কল্পনা করুন এমন একটি জায়গা যেখানে দাঁড়ালে মনে হয় পৃথিবীর শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছে গেছি। কোথাও স্বর্গ আবার কোথাও যেন নরকের মত কঠিন। এই স্থানে নেই কোন নিজস্ব সময়, নেই কোন মানুষের চিহ্ন। আর কিছু জায়গায় লক্ষ লক্ষ বছরেও এক ফোঁটা বৃষ্টি পড়েনি। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এখানেই আছে পৃথিবীর মোট মিঠা জলে 70 শতাংশের বেশি। যদি এই বরফ একদিন গলে যায় তাহলে সমগ্র পৃথিবী ভয়ঙ্কর ধ্বংসের মুখে পড়বে এবং সেই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এখানে 300 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে বাতাস বইতে পারে। যা মুহূর্তেই উড়িয়ে দিতে পারে যে কোন স্থাপনা। এখানে এমন প্রাণীও আছে যারা কেবল এই কঠিন
পরিবেশেই বেঁচে থাকতে পারে। অন্য কোথাও নিলে তারা মারা যাবে। এই জায়গায় একসময় আগ্নেগিরির লাভা ফুটে উঠতো। আর এখন এটি বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে ঠান্ডা স্থান। যেখানে তাপমাত্রা মাইনাস 89.2 ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমেছে। এমনকি চোখের জলও এখানে বরফ হয়ে যায়। বছরের ছয় মাস এখানে সূর্য অস্ত যায় না। এখানকার মাটি খোড়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সাতটি দেশ এই জায়গা নিয়ে টানাটানি করলেও আজও কেউ এর অধিকার পায়নি। এটি এমন এক রহস্যময় মহাদেশ যার দিকে আজ সারা বিশ্বে নজর রয়েছে এবং এই রহস্যময় মহাদেশটির নাম হলো অন্টার্কটিকা। এই রহস্যময় মহাদেশের পেছনে গোটা পৃথিবী ছুটছে। কিন্তু আপনি কি জানেন কেন? এটি এমন একটি জায়গা
যা নাকি পৃথিবী আর মহাবিশ্বের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। এটা কি শুধুই কল্পনা নাকি বিজ্ঞান? ভারত থেকে শুরু করে আমেরিকা সব দেশই এখানে গবেষণা চালায়। এমন কি আছে এখানে? এই জমি কারো নয় কিন্তু সবাই চাইছে একে নিজের করতে। কেন এত টান এই বরফে ঢাকা দ্বীপের প্রতি। যেখানে মানুষ নেই তবুও সবার নজর সেখানে। আজকের ভিডিওটি নিঃসন্দেহে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হবে। তাই ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখার অনুরোধ রইলো। আর নতুন বন্ধুরা অবশ্যই পাশে থাকা সাবস্ক্রাইব লেখাটি প্রেস করে বেল আইকনের অল অপশন সিলেক্ট করুন। পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত এই মহাদেশটি এতটাই বিশাল যে এর ভেতরে ভারতের মত সাতটি দেশ অনায়াসে ঢুকে যেতে
পারে। চারপাশ জুড়ে রয়েছে 14 মিলিয়ন স্কয়ার কিলোমিটার এর বেশি বরফের চাদর। কিন্তু এই বরফ সমুদ্রের নয়। সেটি সেই জল যা আমরা প্রতিদিন পান করি। অর্থাৎ মিঠা জল। অন্টার্কটিকা আসলে এক বরফে মোরা মরুভূমি যাকে বলা হয় আইস ডেজার্ট। কারণ এই অঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে এক ফোঁটা বৃষ্টি পড়েনি। তবে তার মানে এটা নয় যে এখানে বৃষ্টি হয় না। আসলে বৃষ্টির জল মাটিতে পড়ার আগেই বরফে পরিণত হয়। যাকে আমরা তুষারপাত বা স্নোফল বলে থাকি। আর এই সময়কেই এখানে বর্ষাকাল বলা হয়। অন্টার্কটিকার একটি বিশ্বয়কর বৈশিষ্ট্য হলো এখানে ছয় মাস সূর্য অস্ত যায় না। আবার ছয় মাস সূর্যের দেখা মেলে
