সম্প্রতি রাজনীতির মাঠে নানা ধরনের আলোচনা সমালোচনা তর্ক-বিতর্ক কিন্তু চলছে এর মধ্যে নতুন করে একটি বড় আলোচনা শুরু হয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তিনি সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন সেই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন যদি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষতা হারায় তাহলে নিরপেক্ষ সরকারের প্রয়োজন হবে একই সঙ্গে তিনি এটাও বলেছেন যে ছাত্ররা যদি রাজনৈতিক দল গঠন করে তাহলে তাদের উপদেষ্টা এই সরকারে থাকতে পারবে না অর্থাৎ তাদের উপদেষ্টা যদি এই সরকারে থাকে তাহলে এই সরকারি নিরপেক্ষতা হারাবে এই ধরনের কথা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন সেই প্রসঙ্গে কিন্তু করা জবাব দিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম আপনারা জানেন যে
নাহিদ ইসলাম এই যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সেই ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছেন পরবর্তীতে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এই যে যে বিষয়টা সেই বিষয়টি নিয়ে যে আলোচনা চলছে এটি নিয়ে আমি বিশ্লেষণ করব তবে তার আগে একটু বলে রাখতে চাই যে আসলে নাহিদ ইসলাম বিএনপি মহাসচিবের প্রশ্ন বিএনপি মহাসচিব যে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন সেই বিষয়ে তিনি কি বলেছেন তিনি কি ধরনের জবাব বিএনপি মহাসচিবকে দিয়েছেন মূলত তিনি বিএনপির এই মহাসচিবের এই বক্তব্যকে বলছেন যে এটি শুধু বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য বিএনপির বৃহৎ অংশ দলের নেতাকর্মীরা তারা গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে তারা এই বিএনপি মহাসচিবের
বক্তব্যের সঙ্গে একমত হতে পারেন না একই সঙ্গে নাহিদ ইসলাম বিএনপি মহাসচিবের এই বক্তব্যটিকে এক 11 সরকারের মত একটি ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন পাশাপাশি তিনি বলছেন যে এই যে জাতীয় সরকারের যে এখন বিএনপি জাতীয় সরকারের প্রসঙ্গে কথা বলছে সেই জাতীয় সরকারের ইস্যুতে বিএনপি 5ই আগস্টের পরে যখন নতুন করে সরকার গঠন হচ্ছিল বরং বিএনপির জন্যই সেই সরকার গঠন জাতীয় সরকার গঠন করা যায়নি নাহিদ ইসলাম কিন্তু গুরুতর অভিযোগ গুলো করেছেন আমি হুবহু নাহিদ ইসলাম তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে কি লিখেছেন সেটি একটু তুলে ধরতে চাই নাহিদ ইসলাম মূলত যেটি লিখেছেন বিএনপি মহাসচিবের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি মূলত আরেকটি এক 11 সরকারের গঠনের
ইঙ্গিত বহন করে একর বন্দোবস্ত থেকেই ফ্যাসিজামের উত্থান ঘটেছিল বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য বক্তব্যের সামনে আরেকটা 11 সরকার সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা এবং ঘুম খুন ও জুড়াই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার আলামত রয়েছে এটি নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন নাহিদ ইসলাম আরো বলেছেন ছাত্র এবং অভ্যুত্থানের নেতৃত্বকে মাইনাস করার পরিকল্পনা 5ই আগস্ট থেকেই শুরু হয়েছে 5ই আগস্টে যখন ছাত্রজনতা রাজপথে লড়াই করেছে লড়াই করছে পুলিশের গুলি অব্যাহত রয়েছে তখন তাদের আপোষকামী অনেক অনেক জাতীয় নেতৃবৃন্দ তিনি এভাবে বলেছেন যে তখন আমাদের আপোষকামী অনেক জাতীয় নেতৃবৃন্দ ক্যান্টনমেন্টে জনগণকে বাদ দিয়ে নতুন সরকার করার পরিকল্পনা ব্যস্ত ছিলেন অনেক অনেকে ছাত্রদের কথাও সেখানে
