আমি কিন্তু বাংলাদেশে এখন আর নিরাপদ বোধ করি না আমি একদমই নিরাপদ বোধ করি না করি না এই কারণেই যে বাংলাদেশের রাজনীতিটাকে এমন একটা জায়গায় সবাই মিলে আমরা সকলেই যার যার জায়গা থেকে নিয়ে গেছি যে কে কার কোন স্বার্থ হাসিলের জন্য আমাকে নাই করে দেবে এবং দেখা যাবে একটা বিরাট গ্রুপ এটার সুবিধা নিতে পারবে এবং আরেকটা গ্রুপকে বেকায়দায় ফেলা যাবে সো আমি এদেশে এখন আর নিরাপদ বোধ করি না আমি বিশ্বাস করি আমার মতই যারা সাধারণ নাগরিক তারাও যার যার জায়গা থেকে নিরাপদ বোধ করে না আপনি যদি পাঁচ তারিখে আমরা একটু পেছনের দিকে তাকাই 5ই আগস্ট শেখ
হাসিনা যে মুহূর্তে পালিয়ে গেল তারপর পরই আমরা দেখলাম কারাগার গুলোর ফটক অটোমেটিক্যালি খুলে গেল রাজবন্দী পলিটিক্যাল প্রিজনার থেকে শুরু করে জঙ্গি সন্ত্রাসী সন্ত্রাসী অমুক নাম তমুক নাম আমরা মোটামুটি সবাই জানি নামগুলো আর নাই বলি সবাই বের হয়ে গেল কার সাজার মেয়াদ শেষ হলো কার সাজা বাকি আছে কারো বিরুদ্ধে হয়তো 20 টা মামলা তার হয়তো 18 টাতে বেইল আছে দুটাতে বেল হয় নাই বেইল টেলের কোন ধারই কেউ ধারলো না কিভাবে যেন সবাই বের হয়ে গেল আমি একজন রাজনৈতিক ক্ষুদ্র কর্মী আমি কিছুই বুঝলাম না এবং একজন আইনজীবী হিসেবে আমার মনে প্রশ্ন আসলো যদি তারা এতদিন অবৈধ নাটকেও
থেকে থাকে একটা তো প্রক্রিয়া আছে বের হওয়ার নাকি এটা একটা মবের মূল্যক ওই মবের মূল্যক শুরু হলো কিন্তু গত 5ই আগস্ট তারপরে আমরা দেখলাম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিয়ে একটা খেলা চলছে বাংলাদেশে তাদেরকে উস্কে দিয়ে তাদেরকে ব্যবহার করে অনেকেই ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে আমার ঘরের পাশের দেশ ভারতের মিডিয়া এমন ভাবে পোর্ট্রে করলো যেন বাংলাদেশে রায় আউট হচ্ছে না বাংলাদেশে আসলে রায় আউট হচ্ছিল না ওই সময় তারপরে আমরা দেখলাম আশুলিয়া গাজীপুর সাভার এখনো আনরেস্ট চলছে কারখানাগুলো ফ্যাক্টরি গুলো বন্ধ হচ্ছে খুলছে ভাঙচুর হচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি আমরা দেখলাম আনসার বাহিনী তারা এক ধরনের কু করার চেষ্টা করছে জুডিশিয়াল কুয়ের কথা
তো আলোচনাই হলো প্রধান বিচারপতি থেকে শুরু করে সকল অ্যাপেল ডিভিশনে জাস্টিসরা ধপধপ ধপধপ করে পড়ে গেলেন একটা হজবর হলো না একদম একটা হজবর হলো তো এটার মধ্যে আসলে আমরা কি আইনের শাসনের কথা বলবো আর কি রিমান্ডের কথা বলবো রিমান্ডের ব্যাপারে আমি আইনজীবী হিসেবে এটুকু বলি বাংলাদেশের সিআরপিসিতে রিমান্ড বলে কোন শব্দ অধিকতর তদন্ত বা ফারদার ইনভেস্টিগেশনের ব্যাপার আছে স্যার আরো দুজন স্যার আছেন আমার তিনজন স্যার উনারা আমার চেয়ে অনেক ভালো জানেন কারণ তারা ব্যুরোক্রেসির সাথে অতপ্রতভাবে জড়িত ছিলেন সো রিমান্ড বলে কিছু না অধিকতর তদন্ত বা ফারদার ইনভেস্টিগেশন সেই ফারদার ইনভেস্টিগেশন কে আমরা ফারদার টর্চার বানায় ফেললাম
এটা কোন একক দলের বা একক সরকারের ব্যাপার না সকলে মিলে আমরা একটা অদ্ভুত রিমান্ড নামক শব্দ নিয়ে আসলাম এবং চোর থেকে শুরু করে পলিটিশিয়ান পর্যন্ত যেই ওটার মধ্যে দিয়ে গেল তাকেই মারধরের শিকার বিভৎস নির্যাতন এবং এখন তো আদালতে আসলে আমি যতদিন প্র্যাকটিস করেছি আমি দেখেছি খোলামেলা আমরা বলতাম যে মাইল স্বীকারক্তি নিয়েছে রিমান্ডে মানে বোঝাই যায় যে ওই স্বীকারক্তির আসলে কোন মূল্য নাই জজ সাহেবও যেন ওই স্বীকারক্তির কোন মূল্য নাই তাহলে স্বীকারক্তিটা নেওয়া হয় কেন রিমান্ডে নিয়ে রিমান্ডে টর্চারটা হয় কি করে যেটা আইনে নাই যেটা কানুনে নাই যেটা কোন বিধিতে নাই আর আইন বলে যে 100
