তড়িঘড়ি নয় বরং রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট কিছু সংস্কার করেই নির্বাচনে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামাতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান এটিএন নিউজের সাথে বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সাথে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে জামাতের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেন দলটির আমির আজন নাজি আফরিন ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার নিরাপত্তা এই সরকারের সাথে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো আলোচনা করে পরবর্তী নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি এবং রাষ্ট্র সংস্কারে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে আমি আমাদের সহকর্মীদেরকে অন্তর্বতী সরকারের কাছে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামাতে ইসলামী প্রত্যাশার কথা এটিএন নিউজের বিশেষ সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন দলটির আমি ডাক্তার শফিকুর রহমান এটা
নির্ভর করবে সরকার সংস্কারের কি রোডম্যাপ নিয়ে তারা আগাতে চান ইলেকশনের রোডম্যাপটার আগে সরকারকে সংস্কারের একটা রোডম্যাপ হাতে নিতে হবে যে এই টাইমলাইনের ভিতরে এই এই সংস্কার গুলো আমরা করতে চাই তারা জনপ্রত্যাশার দিকগুলো খেয়াল রেখে যেমন ধরেন জনপ্রশাসন আছে পুলিশ প্রশাসন আছে নির্বাচন কমিশন আছে নির্বাচনে বিধি প্রবৃদ্ধির কিছু ব্যাপার-স্যাপার আছে কিছু কালো আইনের মাধ্যমে সমাজকে একদম বন্দি করে ফেলা হয়েছে যেটার whatsapp শুধু সাধারণ মানুষ না আপনারাও আপনাদের অনেকেই জেল কেটেছেন কিন্তু এই সমস্ত ব্ল্যাক আইনের কারণে কিন্তু দুঃখজনক আমরা যখন বিরোধী দলে থাকি রাজনৈতিক দলগুলো তখন ব্ল্যাক আইনের বিরুদ্ধে আমরা অনেক শাউটিং করি অনেক কিছু আমরা বলি
কিন্তু আমরাই সেই আমরাই যখন কেউ কেউ ক্ষমতায় যাই তখন আমরা আগের অবস্থান থেকে আমরা বদলে যাই ওই জায়গায় আমরা আর থাকি না কাজেই এই জায়গাগুলো পরিচ্ছন্ন হয়ে যাওয়া দরকার আমরা ফিল করি যেগুলো দলীয় সরকার আসলে অতীতে প্রমাণ হয়েছে যে হাত দেয় না এই জায়গাগুলো এখন পরিষ্কার হওয়ার প্রয়োজন আছে তারপর পাশাপাশি এই যে অর্থনীতির বিধ্বস্ত অবস্থা আপনি কোন সমাজে রাষ্ট্র চালাবেন যদি সমাজদেহ অচল হয়ে পড়ে বিকলাঙ্গ হয়ে পড়ে অবশ হয়ে যায় তাইলে আপনি কোন দেশ চালাবেন এজন্য এটার যে মানুষ কনফিডেন্স হারা হয়ে গেছে ব্যাংকগুলা দেউলিয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস রেমিটেন্স যারা পাঠাবে তারা কনফিউশনের মধ্যে যে ব্যাংকি
নাই আমি কোথায় পাঠাবো আমার অর্থের নিরাপত্তা কোথায় এই আস্থার জায়গাগুলো যে ধ্বংস হয়ে গেছে এই আস্থার জায়গাগুলোকে আবার বিনির্মাণ করতে হবে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ইতিবাচক শিফট দেখতে পাচ্ছি এই ধারাটা যদি অব্যাহত থাকে এবং এই আস্থার জায়গাটাও যদি পুনরায় বিনির্মাণ হয় তাহলে একটা নির্বাচন দিলে সেই নির্বাচনটা হবে অর্থবহ আদারওয়াইজ নির্বাচন একটা হয়তো হবে কিন্তু যেই তিমিরে সেই তিমিরেই আমরা থেকে যাব তো এইজন্য তাদের কাছে প্রত্যাশা ওইটুকুই যে বেসিক রিফরমেশন গুলা তাদের মাধ্যমে হয়ে যাওয়া দরকার কিন্তু এটার জন্য খুব দীর্ঘ সময় নেওয়া এটা ওয়াইজ হবে না কারণ তারা তো পলিটিক্যাল গভমেন্ট না তারা মুষ্টিময় কিছু মানুষ তাদের সীমাবদ্ধতা