বলেছেন এটি তিনি ব্র্যাকেটের মধ্যে লিখেছেন নাহিদ ইসলাম আরো বলেছেন তারা 3ই আগস্ট থেকেই বলে আসছিলেন যে তারা কোন প্রকারের সেনা শাসন বা জরুরি অবস্থা মেনে নিবেন না এবং তাদেরকে বারবার ক্যান্টনমেন্টে যেতে বলা হলেও তারা যেতে অস্বীকার করেছিল শেষ পর্যন্ত বঙ্গভবনে তারা আলোচনা করেন এবং আলোচনার মাধ্যমে ডক্টর ইউনুসের নেতৃত্বে তারা অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেন এবং তিনি আরো যেটি বলছিলেন যে তারা চেয়েছিলেন ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে একটি জাতীয় সরকার প্রয়োজন জাতীয় সরকার গঠনে তারা চেয়েছিলেন জাতীয় জাতীয় সরকার যদি গঠন হয় জাতীয় সরকার হলে ছাত্রদের হয়তো সরকারে আসার প্রয়োজন হতো নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট
করে বলেছেন যে তখনই 5ই আগস্টের পরবর্তী প্রেক্ষাপটে তারা একটি জাতীয় সরকার চেয়েছিল যে জাতীয় সরকারে থাকবে এই যে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যে সমস্ত নাগরিক সমাজ এবং যে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো এই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিল এবং সরাসরি তারা বলিষ্ঠ অবস্থান নিয়েছিল তারাই এই জাতীয় সরকারে থাকবে আর সেই সে সময় যদি জাতীয় সরকার গঠন হতো তাহলে এই ছাত্রদের উপদেষ্টা হওয়ার প্রয়োজন হতো নাগে বিউটি সেরা পণ্য সবার জন্য এবং তিনি গুরুতর অভিযোগ করেছেন যে তখন জাতীয় সরকার অনেকদিন স্থায়ী হবে এই বিবেচনা এই বিবেচনায় নিয়েছিল বিএনপি এজন্য তারা জাতীয় সরকারে রাজি হয় নাই অর্থাৎ তিনি যেটি বলতে চাচ্ছেন
যে যদি সে সময় জাতীয় সরকার গঠন হয়ে যেত আওয়ামী বিরোধী সকল রাজনৈতিক এবং নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে তাহলে এই সেই সরকার অনেকদিন অবস্থান করতো সেই সরকার অনেকদিন হয়তো ক্ষমতায় থাকতো বিএনপি সেই বিবেচনাটা মাথায় রেখে জাতীয় সরকারের প্রশ্নে তখন রাজি হয়নি কিন্তু অভ্যুত্থানের পরেই দেশে জাতীয় সরকারের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি ছিল অথচ বিএনপি জাতীয় সরকারের কথা বলছে সামনের নির্বাচনের পর অর্থাৎ বিএনপি যে জাতীয় সরকারের ধারণা দিচ্ছে সেটি সামনের নির্বাচনের পরে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে বলে নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন তিনি তার ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লিখেছেন নাহিদ ইসলাম বলে আরো বলেছেন যে ছাত্ররাই এই সরকারের এবং বিদ্যমান বাস্তবতার একমাত্র ফ্যাক্টর
যেটা 11 সরকার থেকে বর্তমান সরকারকে সম্পূর্ণ আলাদা করে অর্থাৎ তিনি যেটা বলছেন যে এই যে 2008 এর যে 11 সরকার 2009 এর যে 11 সরকার সেই 11 সরকারের সঙ্গে এই সরকারের যেই মূল পার্থক্যটা সেটি হচ্ছে ছাত্ররা এই সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি আরো বলেছেন বিএনপি কয়েকদিন আগে -2 টু এর আলোচনা করলেও এখন ক্ষমতায় যাওয়ার পথ সুগম করার জন্য নিরপেক্ষ সরকারের নামে আরেকটি 11 সরকারের প্রস্তাবনা করছে অর্থাৎ এক 11 সরকারকে যে মাইনাস টু এর একটি অভিযোগ করা হয় যেখানে দুই নেত্রীকে বাদ দিয়ে যে রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা তখন বলা হয়েছিল এখন এই যে বিএনপি নতুন করে বিএনপি মহাসচিবের
