বন্ধুরা আজকে এই ভিডিওর মধ্যে এমন তিনটি ভিটামিনের ব্যাপারে বলব ঠিক 40 বছর বয়সটা পেরলেই এই তিনটে ভিটামিন প্রত্যেকের নেওয়া উচিত 40 বছর বয়স পেরলে আমাদের শরীরে এই তিনটে এসেনশিয়াল ভিটামিনস এর মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে আপনারা জেনে রাখবেন এই তিনটে ভিটামিনই খুব সস্তা এবং সহজলভ্য 40 বছর বয়স পেরলে আমরা বিভিন্ন রকম লাইফস্টাইল ডিসঅর্ডারের মুখোমুখি হই যেমন আমাদের মেটাবলিজম স্লো হয়ে যায় যে কারণে আমাদের বিভিন্ন রকম ডাইজেস্টিভ ইস্যুজ আছে তার সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস এসিডিটি ব্লোটিং এর সমস্যা লেগে থাকে আর এই সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে ক্লান্তি দুর্বলতা অলসতা এনার্জি স্ট্যামিনার অভাব এইগুলো আমাদের শরীরে লেগেই থাকে দুই নম্বর
হচ্ছে আপনার মাথা ঘোরা শরীরের মধ্যে একটা ইমব্যালেন্স এসে যায় যে কারণে হয়তো একদিন আপনি হঠাৎ আপনার ব্লাড প্রেসার মেপে দেখলেন যে ব্লাড প্রেসার খুব হাই আছে এর কারণস্বরূপ ডায়াগনোস্টিক টেস্টের মধ্যে দেখা গেল যে আপনার রক্তের মধ্যে লিপিডস বাড়ায় আছে অর্থাৎ কোলেস্টেরল ট্রাইগ্লিসারাইড খুব বেশি পরিমাণে আছে যে কারণে অল্প আপনার হার্টের সমস্যা ধরা পড়েছে এছাড়া ডায়াবেটিস তো এখন একটি কমন রোগ যেটা প্রায় তিনজনের মধ্যে একজনের মধ্যে দেখা দিচ্ছে ব্লাড গ্লুকোজ কোন কারণেই কন্ট্রোলের মধ্যে আসছে না আর এটা দীর্ঘমেয়াদী চলতে থাকলে ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথির মত সমস্যা এসে যাচ্ছে যেটাতে বহু মানুষ বর্তমান সময়ে ভুগছেন হাত পা কাঁপার সমস্যা
শরীরের মধ্যে ব্যথা বেদনার সমস্যা ইলেকট্রিক টাইপ পেইন শখ লাগার মত ব্যথা কাঁটা ফোটার মত ব্যথা এই যে সমস্যাগুলো আছে সবই কিন্তু নিউরোপ্যাথির সমস্যা থেকে হয়ে থাকে আরেকটি সমস্যা হলো 40 বছরের বয়সের পরে এই ভিটামিনের মাত্রা আমাদের শরীরে কমে গেলে কিন্তু জয়েন্টের ইনফ্লামেশন বা পেইনের সমস্যা হয় বিভিন্ন রকম আর্থরাইটিসের সমস্যা আসতে দেখা যায় যে কারণে আমরা জড়সড় হয়ে পড়ি শরীরে ব্যথা বেদনার সমস্যা আমাদের কাবু করে ফেলে এবং শেষে যে পয়েন্টটির কথা বলব সেটি হলো আমাদের হোল বডির যে নিউরোপ্যাথির সমস্যা আছে এবং আমাদের সাইকোলজিক্যাল লেভেলে বা আমাদের মেমোরি লেভেলে কিছু লস হতে থাকে যেটা কিন্তু 40 বছর
বয়সের পরই হয় আজকে এই ভিডিওর মধ্যে যে তিনটে ভিটামিনস এর কথা বলব এগুলো এতটাই এসেনশিয়াল বা গুরুত্বপূর্ণ আপনি যদি নিয়মিত এই তিনটে ভিটামিনকে নিতে পারেন সেক্ষেত্রে এই যে এতগুলো অসুবিধার কথা বললাম এই সব অসুবিধাগুলো থেকে আপনি কিন্তু উইদাউট মেডিসিন কোন রকম ঔষধ ছাড়াই খুব সহজেই মুক্তি পাবেন এবং আফটার 40 আপনি আপনার শরীরে যে এনার্জি বা স্ট্যামিনা ধরে রাখতে পারবেন সেটা কিন্তু আর পাঁচজন পারবে না আপনার স্কিন ভালো থাকবে চুল ভালো থাকবে এমনকি ওভারঅল বডির ফাংশন স্ট্রং এবং মজবুত থাকবে তো এইবার আপনাদের বলি যে এই তিনটি ভিটামিন কি কি যেগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক নম্বর যে ভিটামিনটি
