দর্শক আমি জান্নাতুন নাইম আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি মুক্তমঞ্চে আমাদের এই অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক ইসপাহানি মির্জাপুর চা এবং আজকে আমার সাথে অতিথি হিসেবে রয়েছেন নতুন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কি তা নিয়ে কথা বলতে আইন এবং সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারপার্সন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এবং একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা জেরাই খান পান্না জনাব জেরাই খান পান্না আপনাকে স্বাগত এবং অসংখ্য ধন্যবাদ যে আমাদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে স্টুডিওতে আসলেন কেমন আছেন আপনার শরীর এখন কেমন শরীর ফার্স্ট ক্লাস আচ্ছা আমারে প্রথমে বীর না মুক্তিযুদ্ধ বললেই আমি খুশি এটা আমার ফাস্ট পরিচয় সেকেন্ড পরিচয় হলো আইনজীবী থার্ড টা হলো আইন শেষ কেন্দ্রের সাবসিকুয়েন্টলি আমি চেয়ারপার্সন এবং ব্লাস্ট
এন্ড ট্রাস্ট বোর্ডের সদস্য জনাব জেরাই খান পান একটা নতুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হলো এক মাস 10 দিনের মতন হলো সেই সরকার প্রধান ডক্টর ইউনুস সাহেব বলছেন যে এটা আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলছেন যে একটা নতুন বাংলাদেশের যাত্রা তো এই যে অল্প সময়টা গেল এক মাস বা এক মাস 10 দিন এই নতুন বাংলাদেশে আপনি কি কি পরিবর্তন হতে দেখলেন ফাস্ট হলে আমি ডিফার করি যেটা দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কোন শব্দ নাই উনি পন্ডিত ব্যক্তি অনেক জ্ঞানী লোক উনি যদি বলে থাকেন তারপর আমি এটার সাথে দ্বিমত পোষণ করি স্বাধীনতা 71 এ হইছে 47 এর কথা অনেকে বলে সেটা পাকিস্তান
হইছে কিন্তু বাংলাদেশ হয় নাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা 71 আর পরিবর্তন তো দেখি অবশ্যই আপনি দুইটা ব্যাপার আমি বলি এই আন্দোলন জুলাই সেটা হলো যে প্রথমত এই যে ছাত্র যারা আন্দোলন করতেছিল এরা কিন্তু কোন রাজনৈতিক দলের লেজুর ছিল না আমার জানামতে আর কি আমার জানা ভুলও হইতে পারে এবং এরা খুব পরিচিত নোন ছাত্রনেতাও ছিল না তাইলে তারা কিসের উপর অর্গানাইজ করলো এদের তো ধনীর সন্তানও না এই যে এই পালসটা কিন্তু রাজনীতিবিদরা এবং রাজনৈতিক দল বুঝতে ভুল করছেন এই দায়িত্বটা তো ছিল ছাত্রদের না দায়িত্ব ছিল রাজনৈতিক দলের এত অসংখ্য দল আছে সেই দলগুলো কিন্তু এই পালসটা বুঝতে ভুল
করছেন তারা ধরেই নিছেন যে ছাত্ররা বোধহয় এই যুগের ছাত্ররা এই ল্যাপটপ facebook এই নিয়ে চলবে এরা সামাজিক অন্য কোন রাজনৈতিক কোন ই নাই মানে ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে সীমাবদ্ধ সীমাবদ্ধ এটাই তো বলতো সবাই তো আপনি দেখেন যারা নেতৃত্ব দিল তারা খুব সুপরিচিত মুখ না অতি পরিচিত মুখ না তোফাল আহমদের বা আসম আব্দুর রবের একটা ই ছিল ডাকসুর ভিপি এবং একটা আন্দোলনের ভেতর থেকে হওয়া এটা তো সে ধরনের না তাইলে এদের পেছনে লক্ষ লক্ষ মানুষ কেন আসতো এটা হলো রাজনৈতিক রাজনৈতিক দল এবং রাজনীতিবিদের জন্য শিক্ষা অর্থাৎ পিপলস এর নার্ভ বুঝতে হবে পালস বুঝতে হবে হৃদপিণ্ডের কথা কোনটা সেটা
বুঝতে হবে জনগণের রক্তক্ষরণ কোথায় হয় সেটা বুঝতে হবে যেটা বুঝতে সবাই ব্যর্থ রাজনীতিবিদরা ব্যর্থ রাজনৈতিক দলও ব্যর্থ ক্ষমতাসীনরা তো আরো ব্যর্থ তো দেখেন আপনি তারা আন্দোলন করল আন্দোলনটা চলতেছিল এবং প্রথম দিকে আন্দোলন যেটা ছিল সেটা হলো কোটা কোটায় আমি তাদের আগে থেকেই আমি এটার বিরুদ্ধে কোটা এবং সার্টিফিকেট ফ্রম দা ভেরি বিগিনিং আপনি নিজেই তো মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট নেননি তো নেই নাই কেন এটা যিনি রাজাকারের সার্টিফিকেট ইস্যু করছেন উনি মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ইস্যু করছেন এক দুই হলো যে ব্লাঙ্ক সার্টিফিকেট দিবে কেন আর কোন মুক্তিযোদ্ধা আমি তো আমার সামনে এখনো তো আসে যারা বেঁচে আছে তারা আসেন কাউকে জিজ্ঞেস
করেন তো যে একটা গাড়ি বাড়ি বা পেনশন পাবে এর জন্য মুক্তিযুদ্ধ করছে কিনা আদৌ না কেউ বাঁচবে কিনা সেইটা চিন্তা করে নাই সামনে ছিল একটা বাঁচতে হবে মারতে হবে এবং দেশ স্বাধীন করতে হবে বাঁচতে হবে নিজের এবং পাক হানাদারদের মারতে হবে এবং দেশ তাকে স্বাধীন করতে হবে মুক্ত করতে হবে আমার এই পাহাড়তেই গুলি লাগা ছিল এটা যদি ওই স্টেইনের স্টেইন গানের গুলি না হয়ে যদি 303 হইতো তাইলে আমার তো এখানে গ্যাংরিন হইতো 303 গুলির একটা আলামত আছে যে লাগলে পরে ওটা গ্যাংরিন তার মানে কাটতে হইতো যাই হোক ওই ঘটনায় আমি যাব না আমার আগাগোড়ায় কিন্তু
একটা ক্ষোভ ছিল ক্ষোভ ছিল কেন এই মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেটের ভেতর থেকে দেশটারে ডিভাইড করে দিল কিভাবে আপনি এক কোটি মানুষ 98 লাখ বলে আমি এক কোটি ধরলাম ইন্ডিয়াতে গেছে আর সাড়ে পাঁচ কোটি তখন জনসংখ্যা ছিল সাড়ে ছয় কোটি সাড়ে পাঁচ কোটি বাংলাদেশের ভেতর ইন্ডিয়া থেকে ট্রেনিং নিয়ে সামান্য কিছু মুক্তিযোদ্ধা ঢুকছেন অক্টোবরে এই অক্টোবর পর্যন্ত যুদ্ধ কারা চালাইছে এই দেশের জনগণ তারা রাজাকারের অস্ত্র নিয়ে আমার কাছে এখনো যদি চান আমি আমার গ্রেট আর বরিশাল অঞ্চলে বলতে পারবো বরিশাল গ্লিটার অঞ্চলের সাথে তো বর্ডার নাই ভারতের যেটা ভারতে যাবে বর্ডার নাই মায়ানমারের যে মায়ানমারে যাবে তাইলে এরা করছে কেডা