বক্তব্যকে সেই ধরনের একটি কিছুর সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত বা সেটা সঙ্গে তিনি রিলেট করছেন বলে আমরা নাহিদ ইসলামের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে বুঝতে পারছি তিনি আরো বলেছেন এই ধরনের পরিকল্পনা গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে এবং ছাত্রজনতা কোনভাবেই এটা মেনে নিবে না এবং তিনি মনে করেন এটা বিএনপির বিরুদ্ধ ষড়যন্ত্র বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যকে বিএনপির বিরুদ্ধ ষড়যন্ত্র মনে করছেন নাহিদ ইসলাম নাহিদ ইসলাম আরো বলেছেন এই সরকার জাতীয় সরকার না হলেও এই সরকারের মধ্যে আন্দোলনের সব পক্ষেরই অংশীদারিত্ব রয়েছে এবং সব পক্ষই নানান সুবিধা ভোগ করছে এখানে কিন্তু তিনি একটি গুরুতর কথা বলেছেন নানান সুবিধা ভোগ করছেন না ইসলাম বলেছেন সেই
সুবিধাগুলো কি সেই সুবিধাগুলো হচ্ছে সরকার গঠনের আগেই 6ই আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেল এবং পুলিশের আগের আইজে নিয়োগ হয়েছিল যারা মূলত বিএনপির লোক সরাসরি তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং পুলিশ প্রধানকে বিএনপির লোক বলে অভিহিত করেছেন নাদ ইসলাম এরকম ভাবে সরকারের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত নানা স্তরের বিএনপির লোকজন রয়েছে নাহিয়েদ ইসলাম খোলাসা করে বলেছেন নাহিয়েদ ইসলাম বলেছেন নির্বাচনের নিরপেক্ষতার কথা বললে এই বাস্তবতার কথাও মাথায় রাখতে হবে তিনি আরো বলেছেন রাষ্ট্রপতির পরিবর্তন সংস্কার নতুন সংবিধান জুলাই ঘোষণা সব ইস্যুতেই বিএনপির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে অনেকদিন পরে রাজনীতির মাঠে একটা এই ধোঁয়াসে পরিবেশ যে বিএনপি আসলে জুলাই ঘোষণাপত্রের পক্ষে কি বিপক্ষে এই আলোচনার
মধ্যেই নাহিদ ইসলাম একদম অভিযোগ করে বলেছেন যে বিএনপি সকল ইস্যুতে বিএনপির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন অথচ এগুলো কোনটাই ছাত্রদের দলীয় কোন দাবি ছিল না বলে নাহিদ ইসলাম অভিহিত করেছেন দেশের স্থিতিশীলতা বৃহত্তর স্বার্থ এবং জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার জন্যই ছাত্ররা বারবার তাদের অবস্থান থেকে সরে এসেছিল কিন্তু এর মানে এই না যে গণতন্ত্রবিরোধী ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বিরোধী কোন পরিকল্পনা হলে সেখানে তারা বিন্দু পরিমাণ ছাড় দিবে নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে এই কথাটি উল্লেখ করেছেন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে নাহিদ ইসলাম আরো বলেছেন যে আওয়ামী লীগের বিষয়ে ভারতের প্রধান প্রধান দলগুলো ঐক্যমতে পৌঁছেছে কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যমত করতে পারে নাই এবং