আছে এটা বেশি টেনে লম্বা করতে গেলে সেখানে আবার অন্য দুর্বলতায় এসে গ্রাস করতে পারে তাহলে আমাদের বিপ্লবের উদ্দেশ্যটাই আবার কিন্তু ব্যর্থ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতা নিয়েও মতামত জানালেন আমির ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমা যেটা দেওয়া হয়েছে সেনাবাহিনীকে এটা নতুন না এটা বাংলাদেশে এর আগেও বহুবার দেওয়া হয়েছে সীমিত পরিসরে তারা দিয়েছেন তারা দরকার মনে করেছেন এখানে একটা জিনিস লক্ষণীয় যে পুলিশের কিছু কর্মকাণ্ডের কারণে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থার একটা ভিত নড়ে উঠেছে এবং আস্থার জায়গায় নেই তারা নিজেরাও নিজের উপর আস্থা রাখতে পারছেন না 200 কতজন অফিসার ছাড়া বাকি সকলেই মানে এখন যোগদান করেছেন কিন্তু যোগদান করলেও তাদের
তারা ফাংশনেবল না সেরকম তারা ফাংশন করছেন না ফলে সমাজে কিছু বিপত্তি তৈরি হয়ে গেছে এবং আরো হওয়ার আশঙ্কা আছে এই জায়গাগুলো যদি ক্লিন করার জন্য সৎ উদ্দেশ্যে এই ম্যাজিস্ট্রেসিভ দেওয়া হয় এবং যারা এটা এপ্লাই করবেন তারাও যদি রেসপন্সিবিলিটির জায়গা থেকে করেন সমাজের জন্য এটা খারাপ হওয়ার কথা না কারণ এটা নতুন না এর আগেও হয়েছে স্বয়ং শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবও কিন্তু 75 সালে এরকম একটা অভিযানের দায়িত্ব দিয়েছিলেন যৌথ বাহিনীকে ওখান থেকেই শুরু স্বাধীন বাংলাদেশে ওখান থেকেই শুরু গণঅভ্যুত্থানে জামাত অংশ নিয়েছে তবে কতজন কর্মী মারা গেছেন সেই পরিসংখ্যান প্রকাশে নারাজ জাতীয় কোন দলে বিভক্ত হোক এটা আমরা
চাই না আমরা চাই তারা সারা জাতির শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে চিরদন থাকুক আমরা এটা চাই যে তারা জাতীয় বীর হিসেবেই আজীবন মর্যাদার পাত্র হয়ে থাকুক সকলের কাছে থাকুক এখন দলীয় পরিচয় আমি যদি বলি যে আমাদের দলের এতজন তাইলে তো আমি তাদেরকে দলীয় একটা লেভেল দিয়ে দিলাম কেন এই বীর কি শুধু আমার জন্য যুদ্ধ করেছে আমার দলের জন্য করেছে সে তো গোটা জাতির জন্য করেছে যারা গোটা জাতির জন্য যুদ্ধ করে লড়াই করে প্রাণ দিল আমি কেন তাকে দলীয় সম্পদ বানাবো আলহামদুলিল্লাহ আমরা তাদেরকে জাতির সম্পদ হিসেবে সম্মানের জায়গায় চরম সম্মানের জায়গায় দেখতে চাই সম্মানের সর্বোচ্চ ছুড়ায় দেখতে চাই
এজন্য আমরা এটা বলবো না তবে অবশ্যই আমাদের হিসাব আছে আমাদের কাছে এদেশের রাজনীতির ইতিহাস বলে ভোটের রাজনীতিতে সুযোগমত বিএনপি ও আওয়ামী লীগ জামাত ইসলামীকে ব্যবহার করেছে আমরা আসলে কোন জায়গায় কারো দ্বারা ব্যবহৃত হইনি এবং কেউ আমাদের আমরাও কাউকে ব্যবহার করব সেই চিন্তা আমরা রাজনীতিতে করি না যার যার সম্মানের জায়গায় সবাইকে দেখে আমরা রাজনীতি করতে চাই এবং এটা মনে করি যে এটাই সুস্থ রাজনীতির ধারা হওয়া উচিত আমরা দেশ-দেশের মানুষকে ভালোবাসার জায়গা থেকে যে রাজনীতি করা দরকার যেটাকে যখন জাতির জন্য উপযুক্ত মনে করেছি আমরা সেটা নিয়ে প্র্যাকটিস করেছি ভারতের সাথে জামাতে ইসলামী সম্পর্ক কেন বরাবরই তিক্ত দায়
