আমাদের নাককে মস্তিষ্কের দরজা বলা হয়। আপনারা কি কখনো লক্ষ্য করেছেন? আগে যারা বয়স্করা থাকতেন তারা নাকে সরিষার তেল দিয়ে স্নান করতেন। এতে নাকের নানান রকম সমস্যা ভালো হয়ে যেত। পায়ের তলায় তেল মালিশ করলে যাদের অনিদ্রা বা ইনসোমনিয়ার সমস্যা আছে এই সমস্যা দূর হয়। দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া যায়। আজকে এই ভিডিওর মধ্যে আপনাদের এমন একটি এনসিয়েন্ট আয়ুর্বেদিক প্র্যাকটিসের কথা বলব যেটি শুনে আপনারা আশ্চর্য হবেন। আজকে এই ভিডিওর মধ্যে আপনাদের বলব নাভিতে তেল মালিশ করা বা ম্যাসেজ করার ফলে আমাদের শরীরে কি কি চমৎকার উপকার হতে পারে? এখন আপনাদের মধ্যে অনেকেই প্রশ্ন করবেন যে নাভিতে তেল মালিশ করার ফলে
আমাদের শরীরে কিভাবে উপকার হতে পারে বা কিভাবে রোগভোগ দূর হতে পারে? এর পিছনে কি সাইন্টিফিক এভিডেন্স আছে? দেখুন আমাদের নাভিকে কিন্তু শক্তি ও এনার্জির সেন্টার বলা হয়। আমরা যে জীবনী শক্তির উপর দাঁড়িয়ে আছি, যে জীবনী শক্তির উপর বেঁচে আছি, যে জীবনী শক্তি বা প্রাণশক্তির মাধ্যমে আমরা আমাদের শরীরের নানান রকম সমস্যাকে হিল করতে পারি নিজে থেকেই সেই জীবনী শক্তিটার উৎস বলা হয় নাভিকে। এনার্জি এবং শক্তির সেন্টার বলা হয় নাভিকে। এবং সাইন্টিফিকালি প্রুভেন যে আমাদের শরীরে 72,000 নার্ভস আছে যে আমাদের নাভি বা নাড়ির সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং এই নাড়ির অনুভূতির সঙ্গে ওইসব নার্ভগুলো ভীষণভাবে জড়িত এবং আমাদের
শরীরে এমন কিছু শারীর্তীয় প্রক্রিয়া বা মেটাবলিক সিস্টেম আছে যেগুলো কিন্তু আমাদের নাভির সঙ্গে অতপ্রতভাবে জড়িত। তাই যদি সঠিক উপায়ে সঠিক নিয়মে আমরা ন্যাবেল অয়েলিং বা নাভিতে তেল দিয়ে মালিশ করি বা ম্যাসাজ করি সেক্ষেত্রে কিন্তু এইসব সমস্যাগুলো খুব সুন্দরভাবে দূর হতে দেখা যায়। এমনি আয়ুর্বেদাতে বলা হয়েছে। এছাড়া আয়ুর্বেদাতে বলা হয়েছে যদি নাভিতে সঠিকভাবে তেল মালিশ বা ম্যাসাজ করা যায় এটা কিন্তু 100 রোগের এক সমাধান হতে পারে। আজকে এই ভিডিওর মধ্যে আপনাদের নাভিতে তেল মালিশ করার ছয় থেকে সাতটি চমৎকার উপকারিতা সম্পর্কে বলব এবং ঠিক কিভাবে কোন উপায়ে আপনারা তেল ম্যাসাজ করবেন বা মালিশ করবেন সেটাও জানাবো এবং
