আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন আর আপনারা দেখছেন এমডি ভয়েস টিভি বন্ধুরা আজকের এই ভিডিওতে আমরা বলব যে একজন পেত্নী সুন্দরী নারীর ছদ্দবেশে একজন আলেমকে বিয়ে করার একটি বিস্ময়কর ঘটনা যা শুনে আপনার মন ছুঁয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ তাই ভিডিওটি একবারে শেষ পর্যন্ত দেখবেন বহুকাল আগের কথা কোন এক শহরে একজন বাদশা বাস করতো এবং ওই বাদশার ছিল চারজন স্ত্রী তিনি তার রাজ্য খুব সুন্দর করে পরিচালনা করতেন তার রাজ্যে কোন অভাব ছিল না সকলেই বেশ হাসি খুশি ছিল পুরো নিয়ামতে ভরপুর ছিল তার রাজ্য এবং ওই বাদশাহ তার স্ত্রীদের হক খুব সুন্দর করে আদায় করতেন তিনি
তাদের সকল চাহিদা পূরণ করতেন কিন্তু তার স্ত্রীরা কোনভাবেই সেই বাদশার উপর সন্তুষ্ট ছিল না তাদের প্রত্যেকেরই অভিযোগ ছিল যে বাদশা তাদের কোন চাহিদাই পূরণ করতে পারে না ওই শহরে একজন আলেম বাস করতো সেই আলেম লোকটি খুবই ভালো ছিল সে সকলের সাথে বেশ ভালো ব্যবহার করতো কিন্তু কোন একটি কারণে তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছিল তাই যখন তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার জন্য রাজদরবারে উপস্থিত করা হলো তখন সে শহরের অনেক লোক বাদশার কাছে অনুরোধ করল তাকে যেন মৃত্যুদণ্ড না দেওয়া হয় ওই আলেম লোকটিও বাদশার কাছে অনেক কাকুতি মিনতি করে বলতে লাগলো হুজুর আমাকে দয়া করে মৃত্যুদণ্ড দেবেন না তখন
বাদশা সেই আলেম লোকটিকে একটি শর্ত দিল আর বলল বেশ আমি তোমাকে মৃত্যুদণ্ড দেবো না তবে তোমাকে আমার একটি কথা রাখতে হবে আমার শর্তটি হলো তোমাকে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে প্রশ্নটি হলো নারীরা ঠিক কি সুখী হয় কি করলে নারীরা সবসময় সুখী থাকে আলেম লোকটি বিবাহিত ছিল না এবং সে কখনোই কোন নারীর সংস্পর্শে আসেনি তাই তার এই উত্তরটি জানা ছিল না তখন আলিম লোকটি বাদশাকে বলল আমি আপনার এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই দেব তবে আপনাকে আমার এর জন্য এক বছর সময় দিতে হবে তখন বাদশাহ সেই আলেম লোকটিকে বলল বেশ আমি তোমাকে এক বছর সময় দিলাম কিন্তু
এক বছর পর তুমি যদি আমার এই প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারো তাহলে তোমাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে বাদশার কথায় আলেম রাজি হলো এরপর সেই আলেম লোকটি এই প্রশ্নটির উত্তর খোঁজার জন্য বেরিয়ে পড়লো সে এ গ্রাম থেকে ও গ্রামে যায় এখান থেকে ওখানে যায় কিন্তু কোথাও এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পায় না যে নারীরা কিসে খুশি হয় এভাবে 10 দিন কেটে যায় এরপর কেটে যায় কয়েক মাস একদিন ওই গ্রামেরই এক লোকের সাথে আলেম ব্যক্তি দেখা হয়ে যায় তখন ওই ব্যক্তি আলেমকে বলতে থাকে আপনার এই প্রশ্নের উত্তর জঙ্গলের একজন বুজুর্গ দিতে পারবে আপনি চাইলে জঙ্গলে যেতে পারেন এবং সেই