না। দক্ষিণ-পূর্ব অংশটি দক্ষিণ পশ্চিম অংশের তুলনায় বেশি উঁচু এবং ঠান্ডা। এমন সব অঞ্চলও এখানে রয়েছে যেখানে এখনো পর্যন্ত মানুষের পা পড়েনি। কারণ এই জায়গায় না জাহাজে করে পৌঁছানো সম্ভব না বিমানে। এর প্রধান কারণ হলো এখানে বিশ্বের সবচেয়ে গতিশীল ক্যাটাবেটিক উইন্ড বয়ে চলে। যার কারণে যেকোন বস্তু বা যানবহন খুব সহজেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। উপরন্ত পুরো এলাকাটি বরফে মোরা ও অতিমাত্রায় দুর্গম। যদি কোনভাবে কেউ এই নির্জন অঞ্চলে পৌঁছাতেও পারে তাহলে এরপর আরো 1600 কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে অতিক্রম করতে হয়। কিন্তু কিছুদূর যাওয়ার পরই শারীরিক ও মানসিকভাবে সেই মানুষটি ভেঙে পড়বে। এখানকার আকাশে একটি বিশেষ নক্ষত্র ঘুরতে
থাকে। যা কখনো অস্ত যায় না। সারা বছর সেটিকে ঝকঝক করতে দেখা যায়। গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে সূর্য উত্তর থেকে দক্ষিণে আসে এবং মার্চ থেকে মে মাসে সূর্য আবার দক্ষিণ থেকে উত্তর দিকে সরে যায়। আর তখন থেকেই এখানে শীত শুরু। জুন থেকে আগস্ট এই সময়টাই আন্টার্কটিকার সবচেয়ে ঠান্ডা রাত্রি। যাকে বলা হয় পোলার নাইট। এই সময় সূর্যের দেখা প্রায় মেলে না এবং বরফ শীতল বাতাসে জীবনযাপন চরমভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। এতটাই কঠিন যে গ্রীষ্বকালে যেখানে 5000 এর বেশি বিজ্ঞানী এখানে গবেষণা করেন শীতকালে সেই সংখ্যা নেমে আসে 1000 এ। বাংলাদেশের যদিও কোন রিসার্চ স্টেশন অন্টার্কটিকাই নেই। তবে
এই চরম পরিবেশে ভারত তিনটি গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তুলেছে যার মধ্যে দুইটি এখনো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তবে আন্টার্কটিকা কেন গোটা বিশ্বের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ? বিজ্ঞানীদের কাছে আন্টার্কটিকা পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাস্থল? কারণ এই জায়গায় অবস্থান করলে একজন গবেষক সরাসরি পৃথিবীর পরিবেশ তার পরিবর্তন এবং এমনকি মহাকাশের উপরও নজর রাখতে পারে। পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে আদ্রতা ও ধূলিকণার উপস্থিতির কারণে টেলিস্কোপ দিয়ে মহাকাশ পর্যন্ত স্পষ্টভাবে দেখা সম্ভব নয়। কিন্তু অন্টার্কটিকায় আদ্রতার পরিমাণ প্রায় শূন্য এবং ধুলর অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। এই কারণেই এখান থেকে মহাকাশের গভীরতাও অনায়াসে পর্যবেক্ষণ করা যায়। আপনি হয়তো শুনে থাকবেন ব্ল্যাক হোল সম্পর্কে। কিন্তু এর স্পষ্ট ছবি প্রথম
