সব প্রশ্ন মেয়েরা দখল করে আছে ছেলেদের প্রশ্নই নাই আলোচনা মেয়েদের পক্ষে গেল এখন প্রশ্ন উত্তর যদি তাদের পক্ষে যায় তো মুসিবত হবে বৈষম্য হয় বৈষম্য হয় এই বৈষম্য তো দূর করা দরকার কি করব বলেন আল্লাহ সুবহানাতালা তাদেরকে এত এক্সেস এত সুযোগ এত কিছু দিয়েছেন কেন দিয়েছেন ওই যে একসময় মানুষ হয়তো ইসলামের এক হাত নিবে আল্লাহ সুবহানাতালা তাদেরকে বেশি দিয়ে রেখেছেন সেজন্য আয়েশা সিদ্দিকা বোন আপনি লিখেছেন ঈমানের স্বাদ কিভাবে পাওয়া যাবে ঈমানের স্বাদ পাওয়ার জন্য আপনি কোরআনে কারীম অর্থ সহকারে খুব ভালো করে বোঝার চেষ্টা করুন না নামাজ খুব বেশি সময় নিয়ে আদায় করার চেষ্টা করুন এবং
এ বিষয়টা এত বেশি পরীক্ষিত আপনি আজকে থেকে শুরু করতে পারেন আমি আপনাকে দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি আল্লাহর উপর ভরসা করে আপনি যদি দুই রাকাত নামাজে নরমালি তিন মিনিট সাড়ে তিন চার মিনিট ব্যয় করেন আজ থেকে আপনি চেষ্টা করেন দুই রাকাত নামাজ নামাজে কমপক্ষে পাঁচ থেকে সাত মিনিট ব্যয় করার আর চার রাকাত নামাজে 10 থেকে 12 13 মিনিট ব্যয় করার আপনি যদি রুকুতে তাসবিহ বলতেই থাকেন খুব ধীরে ধীরে বলেন মহব্বতের সাথে বলেন রুকু থেকে দাঁড়িয়ে আরো একটু রুকুতে যে পরিমাণ সময় দিয়ে সে পরিমাণ সময় দেন এভাবে প্রত্যেকটা রোকনকে যদি আপনি খুব ধীরে সুস্তে করেন আমার বিশ্বাস
আপনি এবাদতের স্বাদ তৃপ্তি আপনি এটা নিজে নিজে অনুভব করতে পারবেন আমি আমার জীবনে বহুবার আমি দেখেছি যে কোন কারণে মানসিক পেরেশানি দুশ্চিন্তা হচ্ছে লম্বা সময় নিয়ে দীর্ঘ সময় নিয়ে সেজদা রুকু করলে আল্লাহতালা মানসিক প্রশান্তি দেন মানসিক প্রশান্তির আরেকটা বড় বিশেষ দিয়ে বিশেষ করে ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করার একটা বড় সুযোগ তৈরি হয় তাহাজ্জুদের নামাজের মাধ্যমে ভোর রাতে উঠেন রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েন ভোর রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়েন দেখবেন অসম্ভব রকমের এক অনুভূতি আপনার মধ্যে জাগ্রত হয়েছে আমরা তো রাতে দেরিতে শোয়ার অভ্যাস সুন্নাহ লাইফস্টাইল আমাদের নাই অমুসলিম দেশগুলো যারা এগিয়ে গেছে আপনি পৃথিবীর যেকোনো উন্নত দেশে যান আপনি
দেখবেন সে সমস্ত দেশের মানুষ আমি যতগুলো দেশে গিয়েছি সবগুলো অমুসলিম দেশে আমি দেখেছি একটাই চিত্র সন্ধ্যার পর পর মানুষ শুয়ে পড়ে এবং ভোরে তারা উঠে কাজ শুরু করে আর আমাদের মুসলমান দেশগুলো শুধু আমাদের দেশের দোষ না মিডিল ইস্টের অবস্থা আমাদের চাইতে আরো করুন তাহলে দেখা যায় যে রাত 10:00 টা 11:00 টা এই সময়টাতে তাদের সন্ধ্যা হয় 12:00 টা একটা দুইটা দিকে তারা ঘুমায় সকালে আবার ফজরের পরে ঘুমায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ লাইফস্টাইল মেইনটেইন করে না তো এখানে কোন কল্যাণ আসলে থাকে না ঈমানের স্বাদ পেতে হলে আপনাকে তাহাজ্জুদ পড়তে হবে আর তাহাজ্জুদ পড়তে হলে আপনাকে
রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে হবে ইনশাআল্লাহ এগুলোর মাধ্যমে আপনি ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করতে পারবেন এরপর প্রশ্ন করেছেন সুমাইয়া সুলতানা আপনি লিখেছেন আগে কোরআনের অনেক সূরা মুখস্ত ছিল কিন্তু আস্তে আস্তে এগুলো চর্চার অভাবে ভুলে গেছি এতে কি আমার গুনাহ হবে আপনারা বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া অনেক ভাই বোনরা আছেন যারা একসময় কোরআনে কারীমের দু চার পারা মুখস্ত করেছেন অনেক হাফেজ আছেন দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা এই পরিবেশে আসার পর আপনাদের কোরআনকে আপনারা ভুলে গেছেন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমার কাছে বান্দার যত পাপ আছে যত অপরাধ আছে এগুলো সব উপস্থাপন করা হয়েছে কোনটার আকার কেমন কোনটার ভয়াবহতা কত ডেপথ কতটা এটা
আমার সামনে এমন ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যে আমি অনুমান করতে পারছি বুঝতে পারছিলাম যে কোনটা কতটা ভয়াবহ কোনটার মাত্রা কত বেশি তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন কোরআন জানার পর কোরআন মুখস্ত করার পর কোরআনকে ভুলে যাওয়া অবহেলার কারণে যতগুলো অপরাধ আমার সামনে উপস্থাপন করা হয়েছিল তখন তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অপরাধ সবচেয়ে বড় গুনাহ আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি শাস্তির উপযুক্ত অপরাধগুলোর ভিতরে একটা হলো এইটা যে কোরআন মুখস্ত করার পর পর কেউ অবহেলার কারণে ভুলে গেল হ্যাঁ কারো অবহেলা যদি না থাকে তিনি তেলাওয়াত করছেন নিয়মিত চেষ্টা করছেন মুখস্ত রাখবার কিন্তু সামহাউ তিনি ভুলে গেছেন এটা যদি হয়