আছে সেটি হলো ভিটামিন সি এই ভিটামিন সি এর গুরুত্ব আমাদের শরীরে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ বিশেষত 40 এর পরে ভিটামিন সি এর গুরুত্ব আপনারা তখনই বুঝেছিলেন যখন কোভিডের সিচুয়েশন চলছিল তখন প্রত্যেকের বাড়িতে বাড়িতে কিন্তু ভিটামিন সি এর পাতা মজুদ থাকতো তারা নিয়মিত খেতেন যাতে তাদের শরীর স্ট্রং থাকে তারা ভাইরাসের প্রকোপে না পড়েন এই ভিটামিন সি কিন্তু 40 এর পর ধীরে ধীরে কমতে থাকে ভিটামিন সি এক প্রকার পাওয়ারফুল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হয়ে থাকে এটা মেডিকেল সাইন্স বলছে আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট করে কি আমাদের শরীরে অক্সিডেশনের কারণে যে ফ্রি রেডিকেলস গুলোর উপদ্রব হয় সেগুলোকে দমন করতে সাহায্য করে আর এই ফ্রি রেডিকেলস এর
কারণেই কিন্তু আমাদের শরীরে বিভিন্ন ইনফ্লামেটরি ডিজিজ তৈরি হয় বিভিন্ন রকম রোগভোগ তৈরি হয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এই ফ্রি রেডিকেলস গুলোকে দমন করতে সাহায্য করে ভিটামিন সি আমাদের স্কিনের যে কোলাজেন থাকে এই কোলাজেন নামক প্রোটিনটাকে বাড়াতে সাহায্য করে বা এর প্রোডাকশনকে বাড়াতে সাহায্য করে আর এই কোলাজেন এমন এক ধরনের প্রোটিন যেটা আমাদের স্কিনের টেক্সচার এবং ইলাস্টিসিটি কে ধরে রাখতে সাহায্য করে তাই ভিটামিন সি নিয়মিত সেবন করলে কিন্তু আপনি সহজে বুড়িয়ে যাবেন না অর্থাৎ অল্প বয়সে বয়সের ছাপ পড়ে যাবে না স্কিন টানটান থাকবে মজবুত থাকবে মসরিন থাকবে অর্থাৎ আমাদের এজিং প্রসেসটাকে স্লো করে দেয় ভিটামিন সি আমাদের শরীরে ইমিউন
যে সিস্টেম আছে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা এটাকে ধরে রাখার জন্য ভিটামিন সি এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে নিয়মিত ভিটামিন সি আপনি যদি নিতে থাকেন ডায়েটের মাধ্যমে সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনার রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়বে ছোটখাটো যে রোগভোগ গুলো আছে যেমন জ্বর অর্থাৎ ফিভার সর্দিকাশির সমস্যা বা আরো যে ছোটখাটো রোগভোগ গুলো আছে সেগুলো থেকে আপনি খুব সহজেই বেঁচে যাবেন 44 এর পরে আমাদের ভুলে যাওয়ার সমস্যা হয় আমাদের ব্রেনের নানা রকম সমস্যা হয় এনি টাইম স্ট্রেস টেনশন এংজাইটি ডিপ্রেশনে আমরা ভুগে থাকি আমাদের ব্রেনের যে কার্যক্ষমতা আছে সেটাকেও ধরে রাখার জন্য ভিটামিন সি এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে ভিটামিন সি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে
থাকলে আপনার ব্রেন কিন্তু ফ্রেশ থাকবে আপনি সবকিছু মনে রাখতে পারবেন আপনার কাজের মধ্যে এটেনশন ফোকাসটাকে খুব ভালোভাবে দিতে পারবেন তাই নিয়মিত ভিটামিন সি কিন্তু আমাদের নেয়া উচিত যদি আপনার বয়সটা 40 ক্রস করে যায় ভিটামিন সি আপনি কিভাবে নেবেন এর ফ্রুট সোর্স থেকে নেওয়াটা সবথেকে ভালো ভিটামিন সি টক জাতীয় যেসব ফল আছে সাইট্রাস ফ্রুট যেমন পাতিলেবু মৌসুমী লেবু কমলালেবু আনারস ক্যাপসিকাম ব্রোকলি এই যে খাবার দাবার গুলো আছে বা ফ্রুটস ভেজিটেবলস গুলো আছে এগুলো থেকে আপনি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাবেন এছাড়া আপনি টমেটো খেতে পারেন টমেটোর মধ্যেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে যদি আপনি খাবার দাবার থেকে
ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করতে না পারেন সেক্ষেত্রে 40 এর পরে অবশ্যই কিন্তু আপনাকে সাপ্লিমেন্টেশনের দিকে যেতে হবে এটাকে পূরণ করার জন্য না হলে এই ধরনের নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন তবে সবথেকে ভালো হয় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ যেসব খাবার দাবার আছে স্কিনের মধ্যে আমি চার্ট দিয়ে দিচ্ছি এইগুলো বুঝে নিয়ে আপনি নিয়মিত খেতে থাকুন কখনোই কিন্তু আপনার শরীরে ভিটামিন সি এর ঘাটতি হবে না দুই নম্বর যে ভিটামিন টির কথা বলবো সেটি হলো ভিটামিন ডি এই ভিটামিন ডি সম্পর্কে অনেকেই জানেন এটাকে সানশাইন ভিটামিন বলা হয়ে থাকে কারণ ভিটামিন ডি এর সিংহভাগটা আমরা সূর্যের আলো থেকে পাই
অর্থাৎ সানলাইট থেকে পেয়ে থাকি কিন্তু আপনারা জানেন কি এই ভিটামিন ডি এক প্রকার স্টেরয়েডের মত কাজ করে যখন আমাদের কোন জীবনমুখী রোগ ব্যাধি হয় তখন আমাদের শরীরে স্টেরয়েড প্রয়োগ করা হয় এই স্টেরয়েড আপনাকে দ্রুত সুস্থতা প্রদান করতে সাহায্য করে কিন্তু স্টেরয়েডের বিভিন্ন রকম পার্থ প্রতিক্রিয়া বা সাইড ইফেক্ট আছে কিন্তু এই যে সানলাইট থেকে আমরা যে ভিটামিন ডি নিয়ে থাকি এই ভিটামিন ডি এর নেচারটা যেহেতু স্টেরয়েডের মতো এটাকে ন্যাচারাল স্টেরয়েড বলা হয় এটা আমাদের শরীর কোন সাইড ইফেক্ট দেয় না অথচ আমাদের শরীরে 40 এর পরে যে হরমোনাল ইমব্যালেন্স হয় সেটাকে খুব সুন্দরভাবে মেইনটেইন করতে সাহায্য করে
