আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিন্তু ধীরে ধীরে উন্নতি উন্নতির দিকেই যাচ্ছে এবং আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলার পরিবেশ যাতে সম্পূর্ণভাবে ঠিক থাকে মানুষের জননিরাপত্তাটা নিশ্চিত হয় এবং আমরা যেহেতু একটা জরুরি পরিস্থিতিতে আছি দেশ পুনর্গঠন করা লাগতেছে সেজন্য আমরা সেনাবাহিনীকে এই ক্ষমতাটি দেওয়া হয়েছে এবং সেটা কেবল দুই মাসের জন্য এবং আমরা মূলত এই সময়টার মধ্যে আমাদের যে পুলিশ বাহিনীটা আছে সেটাকে সম্পূর্ণভাবে রিফর্ম করে আরো শক্তিশালী করে মানুষের আস্থার জায়গায় নিয়ে এসে তাদেরকে মাঠে ফিরিয়ে নিয়ে আসবো এ কারণে মূলত এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে আপনি জানেন যে আপনার তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি গুজব সেল রয়েছে এবং আইসিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আপনি সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে বেশ প্রোপাগান্ডা গুজব ছড়ানো হচ্ছে এটি যেহেতু আইন শশৃঙ্খলা উপস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নত হয়েছে এ ধরনের গুজব ছড়লে সেটি আবার আসলে অস্থিতিশীল হয়ে যাবে এই সেলটি আসলে কার্যকর আছে কিনা বা এগুলো কি ধরনের ব্যবস্থাপনায় যাবেন যেহেতু দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আপনি আমরা ফ্যাক্ট চেকিং নিয়ে কিন্তু বিভিন্ন অংশী এর সাথে কথা বলছি এবং আমরা মিডিয়ার সাথেও কথা বলছি যাতে এই যে ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়টাকে আমরা কিভাবে আরো শক্তিশালী করতে পারি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ধরনের যাতে গুজবগুলা আর ভেরিফিকেশন করে যাতে মানুষের কাছে সত্যটা উপস্থাপন করা যায় মানুষ দ্বারা মানুষ যাতে গুজব বা মিথ্যা দ্বারা প্রভাবিত না হয় সে বিষয়ে
আমরা ফ্যাক্ট চেকিং নিয়ে নতুন করে ভাবছি এবং একটা সেল করার পরিকল্পনা করতেছি মাননীয় উপদেষ্টা আপনি সেদিন বলছিলেন যে সাংবাদিকদের মানে হত্যা মামলা হচ্ছে ওটা সরকার সমর্থন করে না কিন্তু যেহেতু 50 জনের কাছাকাছি সাংবাদিকের নামে হত্যা মামলা হচ্ছে সেই ক্ষেত্রে দুজন সিনিয়র সাংবাদিককে আটকও করা হয়েছে এবং হত্যা মামলা আটক করা হয়েছে যদি অন্যায় করে কেউ দুর্নীতি করে তাহলে সে অন্য আইনগত ব্যবস্থা হতে পারে কিন্তু সেই হত্যা মামলা যখন হয় তখন বাকি সাংবাদিকরা আসলে আশঙ্কায় আছে আতঙ্কে যে তাদের ওইভাবে আটক করা বিষয়টি আমরা তো এটা পরিষ্কার করেছি এবং মামলাগুলো তো সরকার করছে না বেশিরভাগই জনগণের জায়গা থেকে
করছে বা বিভিন্ন অনেকে ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকেও করছে তো সেই জায়গা থেকে আমরা নির্দেশনা দিয়েছি এবং এটা আশ্বস্ত করছি বারবার যে এই মামলাগুলো খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পর্যালোচনা করা হবে তদন্ত করা হবে এবং যদি অভিযোগ না থাকে তাকে এই মামলা থেকে রেহাই দেয়া হবে এবং আমরা গতকালও হচ্ছে প্রেস ক্লাব এবং এখানে যে সচিবালয়ের যে সাংবাদিক ফোরাম রয়েছে তাদের সাথে বসেছি এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে বলেছি যদি কোন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ থাকে বা যাদের ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তথ্য মন্ত্রণালয় আপনারা তাদের ইনফরমেশন বা ডিটেইলসটা পাঠাবেন আমরা এখান থেকে দেখব তো পাশাপাশি এটাও বলেছি যে কেবলমাত্র সাংবাদিক পরিচয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব
বা কবি পরিচয়ের কারণে কিন্তু কেউ রেহাই পেয়ে যাবে না এই ফ্যাসিজমের সাথে যারা জড়িত ছিল এটার যারা বৈধতা উৎপাদনে কাজ করেছে তাদের লেখনীর মাধ্যমে তাদের মতামতের মাধ্যমে জনমত তৈরি করেছে গণহত্যার পক্ষে কাজ করেছে উস্কানি দিয়েছে তাদেরকে কিন্তু অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে اللہ