আপনি কি চান আপনার হজম প্রক্রিয়া শক্তিশালী হোক যেসব খাবার দাবার আপনি খাচ্ছেন তার প্রত্যেকটা বিন্দু বিন্দু খুব সুন্দরভাবে হজম হয়ে যাক শরীর হজম সংক্রান্ত কোন সমস্যাই না থাকুক তাহলে আজকের এই ভিডিওটি মনোযোগ সহকারে শুনবেন আমরা নিয়মিত যেসব খাবার দাবার খাই অর্থাৎ আমাদের পাকস্থলী বা স্টমাকের মধ্যে যে খাবারগুলো যায় তার মধ্যে কিছু টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ থেকেই থাকে যাদের হজম প্রক্রিয়া ভালো অর্থাৎ শক্তিশালী তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে এই টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থগুলো মল এবং মূত্রের মাধ্যমে সুন্দরভাবে বেরিয়ে যায় এটাকে আমরা বুঝতেই পারি না কিন্তু যাদের হজম শক্তি খারাপ অর্থাৎ দুর্বল তাদের ক্ষেত্রে খাবারগুলো অর্ধেক হজম
হয় সঠিকভাবে হজম না হওয়ার জন্য এই খাবারগুলো থেকে কিন্তু টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ তৈরি হয় আর এই টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থগুলোর জন্য আমাদের শরীরে নানা রকম রোগবো উৎপত্তি হয় রিসার্চ বা গবেষণা বলছে আমাদের শরীরে 90 শতাংশ রোগ মূল কারণ আমাদের পেটের স্বাস্থ্য অর্থাৎ আমাদের পাচন প্রক্রিয়া তাই পাচন প্রক্রিয়া ঠিক না থাকলে একদিকে যেমন গ্যাস অ্যাসিডিটি ব্লোটিং এর সমস্যা হয় বিভিন্ন রকম আন্তরিক রোগ হয় তার সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি বড় সমস্যা হলো যখন হজম প্রক্রিয়া খারাপ হবে তখন এই খাবারের মধ্যে যে পুষ্টিগুণগুলো থাকে যে নিউট্রিয়েন্টস গুলো থাকে অর্থাৎ ভিটামিন মিনারেল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুলো থাকে এগুলোর সঠিকভাবে শোষণ হয়
না যেটা আমাদের শরীরের জন্য খুবই দরকারি আর এই নিউট্রিয়েন্টস গুলো যখন আমাদের শরীরে সঠিকভাবে শোষণ হয় না তখন আমাদের শরীরে ক্লান্তি দুর্বলতা অলসতা চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা স্কিন ডিজিজ অল্প বয়সে বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়া এমনকি রক্তাল্পতার মত সমস্যাও আসতে দেখা যায় অনেকেই ভাবেন যে আমাদের হজম প্রক্রিয়া শুধুমাত্র আমাদের পেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে কিন্তু না আমাদের হজম প্রক্রিয়া আমাদেরটাম লার্জ ইন্টেস্টাইন স্মল ইন্টেস্টাইন অর্থাৎ ক্ষুদ্রান্ত বিয়োদান্ত্র আমাদের পাকস্থলী অগ্নাশয় লিভার আমাদের ফুড ফাইভ অর্থাৎ ইসোফ্যাগাস এমনকি আমাদের মুখের মধ্যে যে স্যালিভারি গ্ল্যান্ড ও আমাদের দাঁত বা টিথ আছে এরাও সমানভাবে রেসপন্সিবল আমাদের খাবারটাকে সুন্দরভাবে হজম করার জন্য আজকে