বুজুর্গকে খুঁজে পেলে তার কাছ থেকেই প্রশ্নটির উত্তর পেতে পারেন তখন সেই আলেম ব্যক্তি বেরিয়ে পড়লো জঙ্গলের উদ্দেশ্যে খুঁজতে খুঁজতে তিনি প্রায় ক্লান্ত অবশেষে দেখা গেল সে বুজুর্গ ব্যক্তিকে আল্লাহতালা বুজুর্গ ব্যক্তিকে দেখতে পেয়ে আলেম ব্যক্তিটি খুবই খুশি হলো এবং তাকে বলল আমি আপনার কাছে এসেছি একটি প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্য অনেক আশা নিয়ে এসেছি কারণ আমি যদি সে প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারি তাহলে আমার মৃত্যুদণ্ড হবে আর কিছুদিন মাত্র বাকি আমার হাতে আল্লাহওয়ালা বুজুর্গ ব্যক্তি আলেমের মুখে সে প্রশ্নটি শুনে বলতে থাকে তোমার এই প্রশ্নের উত্তর তো আমার জানা নেই কেননা আমি কখনোই বিবাহ করিনি আমি সর্বদা আল্লাহর
ইবাদতে মগ্ন থাকি এবং কোন নারীর সংস্পর্শে আমি কখনো আসিনি আমি কিছুতেই তোমার এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবো না কেননা নারীদের সম্পর্কে আমার কোন ধারণা নেই তবে তুমি চাইলে আমি তোমাকে একজনের সন্ধান দিতে পারি জঙ্গলের ওই প্রান্তের একটি কূপে এক পেত্নী বাস করে তুমি চাইলে তার কাছ থেকে তোমার প্রশ্নের উত্তর পেতে পারো সুতরাং তুমি তার কাছে যাও এরপর ওই আলেম লোকটি সেই কূপের কাছে গেল যে কূপের মধ্যে একজন পেতনি বাস করতো আলেম লোকটি গিয়ে পেতনিকে ডাকতে থাকে এরপর একজন পেতনি সেখানে উঠে আসে এবং আলেম লোকটিকে বলে কি হয়েছে তুমি কেন আমাকে খুঁজছো কেন আমাকে ডাকছো কে
তুমি তখন আলেম লোকটি বলে আমি বহুদূর থেকে এসেছি আমি একটি প্রশ্নের উত্তর তোমার কাছ থেকে জানতে চাই যদি তুমি আমার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারো তাহলে আমার জন্য অনেক উপকার হতো তখন সে পেতনি আলেম লোকটি কে বলতে থাকলো বলো কি প্রশ্নের উত্তর জানতে চাও আলেম লোকটি বলল আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে মেয়েরা কিসে সবথেকে বেশি খুশি হয় তখন পেত্নীটি আলেম লোকটিকে বলতে থাকে তোমার এই প্রশ্নের উত্তর আমার জানা আছে আমি অবশ্যই তোমার এই প্রশ্নের উত্তর দেব তবে তার আগে আমার একটি শর্ত আছে তোমাকে আগে আমায় বিয়ে করতে হবে তারপরে আমি তোমাকে উত্তর দেব আলেম লোকটি পেত্নির কথায়
রাজি হয়ে গেল এবং তারা দুজনে বিয়ে করে নিল যখন তারা বিয়ে করল তখন পেত্নীটি আলেম লোকটির সামনে একেবারে সুন্দরী রমণীর বেশে উপস্থিত হলো তখন পেত্নী আলেম লোকটিকে বলতে লাগলো এবার বলো তুমি আমাকে কখন পেত্নী অবস্থায় দেখতে চাও আর কখন সুন্দরী রমণী অবস্থায় দেখতে চাও তুমি যদি রাতে আমাকে পেতনি অবস্থায় দেখতে চাও তাহলে দিনের বেলায় আমি তোমার সামনে বধুবেশে সুন্দরী রমণীর মত থাকবো আর দিনে যদি পেতনি অবস্থায় না দেখতে চাও তাহলে আমি রাতের বেলায় রমণীর মত থাকবো আলেম লোকটি পেতনিকে জবাব দিল তুমি যেহেতু আমার স্ত্রী তাই আমি তোমাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিলাম তোমার যখন যেমন খুশি তেমন
বেসে থাকবে তখন পেতনি আলেম লোকটিকে বলল এটাই হলো তোমার প্রশ্নের উত্তর আসলে মেয়েরা তখনই সবথেকে বেশি খুশি হয় যখন তাদেরকে স্বাধীনতা দেয়া হয় মেয়েরা সব পাওয়ার পরও তারা যদি স্বাধীনতা না পায় তাহলে তারা কিছুতেই সন্তুষ্ট হতে পারেন না তুমি যাও বাদশাকে গিয়ে এ প্রশ্নটির উত্তর দাও এটাই হলো তোমার প্রশ্নের উত্তর এরপর লোকটি বাদশার কাছে গিয়ে তার প্রশ্নের উত্তর দিল এবং সে বেখুসুর খালাস পেল তো বন্ধুরা কেমন লাগলো আমাদের আজকের এই ভিডিওটি কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন আজ তাহলে এই পর্যন্তই আপনারা ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ [মিউজিক]