তার প্রচেষ্টার ঘাটতি ছিল না কিন্তু তিনি কোন কারণে ভুলে গেছেন স্মৃতিশক্তি কমে গেছে তাহলে তার কোন গুনাহ হবে না কিন্তু জাস্ট অবহেলার কারণে তেলাওয়াত না করতে না করতে আপনি একটা সূরা মুখস্ত ছিল ভুলে গেলেন কোরআনের একটা অংশ মুখস্ত ছিল ভুলে গেলেন আপনি গুনাহগার হবেন এই গুনাহের প্রায়শ্চিত্ব হলো সেই ভুলে যাওয়া আয়াতগুলো সূরাগুলো কোরআনের অংশকে পুনরায় পাঠ করে করে আবার আপনার মেমোরিতে আপনি সেটাকে নিয়ে আসার চেষ্টা অব্যাহত অন্তত রাখবেন আশা করা যায় আল্লাহ সুবহানাতায়ালার কাছে দায়মুক্ত হবেন এরপরে প্রশ্ন করেছেন নাহিদা হিমু আপনি লিখেছেন কি ধরনের হাসি ছাড়টা জায়েজ অনেকে কথা বলার সময় যে গালি দেয় বা
যে শব্দ ব্যবহার করে এগুলোতে করণীয় কি দেখুন কোনভাবে একজন মুসলমানের জন্য মিথ্যা কথা বলে কোন হাস্যরস করার বিনোদন করার কৌতুক করার কোন সুযোগ নেই আমরা অনেক সময় দেখি যে এগুলো হয় সোশ্যাল মিডিয়াতে কিছু ভিডিও ক্লিপ আপনারা হয়তো দেখে থাকবেন একজন হয়তো বসে আছে পুকুরের পাড়ে তারই কোন একজন ফ্রেন্ড দোস্ত তাকে এসে ধাক্কা দিয়ে ঠান্ডার সময় পুকুরে ফেলে দিয়েছে সে পড়ে গেছে আর হাহা করে সবাই হাসছে আমরা এ সমস্ত ভিডিও দেখে বেশি এনজয় করি তাই না আমাদের নিজেদের অজান্তে আমাদের মনুষ্যত্ব কিন্তু হারিয়ে যাচ্ছে এভাবে এটা তো আসলে কোন আনন্দের উপলক্ষ হতে পারে না মানুষ ফান করবে
আনন্দ করবে কিন্তু আনন্দ করে সে মিথ্যা কথা বলবে একজন মানুষকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পাবে একটা পাখিকে একটা পশুকে নির্মমভাবে মেরে আনন্দ পাবে এটা তো কখনো গ্রহণযোগ্য হতে এটা কোন সভ্যতা হতে পারে না আমাদের দেশে একটা খেলা বেশ জনপ্রিয় এখনো কোন কোন অঞ্চলে আছে আপনারা জানেন সারের লড়াই হয় সারের লড়াইয়ে যে নির্মমতা হয় যে করুন দৃশ্য এর অবতারণা হয় এটা কোন সভ্য সমাজের গ্রহণযোগ্য কোন লড়াই হতে পারে না বাট সেটাকে আমরা অনেকে বেশি এনজয় করছি তো এরকম অনেক খেলাধুলা আছে অনেক বিনোদন আছে যেগুলোতে আমরা শরীয়া বিরুদ্ধ পথ অবলম্বন করি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাস্য রসাত্মক
কথা বলতেন কৌতুক করতেন তিনি একবার এক সাহাবী বললেন ইয়া রাসূলাল্লাহ আমাকে একটা উট দিবেন আপনি আমি বাহন হিসেবে ব্যবহার করতে চাই নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তোমাকে আমি একটা উটের বাচ্চা দেব লোকটা বলল হে আল্লাহর রাসূল আমি আপনার কাছে চলার জন্য উট চেয়েছি আপনি বাচ্চা দিবেন বাচ্চা উটে কি চড়া যায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যেই উটে তুমি চড়বা সেই উট তো কোনো না কোনো উটের বাচ্চা আমি সেটা মিন করেছি আরেকজন সাহাবীকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ডাক দিচ্ছেন ইয়াজাল উজনাইন এই যে দুই কান আছে না আপনার আপনি আসেন হে দুই কানওয়ালা তো এটা রসিকতা
করলেন উনার কান তো আসলেই দুইটা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনে অনেক হাস্য রস করতেন কিন্তু সেটা কখনো মিথ্যা কথা বলে নয় আমরা অনেক সময় মিথ্যা কথা বলি ফান করে অনেক অন্যায় কথা বলি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন রসিকতা করেও যদি কেউ মিথ্যা পরিহার করতে পারে ওই ব্যক্তিকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন জান্নাতের একেবারে সেন্টার পয়েন্টে একটি প্রাসাদ জান্নাতি প্রাসাদ দান করবেন অনন্ত অসীমকালের জন্য সে নেয়ামত সে ভোগ করতে থাকবে এজন্য কোন অবস্থায় একজন মুসলমানের জন্য এটি জায়েজ নয় এরপরে তানজিনা আপনি লিখেছেন ঢাবিতে করা হোক এমন কোন সংস্কারটি আপনি চান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় করা হোক এমন কোন সংস্কার
