এই ওয়াচের একটা মজার জিনিস দেখেন আমি যদি ক্লিক করি দেখেন সন্ধ্যা হয়ে গেলে এই সাইট থেকে একটু ছায়া পড়ে না একদম ওইরকম হয়ে গেছে ওয়াচের ডিসপ্লেটা কিন্তু খুবই চমৎকার করেছে দেখেন আমাকে কিন্তু ক্লিয়ারলি দেখা যাচ্ছে আর ক্যামেরার কোয়ালিটি কিন্তু খুবই চমৎকার আবার প্রেস করলে ক্যামেরাটা বন্ধ হয়ে যাবে ওয়াচের বাম পাশে সিম কার্ড স্লট আছে এখানে দেখেন লেখা আছে 4G কল করতে পারবেন যে কোন নাম্বারে ডায়াল করে দেরি না করে চলুন দেখি এই ওয়াচের সব ফিচার্স গুলো এবং আমি আছি আপনাদের সাথে নওশাদ খান রিভিউ শুরু করার আগে আমরা ওয়াচটাকে 100% চার্জ করে নিয়েছি যেন রিভিউ শেষে
ব্যাটারি ব্যাকাপের ব্যাপারে আপনাদেরকে একটা ভালো ফিডব্যাক দিতে পারি। এই হচ্ছে ইএস পাওয়ার লিংক এর বক্স এবং এই ওয়াচে কিন্তু ছয় মাসের অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি পেয়ে যাবেন। বক্সের ভিতরে থাকবে ওয়াচ। দেয়া থাকবে একটা ম্যাগনেটিক চার্জিং কেবল। ম্যাগনেটটা কিন্তু খুবই স্ট্রং। অন্য সাইডে দেয়া থাকবে ইউএসবি পোর্ট। ওয়াচের ডিসপ্লেটা কিন্তু খুবই চমৎকার করেছে। এই ওয়াচে 1.75 ইঞ্চ অ্যামোলেট ডিসপ্লে দেয়া আছে এবং 466 বাই 466 পিক্সেলস দেয়া আছে। ওয়াচের বাম পাশে সিম কার্ড স্লট আছে। এখানে আপনি 4জি সিম কার্ড ইউজ করতে পারবেন। আমাদের ওয়াচে অলরেডি একটা সিম কার্ড ইউজ করা আছে। এখানে দেখেন লেখা আছে 4G। যেহেতু এই ওয়াচে সিম
কার্ড আছে। আপনি কিন্তু ডিরেক্টলি এই ওয়াচ থেকে কল করতে পারবেন যে কোন নাম্বারে ডায়ল করে। এই ওয়াচে পেয়ে যাবেন 16 GB ইন্টারনাল স্টোরেজ এবং পেয়ে যাবেন 2 জিবি RAM যার কারণে ওয়াচের স্পিড কিন্তু খুবই চমৎকার। আরেকটা মজার ব্যাপার হচ্ছে এই ওয়াচের ডান পাশে একটা ক্রাউন আছে। এটা আপনি বের করলে কিন্তু ক্যামেরা বের হয়ে যাবে। আমরা ক্যামেরাটা ঘুরাই। দেখেন আমাকে কিন্তু ক্লিয়ারলি দেখা যাচ্ছে আর ক্যামেরা কোয়ালিটি কিন্তু খুবই চমৎকার। আপনি চাইলে এই ক্যামেরাটা ঘুরিয়ে আপনার সুবিধামতো যেকোনো জায়গায় আপনি ক্যামেরাটা সেট করতে পারবেন এবং ক্যামেরা কোয়ালিটি কিন্তু খুবই চমৎকার। আবার প্রেস করলে ক্যামেরাটা বন্ধ হয়ে যাবে। যেহেতু
ক্যামেরা আছে Google প্লে স্টোর থেকে আপনি যেকোনো অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে ভিডিও কল করতে পারবেন যেমন WhatsApp, Viver যেকোন জায়গাতে আপনি ভিডিও কল করতে পারবেন। ম্যাক্সিমাম Android ওয়াচে দেখা যায় যে কিছু অংশ এরকমের ঢাকা পড়ে যায়। এই ক্ষেত্রে এই ওয়াচে কিন্তু খুব ডিফারেন্ট একটা সিস্টেম আছে। সেটিংস এর ডিসপ্লে অপশনে যাব। ডিসপ্লে অপশনের ভিতরে শেষের দিকে একটা অপশন আছে স্ক্রিন ডিসপ্লে শেপ। আমরা এখানে প্রেস করব। এখন যেটা দেয়া আছে এটা হচ্ছে সার্কুলার। আপনি যদি স্কয়ার ওয়ান ইজ্জু ওয়ান দেন এটা কিন্তু স্কয়ার শেপ হয়ে গেছে এখন কিন্তু আপনি দুই দিকেই পড়তে পারতেছেন। এই ফিচারটা অন থাকা অবস্থায় আমরা
একটু দেখাই যে মেইন ডিসপ্লেতে আসলে কেমন দেখাচ্ছে এটা কিন্তু ঠিকই থাকবে। আমরা কিন্তু প্লে স্টোর থেকে খুব ইজিলি সবকিছু ডাউনলোড করতে পারবো। আমি যদি এখান থেকে ইউটিউব ইন্সটল করি দেখেন মোবাইলের মত কিন্তু ডাউনলোড হয়ে যাচ্ছে। এখন চাইলে আপনি ইউটিউবে সবকিছু ভিডিও দেখতে পারবেন। আমার হাতে আছে ইয়েস ব্র্যান্ডের ইয়েস কারফ্লেক্স স্মার্টওয়াচ। গুগল ম্যাপেও কিন্তু লোকেশন ঠিকভাবে দেখাচ্ছে। এরকম প্লে স্টোর থেকে আরো অনেক এপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে পারবেন। এই ওয়াচে ব্যাটারি দেয়া আছে 1520 এমএইচ এর। যেটা বাংলাদেশে এখন একমাত্র এই ওয়াচেই আছে। যে ওয়াচ ফিস কালেকশন গুলো আছে সেগুলো খুবই চমৎকার। আমরা একটু দেখিয়ে দিই আপনাদেরকে। একটা দুইটা
তিনটা চারটা পাঁচটা ছয়টা সাতটা আটটা নয়টা 10টা 11 টা 12 টা 13 টা 14 টা 14 টা ওয়াচ ফেস এই ওয়াচে আছে এবং চাইলে কিন্তু আপনি এখানে একটা স্টোর আছে। এই স্টোরের ভিতরে কিন্তু অহরহ ওয়াচ ফেস কালেকশন দেয়া আছে। ওয়াচ ফেস গুলোর কোয়ালিটি গুলো একটু দেখেন। এটাও খুবই চমৎকার। দেখেন এই ওয়াচ ফেসটা কিন্তু খুবই কিউট। এটাও কিন্তু খুবই প্রিমিয়াম একটা ওয়াচ ফেস। কালারটা কিন্তু খুবই চমৎকার করেছে। একটা নিয়ন নিয়ন ভাইব আছে। আর এই টাইপের অনেক ওয়াচফেস কালেকশন এই ওয়াচের ভিতরে দেয়া আছে। আপনার ওয়াচফেস কালেকশন আপনি ইউজ করে শেষ করতে পারবেন না। এত ওয়াচফেস কালেকশন দেয়া
