Scribe
Scribe

마음에 드시나요? 리뷰 남기기

크롬 확장 프로그램 받기

둘러보기

  • 인기 동영상
  • 최근 동영상
  • 모든 채널

무료 도구

  • 자막 다운로더
  • 타임스탬프 생성기
  • 동영상 요약기
  • 단어 카운터
  • 제목 분석기
  • 자막 검색
  • 동영상 분석
  • 챕터 만들기
  • 퀴즈 생성기
  • 동영상과 채팅

제품

  • 요금
  • 블로그
  • 크롬 확장 프로그램 받기

Developers

  • Transcript API
  • API Documentation

법적 고지

  • 이용약관
  • 개인정보
  • 고객 지원
  • 사이트맵

Copyright © 2026. ♥로 제작 Scribe

— 이것이 당신의 삶을 더 쉽게 만들었다면 리뷰를 남겨주세요! 우리를 행복하게 만들어 줄 거예요.

Related Videos

अमीर बनना है तो पहले ये Video देखो | How to Get Rich in 2026

Video thumbnail
35.89k3,114 단어15m readGrade 18
공유
Channel
Finfo
আপনার কি মনে হয় পৃথিবীর সব ধনী ব্যক্তি ব্যবসা করেই ধনী হয়েছেন? যদি তাই হয়, তবে আপনি ভুল। ২০২৫ সালে ফোর্বস বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যাতে ৩০০০-এর বেশি বিলিওনেয়ার ছিলেন। তাদের প্রত্যেকের ধনী হওয়ার পথ ছিল আলাদা। কেউ ব্যবসা করে ধনী হয়েছেন, কেউ শেয়ার বাজার থেকে, কেউ খেলাধুলা থেকে, কেউ অভিনয় থেকে, কেউ গান লিখে, কেউ ইউটিউব ভিডিও বানিয়ে, আবার এমন কিছু মানুষও আছেন যারা জীবনে কোনো ব্যবসা দাঁড় করাননি। তবুও তারা কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক । এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি বিলিওনেয়ার ছিল আমেরিকা থেকে। চীন ছিল দ্বিতীয় স্থানে এবং আমাদের প্রিয় ভারত তৃতীয় স্থানে। আসলে ধনী হওয়ার ডজনখানেক উপায় রয়েছে। কিছু রাস্তা এমন আছে যেগুলোর কথা আপনারা রোজই শোনেন। কিছু এমন আছে যেগুলোর কথা হয়তো আপনারা কখনো চিন্তাও করেননি এবং একটি রাস্তা এমনও আছে যেখানে অনেক সময় আপনাকে বিশেষ কিছুই করতে হয় না। তবুও মানুষ বিলিওনেয়ার হয়ে যায়। সে বিষয়ে আমরা ভিডিওর শেষে কথা বলব। কিন্তু তার আগে একটি জরুরি প্রশ্নের উত্তর জেনে নেওয়া যাক। আসলে ধনী কে? কারো কারো কাছে ধনী তিনি, যিনি মাসে ১ লক্ষ টাকা আয় করেন। কারো কাছে তিনি ধনী, যার একটি বিএমডব্লিউ (BMW) আছে। কারো কারো কাছে ধনী তিনি, যার কোটি টাকার সম্পত্তি আছে। কিন্তু ফিন্যান্সের জগতে ধনী হওয়ার মাপকাঠি শুধু আয় নয়। মাইক টাইসন বক্সিং ইতিহাসের অন্যতম বিখ্যাত এবং সর্বোচ্চ বেতনভোগী বক্সার ছিলেন। নিজের ক্যারিয়ারে তিনি প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছিলেন। আজকের হিসেবে এই অঙ্ক হাজার হাজার কোটি টাকার সমান। কিন্তু সমস্যা টাকা উপার্জনে ছিল না। সমস্যা ছিল টাকা সামলানোর ক্ষেত্রে। টাইসনের কাছে ফেরারি, ল্যাম্বরগিনি, রোলস রয়েস এবং বেন্টলির মতো বিলাসবহুল গাড়ি ছিল। তিনি আমেরিকায় অনেক বড় বড় ম্যানশনও কিনেছিলেন। কিন্তু সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় ছিল তার পোষা প্রাণী। টাইসন বেঙ্গল টাইগার পুষতেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, একটি বাঘের দামই ছিল প্রায় ৭০,০০০ ডলার পর্যন্ত। এর পাশাপাশি বিলাসবহুল পার্টি, ব্যক্তিগত ভ্রমণ এবং রাজকীয় জীবনযাত্রায় কোটি কোটি টাকা খরচ হতে থাকে এবং ধীরে ধীরে টাকা বেরিয়ে যেতে থাকে। অবশেষে ২০০৩ সালে মাইক টাইসনকে দেউলিয়া ঘোষণা করতে হয়। সেই সময় রিপোর্ট অনুযায়ী তার ওপর কোটি কোটি ডলারের ঋণ ছিল। এখন ভাবুন তো, একজন মানুষ যিনি তার জীবনে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন, তিনি কীভাবে দেউলিয়া হয়ে গেলেন?