আমি চাই আমি একজন নাগরিক হিসেবে দেশের একজন নাগরিক হিসাবে দেশের এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমার একটা প্রত্যাশা তো থাকতেই পারে একজন নাগরিক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমার প্রত্যাশা একটা প্রত্যাশা আপনি চেয়েছেন কয়েকটা বললে আমি কয়েকটা বলতাম যেহেতু একটা চেয়েছেন আমি একটা প্রত্যাশার কথা বলি সেটা হলো এ বিশ্ববিদ্যালয় যেন দাড়ি টুপির কারণে হিজাবের কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থী বা কোন শিক্ষক কোনভাবে কণ্ঠাসা হতে আর কোনদিন না হয় সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষদের এর চিন্তা আদর্শ এটাকে শত্রুর মত মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে এটাকে পাশ কাটিয়ে এবং মুসলমানদের সংস্কৃতিকে শত্রুতার জায়গায় রেখে একটা প্রতিষ্ঠান কোনদিন আসলে অগ্রসর হতে পারে না দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষকে
আপনি ইগনোর করবেন আর দেশকে আপনি এগিয়ে নিবেন কিভাবে সম্ভব আমি প্রায় বলি সোয়া তিন লক্ষ মসজিদ এদেশে 2010 সনের জরিপ অনুযায়ী সম্ভবত ছিল সেটা এখন হয়তো 4 লক্ষে মানে পৌঁছেছে উপনীত হয়েছে 4 লক্ষ মসজিদে জুমার দিন 12:30 টা থেকে দেড় টা পর্যন্ত এই সময়টাতে যদি 150 করে মানুষও প্রত্যেকটা মসজিদে থাকে সম্ভবত 6 কোটি মানুষ হয় তাদের পরিবারের সদস্য আছে সেটার নামে বাদী দিলাম এই মানুষগুলোকে সরাসরি প্রত্যক্ষভাবে দিক নির্দেশনা প্রতি সপ্তাহে করতে পারছেন মসজিদের ইমাম সাহেবগণ 6 কোটি মানুষকে একেবারে কমের পক্ষে চার কোটি মানুষকে তো নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে প্রতি সপ্তাহে একটা সময় এড্রেস করতে একটা
টাইম এড্রেস করতে পারছেন ওলামায়ে একরাম ইমাম সাহেবরা তাদেরকে যদি আপনি দেশের মূল ধারার সাথে এগিয়ে আনতে না পারেন তাদেরকে যদি আপনি আপন করতে না পারেন তাদের যদি আস্থা অর্জন করতে না পারেন দেশের উন্নয়নে তাদেরকে যদি আপনি ব্যবহার করতে না পারেন তো একটা দেশকে কিভাবে আপনি এগিয়ে নিয়ে যাবেন এবং মালয়েশিয়ানরা এগিয়ে গেছে তাদের ইমামরা তাদের দেশকে অন করে দেশ তাদেরকে অন করে এবং সে দেশের পদস্থ ব্যক্তিবর্গ মন্ত্রী মিনিস্টাররা তারা ইসলামকে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে জায়গা দেয় তাদের দেশের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীরা যখন ইউরোপ আমেরিকা সফর করে সেখানে তারা জুমার নামাজের ইমামতি করে পুত্ররা যায় আমি নিজে গিয়েছি তাদের প্রধানমন্ত্রী
কার্যালয়ের সামনে সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ মন্ত্রীরা সেখানে মিটিং এর পর দল বলে মসজিদের জামাতের সাথে সালাত আদায় করেন কদিন আগে ভাইরাল হয়েছে একজন মন্ত্রী তার মেয়ে মসজিদে কোরআনের শেষ করেছেন সেখানে স্ত্রীসহ তিনি বসে সেটাকে শেষ মুহূর্তের হিফজের লাস্ট মোমেন্টটাকে তারা এনজয় করছেন উপভোগ করছেন কই তারা তো পিছিয়ে থাকিনি আমাদের এই দেশে কেন ইসলামকে পিছনে ফেলে রাখলে আমরা এগিয়ে যাব মনে করছি যারা এটা মনে করছেন তারা বিগত 50 বছরে বাংলাদেশকে কোথায় নিয়ে গেছেন 50 বছর তো ইসলামের সাথে শত্রুতা করে ইসলামকে দূরদূর করেছেন তাতে দেশ কোথায় এগিয়ে গেছে এর বিপরীতে আমি বলতে চাই যদি দাড়ি টুপি এবং হিজাবকে
অহেতুক আসামির কাঠগড়ায় না দাঁড় করান এবং ধার্মিক মানুষদেরকে যদি আস্থায় আনতে পারেন এবং এক্ষেত্রে ধার্মিকদেরও 10 যথেষ্ট দায়িত্ব কর্তব্য আছে তারা দেশের জন্য যদি নিজেদেরকে উজাড় করে দেন তাহলে আমার মনে হয় পৃথিবীর অনেক দেশকে আমরা পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে পারবো ইনশাআল্লাহ তা'আলা জেরিন প্রশ্ন করেছেন নতুন বাংলাদেশে কি আশা রাখতে পারি ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা কায়েম হবে জেনারেলের পাশাপাশি দেখুন দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যেহেতু মুসলমান অতএব ইসলামী এবং জাগতিক শিক্ষার সমন্বয় সাধন করা এটা এদেশের মানুষের প্রাণের দাবি এবং আমাদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজনগুলোর একটি বলে আমি মনে করি বিনীতভাবে এটি আমি উপস্থাপন করতে চাই আমরা আমাদের দেশের পাশাপাশি পৃথিবীর
অনেক দেশকে এক্সাম্পল হিসেবে আমরা টানতে পারি মালয়েশিয়ার কথা আমরা বলতে পারি যে সেখানে জাগতিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা এর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয় তারা আমাদের চাইতে কোন দিক থেকে পিছিয়ে নেই বরং বেশিরভাগ দিক থেকে তারা আমাদের চাইতে এগিয়ে আছে আমাদের দেশে কেন জানি এক শ্রেণীর মানুষ মনে করে যে জেনারেল শিক্ষার পাশাপাশি যদি ধর্মীয় শিক্ষা বা নীতিনৈতিকতা এবং মোরালিটি শিক্ষা দেয়া হয় তাহলে মনে হয় আমরা পিছিয়ে যাব আমি বিনয়ের সাথে বলতে চাই গত 50 বছর যাবত ইসলামকে পাশ কাটিয়ে আমরা এককভাবে জেনারেল শিক্ষাকে শুধুমাত্র বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ইসলামী শিক্ষাকে খুব সীমিত পরিবেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে আমরা