আসে 2019 সালে। আর তা এসেছিল অন্টার্কটিকায় বসানো একটি টেলিস্কোপ থেকেই। এছাড়াও এখানে বিজ্ঞানীরা বরফের গভীর স্তর থেকে আই স্কোর বা বরফের নমুনা সংগ্রহ করেন। যার মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করেন লক্ষ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীর জলবায়ু কেমন ছিল এবং এখন তা কিভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। কারণ বিজ্ঞানীরা মনে করেন পৃথিবীর বহু গোপন ইতিহাস এখনো জমাট রয়েছে এই বরফের ভেতরে। এখানকার দূষণও নিয়ন্ত্রণ করা হয় সর্বোচ্চ স্তরে গিয়ে। সারা বছর যা কিছু বর্য জমে তা বছরে একবার জাহাজে করে সরিয়ে নেওয়া হয়। যাতে পরিবেশের উপর এর প্রভাব না পড়ে। আন্টার্কটিকা এমন একটি জায়গা যা একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ছিল। আর তার বিভিন্ন অংশে
সক্রিয় আগ্নেয়গিরিও ছিল। তখন এই অঞ্চল দক্ষিণ মেরুতে অবস্থান করত। এরপর পৃথিবীর ভৌগোলিক পরিবর্তনের ধারায় এটি ধীরে ধীরে দক্ষিণ মেরুর দিকে সরে যেতে শুরু করে। যে প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্লেট টেকটনিক স্লাইডিং। যা আন্টার্কটিকাকে উত্তপ্ত জায়গা থেকে বরফে পরিণত করেছে এবং এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো সূর্যের আলো এখানে খুব কম পরিমাণে পৌঁছায় গ্রীসে এই স্থানের তাপমাত্রা মাইনাস 10 ডিগ্রি সেলসিয়াসে এ পৌঁছায় কিন্তু শীতকালে তা নেমে যায় - 60 ডিগ্রি পর্যন্ত আর সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল 1983 সালে - 89.2 ডিগ্রী সেলসিয়াস। যে শীতলতায় একজন মানুষ মাত্র এক মিনিটের মধ্যেই জমে যেতে পারে। দুইজন রুশ বিজ্ঞানী 1820
সালে এই অন্টার্কটিকা মহাদেশ আবিষ্কার করেছিলেন এবং বর্তমানে প্রায় 30 টি দেশ মিলে এই মহাদেশ পরিচালনা করে। যদিও এর উপর কোন দেশের একক অধিকার নেই। তবে 1959 সালে এই দেশগুলি একত্রে একটি চুক্তি করে। যেখানে বেশ কিছু নিয়ম নির্ধারণ করা হয়। যেমন এখানে কোন খনিজ খনন করা যাবে না এবং কোন ধরনের সামরিক কার্যক্রমও চালানো যাবে না। আন্টার্কটিকাকে নিয়ে 1959 সালে যে আন্তর্জাতিক চুক্তি হয় তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ছিল এই ভূখন্ডে কোন অবস্থাতেই পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করা যাবে না এবং কোন যুদ্ধ সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড চালানো যাবে না। এই অঞ্চলের চারপাশ জুড়ে শুধু সমুদ্র আর সমুদ্র। আর সেখান থেকেই আসে
হিমেল বাতাস যা হঠাৎ করে আবহাওয়ার রূপ বদলে দেয়। এখানে যেসব প্রাণী সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তাদের মধ্যে প্রথমেই আসে পেঙ্গুইন। কারণ অন্টার্কটিকা পৃথিবীর একমাত্র স্থান যেখানে পেঙ্গুইনই বসবাস করে। যদিও দক্ষিণ পশ্চিমা অঞ্চলে এদের সংখ্যা বেশি। কারণ পূর্বাঞ্চলের তুলনায় সেখানে টিকে থাকা তাদের পক্ষে সহজ। এখানে পেঙ্গুইনের মোট 18 টি প্রজাতি পাওয়া যায়। যার মধ্যে অন্যতম হলো এমবেরর পেঙ্গুইন। সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইন প্রায়দেড় মিটার লম্বা আর ক্ষুদ্রতম প্রজাতি মাত্র 30 সেন্টিমিটার লম্বা হয়ে থাকে। পেঙ্গুইন মূলত মাছ ও ক্রিল জাতীয় সামুদ্রিক জীব খায়। ডিম পাড়ার পর স্ত্রী পেঙ্গুইন চলে যায় সাগরে খাবার সংগ্রহ করতে। আর পুরুষ পেঙ্গুইন ডিমকে তাপ