আছে। দেখেন আমি এখনো নিচে যাচ্ছি কিন্তু এখনো কিন্তু শেষ হচ্ছে না। মানে আমি নিজেই পাগল হয়ে যাচ্ছি ওয়াচফেস কালেকশনগুলো দেখে। এটা একটা এনিমেটেড ওয়াচফিস। সব থেকে ভালো লেগেছে আমার এই ওয়াচফিসটা। খুবই চমৎকার। আর দেখেন ড্রাগনটা কিন্তু ঘড়ির কাটার নিচ থেকে যাচ্ছে। জিনিসটা খুবই চমৎকার। খুবই প্রিমিয়াম। আমি ব্যাটারি ব্যাকআপের একটা আইডিয়া দেই আবার। আমি অনেকক্ষণ ধরে কিন্তু এই ওয়াচটা কন্টিনিউয়াসলি ইউজ করতেছি ফুল ব্রাইটনেসে। তার মধ্যে এই ওয়াচের সিম কার্ড দেয়া আছে। ওয়াইফাই চলতেছে। আমরা অনেকগুলো এপ্লিকেশন ডাউনলোড করেছি। আর রিভিউটা করার মাঝে মাঝে আমরা আবার অনেক কিছু যাচাই করছি। যেটা হয়তো ভিডিওতে ক্যাপচার করা হচ্ছে না। আর
সেই হিসাবে দেখেন ব্যাটারি পারসেন্টেজ এখনো 81% আছে। যেটা আমি বলব খুবই চমৎকার। অন্য অনেক এন্ড্রয়েড ওয়াচ আছে যেগুলোতে আপনি কন্টিনিউয়াসলি এতক্ষণ ইউজ করলে সেকেন্ড টাইম চার্জ দেয়ার সময় হয়ে যেত। 1520 mAhচ এর ব্যাটারি। সো বুঝতে পারতেছেন ব্যাপারটা। আপনাদেরকে আইডিয়া দেয়ার জন্য ওয়াচটা একটু হাতে পড়লাম। দেখেন হাতে পড়ার পর কিন্তু খুবই চমৎকার লাগতেছে। আমার রিস্ট সাইজটা হচ্ছে এভারেজ। এই ওয়াচের একটা মজার জিনিস দেখেন। আমি যদি ক্লিক করি দেখেন সন্ধ্যা হয়ে গেলে এই সাইড থেকে একটু ছায়া পড়ে না একদম ওরকম হয়ে গেছে। আই এম ভেরি ইম্প্রেসড এবাউট দিস ওয়াচ। সেটিংসের ডিসপ্লে অপশনের ভিতরে অনেকগুলো অপশন আছে। ফন্ট
সাইজ, ডিসপ্লেটা আপনার কতক্ষণ অন হয়ে থাকবে সেটা আপনি সেট করতে পারবেন। এই ওয়াচটা কিন্তু ম্যাক্সিমাম 30 মিনিট ডিসপ্লে অন হয়ে থাকবে। যেটা কিন্তু খুবই চমৎকার। এখানে আরো কিছু অপশনস আছে যেমন রেজ টু ওয়েক স্ক্রিন। এখানে আরেকটা আছে পাউন্ড প্রেস স্ক্রিন। আপনি যদি প্রেস করেন তাহলে কিন্তু স্ক্রিনটা বন্ধ হয়ে যাবে। এই ওয়াচে যেহেতু সিম কার্ড ব্যবহার করা যায়। আপনি কিন্তু এই ওয়াচ থেকে ডিরেক্টলি কল করতে পারবেন কোন অপ্লিকেশন ছাড়াই। আমরা একটু টেক অফিসে ফোন করি ভয়েস কলটা টেস্ট করার জন্য। ওয়ালাইকুম আসসালামু ভাই। বলছিলাম কেমন আছেন? আলহামদুলিল্লাহ। আপনি এইতো আলহামদুলিল্লাহ। আমি আপনাকে ফোন করছি একটা ওয়াচের কলিং