এগিয়েছি তাতে দেশ কতটা এগিয়েছে বরং দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের যে চিন্তা-চেতনা আদর্শ সেগুলো যদি তাদেরকে শেখার সুযোগ করে দেয়া হয় সেগুলোকে যদি দূর-দূর করা না হয় সাধারণ মানুষের বিপুল অংশের আস্থা অর্জন করা সম্ভব এবং দেশকে আরো বেশি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব আমাদের শিক্ষিত হওয়ার চাইতে মানুষ হওয়াটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ আর ভালো মানুষ হওয়ার জন্য ধর্মীয় যে শিক্ষা রয়েছে আদর্শ রয়েছে এটার কোন বিকল্প পথ আমাদের সামনে খোলা নাই সেজন্য সময়ের অপরিহার্য প্রয়োজন এবং দেশের বেশিরভাগ মানুষই আমরা জানি প্রত্যেকটা মানুষ যতজন মুসলমান দেশে আছে প্রত্যেকটা মানুষই প্রায় হাতে গোনা কিছু মানুষ হয়তো বাদ পড়বে নিজের সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষা দেয়ার
জন্য তাকে নিজস্ব অ্যারেঞ্জমেন্ট করতে হয় কেন আমাদের মূল কারিকুলামের মধ্যে তার প্রয়োজনীয় ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা থাকবে না যদি থাকতো তাহলে তাকে আলাদা অ্যারেঞ্জমেন্ট করতে হতো না দেশের নাগরিকরা যেটা চায় সেটা যদি পূরণ করা না হয় তাহলে সেটা তো গণের আকাঙ্ক্ষার পূরণ হলো না তো এই জায়গা থেকে আমার মনে হয় যে নতুন বাংলাদেশে অন্তত এই জায়গাটাতে আমাদের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ যারা আছেন তাদের কাছে বিনীতভাবে আহ্বান রাখতে চাই তারা যেন বিশেষভাবে নজর দেন যে সাধারণ মানুষের সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষার জন্য তাদের আলাদা আলাদা নিজস্ব অ্যারেঞ্জমেন্টের যেন প্রয়োজন না হয় এবং আমাদের জাগতিক শিক্ষার সাথে সাথে তাদের নীতি নৈতিকতা শিক্ষা
আদর্শের শিক্ষা যদি থাকে তাহলে কিসের গ্যাং এর মত যে অভিশাপ সেটা আমাদেরকে বয়ে বেড়াতে হবে না আমাদের জাগতিক শিক্ষার সাথে যদি দ্বীনি শিক্ষা সমন্বয় থাকে সংযোগ থাকে তাহলে আমাদের সন্তানরা বকে যাবে না মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অনেক কাজের সমালোচনা আপনি করতে পারবেন তাদের অনেক ত্রুটি বিচ্যুতির কথা তাদের অনেক পিছিয়ে থাকার কথা আপনি বলতে পারবেন এবং সেই পিছিয়ে থাকাটা হয়তো জাগতিক শিক্ষার ক্ষেত্রে তাদের অগ্রসরতা না থাকার কারণে হয়তো অনেক জায়গায় আপনি প্রশ্ন তুলতে পারবেন কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে আপনি কত পারসেন্ট কে দেখবেন যে তারা খুন খারাবি মাদক এ সমস্ত অন্যায় অপকর্মের সাথে জড়িয়ে আছে তো সেজন্য আমার কাছে
মনে হয় যে নতুন বাংলাদেশ আপনার সাথে আমি পরিপূর্ণ একমত যে আমাদের আশা রাখতেই পারি আমরা আশা করতেই পারি যে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী শিক্ষা প্রয়োজনে ইসলামী শিক্ষা আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে দেয়া হবে এটা এদেশের আপমর মানুষের প্রাণের দাবি প্রাণের দাবি যে তার প্রমাণ এদেশের প্রায় শতভাগ মানুষ নিজের সন্তানকে জাগতিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা দেয়ার জন্য মক্তবে পাঠায় আলাদা হুজুর রাখেন নিজস্ব ব্যবস্থাপনা করার চেষ্টা করেন এখান থেকে বোঝা যায় যে মানুষ আসলে কি চায় তো মানুষের আকাঙ্ক্ষা আকাঙ্ক্ষা যদি পূরণ না হয় এর চাইতে দুর্ভাগ্যজনক তো আর কিছু হতে পারে না এরপরে প্রশ্ন করেছেন রাজিবুল হাসান আপনি লিখেছেন শিশু
কিশোর ও যুবকদের জন্য দ্বীনি পরিবেশ গড়ে তুলতে এলাকাত্তিক কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি আমরা আমি সৌদি আরবে 10 দশটি বছর কাটিয়েছি সেখানে ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রবাসী বাংলাদেশীদের দ্বীনি বিষয়গুলোতে দিক নির্দেশনা দেওয়া তাদেরকে বিভিন্নভাবে হেল্প করা এটা আমার দায়িত্ব ছিল সেখানে আমি দেখেছি সে দেশের প্রায় সব মসজিদে গুনা কিছু মসজিদ হয়তো বাদ যাবে ছোটখাটো বেশিরভাগ বড় বড় মসজিদগুলোর সাথেই সমাজের তরুণদের জন্য নানা রকমের ক্লাবের ব্যবস্থা আছে এই ক্লাবে তরুণরা আছে তারা এসে এখানে সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা করে তারা সেখান থেকে নানা রকমের স্পোর্টস কম্পিটিশন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এগুলো তারা করে সমাজের তরুণদের যাওয়ার একটা জায়গা আছে