এই ভিডিওর মধ্যে আপনাদের চার থেকে পাঁচটি চমৎকার ঘরোয়া উপায়ের কথা বলবো যেগুলোর সাহায্যে আপনি আপনার হজম প্রক্রিয়াকে খুব শক্তিশালী এবং স্ট্রং করে নিতে পারবেন এমনকি সাত থেকে 10 দিনের মধ্যে আপনার হজম প্রক্রিয়া 100 গুণ বেড়ে যাবে যেসব খাবার দাবার আপনি খাবেন তার প্রত্যেকটা বিন্দু বিন্দু খুব সুন্দরভাবে হজম হবে তবে তার আগে আপনাদের আমি চার থেকে পাঁচটি ব্যাড হ্যাবিটস এর কথা বলব যেগুলো আপনারা করে থাকেন যার কারণে আমাদের এই পাচন প্রক্রিয়া মূলত গড়বড় হয়ে যায় অর্থাৎ দুর্বল হয়ে যায় এক নম্বর হচ্ছে আপনি যখন খাবার দাবার খাচ্ছেন তখন খুব সুন্দর করে চিবিয়ে খাবেন নিয়ম বলছে যে খাবারের
একটি দলা যখন আপনি মুখের মধ্যে দিচ্ছেন সেটিকে 30 থেকে 32 বার চেবানা উচিত কিন্তু কিন্তু এটা তো কারো পক্ষে সম্ভব নয় যতটা বেশি সম্ভব ততবার সুন্দর করে চেবাবেন কারণ যখন আপনি চিবিয়ে খাবারটা খাচ্ছেন আপনার স্যালিভারি গ্ল্যান্ড থেকে যে স্যালাইভা বা লালা রস বের হচ্ছে সেটা খাদ্যের প্রত্যেকটা কণার সঙ্গে খুব সুন্দরভাবে মিশে যাবে এখান থেকেই কিন্তু আমাদের ডাইজেশন প্রসেসটা শুরু হয়ে যায় আপনি যদি সুন্দর করে খাবার চিবিয়ে না খান সেক্ষেত্রে এই খাবারগুলো যখন পাকস্থলীর মধ্যে যাবে তখন কিন্তু আমাদের ডাইজেস্টিভ সিস্টেম কনফিউজড হয়ে যাবে অতিরিক্ত পাচক ক্রস বা এনজাইম সে ক্ষরণ করতে পারবে না এই যে খাবারগুলো
আপনি চেবাননি এগুলোর প্রয়োজন মতো তখন হবে কি আমাদের পাচন প্রক্রিয়া আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে যাবে তাই খুব সুন্দর করে চিবিয়ে কিন্তু প্রত্যেকটা খাবারের দলাকে আপনাকে খেতে হবে এতে আপনার হজম প্রক্রিয়া খুব স্মুথ হয়ে যাবে খাবার পাকস্থলীর মধ্যে যাওয়ার পর খুব সুন্দরভাবে হজম হয়ে যাবে দুই নম্বর হচ্ছে খাবার পরেই স্নানের অভ্যাস ত্যাগ করুন অনেকেই আছেন যে খাবার খেয়ে উঠে সঙ্গে সঙ্গে স্নান করে নেন এটা একদমই করা যাবে না এর মূল কারণ হলো যখন আপনি খাবার খাচ্ছেন আমাদের পেট বা স্টোমাক কিন্তু ফুললি রেডি থাকে খাবারটাকে ডাইজেস্ট করার জন্য আর যখন আপনি খাবার খেয়ে উঠছেন তখন আমাদের পাকস্থলীর
সংলগ্ন যে ব্লাড ভেসেলস গুলো আছে সেগুলো খুব অ্যাক্টিভ থাকে আমাদের পাকস্থলীর সংলগ্ন এলাকাটায় তখন ব্লাডের সাপ্লাই বেড়ে যায় এই জায়গাটার টেম্পারেচার বা তাপমাত্রাও বেড়ে যায় কারণ খাবারকে হজম করার জন্য কিন্তু অনেক শক্তি বা তাপমাত্রার প্রয়োজন হয় যেটা আপনি ভ্রুণাক্ষরেও বুঝতে পারেন না কিন্তু যদি আপনি খাবারের পরে স্নান করতে যান তখন কিন্তু শরীরের তাপমাত্রাটা ঠান্ডা হয়ে যাবে তখন এই পাকস্থলীর সংলগ্ন যে ব্লাড ভেসেল গুলো আছে যেখানে ব্লাড বা রক্তের আধিক্য ঘটছে ওই রক্তগুলো শরীরের অন্যান্য পার্টে চলে যাবে সেই জায়গার টেম্পারেচারটাকে মেইনটেইন করার জন্য তাই খাবার পরে কোনদিনই স্নান করবেন না অন্ততপক্ষে এক থেকে দেড় ঘন্টা পরে