কারণ আয় ( Income) এবং সম্পদ ( Wealth) একই জিনিস নয়। অনেক টাকা আয় করা এক বিষয় আর সেই টাকা সামলে সম্পদ তৈরি করা অন্য বিষয়। আয় হলো সেটি যা আপনার কাছে আসে। সম্পদ হলো সেটি যা আপনার কাছে থেকে যায়। আপনি যদি মনোযোগ দিয়ে দেখেন, তবে ধনী ব্যক্তিদের মোটামুটি তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথমত, হাই আর্নার অর্থাৎ প্রচুর আয় করেন কিন্তু সম্পদ খুব একটা গড়ে ওঠে না। দ্বিতীয়ত, অ্যাসেট রিচ বা সম্পদশালী। অর্থাৎ আয় খুব বেশি নয়, কিন্তু যথেষ্ট সম্পদ রয়েছে। এবং তৃতীয়ত, ট্রুলি ওয়েলদি অর্থাৎ আয়ও আছে, সম্পদও আছে এবং তার টাকা তার জন্য কাজ করছে। তিনি ঘুমিয়ে থাকেন কিন্তু তার ব্যবসা, বিনিয়োগ, সম্পত্তি বা সম্পদ তার জন্য টাকা আয় করে চলেছে। আর এই ভিডিওতে আমরা মূলত এই তৃতীয় ক্যাটাগরিতে পৌঁছানোর বিভিন্ন পথ নিয়ে আলোচনা করব। এখন কথা বলা যাক বিশ্বের সবচেয়ে সাধারণ সম্পদ গড়ার পথ নিয়ে। চাকরি। আমাদের বেশিরভাগ মানুষই এখান থেকেই আমাদের আর্থিক যাত্রা শুরু করি। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় আপনি এমন খুব কম মানুষই পাবেন যারা কেবল বেতন থেকে ধনী হয়েছেন। তবে এর মানে এই নয় যে চাকরি থেকে সম্পদ তৈরি করা সম্ভব নয়। এই বিষয়টি বোঝার জন্য সুন্দর পিচাইয়ের গল্পটি দেখি। সুন্দর পিচাইয়ের জন্ম তামিলনাড়ুর একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে হয়েছিল। তাদের বাড়িতে প্রথমদিকে একটি টিভিও ছিল না। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার পর তিনি আমেরিকায় যান এবং ২০০৪ সালে গুগল জয়েন করেন । শুরুতে তিনি একজন কর্মচারী ছিলেন। ধীরে ধীরে তিনি গুগল ক্রোম, অ্যান্ড্রয়েড এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টে কাজ করেছেন। তার নেতৃত্ব এবং দক্ষতার কারণে ২০১৫ সালে তিনি গুগলের সিইও হন এবং পরবর্তীতে অ্যালফাবেটেরও সিইও হয়ে যান। আজ সুন্দর পিচাই বিশ্বের সফলতম কর্পোরেট নেতাদের মধ্যে গণ্য হন। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ আছেন যারা চাকরির জোরে আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করেছেন। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট , সফটওয়্যার প্রফেশনাল, ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার এবং লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী। এই মানুষগুলো কোনো স্টার্টআপ শুরু করেননি, কিন্তু নিয়মিত আয়, সুশৃঙ্খল সঞ্চয় এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে বড় সম্পদ তৈরি করেছেন। চাকরি বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ এবং সাধারণ পথ, যার মাধ্যমে মানুষ ধনী হয়। যদি চাকরি সবচেয়ে সাধারণ পথ হয়, তবে খেলাধুলা এবং বিনোদন জগত সম্ভবত সবচেয়ে গ্ল্যামারাস পথ। মাইকেল জর্ডান এক সময়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা বাস্কেটবল খেলোয়াড় হিসেবে গণ্য হতেন। তিনি তার খেলার মাধ্যমে এত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন যে তার নাম খেলার জগৎ থেকে বেরিয়ে একটি গ্লোবাল ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছিল। একইভাবে অপরাহ উইনফ্রের গল্পটিও বেশ আকর্ষণীয়। তিনি মিডিয়া এবং বিনোদন জগতে নিজের নাম তৈরি করেছেন এবং সেই প্রতিভাই তাকে বিশ্বের অন্যতম সফল নারী করে তুলেছে। তবে এখন ভারতের কথা বলা যাক। ধোনির শুরুটা কোনো বিলাসবহুল স্টেডিয়াম থেকে হয়নি। তার বাবা চাকরির সন্ধানে উত্তরাখণ্ডের পাহাড় ছেড়ে রাঁচিতে গিয়ে বসবাস শুরু করেছিলেন। এই রাঁচিতেই মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্ম এবং বেড়ে ওঠা। ধোনি টিকিট সংগ্রাহকের চাকরিও করেছিলেন। রাঁচির মতো শহর থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পর্যন্ত এই সফর সহজ ছিল না। কিন্তু নিজের প্রতিভা, শৃঙ্খলা এবং পারফরম্যান্সের জোরে তিনি ভারতীয় ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন হন, বিশ্বকাপ জেতান এবং ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম বড় নাম হয়ে ওঠেন। আজ ধোনি কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক। শাহরুখ খানের কাহিনীও অনেকটা একই রকম । দিল্লির একটি সাধারণ পরিবার থেকে আসা শাহরুখ খানের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কোনো গডফাদার ছিল না। তিনি টেলিভিশন সিরিয়াল দিয়ে তার যাত্রা শুরু করেছিলেন । তারপর সিনেমায় ছোট ছোট সুযোগ পান এবং ধীরে ধীরে তিনি বলিউডের অন্যতম বড় সুপারস্টার হয়ে ওঠেন। আজ শাহরুখ খান বিশ্বের অন্যতম ধনী অভিনেতা হিসেবে পরিচিত । কিন্তু এখানে একটি বড় সমস্যাও আছে। বিশ্বে কোটি কোটি মানুষ ক্রিকেট খেলে। লক্ষ লক্ষ মানুষ অভিনেতা হতে চায়। হাজার হাজার মানুষ গায়ক হওয়ার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু খুব কম মানুষই শিখরে পৌঁছাতে পারে। এই কারণেই খেলাধুলা এবং বিনোদন ধনী হওয়ার একটি বাস্তব পথ হলেও, এটি এমন কোনো পথ নয় যা প্রত্যেকে পরিকল্পনা করে বেছে নিতে পারে । এখানে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। পুরস্কার অনেক বড় এবং শিখরে পৌঁছানো মানুষের সংখ্যা খুব কম। ইলন মাস্ক, জেফ বেজোস, মুকেশ আম্বানি—এদের সবার পথ আলাদা হতে পারে, কিন্তু একটি জিনিস সাধারণ, আর তা হলো ব্যবসা। সম্ভবত এই কারণেই ব্যবসাকে ধনী হওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী পথ বলে মনে করা হয়। যখন আমরা ব্যবসা শব্দটি শুনি, তখন প্রায়শই আমাদের মনে বড় বড় কোম্পানির ছবি ভেসে ওঠে। কিন্তু ভারতের অর্থনীতি কেবল বড় ব্যবসা দিয়ে চলে না। কিরানা স্টোর, ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট, কোচিং সেন্টার, রেস্টুরেন্ট, মেরামতের দোকান, ট্রান্সপোর্ট ব্যবসা—এগুলোও ব্যবসারই অংশ। ভারতের কোটি কোটি মানুষ এই ধরণের ব্যবসা থেকে তাদের আয় করে এবং ধীরে ধীরে সম্পদ তৈরি করে। গত কয়েক দশকে ব্যবসার একটি নতুন রূপ সামনে এসেছে। স্টার্টআপ, ফ্লিপকার্ট, জোমাটো, ওলা— এগুলো শুধু ব্যবসা ছিল না। এগুলো ছিল স্কেলেবল বা সম্প্রসারণযোগ্য ব্যবসা। এদের লক্ষ্য শুধু একটি দোকান থেকে ১০ টি দোকান করা ছিল না, বরং পুরো দেশে পৌঁছে যাওয়া ছিল। এই কারণেই স্টার্টআপের দুনিয়ায় অনেকে খুব দ্রুত ধনী হয়েছেন। কিন্তু প্রতিটি স্টার্টআপ ফ্লিপকার্ট বা জোমাটো হয়ে ওঠে না। বেশিরভাগ স্টার্টআপ সফল হতে পারে না। অর্থাৎ, এখানে পুরস্কার অনেক বড়। কিন্তু ঝুঁকিও ঠিক ততটাই বেশি। প্রত্যেক ব্যক্তিকে শূন্য থেকে ব্যবসা দাঁড় করানোর প্রয়োজন হয় না। কিছু মানুষ আগে থেকেই সফল একটি মডেল কিনে নেয়। এটিকে ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবসা বলা হয়। যেমন ম্যাকডোনাল্ডস , ডিটিসি, ভিএলসিসি। এখানে আপনি অন্য কারো তৈরি করা সিস্টেম ব্যবহার করেন। তাই ঝুঁকি সাধারণত কম থাকে। ভারতে ধনী হওয়ার আরও একটি খুব সাধারণ উপায় রয়েছে। ফ্যামিলি বিজনেস, টাটা, বিড়লা, বাজাজ এবং হাজার হাজার অন্যান্য ব্যবসায়িক পরিবার। এখানে চ্যালেঞ্জ ব্যবসা শুরু করার নয়। চ্যালেঞ্জ হলো সেটি সামলানো এবং তাকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়া। অনেক সময় এক প্রজন্ম ব্যবসা দাঁড় করায় এবং পরবর্তী প্রজন্ম সেটিকে বহুগুণ বড় করে তোলে। ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনি একটি সিস্টেম তৈরি করেন। এমন একটি সিস্টেম যা ধীরে ধীরে আপনার উপস্থিতি ছাড়াই চলতে পারে। কিন্তু ধনী হওয়ার এমন একটি উপায়ও আছে যেখানে আপনার টাকা আপনার হয়ে কাজ করা শুরু করে। একে ইনভেস্টিং বা বিনিয়োগ বলা হয় । ওয়ারেন বাফেটকে বিশ্বের অন্যতম সফল বিনিয়োগকারী হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি তার বেশিরভাগ সম্পদ বিনিয়োগের মাধ্যমেই তৈরি করেছেন। ভারতে রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার মতো বিনিয়োগকারীরাও ছিলেন যারা শেয়ার বাজারের সাহায্যে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন। তবে বিনিয়োগ শুধু শেয়ার বাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কেউ কেউ স্টকে বিনিয়োগ করেন। কেউ মিউচুয়াল ফান্ডে, কেউ বন্ডে এবং কেউ নতুন কোম্পানিতে একদম শুরুর দিকে বিনিয়োগ করেন। রতন টাটা অনেক স্টার্টআপে একদম শুরুর পর্যায়ে বিনিয়োগ করেছিলেন। এর মধ্যে কিছু কোম্পানি পরবর্তীতে খুবই সফল হয়েছে । যদিও এই ধরণের বিনিয়োগে ঝুঁকিও অনেক বেশি থাকে কারণ প্রতিটি স্টার্টআপ সফল হয় না, কিন্তু যদি সঠিক কোম্পানি বেছে নেওয়া যায় তবে একটি বিনিয়োগই পুরো জীবন বদলে দিতে পারে। এই কারণেই বিশ্বের অনেক ধনী ব্যক্তি বিনিয়োগকে সম্পদ তৈরির সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার মনে করেন। কারণ চাকরির ক্ষেত্রে আপনি নিজে কাজ করেন। খেলাধুলা এবং বিনোদনের ক্ষেত্রে আপনার প্রতিভা কাজ করে। ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনার তৈরি করা সিস্টেম কাজ করে। কিন্তু বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আপনার টাকা কাজ করে এবং এটাই বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিশ্বের অনেক ধনী ব্যক্তি তাদের সম্পদ রিয়েল এস্টেটের মাধ্যমে তৈরি করেছেন। রিয়েল এস্টেট থেকে সাধারণত মানুষ তিনটি উপায়ে টাকা উপার্জন করে। প্রথমটি হলো সম্পত্তির দাম বেড়ে যাওয়া থেকে। ধরে নিন আপনি কোনো এলাকায় একটি জমি কিনলেন। সে সময় সেখানে খুব একটা উন্নয়ন হয়নি। কিন্তু কয়েক বছর পর সেখানে হাইওয়ে তৈরি হলো, মেট্রো এল বা বড় বড় কোম্পানি এল, তবে সেই জমির দাম অনেক বেড়ে যেতে পারে। দ্বিতীয় উপায়টি হলো ভাড়ার মাধ্যমে আয়। অর্থাৎ আপনার কাছে একটি সম্পত্তি আছে এবং আপনি সেটি ভাড়া দিয়ে নিয়মিত আয় করছেন। অনেকের আর্থিক স্বাধীনতার ভিত্তি এই ভাড়ার আয়ই হয় এবং তৃতীয় উপায়টি হলো ডেভেলপমেন্ট অর্থাৎ জমি কেনা, তাতে বিল্ডিং তৈরি করা এবং তারপর সেটি বিক্রি করা বা ভাড়া দেওয়া। এই পথেই অনেক বড় রিয়েল এস্টেট ডেভেলপাররা এগিয়ে থাকেন। ভারতে লোধা, হিরানন্দানি এবং অন্যান্য অনেক রিয়েল এস্টেট গ্রুপ এই পথেই বিশাল সম্পদ তৈরি করেছে। তবে রিয়েল এস্টেটের জগতটা অতটাও সহজ নয়। সম্পত্তি কেনার জন্য প্রায়শই বড় মূলধনের প্রয়োজন হয়। অনেক সময় প্রজেক্ট বছরের পর বছর আটকে থাকে। বাজারে মন্দা আসতে পারে। আইনি বিরোধ হতে পারে এবং অনেক সময় সম্পত্তি বিক্রি করতেও দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। তবে ধনী হওয়ার এমন একটি উপায়ও আছে যেখানে একটিমাত্র কাজ আপনাকে বছরের পর বছর ধরে টাকা উপার্জন করে দিতে থাকে। একে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি বা আইপি (IP) বলা হয়। জে. কে. রোলিংয়ের কথাই ধরুন না। তিনি বিশ্বের অন্যতম সফল এবং ধনী লেখিকাদের মধ্যে গণ্য হন। কিন্তু তার জীবন সবসময় এমন ছিল না। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে জে.