মসজিদে তাদেরকে সেই জায়গাটা করে দেয় যার ফলে তারা বখে যায় না নষ্ট হয়ে যায় না দুঃখজনক আমাদের দেশের তরুণদের জন্য মসজিদ সেরকম এক্সেস দেয়া এত দূরের কথা ছোট বাচ্চাকাচ্চা একটু জোরে আওয়াজ করলে অনেক মুরুব্বিরা ধমক মেরে বসে এবং আমাদের দেশে কোন মসজিদের সাথে এরকম কোন জায়গা থাকবে যে জায়গাতে যে অফিসে তরুণরা বসে কাজ করবে এটা আসলে আমরা চিন্তাও করতে পারি না আমাদের নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদে নববীর আঙ্গিনায় ইথিওপিয়ান সাহাবীরা এক ধরনের কম্পিটিশন এক ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করেছেন প্রশিক্ষণমূলক এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সহধর্মিনী আয়েশা নিজে সেটা এনজয় করেছেন দেখেছেন সেই খেলা এখান
থেকে বোঝা যায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তরুণদেরকে মসজিদে তাদের আনন্দ তাদের বিনোদন তাদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং শরীয়া সম্মত যে সমস্ত কম্পিটিশন করা যায় মসজিদের আঙ্গিনায় মসজিদের মাঠে সেগুলো তারা সুযোগ দিতেন আজকাল আমাদের কোন মসজিদের মাঠে তরুণরা যদি কোন শরীয়ার সীমানার মধ্যে থেকে কোন খেলাধুলার আয়োজন করে মুরুব্বিরা তো বোধহয় ঠ্যাং একটাও আস্ত রাখবে না ছেলেদের তো এই জায়গাটাতে আমাদের তরুণদেরকে এক্সেস যদি না দেই তাহলে কোনভাবেই তাদেরকে আমরা অপসংস্কৃতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারবো না সেই জায়গাগুলোতে আমার মনে হয় বিশেষভাবে তাদের জন্য ফোকাস রাখা দরকার এরপরে প্রশ্ন করেছেন আব্দুল্লাহ খুবাইব আপনি লিখেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মিক্সিং পরিবেশ থেকে নিজের
ঈমান ও আমলকে কিভাবে হেফাজতে রাখবো খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় প্রশ্ন এ প্রশ্নের উত্তর হলো যে এ ধরনের পরিবেশে টিকে থাকার জন্য এক্সট্রা ঈমানী পাওয়ারের প্রয়োজন সাধারণ পরিবেশে একজন মানুষ যতটুকু ঈমানের পাওয়ার নিয়ে টিকে থাকতে পারে যে পরিবেশে অনেক বেশি প্রতিকূলতা আছে যেখানে অনেক গুনাহের হাতছানি আছে এই বেশে আপনার ঈমানের উপর টিকে থাকার জন্য আপনার ঈমানকে আলাদাভাবে বিশেষভাবে আপনাকে নার্সিং করতে হবে সেজন্য আপনি নিয়মিত বিভিন্ন সেশন বিভিন্ন হালাকা ভালো মানুষদের নেককারদের ওলামায়ে কেরামের সান্নিধ্য তাদের ঘরোয়া বৈঠক এবং নিয়মিত তাদের যে স্পিচগুলো আছে সেগুলো শোনা নিয়মিত কোরআন হাদিস অধ্যয়ন করা আপনি বাহিরে থাকলে যতটা করতেন এই পরিবেশে
আপনার সেটার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে যত বেশি আপনি করবেন তত বেশি আল্লাহতালা আপনাকে সেভ রাখবেন ইনশাল্লাহ সেই সাথে আল্লাহ কাছে আশ্রয় চাইবেন এবং যথাসম্ভব দোয়া করবেন চোখের পানি ফেলবেন যে আল্লাহ আপনি আমাকে হেফাজত করুন মনে রাখবেন আপনি আপনার ক্যারিয়ারকে গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করছেন ভালো কথা কিন্তু সেটা করতে গিয়ে যদি আপনার ঈমান আপনার আমল আপনার তাকওয়া আপনার চরিত্র এগুলো যদি আপনি ধ্বংস করে ফেলেন তাহলে এটা আপনার ব্যাড ইনভেস্ট হলো যা ইনভেস্ট করলেন যা প্রাপ্তি হলো তার চাইতে লস আপনার বেশি হলো এজন্য আলাদা করে এ বিষয়টিতে আমাদের মনোযোগ দিতে হবে বিশেষভাবে বারবার ঈমানকে নবায়ন করার জন্য
বিভিন্ন আয়োজনের সাথে ইনভল্ভ থাকতে হবে তাহলে দিন শেষে ইনশাল্লাহ সহজ হবে আদনান আলম প্রান্ত আপনি লিখেছেন বিয়ের প্রস্তুতি হিসেবে আমি উপার্জন শুরু করেছি কিন্তু বাবা-মাকে রাজি করাতে পারছি না আমি কি করব আমি বলেছি না একটু আগে দেখেন খুব মায়া হয় এ সমস্ত তরুণদের সমস্ত প্রশ্ন পড়ে আমার আসলেই বাবা-মাকে রাজি করাতে পারছেন না বাবা-মাকে রাজি করানোর জন্য আমি আপনাকে একটা বুদ্ধি দেই খুব সহজ সেটা হলো আমি সহ আরো বিভিন্ন আলেমদের যথাসময়ে সন্তান উপযুক্ত হওয়ার সাথে সাথে তাকে বিবাহ দেয়ার যে ফজিলত মর্যাদা গুরুত্ব এ সংক্রান্ত যে সমস্ত বক্তব্য আমাদের আছে এই বক্তব্যগুলো ইউটিউবে ছেড়ে ওয়াশরুমে চলে যাবেন
টয়লেটে চলে যাবেন এবং এই বুদ্ধিটা এক তরুণ নিজে আমাকে দিয়েছেন আমাকে এক তরুণ বললেন যে ভাই আব্বু আম্মুকে বহুভাবে ইশারা ইঙ্গিতে বলি কোনভাবে তারা কান দেয় না কথা শোনে না পাত্তা দেয় না আর ডাইরেক্ট বলতেও পারি না তো পরে এ বিষয়ে আপনার একটা বক্তব্যের লিংক পেয়েছি ওইটা খুলে ফুল ভলিউম দিয়ে জাস্ট চালায় দিয়ে আমি চলে গেছি এই ফাঁকে আব্বু আম্মু শুনছেন উনার ফলাফল কি হয়েছে সেটা আমি জানিনা বেচারা কপালে বিয়ে জুটেছে কি জুটেনি সেটা আমি জানিনা তবে চেষ্টা করেছেন তরুণ এবং বুদ্ধিটা আমার কাছে বেশ ভারী পছন্দ হয়েছে সেজন্য আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম আর এর বাইরে
