ভাই একটা হত্যা মামলায় তাকে আদালতে উপস্থাপিত করা হয় মুক্ত আসামি হিসেবে আজকে অবস্থান করা হয় শ্যামল দত্ত আপনারা জানেন যে সে সাংবাদিকদের নামে শেখ হাসিনার প্রত্যেকটি গণভবনে প্রেস কনফারেন্সে সে সাংবাদিকদের লিস্ট তৈরি করে এবং কারা কারা সেখানে থাকবে সে নির্ধারিত করে দিত ইভেন কি এই মামলার যে আসামি ছিল আহমদ সুবহান এবং তার ছেলে তাদের মাধ্যমে আন্দোলন জমানোর জন্য টাকা সংগ্রাম করেছিল এই সমাল দত্ত এবং সে টাকা বিলি করেছিল এই সমাল দত্ত সে আজকে দাড়ি ফেলে দিয়ে সে সেই এবং মোজাম্মেল 100 সঙ্গে তারা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল যাওয়ার পথে তাদেরকে গ্রেপতার করা হয় এখানে আরেকটি
কথা বলে রাখি যে মোজাম্মুল হক বাবু তিনি একদিন কনফারেন্স সাংবাদিকদের বলেছিলেন যে আমাদের দেশের মন্ত্রী এমপিরা জয় বাংলা জয় হিন্দ বলে না কেন সে ভারতের মন্ত্রীরা জয় বাংলা জয় হিন্দ বলে তাহলে আমাদের দেশের এমপি মন্ত্রীরা জয়হীন বলতে বাধা কোথায় এই হলো এই দেশে একটি বড় দেশের এজেন্ট এবং এছাড়া এ দেশের পক্ষ থেকে বড় দেশের তারা এজেন্ট হিসেবে তারা এখানে কাজ করেছে রেফ্রিজারেটর স্মার্ট লাইফে স্মার্ট রেফ্রিজারেটর স্বরাচারের পক্ষে কথা বলেছে জনগণের পক্ষে কথা বলে নাই এবং সে এই সুরাচারের দোষ হিসাবে তার স্ত্রীকে অপরাজিতা হক তাকে দুইবার সে পার্লামেন্টের সদস্য বানিয়েছে সামরিকত আসনে এবং তার স্ত্রীর নামে
সে পূর্বাচলে 10 খানা একটা প্লট নিয়েছে এবং তার নিজের নামে সে উতরাতে সাতখানা একটা প্লট নিয়েছে এবং আপনারাও দেখেছেন প্রত্যেকটি সাংবাদিক সাংবাদিক সম্মেলনে এই মুদম বাবু সৌরাচারের পক্ষে জনগণের বিরুদ্ধে কথা বলে এবং আরেকজন লোক শারিয়ার কোভিদ এই সে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকে সে যখন দেশে থাকে আর আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় থাকে না তখন সে দেশের বাইরে চলে যায় আজকে এই শারিয়ার কোভিদ গত 15 বছর যাবত এদেশের মানুষকে হত্যা গুম করা এবং ইসলাম ধর্মের এবং যুদ্ধে কথা বলা আলেমদেরকে কটাক্ষ করা এবং আমাদের মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে করা সবকিছু চালা প্রতিদিনে তার কাজ ছিল এবং সেইভাবে
একজন নাস্তিক হিসেবে ইসলাম বিদ্বেষী হিসেবে সেই সরাচারী হাসিনাকে সে সহযোগিতা করেছে এই দুইজন আসামি আসামিকে বিজ্ঞা আদালতে সদর কর্মকর্তা উপস্থাপিত করেন এবং এই করেন একটি হত্যা মামলায় যে হত্যা মামলাটা হয়েছিল শান্তিনগরে মোড়ে সেইখানে রিজা আক্তার নামে একজন আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার আন্দোলনকারী সে নিহত হয় এই নিয়তা হয়ে নিহত হয় এই নিহত হওয়ার পিছনে এই দুইজন আসামি প্রাথমিক অবস্থায় দ্বন্দকারী কর্মকর্তা তাদের জড়িত থাকার বিষয়টা নিশ্চিত করেন এবং নিশ্চিত করার পরে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করার জন্য এই হত্যার পিছনে আর কারা কারা জড়িত আছে এবং এই ইন্দ্রনদাতা কারা আছে হুকুমদাতারা কারা আছে নির্দেশ দাদা কারা আছে এবং কাদের কারণে এই
হত্যা সংঘটিত হয়েছে এইসব বিষয়গুলিকে আরো সামনে আনার জন্য তদন্ত করার জন্য তদন্তকার কর্মকর্তা 10 দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করেন আসামি পক্ষে আইনজীবীরাও সেখানে উপকার দিয়ে তাদের এই রিমান্ডের বিরুদ্ধে এবং জামিনের জন্য প্রার্থনা করেন বিজ্ঞ আদালত উইপক্ষে শুনানি অর্থে এই আসামির বিরুদ্ধে আসামি দয়ের বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে