[মিউজিক] গল্পের শুরুতেই আমরা আমাদের ড্রামার নায়িকা ইরাকে দেখতে পাই তার দাদু তাকে বিয়ে করার জন্য একের পর এক ছেলেদের ছবি দেখায় কিন্তু ইরার কাউকেই পছন্দ হয় না উল্টো সে তার দাদুকে বলে দেয় আমার কোন ছেলেকেই পছন্দ হচ্ছে না আর যদিও কোন ছেলেকে আমার পছন্দ হয় তারপরও আমি বিয়ে করবো না তারপর ইরা তার রুমে এসে নিজের জামাকাপড় গুছাতে শুরু করে তখনই তার ভাই এসে জিজ্ঞাসা করে তুমি এগুলো এভাবে কি করছো ইরা বলে আমি আমার দাদুর সাথে একটা চ্যালেঞ্জ করেছি আর সেটা হলো আমি আমাদের কোম্পানিতে কাজ করতে যাব যেটা বর্তমানে সবথেকে লসে চলছে আর আমার চ্যালেঞ্জ হলো
আমি সেখানে গিয়ে আমাদের সেল এক বছরে 10% বাড়াবো এমনটা যদি করতে পারি তাহলে আমার দাদু আমাকে আর বিয়ে নিয়ে কোন কথা বলবে না যাই হোক এদিকে আমরা আমাদের হিরো সুকে দেখতে পাই সে একটা এয়ারপোর্টে ছিল অন্যদিকে ইরা তাকে এয়ারপোর্টের বাইরে পাশ কাটিয়ে চলে যায় তবে দুজনের কেউ কাউকে দেখতে পায় না তারপর তারা সবাই একই প্লেনে করে যাচ্ছিল প্লেন থেকে নেমে ইরা যখন ট্যাক্সির জন্য ওয়েট করছিল তখনই তার কাছে একটা ট্যাক্সি ড্রাইভার আসে আর বলে এই সময় সিঙ্গেল ট্যাক্সি পেতে গেলে অনেক বেশি ভাড়া দিতে হবে তাই আপনি চাইলে আমার ট্যাক্সিতে শেয়ারে যেতে পারেন এভাবে গেলে ভাড়াও
একটু কম পড়বে তবে যাত্রীদের সাথে শেয়ার করে যেতে হবে এখানে ইরাও শেয়ারে যেতে রাজি হয়ে যায় কারণ তার দাদু তাকে কোন রকম টাকা পয়সা দিবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে এজন্য টাকা বাঁচা সাথে সে ট্যাক্সি শেয়ার করে যেতেই রাজি হয়ে যায় তারপর ইরা ট্যাক্সিতে এসে সুকে দেখতে পায় আর সু ছিল ইরার ছোটবেলার ক্রাশ এদিকে ইরা তো এখানে সুকে দেখে নিজেকে লুকাতে শুরু করে সে তার মাথায় টুপি পড়ে লুকিয়ে ট্যাক্সিতে বসে থাকে কিন্তু এসব করে খুব একটা লাভ হয় না সু তাকে চিনে ফেলে তবে কেউই কারো সাথে কথা বলে না যাই হোক তারপর ইরা বাসায় গেলে তাকে
কোম্পানির প্রতিটা স্টাফদের ইনফরমেশন পাঠানো হয় কারণ ইরা যেহেতু একজন টিম লিডার হিসেবে কাজ কাজ করতে যাচ্ছে তাই এসব ইনফরমেশন তার কাজে লাগবে কিন্তু এগুলো দেখা বাদ দিয়ে ইরা তো শুধুমাত্র সি কে নিয়ে ভাবতে থাকে ক্রাশ বলে কথা কি বলেন এতদিন পর এক নজর দেখার পর কি মাথা থেকে আর এত সহজে সরানো যায় আর এখানে আমরা তার এরকম ভাবভঙ্গি দেখে পুরোপুরি বুঝতে পারি যে সে সুকে মনে মনে অনেক পছন্দ করে পরের দিন সে কোম্পানিতে এসে কফি নেওয়ার জন্য আসে তখন এখানে ইন নামের একটি মেয়ে এসে লিন নামের আরেকটি মেয়ের অর্ডার দেওয়া কফিটা নিতে চায় আসলে এর
কাকা এই কোম্পানির হেডকোয়ার্টারে কাজ করে আর এজন্যই সে এই কোম্পানিতে জয়েন করতে পেরেছে আর এখন কাকার পাওয়ার কাজে লাগিয়ে সে যা ইচ্ছা তা করে বেড়ায় কিন্তু কেউ কিছুই বলতে পারে না আসলে এখানে ইন নিজেকে বড় লোকের তিন নাম্বার বাচ্চা বলে প্রেজেন্ট করে আর কি কিন্তু তখনই লিনের হয়ে আমাদের ইরা তাকে কিছু কথা শুনিয়ে ইনসাল্ট করতে শুরু করে এমনকি সে তার কাছ থেকে কফিটা নিয়ে লিনকে দিয়ে দেয় যাই হোক এরপরের সিনে আমরা ইরাকে তাদের কোম্পানির লিডারের সাথে দেখতে পায় তবে ইরা এখানে তাকে বলে না যে তার দাদুই হলো এই কোম্পানির চেয়ারম্যান কিন্তু লিডার জানে যে ইরা
হেডকোয়ার্টার থেকে এসেছে তাই সে ইরার সাথে খুব ভালো ব্যবহার করে তারপর ইরা এখানে টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টে জয়েন করে এদিকে তখনই সেখানে সু আসে আর সু ছিল টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টের লিডার এখানে সুকে দেখে ইরা তো একদম অবাক হয়ে যায় আর বুঝতে পারে না সু এর মত এত বুদ্ধিমান একজন ছেলে তাদের এ লস হওয়া কোম্পানিতে কি করছে আর এবার ইরা মনে মনে ভাবে সে সুকে বলবে এই কোম্পানি থেকে রিজাইন দিতে কিন্তু তখনই উল্টো সুই এসে ইরাকে রিজাইন দিতে বলে সাথে সে আরো বলে এই জায়গাটা তোমার জন্য না এখানে তুমি কিছুই করতে পারবে না কিন্তু ইরা বলে সে এখানেই থাকতে
চায় তারপর তাদের একটা মিটিং হয় এখানে ইরাকে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় আর তাদের টপিক ডিসকাস করা হয় এ মিটিং এর শেষে সু ইরার জন্য ওয়েট করে তারপর তারা একসাথে বের হয় আর এখান থেকেই তাদের ফ্রেন্ডশিপ আবারো নতুন করে শুরু হয়ে যায় যায় কিছুক্ষণ পর তাদের টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টের একটা মিটিং হয় সু হলো টিম লিডার আর ইরাও একজন লিডার হিসেবে এখানে এসেছে তাই সে সু এর টিম থেকে লোক চায় তার টিমে নেওয়ার জন্য এখানে টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টে সু ছাড়া অন্য কেউই ইরাকে চায় না কারণ ইরা হেডকোয়ার্টারের সাপোর্টে এখানে এসেছিল আর এর আগেও যারা এভাবে এসেছিল তারা
সবাই ইনের মতোই কোম্পানিতে লাফালাফি করে বেড়াতো আর কি আর মাইনকে চিপায় পড়ে এখানে কেউই তাদেরকে কিছুই বলতে পারতো না যার কারণে হেডকোয়ার্টার থেকে কেউ আসলে তারা তাকে চায় না তবে এসব সিচুয়েশনের মাঝেও ইরা নিজেকে ঠিকই এডজাস্ট করে নেয় এমনকি গাও নামের একজন ছেলেকে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে তার নিজের টিমে নিয়ে নেয় তার এ পদ্ধতি দেখে সুতো হাসতে থাকে পরের দিন লিন নামের মেয়েটাও তার টিমে চলে আসে কারণ গতকাল ইরা তাকে সাহায্য করেছিল যাই হোক পরের দিন এ টিমের স্টাফরা কাজে এসে দেখে বি টিমের কোন স্টাফই কাজে আসেনি আসলে ইরা সবাইকে নিয়ে বাইরে চলে এসেছিল এখানে
তারা প্রথমে খুব মজা করছিল যা দেখে সবাই তো ভাবে ইরা হয়তোবা তাদেরকে নিয়ে ঘুরতে এসেছে কিন্তু মজা করা শেষে ইরা বলে এবার কাজের কথায় আসা যাক অর্থাৎ তারা কাজের কারণেই এখানে এসেছিল যাই হোক রাতের বেলা পুরো টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্ট সুয়ের বাড়িতে আসে ডিনার করার জন্য এখানে কাউর গার্লফ্রেন্ড শ্যানো আসে সে তাদের কোম্পানির সেলস ডিপার্টমেন্টে কাজ করে তারা সবাই এখানে অনেক গল্প করে এবং মজা করে তারপর সুয়ার ইরা এখান থেকে উঠে আসে আর তারা দুজন নিজেদের ভিতরে কথা বলতে থাকে ইরা তাকে জিজ্ঞেস আশা করে তুমি স্কুল লাইফে কেন ট্রান্সফার হয়ে চলে গিয়েছিলে তুমি কি আমার জন্য এরকমটা
করেছিলে সু এর কোন জবাব সে দেয় না আর এখান থেকে কাহিনীটা ফ্ল্যাশব্যাকে নিয়ে আমাদেরকে দেখানো হয় ইরা তার ফ্রেন্ডের সাথে আসছিল তখনই সে প্রথমবার সুকে দেখে তার প্রেমে পড়ে যায় তারপর তাদের স্কুলে যখন একটা সেমিনার চলছিল তখন সু সবার সামনে বসেছিল এদিকে ইরা তার পাশে বসার জন্য সেখানে থাকা এক স্টুডেন্টকে ঘুষ দিয়ে সামনের দিকে চলে আসে আর সু এর সাথে বসে পড়ে প্রেমে পড়লে মানুষ কত কিনাই করে তাই না আর তোমরা কারা কারা এখনো প্রেমে পড়োনি তা কিন্তু অবশ্যই কমেন্ট করে আমাকে জানিয়ে যাবে আর যারা যারা প্রেম করছো তারা তাদের প্রিয় মানুষের নামটা মেনশন করে
যাবে যাই হোক এদিকে ইরা কিন্তু পড়ালেখা খুবই ভালো ছিল তবু সে সু এর কাছাকাছি থাকার জন্য সু এর কাছে এসে বলে ম্যাথ শিখিয়ে দিতে এমনকি সে সুকে হটপট খাওয়ার জন্য নিয়ে আসে ধীরে ধীরে তারা দুজনের ভিতরে খুব ভালো একটা বন্ধুত্ব হয়ে যায় তাছাড়া ইরার কর্মকাণ্ড দেখে যে কেউ বুঝতে পারবে যে সে সুকে কতটা ভালোবাসে অর্থাৎ সু কিন্তু এটা বুঝতো সবই ঠিক ছিল একদিন ইরা তার জন্মদিনে সুকে ইনভাইট করে তখন সু বলে সে যাবে কিন্তু জন্মদিনের দিন সে হঠাৎ করেই বলে দেয় যে আমি যেতে পারবো না এতে করে ইরা তো খুব বেশি রেগে যায় কারণ সে
ওই জন্মদিনের দিনে সুকে প্রপোজাল করবে বলে ঠিক করেছিল এজন্য সে একটা গিফটও কিনেছিল কিন্তু সু বলে দেওয়ায় ইরা ওই গিফটটা দিয়ে সুকে মেরে এখান থেকে চলে যায় আর এভাবেই তাদের ছোটবেলার লাভ স্টোরি শুরু হওয়ার আগেই ভেঙে গিয়েছিল আর আমাদের অনেকের জীবনেই কিন্তু হাই স্কুলের লাভ স্টোরি শুরু হওয়ার আগেই ভেঙে যায় আবার কেউ কেউ তো প্রিয় মানুষকে যে ভালোবাসে সে কথাটাই কখনো জানাতে পারে না আর এরকমটা কার সাথে হয়েছে সেটা আমাকে কিন্তু জানাতে পারো যাই হোক পরদিন ইরা অফিসে এসে দেখে সেলস ডিপার্টমেন্টের হেড লিয়ে সে সুকে বকাবকি করছে এর কারণ হলো একটা কোম্পানির সাথে অনেকদিন আগেই
তাদের সাইন করার কথা হয়েছিল তাদের চুক্তির টাকাও তারা দিয়ে দিয়েছিল কিন্তু সু এখনো প্রজেক্ট তৈরি করে দেয়নি এখানে সু বলে আমাদের বাজেট কম পড়েছে আসলে চুক্তির টাকা পুরোটা তাদেরকে দেওয়া হলেও উপরের পোস্টের লোকেরা সব টাকা নিজেদের পকেটে ভরে নিয়েছিল এজন্য প্রজেক্টের জন্য টাকা অনেক কম পড়ে গিয়েছিল এখানে লি সুকে বলে তোমরা কোথা থেকে করবে সেটা আমি জানিনা আমার শুধু কাজ দরকার সুকে এমন বকা খেতে দেখে ইরা তার কাছে এসে বলে প্রজেক্টটা করলেই তো হয় কিন্তু কিন্তু সু রাজি হয় না তবে ইরা সবাইকে এসে বলে আমরা প্রজেক্টটা করব আর এ কারণে সবাইকে এখন ওভারটাইম কাজ করতে
হবে কিন্তু এ কথা শুনে কেউই রাজি হয় না তারপর ওই কোম্পানির লিডার মিস্টার হুয়ানের সাথে এসে সে যোগাযোগ করতে চায় কিন্তু লি এর নাম শুনে সে ফোনটাই রেখে দেয় এতে ইরা তার সাথে পার্সোনালি দেখা করে এদিকে মিস্টার হুয়ানের স্বভাব চরিত্র খুব একটা সুবিধার ছিল না অনেকটা মুস্তাক কাকুর মতো ছিল আর কি সে ছোট বড় সব মেয়ের প্রতি আসক্ত হয়ে যেত আর তখন ইরা যখন নিজে থেকে তার সাথে দেখা করতে আসে তখন সে ইরাকে তিন দিনের সময় দেয় প্রজেক্টটা শেষ করার জন্য এতে ইরাও রাজি হয়ে যায় তারপর ইরা তো অফিসে এসে অনেক বেশি কাজ করতে শুরু
করে তাকে এত বেশি পরিশ্রম করতে দেখে সুও ইরাকে সাহায্য করার জন্য রাজি হয়ে যায় তারপর তারা পুরো টিম সারারাত জেগে কাজ করে পরের দিন সকালবেলা তারা সেই প্ল্যান নিয়ে লিয়ান নামের একজন লোকের কাছে আসে লোকটি তাদের প্ল্যান দেখে বলে তোমাদের প্ল্যানটা খুবই ভালো হয়েছে আমি এই কাজে অবশ্যই সাহায্য করবো কিন্তু কথা হলো তার সেই কোম্পানির সাথে কোন কাজ নেই আর সু এর কোম্পানির সাথেও কোন কাজ নেই তাহলে একজন বাহিরের লোক হয়ে সে কেনই বা সাহায্য করবে এর বদলে লিয়ান তাদের কাছে কিছু চায় আর আমরা এখান থেকে জানতে পারি যে সুজন অতি বুদ্ধিমান ছেলে তার সাথে
গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করার আগেই নামিদা দামি কোম্পানি তাকে চেয়েছিল কিন্তু শ্যান নামের একজন সুকে ইরাদের কোম্পানিতে কাজ দিয়ে দেয় এমনকি পাঁচ বছরের কন্ট্রাক্টে কোম্পানিতে ঢুকিয়ে দেয় যার কারণে সে তাদের কোম্পানি থেকে বের হতে পারছিল না আর এখানের লোকটা বলে আগামী বছরই তোমার কন্ট্রাক্ট শেষ হতে চলেছে তাই এখন তিনি সুকে তাদের কোম্পানি নিতে চায় এমনকি তিনি বলেন এখানে তোমার স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হবে না তুমি যেমন ভাবে কাজ করতে চাও তেমন ভাবেই কাজ করতে পারবে কিন্তু সু এখানে হ্যাঁ বা না কিছুই বলে না তবু লিয়ান তাকে সাহায্য করে আর ফাইনালি তারা সাকসেসফুলের সাথে প্রজেক্টটা কমপ্লিট করে তারপর প্রজেক্ট
শেষ হলে সু আর ইরা দুজনেই গল্প করতে বসে তখনই সু ইরার কাছে আসতে থাকে এখানে ইরা তো ভাবে হয়তোবা সে তাকে কিস করবে কিন্তু সু তার কাছে এসে তার চোখ থেকে কিছু একটা টেনে বের করে দেয় আর বলে এটা তোমার চোখে লেগেছিল যার ফলে সে বুঝতে পারে যে সে কি ভাবছে আর কি হচ্ছে আর এ অকওয়ার্ড সিচুয়েশনের মধ্যেও দুজনেই হেসে ফেলে তারপর আমরা দেখতে পাই ইরার টাকা শেষ হয়ে এসেছে সে টাকা আর্ন করার জন্য তার কাছে থাকা একটি প্রিমিয়াম ব্যাগ সেল করে দেয় এমনকি আরো টাকা ইনকাম করার জন্য সে একটি কম্পিটিশনে পার্টিসিপেট করার জন্য সু
এর কাছে পারমিশন চায় কিন্তু সুয়াতে রাজি হয় না কারণ পরের বছরই হয়তোবা ইউলেন ডুবতে চলেছে আর এ সময় যদি সে এ কোম্পানি থেকে ওই কোম্পানিতে পার্টিসিপেট করতে চায় তাহলে তাদের কোম্পানিটা পুরো বিজনেস ইন্ডাস্ট্রির কাছে হাস্যকর হয়ে যাবে তারপর সে ভাবে যে ইরা নিশ্চয়ই অনেক গরীব কারণ সে শুনেছে ইরার বাবা-মা মারা গিয়েছে তাকে তার দাদু বড় করেছে তার উপরে আবার সে এখন তাদের ডুবে যাওয়া কোম্পানির সাথে কাজ করতে এসেছে তাই নিশ্চয়ই তার এখন টাকার দরকার এই কারণে সে ইরাকে নিয়ে তার একটা বন্ধুর কাছে আসে আর বলে যে তারা এই কম্পিটিশনে পার্টিসিপেট করবে তবে তাদের কোম্পানির নাম
নিয়ে না তার বন্ধুর নাম নিয়ে তারপর বাহিরে এসে সেই ইরাকে বলে দেয় যে এই কম্পিটিশনের কথা সে যেন তাদের কোম্পানির কাউকেই না বলে তারপর আমরা দেখি তারা তার বন্ধুর নাম নিয়ে এই কম্পিটিশনে পার্টিসিপেট করেছে যেহেতু তারা তাদের কোম্পানির জন্য এটা করছে না তাই কোম্পানির কেউ যদি জানতে পারে সেটা তাদের জন্য খুব একটা ভালো হবে না তাই এখন তারা ইরার বাড়িতে আসে প্রিপারেশনের জন্য কিন্তু সুতো ইরার বাড়ির ভিতরে ঢুকে দেখে এ বাড়িটা অনেক বেশি সুন্দর যা দেখে সু আর তার বন্ধু সিন অনেক অবাক হয়ে যায় এখানে সিন বলে ইরা না অনেক গরীব তাহলে এত লাক্সজারি একটা