দিয়ে উষ্ণ রাখে। এই সময় ঝড় তুফান যাই আসুক না কেন পুরুষ পেঙ্গুইন ডিম ছেড়ে কখনো কোথাও যায় না। কারণ ডিম ফেটে বাচ্চা বের হলেই যদি বরফে ছুটে যায় তারা মুহূর্তেই মারা যেতে পারে। প্রায় দুই মাস পর স্ত্রী পেঙ্গুইন খাবার নিয়ে ফিরে এলে পুরুষটি তখন সাগরে চলে যায় নিজের খাবারের জন্য। বাচ্চাগুলি বড় হলে প্রাপ্তবয়স্ক পেঙ্গুইনরা তাদের একটি বিশেষ গুচ্ছ রেখে মাছ ধরতে যায়। একে বলা হয় ক্রেশ। ডিসেম্বরে যখন তাপমাত্রা সামান্য বাড়ে বরফ গলতে শুরু করে এবং তখনই এই ছানাগুলি প্রথমবারের মতো সমুদ্রে ঝাপ দেয়। তবে সমুদ্রের গভীরে তাদের জন্য ও পেতে থাকে হিংস্র হাঙ্গুরদের দল। যারা এতটাই
আক্রমণাত্মক যে বরফের বিশাল প্রাচীর পর্যন্ত ভেঙে দিতে পারে। পেঙ্গুইন ছাড়াও এখানে টোডিস্টুল, সিল এবং ক্ষুদ্র জীবাণু প্রজাতিও দেখতে পাওয়া যায়। 1978 সালে অন্টার্কটিকাকে নিজেদের বলে দাবি প্রতিষ্ঠা করতে আর্জেন্টিনা থেকে একটি নারীকে পাঠানো হয় এবং তিনি সেখানে একটি সন্তান জন্ম দেয় এবং সেই বাচ্চাটি হয় পৃথিবীর প্রথম নেটিভ অন্টার্কটিকান। এখনো পর্যন্ত মোট নয় জন নারী এখানে সন্তান প্রসব করেছেন এবং কারো ক্ষেত্রেই জন্ম সংক্রান্ত কোন জটিলতা দেখা যায়নি। অন্টার্কটিকার বিজ্ঞানী অধ্যষিত অঞ্চলগুলিতে সাধারণভাবে বিমানেই যাতাওয়াত হয়। তবে এখানে কোন এয়ারপোর্ট নেই। কারণ তুষার জমে থাকার ফলে কংক্রিট বসানো সম্ভব নয়। বরং বরফের উপর রোল করে বিমান নামানো হয়। যার
জন্য পাইলটদের বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। বরফে চাকা যাতে ডুবে না যায় তাই এখানে স্কিল ল্যান্ডিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। যার ফলে বিমান অনেকদূর গড়িয়ে গিয়েই থামে। কারণ এখানে ব্রেক কাজ করে না। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো অন্টার্কটিকার বরফে জমে থাকা জল পৃথিবীর সবচেয়ে বিশুদ্ধ জলের উৎস হিসেবে ধরা হয়। অথচ আমরা মানুষ সেই জলকেও নষ্ট করে ফেলছি। বৈশ্বিক উষ্ণতা আমরাই বৃদ্ধি করছি। ফলে এখানে বরফ গলে সমুদ্রে মিশে যাচ্ছে। আমরা শুধু মিষ্টি জলের উৎসই হারাচ্ছি না তার সঙ্গে আমরা ধেয়ে যাচ্ছি এক ভয়ঙ্কর সমুদ্রভিত্তিক বিপর্যয়ের দিকে। আন্টার্কটিকা ভ্রমণ একদিকে যেমন চ্যালেঞ্জিং তেমনি হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয়
মুহূর্ত। এখানে যাওয়ার উপযুক্ত সময় হলো নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত। কারণ তখন এখানে গ্রীসবকাল। এখানে যেতে পাসপোর্ট বা ভিসার প্রয়োজন হয় না। একজন অভিজ্ঞ টর অপারেটরের মাধ্যমে যাওয়া যেতে পারে। নির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেই আপনি এই দূরহ কিন্তু চমকপ্রদ ভ্রমণে যেতে পারবেন। তবে মনে রাখা প্রয়োজন অন্টার্কটিকা অত্যন্ত ঠান্ডা ও প্রতিকূল পরিবেশ। তাই সঙ্গে নেওয়া প্রয়োজন যথেষ্ট উষ্ণ পোশাক, জলরোধি জুতো, গ্লাভস, টুপি ইত্যাদি। না হলে আন্টার্কটিকা যে কাউকে গ্রাস করে ফেলবে। আন্টার্কটিকা সম্পর্কে আপনার কি অনুভূতি? আপনি যদি কোনদিন ভ্রমণ করার সুযোগ পান করবেন? কমেন্ট বক্সে লিখে জানাতে পারেন। একই গ্রহে যেন এক ভিন্ন স্থান। ভিডিওটি ভালো লাগলে
একটি লাইক করতে পারেন। চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন। তাহলে দেখা হচ্ছে পরবর্তী নতুন একটি এপিসোডে। ধন্যবাদ।