এই ভিডিওর রিসার্চ করতে যখন বসছি অর্থাৎ 21শে আগস্ট রাতের আধারে ভারত তার ডুম্বুর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাদ বাংলাদেশের সাথে কোনরকম আলোচনা ছাড়াই খুলে দিয়েছে আর এই ব্যাপারে তাদের পক্ষ থেকে শোনা যায় যে গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছিল তাদের ত্রিপুরা রাজ্যে আর এতে এখন পর্যন্ত সাতজন নিহত হবার খবরও পাওয়া গিয়েছে সম্ভবত রাত 12:00 টার পর থেকেই ডুমুর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাঁধ খুলে দেওয়া হয় আর 21শে আগস্ট সকাল 8:35 মিনিট পর্যন্ত এই বাঁধের তিনটি গেটের মধ্যে একটি খোলা আর এতেই আমাদের দেশের নোয়াখালী কুমিল্লা আর ফেনী জেলাতে শুরু হয়েছে চরমভাবে মানব সৃষ্ট এক বন্যা যদিও বিভিন্ন জায়গায়
এটাও বলা হচ্ছে এই বন্যার একমাত্র কারণ এই বাদ না বরং এইসব অঞ্চলের অতিবৃষ্টি কিন্তু একই সাথে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে গেছে খুবই রিসেন্টলি কাজেই এই বন্যার একমাত্র কারণ এই বাদ না হলেও অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটা কারণ যে এইটা সেটা বলাই যায় চিন্তা করেন ভারতের এই বন্যা ছিল সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক যেটা হয়তো প্রাকৃতিকভাবে আমাদের এই ফেনী জেলাতেও হওয়ার পসিবিলিটি আছে কিন্তু সেখানে যদি বাঁধ না থেকে পানির ন্যাচারাল ফ্লো থাকতো তাহলে হয়তো সেটা এতটাও মারাত্মক হতে পারতো না আর সেখানে তারা এই বাঁধ বানিয়ে পানির পরিমাণ বাড়িয়েছে গত কয়েক দশক ধরে আর এখন যখন একটা প্রাকৃতিক
দুর্যোগের জন্য তারা এটার কন্ট্রোল করতে পারে নাই তখনই এত বছর ধরে জমানো পানিসহ এইবারের অতিবৃষ্টির পানি তারা ছেড়ে দিল আমাদের দিকে আর এত বছর কেন বললাম কারণ ত্রিপুরারই একটা সংবাদ মাধ্যম বোরক টাইমস এর মতে 1993 সালের পর প্রথমবারের মতো ত্রিপুরার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাদ খুলেছে তাদের কর্তৃপক্ষ যাই যাই হোক এই বন্যার কারণ আর হাইড্রোলজির ব্যাপার-সাপার নিয়ে এক্সপার্ট কেউই হয়তো আপনাদের কাছে ভিডিও দিবে আমি এই ফিল্ডের এক্সপার্ট কেউ না কিন্তু ভারতের এই বারবার কোন সতর্কবার্তা ছাড়াই বাঁধ ছেড়ে দেওয়া আর ইচ্ছামত পানি স্টোর করা যে একটা ধ্রুব সত্য এটা নিয়ে কোন ডিবেট আশা করি নাই আর তাই আমি
আজকের ভিডিওতে দেখানোর চেষ্টা করব ভারত যে বছরের পর বছর ধরে এই কাজগুলো করে যাচ্ছে এটা আসলে কতটুকু এথিক্যাল বিশ্বের ভারত আর বাংলাদেশ ছাড়াও আরো তো স দেশ নিজেদের মধ্যে অসংখ্য নদীর পানি শেয়ার করে তাদের ক্ষেত্রেও কি এরকম একটা দেশ নিজেদের ইচ্ছামত পানির দাতা আর অন্য একটা দেশ অসহায়ের মতো পানির গ্রহীতার হিসেবে রোল প্লে করে প্রথমে আমি কিছু মানুষের প্রশ্নকে অ্যাড্রেস করতে চাই বাদ খুলে দেওয়ার সাথে সাথেই ভারতের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ফেসবুক স্ট্যাটাস আমার চোখে আসা শুরু করে যার মূল ভাবে এরকম ছিল যে কত হরিবল প্রাকৃতিক দুর্যোগ হচ্ছে সেখানে আর সেখানে সাধারণ মানুষগুলো কতটা অসহায় আই
এগ্রি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিশ্বের যেকোনো অঞ্চলের মানুষের জন্য বা স্পেসিফিক ভাবে প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষের জন্য খুবই ভয়ের একটা কারণ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতা বাংলাদেশীদের মতো বা আমার মত উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের মত আর কেউই অনুধাবন করতে পারবে না কিন্তু নিজে বাঁচতে একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগকে কনভার্ট করে একটা মানব সৃষ্ট দুর্যোগ বানিয়ে সেটার ভয়াবহতা আরো কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়ে এবং কোন রকম ওয়ার্নিং ছাড়া আরেক দেশের মানুষের উপর চাপিয়ে দেয়া এটা কি কোন ধরনের ক্রাইম মনে হয় না আপনার আর তার থেকে সহজ একটা কথা হচ্ছে এখানে যদি পানির ফ্রি ফ্লো থাকতো তাহলে কি আপনার মনে হয় জিনিসটা এত ভয়াবহ হতো
দেখেন একটা নদীর পানি যখন ফ্রি ফ্লো হবে তখন স্বাভাবিকভাবেই বর্ষার সময় এখানে পানি বাড়বে কখনো কখনো হয়তোবা বন্যাও হবে কিন্তু অবশেষে সেই পানি প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রেই চলে যাবে পানির পরিমাণ বাড়লেও সেটা থাকবে প্রাকৃতিক নিয়মে আর নদীরও ন্যাচারালি এই পানি ধারণ ক্ষমতা থাকবে কিন্তু যখন আপনি এমন একটা নদীতেই বাদ দিবেন সেখানে একদিকে যখন পানির পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে অন্যদিকে সেটা কিন্তু কমে যাবে আর এই জন্যই পানির অভাব থাকা অঞ্চলটাতে আস্তে আস্তে নতুন নতুন চর জেগে উঠতে থাকবে অর্থাৎ পানি প্রবাহের আর ধারণ করার ক্ষমতা অনেক কমে যাবে আর যার কারণে কিন্তু এখানে আবারো যখন অনেক বেশি পরিমাণে
পানি আসবে তখন তার ধারণ ক্ষমতা না থাকার কারণে সেই পানিটা বন্যার রূপ নিবে একদমই ক্লাস ওয়ানের বাচ্চারাও এটা বোঝার কথা বাট আবারও বলে রাখি এটা কিন্তু একটা খুবই সিম্প্লিফাইড একটা উদাহরণ বন্যা জিনিসটা এতটাও সিম্প্লিফাইড না বন্যার পেছনে অনেক কমপ্লিকেটেড কারণ থাকতেই পারে আর বন্যা প্রাকৃতিক কারণেই হয়ে থাকে বেশিরভাগ সময় আমি এটার এক্সপার্ট কেউ না সেটা আগেই বলেছি তাই বন্যার পেছনে এই বাঁধের দায় আমি সরাসরি দিতে পারছি না সেই দায় এই ব্যাপারে এক্সপার্ট কেউই হয়তো দিতে পারবে বাট এখানে যে 1993 সাল থেকে বাঁধ দিয়ে পানি বন্ধ করে বা নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে দ্যাট ইজ এ ফ্যাক্ট মানে
চিন্তা করেন 30 বছরেরও বেশি সময়ের জন্য এই বাঁধের সাথে যে কানেক্টেড বাংলাদেশের নদীগুলো আছে সেগুলো যাই পেয়েছে বলেন তারা কিন্তু স্বাভাবিক পানির ফ্লোটা পায়নি আর এখন এত বছর পর সেই পানি ছেড়ে দিয়ে তারা নিজেরা হাফ ছেড়ে বাঁচলো বা বাঁচার চেষ্টা করলো হয়তো কিন্তু এই অঞ্চলের মানুষের উপর যেটা নামিয়ে আনলো সেটা কি ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমের থেকে কোন অংশেই কম বলা যাবে কিনা সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে আর কেবলমাত্র এইবারের ঘটনাই না রিসেন্ট কিছু ইয়ার্সের কিছু ঘটনা দেখেন এই লিস্টটা দেখেন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে এবারই যে নিরুপায় হয়ে এরকম করতে হয়েছে ব্যাপারটা মোটেও এরকম না প্রতিবছরই এক বা