জন অপরাধী ছাড়া পেয়ে যাক একজন নিরপরাধ যেন সাজা না হয় এই যে শত শত হাজার হাজার মামলা গত কয়েক বছর ধরে আমরা দেখলাম পলিটিক্যাল পার্সনদের উপর করা হলো এখন আবার নতুন করে খুনের মামলা হত্যা মামলা চলছে এবং হরে দরে অনেককেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এই গ্রেপ্তার আসলে আমি জানিনা কতটুকু আইন মেনে আইন অনুযায়ী করা হচ্ছে কারণ অনেককে আমরা দেখতে পাচ্ছি বর্ডার ক্রস করার সময় ধরে নিয়ে আসা হচ্ছে আদালতে তাদেরকে প্রেরণের সময় আইনজীবীরাও তাদের গায়ে ঢিল মারছেন ডিম ছুটছেন এগুলো তো আসলে কোনটাই আমাদের আইন বা কানুন বা কোন কিছুর মধ্যেই তো এগুলো পড়ে না মোটামুটি আমি দেখলাম
পাঁচ তারিখের পর থেকে বাংলাদেশে যার যেমন খুশি উনিও নিজেকে সমন্বয়ক দাবি করেন আমিও নিজেকে সমন্বয়ক দাবি করি আপনিও নিজেকে সমন্বয়ক দাবি করেন মোটামুটি এটা এখন আমাদের সকলের সকলেই আমরা একেকজন শেখ হাসিনা সকলেই আমরা প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে এখন সর্বময় ক্ষমতা আমরা মনে করছি আমাদের হাতে চলে এসেছে সো আমাদের যেহেতু দীর্ঘ মানে কয়েক বছর মানে কয়েক বছর মানে 15 বছরের ওপরে আমাদের এক ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে আমরা গেছি এক ধরনের সাপ্রেশনের মধ্যে দিয়ে আমরা গেছি এক ধরনের ভীতির মধ্যে দিয়ে আমরা গেছি সুতরাং আমাদের নানান রকম অবদমিত রাগ ক্ষোভ যন্ত্রণা আছে সেগুলোর বহিঃপ্রকাশ আসলে আমরা নানান
রকম ভাবে করতে দেখছি এবং একই সাথে আমরা এটাও লক্ষ্য করছি যে সরকার আসলে সামাল দিতে পারছে না আজকে বিএনপির মহাসচিব একটা কথা বলেছেন যে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দেয়া মানে হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন তারা ফেইল করেছে অ্যাবসলিউটলি তাই আপনি দেখেন রাস্তায় বহুদিন ধরে পুলিশ দেখি নাই গত কয়েকদিন ধরে পুলিশ দেখি দেখছি আমরা ট্রাফিক কিন্তু তাদের ট্রাফিক কন্ট্রোলের ব্যাপারে খুব বেশি কি উৎসাহী মনে হচ্ছে তারা বরং নিরাপদে দাঁড়িয়ে আলাপ করছেন গল্প করছেন ইভেন কিছুদিন আগে আমি গত সপ্তাহে গাড়ির কাজটা আমি একজনকে বলতে বাধ্য ছিলাম যে ভাই গল্পটা একটু পরে করেন আগে এখানে দেখেন কি অবস্থা আমরা কয়েক ঘন্টা যাবতই
একই জায়গায় আটকে আছি আর পুলিশ ভাইরাও বা কি করবে কারণ কিছুদূর গেলেই দেখি একদল ছাত্র বা একদল যুবক বা একদল তরুণ তারা রাস্তা অবরোধ করে তাদের দাবিনামা পেশ করছে তাদের কথা বলছে তো এইরকম একটা অবস্থায় সত্যি তো আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা করা সরকারের জন্য সত্যিই কঠিন হয়ে যাচ্ছে সুতরাং বাধ্য হয়েই এটা সিআরপিসির বাইরে নয় সিআরপিসিতে বলাই আছে সেনাবাহিনীকে এই পাওয়ার দেয়া যেতে পারে তবে অফকোর্স এই ডিবেটও আসতে পারে যে আমাদের সংবিধান যেটা বলে যে সেপারেশন অফ পাওয়ার আর্টিকেল 22 এর যেই কনসেপ্ট যে নির্বাহীকে আপনি কখনোই বিচারিক দায়িত্ব দিতে পারবেন আপনি যখন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে জুডিশিয়ারির এই ক্ষমতা
দেন বিচারের ক্ষমতা কিংবা আপনি যখন সেনাবাহিনীর হাতে ম্যাজিস্ট্রেসিভ পাওয়ারটা দেন তখন অটোমেটিক্যালি বিচার বিভাগের ওই ক্ষমতা শেয়ারড হয়ে যায় নির্বাহীর সঙ্গে সেই ডিবেট চলতে পারে কিন্তু সেই তাত্ত্বিক অবস্থানে আসলে আমাদের দেশ আছে কিনা সেটাও এখন একটা আলোচনার বিষয় সুতরাং আমি মনে করি ভাই আমাদের নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এই মুহূর্তে আমাদের নানান রক্ষক ভেস্টে হেডকোয়ার্টার নানান জায়গায় নানান রকম কিছু করার চেষ্টা করছে সেই জায়গা থেকে উত্তরণের জন্য 60 দিনের একটা পাওয়ার দেয়া হয়েছে সেনাবাহিনীকে সেনাবাহিনী যদি সঠিকভাবে এই পাওয়ার এক্সারসাইজ করে আমি এখানে কোন এনিথিং রং