ফিচার টেস্ট করার জন্য। আপনি শুনতে পাচ্ছেন ঠিকভাবে? জি একদম ক্লিয়ারলি শোনা যাচ্ছে। কোন প্রবলেম হচ্ছে না। আমার ভয়েসটা কি আপনি ক্লিয়ারলি শুনতে পাচ্ছেন? হ্যাঁ এখানে স্পিকারের সাউন্ডও ক্লিয়ার আছে আর কি। ঠিক আছে ভাইয়া। থ্যাংক ইউ। আসসালামু আলাইকুম। সো কলিং ফিচারের কোয়ালিটি খুবই ভালো ছিল। স্পিকারের সাউন্ড কোয়ালিটিও খুবই ভালো। এখন ঘড়িতে প্রায় পৌনেছটা বাজে। ওয়াচটা আমরা কন্টিনিউয়াসলি ইউজ করতেছি সকাল 11 টা থেকে। আমরা একটু চেক করি যে এখন ব্যাটারি পার্সেন্টেজ কত আছে দেখেন ব্রাইটনেস ফুল আছে ওয়াইফাই অন করা আছে আমার কিন্তু সিম কার্ডও ঠিক আছে এখনো কিন্তু 73% চার্জ আছে ভিডিওতে যতটুক দেখাচ্ছি তার থেকে বেশি
ইউজ করছি কারণ অনেক ফিচার আমাদেরকে খুঁজতে হচ্ছে জানতে হচ্ছে আমরা সব যাচাই করছি এরপরেই ইনফরমেশনগুলো আমরা এড করছি রিভিউতে এই হচ্ছে স্ক্রিন টাইম যেহেতু 30 মিনিট রাখা যায় আমরা একটু 30 মিনিট দিব এবং টেস্ট করব ব্যাটারি ব্যাকাপটা কেমন পাওয়া যায় সো আমরা এখান থেকে ব্রাইটনেসটা ফুল করে দিচ্ছি আর এখন দেখেন 73% চার্জার ফুল ব্রাইটনেস দিয়ে আমরা ওয়াচটাকে এখানে রেখে দিচ্ছি। অলওয়েজ অন স্ক্রিনটা 30 মিনিট অন রাখতেছি। ততক্ষণে আমি একটু চা বানিয়ে নিয়ে আসি। সো আপনারা এখানে টাইম দেখতে পাচ্ছেন। অনেক টাইম হয়ে গেছে। আমরা এখন একটু চেক করি যে কি অবস্থায় আছে। আমরা এখান থেকে উপর
থেকে নোটিফিকেশনটা নামাই। দেখেন এখনো ফুল ব্রাইটনেস দেয়া আছে। এখানে কিন্তু 66% আছে। সো আপনারা বুঝতে পারতেছেন যে ফুল ব্রাইটনেসে আপনার এতক্ষণ অন ছিল। এন্ড টাইমটা আমি একটু দেখিয়ে দিচ্ছি। এটা হচ্ছে টাইম। তো আপনারা আইডিয়া করতে পারতেছেন যে ব্যাটারি ব্যাকআপটা আসলে কত ভালো থাকে। তবে হ্যাঁ আপনি যদি কন্টিনিউয়াসলি অ্যাপ্লিকেশন ইউজ করেন অথবা মোবাইল ডাটা অন রাখেন সেক্ষেত্রে চার্জটা একটু বেশি যাবে। কিন্তু তারপরেও এখন বাংলাদেশে যতগুলো এন্ড্রয়েড ওয়াচ আছে কোনটাই কিন্তু এত পাওয়ারফুল ব্যাটারি দেয়া নাই। আমি আবারও বলি এটাতে 1520 এমএইচ এর ব্যাটারি দেয়া আছে। যেটার ব্যাকআপ সম্পর্কে কিন্তু আপনারা মোটামুটি একটা এটা আইডিয়া পেয়ে গেছেন। এখানে