একাধিকবার এমন মানব সৃষ্ট বন্যার ভুক্তভোগী হচ্ছি আমরা বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের এর তথ্যমতে বাংলাদেশ আর ভারতের মধ্যে 54 টা নদীর পানি তারা শেয়ার করার কথা অর্থাৎ 54 টা আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে এই দুই দেশের মধ্যে আর বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়া তথ্য থেকে জানা যায় এই 54 টি নদীর মধ্যে 30 টি নদীর গতিপথই নাকি কোনো না কোনো ভাবে বাদ দ্বারা প্রভাবিত যদিও বলে রাখি এই 30 টা বাধের কথা facebook এ বেশি চলে বেড়াচ্ছে এইটা সরাসরি ভেরিফাই করার মতো এক্সাক্ট ডাটা আমি কোথাও পাই নাই এই কারণে এইটার পেছনে আমি খুব বেশি জোর দিব না বাট নম্বর যাই হোক
না কেন বাংলাদেশের প্রায় সবদিক থেকেই যে বিভিন্ন বাঁধ বাংলাদেশের পানি নিয়ন্ত্রণ করে এই এটা একেবারে ধ্রুব সত্য আর ধরেন এই নাম্বার খেলাটা আমরা বাদই দিলাম যে কতটা বাদ আছে এইটুকু যেহেতু এর পেছনে একেবারে এক্সাক্ট আমি কোন রিসার্চ আর্টিকেল বা কোন নিউজ আর্টিকেল পাইনি সো এই খেলা বাদ বাট তারপরেও আজকের এই সিভিলাইজড ওয়ার্ল্ডে একটা দেশ কি আসলে অন্য দেশের মানুষ কতটুকু পানি পাবে এবং সেটা কখন পাবে সেটা নিজেদের খেয়াল খুশি মতো নির্ধারণ করতে পারে ইন্টারন্যাশনাল ল এ ব্যাপারে কি বলে আর ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ডের দেশগুলো যেগুলোকে আমরা তথাকথিত উন্নত দেশ হিসেবে চিন্তা করি তারা এই ব্যাপারগুলো কিভাবে সলভ
করে চলেন তো দেখি প্রথমেই আপনাদের কিছু স্ট্যাটস বলি পৃথিবীর মোট সারফেস ওয়াটারের 47% পানি এটলিস্ট দুইটা দেশ মিলে শেয়ার করে আর এই শেয়ার করা পানিগুলোর উপর ওয়ার্ল্ডের এটলিস্ট 40% মানুষ নির্ভর করে 153 টি দেশে মোট 310 টা নদী নিজেদের মধ্যে শেয়ার করে আর এই 310 টি নদীর মধ্যে একটু আগেই বলা তথ্য মতে 54 টি নদী কেবলমাত্র ভারত আর বাংলাদেশের মধ্যেই আছে তার মানে হয়তো বুঝতেই পারছেন আমাদের এই অঞ্চলের জন্য এই দুই দেশের মধ্যে পানি বন্টন প্রপার পানি বন্টন কতটা বেশি জরুরি এখানে ইউরোপের একটা সাকসেস স্টোরি বলি আপনাদের ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের তথ্যমতে পৃথিবীর সবথেকে বেশি কমিউনাল রিভার
ভ্যাসিনের অবস্থান ইউরোপেই আর দরিখার দিক থেকে ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী হচ্ছে দানিউবে এই একই নদী জার্মানি স্লোভাকিয়া মালদোভা আর ইউক্রেনসহ অসংখ্য দেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে আর এই নদীরই পানির বন্টন সঠিকভাবে নির্ধারণ করার জন্য দানিউবে রিভার প্রটেকশন কনভেনশন সাইন করা হয় 1994 সালে আর এইটা কেবলমাত্র পানির সঠিক বন্টন ছাড়াও ফ্লাড প্রিভেনশন এবং পলিউশন প্রিভেনশন নিয়েও কাজ করে আর এই নদী যে যে সব দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তার প্রতিটি দেশের গভমেন্টই কিন্তু এর পেছনে স্টেপগুলো নেয় এখন আসেন এই ব্যাপারে বিশ্বের যে বড় বড় সংস্থাগুলো আছে তারা কি বলে ট্রান্সবাউন্ডারি ওয়াটার নিয়ে কথা বললেই দুইটা কনভেনশনের
নাম আসবে একটা হচ্ছে দ্যা ইউএন 1997 কনভেনশন অন দ্যা ল অফ নন নেভিগেশনাল ইউজেস অফ ইন্টারন্যাশনাল ওয়াটার কোর্সেস এবং অন্যটা ইউএনইসি 1992 কনভেনশন অন প্রটেকশন এন্ড ইউজ অফ ট্রান্সবাউন্ডারি ওয়াটার কোর্সেস এন্ড ইন্টারন্যাশনাল লেকস 1997 ইউএন কনভেনশনের আর্টিকেল ফাইভ এ বলা হয় যেসব দেশ একটি নদী বা জলপথ ভাগ করে নেয় তাদের নিজ নিজ সীমানার মধ্যে এটি ন্যাজ্য এবং যুক্তিগতভাবে ব্যবহার করতে হবে তারা জলসম্পদটিকে এমন ভাবে ব্যবহার এবং উন্নয়ন করার চেষ্টা করবে যা টেকশই এবং সবার জন্য লাভজনক হয় এটি করার সময় তাদের অন্যান্য দেশের চাহিদা ও স্বার্থ বিবেচনায় নিতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে জলপথটি সঠিকভাবে
রক্ষা করা হচ্ছে এছাড়াও তাদের ন্যাপ্য এবং যৌক্তিকভাবে এই নদী বা জলপথ ব্যবহারের উন্নয়নের এবং সুরক্ষার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে এর মানে হলো প্রতিটি দেশের এই জলপাত ব্যবহারের অধিকার রয়েছে এবং একই সাথে এটি সুরক্ষা ও উন্নয়নের জন্য অন্যান্য দেশের সহযোগিতা করার দায়িত্ব রয়েছে যাই মূলত এই আর্টিকেল ফাইভ এ উল্লেখ করা হয়েছে আর আর্টিকেল সিক্স অনুযায়ী আন্তর্জাতিক এসব নদীপথগুলোর ন্যাজ্য এবং সুষ্ঠভাবে ব্যবহার করতে হলে কয়েকটা বিষয়ের উপর খেয়াল রাখতে হবে সেগুলো হচ্ছে নাম্বার ওয়ান ভৌগোলিক জলবিজ্ঞান জলবায়ু পরিবেশগত এবং প্রাকৃতিক অন্যান্য বিষয় নাম্বার টু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রয়োজন নাম্বার থ্রি প্রতিটি দেশের জনসংখ্যা যারা এই
জলপথের উপর নির্ভরশীল নাম্বার ফোর এক দেশের জলপথ ব্যবহারের ফলে অন্য দেশের উপর যেকোনো ধরনের প্রভাব পড়তে পারে সেটা বিবেচনায় রাখা নাম্বার ফাইভ জলপথের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ব্যবহার আর নাম্বার সিক্স জলপথের সংরক্ষণ সুরক্ষা উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক ব্যবহারে খরচ এটাই হচ্ছে এই কনভেনশনের দ্যা ইকুইটেবল এন্ড রিজনেবল ইউটিলাইজেশন প্রিন্সিপাল যেখানে আসলে এই আন্তসীমান্ত নদীগুলো নিয়ে আরো অনেক বেশি কথাই বলা হয়েছে সেই সবগুলো পয়েন্ট আর উল্লেখ করলাম না আমি নিচে লিংক দিয়ে দিব আপনারা চাইলে নিজেরাই দেখে আসতে পারেন কিন্তু এইটা ছাড়াও সেখানে আরো একটা প্রিন্সিপাল বা রুলের কথা বলা হয়েছে সেটা হচ্ছে নো হার্ম রুল এখানে 1997 সালের নিউইয়র্ক
জাতিসংঘ কনভেনশনের ধারা সাত অনুযায়ী দুইটা পয়েন্টের কথা উল্লেখ করা হয় নাম্বার ওয়ান যেসব দেশ তাদের সীমানার মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহার করে তাদের অন্য দেশগুলোতে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি না করার জন্য সব ধরনের উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে আর নাম্বার টু যদি কোন দেশ অন্য দেশে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করে তাহলে ক্ষতি হওয়া দেশটির সাথে পরামর্শ করে ধারা পাঁচ এবং ছয়ের শর্ত মেনে সেই ক্ষতি কমানোর বা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে আর যদি প্রয়োজন হয় ক্ষতিপূরণের বিষয়টিও আলোচনা করা যেতে পারে আর এটার মানে কিন্তু বুঝতে পারছেন ইন্টারন্যাশনাল মহলে এই ধরনের ইস্যুগুলো হলে সেগুলো সলভ করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ
দিক নির্দেশনায় দেয়া আছে আর এই দিক নির্দেশনা গুলোকে অনুসরণ করেই বিভিন্ন দেশের গভমেন্টের দায়িত্ব তাদের নিজেদের দেশের পপুলেশনের সুবিধার চিন্তা করে আর একই সাথে অন্য দেশে যাতে ক্ষতি না হয় সেই কথা মাথায় রেখেই পলিসি আর নিজেদের মধ্যে চুক্তি তৈরি করা আর একই সাথে সেই চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে কিনা সেই দিকেও নজর রাখা বাট আমরা কি করেছি 2018 সালে এই ব্যাপারে একটা স্ট্যাটাস দেয়ায় বুয়েটের ফার্স্ট ইয়ারের এক ছাত্রকে সরকারের পেটোয়া বাহিনী দিয়ে মার্ডার করেছি অসংখ্য ভারত সফরে তাদের কেবল দিয়েই গিয়েছি এবং নিয়ে এসেছি মুখে বলার মতো কয়েকটা জিনিস 16 টা বছর আমরা সরকারি পর্যায় থেকে এইসব
ব্যাপার নিয়ে কোন প্রতিবাদ তো করিই নাই উল্টা একজন সাধারণ মানুষ যদি কোন স্ট্যাটাস দেয় বা কোন ইউটিউবার যদি একটা ভিডিও বানায় তাহলে তাকে ভয় দেখানো হয়েছে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকেই বাট এখানে আসলে এটাও মাথায় রাখা উচিত ঢালাও ভাবে ভারতের দোষ দেয়া ছাড়াও আমাদের উচিত নিজেদের পানির অব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তোলা আর যেহেতু এই বাদ ভারতের নিজেদের ভূখণ্ডেই বন্যায় প্লাবিত করার আশঙ্কা দেখা দেওয়াই তারা খুলে দিয়েছে আর যদিও তাদের উচিত ছিল আগেই প্রপার ওয়ার্নিং দেয়া আর সাথে আমাদের অন্তত সময় দেওয়া যাতে এই অঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলা করার অন্তত ব্যবস্থা আমরা নিতে পারতাম কিন্তু এখানে তারা আমাদের ভালোর কথা চিন্তা
করে নিজেদের যে ধ্বংস ডেকে আনবে এইটাও তো আসলে আশা করা উচিত না আর এখানেই এজন্য আপনাদের প্রশ্ন করা উচিত আমাদের ব্যবস্থাপনাটা আসলে কি এত বছর পরেও আমরা কেন অভ্যন্তরীণ একটি পানি ব্যবস্থা কৌশল শক্তিশালী ভাবে তৈরি করতে পারিনি অর্থাৎ কেন আমরা বন্যা খরা আর লবণাত্মতা এইসব ব্যবস্থা প্রিভেন্ট করার জন্য নিজেদের কোন পথ বের করতে পারিনি কেন এই কয়েকদিন আগেই এর জন্য ব্যবস্থা না নিয়ে এই বন্যা নাকি আমাদের মাটির জন্যই উপকারী এমন বক্তব্য আসছে খোদ প্রাইম মিনিস্টারের থেকেই খরা প্রচন্ড খরা গেল খরার পরে এই যে বন্যাটা এবং এটা যে যাচ্ছে এটা আমাদের মাটির জন্য কিন্তু খুব ভালো
হলো কারণ মাটিগুলো উর্বর হলো নদী খাল বিল আমাদের পুকুর সেখানে পানি আসলো আর যদি বন্যা আসে থ্যাঙ্কফুলি উই গট রিড অফ দ্যাট সিটি গভমেন্ট আর সামনের দিনগুলোতে আমরা এর জন্য একটা ভালো কিছু আশা করতেই পারি যেই আশাটা লাস্ট 16 বছরে কখনোই করতে পারি নাই অর্থাৎ সময় হয়তো লাগবে কিন্তু একদিন এই সমস্যার একটা শান্তিপূর্ণ সমাধান আমরা পেতে পারি যেখানে দুই পক্ষেরই আসলে লাভ থাকবে কোন পক্ষেই ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত আর কোন পক্ষেই চরমভাবে লাভবান হবে না এই আশাটা অন্তত এখন করা যায় তো এটাই ছিল ভিডিও সব সোর্সগুলো নিচে দেওয়া থাকবে আপনারা নিজেরা চেক করে দেখবেন অবশ্যই অল ফর
টুডে আন্টিল মাই নেক্সট আপলোড গুড বাই