বিশেষত 40 এর পরে মহিলাদের মধ্যে এজিং প্রসেস খুব দ্রুত শুরু হয়ে যায় স্কিন কুচকে যায় ত্বকের মধ্যে দাগ চোখ ব্রণ পোড়া ফুসফুরি নানা রকম সমস্যা হয় এমনকি মেনোপোজের পরেও নানা রকম যে হরমোনাল ইমব্যালেন্স থাকে সেইগুলোকেও ভিটামিন ডি খুব সুন্দরভাবে মেইনটেইন করে তাই 40 প্লাস যে সময় মহিলারা আছেন তারা অবশ্যই ভিটামিন ডি এর উপর খুব সুন্দরভাবে গুরুত্ব দিতে থাকুন ভিটামিন ডি এর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যে কাজ হচ্ছে সেটা আমাদের বোনস এর উপর অর্থাৎ হাড়ের উপর এ আমাদের হাড় জয়েন্ট এগুলোকে মজবুত এবং স্ট্রং করতে সাহায্য করে কারণ আমাদের শরীরে ক্যালসিয়াম কে মেইনটেইন করার জন্য এর আয়ন গুলোকে কার্যকরিতা
সঠিকভাবে করানোর জন্য ভিটামিন ডি এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে ভিটামিন ডি ছাড়া কিন্তু ক্যালসিয়াম কোনভাবেই ভালো ভাবে রেগুলেট হবে না তাই ভিটামিন ডি আমাদের অবশ্যই নিতে হবে এমনকি এই ভিটামিন ডি আমাদের বিভিন্ন রকম ইন্টার্নাল মেটাবলিক যে ফাংশন আছে ব্রেনের যে ফাংশন আছে নার্ভের যে ফাংশন আছে সমস্ত কিছুর ক্ষেত্রেই এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে 40 বছরের পরে আমাদের যে মেমোরি লসের সমস্যা হয়ে থাকে এতে ভিটামিন ডি খুব ভালোভাবে কাজ করে নানা রকম মেডিসিন দেওয়া হয় কিন্তু ভিটামিন ডি এক্ষেত্রে খুব সুন্দর কাজ করে এছাড়া ভিটামিন ডি ও আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে মজবুত করতে সাহায্য করে ভিটামিন ডি সবথেকে
বেশি পরিমাণে আমরা সানশাইন থেকে পেয়ে থাকি যদি আপনার এলাকায় ঝকঝকে রোদ বের হয় সকালের দিকে সেক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে 20 মিনিট আপনি এই রোদের মধ্যে শরীরের অধিকাংশ অংশটা যতটা সম্ভব খোলা রেখে বসে থাকুন এ থেকে আপনি যথার্থ পরিমাণে ভিটামিন ডি পেয়ে যাবেন কিন্তু যারা ঘরের ভিতরে কাজ করেন বা সাতসে এলাকা যে জায়গায় সূর্যের রশ্মি পাওয়া যায় না সেই সমস্ত ক্ষেত্রে কিন্তু আপনাদের ফুড অর্থাৎ ডায়েট নিতে হবে যেমন মাশরুম ডিমের হলুদ অংশ ফর্টিফাইড সিরিয়ালস হোল গ্রেনস এই ধরনের যে খাবার দাবার আছে কিছু মাছ আছে যেমন পুনা সারডিন সালমন এইসব সামুদ্রিক মাছের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে তবে
যারা খাবার দাবারের মাধ্যমে ভিটামিন ডি কে পূরণ করতে পারছেন না তারা প্রথমে ভিটামিন ডি এর লেভেলটা চেক করুন এবং সেই হিসাবে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো এর সাপ্লিমেন্ট আছে সেই হিসাবে নিয়মিত আপনারা নিতে থাকুন ভিটামিন ডি যদি আপনি নিয়মিত ডায়েট থেকে নিতে পারেন এই ধরনের আপনার হাড়গোড় খুব শক্ত হবে মজবুত হবে ব্রেইন স্ট্রং হবে আপনার মেমোরি লসের সমস্যা কমে যাবে এমনকি হরমোনাল ইমব্যালেন্স থাকলে সেগুলো সুন্দরভাবে ব্যালেন্স থাকবে আপনার শরীরে একটা আলাদা স্ট্রেন্থন আসবে মজবুতি ধরে রাখার ক্ষমতা থাকবে তিন নম্বর যে ভিটামিন টির কথা বলবো সেটি হলো ভিটামিন বি 12 এই ভিটামিন বি 12 বা সিয়ানো কোবালামিন এতটাই