কোন প্রকৃতির মানুষ কোন তেল ব্যবহার করবেন সেটাও বিস্তারিতভাবে বলব এক নম্বর যে উপকারিতা আছে সেটি হলো ইমপ্রুভ ডাইজেশন সিস্টেম অনেকেই বর্তমানে গ্যাস অ্যাসিডিটি ব্লোটিং ইনডাইজেশন এর সমস্যায় ভুগে থাকেন এক্ষেত্রে আপনারা যদি নেবেল অয়েলিং করেন বা নাভিতে তেল মালিশ করেন সেক্ষেত্রে কিন্তু নানান রকম এই ডাইজেস্টিভ ট্র্যাক সংক্রান্ত উপকার পাওয়া যায়। কিভাবে? সেটি হলো আমাদের স্টমাক বা পাকস্থলীর মধ্যে যে ডাইজেস্টিভ ফায়ার থাকে সেটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং সেটা সবসময় ব্যালেন্সে থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেটা আমাদের খাবার দাবারকে হজম করে এবং এই ডাইজেস্টিভ ফায়ার যদি ইমব্যালেন্স হয়ে যায় সেক্ষেত্রে কিন্তু গ্যাস, এসিডিটি ব্লোটিং এর মত সমস্যা বেড়ে যায়। এটা
যখন ব্যালেন্স থাকবে আমাদের কিন্তু সবই ঠিকঠাক থাকবে। এছাড়া ন্যাবেল অয়েলিং এর ফলে বা নাভিতে তেল মালিশ করার ফলে আমাদের লিভারের ফাংশন ইমপ্রুভ হয়। লিভার থেকে যে বাইল জুস বের হয় সেটা কিন্তু খুব সুন্দরভাবে আমাদের ডিউডেনাম বা আমাদের স্টমাকের মধ্যে আসে খাবার-দাবার হজম করানোর জন্য। তাই যাদের গ্যাস, এসিডিটি, ব্লটিং, ইনডাইজেশনের সমস্যা আছে তারা অবশ্যই নেবেল অয়েলিং বা নাভিতে তেল মালিশ করবেন। নাভিতে তেল মালিশ করার দুই নম্বর যে উপকারিতা আছে সেটি হলো হেল্প ইন স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট। অর্থাৎ বর্তমান সময়ে বহু মানুষ আছেন যারা নিয়মিত টেনশন, স্ট্রেস, এংজাইটি, ডিপ্রেশনে ভুগে থাকেন এবং এই সমস্যা এতটাই মারাত্মক বর্তমান সময়ে মানুষের
মধ্যে এতটাই এই ডিপ্রেশনের সমস্যা ছড়িয়ে পড়ছে যে আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। এবং যারা সাধারণ মানুষ আছেন তারা বুঝতেই পারবেন না যে এংজাইটি কি জিনিস, ডিপ্রেশন কি জিনিস। এই জিনিস মানুষকে কতটা ব্যথা বেদনা দিতে পারে বা কষ্ট দিতে পারে। যারা এংজাইটিতে ভোগেন যারা প্রচুর স্ট্রেসের মধ্যে থাকেন তাদের জন্য কিন্তু নাভিতে তেল মালিশ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিদিন রাতে যদি একবার করে সঠিক তেল বা অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন মালিশ করতে পারেন সেক্ষেত্রে খুবই উপকারিতা পাবেন। আজকে এই ভিডিওর মধ্যে যে নিয়মের কথা বলব সেই নিয়মে যদি তেল দিয়ে মালিশ করেন সেক্ষেত্রে প্রচুর উপকার পাবেন। দেখুন স্ট্রেস
টেনশনেরর মধ্যে যারা থাকেন তাদের মধ্যে ঘটনাটা হয় কি? তাদের নানা রকম হরমোনাল বা কেমিক্যালের ইমব্যালেন্স হয়ে যায়। যেমন সেরোটোনিন, ডোপামিন এই ধরনের নানা রকম হরমোনাল ইমব্যালেন্স হয়ে যায় মস্তিষ্কের মধ্যে। যে কারণে কিন্তু আমরা কখনো খুব কষ্টের মধ্যে থাকি বা টেনশনের মধ্যে থাকি। ঠিকভাবে আমরা আমাদের জীবনটাকে উপভোগ করতে পারি না বা আনন্দের মধ্যে থাকতে পারি না। এই সমস্যার দূরীকরণের ক্ষেত্রে এই হরমোনস গুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। আর যখন আপনি নাভিতে তেল দিয়ে ম্যাসাজ করবেন তখন যেহেতু আমাদের নাভির সঙ্গে 72,000 নার্ভসের যোগাযোগ রয়েছে। ডাইরেক্ট আমাদের ব্রেনের সঙ্গে কানেকশন রয়েছে। তাই কিন্তু আমাদের ব্রেনের মধ্যেও আরাম পাওয়া যায় এবং