কে. রোলিং একজন সিঙ্গেল মাদার ছিলেন। তার একটি ছোট মেয়ে ছিল যার দায়িত্বও ছিল তার ওপরই। সেই সময় তিনি সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। অনেক সময় তার কাছে এতটুকুও টাকা থাকত না যে তিনি আরামে সংসার চালাতে পারেন। এই সময়েই একদিন ট্রেন ভ্রমণের সময় তার মাথায় একটি আইডিয়া আসে। এখান থেকেই হ্যারি পটারের গল্পের জন্ম হয়। জে. কে.
রোলিং এই আইডিয়া নিয়ে বছরের পর বছর কাজ করেছেন। তিনি লিখেছিলেন হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফারস স্টোন। তবে শুধু গল্প লিখে ফেলাই যথেষ্ট ছিল না। অনেক প্রকাশক তার পাণ্ডুলিপি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। একবার নয়, বহুবার, কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। অবশেষে একটি ছোট প্রকাশনা সংস্থা তার বই প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয় । এর পর যা ঘটল তা প্রকাশনা শিল্পের ইতিহাসের অন্যতম বড় সাফল্যের গল্প হয়ে উঠল। হ্যারি পটার সিরিজের বিশ্বজুড়ে ৬০ কোটিরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। বইয়ের ওপর সিনেমা তৈরি হয়েছে, গেম তৈরি হয়েছে, মার্চেন্ডাইজ বিক্রি হয়েছে এবং জে. কে. রোলিংয়ের মোট সম্পদের পরিমাণ কয়েক বিলিয়ন ডলার অনুমান করা হয়। একসময় যে নারী আর্থিক সমস্যার মোকাবিলা করছিলেন, তিনিই পরবর্তীতে বিশ্বের অন্যতম সফল লেখিকা হিসেবে নিজের জায়গা তৈরি করে নেন। অর্থাৎ একটি আইডিয়া, একটি বই এবং একটি ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি পুরো জীবন বদলে দিতে পারে। কিন্তু ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি শুধু বই এবং মিউজিকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কিছু মানুষ উদ্ভাবন করেন, নতুন প্রযুক্তি তৈরি করেন এবং তারপর সেগুলোর পেটেন্ট করিয়ে নেন। এর পর অন্য কোম্পানিগুলো সেই পেটেন্ট ব্যবহারের জন্য তাদের টাকা দেয়। বিশ্বজুড়ে অনেক উদ্ভাবক এবং বিজ্ঞানী এই পথেই প্রচুর সম্পদ গড়েছেন। তবে গত কয়েক বছরে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টির এক নতুন রূপ সামনে এসেছে। ডিজিটাল কন্টেন্ট, ইউটিউব ভিডিও, পডকাস্ট, অনলাইন কোর্স; আজ একজন ক্রিয়েটর বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বসে কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন এবং সেই কন্টেন্ট লাখ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে। মিস্টার বিস্টের কথাই ধরুন না। তিনি ভিডিও তৈরি করে শুরু করেছিলেন এবং ধীরে ধীরে বিশ্বের অন্যতম বড় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হয়ে উঠেছেন। তার বার্ষিক আয়ের পরিমাণ কোটি কোটি ডলার অনুমান করা হয়। ভারতে হাজার হাজার ক্রিয়েটরও এই পথেই এগিয়ে চলেছেন। কিন্তু ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টির জগৎ এখানেই শেষ হয় না। আজকের সময়ে সফটওয়্যার এবং অ্যাপও ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টিরই একটি রূপ। হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম এবং বিশ্বের অনেক বড় প্রযুক্তি কোম্পানি আসলে একটি আইডিয়া থেকেই শুরু হয়েছিল। একবার প্রোডাক্ট তৈরি হয়ে গেলে সেই একই প্রোডাক্ট কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে। যদি মনোযোগ দিয়ে দেখেন, তবে বই, মিউজিক, ভিডিও, কোর্স, সফটওয়্যার—এই সবকিছুর মধ্যে একটি জিনিস সাধারণ। আপনি কাজ একবার করেন, কিন্তু তার সুবিধা বারবার পেতে থাকেন। এটাই ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টির সবচেয়ে বড় শক্তি। যদি ২০ বা ৩০ বছর আগে আপনাকে ধনী