নিজস্ব পুলিশ লাইনের অস্ত্র এই বিভিন্ন জায়গার অস্ত্র জোগাড় করে রাজাকার যাইতেছে চার পাঁচ জনের খালি হাতে ধরে অস্ত্র নিছে এখন আমি নাম বলতে পারি আগরপুরের বরিশালের বাবুগঞ্জ থানার আগরপুরের নুরু কমান্ডার জীবিত আছে কি অবস্থা আছে আমি জানিনা খালি হাতে অস্ত্র নিয়ে রাজাকারের কাছ থেকে কাঁড়িয়ে নিছে ওদুদ কমান্ডার মারা গেছে একসময় পার্লামেন্টের ইয়েই হয়েছিল ওদুদ কমান্ডারের অনেক সুনাম বদনাম আছে কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তাদের নাম থাকবে কাদের কমান্ডার গৌরদীর মজিদ কমান্ডার ওহাব খান বাবুগঞ্জের যার মেয়ে এবার উপজেলায় চেয়ারম্যান হইছে এটা তো কেউ ভারতে যায় নাই আপনি করলেন কি মুক্তিযুদ্ধে সারা এই দেশে যারা ছিল সে এক্সেপ্ট এ
ফিউ পিপল রাজাকার কিছু বাদে এবং পাকিস্তানে বিলিভ করে তারাও কিন্তু আতঙ্কে ছিল তারাও কিন্তু আতঙ্কে ছিল ইভেন মুসলিম লীগও কিন্তু আপনি খেয়াল করে দেখেন জামাত যেভাবে পাকিস্তানি আর্মির সাথে সহযোগিতা করে করছে মুসলিম লীগের ইতিহাস দেখবেন যে মুসলিম লীগ কিন্তু এভাবে করে নাই আমার এক্সপেরিয়েন্স অন্যান্য অনেক দল ছিল তখন তারা সেভাবে তো সহযোগিতা করে নাই তাইলে এই সাড়ে পাঁচ কোটি লোক কি রাজাকার ছিল এরা প্রতিটা নিয়ত এক কোটি যে গেছে তারা তো এক জায়গায় সেফ ছিল খাওয়া-দাওয়ায় কষ্ট হইছে কিন্তু তাদের জীবনের নিরাপত্তা তো ভারতে ছিল এই দেশে যারা ছিল তাদের তো জীবনে নিরাপত্তা ছিল না সে
যেই হোক আপনি তাদের সাথে ডিভিশনটা করলেন কেন এই সার্টিফিকেটের ভেতর থেকে ডিভিশনটা হয়ে গেছে আরো ডিভিশন হইছে আপনি এটাকে কি জনযুদ্ধ বলবেন না আর্মির যুদ্ধ বলবেন পজিটিভলি জনযুদ্ধ পিপলস ওয়ার সেই পিপলস ওয়ারে সাতজন আপনি বীর শ্রেষ্ঠ করলেন সবই সেনাবাহিনীর আর একজনও সিভিলিয়ন নাই যে বীর শ্রেষ্ঠ হইতে পারে আমি নাম ধরে ধরে বলতে পারি যে কাদের সিদ্দিকী একমাত্র হইছে বীরোত্তম সিভিলিয়নদের ভেতর থেকে আর হোয়াট এবাউট লতিফ মির্জা অফ সিরাজগঞ্জ যার দাপটে আফটার কাদের সিদ্দিকী কিন্তু সবচেয়ে বড় ফৌজ ছিল সিরাজগঞ্জের লতিফ মির্জার সেই লতিফ মির্জার তালিকায় উঠছে জামুকর তালিকায় রাজাকারের লিস্টে এইভাবে যে ন্যাশনরে ডিভাইড করছে অর্থাৎ
যে অধিকাংশ লোক বঙ্গবন্ধু বা আওয়ামী লীগ 670 তে কত পারসেন্ট ভোট পাইছেন কতটা সিট পাইছেন মেজরিটি তো পাইছেন অ্যাবসলিউট মেজরিটি পাইছেন ইস্ট পাকিস্তানে দিদেন ইস্ট পাকিস্তানে তাইলে দিদেন ইস্ট পাকিস্তানের মেজরিটি পিপল বঙ্গবন্ধুর পেছনে ছিলেন আওয়ামী লীগের পেছনে ছিল তারা আফটার লিবারেশন তাদেরকে বাদ দিয়ে দিল যারা ওপারে গেল তাদের সবাই মুক্তিযুদ্ধ হইলো এবং তারা ওপারে কিভাবে ছিল সেই সেই সময়কালের কিছু কিছু পত্রিকা আছে দর্পণ যুগান্তর এভাবে কিছু কিছু ভারতীয় পত্রিকা সেগুলো দেইখেন বামপন্থীদের পত্রিকা দেইখেন এবং আমাদের নেতাদের চেহারাটা দেইখেন এমনকি ইতিহাস বোধহয় নতুন করে আবার লেখবার দরকার হয় না নতুন করে লেখার না এখন দুর্ভাগ্য হইছে
এই যে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় থাকে তখন এককভাবে আওয়ামী লীগ সব করে মুক্তিযুদ্ধ করছে বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামী লীগ জয় বাংলা স্লোগানও দিছে নাকি বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের ই দিয়ে গেছেন এটা 26 তারিখ দিছেন এটা আমরা স্বীকার পাই কিন্তু তার আগে তো সিদ্ধান্ত হইছে কতগুলো সেটা কেন স্বীকার পাবেন না এত এত কৃপণতা কেন আমরা যদি কথা না আমি একটা ধরাই দেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কথায় কথায় 7ই মার্চ আসলে পরেই বলতেন এই কিছু ছাত্রনেতাদের মধ্যে তার আইসা বঙ্গবন্ধুকে বলল যে নেতা এই বক্তৃতা দিতে হবে এই এক গাদা কাগজ নিয়ে আসছে স্বীকার পাইলেন যে কিছু লোক আসছিল এবং বলে যে
আসছিল কে সিরাজুল খান সহ আরো কিছু ছাত্রনেতা তার মানে আসছিলেন এবং পরদিন তারা বলছেন বঙ্গবন্ধু আপনি স্বাধীনতার ঘোষণা ঠিকভাবে দেন নাই মানুষ হতাশ হয়ে গেছে উনি নাকি যদিও সেই ইতিহাসগুলি পরবর্তীতে আর সেটাই আমরা যদি আবার নতুন সরকারের প্রসঙ্গটা জনাব খান আমরা চলে আসি অতীত বাদ দিয়ে কিন্তু আপনি নতুন ফাউন্ডেশন হইলো অতীত আমরা আপনার স্বীকার পাইতে হবে যে 62 নিউক্লিয়াস সেটার কার্যকলাপের ফলেই এই যে সংখ্যাগরিষ্ঠ আওয়ামী লীগ 71 এ ইসলামাবাদে যাইতে পারে নাই তাদের ঠেকাই নিয়ে এই নিউক্লিয়াসি ছাত্রলীগের মাধ্যমে এবং তার ব্যাপ্তির মাধ্যমে কলিকাতায় পাঠাইতে পারছে তো আমি যদি আবারো মানে সাম্প্রতিক প্রসঙ্গে চলে আসি ডক্টর
ইউনুস জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া তার যে দ্বিতীয় ভাষণটি দিয়েছিলেন আপনি হয়তো খেয়াল করেছেন তিনি বলেছেন যে রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করতে চাই এবং ছয়টা কমিশন গঠনের কথা তিনি বলেছেন বিচার বিভাগের দায়িত্ব একজনকে দেয়া হয়েছে আমি দেখলাম যে সংবিধান সংস্কারের জন্য স্বাধীন মালিক কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তো যে ব্যাপারটি জানতে চাচ্ছিলাম যে এই রাষ্ট্র সংস্কারের যে যাত্রাটা সেই সংস্কারটা ঠিক আসলে কতটুকু পর্যন্ত হওয়া উচিত কতদিন ধরে এই সংস্কার হওয়া উচিত এবং এই ছয়টা যে কমিশন গঠন করেছে তাদেরকে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হবে একটা একটা করে বলেন শাসনতন্ত্র এইতো সংবিধান আমি স্বাধীনরে চিনি