ব্রেনে এই যে হরমোনাল বা কেমিক্যালের ইমব্যালেন্স গুলো আছে সেগুলো আবার ধীরে ধীরে নরমাল হতে থাকে। তাই যারা স্ট্রেস টেনশন, এংজাইটি, ডিপ্রেশনে ভোগেন তারা প্রতিদিন কিন্তু নাভিতে তেল দিয়ে ম্যাসাজ বা মালিশ করতে পারেন। তিন নম্বর যে উপকারিতা আছে সেটি হলো ইনহ্যান্সেস ইমিউনিটি পাওয়ার। বর্তমান সময়ে মানুষ খুব দ্রুত রোগগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ওয়েদার চেঞ্জেস এর ফলে নানান রকম ছোটখাট রোগ ভোগ এবং সমস্যার মধ্যে ভুগে থাকেন। এই সবের পিছনে মূল যে কারণটা জড়িত থাকে সেটা হলো লো ইমিউনিটি পাওয়ার। শরীরে ইমিউনিটি পাওয়ার বা রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কমে যাওয়া যে কারণে আমরা দ্রুত রোগগ্রস্ত হয়ে পড়ি। আর এই ইমিউনিটি পাওয়ার বা
রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে আমাদের প্রাণশক্তি বা জীবনী শক্তির উপর। আগেই আপনাদের বলেছি আমাদের জীবনী শক্তি বা প্রাণশক্তির সেন্টার মানা হয় আমাদের নাভিকে। তাই যদি আপনি নাভিতে তেল দিয়ে মালিশ করেন সঠিক নিয়মে সেক্ষেত্রে আমাদের জীবনী শক্তি বাড়বে। প্রাণশক্তি বাড়বে। আর এই প্রাণশক্তি বাড়লেও কিন্তু আমাদের ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়বে। আর এই ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়লেই কিন্তু আমরা রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা পেয়ে যাব বা বেড়ে যাবে। এতে দ্রুত রোগভোগে পড়ার সম্ভাবনা থাকবে না। চার নম্বর যে পয়েন্টটি আছে হেলপস হরমোনাল ইমব্যালেন্স। বিশেষত মহিলাদের মধ্যে হরমোনাল ইমব্যালেন্স একটি কমন সমস্যা বা পেলভিক যে ডিজিজগুলো আছে সেগুলো কিন্তু মহিলাদের মধ্যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই
হতে দেখা যায়। বিশেষত পিরিয়ডের সমস্যা আগে হওয়া, পরে হওয়া, হেভি হওয়া বা লো হওয়া এই যে সমস্যাগুলো আছে বা হরমোনাল ইমব্যালেন্সের সমস্যা আছে এই সমস্যাটা কিন্তু নেবেল অয়েলিং বা নাভিতে তেল মালিশ করার ফলে অনেক সময় সুন্দরভাবে সেরে যেতে দেখা যায়। এমনি আয়ুর্বেদাতে বলা হয়েছে। বা বিভিন্ন রকম পেলভিক যে ডিজিজ আছে সেগুলো সুন্দরভাবে সেরে যেতে দেখা যায়। 45 50 বছরের উপরে যাদের মেনোপজ হয়ে গেছে যাদের মধ্যে এংজাইটি সমস্যা আসছে বা বিভিন্ন রকম হরমোনাল ইমব্যালেন্স তৈরি হচ্ছে তাদের ক্ষেত্রেও কিন্তু এই নাভিতে তেল দিয়ে মালিশ করার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। বিশেষত যেসব মহিলাদের মধ্যে পিরিয়ড বা মাসিক ঋতুস্রাব চলাকালীন