আরেকটা অপশন আছে যেটার নাম হচ্ছে ফ্লোটিং উইন্ডো। আপনি যদি এটা অন করে দেন তাহলে দেখেন এখানে একটা উইন্ডো ওপেন হয়েছে। এই উইন্ডোটার কাজ কি? আপনি যদি এখানে প্রেস করেন দেখেন একটা শর্টকাট নোটিফিকেশন বার ওপেন হবে। এখান থেকে ব্রাইটনেস, ভলিউম, সেটিংস সবকিছু আপনি চেক করতে পারবেন। যেমন আমি যদি ব্রাইটনেসে দেই দেখেন ব্রাইটনেসের অপশন চলে আসছে। আপনি খুব ইজিলি ব্রাইটনেস কমাতে বাড়াতে পারবেন। আবার যদি আপনি নোটিফিকেশন বারে যান। এখানে দেখেন ভলিউম কমাতে বাড়াতে পারবেন এবং খুবই শর্টকাট ওয়েতে আপনি করতে পারবেন। ট্যাক প্রেসে কিন্তু আপনি সেটিংসে চলে যেতে পারতেছেন। সো এই জিনিসটা খুব কাজের একটা জিনিস। আর এটা
কিন্তু আপনি সব জায়গাতে মুভ করতে পারবেন। সো প্রবলেম হবে না। ওয়াচের ফিচার সম্পর্কে বললে আসলে শেষ হবে না। কারণ এন্ড্রয়েড ওয়াচ যেহেতু এই ওয়াচে সব রকম অ্যাপ্লিকেশন আপনি ইউজ করতে পারবেন। এমনকি চেক করতে পারবেন আপনার ডেইলি অ্যাক্টিভিটিস। আপনি কতটুক হাঁটলেন, কত ক্যালোরি বার্ন হলো হার্ট রেট চেক করতে পারবেন। যখন হার্ট রেট সেন্সর কাজ করবে তখন এরকম একটা লাইট জ্বলবে। ব্লাড অক্সিজেন চেক করতে পারবেন। তখন সেন্সরে এরকম একটা লাইট জ্বলবে। যেহেতু ইন্টারনাল স্টোরেজ আছে আপনি কিন্তু এই ওয়াচে মিউজিক আপলোড করতে পারবেন এবং এই ওয়াচ এর সাথে আপনি ব্লুটুথ এর মাধ্যমে হেডফোন কানেক্ট করতে পারবেন এবং সরাসরি
আপনার ওয়াচ থেকে মিউজিক শুনতে পারবেন। ডান পাশে যে বাটনটা আছে এটা আপনি ডাবল প্রেস করলে মেনু স্টাইলটা চেঞ্জ হয়ে যাবে। আবার প্রেস করলে আরেকটা স্টাইল চলে আসবে। আবার ডাবল প্রেস করলে আরেকটা স্টাইল চলে আসবে। সো যে স্টাইলটা আপনার কাছে ভালো লাগবে আপনি কিন্তু সেটা ইউজ করতে পারবেন। আমার কাছে পার্সোনালি এই মেনু স্টাইলটা ভালো লেগেছে। কারণ ডিটেলস দেখা যায় এবং খুব স্মুথ। আমরা গতকালকে ভিডিওটা কমপ্লিট করতে পারিনি এবং চার্জ কিন্তু কালকে 62% ছিল এখন 61% আছে। তার মানে আমি যে একদিন বন্ধ করে রেখেছি তাতে কোন সমস্যা হয়নি। আমরা এখন আরেকটা টেস্ট করব সেটা হচ্ছে ফুল ব্রাইটনেস
দিয়ে YouTube এ আমরা ভিডিও ছেড়ে রাখবো এবং দেখব যে কিরকম চার্জ খায়। আমি ওয়াচটা এখানে রেখে দিচ্ছি এবং YouTube এ ভিডিওটা প্লে করে দিচ্ছি। আমরা একটু পজ করে দেই। এখন আছে 58%। তার মানে 4ার% ব্যাটারি চার্জ গিয়েছে। আর আমি অলমোস্ট 10 মিনিটের মত টানা YouTube দেখছিলাম। সেই হিসাবে আমি বলব ব্যাটারি ব্যাকাপ খুবই চমৎকার। ওয়াচের বক্সে দেয়া থাকবে একটা সিম ইজেক্টর। আর একটা ডিসপ্লে প্রটেক্টর ফ্রি দেয়া থাকবে। প্রটেক্টরটা একদম পারফেক্টলি সেটআপ। যে সিম কার্ডটা ইউজ করবেন আপনি কিন্তু সেটা দিয়ে মোবাইল ডাটাও ইউজ করতে পারবেন। ওয়াইফাই চালাতে পারবেন। ব্লুটুথ আছে ব্লুটুথ এর মাধ্যমে কিন্তু আপনি যেকোনো ইয়ারবাডস