বাড়ি সে কোথা থেকে পেল তখনই ইরা বলে ওঠে এ বাড়িটা আমার ফ্রেন্ডের আমি এখানে ভাড়া থাকি যাই হোক তারপর তারা এখানে রাত জেগে কাজ করতে থাকে তখনই ইরার একজন প্রতিবেশী এখানে আসে আর তার নাম হলো লু সে একজন সিঙ্গেল ফাদার তার ছেলের জন্মদিনের কেক দেওয়ার জন্য সে এখানে এসেছিল তাকে দেখে পুরোপুরি বোঝা যাচ্ছিল যে সে ইরাকে পছন্দ করে এদিকে এত রাতে কেক দিতে আসার বিষয়টা সুয়ের কাছে একদমই ভালো লাগে না সে তো লোকটাকে দেখে খুবই জেলাস ফিল করছিল এ কারণে সে তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে চলে যায় রাস্তায় যেতে যেতে সিন তাকে বলে তুমি যেহেতু তাকে
এতই পছন্দ করো তাহলে তাড়াতাড়ি করে তাকে বলে দাও তা না হলে যেকোনো সময় অন্য কেউ এসে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যাবে পরের দিন দেখা যায় ইরাও অফিসে এসে নিজে নিজে কাজগুলো সামলাচ্ছিল কারণ সুজকে সাংহাই গিয়েছে কারণ কারণ ওইখানে একটা হসপিটালে তার বন্ধু ভর্তি আছে আর তার হার্টের অপারেশন হবে এজন্যই ইরা সুকে তার কাকার নাম্বার দেয় যার নাম হলো গু সে একজন খুব ভালো ডক্টর কিন্তু সু তাকে অনেকবার কল করলেও ফোনটা বন্ধ দেখায় এদিকে অপারেশনের সময় প্রায় চলে আসে তখন অন্য ডক্টর দিয়ে অপারেশন করাতে হয় অপারেশন শেষে ডক্টর বেরিয়ে আসে আর বলে অপারেশন সফল হয়েছে এজন্য সু
তাকে ধন্যবাদ জানায় আর এখানে সু ভাবছিল এটা হয়তো অন্য ডক্টর কিন্তু তখনই ডক্টর মাস্ক খুলে বলে সেই হলো ডক্টর গু অর্থাৎ ইরার কাকা এখানে মিস্টার গু সুকে জানায় যে ইরা তাকে ফোন করে সবকিছু জানিয়েছে এটা শুনে সু অনেক খুশি হয় আর ইরাকে থ্যাংক ইউ বলে এর কিছুদিন পর ইরা সুকে দেখার জন্য চলে আসে বন্ধুর অসুস্থতা নিয়ে সে কয়েকদিন ধরেই অনেক বেশি ডিপ্রেশনে ছিল হঠাৎ করে এভাবে ইরাকে দেখতে পেয়ে সে তো অনেক খুশি হয়ে যায় যাই হোক তারপর তারা ঘুরতে বের হয় তবে রাস্তার মধ্যে তাদের একটা স্কুল ফ্রেন্ডের সাথে দেখা হয়ে যায় আর সে তাদের স্কুল
রিইউনিয়নে যাচ্ছিল এজন্য সে সঙ্গে করে সুয়ার ইরাকেও নিয়ে যায় এখানে এসে তারা অনেক গল্প করে এদিকে আমরা জং নামের একটা মেয়েকে দেখতে পাই সেও তাদের স্কুলেই পড়তো তবে এখন সে অনেক নামি দামি একটা কোম্পানিতে কাজ করে তাছাড়া এই মেয়েটা আগে থেকেই সুকে পছন্দ করতো তাই সে সুকে দেখতে পেয়ে তার সাথে ফ্লাট করার চেষ্টা করে এবং সুকে একটা পানির বোতল ধরিয়ে দিয়ে সেটা খুলে দিতে বলে কিন্তু ইরা রাগ করবে ভেবে সু বোতলটাকে অন্য একজনকে দিয়ে বলে তুমি একটু খুলে দাও কারণ বাস্কেটবল খেলতে গিয়ে আমি আমার হাতে ব্যথা পেয়েছি এটা দেখে ইরা তো অনেক খুশি হয়ে যায়
যাই হোক এখানে পার্টি শেষ করে তারা ট্যাক্সিতে করে বাড়িতে যাচ্ছিল সবকিছু একদম ঠিকঠাকই চলছিল তখনই ইরার দাদুর সেক্রেটারি ইরাকে কল করে বলে তিনি তার দাদুর কথা মতো তার আশেপাশে সবার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করেছে এ কারণে তিনি ইরাকে সুয়ের থেকে দূরে থাকতে বলে কারণ শ্যান নামে এর একটা মেয়ের সাথে সু এর স্পেশাল একটা সম্পর্ক আছে এমনকি শিয়ান সুকে দেড় মিলিয়ন ডলার দিয়েছে এ অফিসে কাজ করার জন্য এ কথা শুনে ইরা তো হঠাৎ করেই চুপ হয়ে যায় আর গাড়ি থেকে নেমে সু এর সাথে কোন কথা না বলেই সোজা বাড়িতে চলে যায় এটা দেখে সু বুঝতে পারে না ইরা
তার উপর কেন রাগ করেছে যাই হোক পরের দিন শ্যান নামের ওই মেয়েটার সাথে ইরার রাস্তার মধ্যে দেখা হয়ে যায় তাই ইরা এখানে শ্যানকে জিজ্ঞাসা করে তার আর সুইর ভিতরে কি সম্ভব সম্পর্ক শ্যান তখন হেসে বলে আসলে আমাদের ভিতরে তেমন কোন সম্পর্কই নেই কিন্তু বাহিরের মানুষজন মনে করে আমার আর সুয়ের অ্যাফেয়ার চলছে এটা ঠিক যে আমি সুকে অনেক সাহায্য করেছি এমনকি সুও আমাকে অনেক সাহায্য করেছে এসব শোনার পর ইরা একটু শান্তি পায় আর ভাবে আমি শুধু শুধুই সুকে সন্দেহ করেছিলাম তারপর ইরা বাসায় ফিরে আসে সে যখন অফিসের রুলস দেখছিল তখন তার বেশ কিছু জায়গায় মনে হয়
যে এগুলো চেঞ্জ করতে হবে তারপর সে তার দাদুকে কল করে আর বলে আমি এসব কিছু চেঞ্জ করতে চাই তখন তার দাদু বলে একটা কোম্পানির কাছে এগুলো চেঞ্জ করা তেমন কোন ব্যাপার না কিন্তু এগুলো চেঞ্জ করা একজন কর্মচারীর অনেক বড় ব্যাপার আর তুমি তখন অফিসের কর্মচারী হিসেবে কাজ করছো আমার মনে হয় আমি কি বলতে চেয়েছি সেটা তুমি বুঝতে পেরেছ আর এখানে একটা বিষয় আপনাদেরকে বলে রাখছি ইরা যখন তার দাদুর সাথে চ্যালেঞ্জটা করেছিল তখন সে তার দাদুকে বলেছিল এখানে থাকা কালীন কোন রকম সাহায্যই তার দাদু করবে না তবে সে তার দাদুর কাছ থেকে তিনটা উইশ চেয়ে নিয়েছিল
যাতে করে সে প্রয়োজন মতো তার দাদুকে কাজে লাগাতে পারে আর এখানে নিয়ে সে তার একটা উইশ কাজে লাগিয়ে দেয় অর্থাৎ সে তার প্রথম উইশ হিসেবে এর রুলস গুলো চেঞ্জ করে নেয় তারপর সবার কাছে মেইল চলে আসে যে তোমাদের এই রুলস গুলো চেঞ্জ করা হয়েছে আর এজন্য তোমরা এসব বেনিফিট গুলো পাবে এখানে ইরার নামটাও লেখা ছিল যে ইরার অফার করার কারণেই প্রপোজালটা এক্সেপ্ট করা হয়েছে তখন সবাই ভাবে এই ইরাটা আসলে কে হেডকোয়ার্টারে কারো না কারো সাথে তার তো অবশ্যই কানেকশন আছে যার কারণে পুরো রুলসের উপর রাতারাতি এমন চেঞ্জ আনতে পেরেছে তারপর ইরা শুনতে পায় ইন তার
বন্ধুদের কাছে এসে সুয়ের নামে কথা বলছিল এখানে তারা বলে ইরার ক্ষমতার ব্যাপারে সুই অবশ্যই আগে থেকেই জানতো তা না হলে সে কখনোই কাউকে কোন পাত্তা দেয় না অথচ ইরার সঙ্গে তার সম্পর্ক কতই না ভালো তাছাড়া ইনসুকে আগে পছন্দ করতো কিন্তু এখন সে বলে এই একটা হ্যান্ডসাম ফিস ছাড়া তার কাছে আর কিবা আছে না আছে টাকা পয়সা না আছে বাড়ি গাড়ি তাছাড়া হেডকোয়ার্টারের সাথে তার ভালো কোন কানেকশনও নেই যে সে প্রমোশন নিতে পারবে এখানে সে আরো বলে ওর থেকে ভালো হয় ক্যাফেটিয়ারে একটা হ্যান্ডসাম ছেলে এসেছে এটা বলে সে কফি কেনার বাহানা দিয়ে ওই ছেলেটার সাথে ফ্ল্যাট
করার জন্য চলে যায় এদিকে ইরা তো এসব কিছু শুনে ইনের উপর অনেকটাই রেগে যায় যায় এ কারণে ইরা অফিসের ভিতরে এসে টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টের সবাইকে বলে যে কে ফ্রিতে কফি খাবে তখনই সবাই অর্ডার দেয় এদিকে ইন এই ছেলেটার সাথে কথা বলছিল তখনই ইরাই সেই ইনের সাথে এমন ভাবে কথা বলে যেন সে ইনের অনেক ভালো বান্ধবী তারপর এই ছেলেটা বলে তোমরা যখন সবাই ইনের বন্ধু এ কারণে আমি সবাইকে কফিতে 20% ডিসকাউন্ট দিব তখন ইরা সবার করা অর্ডার এক সিরিয়ালে বলতে শুরু করে দেয় আর ইনের নামে বিল করে দিয়ে চলে যায় এদিকে ইন বেচারি এই ছেলেটার সামনে রাগও
দেখাতে পারছিল না যার কারণে বাধ্য হয়ে তাকে বিলগুলো পেমেন্ট করতে হয় যাই হোক এদিকে ইরার সঙ্গে সু ছিল সু ইরার এরকম ব্যবহার দেখে হেসে ফেলে আর বলে ইন নিশ্চয়ই আগে ইরার সঙ্গে কিছু করেছে তাই এখন ইরা ইনের সঙ্গে এমনটা করেছে তখন ইরা বলে তোমার নামে যে খারাপ কথা বলবে তার অবস্থা আমি এরকমই করে ছাড়বো তারপর দেখা যায় কাজ শেষ সবাই বাড়ি চলে যায় সুয়ার ইরা তাদের কিছু কাজের জন্য অফিসে থেকে যায় তারপর রাতের বেলা কিছু সময়ের জন্য ফ্রেশ হাওয়া নিতে তারা দুজনেই বাহিরে আসে এখানে তারা অনেকক্ষণ গল্প করতে থাকে তারপর সুই ইরাকে ফোনে কিছু দেখাতে
গিয়ে ভুলবসত তাদের কিস হয়ে যায় যার ফলে তারা দুজনেই অনেক বেশি লজ্জায় পড়ে যায় তারপর বাসায় এসে তাদের দুজনের ভিতরে কেউই ঠিকভাবে ঘুমাতে পারছিল না পরের দিন কাজে এসে ইরা সুকে ফেস করতে পারছিল না যাই হোক এদিকে ইউজিন এসে সুকে বলে সকালে লেডিস টয়লেট থেকে একটা ক্যামেরা পাওয়া গিয়েছে এমন কাজ কে করেছে এসব বিষয়ে এখনো কিছুই জানা যায়নি তবে ইন বলেছে এটা নাকি নিশির কাজ তখনই সু দেখে ইরা না জেনেই লেডিস টয়লেটে চলে যাচ্ছে এই কারণে সে ইরাকে তাড়াতাড়ি করে আটকায় আর এরকম করে ধরে ছেলেদের টয়লেটে পাঠিয়ে দেয় তারপর সু ফুটেজ চেক করার জন্য আসে
যে কে এমন একটা কাজ করেছে আর সে নিশির জিনিসপত্র চেক করে যে সে সত্যি এ কাজটা করেছে কিনা এখানে নিশির কাছ থেকে তেমন কিছুই পাওয়া যায় না তবে তার ল্যাপটপ থেকে শ্যানের একটা ছবি পাওয়া যায় যেটা সে শ্যানকে না জানিয়ে তুলেছিল এদিকে গাও আবার নিশিকে পছন্দ করতো তাই এটা দেখে গাও নিশিকে তো একটি ঘুষি মারে তার পিছনে ইরাও ছিল যার ফলে ইরা পড়ে যায় আর তার মাথায় আঘাত লাগার কারণে একদম অজ্ঞান হয়ে যায় তখনই ইসু দৌড়ে এসে তাকে হসপিটালে নিয়ে যেতে থাকে এদিকে শ্যাম গাওরে পড়ে অনেক রাগ দেখিয়ে বলে কোন কাজ করার আগে সে একবারও
ভাবে না কেন অন্যদিকে দেখা যায় সু ইরার অনেক যত্ন নেয় ডক্টরের সাথে টাইম টু টাইম যোগাযোগ করা থেকে শুরু করে ইরাকে ওষুধ খাওয়ানো এমনকি ইরার ফেভারিট কেকও সে অনেক দূর থেকে কিনে নিয়ে আসে সুকে এসব কিছু করতে দেখে তার পাশের বেডের মেয়েগুলো বলে ইরা কোথায় থেকে সুকে পেয়েছে কারণ এমনিতে তো সু দেখতে অনেক হ্যান্ডসাম তার উপরে সে অনেক বেশি যত্নবান এরকম বয়ফ্রেন্ড তো যেকোনো মেয়ের স্বপ্ন ঠিক তখনই সু এর ফোনে শ্যানের কল আসে আর এটা দেখে ইরার একদমই ভালো লাগে না এরপর থেকে সুয়ের সাথে তার ব্যবহারটাই চেঞ্জ হয়ে যায় এদিকে টিমের অন্যান্য মেম্বাররা তাকে দেখতে
আসলে সে তাদের সবার সাথে খুব ভালোভাবেই কথা বলে তবে সুয়ের সাথে এখন আর সে ভালোভাবে কথা বলছিল না এমনকি সে সুকে বাড়িতেও চলে যেতে বলে কিন্তু তবু সুয়না সে এখানে বসে বসে তার পুরনো দিনের কিছু কথা ভাবতে থাকে যেখানে আমরা দেখতে পাই আসলে ইরা আগে সুকে পছন্দ করেনি বরং সুই ইরাকে পছন্দ করেছিল কিন্তু সু এর অনেক বড় ফ্যামিলি প্রবলেম ছিল বিজনেসে লস হয়ে যাওয়ায় তার বাবার অনেক টাকা ঋণ হয়ে যায় পাওনাদারদের থেকে বাঁচার জন্য তার বাবা ছয় মাস পর পর তাদের বাসা চেঞ্জ করতো এমনকি সুতো ছোটবেলা থেকে পার্টটাইম জব করে নিজের খরচ এমনকি বাবার ঋণও
কিছুটা পরিশোধ করে তাই স্কুলে ইরা প্রথমে তার সাথে মিশতে চাইলে সু বন্ধুত্ব করতে চায়নি কিন্তু মনকে কি আর জোর করে বেঁধে রাখা যায় ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে খুব ভালো একটা বন্ধুত্ব হয়ে যায় আর ইরার জন্মদিনও সে যাবে ভেবেছিল কিন্তু সেদিনই তার বাবা তাকে তার সাথে অন্য কোথাও ট্রান্সফার হয়ে যাওয়ার কথা বলে যার কারণে সে ইরার জন্মদিনে যাবে না বলে তাকে না করে দেয় যাই হোক কাহিনী আবারো বর্তমানে চলে আসে এবার সুয়ার কোনভাবেই ইরার সাথে সম্পর্কটা নষ্ট করতে চাইছিল না তাই ইরা বাহিরে সেই ইরাকে প্রপোজাল করে দেয় ইরা বলে আমি আটটার কিক নয়টায় ডেলিভারি হলে সেটাই
খাই না আর 16 বছর বয়সে যা চাইতাম এখন কি আমি 26 বছর বয়সে সেটা একসেপ্ট করবো এরকম ভাবে রিজেক্ট হয়ে সু অনেক কষ্ট পায় এদিকে ইরাও কষ্ট পেতে থাকে তারপর দেখানো হয় ওই লেডিস টয়লেটে ক্যামেরা বসানোর বিষয় নিয়ে তদন্ত করার জন্য সবার কাছ থেকে নিশির ব্যাপারে স্টেটমেন্ট নেওয়া হচ্ছিল তখনই পুলিশের কাছে কল আসে যে অন্য আরেকটা সিসি ফুটেজ থেকে জানা গিয়েছে ওই ক্যামেরাটা আসলে নিশি লাগায়নি ওইটা আরেকজন কর্মচারী লাগিয়েছিল এই কারণে নিশিকে এ ঝামেলায় আর জড়ানো হয় না তারপর গাও আসে নিশির কাছে ক্ষমা চাইতে আর সে বলে তুমি শ্যানের ছবিটাও ডিলিট করে দিও কিন্তু নিশি
তার সরিটা একসেপ্ট করে নিলেও শ্যানের ছবিটা ডিলিট করতে মানা করে দেয় আর সে গাউকে বলে শ্যান তোমাকে সত্যিকারে ভালোবাসে না কারণ তুমি যেরকম বাচ্চাদের মত ব্যবহার করো এরকম ছেলেদেরকে কেউই পছন্দ করবে না আর শ্যানের মত এত ম্যাচিউর একটা মেয়ে তো কখনোই পছন্দ করবে না একথায় গাও তো অনেক রেগে যায় আর সে আবারো মারামারি শুরু করে দেয় তখনই সেখানে শিয়ান এসে গাউকে সাইডে নিয়ে এসে তার সাথে সত্যি সত্যি ব্রেকআপ করে নেয় তারপর আমরা দেখি নিশি আর লি একই লিফটে ওঠে এখানে লি বলে যে সব রেডি তো নিশি বলে সব রেডি এখানে তারা একটা প্রজেক্ট নষ্ট করার
ব্যাপারেই কথা বলছিল যেটা টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টের কাজ চলছে আর এখন তারা এগুলো কেন নষ্ট করতে চায় তার কারণ হলো জাতীয় কোম্পানির কম হয় অর্থাৎ এ কোম্পানির এমন দুর্দর্শা তাদের জন্যই হয়েছে এখন এগুলোতে তাদের কি লাভ তা আমরা একটু পরেই জানতে পারবো এদিকে আমরা দেখতে পাই সুয়ার ইরা এ প্রজেক্টের জন্য কাজ করতে এসেছে তাই তাদের ভিতরে যত ভালো লাগা খারাপ লাগা থাকুক না কেন তাদেরকে একসঙ্গে কাজ করতেই হবে আর এখানে এসে কাজ করতে করতে তাদের ভিতরে আবারো সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যায় তারপর তারা প্রজেক্টটা কমপ্লিট করে কিছুক্ষণ পর ইরা যখন ফোনে একটা ইম্পর্টেন্ট বিষয়ে কথা কথা বলছিল তখনই