হুম স্বাধীনের জন্য ইট উইল টেক অনলি 15 ডেস আচ্ছা তাও লাগবে না 15 ডেজ বললাম এই কারণে ওর চোখের প্রবলেম আছে হুম আদারওয়াইজ ওর যে মেরিট এটা 15 দিনে লাগার কথা না কারণ আমি বার কাউন্সিলে থাকতে ইসের ওই কি ইউকে বেসড একটা অর্গানাইজেশন চাইল্ড রাইটস এর উপরে ওরে চিলড্রেনস অ্যাক্ট একটা বই ট্রান্স ই করাইছিলাম বিলিভ মি সেই বই এখন পর্যন্ত আমার মনে হয় যে ওয়ান অফ দ্যা বেস্ট বুক আচ্ছা উইথ ইন সাবকন্টিনেন্ট ইন্ডিয়াতেও এত ভালো বই নাই 74 এর চিলড্রেনস অ্যাক্টের উপর যেটা লিখছে সরকারের কি কোন সংস্কারের রূপরেখা কি আপনার চোখে পড়ছে না সেইটা তো
এলাবোরেটলি তারা বলেন নাই হুম এই সরকারের মূল দায়িত্ব হইছে যে একটা গণতান্ত্রিক আবহাওয়ের ভেতরে হুম লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ভেতরে তারা ডেমোক্রেটিক ওয়েতে ডেমোক্রেটিক গভমেন্টের কাছে হ্যান্ডওভার করবে আজকেই একজন উপদেষ্টা বলছেন যে ভালো নির্বাচন করতে হলে অন্তর্বর্তী সরকারকে থাকতে হবে ব্রিগেডার সাখাওয়াত বলছেন ধরে নিলাম একটা ভালো নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তৈরি হলো কিন্তু ভালো নির্বাচন হলেই কি দেশের পরিবর্তন আসবে বলে আপনার মনে হয় ভাই দেশের পরিবর্তন তো অনেক রকম আসে হুম মানে রাজনৈতিক দলগুলোর কি এখনো সেই ম্যাচিউরিটি এসেছে এইটা এইটা হইছে কি সামাজিক অবস্থার উপর নির্ভর করে হুম আপনি ধরেন আজকে থেকে 20 বছর আগে 90 এর আগে
কেউ কি মোবাইল ফোনের কথা চিন্তা করছে আচ্ছা যখন প্রথম মোবাইল ফোন ছিল নোকিয়া আজকে নোকিয়া খুঁজে পাওয়া যায় না তাই না একসময় ছিল রোলস রয়েস গাড়ি ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড দেখে তারপরে যারা বিক্রি করতো সেই রোলস রয়েস রে বোধহয় কিনে নিছে জার্মানি তো পরিবর্তনশীল সবকিছুই পরিবর্তনশীল বিপ্লব বলতে যেটা বুঝায় সেটা হলো সমাজের এই আমাদের তো শ্রেণী বিদ্যমান সমাজ এখানে ধনী আছে ধনী মানে এমনই ধনী যে সিঙ্গাপুরের মধ্যেও ধনী তো এমন ধনীও আগে ছিল না আমরা পাকিস্তানে 22 পরিবারের জন্য চিৎকার পারতাম 22 পরিবারের হাতে বন্দি এখন তো এখানে 22000 পরিবার হইছে যারা কোটিপতি কোটিপতির তো সংখ্যার অভাব নাই
এখন শুনি যে পুলিশের ইন্সপেক্টর তার কাছে পাওয়া গেছে নাকি একজনই বলল যে এ নিয়ে আবার হানাহানি হইছে যে 50 কোটি না 60 কোটি টাকা পাওয়া গেছে বাসায় কেনা তো এই যে অবস্থাটা আপনি আরেকটা বিষয় দেখেন এই সরকার যদি পারে পারতে পারে যদি তারা ইনিশিয়েটিভ নেয় যে প্রত্যেকটা জেলা প্রশাসককে তার পরিবার নিয়ে পোস্টিং এ থাকতে হবে কারণ তাদের জন্য কিন্তু জেলা স্কুল এবং সরকারি স্কুল হয়েছিল ব্রিটিশ আমল থেকে এবং বরাবর আমরা দেখছি যে সেই পাঞ্জাবি বরিশালে পাঞ্জাবি ওসমান সাহেব নামে একজন পাঞ্জাবি ডিসি ছিলেন তখন বলেছে তো ডিএম ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট সে লাহোরের লোক বরিশাল আসছেন ফ্যামিলি নিয়ে
তার বাচ্চাকাচ্চা মেয়ে ছিল পড়ছে গার্লস স্কুলে এই আজকের যিনি প্রধান বিচারপতি তার নানা বিচারপতি ইব্রাহিম সাহেব উনার ফাস্ট পোস্টিং কিন্তু 47 এ বরিশালে উনার মেয়ে ছেলে সহ উনি বরিশালে গেছেন এবং উনার মেয়ে হুম ডক্টর সুফিয়া আহমেদ অর্থাৎ ইস্তেক সাহেবের ওয়াইফ উনি বরিশাল গার্লস স্কুলে পড়ছেন তো এই যে পরিবর্তনের কথা বলছেন না আমি বলতেছি কেন যে এরা দেখবেন এরা যাইতে পারছেন ওই আমলে যে আমলে কমিউনিকেশন খারাপ যে আমলে ইলেকট্রিসিটি সেইভাবে ছিল না যে আমলে রাস্তাঘাট ভালো না গাড়ি নাই ঘোড়া নাই সেই আমলে তারা থাকতে পারছেন আজকে কেন তারা থাকতে পারবেন না আজকে কেন পারবেন না আজকে
আজকে একটা ঢাকা শহরে আপনি জিলা স্কুল খুঁজে পান পগজ স্কুলের নাম শুনছেন আপনি এই আরমানো স্কুলের নাম শুনছেন কলেজের স্কুল তো শেষ স্কুলগুলো তো ছিল এখানের একটা ঐতিহ্য ছিল এগুলো শেষ হইছে কেন শেষ হইছে ওই যে আপনি ম্যাপের লিপ ম্যাপের লিপ আমি শুধু বলবো না স্কলারস টিকা এরকম আর কি কি আছে না ওই ইংলিশ মিডিয়াম একটা দিছেন ইংলিশ মিডিয়ামে কিছু দিছেন বাংলা মিডিয়ামে কিছু দিছেন আরবি মিডিয়ামে তো মানুষ কোথায় যাবে চিন্তা করা যায় ইংলিশ মিডিয়ামে পড়লে পরে বোধহয় জাপানে আমেরিকায় যাইতে পারবে ব্রিটেনে যেতে পারবে ইউরোপে যেতে পারবে গিয়ে কি কাজ করে কি কাজটা করে খোঁজ
নেন পয়সা ইনকামই তো বড় জিনিস না আত্মমর্যাদাবোধ স্বাধীনতা এগুলো তো একটা বিষয় নতুন সরকারের এই যাত্রাপথটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল তো সরকারের অ্যাপ্রোচ কিরকম দেখছেন যে দেশ পরিবর্তন এর ক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রে দেখলাম যে পুলিশ এখনো পর্যন্ত ঠিকঠাক মতন যে কাজ করছে না এমন অভিযোগ আছে প্রশাসন কাজ করছে না অভিযোগ আছে সরকার কি আপনার কাছে মনে হচ্ছে যে সব প্রশাসনের সব সেক্টর আসলে ফুল কন্ট্রোলটা রাখতে পারছে বা তাদের আছে আচ্ছা আমি একটা আমাদের দেশের তো বিপ্লব হয় নাই রাশিয়ায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালীন 17 সালে তো লেনিন যখন ক্ষমতা দখল করে তার পরপরই তো শুরু হইলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধ হুম জার্মানি