স্নান করবেন তিন নম্বর পয়েন্টটি যেটি আপনারা একদম করবেন না ঠান্ডা বা চিলড ওয়াটার একদমই পান করবেন না এতে হবে কি আমাদের ব্লাড ভেসেল গুলো কিন্তু কন্ট্রাক্ট হয়ে যাবে খাবার পরেই ঠান্ডা জল পান করলে ব্লাড ভেসেল গুলো যেহেতু কন্ট্রাক্ট হয়ে যাচ্ছে শুরু হয়ে যাচ্ছে আমাদের পাকস্থলীর সংলগ্ন যে এলাকাটা আছে সেই জায়গায় কিন্তু রক্তের সরাবরাহ কমে যাবে আর এটাও একটা মেজর কারণ আমাদের হজম প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে যাওয়ার জন্য সবসময় কিন্তু আপনাকে রুম টেম্পারেচারে জলই পান করতে হবে চার নম্বর যে পয়েন্টটির কথা বলব ইররেগুলার ইটিং হ্যাবিটস কিপ ফুডস অর্থাৎ অনেকেই আছে দেখবেন সময়ে খাবার দাবার খান না একটা
টাইম শিডিউল কিন্তু আপনাকে সেট করে রাখতে হবে প্রতিদিন যে টাইমে আপনি ব্রেকফাস্ট করছেন যে টাইমে লাঞ্চ করছেন বা যে টাইমে ডিনার করছেন টাইমটা কিন্তু একদম ফিক্স থাকা উচিত এতে করে আপনার হজম প্রক্রিয়া খুব ভালো হবে আপনার শরীরের যে নার্ভাস সিস্টেম আছে সেই কিন্তু একটা শিডিউলের মধ্যে থাকবে একটা টাইম তার ফিক্স থাকবে যে এই সময়ে আমার শরীরে এনজাইমস গুলোকে রিলিজ করতে হবে খাবার দাবার হজম করার জন্য তাই টাইমে খাওয়া উচিত প্রত্যেকদিন এমনকি আপনি কোন সময়ের মিলকে স্কিপ করবেন না কোন সময়ের খাবারকে বন্ধ করবেন না এতেও কিন্তু আমাদের ডাইজেস্টিভ সিস্টেম ইরিটেট হয়ে যায় পাচন প্রক্রিয়ায় গোলযোগ আসে
পাঁচ নম্বর যে পয়েন্টটির কথা বলবো সেটি হলো খাবার পরেই জল পান করবেন না এটা কিন্তু একদমই বদ অভ্যাস খাবার পরেই জল পান করলে আপনার স্টমাকের মধ্যে যে অ্যাসিড বা এনজাইমস গুলো থাকে যেগুলো খাবারকে হজম করার জন্য রেডি থাকে পাকস্থলীর মধ্যে সেই অ্যাসিডটা কিন্তু ডাইলেট হয়ে যাবে পাতলা হয়ে যাবে খাবার পরে যদি আপনি জল খেয়ে ফেলেন হজমের গড়বড় একদম হবেই 100 শতাংশ হবে তাই খাবার পরে একদমই জল পান করবেন না কমসে কম খাবার আধা ঘন্টা আগে অথবা খাবার 45 মিনিট পর আপনাকে জল পান করতে হবে এই যে পাঁচটি নিয়মের কথা বললাম এগুলো আপনারা ফলো করবেন এতে
আপনার ডাইজেস্টিভ সিস্টেম সুন্দর থাকবে পাচন প্রক্রিয়ায় কোন রকম গোলযোগ থাকবে না এইবার আপনাদের চার থেকে পাঁচটি চমৎকার ঘরোয়া উপায়ের কথা বলবো যেগুলোর সাহায্যে আপনার হজম প্রক্রিয়া কিন্তু লোহার মতো মজবুত হবে যে খাবার আপনি খান না কেন প্রত্যেকটা বিন্দু বিন্দু খুব সুন্দরভাবে হজম হবে এক নম্বর হচ্ছে আদা আদাকে প্রকৃতির বরদান বলা হয় এর মধ্যে এমন কম্পাউন্ড থাকে না যেটা আমাদের ডাইজেস্টিভ সিস্টেমের জন্য রেসপন্ন থাকে অর্থাৎ আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে সুন্দর রাখার জন্য সব উপাদান কিন্তু আদার মধ্যে মজুদ থাকে খাবার আধ ঘন্টা আগে যদি এক টুকরো আদা ছিলে চিবিয়ে খেয়ে নেন এই রসটা পেটের মধ্যে গেলেই কিন্তু আমাদের