নিশি প্রজেক্টর ফ্যাক্টরিতে পাঠাবার জন্য সাইন করাতে আসে ইরা প্রথমে সাইন করতে চায় না কারণ সে ফোন রেখে পরে ভালোভাবে চেক করে সাইন করবে ভেবেছিল কিন্তু নিশির তাড়াহুড়ার কারণে সে তাড়াতাড়ি করে ফাইল চেক না করেই সাইন করে দেয় তারপর নিশি প্রজেক্টটা ফ্যাক্টরিতে পাঠিয়ে দেয় আর এটার মেইল ইরাকে পাঠিয়ে দেয় বাইরে এসে ইরাচুকে বলে এতদিন ধরে এ প্রজেক্টের কাজে আমি অনেক ব্যস্ত ছিলাম এখন ফাইনালি প্রজেক্টটা ফ্যাক্টরিতে পাঠানো হয়েছে হলো এজন্য আমি কিছুদিনের জন্য রেস্ট নিতে চাই তখন সু বলে প্রজেক্ট আবার কখন ফ্যাক্টরিতে পাঠানো হলো এ বিষয়ে তো আমি কিছুই জানিনা আর আমার কাছে তো কোন মেইলও আসেনি
তখন তারা গিয়ে ইরার মেইলটা চেক করে দেখতে পায় তারা যে প্রজেক্টটা করেছে তার 13 ভার্সন ফ্যাক্টরিতে পাঠানো হয়েছে যেখানে তারা 18 ভার্সন তৈরি করেছে তারপর তারা ফ্যাক্টরিতে যোগাযোগ করে 13 ভার্সনটাকে ডিলিট করতে বলে আর 18 ভার্সনটাকে পাঠিয়ে দেয় পরের দিন ইরান নিশিকে ধরে নিশি বলে আমাকে এসব বলে কি লাভ তুমি তো নিজেই প্রজেক্টটা সাইন করে দিয়েছিলে তারপর ইরা সুয়ের কাছে এসে বলে এই খবর যদি কোম্পানির সবাই জেনে যায় তাহলে ইরার চাকরিটা বোধহয় আর থাকবে না কারণ সে নিজেই সাইন করে দিয়েছিল যাই হোক এবার ইরা তার দাদুর সাথে কথা বলে নিশিকে টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্ট থেকে ট্রান্সফার করিয়ে
দেওয়ার কথা বলে এজন্য পরের দিন ইরাকে লিডার থেকে ডিরেক্টরের পদে প্রমোশন দেওয়া হয় আর ইরা তখনই নিশিকে ট্রান্সফার করার কথা কথা বলে আর এখানে লিও কিছু করতে পারে না তারপর ইরা তার ফ্রেন্ডের বিয়েতে আসে সুও তার সাথে এখানে আসে সে বরপক্ষ থেকে এসেছে আর ইরা বরপক্ষ কনে পক্ষ দুই পক্ষ থেকে এসেছিল এখানে ইরা তার ফ্রেন্ডকে জিজ্ঞাসা করে যে ছেলের সাথে তোমার বিয়ে হচ্ছে সে আগে দুই একটা রিলেশনে ছিল এতে কি তোমার কোন আপত্তি নেই ইরার ফ্রেন্ড তখন বলে যা হয়ে গিয়েছে সেগুলো আগে হয়েছে এখন তো সে আর তাদের সঙ্গে কোন যোগাযোগ রাখেনি তখন ইরাও মনে
মনে ভাবে সু আর শ্যানের আগে যাই হয়ে থাকুক না কেন এখন আমার সবকিছু ভুলে সুকে একসেপ্ট করে নেওয়া উচিত এদিকে সিন সুকে ফোন করে বলে তোমাদের কম্পিটিশনটা সাংহাইতেই হবে এজন্য সু আর ইরা ফিরে না গিয়ে সাংহাই থাকবে বলে ঠিক করে তবে ইরা বাড়িতে যায় না কারণ সে তার দাদুকে জানাতে চাইছিল না যে সে এ কম্পিটিশনে পার্টিসিপেট করেছে এজন্য সে তার বাড়িতে না গিয়ে সুয়ের সঙ্গে সুয়ের বাড়িতে চলে যায় এখানে তারা জিনিসপত্র রাখতে গিয়ে একসময় অনেক অনেক বেশি ক্লোজ হয়ে পড়ে যার ফলে একটা রোমান্টিক সিচুয়েশন ক্রিয়েট হয় তখনই সুয়ের ভাই চলে আসে তারপর তারা তিনজনে এ
বাড়িতে অনেক মজা করে আনন্দেই দিন কাটায় এদিকে সুয়ের পাকনা ভাই ইরাকে তার ভাইয়ের জন্য যোগ্য কিনা পরীক্ষা করছিল সে এখানে ইরাকে বলে আমার ভাই এ দুনিয়ার সবাইকে পছন্দ করলেও তোমাকে করবে না ইরাও তখন দুষ্টুমি করে বলে তোমার ভাই যদি আমাকে পছন্দ করে ফেলে তখন কি হবে তাহলে কিন্তু আমি তোমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিব এদিকে ইরার প্রতি তার ভাইয়ের এত কেয়ার দেখে সে ভাবে আমাকে কি সত্যি ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে হবে যাই হোক তারপর আমাদেরকে কম্পিটিশনের দিন দেখানো হয় যার জন্য সু ইরা আর সিন এতদিন ধরে লুকিয়ে লুকিয়ে তৈরি হচ্ছিল এখানে অনেক বড় বড় কোম্পানিও
আছে আর একমাত্র ইরাদেরই কোন কোম্পানি ছিল না এজন্য তারা সিনের নামের একটা কোম্পানি খুলেছে আর এটা হলো সত্যিকারের টেকনোলজি কোম্পানি এই কোম্পানির ফকির মালিক সিন এখানে ফ্রিতে স্নেক পেয়ে এই গুলো নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে এদিকে সু আর ইরা তার এসব কর্মকাণ্ড দেখে হাসাহাসি করছিল তারপর ইরার সাথে তার স্কুলের আরেকটা ফ্রেন্ডের দেখা হয়ে যায় যার নাম ছিল ফাং সে একটা ফেমাস কোম্পানিতে রিপ্রেজেন্ট করতে এসেছিল এখানে সে ইরাকে বলে তুমি হার মেনে নাও কারণ এবার আমরাই চ্যাম্পিয়ন হব ইরা তখন হেসে বলে এসব এখন কিছুই বলা যাবে না কারণ তোমাদের থেকেও একজন এক্সপার্ট লোক আমার কাছে আছে অর্থাৎ
সে এখানে সুই এর কথাই বলছিল তখনই সেখানে সু চলে আসে ফাং একসময় সু এর খুব ভালো বন্ধু ছিল কিন্তু এখন সে সু এর সাথে হাত মিলাতে গেলে সু তার সাথে হাত মিলায় না বরং তার থেকে ইরাকে সরিয়ে নেয় তারপর সে ফাং এর সাথে ভদ্রভাবে কথা বলে কিন্তু তাদের দুজনের এক্সপ্রেশন থেকে বোঝা যায় যে মুখের খাতিরে সে ফাং এর সাথে কথা বললেও পার্সোনালি সে ফাং এর থেকে দূরেই থাকতে চায় এদিকে ফাংকে দেখেও মনে হয় সে কিছু একটা করেছিল যেটা তার করা উচিত হয়নি তারপর কম্পিটিশন শুরু হয় আর এখানে হলো ড্রাইভার ছাড়া গাড়ি কতটা সঠিক ভাবে চলে
এখানে আমরা দেখি অনেকের গাড়ি রেড লাইট দেখে দাঁড়ায় না আবার অনেকের গাড়ি পথ সারিকে ধাক্কা দিয়ে দেয় তবে ফাং এর গাড়ি সবকিছুই ভালোভাবে করে কিন্তু মূর্খ রাতে গিয়ে তার গাড়িটাও একটু মিস্টেক করে ফেলে তাছাড়া ফাং সুকে খুব ভালোভাবেই চিনে এমনকি সে জানে সু আছে মানে এই কম্পিটিশনে সে আর জিততে পারবে না এই কারণে সে বাহিরে চলে যায় তার এভাবে বেরিয়ে যাওয়াটা ইরা দেখতে পায় কিন্তু যেহেতু তাদের গাড়ি এখন চলবে এজন্য ইরার সেখানে তেমন একটা গুরুত্ব দিতে পারে না তারপর আমরা দেখি তাদের গাড়ি সমস্ত বাধা অতিক্রম করে খুব ভালোভাবেই আসছিল তখনই ফান ফিরে আসে আর সে
ফিরে আসতেই তাদের গাড়ির স্পিড একদম কমে যায় এদিকে সু মনে করে যে এটি ইন্টারনেটের সমস্যার কারণে হচ্ছে আর যখন তারা ভাবে এবার তারা হাঁটতেই চলেছে তখনই তাদের গাড়ি আবারো স্বাভাবিক হতে থাকে আর তারা তাদের রেস্টটা কমপ্লিট করে ফেলে অন্যদিকে ইরা জানতে চাইলে সু বলে যে আমি আগে থেকেই প্ল্যান বি করে রেখেছিলাম যাতে করে আমি প্রয়োজনে সেটা কাজে লাগাতে পারি তখনই সিন আবার ইরাকে বলে এরকম একটা কম্পিটিশনে ইন্টারনেটের সমস্যা হওয়ার কথা না তাহলে এমনটা হলো কেন সিনের কথাটা শুনে ইরার মনে পড়ে যে কম্পিটিশন চলার সময় ফান একবার বাইরে গিয়েছিল আর সে একটা লোকের কাছ থেকে কিছু
