স্কিলফুল বা মাল্টিটাস্কিং এ পারদর্শী কিন্তু বাস্তবতা হলো দ্যা মোর পিপল মাল্টিটাস্ক মোর এরর দে মেক ব্যাপারটাকে আরেকটু বুঝিয়ে
বলি গবেষণা বলছে আমরা যখনই এক কাজ থেকে আরেক কাজে সুইচ করি আমাদের মনোযোগও এক কাজ থেকে আরেক কাজে সুইচ হয় আর মনোযোগের এই দ্রুতগতির হুট হার্ট পরিবর্তন মানুষের স্ট্রেস বাড়িয়ে দেয় ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায় হার্টের গতি বাড়তে থাকে সাইকোলজিক্যাল স্ট্রেস মানসিক অবসাদ তৈরি করে প্রফেসর ডক্টর মার্কের কথা অনুযায়ী দ্যা মোর পিপল মাল্টিটাস্ক মোর এরস দে মেক সোজা কথায় মানুষ যত বেশি মাল্টিটাস্কিং করে সে তত বেশি ভুল করতে থাকে কাজের কাজ হয় না হয় হিতে বিপরীত এখন মনে প্রশ্ন জাগতে পারে মনোযোগের দৈর্ঘ্য কম হওয়ার কারণেই যদি আমরা মাল্টিটাস্কিং এ আগ্রহী হই কোন কাজে ঠিকমত ফোকাস করতে
না পেরে যদি ভুল করতে থাকি তাহলে আসল দোষটা ক্রম রাসমান মনোযোগেরই হওয়া উচিত হ্যাঁ কথা সত্য কিন্তু আরেকটি প্রশ্ন উঠে আসে আমাদের মনোযোগ কেনই বা দিন দিন এত বেশি কমছে গার্ডিয়ানের একটি আর্টিকেল বলছে ইউর এটেনশন ডিডেন্ট কলাপস ইট ওয়াজ স্টোলেন অর্থাৎ আমাদের মনোযোগকে চুরি করা হয়েছে কিন্তু কে করবে এই চুরি উত্তর হলো আধুনিক টেক দুনিয়া আপনার হাতে থাকা মোবাইলটি মোবাইলের ইন্টারনেটটি ফেসবুক instagram সহ কমপক্ষে ছয়টি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ যা আপনি নিজেই আপনার ফোনে ইনস্টল করেছেন আপনি জানলে হয়তো অবাক হবেন মর্ডান এই টেক দুনিয়া চলছেই আপনার শর্ট এটেনশন স্প্যান কে পুঁজি করে কথাটাকে প্রমাণ করতে আরেকটু
গভীর আলোচনার প্রয়োজন সিবিএস নিউজের একটি সূত্র বলছে ওয়ার্ল্ড নাম্বার ওয়ান মোস্ট ডাউনলোডেড অ্যাপ ইজ টিকটক পুরো পৃথিবীব্যাপী মানুষ সবচেয়ে বেশি যেই অ্যাপ ব্যবহার করে তার নাম টিকটক আপনি হয়তো ভাবছেন তাতে সমস্যাই বা কি সমস্যা আছে শুধু টিকটকে এ না instagram youtube থেকে শুরু করে সিনেমা হল কিংবা ডেইলি নিউজপেপার সমস্যা আছে সব জায়গায় টিকটকে এ আপনি যেই কন্টেন্ট দেখতে পান তা হলো অ্যান ইনফিনিট স্ট্রিম অফ ভেরি শর্ট ভিডিও ক্লিপস অর্থাৎ অফুরন্ত ছোট ছোট কন্টেন্ট আপনি যত স্ক্রল করবেন ততই সে আপনাকে ডেলিভার করবে আর আপনি যত বেশি ছোট ছোট ক্লিপ দেখবেন আপনার ব্রেইন তত বেশি মনোযোগের দৈর্ঘ্য
হারাবে আপনার এটেনশন স্প্যান তত কমতে থাকবে এবার একটু ভেবে দেখুন instagram আর facebook এর রিলস কিংবা youtube এর শর্টস কি খুব বেশি আলাদা শুধু সোশ্যাল মিডিয়া না নিউজ পেপারের আর্টিকেলের দৈর্ঘ্যকেও করা হচ্ছে ছোট এমনকি বড় বড় সংবাদ মাধ্যম ঘোষণা করছে বেশিরভাগ স্টোরিজ যেন 500 শব্দের বেশি না হয় শুধু তাই না সিনেমার এক একটা সিন সর্বোচ্চ ফাইভ সেকেন্ডস করে রাখা হয় আর তারপর ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল চেঞ্জ করে ফেলা হয় কারণটা কি মানুষের মনোযোগ কম নাকি কম মনোযোগকে পুঁজি করে বিজনেস মাল্টি মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা আর আমার আপনার মনোযোগের আরো একটু 12:00 টা বাজানো কার্নিং মেলন ইউনিভার্সিটি হিউম্যান কম্পিউটার
ইন্টারেকশন ল্যাব ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য একত্র করা হয় 136 জন শিক্ষার্থীকে 136 জনের মাঝে কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বলা হয় ফোন সুইচ অফ রাখতে আর বাকিদের বলা হয় ফোন খোলা রাখতে এরপর গবেষণা শুরু হয় যথারীতি শেষও হয় ফলাফলে দেখা যায় যে সমস্ত শিক্ষার্থীর ফোন খোলা ছিল তাদের ব্রেইন বাকিদের তুলনায় 20 শতাংশ খারাপ পারফর্ম করেছে কারণ খোলা ফোনে বারবার মেসেজ আসায় আর নোটিফিকেশন আসায় তাদের ব্রেইন বারবার ডাইভার্টেড হয়েছে খুব সহজে এভাবে বলা যায় আপনি যতবার আপনার হাতে থাকা ফোন আর সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ডাইভার্টেড হবেন আপনার ব্রেইন ততবার 20 শতাংশ করে তার পারফরমেন্স ক্যাপাবিলিটি হারাতে থাকবে শুধু তাই না
আপনার ব্রেইন যতবার এক কাজ থেকে আরেক কাজে ডাইভার্টেড হবে ততবার আসল কাজে আবার ফোকাস করতে সময় লাগবে 25 মিনিট 26 সেকেন্ড একবার চিন্তা করে দেখুন সারাদিনে কতবার এভাবে 25 মিনিট 26 সেকেন্ড করে আপনার সময় নষ্ট হচ্ছে কতবার মাত্র 47 সেকেন্ডের বেশি আপনি মনোযোগ ধরে রাখতে পারছেন না আর কতবার আপনি কাজ করতে করতে হতাশ পেয়ে ফিরে আসছেন কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না এখন মনে অবশ্যই প্রশ্ন জাগা উচিত আসলে সমাধানটা তাহলে কি সমাধানটা খুবই সিম্পল মনোযোগের দৈর্ঘ্য বাড়াতে হবে যেন নির্দিষ্ট কাজের প্রতি আমাদের ফোকাস নষ্ট না হয় কিন্তু যতটা সিম্পল ভাবছি আদৌ কি ততটা সহজ আমরা এটেনশন
স্প্যান সমস্যার সমাধান খুঁজবো দুই ধাপে আর যাচাই বাছাই করে দেখব কিভাবে আমরা আমাদের হারানো মনোযোগকে ফিরে পেতে পারি প্রথম ধাপ হলো টেক দুনিয়ার সাথে স্বেচ্ছায় একটা দূরত্ব তৈরি করে নেওয়া মনে আছে আমরা ভিডিওর একেবারে শুরুর দিকে প্রফেসর গ্লোরিয়া মার্কের রিসার্চ নিয়ে কথা বলেছিলাম তারই রিসার্চ অনুসারে আমরা আমাদের প্রথম ধাপের সমাধান সাজাবো ডেসকটপে যদি প্রচুর আইকন আর ফাইলস থাকে সেগুলো হাইড করে রাখা উচিত যেন আপনার সাবকনশিয়াস ব্রেইন সেগুলোকে দেখে ডিস্ট্রাক্টেড না হয় এছাড়াও ফোনে ইনস্টল করা অ্যাপগুলো হোম স্ক্রিন থেকে হাইড করে রাখা প্রয়োজনে এমন কোন ফোল্ডারে রাখা যেন খুঁজে পেতে কষ্ট হয় যেন মন চাইলেও সহজে