শরীরে যেসব পাচক রসগুলো বের হয় সেগুলো দ্বিগুণ তিন গুণ ভাবে বের হবে খাবার খাওয়ার পরেই খুব সুন্দরভাবে সেই খাবার কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে ডাইজেস্ট বা হজম হয়ে যাবে বা আপনারা এমনও করতে পারেন সকালে খালি পেটে 100 মিলি লিটার বা ছোট্ট এক গ্লাস কুসুম কুসুম গরম জলের মধ্যে এক থেকে দুই চামচ মতো আদার রস বের করে সুন্দর করে মিশিয়ে নিয়ে সেটা খালি পেটে পান করতে পারেন এটা আপনাকে 24 আওয়ারস এর জন্য যে ডাইজেস্টিভ সিস্টেমের প্রবলেম সেটা ক্লিয়ার করতে সাহায্য করবে দুই নম্বর যে উপায়টির কথা বলব সেটাকে অবলম্বন করার জন্য আমাদের তিনটে জিনিসের প্রয়োজন হবে জিরা জোয়ান এবং
বিট লবণ পাঁচ চামচ গোটা জিরা নিন এবং পাঁচ চামচ জোয়ান নিন এই পাঁচ চামচ পাঁচ চামচ করে নিয়ে একটি সস প্যানের মধ্যে হালকা ড্রাই রোস্ট করে নিন কালো যেন না হয়ে যায় তারপর এই জোয়ান এবং জিরা একসঙ্গে মিশিয়ে সেটাকে গ্রাইন্ড করে পাউডার বা চূর্ণ ফর্ম তৈরি করে একটা কাঁচের এয়ার টাইট পাত্রের মধ্যে রেখে দিন প্রত্যেকদিন খাবার দাবার ঠিক এক ঘন্টা পরে অর্থাৎ সকাল দুপুর রাত্রি খাওয়ার 45 মিনিট থেকে এক ঘন্টা পরে হাফ চামচ করে এই জোয়ান এবং জিরার যে চূর্ণ আছে সেটা নিয়ে তার মধ্যে দুই থেকে থেকে তিন চুটকি মতো বিট লবণ মিশিয়ে খেয়ে নিন
এবং উপরে উপর এক গ্লাস মতো কুসুম কুসুম গরম জল পান করুন এতে দেখবেন সাত থেকে 10 দিনের মধ্যে আপনার হজম প্রক্রিয়ার মধ্যে একটা আমুল পরিবর্তন এসেছে এবং আপনি কল্পনাই করতে পারবেন না যে হজমের গোলযোগের জন্য আপনার যে গ্যাস অ্যাসিডিটি সমস্যা লেগেইছিল সেই সমস্যাটা কিন্তু আর একদমই থাকবে না তিন নম্বর যে উপায়টির কথা বলবো সেটি হলো বেলের শরবত যখন আপনি বেলের শরবত পাচ্ছেন নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করুন বেলের মধ্যে বিভিন্ন রকম ভেসজ উপাদান বা প্রাকৃতিক উপাদান থাকে যেগুলো আমাদের ডাইজেস্টিভ সিস্টেম বা হজম প্রক্রিয়াকে খুব সুন্দরভাবে রিকভারি করতে বা স্ট্রং করতে সাহায্য করে এখন মার্কেটে বিভিন্ন রকম অনলাইন
শপে বেলের চূর্ণ বা পাউডার পাওয়া যাচ্ছে বা এর পাতারও চূর্ণ পাওয়া যায় সেগুলোকে কিনে আপনারা খেতে পারেন গরম জলের সঙ্গে এক থেকে দেড় চামচ করে মিশিয়ে দরকার হলে আমি ডেসক্রিপশন বক্সে এগুলোর লিংক দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব প্রতিদিন সকালে আপনার চার থেকে পাঁচটি বেলপাতা সুন্দর করে ধুয়ে চিবিয়ে খেয়ে এক গ্লাস কুসুম গরম জল খেতে পারেন এতেও আপনারা উপকার পাবেন বা আপনারা এমনও করতে পারেন কিছু 15 থেকে 20টা বেলের পাতাকে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়ে তার চূর্ণ বা পাউডার করে একটি কাঁচের এয়ার টাইট পাত্রের মধ্যে রেখে দিন এবং প্রতিদিন দুইবার করে কুসুম কুসুম গরম জলের সঙ্গে এক চামচ করে
