আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন আর আপনারা দেখছেন এমডি ভয়েস টিভি প্রিয় দর্শক মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মহান মানব একদা তিনি মহান রাব্বুল আলামীন কে বললেন ইয়া আল্লাহ আপনি তো আপনার বন্ধু হযরত ঈসা আলাইহিস সালামকে মোজেজা দিয়েছিলেন সে মৃত মানুষকে জীবিত করতো হযরত মুসা আলাইহিস সালামকে মোজেজা দিয়েছিলেন সে লাঠি দ্বারা সমুদ্র দ্বিখন্ডিত করতো আবার লাঠি মাটিতে ছোড়া মাত্রই সাপে পরিণত হতো এছাড়াও তাকে জ্বলন্ত হাতের মোজেজা দান করেছিলেন এভাবে হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালামকে পৃথিবীর আকাশ-বাতাস পশুপাখি সবকিছু অনুগত করে দিয়েছিলেন রাব্বুল আলামীন আমার জন্য কি তখন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন
বললেন হে মোহাম্মদ আমি তাদের সবাইকে যা যা দান করেছি তা দ্বারা পৃথিবী থেকে চলে যাওয়া মাত্রই শেষ হয়ে গিয়েছে কিন্তু আমি তোমাকে যা দান করেছি তা এ পৃথিবীর যতকাল থাকবে ততদিন পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকবে তা হচ্ছে আমি আমার নামের সাথে তোমার নাম জুড়িয়ে দিয়েছি যা কেয়ামতের আগের দিন পর্যন্ত থাকবে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সুবহানাল্লাহ এছাড়া আল্লাহ রাব্বুল আলামীন থেকে প্রাপ্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অবতীর্ণ সর্বশ্রেষ্ঠ মোজেজা হচ্ছে পবিত্র কোরআন প্রিয় দর্শক অনেকেরই ধারণা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যক্তিগত জীবনে কোন মোজেজা নিয়ে আসেনি আল্লাহর তরফ থেকে কিন্তু সত্যতা নয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যক্তিগত
জীবন ঘাটাঘাটি করলে এমন অনেক মোজেজা খুঁজে পাওয়া যায় যা সত্যি আপনাকে হতবিহব্বল করবে এটা সত্যি যে আল্লাহর রাসূল প্রকাশে মোজেজা দেখিয়ে বেড়াতেন না এবং মোজেজার উপর ভিত্তি করে মানুষকে ইসলাম প্রচার করতেন না তার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ছিল পবিত্র কোরআন যার শক্তি ও অলংকার ভাষাশৈলী এবং এর তেলাওয়াত মানুষের অন্তকে প্রকম্পিত করতো মনের অজান্তে বলে ফেলত লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ যাই হোক আজকের এই ভিডিওতে আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অলৌকিক মোজেজা নিয়ে আলোচনা করব যা আপনাকে অবাক করবে তাই ভিডিওটি একবারে শেষ পর্যন্ত দেখবেন প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এক খ্রিস্টান ব্যক্তি একটি শিশুকে
কোলে নিয়ে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে হাজির হয়ে বললেন আমাদের নবী ঈসার সঙ্গে শিশুরা কথা বলতো আপনার সাথে কি আমার এই শিশুটি কথা বলতে পারবে আপনার সাথে যদি আমার এই শিশুটি কথা বলে তাহলে বুঝবো যে আপনি সত্যিই নবী লোকটির কথা শ্রবণ করে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন শিশু বলতো আমি কে শিশুটি তৎক্ষণাৎ জবাব দিল আপনি আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহু আকবার এ দৃশ্যটি দেখে তৎক্ষণাৎ খ্রিস্টান ব্যক্তি মুসলমান হয়ে গেল একদা কতিপয় আনসারী সাহাবী নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে হাজির হয়ে বলল যে আমাদের উটগুলো কেন জানিনা পিঠের বোঝা
ফেলে দিচ্ছে এর একটা বিহীত ব্যবস্থা করে দিলে ভালো হয় নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের পাশে গিয়ে তাদের এর শরীরে হাত বুলিয়ে দিলেন অমনি উটগুলো শান্ত হয়ে গেল আর আপন মস্তক অবনত করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাম জানালো তখন সকল সাহাবাগান আরজ করলেন হে আল্লাহর নবী যাবতীয় জীবজন্তু আপনাকে সেজদা করে আমাদের ইচ্ছে হয় আপনাকে সেজদা করতে তখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন মানুষের জন্য যদি মানুষকে সেজদা করা জায়েজ হতো তাহলে আমি প্রত্যেক স্ত্রী লোককে তার আপন স্বামীকে সেজদা করার নির্দেশ প্রদান করতাম কিন্তু মানুষকে সেজদা করা হারাম এই মাথা শুধুমাত্র একজনের নিকট অবনত হবে আর
তিনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন একবার নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক্য আরবের এক ব্যক্তিকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বলায় সে বলল আপনি যে আল্লাহর নবী তার কোন প্রমাণ আছে কি হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আছে বই কি সামনের ওই বৃক্ষটির দিকে তাকিয়ে দেখো সে আমার নবুয়তের সাক্ষী অতঃপর তিনি বৃক্ষটির প্রতি আহ্বান জানালে বৃক্ষটি আপনা আপনি তার মূল থেকে উপরে উঠে আসমান দিয়ে ভেসে সামনে দন্ডায়মান হলো এবং কালেমায় শাহাদত পাঠ করল দৃশ্যটি দেখে লোকটি আর কোন কথা না বলে মুসলমান হয়ে গেল আল্লাহু আকবার একদা একটি উট এসে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বিচার