এত অপরাধে এত হত্যা এত অপরাধের পরেও না ইসলাম এখানে করে বলেছেন বিদ্রুপ করে বলেছেন হায় এই জাতীয় ঐক্য লইয়া আমরা কি রাষ্ট্র বানাবো না ইসলাম আরো বলেছেন যে বাংলাদেশকে দুর্বল করা সহজ কারণ বাংলাদেশকে সহজেই করা যায় এদেশের বড় বড় লোকেরা অল্পমূল্যে বিক্রি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে অর্থাৎ যে বড় বড় রাজনীতিবিদ্দের বিরুদ্ধে বিক্রি হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করছেন নাহয়েদ ইসলাম নায়েদ ইসলাম সর্বশেষ তার ফেসবুক প্যারার সর্বশেষ স্ট্যাটাসে তিনি যেটি বলেছেন তিনি মনে করেন না সমগ্র বিএনপি এই অবস্থান গ্রহণ করে বরং বিএনপির কর্মী সমর্থকদের বড় অংশই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন চায় বিএনপির দেশপ্রেমিক ও ত্যাগী নেতৃত্বকে তিনি আহ্বান করেছেন
ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে না গিয়ে ছাত্রজনতার সাথে বৃহত্তর ঐক্য ও সংহতির পথ বেছে নিয়েছে এই যে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য এবং মির্জা ফখরুলের বক্তব্য দুটা বক্তব্যকে কিন্তু আমরা সরাসরি একটা মুখোমুখি অবস্থান দেখতে পাচ্ছি আমি যদি এই বক্তব্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করি তাহলে মূলত এই যে বিএনপি মহাসচিব যে দুটি কথা প্রধানত দুটি কথা বলেছেন বিবিসি বাংলাকে একটি হচ্ছে যে এই সরকার নিরপেক্ষ না হলে নতুন নিরপেক্ষ সরকারের প্রয়োজন হবে এই জায়গাটাকে নাহিদ ইসলাম 11 ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন অন্যদিকে এই যে ছাত্ররা যে এই সরকারে আছেন ছাত্রপ্রতিনিধিরা মূলত আমরা জানি যে এই সরকারে অন্তর্বর্তী সরকারের তিনজন ছাত্রপ্রতিনিধি রয়েছেন মাহফুজ আলম
রয়েছেন নাহিদ ইসলাম রয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়া রয়েছেন এই তিনজন ছাত্রপ্রতিনিধি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বিএনপি মহাসচিবের অভিযোগ ছিল যে এই ছাত্রপ্রতিনিধিদেরকে একদিকে তারা রাজনৈতিক দল গঠনের কথা বলছে আবার অন্যদিকে তারা সরকারেও আছে এইটাকে তিনি বলছেন যে এইটা এই সরকারের নিরপেক্ষতা হারাবে এই প্রক্রিয়ায় গেলে নাই ইসলাম বলছেন যে আসলে এইটাকে তিনি জবাব দিতে গিয়ে তিনি যে গুরুতর অভিযোগটি করেছেন যে এই যে বর্তমান প্রশাসনের নানা স্তরে বিএনপির পছন্দের লোকজনকে বসানো হয়েছে সর্বপ্রথম তিনি বলেছেন যে সরকার গঠনের আগেই 6ই আগস্ট সরকার 8 আগস্ট গঠিত হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার 6ই আগস্টে অ্যাটর্নি জেনারেল এবং পুলিশ প্রধান সেটা বিএনপির
লোক হিসেবে তাকে বসানো হয়েছে অর্থাৎ এটি রাজনীতির মাঠে এক ধরনের স্পষ্ট অবস্থান চলে আসলো বৈষম্যবিরোধী জাতীয় নাগরিক কমিটি বা ছাত্র জনতার বিপ্লবের সামনে যারা নেতৃত্ব দিয়েছিল নাহিদ ইসলামরা তাদের সঙ্গে বিএনপির বিরোধের বিষয়টি একদম স্পষ্ট হয়ে গেল নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের মাধ্যমে তবে নাহিদ ইসলাম এটিও বলেছেন যে এই যে এই বিএনপি মহাসচিবের এই বক্তব্যটা বিএনপির যে আম জনতা বিএনপির যে একেবারে সামগ্রিকভাবে যে বিএনপির সর্বস্তরের কর্মীরা এটা ধারণ করেন না তিনি মনে করেন তিনি মনে করেন বিএনপির তৃণমূলের বেশিরভাগ কর্মী গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেন তাদেরকে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন যে ছাত্র জনতার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশ গড়ার কাজে মনোনিবেশ