অ্যাপগুলো ইউজ না করা যায় ফোন সাইলেন্ট রাখা নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা যতটা পারা যায় এই আধুনিক দুনিয়া থেকে কিছুটা দূরত্ব তৈরি করে নেওয়া কাজের সময় হাতের ফোনটি অন্য রুমে রেখে কাজ করাও দুর্দান্ত একটা সলিউশন হিসেবে কাজ করে এছাড়াও প্রকৃতির সাথে ক্রমাগত দূরত্ব আমাদের ঠেলে দিচ্ছে ফোকাসহীন দুনিয়ার দিকে প্রফেসর মার্ক মনে করেন দিনে অন্তত 20 মিনিট যদি প্রকৃতির মাঝে হাঁটা যায় তাহলে আমাদের ব্রেইন রিলাক্সড হবে নতুন কাজ করার শক্তি পাবে মগজ ঠান্ডা হবে আর ফোকাসও বাড়বে এইতো গেল প্রথম ধাপ কিন্তু মুশকিলটা হলো প্রথম ধাপ অনুসরণ করার পর যদি কেউ দ্বিতীয় ধাপ না করে তাহলে তার জন্য জীবন
হয়ে উঠবে আরো অনেক কষ্টের আউট ডিস্ট্রাকশন ফিল গুড ফাস্ট ভ্যাকিউমেজ গার্ডিয়ানের আর্টিকেলের লাইন যার সহজ বাংলা হলো টেক দুনিয়ার সাথে শুধু ডিস্ট্রাকশন তৈরি করলেই হবে না যদিও শুরুর দিকে এই ডিস্ট্রাকশন ভালো মনে হয় কিন্তু এই ডিস্ট্রাকশনের কারণে তৈরি হওয়া মগজের ফাঁকা জায়গা শান্তিমত বাঁচতে দেয় না আর এজন্য প্রয়োজন দ্বিতীয় ধাপ ফ্লোইস্টেট সাইকোলজিক্যাল সাইন্স অফ ফ্লোই স্টেটস যেকোনো কাজে নিজের মনোযোগকে চূড়ান্তভাবে কাজে লাগানোর পন্থা যা তিনটি ধাপে কাজ করে ধাপ এক যেকোনো একটা নির্দিষ্ট গোল সেট করা লেটস সে আপনি ওজন কমাতে চান গোল সেট করুন ওজন কমানোর ধাপ দুই যে গোলটা সেট করলেন তার কারণ খোঁজার
চেষ্টা করুন অর্থ খোঁজার চেষ্টা করুন বিনা কারণে সেট করা গোল নিয়ে বেশিদূর আগানো সম্ভব না মাঝপথে হাল ছাড়তে হবে না হলে আর সবশেষ ধাপ নিজের সাধ্যের বাইরে চেষ্টা করুন এক্সাম্পল আপনি প্রথম দিন 20 টা পুশআপ দিয়েছেন পরের দিন যে করেই হোক 21 টা দেওয়ার চেষ্টা করুন 21 টা পারলে আপনি 22 টাও পারবেন চেষ্টা করে দেখুন পারছেন না আবার চেষ্টা করুন নিজের সাধ্যকে জয় করুন একই কথা আপনার সেট করা ভিন্ন গোলের ক্ষেত্রেও খাটবে ফর এক্সাম্পল ধরুন আপনি গোল সেট করলেন পড়াশোনা করার আজকে আপনি পড়লেন এক ঘন্টা পরের দিন এক ঘন্টা 10 মিনিট পড়ুন এক ঘন্টা 10
মিনিট শেষ নিজেকে পুশ করুন আরো 10 মিনিট পড়ার আরো পাঁচ মিনিট পড়ার আরো এক চ্যাপ্টার বেশি পড়ার আর একটু এভাবেই কাজ করে ফ্লো স্টেট আজকে আস্তে আস্তে এই ফ্লোস্টেটের মাধ্যমে মানুষ জয় করে হিমালয় এক কদম দু কদম করে একেবারে চূড়া পর্যন্ত আপনি আমি চাইলেই হয়তো আমাদের সেট করা সেই চূড়ায় পৌঁছাতে পারবো শুধু প্রয়োজন একটুখানি চেষ্টা আপনি যদি ভিডিওর শেষ পর্যন্ত দেখে থাকেন তাহলে বলতেই হয় এই আধুনিক মনোযোগহীন দুনিয়ায় আপনার মনোযোগ একটু হলেও আছে বাকিটা আপনার নিজেকেই খুঁজে বের করতে হবে কি বলেন আমরা কি সেটা পারবো না