অ্যাটাক করার পর উনি সোলজার পাঠানো শুরু করলেন যাও জার্মানির সাথে যুদ্ধ করো বর্ডারে এইটা আপনি পাবেন ব্রেস্ট এগ্রিমেন্টের ভেতর একটা এগ্রিমেন্ট ছিল জার্মানির সাথে যেটা পড়লে পরে আমি এখনো চিন্তা করে পাই না যে তার স্টেট চিন্তা রাষ্ট্র রাষ্ট্র চিন্তা নিয়ে আর আজকেও আমি 100 বছর পরেও ঐরকম প্রোগ্রেস খুব চিন্তা করতে পারি না তো পাঠালোর পরে দেখা গেল যে তার সোলজাররা বর্ডার পর্যন্ত যায় না অন দ্যা ওয়ে গিয়ে ড্রেস ড্রেস কইরা আর্মস পালায় চলে যায় তো উনি পলিট বোর্ডের মিটিং ডাকলেন যে এখন তো আমাদের কোন উপায় নাই কারণ উইদাউট ওয়ার জার্মানি ঢুকে যাইতেছে বরঞ্চ জার্মানির যে
এগ্রিমেন্ট বা ট্রিটির যে টার্মস এন্ড কন্ডিশন দিছে এগুলো আমরা মাইনা একটা ব্রিদিং আওয়ার নেই টু রিবিল্ড দা আর্মি তো এটা তো কেউ মানতে রাজি না শেষে বললেন যে ওকে তাইলে আমি ছাড়িয়ে দিলাম সাতজন ছিল ফাস্ট স্টালিন এবং ট্রটোস্কি তারা রাজি হয়ে গেলেন যে হ্যাঁ কত হাজার রুবেল দেবেন এবং একটা পোরশন ছাইড়িয়ে দিবেন উনি তখন বললেন যে এক্সেপ্ট মস্কো আমি সব সাইডে দিতে রাজি আছি এটা পলিট দূরে বলছেন এবং উনি রিবিল্ড করলেন কিন্তু এই রেড আর্মি হইলো করে দেন ওয়ারে গেলেন একটা এই গভমেন্টের বেলা তো অতখানি সুযোগ নাই পুলিশ রিবিল্ড করার সুযোগ নাই আর্মি রিবিল্ড করার
তো সুযোগই নাই আনসার রিবিল্ড করারও সুযোগ নাই জনগণেরও রিবিল্ড করার সুযোগ নাই জনগণের আমাদের একটা মন মানসিকতা আছে আজকে পাওয়ারে গেছে কালকে কি দিবে একটা কি অধৈর্য বেশি জাতি হিসেবে জাতি হিসেবে কি অধৈর্য একটু বেশি তা তো বটেই জোয়ার ভাটার দেশ তো আচ্ছা এক জায়গার না জোয়ার ভাটার দেশ আপনি এখনো ভিডিওতে গিয়ে ওই ইউটিউবে গিয়ে ওই পাহাড়ী অঞ্চলের ইন্ডিয়ার পাহাড়ী অঞ্চল পাকিস্তানের পাহাড়ী অঞ্চল আফগানের পাহাড়ী অঞ্চলের মহিলাদেরই দেইখেন একটু কার জোগাড় করার জন্য কি কষ্টটা করে একটু পানি সংগ্রহ করার জন্য খাবার পানি কি কষ্টটা করে আমরা তো সেই ধরনের না আমরা প্লেন প্লেন মানুষ খুব
সহজ যে ফসল হয় তাড়াতাড়ি খাই এবং খাইয়ে দেই বাঁচে ভালোভাবে থাকি আসলেই কিন্তু ভালোভাবে আছি যে কারণে আমি কোনদিন আমি কিন্তু ইউরোপ আমেরিকার বহু দেশ ঘুরছি আমার হোল ফ্যামিলি চাচাতো মামাতো খালাতো ফুপাতো সবই বাইরে আমেরিকার ইংল্যান্ড তারা আমারে মনে করে বোকা আমি না তোমাদের সাথে আমি এডজাস্ট করতে পারবো না তো বিকজ তোমরা অলরেডি মেশিন হয়ে গেছো তোমরা শীত বর্ষা ওই সকাল ছয়টা উইঠে রওনা দাও তোমাদের ফাস্ট ডিউটি হইছে চাকরি আর ওদের সিস্টেম হইছে হায়ার এন্ড ফায়ার পাঁচ মিনিট লেগ ফায়ার আমি তো এর মধ্যে নাই আমি একভাবে লেভিসলি আমি বলব যে এত লেভিসলি একটা মধ্যবিত্তের ঘরে
যেভাবে থাকে সেটা দুনিয়ার অন্য কোথাও এত আরাম নাই আসলে বাংলাদেশে যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যদি ঠিক রাখতে পারতো মানুষ যদি দরজা খুলে ঘুমাইতে পারতো তাইলে এর চেয়ে স্বর্গের দেশ আর কোথাও নাই ইটস ট্রু যেটা ব্যর্থতা সেইটা বলতেছি যে কি কারণে আমি জানিনা 450 এর উপরে থানা খালি হয়ে গেল এইগুলো অ্যাটাক করছে কারা নিশ্চয়ই ছাত্ররা না ওই এলাকায় কি এত ছাত্র ছিল প্রত্যেকটা থানায় না তাইলে ছাত্রদের সাথে কারা ছিল এই যে মব অ্যাটাক এটা বড় ডেঞ্জারাস এটা অর্গানাইজড ওয়েতেই হইছে যারা এই আন্দোলনের ভেতর থেকে একটা সুফল আদায় করতে চাইছে মানে কি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংখ্যা এখনো আছে
হ্যাঁ আছে তো অবশ্যই আছে আপনি এই যে গতকালকে দেখেন ইসে ওই কক্সবাজারে সিবিচে এক মহিলা নামতে গেছে দেখে তার কান ধরে উঠবে হুম হাউ ডে আর দেয়ার এই সময় অনেকগুলি জামিনের ঘটনা দেখলাম ছয় জন শীর্ষ সন্ত্রাসীর জামিন হলো সুইডেন আসলাম সহ পিচ্চি হেলাল সহ এবং আনসারুল্লাহ বাংলা টিমেরও প্রধান তিনিও হ্যাঁ উনি এটা কি রাজকীয় ভাবে বের হইছেন কিভাবে হলো এই ঘটনাগুলি এদের জাবিন আমি সুইডেন আসলামের কথা জানি যে জাবিন আগেও হইছিল বের হইতো না আর কি কারেন্ট উনি বের হইতেন না এবং জাবিনের জন্য চেষ্টাও করেন না উনি বেইলেবল সেকশনই ছিল কতগুলো ইসে ওইগুলো উনি ছিলেন
ভেতরে আর পিচ্চি হান্নানের কথা আমি জানিনা তবে আনসারুল্লাহ এই যে এই তার যে যেভাবে বের হইছেন এইটাতে আমার মনে হইছে যে দেশের কোন একটা অঙ্গের ইঙ্গিত আছে নিঃশ্বাস অনেক হাই লেভেলই হবে হ্যাঁ অবশ্যই হাই লেভেল হবে যেমন প্রথম দিনের কথাই আমি বলি সেনাপ্রধান জামাতে ইসলাম তো তখনও বেয়নি পাঁচ আগস্টের ঘটনা বলছে হ্যাঁ বেয়াইনি বেয়াইনি হইলে পরে সেই অর্গানাইজেশনের সাথে সেনাপ্রধান কিভাবে বসে আগে তো তারে লিগালাইজ করে নিতে হবে একটা ইল্লিগাল অর্গানাইজেশনের সাথে সে কিভাবে বসে প্রথম দিনেই কই মির্জা ফখরুলের কথা তো বলে নাই ফাস্ট তার মুখ থেকে বের হইছে জামাতে ইসলামের আমিরের কথা দেন মামুনুল