হতে হতো, তবে সাধারণত আপনার কাছে মাত্র কয়েকটি পথ থাকত। চাকরি, ব্যবসা, রিয়েল এস্টেট অথবা ইনভেস্টিং। কিন্তু ইন্টারনেট ওয়েলথ ক্রিয়েশনের পুরো খেলাটিকেই বদলে দিয়েছে। একটা সময় ছিল যখন প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য আপনাকে দোকান খুলতে হতো। কিন্তু আজ অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট এবং মিশোর মতো প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে লক্ষ লক্ষ মানুষ অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রি করছে। কিছু মানুষ নিজেদের প্রোডাক্ট তৈরি করে আর কিছু মানুষ অন্য ম্যানুফ্যাকচারারদের প্রোডাক্ট বিক্রি করে। ইন্টারনেট ছোট ব্যবসাগুলোকেও পুরো দেশের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু ডিজিটাল ইকোনমি শুধু প্রোডাক্ট বিক্রির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি আরেকটি নতুন রাস্তা তৈরি করেছে— ফ্রিল্যান্সিং । ধরুন, কোনো ব্যক্তি ভারতে বসে গ্রাফিক ডিজাইন করে, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট করে, রাইটিং করে বা মার্কেটিং সার্ভিস দেয়। আজ সে ইন্টারনেটের সাহায্যে আমেরিকা, ইউরোপ বা বিশ্বের যেকোনো দেশের ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করতে পারে। এ কারণেই লক্ষ লক্ষ প্রফেশনাল আপওয়ার্ক, ফাইভার এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে গ্লোবাল ইনকাম করছে। এরপরে আসে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এই মডেলে আপনাকে নিজের প্রোডাক্ট তৈরি করার প্রয়োজন হয় না। আপনি অন্য মানুষের প্রোডাক্ট প্রমোট করেন এবং প্রতি সেলে কমিশন আয় করেন । যদি মনোযোগ দিয়ে দেখেন, তবে ডিজিটাল ইকোনমির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এখানে এন্ট্রি ব্যারিয়ার খুব কম। একটি ল্যাপটপ, ইন্টারনেট কানেকশন এবং একটি স্কিল। অনেক সময় শুরু করার জন্য এটুকুই যথেষ্ট । কিন্তু এই কারণেই প্রতিযোগিতা বা কম্পিটিশনও খুব বেশি। কারণ যখন প্রবেশ করা সহজ হয়, তখন প্রতিযোগীর সংখ্যাও বেড়ে যায়। অর্থাৎ ডিজিটাল ওয়েলথ পথে ঝুঁকি কম হতে পারে। ইনভেস্টমেন্ট কম হতে পারে কিন্তু প্রতিযোগিতা অনেক বেশি, আর যারা আলাদা ভ্যালু তৈরি করতে পারে, কেবল তাদেরই বড় সম্পদ গড়ার সুযোগ থাকে। এখন সেই পথের কথা বলি যেখানে আপনাকে বিশেষ কিছু করারও প্রয়োজন হয় না। ইনহেরিটেন্স অর্থাৎ উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পদ। যখন আমরা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকা দেখি, তখন প্রায়ই আমরা তাদের কোম্পানিগুলো দেখতে পাই। তাদের ব্যবসাগুলো দেখতে পাই। তাদের সাফল্যের গল্পগুলো দেখতে পাই। কিন্তু অনেক সময় আমরা তাদের শুরুর লাইনটি দেখতে পাই না। সত্যিটা হলো, পৃথিবীর বিশাল এক সম্পদ এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে স্থানান্তরিত হতে থাকে। যৌথ পরিবার প্রথা, পারিবারিক ব্যবসা, জমি-জমা এবং অন্যান্য সম্পদ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এগিয়ে চলে। মুকেশ আম্বানির কথাই ধরুন। আজ রিলায়েন্স বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম কোম্পানি। কিন্তু এর ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন ধীরুভাই আম্বানি। ঠিক একইভাবে টাটা গ্রুপ, বিড়লা গ্রুপ, বাজাজ গ্রুপ এবং বিশ্বের অনেক বড় বড় ব্যবসায়িক পরিবারের গল্পে জেনারেশনাল ওয়েলথ বা বংশগত সম্পদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তবে এখানে একটি কথা বোঝা খুবই জরুরি। উত্তরাধিকার পাওয়াটা