একটা নিয়েছিল এমনকি সে ফিরে আসার পরই তাদের এই ইন্টারনেটের সমস্যাটা শুরু হয়েছিল এখানে ইরা যখন এই ব্যাপারটা কে বলে তখন সিন বলে আবারো ফান অর্থাৎ সে কিছু একটা জানে তখন ইরা তাকে সবকিছু খুলে বলার জন্য বললে সিন তাদের পুরনো দিনের একটা ঘটনা বলে ওই সময় তারা চারজন ফান সু সিন আর গু নামের সবাই এক জায়গায় কাজ করতো এমনকি তারা চারজন একই হোস্টেলে থাকতো তাদের মাঝে সু খুব ভালো করতো বলে সে গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করার আগেই তার কাছে খুব বড় একটা কোম্পানি থেকে অফার আসে তারপর যখন সুই কোম্পানির সাথে কথা বলছিল তখন এরা তিন জন খেলার ছলে
ওই সিমহাম কোম্পানিকে হ্যাক করে ফেলে ফান এখানে তার নিজের কম্পিউটার থেকে হ্যাক না করে সু এর কম্পিউটার থেকে হ্যাক করে তারপর সু হোস্টেলে ফিরে আসে তবে সে কিছুই বুঝতে পারে না এ কারণে তখন আর তার কিছুই হয় না কিন্তু কিছুদিন পর শ্যানকে পাঠানো হয় আর বলা হয় ফান বাদে তিনজনের নামে লিগেল অ্যাকশন নেওয়া হবে কারণ তারা অনেক বড় একটা কোম্পানিকে হ্যাক করেছে এখানে সুতো কিছুই বুঝতে পারছিল না তখনই পুরো ঘটনাটা জেনে সে ফানের এর উপর অনেক রেগে যায় কারণ এসব কিছু ফানেরই প্ল্যান ছিল তারপর সেনসুকে বলে তোমাকে দুই মিলিয়ন টাকা দিতে হবে তা না হলে
তোমার বিরুদ্ধে লিগেল অ্যাকশন নেওয়া হবে আর তোমার অন্য আরেকটা রাস্তা হলো তোমাকে দুই মিলিয়ন টাকা দিতে হবে না তার বদলে ইউলিনে যোগ দিতে হবে কিন্তু সুতেই ইউলিন কোম্পানিতে যোগ হতে চাইছিল না সে বলে কোম্পানির যে সিকিউরিটি আছে সেটা আরো মজবুত করে দেওয়া হবে আর আমরা দুই মিলিয়ন টাকাও দিয়ে দিব তারপর সে ফানের সাথে কথা বলার জন্য আসে কিন্তু ফান বলে আমি দুই মিলিয়ন টাকা জোগাড় করব আর তোমরা বাকি তিনজন মিলে কোম্পানির সিকিউরিটিকে আরো স্ট্রং করে দিবে এই কাজ করার জন্য তাদেরকে এক সপ্তাহ টাইম দেওয়া হয়েছিল তারা কোম্পানির সিকিউরিটি মজবুত করে ফেলে কিন্তু এক সপ্তাহ পরে
ফানের কোন খোঁজ পাওয়া যায় না ফানকে অনেকবার ফোন করা হলে ফানের বাবা ফোন ধরে বলে যে আমার ছেলেকে এই ঝামেলার মধ্যে জড়ানো বন্ধ করো যা দোষ সব তোমাদের এমনকি আমি ফানকে বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছি তখন থেকে তাদের তিনজনের ফানের উপর রাগ ছিল কারণ এ সবকিছু ফানেরই পরিকল্পনা ছিল অথচ সেই তাদেরকে ধোঁকা দিয়ে চলে গিয়েছিল যাই হোক তারপর সু তাদের প্রফেসরকে গিয়ে বলে যে আমার দুই মিলিয়ন টাকা লাগবে প্রফেসর আর সু কোনভাবে দুই মিলিয়ন টাকা ব্যবস্থা করে সু এর বাবার কাছে রাখে তারপর যখন সে তার বাবার কাছে টাকার জন্য ফোন করে তখন তার বাবা বলে আমি একটা
ব্যবসার কাজে এই টাকাটা খরচ করে ফেলেছি এজন্য আমি এখন তোমাকে টাকাটা দিতে পারবো না আমার কাছে যখনই টাকা হবে তখন আমি তোমাকে টাকাটা ফেরত দিয়ে দিব তারপর আমরা জানতে পারি তার বাবা টাকাটা ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারে না এই কারণে পুরো টাকাটাই লস হয়ে যায় এই বিষয়টা নিয়ে সুয়ের অনেক মন খারাপ হয় কারণ তারা অনেক কষ্ট করে টাকাগুলো ম্যানেজ করেছিল অন্যদিকে শ্যান দুই মিলিয়ন টাকা তাদের হয়ে দিয়ে দেয় এই কারণে ওই হ্যাক হওয়া কোম্পানি তাদের বিরুদ্ধে আর কোন অ্যাকশন নেয় না কিন্তু এর বদলে তাকে ইউলিনে কাজ করতে হয় বর্তমানে সিন ইরাকে বলে যে এত বছর হয়ে
গেল সবারই সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে গেল কিন্তু সু এখনো ইউলনের মতো একটা ডুবতে বসা কোম্পানিতেই পড়ে আছে অর্থাৎ সবারই সবকিছু ঠিক আছে যা ক্ষতি হওয়ার তা সুয়ের হয়েছে ইরা এখানে এসব কিছু জানার পর ফানের সাথে দেখা করে এমনকি সে ফানকে বলে তুমি কম্পিটিশনের চিটিং করেছো এখন তুমি নিজে গিয়ে যদি ধরা না দাও তাহলে আমি গিয়ে কমিউনিটিকে বলে দিব কারণ সুবকিছু জানলেও কিছুই বলবে না এখানে ফান ইরাকে সরি বলে তখন ইরা আরো রেগে যায় সে সিনের বলা কথাগুলো থেকে বলে তুমি আগেও যেমন দায়িত্বহীন ছিলে এখনো একই আছো তুমি এত বড় একটা ভুল করেও শুধুমাত্র সরি বলেই পার
পেতে চাইছো ইরা এখানে তাকে অনেকগুলো কথা শুনিয়ে চলে যায় অন্যদিকে কম্পিটিশনে ফানরা প্রথমে উইনার হয় আর সুরা হয় সেকেন্ড তবে ফানের এই চিটিং এর ব্যাপারে সবকিছু ধরা পড়ে গেলে তারা এলিমিনেটেড হয়ে যায় তারপর ইরারা যখন বাহিরে আসে তখন ইরার দাদুর গাড়ি তাদের সামনে চলে আসে এইজন্য ইরা সুয়ের পিছনে লুকিয়ে যায় তারপর ইরার দাদু তার সাথে একা কথা বলে সে তার আর সুয়ের সম্পর্ক নিয়ে জিজ্ঞাসা করে ইরা বলে আমরা শুধু বন্ধু তার দাদু বলে এটাই যেন হয় সে আর যার সাথেই হোক না কেন সুয়ের সাথে যেন কোন রকম রিলেশনে না যায় কারণ তার দাদু ও সু
আর সেনের ব্যাপারে শুনেছে এদিকে সু তো আর জানে না যে ইরাই হলো তার কোম্পানির চেয়ারম্যানের নাতনী সেভাবে এ কম্পিটিশনে জয়েন করার জন্য চেয়ারম্যান হয়তোবা ইরাকে বকাবকি করবে কিন্তু সে যখন ইরাকে রিলাক্স দেখতে পায় তখন সে নিজেও অনেকটা শান্তি পায় তারপরের দিন সে ইরাকে একা পাঠিয়ে দেয় আর নিজে যায় অন্য একটা কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করতে কারণ ইরাদের কোম্পানির সাথে তার কন্ট্রাক্ট শেষ হলে সে ওই কোম্পানির সাথে কাজ করতে চায় সে মনে করে ইরার দায়িত্ব নিতে হলে তার একটা পাকাপোক্ত ভালো জব দরকার যেটা ইউলিয়ন মানে ইরার কোম্পানি তাকে দিতে পারবে না তারপর সে শ্যানের সাথে দেখা করার
জন্য আসে এখানে শ্যান অন্য কোম্পানিতে যাওয়ার খবর পেয়ে অনেক খুশি হয় আর বলে আমি নিজেকে এতদিন পর্যন্ত দোষী মনে করি পারতাম কারণ আমার মনে হতো তোমার মত একজন ট্যালেন্টেড মানুষকে ইউলিনে ঢুকিয়ে আমি খুব বড় অন্যায় করেছি তবে সু বলে যা হয় ভালোর জন্যই হয় যদি আমি ইউলিনে না যেতাম তাহলে হয়তোবা কখনোই আর ইরার সাথে আমার দেখা হতো না ইরার কথা শুনে শ্যান বলে ইরার মা হলো আমার প্রফেসর তার মা তার সারাটা জীবন স্যাটেলাইট নিয়ে কাটিয়ে দিয়েছে সে কখনো ইরাকে ভালোভাবে সময় দেয়নি এমনকি এসব কাজ নিয়ে ইরার বাবার সাথেও তার ঝগড়া হতো তাছাড়া তার বাবাও তার
নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতো ফলে ইরা ছোটবেলায় একা হয়ে গিয়েছিল তারপর একদিন ইরা একটা ছবি একে আমাদের সবাইকে দেখায় যেখানে তার মা একটা স্যাটেলাইট ধরে আছে আর ইরা নিজেকে একেছিল অনেক ছোট করে একটা কোনায় শ্যান আরো বলে প্রথমে তার এই ছবিটা দেখে আমরা কিছুই বুঝতে পারিনি তাই আমরা সেটাকে খুব নরমাল একটা ছবি ভেবেছিলাম কিন্তু তারপরে ওইটার পিছনে একটা লেখা আমার নজরে আসে যেখানে ইরা লিখেছিল কত ভালো হতো যদি আমি ওই স্যাটেলাইটটা হতে পারতাম এসব শুনে সু বুঝতে পারে ইরা শুধু তার প্রিয়জন থেকে একটু এটেনশন আর ভালোবাসা ছাড়া কিছুই চায় না যাই হোক এবার সে ইরাকে