হক আবার মির্জা ফখরুল পেছনে কি কারণ থাকতে পারে আপনার কি ধারণা কারণ তো অবশ্যই সবাই ক্ষমতা চায় উনিও হয়তো চোখ বন্ধ করে ক্ষমতা চাচ্ছেন কার কথা বলছেন সেনাপ্রধান সেনাপ্রধান হ্যাঁ হয়তো আমার ধারণা ভুল হইতে পারে কিন্তু তারা তো সমালোচনা আলোচনার ঊর্ধ্বে না যেহেতু পাবলিক ফিল্ডে এখন আসছেন এখন তার সমালোচনা করার সে তো পেইড বাই পিপল জনগণের অর্থের দ্বারা সে এই কাজের জন্য দেশটাকে করার জন্য উনি দায়িত্বে আছেন যদিও আমরা সবাই জানি উনার প্রমোশন বা সেনাপ্রধান হয়েছেন যেহেতু সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় এটাই ছিল উনার বড় ক্রেডেনশিয়াল তো তারপরও আমার কোন ই নাই কিন্তু এই যে জামাতের সাথে
বসছেন জামাত তো তখনও আইনি সংগঠন না তিনি কোন এখতিয়ারে বসলেন তাকে কি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই একটা দুই হলো বঙ্গভবন কিন্তু লুটপাট হয় নাই ওয়াই গণভবন আক্ষেপটা আপনি বলতে পারেন যে হ্যাঁ আক্ষেপটা শেখ হাসিনার উপর তার অর্থ কি আওয়ামী লীগের উপর না তো আওয়ামী লীগের উপর যদি হয় তাইলে ধরলাম যে হ্যাঁ ওই গণভবন হইতে পারে শেখ হাসিনার জন্যে কিন্তু তাইলে আপনি অন্যান্য মন্ত্রীদের বাড়িঘর পোড়াইলেন কেন কারা পোড়াইলো 32 নাম্বার বঙ্গবন্ধুর যে ভাষাটা ছিল সেইটা তো আর শেখ হাসিনার না ট্রাস্ট করা বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম এই যে পোড়াইলেন যারা কেউ তো গিয়ে বাধা দিল না পুলিশ ছিল না
ঠিকই কিন্তু কিন্তু সেনাবাহিনী কেন মুভ করে নাই অসুবিধা ছিল ওটা তো আমাদের সম্পদ ওইখান থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাটা আসছে ওইখান থেকে ছয় দফা আসছে ওইখান থেকে আওয়ামী লীগের প্রথম যেটা সেটাও আসছে পাকিস্তানের সাথে যে আমাদের ডিফারেন্সটা আসবে সেটা ওইখানে আসছে বঙ্গবন্ধু যখন জেলে তখনও মিটিং কিন্তু ওইখানে হইছে হুম তো এখন ওইটা একটা ঐতিহাসিক বাড়ি বোম্বেতে জিন্নার যে বাড়ি মালাবার হিলে ওই সেটা তো ডেস্ট্রয় করে নাই আমি একটু যদি তাহলে এই প্রসঙ্গে চলে আসি মানে আপনার তো রাজনীতি শুরুটা হয়েছিল আওয়ামী লীগের রাজনীতির হাতরে মানে 72 ছাত্রলীগ ছাত্রলীগ দিয়ে এরপরে জাসদে চলে গেলেন তো আওয়ামী লীগের এই যে
ধরেন দলীয় প্রধান থেকে শুরু করে আশেপাশে যত বড় সিনিয়র নেতা আছে সবাই যে পালালেন কাউকে খুঁজে পাওয়া গেল না আওয়ামী লীগের এই পতনটাকে আপনি কিভাবে দেখেন এবং আমার সাথে এর আগে যখন আপনার টকশো হয়েছিল গেল বছর আমি সেখান থেকে একটু আপনাকে কোট করছি আপনি তখন বলেছিলেন যে দল যদি বলেন জাতি যদি বলেন আমরা সবাই বঙ্গবন্ধুকে বিক্রি করেছি আপনার কি মনে হয় যে এই যে সহিংসতা গুলি পরবর্তীতে হলো তার কিছু দায় তার কন্যা শেখ হাসিনা কেও নিতে হবে না কন্যা হিসেবে নেবে কেন কন্যা কন্যাকে তো নিতেই হবে কন্যাকে তো নিতেই হবে আর দলকে নিতে হবে সবচেয়ে
বেশি কন্যা মানে তো দল না না তাইলে দলকে নিতে হবে সবচেয়ে বেশি হুম সেটা তো নেয় নাই যে কারণে পতনটা আপনি নিজে বলেন আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কি আপনার কি মনে হয় আওয়ামী লীগ হইছে একটা পুরানো অর্গানাইজেশন লাইক কংগ্রেস তার অর্থ এই না যে এখানে নরেন্দ্র মোদির স্টাইলে কেউ আসবে দিস ইজ বাংলাদেশ এটা প্রচন্ড সেকুলার আপনি এমনি দুইদিন বলতে পারেন তিনদিন তারপরে কে হিন্দু কে মুসলমান এটা খুঁজতে যাবেন না সেকুলার এবং খুব সহনশীল আপনার পাশের বাসায় হিন্দু একজন যদি হয় আপনি কিন্তু দেখবেন না ও মারা যাইতেছে কি হইতেছে দৌড়েই যাবেন হিন্দুরাও তাই এরা ইন্ডিয়ান হিন্দুর মতো
না যেমন ম্যাক্সিমাম জেলে তো হিন্দু তাইলে তার মাছ আমরা খাই কেন মিষ্টি খাই কেন হিন্দুদের সব হিন্দুরেই তো মিষ্টি এই ঘোষেরা তো সবচেয়ে ভালো মিষ্টি বানায় দই বানায় ঘি বানায় তাদেরটা খাই কেন এইখানে কিন্তু এটা নাই ওই কমুনাল এটা নাই আমরা মাঝেমধ্যে চেষ্টা করি সেই চেষ্টাটা মুসলমানদের ভেতরে আছে হানাফী হানাফী ওহাবী এই যে ওহাবীরা মাজার ভাঙতেছে কার মাজার ভাঙতেছে হিন্দুদের না তো মুসলমানদের মাজার ভাঙতেছে এবং এই দেশে যারা সুফিজম সুফিরা নিয়ে আসছে ইসলাম তাদের মাজার ভাঙতেছে ওহাবীরা কার সৃষ্টি ওহাবীরা ব্রিটিশদের সৃষ্টি অটোমান এম্পায়ারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সৌদি আরবে আব্দুল ওহাবেরে দিয়ে এটা করাইছে তার
ফলোয়ারসরা এটা শুরু করছে এবং তারা একসময় কিন্তু এটেম ছিল রসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাজার এটাও ডেস্ট্রয় করবে শেষ সময় ব্রিটিশের আবার এডভাইস দিছে যে এইটা করতে যেও না টোটাল মুসলমানদের ইটা পড়বে গিয়ে তাদের গায়ে ব্রিটিশরা তো খুব শেয়ান বেনিয়ার জাত যে কারণে ওইটা মদিনায় করে নাই আপনি ইতিহাস খুঁজলে পরে এটাও পাবেন ইয়াজিদ তো মুসলিম ইয়াজিদ তো কাবা ঘরের ভাইঙ্গা ফেলাইছিল এ ঝামেলা আছে মুসলমানদের ভিতরে আছে মাইজ ভান্ডারী একরকম আবার এই আটরসেই অ্যাটাক করছে না আটরসে অ্যাটাক করছে না চন্দ্রপুরীর অ্যাটাক করছে না করছে এরা মাজার উৎখাত করতেছে তো মাজার গুলো কার মুসলমানদের তো না হিন্দুর