ওই যে বললাম যে এক রেস্টুরেন্টে এক যুবক তার বাবাকে হাত ধরে আমার কাছে নিয়ে আসছে এতটা ফ্রি যদি হন আর কোন জায়গায় নিয়ে আসতে পারেন আমার অফিসে আফতাবনগরে ইনশাল্লাহ আমি সময় দিব আল্লাহ চান তো ইনশাআল্লাহ তবে আমাদের অভিভাবকদের এই জিনিসটা খেয়াল করা উচিত আমাদের সন্তানদের বিয়ের উপযোগী হওয়ার পর তাদের বিবাহ দেয়ার জন্য যথেষ্ট আন্তরিক হওয়া উচিত এবং সেক্ষেত্রে সন্তানদেরও কর্তব্য আছে আমি অবশ্য অন্যান্য জায়গায় বলি যে বিবাহের জন্য শুধু আমার কাছে চিরকট ধরা দিলে হবে না বিবাহের জন্য আপনি উপার্জন শুরু করে দেন টাকা পয়সা কামানো শুরু করে দেন টাকা পয়সা যখন হতে থাকবে তখন বিয়ের
জন্য মেয়ের বাবাদের কাছে ধরনা দেয়া লাগবে না মেয়ের বাবারা আপনার পিস পিস করবে অতএব শুধুমাত্র বাবার দিকে চাইয়া থাকবেন কেমন কথা যুবক মানুষ আপনি নিজে উপার্জন করেন আপনি নিজে কামাই করার চেষ্টা করেন নিজের পায়ে নিজে দাঁড়ান যাতে করে বিবাহ করে স্ত্রীর ভরণ প্রশ্নের ব্যবস্থা মিনিমাম ব্যবস্থাপনা আপনি করতে পারেন অবশ্য প্রশ্নকর্তা বলেছেন যে প্রস্তুতি হিসেবে তিনি উপার্জন শুরু করেছেন আহারে বেচারা তারপরও বাবা-মা বিয়ে দিচ্ছেন না আল্লাহতালা তার এই পাষান বাবা-মাকে দিলটাকে আল্লাহতালা নরম করে দিন আমরা দোয়া করি আমিন আল্লাহতালা এই যুবকের বিয়ের ব্যবস্থা করে দিন আমরা দোয়া করি আমিন আর যতদিন ব্যবস্থা হচ্ছে না আমিনের যে
ভলিউম মাশাল্লাহ আপনাদের অসহায়ত্ব এখান থেকে পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠছে ঠিক আল্লাহর আলামীন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবার চরিত্রগুলোকে হেফাজত রাখার তৌফিক দান করুন একজন মুসলমানের কাছে তার চরিত্রের চাইতে আসলে কোন কিছুই দামি বা মূল্যবান হতে পারে না চেষ্টা আমাদের থাকতে হবে যতদিন পর্যন্ত ব্যবস্থা না হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত আমরা নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে মনে রাখবেন যে যুবক নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না সে নিজেকে কখনো ভালো মুসলমান দাবি করতে পারে না মানুষ দুই প্রকার একটা হলো ঢিলা মানুষ আরেকটা হলো টাইট মানুষ নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারে ঢিলা মানুষ হলো যেখানে সেখানে সে দুর্বল কাত হয়ে পড়ে চিৎ হয়ে পড়ে
দুর্বল হয়ে পড়ে যেকোনো জায়গায় হারাম সম্পর্কে অবৈধ সম্পর্কে সে জড়িয়ে পড়ে কোন কিছু দেখেছে সে ঠিক থাকতে পারে না আর শক্তিশালী যুবক পাওয়ারফুল যুবক স্ট্রং যুবক হলো যে যুবক অন্যায় এবং হারাম দেখার পর নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে কন্ট্রোল করতে পারে এই কন্ট্রোল করা মানুষটা হলো সুস্থ মানুষ আর যে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারে না এতো অনেক রোগী আছে অনেক রোগ আছে যে ডাইরেক্ট হয়ে যায় কন্ট্রোল করতে পারে না আর সুস্থ মানুষ নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারে এজন্য যে যত বেশি তাকওয়াবান সে যতটা স্ট্রং মানুষ সে ততটা নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এই চ্যালেঞ্জটা আমাদেরকে ওভারকাম করতে হবে মুসলমান যুবক
তো বিশ্বজয় করবে বিশ্বজয় করবে যে মুসলিম যুবক সে যদি কোন দৃশ্য দেখে কোন হারাম কোন ছবি দেখে কোন অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে যদি সেখানে সে দুর্বল হয়ে পড়ে নিজেকে যদি কন্ট্রোল করতে না পারে এর দ্বারা বিশ্বজয় কিভাবে হবে এজন্য আমাদেরকে নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা শিখতে হবে আল্লাহ আমাদেরকে সেই তৌফিক দান করুন এরপরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রশ্ন করেছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা একজন অমুসলিমকে কিভাবে ইসলামের দাওয়াত দেয়া যায় একজন অন্য ধর্মাবলম্বীকে ইসলামের দাওয়াত দেয়ার সবচাইতে শর্টকাট ওয়ে এবং সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো আপনি নিজেকে আদর্শ মুসলমান হিসেবে উপস্থাপন করেন কারণ একজন অন্য ধর্মাবলম্বী