পেট ব্যথা করে তলপেটে ভীষণ ব্যথা হয় তারা নিয়মিত নাভিতে তেল দিয়ে ম্যাসাজ বা মালিশ করতে পারেন। এক্ষেত্রে এই সমস্যা অনেকাংশে কমে যেতে দেখা যায়। পাঁচ নম্বর যে পয়েন্টটির কথা বলবো সেটি হলো ইমপ্রুভ স্কিন হেলথ। আপনার স্কিনের যেকোন প্রকার সমস্যা স্কিন ড্রাই হয়ে যাওয়া, খসখসে বা শুষ্ক হয়ে যাওয়া, স্কিনের মধ্যে ফোড়া, ফুসকুড়ি, ব্রণ বা নানা রকম দাগচোপ বা চামড়া কুচকে যাওয়া, ঢিলা হয়ে যাওয়া এই যে সমস্যাগুলো আছে এইসব সমস্যাগুলো খুব সুন্দরভাবে দূর হয়। আপনি যদি সঠিক নিয়মে নাভিতে তেল দিয়ে মালিশ করতে পারেন। আজকে এই ভিডিওর মধ্যে যে নিয়মের কথা বলব বা যে অয়েলের কথা বলব ঠিক
সেই অয়েল দিয়েই কিন্তু আপনাকে মালিশ করতে হবে। এনি স্কিন ডিজিজ কিন্তু এটি করার ফলে খুব সুন্দরভাবে সেরে যেতে দেখা যায়। ছয় নম্বর যে পয়েন্টটির কথা বলব সেটি হলো শরীরে যেকোন প্রকার ব্যথা বেদনা অর্থাৎ পেন ব্যথার সমস্যা খুব সুন্দরভাবে চলে যেতে দেখা যায়। আপনারা অলরেডি জানেন যে জয়েন্টের ব্যথা হলে বিভিন্ন রকম তেল মালিশ করা হয় বা ঘাড়ে ব্যথা পিঠে ব্যথা এগুলোতে এই সমস্যা সুন্দরভাবে কমে যায়। কিন্তু আমি আপনাদের বলছি আয়ুর্বেদিক মতে আপনি যদি নাভিতে সঠিক নিয়মে তেল দিয়ে মালিশ করতে পারেন আপনার যেকোনো প্রকার ব্যথা ধীরে ধীরে রিডিউস হয় বা কমে যায়। জয়েন্টের ব্যথা, হাঁটুতে ব্যথা, ঘাড়ে
ব্যথা, পিঠে ব্যথা, মাথা ব্যথা এইসব সমস্যা খুব সুন্দরভাবে কমে যেতে দেখা যায়। তো ন্যাবেল অয়েলিং বা নাভিতে তেল দিয়ে মালিশ করার ছয় থেকে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ বা চমৎকার উপকারিতার কথা বললাম। এইবার আপনাদের বলবো যে কারা কোন অয়েল বা তেল ব্যবহার করতে পারবেন। কিভাবে নাভিতে তেল মালিশ করবেন। দেখুন যারা বাঘ প্রকৃতির লোক তারা কিন্তু তিলের তেল অর্থাৎ কোল্ড প্রেস তিলের তেল ব্যবহার করতে পারেন বা বাদাম তেল ব্যবহার করতে পারেন। এই ধরনের মানুষদের মধ্যে কিন্তু গ্যাস, এসিডিটি, ইনডাইজেশন, স্কিন শুষ্ক হয়ে যাওয়া, এংজাইটি, ডিপ্রেশন এই ধরনের সমস্যা থেকে থাকে। যারা পিত্ত প্রকৃতির লোক আছেন তারা কিন্তু দেশী ঘি ব্যবহার