ভাগ্য হতে পারে। কিন্তু তা সামলানো এবং এগিয়ে নিয়ে যাওয়া একটি দক্ষতা। ইতিহাসে এমন অগণিত উদাহরণ আছে যেখানে এক প্রজন্ম বড় সম্পদ তৈরি করেছে এবং পরের প্রজন্ম তা হারিয়ে ফেলেছে । আবার কিছু পরিবার এমনও আছে যারা সেই সম্পদকে বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছে। ধনী হওয়ার আরেকটি অস্বাভাবিক উপায় হলো ক্ষমতা। পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা রাজনীতি ও প্রভাবের মাধ্যমে নিজেদের পরিচিতি তৈরি করেছেন। রাজনীতিতে আসার উদ্দেশ্য টাকা উপার্জন করা হয় না, অন্তত তাত্ত্বিকভাবে । কিন্তু ক্ষমতার সাথে সুযোগ-সুবিধাও আসে। অর্থাৎ এখানে সম্পদ মানে টাকা নয়। এখানে সম্পদ হলো প্রভাব। এবং অনেক সময় সেই প্রভাবই পরবর্তীতে সম্পদে পরিণত হতে পারে। এতক্ষণ আমরা ধনী হওয়ার বিভিন্ন পথ দেখেছি। প্রথম দেখায় এই পথগুলো একে অপরের থেকে একদম আলাদা মনে হয়। কিন্তু যদি এগুলোকে মনোযোগ দিয়ে দেখি, তবে প্রায় প্রতিটি সম্পদের গল্পেই কিছু সাধারণ প্যাটার্ন দেখা যায়। প্রথম প্যাটার্নটি হলো, ইনকাম আগে আসে, সম্পদ পরে। ধোনির জন্য আয় এসেছিল ক্রিকেট থেকে। শাহরুখ খানের জন্য অভিনয় থেকে, ওয়ারেন বাফেটের জন্য বিনিয়োগ থেকে, মুকেশ আম্বানির জন্য ব্যবসা থেকে। পথগুলো ছিল আলাদা। কিন্তু শুরুটা হয়েছিল আয় থেকেই। দ্বিতীয় প্যাটার্নটি হলো সম্পদ। সম্পদ প্রায় কখনোই শুধু একটি উৎস থেকে তৈরি হয় না। বিরাট কোহলির কথাই ধরুন। তার আয় শুধু ক্রিকেট থেকে আসে না। ব্র্যান্ড, ব্যবসা, বিনিয়োগ এবং আরও অনেক উৎস রয়েছে তার। একইভাবে বিশ্বের বেশিরভাগ ধনী মানুষের আয়ের অনেকগুলো উৎস থাকে। তৃতীয় প্যাটার্নটি হলো লিভারেজ বা কৌশলগত সুবিধা । এটি সম্ভবত সম্পদ তৈরির সবচেয়ে শক্তিশালী গোপন রহস্য। লিভারেজ মানে হলো নিজের সক্ষমতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে নেওয়া। ব্যবসায়ী কর্মীদের সাহায্যে লিভারেজ তৈরি করেন। বিনিয়োগকারী নিজের মূলধনের লিভারেজ তৈরি করেন। ক্রিয়েটর ইন্টারনেটের লিভারেজ তৈরি করেন। অর্থাৎ ধনীরা শুধু পরিশ্রমই করেন না। তারা তাদের পরিশ্রমকে গুণিতক হারে বাড়ান এবং এই বিষয়টিই তাদের অন্যদের থেকে আলাদা করে। চতুর্থ এবং সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্যাটার্নটি হলো কম্পাউন্ডিং। কম্পাউন্ডিং শুধু টাকার ক্ষেত্রে হয় না, দক্ষতার ক্ষেত্রেও হয়, জ্ঞানের ক্ষেত্রেও হয়। যখন আমরা কোনো সাফল্যের গল্প দেখি, তখন প্রায়শই আমরা কেবল তার ফলাফলটাই দেখতে পাই। কিন্তু তার পেছনে ব্যয় করা ১০, ২০ বা ৩০ বছর আমাদের চোখে পড়ে না। তবে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আসে যে, এদের মধ্যে আপনার জন্য সঠিক পথ কোনটি?
কারণ প্রতিটি ব্যক্তির পরিস্থিতি আলাদা হয়। প্রতিটি ব্যক্তির শক্তি আলাদা হয় এবং প্রতিটি ব্যক্তির ঝুঁকি নেওয়ার মাত্রাও আলাদা হয়। তাই ওয়ারেন বাফেটের জন্য যে পথ সঠিক ছিল, তা যে আপনার জন্যও সঠিক হবে এমন কোনো কথা নেই এবং বিরাট কোহলির জন্য যে পথ কাজ করে, তা সবার জন্য কাজ করবে না। তাই নিজেকে প্রথম প্রশ্নটি করুন, আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি কী? যদি আপনি সংখ্যা, ডেটা এবং বিশ্লেষণ পছন্দ করেন, তবে ফিন্যান্স, ইনভেস্টিং বা অ্যানালিটিক্যাল ক্যারিয়ার আপনার জন্য ভালো হতে পারে। যদি আপনি সৃজনশীল হন, তবে রাইটিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন, মিউজিক, ডিজাইন বা বিনোদনের জগৎ আপনার জন্য সুযোগে পূর্ণ হতে পারে। যদি আপনার টেকনিক্যাল দক্ষতা শক্তিশালী হয়, তবে