কল করে আর একটা ম্যাপ পাঠায় ইরা দেখতে পায় সু এখন তার থেকে অনেকটাই দূরে চলে গিয়েছে তখন সু বলে তোমার থেকে আমি যতই দূরে থাকি না কেন যতক্ষণ না পর্যন্ত আমরা একই আকাশে নিচে আছি যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা একই আকাশে নিচে আছি ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কেউই একা না তারপর সেই ইরাকে আরো একবার প্রপোজাল করে এত সুন্দর রোমান্টিক একটা প্রপোজাল পেয়ে ইরা তো খুবই ইমোশনাল হয়ে যায় আর সে এখানেই তাকে হ্যাঁ বলে দেয় কিন্তু এ হ্যাঁ শোনাটা সু এর ভাগ্যে ছিল না কারণ হঠাৎ করেই তার ইয়ারফোনের চার্জ শেষ হয়ে যায় তারপর আমাদেরকে ইউলিনের একটা প্রজেক্ট লঞ্চ করার
দৃশ্য দেখানো হয় এখানে ইরা আর সু দুজনেই খুব সুন্দর বা বেশি ছিল ইরা তার একটা ফ্রেন্ড কর্মাকেও এখানে ইনভাইট করেছে কর্মা হলো একজন লাইভ স্ট্রিমার সে ক্রসফায়ার গেম খেলে লাইভ করে এবার প্রথম তাদের লিডার এসে বক্তৃতা দেয় এদিকে কর্মার এজেন্সি লাইফ শুরু করে দেয় তারা যখন সুকে ক্যামেরায় দেখায় তখন কর্মার সব অডিয়েন্স সুকে নিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর কমেন্ট করতে থাকে তারা ভুলেই যায় যে এটা কর্মার লাইফ এই বিষয়টা নিয়ে কর্মা একটু জেলাস ফুল করে এজন্য সে এটা নিয়ে ইরার সাথে কথা বলার জন্য যায় এদিকে ইরা যখন তার কাজ নিয়ে কথা বলছিল তখনই একজন স্টাফ এসে
তাকে কিছু কাজের জন্য একটা জায়গায় যেতে বলে সেখানে এসে ইরা কর্মাকে দেখতে পায় তারপর বাহির থেকে কেউ একজন তাদেরকে লক করে দেয় ফলে ইরার কর্মা ভিতরে আটকে যায় তবে আজকের এই অনুষ্ঠানে ইরাই ছিল মেইন হোস্ট তাই লি ইচ্ছা করেই ইরাকে এই রুমে বন্দি করে দিয়েছে যাতে ইরা বেরোতে না পারে অন্যদিকে ইরা আর কর্মাকে গায়েব দেখে সবাই তাদেরকে খুঁজতে শুরু করে দেয় কিছুতেই তাদেরকে না পাওয়া গেলে কর্মার বদলে সুম খেলার জন্য বসে পড়ে আর এখান থেকে আমরা জানতে পারি সু আগে গেম খেলতো তার গেমের আইডির নাম হলো ডন সে একসময় খুব ফেমাস ছিল এমনকি সে সবসময়
টপে থাকতো কিন্তু গত কয়েক বছর সে আর গেম খেলে না আর সে কেন গেম খেলা ছেড়ে দিয়েছিল এটা আমরা একটু পরেই জানতে পারবো এদিকে ইরা খুঁজতে খুঁজতে একটা ড্রিল মেশিন পেয়ে যায় আর ওইটা দিয়েই সে দরজা ভেঙে বেরিয়ে পড়ে তারপর সে গেমের এখানে এসে সুকে ডন হিসেবে দেখতে পায় আর এখানে সে তাকে ডন হিসেবে দেখে একদমই খুশি হয় না আর এর কারণটাও তোমরা একটু পরেই জানতে পারবে কিছুক্ষণ পর সু তার গেম খেলা শেষ করে তারপর সে যখন ইরার কাছে আসে তখন ইরা তাকে রীতিমত ইগনোর করে তারপর সে তার হোস্টিং এর কাজ শেষ করে সবকিছু শেষ
করে তারা যখন ফিরছিল তখন তাদের কেউই কারো সাথে কথা বলে না আর এখানে আমরা দেখতে পাই কেন ইরা সুকে গেম খেলতে দেখে রাগ করেছে আসলে ইরা আর সু যখন কলেজে পড়তো তখন সু তার বন্ধুদের থেকে এক ক্রসফায়ার গেমটা শিখেছিল কিছুদিনের ভিতরেই সে এই গেমের টপে চলে গিয়েছিল তার গেমের আইডি ছিল ডন অন্যদিকে ইরাও ওই গেমটা খেলতো তবে সে সুইয়ের মতো এত ভালো ছিল না তারপর সে আর ইরা বেশ কয়েকবার একসঙ্গে এই গেম খেলেছিল আর অনলাইন ফ্রেন্ড হয়ে গিয়েছিল এমনকি তারা দুজন অনলাইনে একজন আরেকজনের সঙ্গে অনেক কথাও বলতো এভাবে ইরার সু এর সাথে কথা বলতে এতটাই
ভালো লাগতো যে সুকে তার বয়ফ্রেন্ড হওয়ার জন্য বলেছিল আর এখানে আরেকটা কথা হলো সু কিন্তু ইরাকে আগে থেকেই চিনতো যে এইটা হলো ইরা এজন্য সে ইরার প্রপোজালটাও এক্সেপ্ট করে নেয় কিন্তু ইরা জানতো না যে এটা সু যাই হোক পরের দিন সুয়ের বাবা তার ভাইকে তার হোস্টেলে দিয়ে যায় আর তাকে জানায় যে আমি একটা ঝামেলায় পড়েছি এজন্য তুমি তোমার ভাইয়ের খেয়াল রেখো এখন ভাইকে নিয়ে সু অনেক বিপদে পড়ে যায় কারণ তার নিজের কলেজ আবার ভাইয়ের দেখাশোনা এগুলো তাকে অনেক ঝামেলায় ফেলে দেয় কিছুদিন পর আবার তার ভাইয়ের অনেক শরীর খারাপ হয় এসব কিছু নিয়ে সে অনেক বেশি
বিপদে পড়ে গিয়েছিল এ কারণে সে ইরার কল এবং মেসেজের কোন রিপ্লাই দিতে পারে না ফলে ইরা সুকে খোঁজার জন্য তার কলেজে চলে আসে কিন্তু এসময় সুয়ের নিজেকে খুবই ইউজলেস মনে হয় এমনকি তার মনে হয় সে ইরাকে কিছুই দিতে পারবে না ভালো রাখতে পারবে না তাই সে সিদ্ধান্ত নেয় ইরার সঙ্গে দেখা করবে না আর সে এসএমএস করে তাকে বলে দেয় যে আমি তোমার সাথে ব্রেকআপ করতে চাই আর এখান থেকে দৃশ্যটা বর্তমানে চলে আসে বর্তমানে সুকে ডন বলে জানতে পেরে ইরার অনেক রাগ হয় এখানে সু তো তাকে বুঝিয়ে বিষয়টা বলতে চায় যায় কিন্তু সে এখানে সুকে কিছুই
বলতে দেয় না গাড়ি থেকে নেমে সোজা বাড়িতে চলে যায় পরের দিন ইরা কোম্পানিতে এসে সুকে দেখতে পায় না তার প্রথমে মনে হয় সে আগের দিন রাগ করেছে বলে সুতো আসেনি কিন্তু পরে জানতে পারে সুকে ইনভেস্টিগেট করা হচ্ছে কারণ তাদের ওই কম্পিটিশনে পার্টিসিপেট করার ঘটনাটি লিক হয়ে গিয়েছে আর সু সমস্ত দোষ নিজের ঘাড়ে নিয়ে নিয়েছে এখানেই ইরা বুঝতে পারে এসব কিছু লিক করেছে আর লি এর টার্গেট হলো ইরা কিন্তু সু মাঝখানে ফেসে গিয়েছে এসব দেখে ইরা তার দাদুকে কল করে এটা আবার সু দেখে ফেলে আর বুঝতে পারে ইরা হলো তাদের চেয়ারম্যানের নাতনী তারপর ইরা তার দাদুর
কাছে আসে আর বলে আমিও তো ওই কম্পিটিশনে পার্টিসিপেট করেছিলাম তাহলে আমাকে কেন ইনভেস্টিগেশন করা হচ্ছে না তারপর ইরা তার দাদুকে দেখায় যে কয়েকদিন আগে যে প্রজেক্টটা লঞ্চ করা হয়েছিল সেটা সুয়ার তাদের গোটা টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্ট মিলে করেছে তার রেজাল্টও অনেকটাই পজিটিভ এসেছে অনেক নাম দামি কোম্পানি এ প্রজেক্টের জন্য ইউলিনকে অ্যাপ্রোচ করছে এসব দেখে সু এর উপর থেকে আরোপ করা কেসটা তুলে নেওয়া হয় তারপর এভাবে কয়েকটা দিন কেটে যায় ইরা সাংহাই থেকে যায় এ কারণে সু এর সাথে তার কোন রকমের দেখা হয় না এদিকে সু তাকে এসএমএস করতে চাইলেও করে না তারপর একদিন সে এসএমএস করেই ফেলে