গুরুত্বপূর্ণ 40 এর পরে আপনারা কল্পনাই করতে পারবেন না বর্তমান সময়ে 40 কেন 30 থেকে 35 বছরের উপরেই অধিকাংশ মানুষ নার্ভের সমস্যায় জর্জরিত হয়ে আছেন আর এর লক্ষ লক্ষী কোটি কোটি পেশেন্ট আছেন যারা নিয়মিত নার্ভের সমস্যায় ভুগছেন তাদের নার্ভ দুর্বল হয়ে গেছে হাত পা কাঁপে সবসময় স্ট্রেস টেনশন কাজ করে হাতে পায়ের মধ্যে জ্বালা পোড়া কাঁটাপোটার মত ব্যথা হাত পা কাঁপা দুর্বল হয়ে যাওয়া ব্রেন সঠিকভাবে কাজ না করা কাজে ফোকাস এটেনশন ঠিকভাবে না করতে পারা এমনকি সাইকোলজিক্যাল লেভেলে তাদের সেন্সরি নার্ভাস সিস্টেম এতটাই দুর্বল হয়ে যায় যে তারা সবসময় ভয় পান বাড়ির বাইরে বেরোতেই ভয় পান সামাজিক কাজকর্ম
করতে পারেন না এই ধরনের সমস্যা তৈরি হয়ে যায় আর এর বেড়াজাল থেকে তারা কোন রকম ভাবেই বেরোতে পারেন না এমনকি সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শ নেওয়ার পরেও তারা দীর্ঘদিন যাবত এসব সাইকোলজি লেভেলের সমস্যার মধ্যে ভুগে থাকেন এইসব সমস্যাকে দূর করতে পারে কিন্তু ভিটামিন বিটু অর্থাৎ সিওনো কোবালামিন এর মূল কাজ হলো এ আমাদের নার্ভকে স্ট্রেন্থন করে আমাদের মাথা থেকে পা পর্যন্ত যেসব সূক্ষ সূক্ষ কোটি কোটি নার্ভ আছে সব নার্ভকে কিন্তু মজবুতি বা সুস্থতা প্রদান করে এই ভিটামিন বি 12 এই আমাদের নার্ভের উপরে যে চাদর বা মাইলিন শিট আছে সেটাকে মজবুত করে বা সেটাকে রিপেয়ার করতে সাহায্য করে নার্ভকে পুষ্টি
প্রদান করে নার্ভ কোন কারণে ড্যামেজ হয়ে গেলে সেটাকে আবার ধীরে ধীরে রিপেয়ার করতে সাহায্য করে এই ভিটামিন বি 12 আমাদের শরীরে কিন্তু রক্ত তৈরিতেও সাহায্য করে অর্থাৎ হিমোগ্লোবিন লাল রক্তকণা তৈরিতেও সাহায্য করে এক্ষেত্রে আরেকটি কথা বলে রাখি এই যে ভিটামিন সি এর কথা বলেছিলাম সি কিন্তু আমাদের শরীরে আয়রনের শোষণকে খুব সুন্দরভাবে বাড়ায় তাই ভিটামিন সি আমাদের রক্ত তৈরিতেও একদিক থেকে সাহায্য করে যেহেতু ডেফিশিয়েন্সি যাদের অ্যানিমেয়া আছে তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই ভিটামিন সি নিতে হবে যাই হোক ভিটামিন বি 12 এ আসা যাক এই ভিটামিন বি 12 এর অভাব হলে কিন্তু আমাদের শরীরে হিমোগ্লোবিন কম তৈরি হবে সেক্ষেত্রে
আমাদের শরীরে হাঁপানি ক্লান্তি দুর্বলতা শ্বাসকষ্ট অলসতা এইগুলো আসবে তখন যখন আপনি হালকা পরিশ্রম করতে যাবেন কারণ ভিটামিন বিটু ছাড়া কিন্তু আমাদের শরীরে হিমোগ্লোবিন তৈরি হবে না আর হিমোগ্লোবিন তৈরি না হলে আমাদের শরীরের প্রত্যেকটা প্রান্তে সঠিকভাবে অক্সিজেন যাবে না কারণ হিমোগ্লোবিন আমাদের শরীরে অক্সিজেনকে ট্রান্সপোর্ট করে নিয়ে যায় এই ট্রান্সপোর্টারের সংখ্যাটা কমে গেলে কিন্তু শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি হবে শ্বাসকষ্ট হবে বুকচাপ ধরবে চোখ ধোঁয়া হয়ে যাবে সবসময় চোখের মধ্যে একটা ভাসা ভাষা ভাব থাকবে আপনি এটেনশন ফোকাস কোন কারণেই ঠিক করতে পারবেন না তাই ভিটামিন বি 12 আমাদের শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের ব্রেনের যতগুলো