সফটওয়্যার, স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং বা টেকনোলজি বিজনেস আপনার জন্য ভালো পথ হতে পারে। আর যদি আপনি মানুষকে বুঝতে দক্ষ হন, তবে সেলস, নেটওয়ার্কিং এবং ব্যবসার মতো ক্ষেত্রগুলো আপনার জন্য ভালো প্রমাণিত হতে পারে। দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো, আপনি কতটা ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত। কিছু মানুষ স্থিতিশীলতা পছন্দ করেন। তাদের প্রতি মাসে একটি নিশ্চিত আয় প্রয়োজন। এমন মানুষদের জন্য চাকরি এবং বিনিয়োগের সমন্বয় ভালো হতে পারে। কিছু মানুষ একটু বেশি ঝুঁকি নিতে পারেন। তারা ব্যবসা বা রিয়েল এস্টেটের মতো পথ বেছে নিতে পারেন এবং কিছু মানুষ অনেক বড় ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত থাকেন। তারা স্টার্টআপের মতো জগতে পা রাখেন যেখানে ব্যর্থতার ঝুঁকিও বড় এবং সাফল্যের পুরস্কারও। তৃতীয় প্রশ্ন হলো, এই মুহূর্তে আপনার কাছে সবচেয়ে বেশি কী আছে? সময়, টাকা নাকি দক্ষতা?
যদি আপনি তরুণ হন এবং আপনার কাছে সময় বেশি থাকে, তবে সম্ভবত আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো সময়ই। সেই সময়ের ব্যবহার নতুন দক্ষতা শেখার কাজে লাগানো যেতে পারে। যদি আপনার কাছে মূলধন থাকে, তবে বিনিয়োগ এবং সম্পদ গড়ার সুযোগ বেশি হতে পারে। আর যদি আপনার কাছে কোনো মূল্যবান দক্ষতা থাকে, তবে ফ্রিল্যান্সিং , কনসাল্টিং, ব্যবসা বা কনটেন্ট ক্রিয়েশনের মতো পথ আপনার জন্য খুলে যেতে পারে। অর্থাৎ সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন এটি নয় যে, দুনিয়ার সবচেয়ে ভালো পথ কোনটি? সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন হলো, আপনার পরিস্থিতি, দক্ষতা এবং ব্যক্তিত্বের নিরিখে সবচেয়ে ভালো পথ কোনটি?
관련 동영상
My Daughter Survives WORLD'S TINIEST CAR
31:45
My Daughter Survives WORLD'S TINIEST CAR
Jordan Matter
6.1M views
Survive 100 Days In Nuclear Bunker, Win $500,000
32:21
Survive 100 Days In Nuclear Bunker, Win $5...
MrBeast
340M views
Survive 30 Days Chained To Your Ex, Win $250,000
37:04
Survive 30 Days Chained To Your Ex, Win $2...
MrBeast
187M views
50 Ways To Use Chocolate
47:11
50 Ways To Use Chocolate
Nick DiGiovanni
12M views
Destroy Your House, Win a New One!
34:35
Destroy Your House, Win a New One!
Stay Wild
2.5M views
Men Vs Women Survive In The Wilderness For $500,000
31:48
Men Vs Women Survive In The Wilderness For...
MrBeast
217M views
Opening his Dream Christmas Present
24:18
Opening his Dream Christmas Present
The Royalty Family
9.1M views
1000 Players Simulate Civilization: Boys vs Girls
52:36
1000 Players Simulate Civilization: Boys v...
MrBeast Gaming
12M views
Ronaldo vs My Unbeatable Goalie Robot
26:34
Ronaldo vs My Unbeatable Goalie Robot
Mark Rober
29M views
50 YouTubers Fight For $1,000,000
41:27
50 YouTubers Fight For $1,000,000
MrBeast
433M views
Defeat This Minecraft Boss, Win $100,000
26:08
Defeat This Minecraft Boss, Win $100,000
Karl
21M views
Beast Games | Episode 1 (Full Episode)
35:35
Beast Games | Episode 1 (Full Episode)
MrBeast
63M views
BOYS vs GIRLS Trapped in a TINY ROOM
32:40
BOYS vs GIRLS Trapped in a TINY ROOM
Jordan Matter
50M views
Survive 100 Days In Prison, Win $500,000
39:36
Survive 100 Days In Prison, Win $500,000
MrBeast
136M views