মিশিয়ে খাবার এক ঘন্টা পরে পরে খেতে পারেন এতেও কিন্তু আপনার হজম প্রক্রিয়ার মধ্যে একটা আমুল পরিবর্তন আসবে মাত্র এক সপ্তাহ করে দেখুন এই বেলের যে প্রিপারেশন গুলো আছে এইগুলো করলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন যে আপনার হজম প্রক্রিয়ায় ঠিক কতটা পরিবর্তন এসেছে চার নম্বরে আপনাদের বলবো পেঁপে পাতার রসের কথা এটা অনেকেই জানেন না অনেকেই জানেন যে যাদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গু হয় তাদের ক্ষেত্রে পেঁপে পাতার রস থেত করে এর রস খেলে কিন্তু প্লেটলেট বাড়ে অর্থাৎ অনুচক্রিকার পরিমাণ বাড়ে শুধু তাই না পেঁপে পাতা কিন্তু আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে শোধরাতে খুব সুন্দরভাবে সাহায্য করে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস কুসুম
গরম জলের মধ্যে যদি দুই চামচ করে পেঁপে পাতার রস থেত করে মিশিয়ে সেটা পান করতে পারেন আপনার হজম প্রক্রিয়া কিন্তু খুব শক্তিশালী এবং স্ট্রং হবে বা আপনি কাঁচা এবং পাকা পেঁপেও খেতে পারেন এ থেকেও আপনি সমান বেনিফিট পাবেন এর মধ্যে পেপসিন এবং বিভিন্ন রকম উপকারী এনজাইমস থাকে যেগুলো আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে আমুল পরিবর্তন করে দেয় কাঁচা পেঁপেকে স্লাইস আকারে কেটে শুকিয়ে তার চূর্ণ বা পাউডার ফর্ম করে সেটাও আপনি গরম জলের মধ্যে মিশিয়ে খেতে পারেন পাঁচ নম্বরে আপনাদের বলব আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে ভালো করার জন্য ফাইবার কিন্তু খুবই রেসপন্সিবল যেসব খাবার দাবারে ফাইবার আছে সেগুলো নিয়মিত আমাদের খেতে
হবে শুধু মাছ মাংস ডিম খেলে হবে না সবুজ শাকসবজি অর্থাৎ গ্রীন লিপি ভেজিটেবলস এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে স্যালাডের মধ্যে প্রচুর ফাইবার থাকে যেটা নিয়মিত আপনাকে খেতে হবে তবে যাদের পক্ষে একদমই সম্ভব নয় তারা প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস কুসুম কুসুম গরম দুধ বা এক গ্লাস কুসুম কুসুম গরম জলের মধ্যে এক থেকে দেড় চামচ মতো ইজগুলোর ভুষি মিশিয়ে খেয়ে শুয়ে পড়তে পারেন এতেও কিন্তু আপনার ডাইজেস্টিভ সিস্টেমের মধ্যে একটা আমুল পরিবর্তন আসবে আপনার হজমের যে গোলযোগ আছে সেটা সম্পূর্ণভাবে সেরে যাবে তো বন্ধুরা আজকে এই ভিডিওর মধ্যে হজম প্রক্রিয়াকে সুন্দর করার জন্য হজম প্রক্রিয়াকে স্ট্রং ও শক্তিশালী
করার জন্য যে যে জিনিসগুলো এভয়েড করতে হবে অর্থাৎ যেগুলো আপনারা করবেন না এবং যে খাবারগুলো খেলে আমাদের হজম প্রক্রিয়া খুব দ্রুত শক্তিশালী হয় সেই সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করলাম আশা করছি আজকের ভিডিওটি আপনাদের ভালো লেগেছে যদি ভালো লাগে অবশ্যই একটি লাইক করে আমাকে অনুপ্রাণিত করবেন আর এই ধরনের তথ্যপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক ভিডিওর জন্য আমার চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে পাশে বেল বাটনটি টিপে অল অপশনটি ক্লিক করে দেবেন দেখা হচ্ছে পরের ভিডিওতে ভালো থাকবেন ধন্যবাদ