তারা আমাদের ধর্মগ্রন্থ পড়ে না কিন্তু তারা আমাদেরকে পড়ে আমাদেরকে তারা দেখে আমাদের আচার-আচরণ আমাদের কাজকারবার আমাদের সবকিছু দেখে সে যেন ইসলাম এর প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে ইসলামকে যেন সে জানার জন্য আরো বেশি আগ্রহতার মধ্যে তৈরি হয় অতএব আমাদের আচার-আচরণ আমাদের নিজেদেরকে ভালো মুসলমান হিসেবে গড়ে তোলা হলো অন্য ধর্মাবলম্বীদেরকে ইসলামের মধ্যে দাওয়াত দেয়ার সবচাইতে কার্যকর উপায় এর পাশাপাশি অনেকগুলো ভালো বই আছে এ সম্পর্কে সে বইগুলো আপনারা মানুষকে উপহার হিসেবে দিতে পারেন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে কোরআনে কারীম উপহার হিসেবে দেওয়া এটা অনেক বড় কার্যকর একটি উপায় আমি জাপানের টোকিওতে এক বাংলাদেশীর একটা অভিজ্ঞতার কথা জানলাম
তিনি আমাকে বললেন যে ভাই আমার একটা কফি শপ আছে আমি আমার সে দোকানে একটা কোরআন রেখে দিয়েছি খুব চমৎকার এত সুন্দর কোরআনের বাধাই তো একটু ব্যতিক্রম সৌদি থেকে যে ছাপাগুলো বিশেষ করে অন্য সাধারণ বইগুলো এত সুন্দর বাধাই হয় না তো অনেক অমুসলিম জাপানিজরা যারা সাধারণত কোন ধর্ম বিশ্বাসী বিশ্বাসী নয় তারা অনেকেই এসে জিজ্ঞাসা করে যে এটা কি তো আমি তাদেরকে জাস্ট জাপানি ভাষায় অথবা ইংরেজিতে একটা কোরআনের কপি দিয়ে বলি যে এটা আসলে এটা আমি একটু এক্সপ্লেইন করে বলি যে এটা তুমি পড়ে দেখতে পারো এ ভদলোক আমাকে বলেছেন যে যারা তেমন কোন ধর্মে বিশ্বাসী নয় এরকম
বহু মানুষ আমার হাতে শুধুমাত্র আমার দোকান থেকে ইসলাম গ্রহণ করেছেন শুধু কোরআন পড়ার কারণে কোরআন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিরাত গ্রন্থ এই দুইটা জিনিস যদি কোন মানুষ নির্মহভাবে পড়ে সে ইসলামের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য ফ্রান্সের একজন পলিটিশিয়ান ভদ্রলোকের নামটা আমার মনে নাই মনে থাকেও না আমি বারবার চেষ্টা করি একটু নাম আমি 2009-10 এর সময় আমার মনে আছে আমি সোশ্যাল মিডিয়াতে ফেসবুকে তার ইসলাম বিদ্বেষী মুসলিম বিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অনেক লেখালেখি আমি করেছি গত কিছুদিন আগে এক ভদ্রলোক আমাকে youtube একটা ভিডিও দেখালেন যে ওই ভদ্রলোক ইসলাম গ্রহণ করেছেন আমি খুব কৌতুহলী তার ভিডিওটা শুনলাম ইংরেজিতে তখন
তিনি বললেন যে দেখুন কেউ যদি ইসলামকে জানতে চায় সে মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনী এটা যদি পড়ে তাহলে ইসলামের কাছে সে মাথা নত নির্মহভাবে যদি তার পুরো জীবনীটা কেউ পড়ে ইসলামের সামনে মাথা নত করা ছাড়া তার সামনে আর কোন পথ খোলা নাই যদি সে ভন্ড না হয়ে থাকে তো এজন্য আমি আপনাদেরকে বলতে চাই বিশেষ করে অন্য ধর্মাবলীদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সিরাতের প্রতি আহ্বান করবেন আর তার চাইতে বেশি আমরা ভালো মুসলমান হওয়ার চেষ্টা করব এরপর প্রশ্ন করেছেন শফিউল ইসলাম সাকিব আপনি লিখেছেন মুসলিমদের মাঝে বিভক্তি দূর করতে করণীয় কি মুসলিমদের মধ্যকার বিভক্তি দূর করার জন্য
আর কিছু না পারেন একটি কাজ করেন ডক্টর আব্দুল্লাহ জাহির রহমতুল্লাহ আলাই বলতেন যে আল্লাহ আমাকে এত পাওয়ার দেন নাই যে বহুদা বিভক্ত মুসলমানদেরকে আমি এক করে ফেলবো এত পাওয়ার আমার হাতে নাই যদি থাকতো আমি জোর করে হলেও তাদেরকে একসাথে বসাতাম এক করতাম এক হতে বাধ্য করতাম যেহেতু পাওয়ার নাই আমি একটা কাজ করতে পারি সেটা হলো বহুদা বিভক্ত মুসলমানদের মধ্যে নতুন কোন বিভক্তি যেন না না হয় আমি সেজন্য চেষ্টা করি স্যারের এই কথাটাকে আমি আমল করার চেষ্টা করি পারতপক্ষে সজ্ঞানে কারো নাম ধরে খোঁচাখুঁচি করা কারো বিরুদ্ধে বিষোদগার করা পাবলিকলি কিংবা ঘরোয়া মজলিসে এই জিনিসগুলো যেন আমার
দ্বারা না হয় আমি সে ব্যাপারে খুব বেশি সচেষ্ট থাকি আমি আপনাদেরকে উদাত্ত আহ্বান রাখতে চাই বিশেষ করে আপনারা যারা সাধারণ শিক্ষিত ভাইয়েরা বোনেরা আছেন আল্লাহর ওয়াস্তে ইসলামের কোন একটা সেক্টর বা কোন একটা গ্রুপ আপনি পছন্দ করেন কোন আলেমকে আপনি পছন্দ করেন কোন স্কলার কে আপনি পছন্দ করেন তার অনুসারী হয়ে পাল্টা আরেকজন হুজুর আরেকজন আলেমের গুষ্টি উদ্ধার করার জন্য নামবেন না আপনি অনেকেই আপনারা অনেকে দেখবেন যে এটাকে সওয়াবের কাজ মনে করে মনে করে যে এক হুজুরের পক্ষ হয়ে আরেক হুজুরের গোষ্ঠী উদ্ধার করলে বোধহয় বিপুল পরিমাণ সওয়াব আমার আমলনামায় লেখা হবে কেয়ামতের ময়দানে এই লোক যখন দেখবে