কার ভারত তো বড় প্রতিবেশী আমরা তো তাদের কাছে বড় উদারতাটা আশা করি ভারতে কোন দল নেতৃত্বে আসবে কোন দল আসবে না এটা তো আমার হেডিক না কিন্তু আমরা দেখেছি অতীতে ভারত এখানে হস্তক্ষেপ করেছেন এবং সেটা প্রকাশ্যে এটা কোন রাগ ডাক ছাড়াই সুজাতা সিংহের বিষয়টা তো সবাই আমরা জানি 14 সালের বিষয় এটা আগেও হয়েছে পরেও হয়েছে বিভিন্ন মাত্রায় হয়েছে আমরা আশা করব যে ভারত অতীতকে মূল্যায়ন করবে ডাক্তার শফিকুর রহমান বললেন দেড় দশকে আওয়ামী লীগের প্রতিহিংসার রাজনীতির সবচেয়ে বড় শিকার জামাত ইসলামী তার দল সম্পর্কে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে মানুষের মনে ভয় ঢোকানো হয়েছে বহু অভিযোগ আমাদের ব্যাপারে দেওয়া
হয়েছে কিন্তু একটাও গত সরকার প্রমাণ করতে পারে নাই আমি সবকিছু বলবো না একটা দিলেই আপনি উদাহরণ বুঝে যাবেন গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ এমপি লিটন মারা গেলেন গুলিবিদ্ধ হয়ে সাথে সাথে সবাই মিলে আমাদের উপরে তারা দায় চাপালো এমনকি তখনকার প্রধানমন্ত্রী তিনি সংসদে দাঁড়াইয়া আমাদেরকে সরাসরি নাম ধরে দায় চাপালেন শেষে দিন শেষে কি প্রমাণ হলো দেখা গেল যে আওয়ামী লীগেরই আরেকটা বন্ধু সংগঠনের এর এক নেতা তাদের পারস্পরিক রাজনৈতিক গ্রাজ মিটানোর জন্য তারই রিভলভার দিয়ে গুলি করে হত্যা করেছেন কাজেই আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ গুলো নতুন নয় তারপরেও আমি নীতিগতভাবে বলব আমরা কেউ ফেরেশতা নই আমিও যদি কোন অপরাধ করি আমার
বিচার হবে কোন অসুবিধা নাই আমি বিচারের হাতে আমাকে তুলে দেব জামাতে ইসলামী সম্পর্কে জনসাধারণের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টেছে আগামী নির্বাচনে নিজেদের শক্ত অবস্থানের কথা বললেন দলটির প্রধান আমরা আর্টিফিশিয়ালিটি একেবারেই পছন্দ করি না অনেকে আমাদেরকে বলে অনেক সামাজিক কাজ করেন তো এগুলা প্রচার করেন না কেন আমরা বলি অতিপ্রচারে আবার একটু সোঙ্গের মানসিকতা অনেক সময় দেখা দেয় এবং মূল উদ্দেশ্য বেয়াত হয় আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে কাজ করা মানুষের জন্য কিছু প্রচারটা বড় নয় আবার একেবারেই যদি না করি তাইলে যারা কন্ট্রিবিউট করতেছে তারা বুঝবে কিভাবে যে তার কন্ট্রিবিউশনটা একটা কাজে লাগতেছে ওই জন্য মিনিমাম প্রচারটা আমরা করি আমরা ম্যাক্সিমাম প্রচারে যাই
না একই জিনিস আপনি প্রেজেন্ট করছেন একভাবে আমি করছি আরেকভাবে আপনারটা জনগ্রহণ গ্রহণ করতেছে অভিনন্দন জানাচ্ছে হয়তো একই জিনিস আমারটা জানাচ্ছে না কারণ আপনার ব্রান্ডিং টা আপনি কিভাবে করছেন আপনার প্রকাশটা কিভাবে হচ্ছে আপনি মানুষের ভিতর তো কেউ দেখে না মানুষ দেখে তার একটা এক্সটার্নাল অ্যাক্টিভিটিস এবং তার এক্সপ্রেশন এটা থেকে মূল্যায়ন করে যে সে কি তো এই বেশ হবে কিছুটা তারপরও আমি বলব যে আলহামদুলিল্লাহ এক্ষেত্রে অনেক বাস্তববাদী ধারণা এখন আরো বেশি স্থান পাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরো পাবে নারীদের বিষয়ে জামাতের বই দৃষ্টিভঙ্গির যে প্রচারণা আছে তা ঠিক নয় বলে জানালেন আমির এটা আমাদের বিরুদ্ধে প্রচার বলেন অপপ্রচার বলেন