মাজার তো মুসলমানদের মাজারই যদি কবর যদি ভাঙতে পারে তাইলে হিন্দুদের মন্দির ভাঙতে পারতে তো কিছুই না এই যারা করতেছে এরা উগ্রপন্থী উগ্রপন্থী এবং কি বলবো যে ধর্ম না বুইঝা ধর্মকে ব্যবহার করতেছে ইসলাম ধর্মে কিন্তু এটা নাই আজকে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে বেশ স্ট্রং মেসেজ দেয়া হয়েছে এগুলোর এগেন্স্ট অবশ্য তবে যে ব্যাপারটা জানতে চাচ্ছিলাম আপনার কাছে আবারও আসতে চাচ্ছিলাম যে লীগের ভবিষ্যৎ আপনার কি মনে হয় মানে দল হিসেবে দাঁড়াতে দল হিসেবে তারা যদি বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতাগুলো ফলো করিয়ে চেষ্টা করে তাইলে তারা দাঁড়াবে তারা যদি গণতান্ত্রিক হিসেব পিপলস এর নার্ভ বুঝতে চেষ্টা করে যেমন কি দরকার ছিল এইগুলি
আওয়ামী লীগ যেভাবে শাসন করে এসেছে 16 বছর তাতে মনে হয় যে এই দলটা বুঝতে পারবে পিপলস এর নার্ভ আর কোনদিন না তা মনে হয় মনে হয় কেন যে 66 এর আগে আওয়ামী লীগের তেমন কোন অস্তিত্ব কিন্তু ছিল না হুম কোন হিন্দু বা গ্রামের মানুষ আওয়ামী লীগের নাম শুনতে পারতো না তারা করতো মাওলানা ভাষানী কেন মাওলানা ভাষানী ওই কাগমারি সম্মেলনে বলছে ওয়ালাইকুম আসসালাম এবং কাগমারি সম্মেলনে সে দুইটা গেট করছিল একটা হলো নেতাজী সুভাষ বোস গেট আরেকটা হলো পন্ডিত জহরলাল মতিলাল নেহেরু গেট আচ্ছা এইটা পাকিস্তান আমলে পাকিস্তানের প্রাইম মিনিস্টার সরোয়ারদি যাবে এই দুই গেটের ভেতর দিয়া ক্যান
ইউ ইমাজিন ইট এবং সরোয়ারদির সাথে সে তখন বলল যে আমার অটোনমি দাও সরোয়ারদি বলল যে আমি প্রাইম মিনিস্টার মানেই তো 98% অটোনমি ইস্ট বেঙ্গলরে দিয়ে দেওয়া হয়ে গেছে তো এই যে ঝামেলাটা এবং ইতিহাসে অনেক বিকৃত ইয়ে আছে আপনি যদি ইতিহাস খোঁজেন দেখবেন যে কোন সরোয়ারদি কিন্তু আইসা আওয়ামী লীগে জয়েন করে নাই বিকজ আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট ছিল মাওলানা ভাষানী উনি করাচি গেলেন করাচি গিয়ে জিন্না মুসলিম লীগ নামে একটা দল করলেন সেটা এখন আর পাবেন না ইতিহাসে ইতিহাস খুঁজলে পাবেন কিন্তু আমাদের ইতিহাস আপনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বোধহয় একটা অডিও বার্তা শুনেছেন নাকি তিনি বলছেন যে দেশের কাছেই আছেন
চট করে ঢুকে পড়বেন শুনছি কি মনে হয় তার ছেলেই তো বলছে তার ছেলেরই তো শুনেন না যে আমার মা অপরকৃত ঠিক কি আমার মা অপরকৃতস্থ আচ্ছা আজকে আমি দেখলাম হয়তো এটা ভুলও মেসেজ হইতে পারে কিছুটা তো উনি কি বলবো যে এই যে কারফিউ দিছে কারফিউ দেওয়া মানে কি যে দেখামাত্র গুলি এটা তো আর বলা লাগে না এইটা দেয়ার জন্য যে 14 দল এই বুদ্ধিটা দিছে আমি 14 দলেরই বলতেছি আপনি কেন শুধু আওয়ামী লীগের বলবেন 14 দল যারা করছে তারা এই বুদ্ধিটা দেয় কিভাবে তারা এই বুদ্ধিটা দেয় কিভাবে যে কারফিউ দেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের তখন নিশ্চয়ই আর
কোন পথ খোলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পথ সারেন্ডার করবে কি জোর করে গাড়ি ধরে থাকবে এটা কি সিংহাসন এটা কি মধ্যযুগীয় আমল জনগণের সমর্থন থাকে আপনি থাকবেন শেষ পর্যন্ত তো তাই থাকতে চেয়েছিল মানে এরপরে আমরা যেসব খবরগুলি পেয়েছি কি যে শেখ হাসিনা শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা ছাড়তে চাননি চায় নাই কিন্তু ছাড়তে হইছে তো বাধ্য হয়ে বাধ্য কিসে হইছে তো ওইভাবে বাধ্য না হইয়া যদি আগেই ছাড়তো তাতে কি আরো সম্মানটা থাকতো না যাইতো সম্মান রাইখা যাওয়ার পথটা খোলা উচিত চোরেও কিন্তু এস্কেপ রুটটা আগে গিয়ে দেখবেন যে চুরি করে সামনের দরজা দিয়ে বা ওই ঈদ কইটা কিন্তু একটা দরজা খোলা
রাখে যে জায়গায় দিয়ে ভাগবে এরা তো তাও রাখে নাই এবং একটা জিনিস আমি বলি যে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাটা কোথায় 14 দলের যিনি সমন্বয়ক আমির হোসেন আম্মু যার ধরে আপনার রাজনীতিতে আসা হ্যাঁ আমার গুরু হিসেবে আমি বলতেছি না রাজনীতি হিসেবে কিন্তু সত্যিকার দেখেন একটা যে অভিজ্ঞতা কি রকমের উনি কিন্তু বললেন যে ডায়লগ করা উচিত সংলাপ করা উচিত বিরোধীদের সাথে উনার রিপ্লাই দিলেন খুব স্ল্যাং ল্যাঙ্গুয়েজে ওবায়দুল কাদের কাদের সাহেব এটা কি উচিত হইছে কোনটা সঠিক ছিল সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তার ভূমিকা আপনি কিভাবে দেখেন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমার মনে হয় এত ওয়ার্ডস সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন রাজনৈতিক দলে
আমি দেখিনি তো শেখ হাসিনা তাকে করেছিলেন কেন করেছিলেন লয়েল টু হার্ট হুম প্রবাবলি এবং উনি শেখ হাসিনাই বলতে পারবেন এটার জবাব আমি তো দিতে পারবো না আচ্ছা আমার কাছে দেখতে ভালো লাগতো যে একটা ক্লাউন দেখতেছি তার হাঁটা চলা ল্যাঙ্গুয়েজ তো কোন কিছুই নরমাল না হয়তো আমার চোখের ভুল বা আমার দৃষ্টিভঙ্গির ভুল আমার কানে শোনা ভুল কিন্তু আমার কাছে তাই মনে হয়েছে আমি খুব এনজয় করতাম তার কোন বক্তব্য আমি সিরিয়াসলি নিতাম না এই ফখরুল এই কি আন্দোলন করো তুমি ফখরুল মির্জা আপনি দেখেন এই নওগার জলিল সাহেব আর এই আমাদের এই অ্যাডভোকেট দেলোয়ার সাহেব বিএনপির দিদেন দুই