করতে পারেন। নারিকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। এই ধরনের মানুষদের মধ্যে ভীষণভাবে কনস্টিপেশনের সমস্যা থাকে। চুল পড়ে যাওয়া বা স্কিনের মধ্যে নানা রকম রোগ হতে দেখা যায়। যাদের প্রকৃতি কোয়াপ তারা কিন্তু সানফ্লাওয়ার অয়েল ব্যবহার করতে পারেন বা খাঁটি কোল্ড প্রেস সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। এইবার নিয়ম হচ্ছে যে এই তেলটাকে আপনারা কিভাবে নাভিতে মালিশ করবেন বা ম্যাসাজ করবেন। তেলটাকে হালকা লাইট গরম করে নিতে হবে। আপনি প্রতিদিন সকালে একবার করতে পারেন বা রাতে একবার করতে পারেন। যদি সকালের দিকে করেন আপনার তেলের যে বোতলটা আছে সেটা রোদে গরম করবেন। যেন লাইট গরম হয়। বা রাতের দিকে হলে আপনারা
কিভাবে গরম করবেন? ডাইরেক্ট না কিন্তু একটি সসপ্যানের মধ্যে জল দিন। সে জলটা ফুটবে। তার উপরে আপনার তেলের বোতলটা হালকা করে ধরুন যেন হালকা লাইট গরম হয়। এই তেলটাকে চার থেকে পাঁচ ফোটা নাভিতে দিয়ে ঠিক এই ইন্ডেক্স ফিঙ্গারটা দিয়ে নাভির সেন্টার থেকে আস্তে আস্তে করে বাইরের দিকে ঘোরান। ক্লকওয়াইজ ঘোরাবেন। ক্লকওয়াইজ কিন্তু ঘোরাতে হবে এবং নাভি তেল দিয়ে নাভির সেন্টার থেকে আস্তে আস্তে ক্লকওয়াইজ এটাকে কিন্তু ঘোরাতে হবে। ক্লকওয়াইজ ঘুরিয়ে আস্তে আস্তে বাড়াতে হবে সারফেসটাকে। অর্থাৎ নাভির মধ্যে তেল দিলেন চার থেকে পাঁচ ফোটা বা আট থেকে 10 ফোটা। তারপর কিন্তু আপনাকে এই ইন্ডেক্স ফিঙ্গার দিয়ে নাভির সেন্টার থেকে
আস্তে আস্তে বাইরের দিকে ক্লকওয়াইজ গোড়াতে হবে এবং আস্তে আস্তে করে মিনিট 10 এ ম্যাসাজ বা মালিশ করতে হবে। এতে কিন্তু আপনি প্রচুর উপকারিতা পাবেন এবং এটা নিয়মিত একবার সকালের দিকে বা রাত্রের দিকে করতে পারেন। মাত্র এক থেকে দেড় মাস পরে দেখুন। আজকে এই ভিডিওর মধ্যে উল্লেখিত যেসব চমৎকার স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলোর কথা বললাম সেইগুলো আপনি সবই পাবেন। কোনটাই কিন্তু মিস করবেন না। তো বন্ধুরা আজকে এই ভিডিওর মধ্যে আপনাদের আয়ুর্বেদিক মতে ন্যাবেল অয়েলিং বা নাভিতে তেল মালিশ করার সাতটি চমৎকার উপকারিতার কথা বললাম এবং কারা কোন প্রকৃতির মানুষ কোন তেল ব্যবহার করবেন এবং সঙ্গে সঙ্গে সঠিক নিয়মটা সম্পর্কে
বলার চেষ্টা করলাম। আশা করছি আজকের ভিডিওটি আপনাদের ভালো লেগেছে। যদি ভালো লাগে অবশ্যই একটি লাইক করবেন। আর এই ধরনের তথ্যপূর্ণ ভিডিওর জন্য আমার চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে পাশের বেল বাটনটি টিপে অল অপশনটি ক্লিক করে দেবেন। দেখা হচ্ছে পরের ভিডিওতে। ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।