পিপল সুইলের জায়গাটাকে কতটুকু আমি টেনে নিতে পারবো এবং যখন কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলির তর্কটা আসবে সেখানে মূল তর্কটা আসবে পিপলস সুইলের জায়গা থেকে ইডিওলজিক্যাল ফর্মুলেশন টা কি হবে এই রাষ্ট্রের আপনি যখন 1972 সালে যে সংবিধান প্রণীত হয়েছে সেই সংবিধানে মূলত ইডিওলজিক্যাল যেই বায়াস ছিল সে বায়াসটা ছিল মূলত যদি আমরা বলি বলতে পারি যে একটা দল দলের যে মূলনীতি এবং সংবিধানের মূলনীতি সেইম এবং ওই দলের প্রধানের নামে এই সংবিধানের মূলনীতিগুলোকে ওই দলের প্রধানের নামে নামকরণ করা হয়েছিল মুজিবিজম অর মুজিবদা আকারে তাহলে ওখানে যদি ধরি ওইটা কিন্তু শ্যাটারড হয়ে গেছে এবং ওই আইডিওলজিক্যাল ফর্মুলেশন গুলোকে পুনর্গঠন এবং পুনর্নির্মাণের সম্ভাবনা
তৈরি হয়েছে এবং সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেই জনগণ একটা হয়ে এটাকে টপল ডাউন করছে বলতো এই জিনিসটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে আগামীর যে রাষ্ট্র হবে যেমন আরেকটা কথা বলি যে এখানে অনেকেই বলতেছেন যে পলিটিক্যাল পার্টিস গুলোকে এনগেজ করতে হবে কিন্তু পলিটিক্যাল পার্টি অন্যান্য পলিটিক্যাল পার্টিস নাম না বলে বলি তাদের যেই আদর্শিক পরিগঠন আছে সেটাও কিন্তু এই আন্দোলনের ক্ষেত্রে উইলের ক্ষেত্রে কোনভাবেই প্রতিফলিত হয়নি ফলত ওই দলগুলোরও নিজেদের আদর্শিক রাজনৈতিক অবস্থানকে পুনর্গঠনের দরকার আছে পিপলস উইলের জায়গা থেকে যে জনগণ কোন কোন অ্যাম্বিশন এবং অ্যাসপিরেশনকে সামনে রেখে নেমে এসেছেন সেটাকে একীভূত করা সেটাকে নিয়ে গঠনের মানে যেই প্রশ্নটা সেটা আমি
মনে করি যে একটা পোস্ট ইডিওলজিক্যাল সিচুয়েশনে আমরা আছি এবং এই নতুন বাংলাদেশে মূলত ওই জায়গাটাতে আমাদেরকে পৌঁছাতে হবে যেখানে আমরা আগেকার যে রাজনৈতিক দর্শনগুলোকে আছি ওগুলোকে কিভাবে হচ্ছে আমরা পুনর্গঠন করব এই পুনর্গঠনের ভিত্তির উপরেই নির্ধারণ হবে মূলত আমাদের স্টেটকে আমরা কিভাবে নতুন নতুন নীতি বা নতুন নতুন বক্তব্যের জায়গা থেকে পুনঃনির্মাণ করব ফলত আমি মনে করি যে এইটা খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং এজন্যই আমাদেরকে জনগণের কাছে যেতে হবে জনগণের যে বৃহত্তর অংশ আছে বৃহত্তর অংশ আসলে কি চাচ্ছে এবং তাদের মূলত এই সংবিধানের যেই মৌলিক মানবাধিকার জিনিসগুলো আছে বা আরো অনেকগুলো বিষয় আছে সেগুলো কিন্তু এই নতুন সংবিধান লিখলে
যে খুব বেশি ডিফারেন্সেস হবে এরকম না কিন্তু ডিফারেন্সেসটা হবে কোথায় আপনারা অনেকেই বলতেছেন পুনর্লিখন করতে হবে পুনর্লিখনটা হবে কোথায় ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস যেটা আছে এখানে অনেকগুলো কনভেনশন আছে অনেকগুলো ট্রিটিস আছে সেগুলোকে ধরে কিন্তু আমরা হচ্ছে যে একটা প্রত্যেকটা রাষ্ট্রে ওইটাকে ধরে আলোচনা করে বা কিছু স্পেসিফিক টার্মস টার্মিনোলজিস আছে কিন্তু মূলত পার্থক্যটা নির্ধারিত হবে 1971 72 সালের পিপল আর এখনকার পিপলের উইলের যে ডিফারেন্সেস এট দা সেইম টাইম খুব সতর্কভাবে ওই উইলের কন্টিনিউশন বটে 1971 এর যে পিপল উনাদের উইলের সাথে তো আমাদের উইলের খুব বেশি ডিফারেন্স নাই ওইটা একটা রাজনৈতিক দলের ভিতরে ঢুকে গেছে সেখান থেকে বের
1971 এর পিপলস উইল কে আমি কিভাবে 24 এর পিপলস উইলের সাথে কানেক্ট করব সেই রাজনৈতিক প্রস্তাবনাও আমাদের থাকতে হবে এবং রাজনৈতিক ওই রাজনৈতিক প্রস্তাবনাটাকেই কনস্টিটিউশনে ট্রান্সলেটেড করতে হবে ফলত আমি মনে করি এটা একটা প্রক্রিয়ার বিষয় এটা শুধুমাত্র পলিটিক্যাল পার্টিজের বিষয় না বরং সমাজের বিভিন্ন বর্গের মানুষের গল্পগুলো শুনতে হবে এবং এই যে স্যাক্রিফাইসটা এই স্যাক্রিফাইসটাকে আমাদের হাজার হাজার শহীদ এবং আহত এবং উনাদের যেই গল্পগুলো এই গল্পগুলোরটাকে গল্পগুলোকে কেন্দ্র করেই আমাদেরকে নতুন বাংলাদেশের কথাটা বলতে হবে তো আমি মনে করি যে এইটা হচ্ছে মোটা দাগে কনস্টিটিউশন যে আলাদা হলো এবং আমাদের যে নতুন যেই জনগণ এটা যে আলাদাভাবে
কনস্টিটিউন্ট পাওয়ার নিয়ে আসলো সেটার প্রতিফলন যদি সংবিধানে না থাকে তাহলে সংবিধান জাস্ট এই কয়েকটা অনুচ্ছেদ বদলে এটাকে লেখার আর দরকার নেই বরং সংবিধান যদি লিখতে হয় পুনর্লিখন করতে হয় তাহলে এখনকার পিপলস উইলকে 1971 এর যে পিপলস উইল আছে প্রক্লামেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স আছে সেটার ধারাবাহিকতা আকারে এটাকে আমাদেরকে নিয়ে আসতে হবে এবং ওইটার ভিতর দিয়ে আমরা মনে করি যে বাংলাদেশের জনগণ নিজেদের এখনকার যেই বাস্তবতা আছে সেই বাস্তবতায় আদর্শিক রাজনৈতিক তর্কগুলোকে একটা মীমাংসার দিকে নিয়ে যেতে পারবে