সম্পাদক সেক্রেটারি এরা যখন ডায়লগ করছেন একজন আরেকজনের চাহা ই করে দিতেছেন এসব ল্যাঙ্গুয়েজ শুনছেন এখন এদের কাছ থেকে নতুনই শিখতে হয় ইভেন দেন ওবায়দুল কাদের এবং আপনি জাহাঙ্গীর কোভিদ নানকের বক্তব্য শুনেন দুইটার ভিতরে আকাশপাতাল ব্যবধান লাস্ট বক্তব্য তো রাখছে জাহাঙ্গীর কোভিদ নানক আওয়ামী লীগের তরফ থেকে সেটা তো অনেক ম্যাচিউরিটি আছে কিন্তু তারটাই থাকবে না কেন তার কোথাও জায়গা না পাই আমি নানক সাহেবের তো বোধহয় একদম শেষ যে বক্তব্য ছিল সেটা হচ্ছে যে আমরা ধৈর্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেছি সেটা আছে না সেটা তো আছেই ও ধরনের বলবেই সেটা না আমি বলছি বলাটা সমীচীন কি সমীচিহ্ন আমি
বলতেছি না আমি বলতেছি দুইজনের পার্থক্যটা যদি দেখেন তাইলে দুইটার ভেতর কিন্তু ল্যাঙ্গুয়েজই আছে আমরা এবার একটু আবার বিচার বিভাগের দিকে চলে আসতে চাই 2007 সালে মানে নির্বাহী বিভাগ বিচার বিভাগ আলাদা করার একটা চেষ্টা হলো মানে আলাদা সচিবালয় হবে এরপর আর কখনোই হলো না কথিত আছে যে আওয়ামী লীগের যারা আইনমন্ত্রী ছিলেন প্রথমে কামরুল ইসলাম সাহেব পরে আনিসুল হক সাহেব কেউই চাননি তার কারণ হচ্ছে যদি করা হতো তাহলে সরকারের নিয়ন্ত্রণটা কমে যেত তো আপনার কাছে কি মনে হয় যে হলো না কেন এখন কি আপনার কাছে মনে হয় যে সম্ভব হবে এটার আদৌ এটা সম্ভব যদি বিচার বিভাগ
চায় বিচার বিভাগ কি চাবে বিচার বিভাগের চাওয়া উচিত উচিত তো সরকারের এই দুটোকে আলাদা করতে গেলে এখন কোন পথে হাঁটা উচিত বিচার বিভাগের অবশ্যই স্বাধীনতা দিতে হবে এবং আমি আরেকটা কথা বলি এই বিচার বিভাগের বেলা আপনি দেখবেন এইটা কিন্তু এখন পর্যন্ত কখনোই গভমেন্ট কত ইনকাম কত খরচ এটা বলে না এখন পর্যন্ত গভমেন্টের বাজেটে আমি দেখি না যদিও তারপরও জানি কারণ দুই দুইটা মিনিস্টারের কাছে কিন্তু আমি গেছি যে আমার এইডা কত তো আমাদের ইনকাম আমরা তো একটা রেভিনিউ দেই এই কোর্ট ফি নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প এই জুডিশিয়ারি থেকে রেভিনিউটা ফান্ডে জমা হয় এটা কিন্তু অলওয়েজ সারপ্লাস গভমেন্ট
একটা হিসাব করে তো বাজেট দেওয়ার সময় যে এইটাই হবে অলওয়েজ সারপ্লাস তারপর এটা তারা করে কি তারা এইটা মিলিয়ে ফেলে ইচ্ছাকৃত শফিক সাহেবের বেলায় আমি বলছি যে আমারে দেন আপনি খরচের হিসাব দেন হ্যাঁ না খরচের হিসাব না আমি বলছি এইটা জুডিসের জন্য খরচ করেন এইটা জুডিসের জন্য খরচ করেন এবং আমি জানি যে এইটা জুডিসের জন্য খরচ করতে গেলে পরে অন্য অনেক মিনিস্ট্রি খালি হয়ে যাবে এ থেকে প্রত্যেকটা জায়গায় আপনি আলিশান আলিশান উঠে দিতে পারবেন আপনে 13 লাখ 14 লাখ টাকা বিচারপতিদের বেতন আমি চাই না 5 লাখ তো দিবেন এক লাখ দেন দুই লাখ দেন জেলা
জজরে আমার আপত্তি নাই এপ্রোপ্রিয়েট দেন ইন্ডিয়ার সাথে কম্পেয়ার করে দেন পাকিস্তানের সাথে কম্পেয়ার করে দেন আপনি ইউনোরে দেন পাজেরো প্রাডো আর আমার সুপ্রিম কোর্টের জাস্টিসদের দেন নিসানের নিসান ব্লুবার্ড তো উনারা তো সেটা নিয়ে সন্তুষ্ট উনারা তো ওই তো বললাম যে এনাদের বলারও কিছু নাই এটা কৃষ্ণা দেবনাথ একটা কথা বলছেন বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ যে বিচার স্বাধীন করে দিলেই হবে না মানসিকতাও স্বাধীন থাকতে হবে স্বাধীনভাবে কাজ করা বিচারকরাই কি স্বাধীন না বিচারকরা তো স্বাধীন যদি নিজেরে মনে করতেন তাইলে এইটা একমাত্র খারাপ হোক ভালো হোক কিন্তু ইতিহাসে থাকবে এস কে সিনা ইতিহাসে হিরো হিসেবে থাকবে সে কিন্তু এইটা
নিয়েই ফাইট করতে গিয়ে আউট হয়ে গেছে একটা আদালতে একটা কথা খুব প্রচলিত আছে এক ধরনের অভিযোগ অনেকটা অনেকে বলে যে ওপেন সিক্রেট যে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সাথে নাকি প্যারালালি আইন মন্ত্রণালয় চালাতেন আইনজীবী তৌফিকা করি এবং এইটা আমি বলবো না কারণ এরা সবাই আমার থেকে অনেক জুনিয়র কেউ মানে এরকম অভিযোগ তার মানে আপনি শুনেছেন সত্যতা আছে এসব অভিযোগের সত্যতাটা কি মিথ্যা আমি বলবো না আমি আমার কাছে সবার সম্পর্কে পার্টিকুলারলি লয়ার্স কমিউনিটি আমি এখন অন্যভাবে আসি বিচার বিভাগ তো দুর্নীতিমুক্ত করে না কেন আজকে আজকে যার যার কোর্ট সুপ্রিম কোর্ট থেকেই শুরু হোক প্রধান বিচারপতি বলুক যে
হ্যাঁ কোন কোর্টের যদি কর্মচারী পিওন থেকে শুরু করে কেউ এগেন্স্টে কোন এলিগেশন হয় উইথইন থ্রি ডেস সেইটার ইনভেস্টিগেশন করে যদি পায় সত্যতা পায় তাহলে তাকে টার্মিনেট করবে এবং জেলে পাঠাবে এইখান থেকে যদি শুরু হয় সারা বাংলাদেশে বিচার বিভাগ থেকে দুর্নীতিমুক্ত হবে এখন শুনি আমি আমার কাছ থেকে কেউ ঘোষণা এমনও নাকি অভিযোগ আছে যে কিছু কিছু বেঞ্চ আছে যেসব বেঞ্চে আগের দিন মানে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর পরের দিন জামিন পাওয়া যেত এরকম কি শুনেছেন নাকি আপনি বা জানেন নাকি শুনছি দেখি নাই আচ্ছা এখন আমার বেলা হইলো কি আমি যখন থেকে প্র্যাকটিস করছি আমি কাউকে এক পয়সা ঘুষ
দেই নাই আজকে একটা আপনি খরচ নিয়ে দেই যে কারণে আমি গেলে পরে আগে আমারটা হয়ে যায় সিনিয়রিটির কারণে হোক বা আমার নিয়ে ঝামেলা না হয় সেই কারণে হোক আমি কিন্তু দাঁড়ায় প্রটেস্ট করতাম কোন জুনিয়র কোন জাজ খারাপ বিহেভ করলে পরে প্রটেস্ট করতাম এইটা আমি শিখছি ফাস্ট অ্যাটর্নি জেনারেল ছিল এমএস খন্দকার তার কাছ থেকে ইভেন এই বিচারপতির প্রধান বিচারপতির পিতা সেই ইস্তেক আহমেদ আমি দেখছি যে উনি প্রটেস্ট করতেছেন ডক্টর কামালরে তো এইরকম বলতে শুনছি যে আমি যদি ল স্কুল বলতাম আপনার কেউ বিচারপতিদের বলতেছে আপনার কেউ সেখানে এডমিশন নেওয়ার মতো ই থাকতো না তা আমি একটা জিনিস