করার জন্য জাতীয় সরকারের কথা বিএনপি যেটি বলে আসছিল বারবার বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জাতীয় সরকার গঠন করবে এর বিপরীতে নাহিদ ইসলাম যেটি বলেছেন যে জাতীয় সরকার তারাই গঠন করতে চেয়েছিল এবং তাদের পক্ষ থেকেই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল জাতীয় সরকার গঠনের সেই জাতীয় সরকারে কারা থাকবে সেই জাতীয় সরকারে থাকবে আওয়ামী বিরোধী ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল যারা এই আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছিল যাদের অবস্থান ছিল যাদের কন্ঠ ছিল যারা কথা বলেছেন একই সঙ্গে যারা নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি তাদেরকে সমন্বয়ে যদি ওই সময় একটা জাতীয় সরকার গঠন হতো তাহলে এই যে মাহফুজ আলম নাহিদ ইসলাম আসিফ
মাহমুদ সজীব ভুইয়া হয়তো এই সরকারে আসার প্রয়োজন হতো না এটি নাহিদ ইসলাম বলছেন নাহিদ ইসলাম আরেকটি বড় গুরুতর কথা বলেছেন যেটি রাজনীতির মাঠে একটি নতুন কথা হিসেবে আমরা দেখছি যে এই যে 5ই আগস্টের পরবর্তী প্রেক্ষাপটে ক্যান্টনমেন্টে বসে সরকার গঠনের এক ধরনের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল তিনি বলেছেন দেশের অনেক বড় বড় লোকজন রাজনীতিবিদদেরকে ইঙ্গিত করে বলা হয়েছিল এবং সেখানে অনেক ছাত্ররাও গিয়েছেন বলে অভিযোগ আছে সেই জায়গা থেকে তাদের অন অবস্থান ছিল তারা কোন ধরনের সেনাশাসন চায় না এই জায়গা থেকে তারা অন থাকার কারণেই ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে সব মিলিয়ে এই যে বিএনপি মহাসচিবের
বক্তব্য আবার নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্য দুটি বক্তব্যকেই আমরা একেবারে মুখোমুখি অবস্থানে দেখছি যখন আগামী নির্বাচনের প্রসঙ্গ আসছে এই যে বিভিন্ন সংস্কার কমিশন গুলোর পক্ষ থেকে সংস্কার প্রতিবেদনগুলো জমা দেয়া হয়েছে এই সময় যখন রাজনৈতিক ঐক্যের কথা বলা হয়েছে ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস তিনি তার নেতৃত্বে একটি ঐক্যমত কমিশন গঠন করেছেন সেই কমিশনের অনেকগুলো কাজের মধ্যে একটি দুটি বড় কাজ একটি হচ্ছে জুলাই ঘোষণাপত্রকে নিয়ে সব রাজনৈতিক দলকে এক জায়গায় আনা এবং এই যে সংস্কার প্রস্তাবনাগুলো দেয়া হয়েছে সেই সংস্কার প্রস্তাবনাগুলো কিভাবে বাস্তবায়ন হবে সেটি কি গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হবে নাকি কোন রাজনৈতিক উইল স্বাক্ষরিত হবে কোন সনদের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো
করে যারাই পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসবে তারা সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এই বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করবে এই আলোচনাগুলো যখন হচ্ছিল তখনই এই যে বিএনপি মহাসচিবের এই বক্তব্য আবার নাহিদ ইসলামের ফেসবুক স্ট্যাটাস দুটাকে আপাতত দৃষ্টিতে মুখোমুখি অবস্থানে দেখা যাচ্ছে আমরা দেখতে চাই আসলে সর্বশেষ এই বিতর্ক কোথায় গিয়ে থামে কোন পর্যন্ত চায় যায় তো এই ছিল আমার কাছে এই বিষয়ে সবশেষ اللہ