রোগ বা ডিজিজ আছে ব্রেনের যত দুর্বলতা আছে সমস্ত কিছুর ক্ষেত্রে ভিটামিন বিটু এক কথায় অনবত্য ঔষধ এছাড়া আমাদের 40 এর পরে হোমোসিস্টিন নামে এক ধরনের হরমোন আছে যেটা মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে ভিটামিন বি 12 রেগুলার নিলে ডায়েটের মাধ্যমে সেক্ষেত্রে কিন্তু এই হোমোসিস্টিনের মাত্রা ব্যালেন্স হতে দেখা যায় যাতে আমাদের শরীরে নানা রকম রোগভোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না তাই ভিটামিন বি 12 সমৃদ্ধ খাবার দাবার আপনাকে নিয়মিত খেতে হবে যদি আপনি মাছ মাংস ডিম খান সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনি রেডমিট অর্থাৎ মুরগির মাংস খাসির মাংস বা এনিমি মেট থেকে আপনি কিন্তু এই ভিটামিন বি 12 যথার্থ পরিমাণে পাবেন বিশেষ
করে পোল্টির যে মেটে বা কলিজা আছে এ থেকে আপনি পেতে পারেন বা খাসির যে মেটে আছে সেটা থেকেও আপনি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি 12 পাবেন এছাড়া সবজির মধ্যে ব্রোকলি আছে পালং শাক এই ধরনের যে শাকগুলো আছে এগুলোতে পাবেন ভিটামিন বি 12 মাছ আছে সামুদ্রিক যেকোনো মাছ আছে বা সি ফুড থেকে আপনি যথার্থ পরিমাণে ভিটামিন বি 12 পাবেন খাবার আবার থেকে যদি আপনি ভিটামিন বি 12 এর চাহিদা পূরণ করতে না পারেন সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনাকে সাপ্লিমেন্টেশনে যেতে হবে বারবার বলে দিচ্ছি সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার আগে অবশ্যই একজন রেজিস্টারড মেডিকেল প্র্যাকটিশনারের পরামর্শ বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনমতেই সাপ্লিমেন্টের দিকে যাবেন না
মার্কেটে বিভিন্ন রকম এই ভিটামিন বিটু বা বি গোষ্ঠীর আরো ভিটামিন সমৃদ্ধ ট্যাবলেট এভেলেবেল আছে যেগুলো খুবই সস্তা এবং সহজলভ্য যেকোনো ফার্মেসি বা মেডিকেল স্টোরি পেয়ে যাবেন সেগুলো নিয়মিত নিতে পারেন সেক্ষেত্রে ভিটামিন বি 12 এর চাহিদা পূরণ হবে আপনারা যদি এইখান পর্যন্ত এই ভিডিওটিকে দেখেন তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ থ্যাংকস এবং আগেও যদি আপনারা এই ধরনের বিষয়ভিত্তিক তত্ত্বপূর্ণ ভিডিও এই চ্যানেলে পেতে চান তাহলে আমার সঙ্গে যুক্ত থাকুন একটি লাইক করুন আর এই ধরনের ভিডিও পাওয়ার জন্য আমার চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে পাশে বেল বাটনটি টিপে অল অপশনটি ক্লিক করে দিন দেখা হচ্ছে পরের ভিডিওতে ভালো থাকবেন ধন্যবাদ