ফলো করি আমি তাদের পায়ের নোখের যোগ্যতা আমার নাই কিন্তু তারপরও বলব যে তাদের কাছ থেকে যেটা শিখছি সেটা হইলো যে ঘুষ দিয়ে মামলা করবো না কোথাও না হারিয়ে যেতে আমি ল পয়েন্টে যাব আমার একবার এক সিএমএম যখন আমি চলে আসি লোয়ার কোর্ট থেকে লোয়ার কোর্টে আমার প্রচুর ব্রিফ ছিল তখন তিনটা ছিল আমার ক্লার্ক তো একদিন এক কোর্ট আমার বলল যে আপনি এত ল বই দেখান কেন তো আমি বললাম যে আমি বই ল বুক দেখাবো না আমার রিস্ট এন্ড ফিস্ট দেখাবো কোনটা আপনি দেখতে চান এটা কিন্তু লায়েবল ফর কন্টেম অফ কোর্ট কিন্তু উনি রিপ্লাই দেন নাই
এরকম লক্ষ্যে ফলোই করে না এই যে এপিলের ডিভিশনের জাজমেন্ট আছে ব্লাস্ট ভার্সেস স্টেট এই 54 এবং 167 নিয়ে যে গাইডলাইন গুলো আছে উনারা কেন ফলো করেন না কেন ফলো করেন না এবং করেন না দেখে তো সোম মোটো সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার আছে তাদেরকে কল করার করেন না তো এই কারণেই তো পাই আপনি আরেকটা বিষয় আমি বলি লোয়ার কোর্টের জুডিশিয়ারিতে আমার মতে যেটা সেটা হলো এই জুডিশিয়ারির ভালো ভালো ছেলেরা যায় কিন্তু প্রপার ট্রেনিংটা নাই প্রপার ওয়ে ট্রেনিংটা নাই তাদের পাঁচ বছর গেলে একটা প্রমোশন নো তার অ্যাক্টিভিটির উপর প্রমোশন হবে তার এত বছরই হইছে না তো বিচার বিভাগের
যে সংস্কারের জন্য একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন আপনি কতটুকু আশাবাদী হচ্ছেন নাইম ভাইরে আমি চিনি ব্যক্তিগতভাবে এর সময় খুব স্ট্রং কিছু তার ভূমিকা ছিল হ্যাঁ ছিল ইলেভেন এর সময় উনি ব্যক্তি যিনি শেখ হাসিনারে বেইল দিছিলেন তারপর সবাই সবাইকেই দিছেন শেখ হাসিনারটা ফাস্ট উনিই দিছেন তো আশাবাদী কেমন আপনি না উনিও ইচ্ছে করলে পরে এটা পারবেন কারণ উনি ছিলেন তো এখানে ওইখানে দেখছেন যে কিভাবে সুপারসির হইলে পরে ভিকটিম হয় উনি ওয়ান অফ দা ভিকটিম তাইলে অন্তত এইটা চেঞ্জ উনি করবেন কোয়ালিটির বেসিসে যাতে আসে সেইটার চেষ্টাটা করবেন করাপশন উনি করাপশনের ধারে কাছেও ছিলেন না এবং উনার ফ্যামিলি ট্রেডিশন কিন্তু অত্যন্ত
চমৎকার উনার ফাদার নামকরা লইয়ার ছিলেন উনিও নামকরা লইয়ার উনার কাজিন ছিলেন ফকির শাহাবুদ্দিন সাহেব সেকেন্ড অ্যাটর্নি জেনারেল অফ বাংলাদেশ এবং উনি কিন্তু বাপের চেম্বারে বসেন উনি কাজিনের চেম্বারে বসছেন এবং উনার ছেলেও কিন্তু আমরা আলোচনার একদম শেষে চলে এসেছে আপনি সবসময় রিমান্ডের ঘোড়োর বিরোধী ছিলেন 54 এর জবানবন্দীরও ঘোড়তর বিরোধী ছিলেন তো এবারে আমরা গণমামলাই বলবো যেখানে ধরেন সাবেক ক্রিকেটার শাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে রিমান্ড তো দেখছেন একের পর এক হচ্ছে আপনার কাছে কি মনে হয় যে এই মামলাগুলি এন্ড অফ দ্যা ডে কি টিকবে বা লিগাল প্রসিডিং কি ঠিকঠাক মতন ফলো হচ্ছে এগুলোতে নট এট
অল তো তাইলে কি আমরা আবার ওই আগের মতন করে ফেলছি না এইটা হচ্ছে যেটা সেটা হইছে যায় তো পুলিশের কাছে হুম পুলিশ তো নন কোঅপারেশন করুক নন কোঅপারেট কোঅপারেশনের জায়গায় আছে আমার ধারণা আচ্ছা এখনো পর্যন্ত বলছে হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ কারণ আপনি এখন যান না একটা জিডি করতে নেবে না বলবেও না যে নেব না একটু ওই ই নাই ডিউটি অফিসার নাই ই নাই এই বলবে হুম এদের কনফিডেন্স আনতে হবে এটা ড্রেস চেঞ্জ করে হবে না কিভাবে হবে তাহলে কিভাবে কিভাবে হবে আপনি তো এদেরকে যে আইন শিখাচ্ছেন সেটা ব্রিটিশের ওই সিপাহী বিদ্রোহ কন্ট্রোল করার আইন মানে আইন
নিয়ে বলছেন নতুন করে করতে হবে না এদের মেন্টালিটি আপনি মোটিভেশন করেন না সেই মোটিভেশনটা তাকে দেন যে এটা স্বাধীন দেশ এখানে তোমার ডিউটি হইছে নট পিটানো না গুলি করা না তোমার ই হইছে পিপলসরে প্রোটেকশন দেওয়া তার সেফটি সিকিউরিটি পিস এইটা তুমি এসিওর করবা এইভাবে মোটিভেট করতে গেলে পরে কিন্তু তারা চেঞ্জ ঠিকই হবে আপনার ড্রেস থেকে কিছু আসে যায় না পাকিস্তান না বলে হাফ প্যান্ট পড়া পুলিশ আমি দেখছি লাঠি নিয়ে ঘুরে বেড়াইতো লাঠি বেতের লম্বা লাঠি নিয়ে ঘুরে বেড়াইতো কই তাদের ওই লাঠির যন্ত্রণায় তো অস্থির ছিল ব্রিটিশ আমলেও লাঠি ছিল এই আমলেও সেটাই এই আমলে লাঠি
নাই ফুল হইছে ড্রেস চেঞ্জ হয়েছে আর গুলি করার তো গুলি করার এটার তো কথা কতগুলো আইন-কানুন আছে সেখানে একজন ম্যাজিস্ট্রেট থাকতে হবে যার অর্ডার দিতে হবে সেখানে একটা রেড ফ্লাগ মিছিল থাকলে রেড ফ্লাগ ঘাটতে হবে যে এরপরে আর রাগাবা না দূরে বইসা আবু সাঈদ সে কি করতেছে না কি দেখাইতেছে তারে ঠাট ঠাস করে গুলি করবে এটা তো ডেমোক্রেটিক না এটা অটোক্রেটিক ইস্যু হয় না এটা যুদ্ধের মত নিরস্ত্র মানুষের সাথে যুদ্ধ করা এটা অন্যায় অন্যায় অন্যায় অন্যায় জনাব জেরাই খান পান আপনাকে আবারো অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদেরকে এতক্ষণ সময় দেবার জন্য অনুমতি দিলে আজকে অনুষ্ঠানটা এখানেই শেষ করতে
আমি আপনার অতিথি আপনি অনুমতি অনুমতি দিলে তো শেষ হবেই আমরা তাহলে আজকের অনুষ্ঠানটা দেখা শেষ ধন্যবাদ দর্শক এরই সাথে শেষ করছি আজকের মুক্তমঞ্চ অনুষ্ঠানটি যারা আমাদের সাথে এতক্ষণ ছিলেন তাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং শুভ রাত্রি اللہ