দিল যে আমার মালিক আমাকে অতিরিক্ত খাটায় অথচ আমাকে পেট ভরে খেতে দেয় না আপনি তো আল্লাহর নবী সুতরাং আমার মালিককে আমার সাথে সদয় হবার জন্য বলে দিন হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের মালিকের দিকে তাকিয়ে বললেন উটটি ন্যাজ্যমূল্যে আমার কাছে বিক্রি করো অথবা উহাকে পেট ভরে খেতে দাও একদা এক ব্যক্তি তার এক বোবা ছেলেকে নিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল হে আল্লাহর নবী আমার এই পুত্রটি কথা বলতে পারে না তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের মুখের কিছু পানি নিয়ে কুলি করে সেগুলি ছেলেটিকে পান করালেন সেদিন থেকে ছেলেটি কথা বলতে শুরু করল সুবহানাল্লাহ পরিণত
বয়সে এ ছেলেটি একজন আলেম ও সুবক্তায় পরিণত হলো একতার জনৈক্য ব্যক্তি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে হাজির হয়ে বলল হে আল্লাহর নবী আপনি যদি আমার মৃত্যুপুত্রকে জীবিত করতে পারেন তাহলে আমি সত্যিই আপনাকে আল্লাহ পাকের সত্য নবী বিশ্বাস করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করব নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকটির কথা শ্রবণ করে মৃত ছেলেটির নিকট গিয়ে তাকে লক্ষ্য করে বললেন হে বালক তুমি আল্লাহর হুকুমে উঠে দাঁড়াও বলামাত্র ছেলেটি উঠে দাঁড়ালো এবং বলল লাব্বাইক ইয়া রাসূলুল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন তুমি কি দুনিয়ায় পুনরায় আসার ইচ্ছা করো সে বলল না পরকালীন জীবনই আমার নিকট উত্তম বলে
মনে হয়েছে তখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন তুমি জীবিত হলে তোমার পিতা-মাতা মুসলমান হবে মাতা-পিতা আমার কাছে কোন প্রয়োজন নাই আমার প্রভু আল্লাহ আমার কাছে যথেষ্ট মেহেরবান বলে সে উত্তর দিল একদা হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে আরজ করলেন ইয়া রাসূলুল্লাহ অনুগ্রহ করে আপনি আমার সংসারের আয় উপার্জনে একটু বরকতের জন্য প্রার্থনা করুন তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোয়া করলেন যে হে আল্লাহ আনাসের ধন সম্পদ ও সন্তান সন্ততির বরকত দান করুন হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু নিজে বলেছিলেন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উক্ত দোয়ার বরকতে আমার ধন সম্পদ এতটাই বৃদ্ধি
পেল যে আমার মত এতটা স্বাচ্ছন্দবোধ আর কেউ করেনি যদিও আমার শতাধিক সন্তান ছিল একবার নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওসামা নামক এক ব্যক্তির রোগ আরোগ্যের জন্য তার শরীরে হাত বুলিয়ে দেন তাতে উক্ত ব্যক্তি আরোগ্য লাভ তো করলই অধিকান্ত তার শরীর থেকে এমন সুগন্ধ নির্গত হতে শুরু করল যে ওহা মেশ আম্বরের হতেও উত্তম ছিল একদা জাবের রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার বাড়িতে নিমন্ত্রণ করলেন তিনি হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আহারের জন্য একটি বকরি জবাই করলেন হযরত জাবের রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু দুটি নাবালক ছেলে ছিল তারা তাদের পিতাকে বকরি জবেহ করতে দেখেছিল পিতার অনুপস্থিতিতে তারা খেলার
ছলে জবেহ খেলা শুরু করল বড় ছেলেটি ছোট ছেলেটিকে অস্ত্র দ্বারা জবেহ করতে দিল তাদের মা ঘটনা টের পেয়ে দৌড়ে আসলো ফলে বড় ছেলেটি ভয়ে ছাদের উপর উঠলো মা ছাদের উপর উঠলে বড় ছেলেটি তা থেকে লাভ দেওয়ার চেষ্টা করল ফলে ইন্তেকাল করল এবং এর আগে সে খেলার ছলে তার ছোট ভাইকে সে জবেহ করেছিল কিন্তু ধৈর্য ধরে মৃত ছেলে দুটিকে ঘরের মাঝে চাদরে আবৃত করে রেখে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য খাবারের আয়োজন করতে লাগলেন ইতিমধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতিপয় সাহাবীকে নিয়ে জাবের রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর গৃহে হাজির হলেন জাবের রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তার দুর্ঘটনার কথা
প্রকাশ না করে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খাবার খেতে দিলেন তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন তোমার ছেলে দুটি কোথায় জাবের রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলেন তারা হয়তো খেলায় লিপ্ত আছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন তাদেরকে ডেকে নিয়ে এসো তাদেরকে নিয়ে একত্রে খাবো এবার বাধ্য হয়ে সবকিছু খুলে বলল জাবের রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিত্য ছেলে দুটির কাছে গিয়ে হাজির হয়ে আল্লাহ পাকের শাহী দরবারে প্রার্থনা করতে লাগলেন মোনাজাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন হে আল্লাহ জাবেরের মৃত্যু ছেলে দুটিকে তুমি জীবিত করে দাও আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে তৎক্ষণাৎ ছেলে দুটি জীবিত হয়ে গেল
অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশ মোতাবেক পিতা-পুত্রকে গোসল করে আনলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিয়ে একত্রে খাবার খেলেন আহারের পর তিনি জবাইকৃত বকরির সবগুলো একত্রিত করে দোয়া করলেন ফলে বকরিটি জীবিত হয়ে গেল আল্লাহু আকবার একবার নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর জন্য বরকতে দোয়া করছেন তখন থেকে তার আয় উপার্জনের অবস্থা এমন হলো যে তিনি জাগ করছেন তাই সোনায় পরিণত হয় অথচ পূর্বে তিনি ভীষণ দরিদ্র ছিলেন মৃত্যুর সময় তিনি 50000 স্বর্ণমুদ্রা রেখে যান এবং তার সবই গরীব দুঃখীদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার ওসিয়ত করে যান তাছাড়া তার স্ত্রীকে 1
লাখ করে মোট 4 লাখ স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে যান হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মেয়ে ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর গৃহে একদা আগমন করলেন কন্যা ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা আরজ করলেন আব্বাজান আজ দিন হয়ে গেল আমি কিছু আহার করিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কন্যাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য সেও পেট দেখে বললেন দেখো না ক্ষুধার জ্বালায় পেট চারখানা পাথর বেঁধেছি সুতরাং বুঝতেই পারছো আমি কতদিন ধরে খাইনি অতঃপর কিছু খাবার জোগাড় করার জন্য তিনি প্রান্তরের দিকে গমন করলেন কিছুদূর গিয়ে দেখতে পেলেন একজন ইহুদি একটি উটকে কূপ থেকে পানি পান করাচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহুদিকে বললেন ওহে তোমার কি এমন কোন কাজ আছে যা আমি মজুরির বিনিময়ে করে দিতে পারি লোকটি বলল তুমি আমার এই উটগুলোকে পানি পান করাতে পারলে প্রতি বালতির বিনিময়ে আমি তোমাকে তিনটি করে খেজুর দেব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে রাজি হয়ে বালতি ভরে পানি তুলতে লাগলেন প্রথমে এক বালতি পানি তুলে বিনিময়ে তিনটি খেজুর নিয়ে তা আহার করে একটু পানি পান করলেন অতঃপর আট বালতি পানি তোলার পর রশি ছিড়ে বালতিটি কুপে পড়ে গেল ফলে ইহুদি ব্যক্তি রেগে গিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মারলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে রাগান্বিত না হয়ে কূপের কাছে হাত বাড়াতে বালতিটি
আপনা আপনি উপরে উঠে এলো এই দৃশ্য দেখে ইহুদি বিস্মিত হলো সে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পাওনা 40 টি খেজুর দিয়ে দিল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই খেজুর নিয়ে কন্যা ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা এর বাড়ির দিকে রওনা হলেন এদিকে ইহুদি চিন্তা করতে লাগলো এ লোকটিকে এই গভীর কূপে হাত বাড়িয়ে বালতি তুলে ফেলতে দেখলাম এবং বালতিটিও আপনা আপনি উপরে উঠে আসছিল এতো কোন সাধারণ লোক নয় তাকে চড় মারাটা আমার পক্ষে মোটেই সম্ভব হয়নি ইতিমধ্যে সেই ইহুদির হাতে ভীষণ যন্ত্রণা শুরু হলো সে কিছুতেই সেই হাতের যন্ত্রণা সহ্য করতে পারছিল না সেই অসহ্য যন্ত্রণার কারণে সে তার অন্য
হাত দিয়ে তার চরম মারা হাতটি কেটে দিল অতঃপর বহু খোঁজখবর নিয়ে সে ফাতেমার গৃহের দিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সাক্ষাৎ করে বলল আপনার সাথে আমি যে অন্যায় করেছি তার জন্য আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন এই দেখুন আপনাকে চড় মারার কারণে আমার কি অবস্থা হয়েছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কথা শুনে খুব কষ্ট পেলেন এবং এবং তার কেটে ফেলা হাত নিয়ে যথাস্থানে লাগিয়ে একটি ফুঁ দিলেন অমনি হাত জোড়া লেগে গেল আল্লাহু আকবার