তাই দেখেন আমরা তো নতুন কোন ইসলাম চালু করতে পারবো না আল্লাহতালা যে সত্যনিষ্ঠ চিরন্তন বিধান দিয়েছেন আমরা চেষ্টা করি ওইটাকে অনুসরণ করার উম্মতের মা হিসেবে স্বীকৃত নবী পরিবারের যিনি যারা মহিলারা ছিলেন তাদের মধ্যে শিক্ষকের মর্যাদায় সবচাইতে যিনি অগ্রগামী ছিলেন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা তার কাছ থেকে তো পুরুষ এবং মহিলা সবাই তো শিক্ষা নিয়েছে তিনি তো যুদ্ধের ময়দানে অংশগ্রহণ করেছেন রাষ্ট্র প্রয়োজন আল্লাহর রাসূলকে তিনি এডভাইজারের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং অন্যান্য আল্লাহর রাসূলের বিবিগণ একই কাজ করেছেন তাদেরকে তো আল্লাহর রাসূল এভাবে ঘের টুপের মধ্যে বন্দি করে রাখেননি তো আমাদের ব্যাপারে সেই ধারণা করা হবে কেন
আমরা তো আল্লাহ যা করেননি আল্লাহর রাসূল যা করেননি আমাদেরকে সেটা করার কোন এখতিয়ার আছে ইনশাআল্লাহ যদি আল্লাহতালা কোনদিন এই দেশবাসীর সেবা করার সুযোগ আমাদেরকে দেন ইনশাআল্লাহ অত্যন্ত নিরাপত্তার সাথে এবং গর্বের সাথে আমাদের মা-বোনেরা সমাজ উন্নয়ন পুরুষের পাশাপাশি সমান অবদান রাখবেন কিন্তু সেখানে তাদের ইজ্জত থাকবে অনেক ঊর্ধ্বে এবং তাদের নিরাপত্তা থাকবে একদম কি বলবো সবদিক থেকে নিশ্চিত্র নিরাপত্তা কেউ তাদের দিকে মন্দ চোখ দিয়ে তুলে তাকাবে না সংস্কৃতিটা সেই রকম তখন গড়ে উঠবে আপনারা সেই সংস্কৃতিকে অভিনন্দন জানাবেন না ইনশাল্লাহ আমি তো বলি যে সেইদিন আপনারা গর্ববোধ করবেন যে আমরা এমন একটা রাষ্ট্রের নাগরিক মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দলের আহ্বানের
ব্যাখ্যা দিলেন দলটির আমির খুবই ছোট দল ছিল তখন এই দায়িত্বশীল দল হিসেবে কি করবে জামাতের জন্য উপায় ছিল দুইটা একটা দেশে থাকা আরেকটা ভারতে যাওয়া ভারতে যাওয়ার কোন জায়গা ছিল না জামাতের জন্য আজও আপনারা লক্ষ্য করেন এত যুগ পরে এই যুগে এসে ভারতের পক্ষ থেকে যখন বলা হয় যে জামাতে ইসলামী ছাড়া সবাইকে ওয়েলকাম টু ভারত তখন বুঝতেই পারছেন যে এতদিন পরেও যদি দৃষ্টিভঙ্গি হয় তখন কি দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের ব্যাপারে ছিল কাজেই ভারতে যাওয়ার কোন সুযোগ ছিল না আরেকটা জিনিস বলা হয় যে আমরা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিতা করেছি একচুয়ালি আমরা করেছি আগ্রাসনের যদি ভারতের সহযোগিতায় আমাদের দেশ স্বাধীন হয়
তাহলে স্বাধীনতার সুফল এ দেশবাসী ভোগ করতে পারবে না 2024 সালের 5 আগস্টে সেই কথা কেন উচ্চারিত হচ্ছে আমরা স্বাধীন আমরা স্বাধীন কেন উচ্চারিত হচ্ছে এটা আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা তারা যদি কেউ পারপ্রিটে হন অপরাধী হন তাহলে তখন শেখ মুজিব সাহেব শাসন করেছেন দেশ তখন সাক্ষী এবং ভিকটিম সবাই জীবিত তখন এই লোকদের এর বিরুদ্ধে কি একটা জিডিও করা গেল না একটা মামলা দায়ের করা গেল না তখন যদি কোন মামলা এবং জিডি দায়ের করা না হয় তো 42 বছর পরে এই মামলা এবং জিডি আসলো কেন নাজিয়া আফরিন এটিএন নিউজ ঢাকা