যে ইরাকে সে অনেক মিস করছে তখন ইরা তার হেলিকপ্টারে করে তার ভাইয়ের সাথে ঘুরছিল এখানে ইরা যখন সুয়ের মেসেজ দেখে তখন সে তো সাথে সাথে সুয়ের কাছে ছুটে চলে আসে তবে এখানে এসে তার মনটা খারাপ হয়ে যায় কারণ সে শুনতে পায় সুই ইউন ছেড়ে চলে যাবে তখন সে আবারো রাগ করে চলে যায় তারপর সু ইরাকে নিয়ে একটি রুমে চলে আসে আর তাকে খুব রোমান্টিক ভাবে কিস করে এখানে সু আবারো ইরাকে প্রপোজাল করে এখানেও ইরা রাজি হয়ে যায় আর তারা নিজেদের মধ্যে কথা বলে সবকিছু ঠিক করে নেয় তারপর আমরা দেখি সু অন্য কোম্পানিতে যাওয়ার জন্য রেডি
এজন্য এই এক সপ্তাহ সে ইরাকে সময় দেয় সবসময় ইরার কাছাকাছি কাছেই থাকে তারপর সু তার নতুন কোম্পানিতে চলে আসে সু চলে যাওয়ার পর পুরো কোম্পানিটাই ফাঁকা ফাঁকা হয়ে যায় শুধু ইরা কেন গোটা টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টই মনমরা হয়ে যায় তবে সময়ের সাথে সাথে সবকিছু আবার ঠিকঠাকও হয়ে যায় এদিকে সু তার নতুন কোম্পানিতে জয়েন করে এই কোম্পানির সবাই খুবই ভালো ছিল আর সু যেহেতু অনেক ট্যালেন্টেড ছিল তাই তাকে সবাই ফ্রেন্ডলি ভাবে ওয়েলকাম করে সে এখানে এসেও অনেক হার্ড ওয়ার্ক করে দিন-রাত জেগে কাজ করে সবই ঠিকঠাক চলছিল তবে এর কিছুদিন পর ইউলিনে আবারো প্রবলেম দেখা দেয় এসব কিছু হ্যান্ডেল
করা ইরার জন্য একটু কষ্টকর হয়ে যাচ্ছিল তাই সে সাংহাইতে সু এর কাছে চলে আসে সু তাকে দেখে বুঝতে পারে কিছু একটা হয়েছে তা না হলে ইরা এভাবে হঠাৎ করে এখানে চলে আসতো না কিন্তু তবু সে কিছুই বলে না যেহেতু ইরা তার প্রবলেমের ব্যাপারে তাকে কিছু জানায়নি এ কারণে সেও তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করে না যাই হোক এখান থেকে ঘোরাফেরা করে ফ্রেশ হয়ে ইরা একটা স্ট্রং এবং মাইন্ড নিয়ে ফিরে আসে তারপর আমরা দেখি লিনের নিজের অন্যায় কাজগুলোর জন্য অনেকটাই গিল্টি ফিল হয় তাই সে রিজাইন দেওয়ার কথা চিন্তা করে তারপর সে একটা ফ্রম নিয়ে লিয়ার কাছে আসে তবে
লিতে সাইন করে না এজন্য সে ইরাকে এসে বলে সাইন করে দিতে ইরাও সাইন করে না তারপর ইরা নিজে থেকে একটা ভালো কোম্পানি দেখে লিনকে রিকমেন্ড করে যেটা দেখে লিন একটু অবাকই হয় যাই হোক এবার ফাইনালি হেডকোয়ার্টার থেকে অনেকেই আসে মিটিং করার জন্য এখানে এর উপরের ভিলেন অর্থাৎ এসব কিছুর পিছনে যে আছে সেও এখানে আসে টপিক ডিসকাশন শেষ হলে ইরা লি এর ব্যাপারে বেশ কিছু তথ্য সবাইকে দেখায় যা দেখে স্পষ্ট বুঝা যায় যে ইউলিনের থেকে অনেক টাকা লিন নিজের পকেটে ঢুকিয়েছে এসব তথ্য পেয়েও দিয়ান ইরাককে মিথ্যাবাদী প্রমাণ করার চেষ্টা করছিল যে এসব তথ্য মিথ্যা তখনই ইরার
দাদু এখানে চলে আসে এখানে কোম্পানির চেয়ারম্যান যখন ইরার হয়ে কথা বলে তখন আর কারোরই কিছু আর থাকে না এদিকে লি এর পুরো ক্যারিয়ারটাই নষ্ট হয়ে যায় অন্যদিকে ইরা বাড়ি ফিরে দেখে আজকের দিনটা সেলিব্রেট করার জন্য সুখ এখন এখানে এসে পড়েছে এখানে সু ইরার জন্য রান্নাও করেছে যেটা দেখে ইরাও অনেক খুশি হয় তারপর তারা তাদের খাওয়া-দাওয়া শেষ করে ইরা সুকে একটা জামা দেয় যেটা আগে থেকেই সে কিনে রেখেছিল আর সুও এটা পড়ে বেরিয়ে আসে ঠিক তখনই দরজায় কেউ একজন নক করে ইরা দেখে তার দাদু এখানে এসেছে ফলে সে সুকে লুকিয়ে রাখে তারপর পর ইরা এমন একটা
ভাব করে যে সে তার দাদুকে বাড়ি থেকে বের করতে পারলেই বাঁচে তার কথা বলা দেখে তার দাদুও বুঝতে পারে যে কিছু একটা গড়বড় আছে এজন্য তিনি ইচ্ছা করে বাহিরে চলে আসে তারপর সু যখন বাহিরে বেরিয়ে আসে তখন ইরার দাদু তাকে হাতে নাতে ধরে ফেলে তারপর তিনি তাকে নিজের গাড়িতে উঠিয়ে নেয় আর বলে তোমাদের রিলেশনে আমার কোন বিরোধিতা নেই কিন্তু তোমার মেইন স্বপ্ন হলো স্যাটেলাইট নিয়ে রিসার্চ করা যেটাই ইরার মাও করতো এজন্য তার দাদুর ভয় হলো ভবিষ্যতে ইরার মায়ের মতো সুও যদি ইরাকে টাইম দিতে না পারে এজন্য তিনি বলে আমি তোমাদের ভিতরে ভিলেন হতে চাই না
তবে কোনদিন যদি ইরা ব্রেকআপের কথা বলে তবে সাথে সাথেই তুমি রাজি হয়ে যাবে তারপর আমাদের দিয়ান কে দেখানো হয় সে লিকে বলেছে এখন যেহেতু তুমি ধরা পড়ে গিয়েছো এজন্য তুমি কিছুদিনের জন্য এব্রোডে চলে যাও তবে লি এব্রোডে যায় না বরং সে ইরা কোম্পানিতে কার রেফার এসেছে সেগুলো খুঁজে বের করে কারণ লি ভাবে এভাবে যদি টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টের সাথে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া যায় যে ইরা হলো চেয়ারম্যানের নাতনী তাহলে তার উপর সবাই রাগ করবে এবং তার থেকে দূরে থাকবে কিন্তু হয় ঠিক তার উল্টোটা এ কথাটা জানানোর পর সবাই ইরাকে আরো বেশি করে সম্মান করে এমনকি ইন যে সবসময়
ইরার বিরোধিতা করতো সেও ইরার সাথে বন্ধুত্ব করে নেয় ফলে আবারো লি বিপদে পড়ে আর তাকে আর তার সঙ্গীর উচিত শিক্ষাও দেওয়া হয় এদিকে ইরার সু এর মধ্যে সবকিছু ঠিকঠাক তারপর একদিন ইরা সুকে সাইন্স মিউজিয়ামে ঘুরতে নিয়ে আসে এখানে এসে ইরা বলে ছোটবেলায় যখন আমি শুনতাম অন্যদের মা তাদের জন্য নিজেদের স্বপ্ন ছেড়ে দিয়েছে তখন নিজের মায়ের প্রতি অনেক রাগ হতো তবে এখন আমি বুঝতে পারি যে আমার মা ঠিক কাজটাই করেছে সে তার স্বপ্নকে বেছে নিয়েছিল এখন সে যে কয়টা দিন বেঁচে ছিল তার নিজের মত করে বেঁচে ছিল তার স্বপ্নের জন্য শুধুমাত্র সে নয় বরং আমিও এখন
গর্ববোধ করি এজন্য আমি চাই তুমিও তোমার স্বপ্ন পূরণ করো আর আমার কোম্পানি আমি ঠিক সামনে নিব তারপর শুধু তাই ইন্টারভিউর জন্য চলে আসে এভাবে আরো কিছুদিন চলে যায় এখন ইরাও তার কোম্পানির সামনে নিয়েছে আর সু এর বদলে ভালো টেকনিশিয়ানের খোঁজও পাওয়া গিয়েছে সুও তার ইন্টারভিউতে পাশ করে গিয়েছে তারপর আমরা দেখতে পাই সু সারাদিন রাত ধরে স্যাটেলাইট নিয়ে কাজ করে আর ফাইনালি তাদের স্যাটেলাইট লঞ্চ করার দিন চলে আসে এই লঞ্চ করা সবাই দেখে তবে ইরা রাস্তায় আটকে পড়ে এজন্য তাকে ফোনে এসব কিছু দেখতে হয় এসব শেষ করে সু যখন ইন্টারভিউ দিতে আসে তখন সে সবার সামনে
ইরাকে আরো একবার প্রপোজাল করে দেয় আর ইরা এখান থেকেই তার প্রপোজালটা একসেপ্ট করে নেয় আর সবাই তাদেরকে এক হতে দেখে অনেক খুশি হয় এভাবে কেটে যায় অনেকগুলো বছর দেখা যায় তারা বিয়ে করে নিয়েছে এমনকি তাদের একটা ছেলেও হয়ে গিয়েছে এখন তারা তাদের লাইফে অনেক সুখেই আছে আর তাদের এই সুন্দর মোমেন্টের মধ্য দিয়ে এর ড্রামাটা এখানেই হ্যাপি এন্ডিং হয়ে যায়