কানেক্ট করতে পারবেন। আর এটাতে বিল্ট ইন স্টোরেজ যেটা আছে সেখানে আপনি মিউজিক রাখলে ইয়ারবাডস দিয়ে আপনি সেই মিউজিকগুলো শুনতে পারবেন। আমরা এখন এই ইয়ারবাডটাকে ওয়াচের সাথে কানেক্ট করবো। সো ওয়াচের ব্লুটুথ টা আমরা ডিসকভারেবল করে দিচ্ছি। সো দেখেন এয়ারপোডস প্রো যেটা সেটা কিন্তু আপনার ব্লুটুথ সার্চে চলে আসছে। আমরা এখান থেকে কানেক্ট করব। দেখেন কানেকশন কিন্তু হয়ে গেছে। আর এখান থেকে কিন্তু আপনি ইয়ারবাডস এর ভলিউম কন্ট্রোল করতে পারবেন। আমরা এখন যে সাউন্ড প্লে করবো সেটা কিন্তু ইয়ারবাডসের সাউন্ড হবে। যেমন দেখেন এখানে অলরেডি আমার ভিডিও চলতেছে। আর আমার মাইক্রোফোনটা আমি একটু এখানে নিয়ে দেখাই তাহলে আপনারা সাউন্ড শুনতে
পারবেন হয়তো। তার মানে হচ্ছে এই ওয়াচের ইন্টারনাল স্টোরেজ যদি আপনি কোন মিউজিক রাখেন আপনি ব্লুটুথ ইয়ারবাডস বা নেকব্যান্ড যেটাই আপনি কানেক্ট করেন না কেন আপনি কিন্তু সরাসরি ইয়ারবাডসই শুনতে পারবেন। আর ব্যাটারি ব্যাকাপের একটা ফিডব্যাক দেই। আমরা কালকে সকাল থেকে রাত 7তটা পর্যন্ত ইউজ করেছি। অ্যাপস ডাউনলোড করেছি। বিভিন্ন জিনিস চেক করে দেখেছি। এরপরে ছিল 62% এবং পরের দিন মানে আজকে সকাল থেকে আমরা ইউজ করছি। এখনো 53% চার্জ আছে। সো আপনারা বুঝতে পারতেছেন যে 1520 এমএইচ এর ব্যাটারি এটা কিন্তু খুব ভালো একটা জিনিস করেছে ইয়েস পাওয়ার লিংক ওয়াচ। আমি 100% শিওর আপনারা যারা এন্ড্রয়েড ওয়াচ খুঁজছেন খুব
পাওয়ারফুল ব্যাটারি সহ ইয়েস পাওয়ার লিংক আপনার জন্য পারফেক্ট চয়েস। ইয়েস পাওয়ারলিং ওয়াচ এর প্রাইস হচ্ছে মাত্র 9000 টাকা। আর এটাতে পেয়ে যাবেন ছয় মাসের অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি। এই ছিল ইয়েস পাওয়ারলি অ্যান্ড্রয়েড ওয়াচের ফুল রিভিউ। আপনাদের যদি কোন প্রশ্ন থাকে বা আরো কিছু জানার থাকে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্ট সেকশনে জানাবেন। আজকে এই পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন।