ইরানে মার্কিন হামলার পর থেকেই দেশটির ফোরদো ও নাতাঞ্জ পরমাণু নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। দেশটির সবচেয়ে বড় এই দুই পরমাণু কেন্দ্রের কতটুকু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে চলছে আলোচনা। দ নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএন এর গোপন নথি প্রকাশ করে জানিয়েছে স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ধ্বংস হয়নি। একই কথা স্বীকার করেছে তেহরানও। এখন প্রশ্ন সব মিলিয়ে কোন পথে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি? উত্তর খুঁজেছেন চৈতি সরোয়ার। ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলার পরই এর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে হিসাব মিলাতে ব্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল উভয়পক্ষই। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন পুরোপুরি নাকি ধ্বংস হয়েছে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো। একই কথা ইঙ্গিত দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। তার
দাবি পরমাণু অস্ত্র তৈরিতে নাকি অনেক বছর পিছিয়ে গেছে তেহরান। মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি সিআইএর পরিচালক জন রেডক্লিফ এক বিবৃতিতে বলেছেন ইরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং সেগুলো পুনর্গঠনে কয়েক বছর লেগে যাবে। যদিও দ নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএন মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার একটি প্রাথমিক গোপন মূল্যায়ন প্রতিবেদন ফাঁস করে জানিয়েছে হামলায় ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা মাঝারি থেকে গুরুতর হতে পারে। তবে ইসরাইল ও মার্কিন হামলায় ইরানের ইউরেনিয়াম ভান্ডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে ধারণা করছে জাতিসংঘ। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা আইএইএ প্রধান রাফেল গ্রসি বলেছেন, হামলা শুরু হতেই ইউরেনিয়াম সরিয়ে থাকতে পারে তেহরান। আর ইরানে মার্কিন হামলার
পর প্রথমবারের ভাষণে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী জানিয়েছেন, হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর গুরুত্বরও কিছু হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ক্ষয়ক্ষতি এবং ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় কিনা তা নিয়ে সাংঘর্ষিক দাবি ও মূল্যায়নের মধ্যেও তেহরান একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে তারা পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে পিছু হটবে না। সব মিলিয়ে ইরানে মার্কিন বিমান হামলার পর থেকেই দেশটির ফোরদো ও নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলোর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার সুযোগ না থাকায় কেউই এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছে না। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ভয়াবহ হামলার পর ইরানের ভেতর থেকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধের আহ্বান উঠেছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর
ইরানি কর্মকর্তারা যেসব জোড়ালো বক্তব্য দিয়েছেন তাতে মনে হচ্ছে তেহরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি পরিত্যাগ করার মত অবস্থায় নেই। জৈদি সরোয়ার 71। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনের দপ্তরে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছে ইরান। এ সংক্রান্ত দাখিল করা এক প্রতিবেদন পত্রে দেশ দুটির বিরুদ্ধে শত শত নিরপরাধ মানুষ হত্যা ও বেসামরিক অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে। ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের উচ্চ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান নাসের সেরাজ গত শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার ফলকার চুরকের কাছে এই প্রতিবাদপত্র জমা দেন। এর আগে গত বুধবার ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায় ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত 627 জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন 4870 জন।
ইরানের প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে এই সমন্বিত হামলা আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার আইন ও মানবিক আইনের মৌলিক নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীকে একটি খুবই অপমানজনক ও ভয়াবহ মৃত্যু থেকে রক্ষা করেছেন। কিন্তু এর জন্য তাকে ধন্যবাদ দেওয়ার দরকার নেই। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল একাউন্টে এক পোস্টে বলেন, তিনি জানতেন খামিনী কোথায় লুকিয়েছিলেন। তবে তিনি ইসরাইল বা যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীকে তার জীবন শেষ করতে দেননি। এর আগে বৃহস্পতিবার টেলিভিশনের প্রচারিত এক ভাষণে খামেনী বলেছিলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মুখে একটি কঠিন চপেঘাত করেছে। তার এই মন্তব্যের পরই ট্রাম্পের পাল্টা প্রতিক্রিয়া আসে। এর আগে ইসরাইলের
প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাচ দাবি করেছেন যুদ্ধে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামিনীকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল তেলাবিবের। তবে সেই সুযোগ তারা পাননি। আর খামিনীকে হত্যা করতে যুক্তরাষ্ট্রের কোন অনুমতির প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ইসরাইল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতা নিয়াহুর বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির বিচারের বিষয়ে ইসরাইলি প্রসিকিউটারদের সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশালে একটি পোস্টে বলেন, নেতানিয়াহু একজন যুদ্ধের বীর এবং একজন প্রধানমন্ত্রী যিনি ইরানে বিপদজনক পারমাণবিক হুমকি থেকে মুক্তি পেতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কাজ করে অসাধারণ কাজ করেছেন। কিন্তু নিয়ন্ত্রণহীন প্রসিকিউটাররা নেতা নিয়াহোর সাথে যা করেছে তা পাগলামি। কেননা তিনি এখন হামাসের সাথে
একটি চুক্তির আলোচনার প্রক্রিয়াধীন যার মধ্যে জিম্মিদের ফিরিয়ে আনাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে কিন্তু ন্যায়বিচারের এই প্রহসন ইরান এবং হামাস উভয়ের আলোচনায় হস্তক্ষেপ করবে বলেও পোস্টে জানান তিনি সাইপ্রাসের মানুষের মধ্যে বিস্তারিত চৈতি সরোয়ারের প্রতিবেদনে ইরান ইসরাইল সংঘাতের পর নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কায় দিন কাটছে ইসরাইলিদের। তাই প্রাণের ভয়ে দেশ ছেড়েছেন অনেকেই। অনেকেই আকাশপথে পানি জমিয়েছেন 421 কিলোমিটার দূরের দেশ সাইপ্রাসে। 12 হাজারের বেশি ইসরাইলি আশ্রয় নিয়েছে সেখানে। এদিকে যুদ্ধবিরোতির পর কেউ কেউ নিজের দেশে ফিরতে শুরু করলেও সাইপ্রাসের আবাসন খাতে বেড়েছে ইসরাইলিদের বিনিয়োগ। তারা কিনছেন জমি আর গড়ছেন বসৎঘর। এমন প্রেক্ষাপটে সাইপ্রাস জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে উদ্বেগ। এমনকি সেখানকার প্রধান রাজনৈতিক
দল আকিল পার্টির মহাসচিব দেশটি হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। একটি ছোট দেশ। আর এর ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত কৌশলগত। এখন যদি আমরা সতর্ক না হই ভবিষ্যতে হয়তো নিজেদের জমিও নিজের হাতে থাকবে না। নিজ দেশেই হয়তো শরণার্থীদের মত জীবন কাটাতে হতে পারে আমাদের। এই অবস্থায় সাইপ্রাসে ইসরাইলিদের জন্য গোল্ডেন ভিসা বন্ধেরও আহ্বান জানানো হয়েছে। সরোয়ার 71। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি অবরোধের কারণে গাজায় অপুষ্টির শিকার হয়ে কমপক্ষে 66 শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর গত 24 ঘন্টায় আরো 81 ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন 400র বেশি মানুষ। এদিকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় শিঘরি যুদ্ধবিরোতি হতে যাচ্ছে ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে বিশ্বয় প্রকাশ করেছেন
ইসরাইলি কর্মকর্তারা। অন্যদিকে যুদ্ধবিরোতি চুক্তি ও জিম্মিদের মুক্তির দাবিতে তেলাবিবে বড় ধরনের বিক্ষোপ হয়েছে। বিস্তারিত শারমিন স্বপ্নার প্রতিবেদনে। প্রায় দু বছর ধরে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন চলছে। চলতি বছরের দোসরা মার্চ থেকে গাজায় ত্রাণ প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় নেতা নিয়াহু প্রশাসন। আর তাই খাবারের অভাবে অপুষ্টিতে ভুগছে এই উপত্যকার শিশুরা। এরই মধ্যে অপুষ্টিতে অন্তত 66 জন শিশু মারা গেছে। গাজা প্রশাসনের অভিযোগ দুধ, পুষ্টিকর খাদ্য এবং অন্যান্য মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দেয়াতেই এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। গাজায় এক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধবিরোতি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের দিনও ফিলিস্তিনিদের স্বজন হারানো থেমে নেই। শনিবার ভোরে গাজা সিটির
আলতুফা এলাকায় ইসরাইলের ভয়াবহ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে চারপাশ। এছাড়া হামলা হয়েছে দে আলবালা সহ আশপাশে আরো কয়েকটি এলাকায়। একাধিক ইসরাইলি কর্মকর্তা জানান, ট্রাম্প যে যুদ্ধবিরোতির কথা বলেছেন তা শুধু রাজনৈতিক কল্পনা ছাড়া আর কিছু নয়। নেতা নিয়াহুর বিরুদ্ধে শনিবারও তেলাবিবের রাস্তায় নামে হাজারো মানুষ। তারা অবিলম্বে হামাসের সাথে যুদ্ধবিরোতি কার্যকর করে জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার দাবি তুলেছেন। এরই মধ্যে নিহত অনেকের স্বজন অভিযোগ তুলেছেন। হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরোতিতে বাধা দিচ্ছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নেতা নিয়াহু। মাতান জানান গুয়াক নামে এক জিম্মির মা হামাসের সঙ্গে চুক্তি করে তাদের প্রিয়জনদের ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানিয়েছেন। এদিকে ইরানে আকশ্বিক হামলা ও জিম্মি বিনিময় নিয়ে নেতা নিয়াহুর
বিভিন্ন সিদ্ধান্তে নাখক সাধারণ ইসরাইলিরা। সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে নিরাপত্তা এবং জাতির বৃহত্তর কল্যাণের চেয়ে নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন নেতা নিয়াহু। শারমিন স্বপ্ন 71। ফিলিস্তিনের গাজায় ত্রাণের আটায় মিলেছে নেশা জাতীয় মাদক ওপিওয়েজ অক্সিকোটেডন। গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে উঠেছে নেশার এই মরণফাদ পাতানোর অভিযোগ। মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু গণমাধ্যমের দাবি ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণের আটায় যে ওপিওয়েড অক্সিকোডন ওষুধ মিলেছে তা তা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্রহণ করলে হ্যালোসিনেশন ও তীব্র শ্বাসকষ্ট থেকে হতে পারে মৃত্যু। বিস্তারিত চৈতি সরোয়ারের প্রতিবেদনে। [মিউজিক] ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় গঠিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু গণমাধ্যম। তাদের দাবি ফিলিস্তিনিদের দেয়া
ত্রাণের আটায় মিলেছে শক্তিশালী অপেওয়েড বা ব্যথানাশক ওষুধের ট্যাবলেট। তারা দাবি করছে ইসরাইল অনুমোদিত ও যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত ফাউন্ডেশনের ত্রাণের আটায় যে অপিওয়েড পাওয়া গিয়েছে তা মূলত অক্সিকোটন পিল। ক্যান্সার রোগে আক্রান্তদের দেয়া হয় এটি। অতিরিক্ত সেবন করলে তৈরি হয় এর প্রতি তীব্র নেশা বা আসক্তি। অক্সিকোটনের মূল উৎস আফিম গাছ। সাধারণত যেসব রোগীদের ব্যথা উপসমে অন্য কোন ওষুধ কাজ করে না তখন তাদের অক্সিকোটন দেয়া হয়। এই ওষুধ অতিরিক্ত গ্রহণ করলে তৈরি হয় হ্যালুসিনেশন তীব্র শ্বাসকষ্ট এবং ক্ষুধামন্দায় ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করে। গাজার তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস এবং সামাজিক কাঠামোকে ভেঙে দিতেই ইসরাইলের এই মরণফাঁদ এমন দাবি ফিলিস্তিনের প্রশাসনের।
গাজায় ত্রাণ কার্যক্রম শুরুর প্রথম থেকেই ফিলিস্তিনিদের জন্য মৃত্যুক পরিণত হয়েছে গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন। উপত্যাকাটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে ত্রাণ নিতে গিয়ে ত্রাণ কেন্দ্রগুলোতে মৃত্যু হয়েছে পাঁচ শতাধিক ফিলিস্তিনের। তার উপর নতুন করে বিতরণ করা ত্রাণে মাদক পাওয়ার অভিযোগ উঠলো। চৈতি সরোয়ার 71। পাকিস্তানের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাকতুন খোয়ায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় দেশটির সেনাবাহিনীর 13 জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ভারতকে দায়ী করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর দাবি এই হামলার পেছনে ভারতের রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা এবং ভারত সমর্থিত জঙ্গী গোষ্ঠী জড়িত। তবে এ হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে ভারত। ভারতকে দায়ী করে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করে পাল্টা বিবৃতি
দিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে একটি বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি দিয়ে সেনাবাহিনীর একটি কনভয়কে লক্ষ্য করে আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়। প্রথমশারির দল হামলাকারীকে শনাক্ত করে থামাতে পারলেও হামলাকারী একটি গাড়িকে ধাক্কা দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে 13 জন সেনা সদস্য নিহত হন। আহত হয়েছেন 29 জন। তার মধ্যে 10 জন বেসামরিক নাগরিক। ইতালির ভেনিসে জাকচমকপূর্ণ আয়োজনে গাছড়া বাধলেন মার্কিন ধনকুবের আমজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফজস ও সাংবাদিক লরেন্ সঞচেস। শনিবার তিনদিন ব্যাপী বিয়ের আয়োজন শেষ হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ভেনিসের সান জর্জিও দ্বীপে বিয়ের মূল আয়োজন শেষ হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার শুরু হয় বিয়ের আয়োজন। রাজকীয় এই বিয়ের আনুমানিক খরচ সাড়ে কোটি ডলার।
এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইতালির আয় প্রায় 110 কোটি ডলার। বিয়েকে কেন্দ্র করে ভেনিসের হোটেল থেকে শুরু করে নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পার করছে ব্যস্ত সময়। দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে এই বিয়ের কারণে শহরের বার্ষিক পর্যটন আয়ের প্রায় 68 শতাংশ বাড়তি আয় হতে পারে। দর্শক এই ছিল আজকের আয়োজনে। একই সময়ে আবারো হাজির হবে বিশ্বজ। চোখ রাখুন 71 এর ফেসবুক পেজে এবং সাবস্ক্রাইব করুন 71 এর ইউটিউব চ্যানেল। 71 এর সাথেই থাকুন। [মিউজিক]