যে সওয়াবের জায়গায় সব গুনাহ লেখা হয়েছে তখন তার আফসোসের কোন শেষ থাকবে না এজন্য ভাই আমি আপনাদেরকে বিনীতভাবে বলতে চাই আল্লাহর ওয়াস্তে মুসলমানদের মধ্যকার দূরত্ব গুলোকে কমাবার জন্য কখনো দূরত্ব বাড়ে সেরকম কোন পথ পদক্ষেপ নিবেন না সেরকম কোন কথা বলবেন না সমালোচনা করতে হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ অনুসরণ করে করবেন তিনি নাম ধরে সমালোচনা সচরাচর কোন পাবলিক প্রোগ্রামে সাধারণত করতেন না এমন ভাবে করতেন যে কারো কোন মানহানি না হয় অসম্মান না হয় আজকাল দুঃখজনক আমরা অনেক মুসলমানরা ইসলামের কাজ মনে করে সেই কাজটি করে যাচ্ছি এবং ইসলামের প্রতি মানুষকে আরো আমরা ভীত শ্রদ্ধা করছি শফিউল
ইসলাম সাকিব আপনি লিখেছেন তওবা কবুল হয়েছে কিনা বুঝবো কিনা কিভাবে এটার উপায় আছে কিনা বোঝার আসলে সুনির্দিষ্ট কোন উপায় নাই তবে তওবা করার পর যদি আপনার অন্তরটা বিগলিত হয় অনুতপ্ত হয় চোখের পানি পড়ে এবং ওই পাপ থেকে আপনি ফিরে আসার সুযোগ পান কিছু সময় আপনি ফিরে থাকেন তাহলে আপনি আল্লাহর প্রতি সুধারণা করতে পারেন হয়তো আপনার তওবা কবুল হয়েছে মেজবা লিখেছেন ফেসবুক রাজনৈতিক দলের কেউ পূর্বে নির্যাতন করতো তাদের বিরুদ্ধে নাম ধরে ফেসবুকে লেখালেখি করলে গীবত হবে কিনা যদি আপনার এই লেখালেখিটা হয় তাকে বিচারে মুখোমুখি করবার জন্য তার অন্যায় অনাচার গুলোকে তুলে ধরে যেন তার শাস্তি হয়
সেটি নিশ্চিত করা যায় সেজন্য আপনি যদি লেখালেখি করেন সে অধিকার আপনার আছে আল্লাহতালা কোরআনে কারীমের ছয় নম্বর পারার প্রথম আয়াতে বলেছেন কোন মন্দ কথার প্রসার আল্লাহ পছন্দ করেন না তবে যিনি নির্যাতিত যিনি মাজলুম তার জুলুমের কথা সে মানুষকে বলার অধিকার তার আছে যাই হোক আনিসুর রহমান আপনি লিখেছেন হলে না জানিয়ে অনেকে ব্যক্তিগত জিনিস ব্যবহার করে থাকেন বিশেষ করে পানি খেয়ে ফেলেন এর বিধান কি এটা শুধু হলে হয় তা না মসজিদে পর্যন্ত আপনি দেখবেন একজনের সুন্দর একটা সু পড়ে আসছেন তিনি নিজের সুটা খুলে রেখে আরেকজনের একজোড়া স্যান্ডেল এটা দিব্য পায়ে দিয়ে তিনি টনটন করে হেঁটে চলে
যাচ্ছেন অযু করে ভিজায় ওইটাকে তারপর রেখে চলে যাচ্ছেন এগুলো হয় কি হয় না এটা কোন দায়িত্বশীল মুসলমানের কাজ না এই ছোট ছোট বিষয়গুলো আমাদের কাছে মনে হতে পারে খুব তুচ্ছবি জিনিস আল্লাহতালা বলেছেন তোমরা মনে করো এগুলো খুব তুচ্ছ বিষয় আল্লাহর কাছে এগুলো অনেক বড় ব্যাপার এজন্য অনুমতি ছাড়া কারো পানি পান করে ফেলা কারো কোন জিনিস নিয়ে ফেলা হলে যেরকম হয় বাইরে হয় এ কাজগুলো হওয়া উচিত না একজন দায়িত্বশীল মুসলমান তিনি অনুমতি নিয়ে তারপরে কারো কোন জিনিস ব্যবহার করবেন তবে সেই সাথে যার জিনিসের ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হচ্ছে তিনিও তুচ্ছ বা ছোটখাটো জিনিসকে দিতে অপরাগতা প্রকাশ করবেন
না কারণ আল্লাহ সুবহানাতালা সে ব্যাপারেও ভৎসনা করেছেন সূরাতিমাজ এখানে এজন্য আমাদেরকে অনুমতি নিয়ে আরেকজনের জিনিসটাকে ব্যবহার করতে হবে না হলে সেক্ষেত্রে আমরা গুনাগার হব শাহরিয়ার প্রশ্ন করেছেন ইসলামী শাসন কায়েমের জন্য আমরা আমাদের করণীয় কি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিম হয়ে আমরা খেলাফত চাইতে অসুবিধা কি কোন অসুবিধা থাকার কথা না থাকা উচিত না যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ সংখ্যালঘু সব ধর্মের মানুষ যার যার কথা বলতে না পারে তাহলে তাহলে আমাদের এই স্বাধীনতা দিয়ে আমরা কি করব যে স্বাধীনতা আমাদেরকে কথা বলতে দেয় না সেটা আবার কেমন স্বাধীনতা একজন মুসলমান তো তার চাওয়া তার পাওয়া তার প্রত্যাশা কথা বলতেই পারে না এবং বলতে
পারা উচিত আলহামদুলিল্লাহ সেরকম একটা পরিবেশ আল্লাহতালা আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন এর জন্য যাদের অবদান যাদের আত্মত্যাগ রয়েছে আমরা অন্তর অন্তস্থল থেকে তাদের জন্য দোয়া করি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদের সবাইকে এর জন্য সর্বোত্তম বিনিময় দান করুন এবং অবশ্যই আমাদের শরীয়ার সৌন্দর্যকে উপস্থাপন করা দরকার শরীয়ার সৌন্দর্যের গুরুত্ব শরীয়ার অনুসরণের গুরুত্ব এটা আমাদের জানানো উচিত সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানরা কি দিয়ে শাসিত হতে চায় এ সম্পর্কে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের মতামত জানা উচিত জানার ব্যবস্থা থাকা দরকার এবং এ ব্যাপারে আমাদের কোন হেজিটেশন থাকা উচিত নয় তাদের সে অধিকার তারা পাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও পাবেন বলে আমরা اللہ